টাঙ্গাইল বন বিভাগের অধীন বাঁশতৈল রেঞ্জের বংশীনগর বিটের পেকুয়া এলাকা থেকে অনুমতি না নিয়ে প্রায় দুই হাজারটি আকাশমনি গাছ কাটা হয়েছে। দুই একর জমির গাছ কাটা শেষে নির্বিঘ্নে বিক্রি করা হলেও এবিষয়ে কিছুই জানে না বন বিভাগের কর্মকর্তারা। প্লটটি বাঁশতৈল রেঞ্জের বংশীনগর বিটের অধীনে। আর ওই বিটের দায়িত্বে আছেন রমিউজ্জামান।
২০১১ সালের বনজদ্রব্য পরিবহণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালায় বলা হয়েছে, সামাজিক বনায়নের গাছ কাটতে হলে বন বিভাগের অনুমতি নিতে হয়।
কিন্তু দুই একর জায়গার গাছ কাটা হলেও কর্তৃপক্ষ কিছুই জানে না বলে জানান, বাঁশতৈল রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা। অন্যদিকে, গাছের ব্যাপারীর (ক্রেতা) দাবি তিনি অনুমতি নিয়েই গাছ কেটেছেন।
সরেজমিনে ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, পেকুয়া চৌরাস্তা থেকে মাত্র এক থেকে দেড়শ’ গজ উত্তরে নাজিম উদ্দিন সিকদারের ২ একরের একটি প্লট। প্লটটি সীমানাপ্রাচীর দিয়ে ঘেরা; তাই শত শত গাছ কেটে ট্রাক বোঝাই করা হলেও বাইরে থেকে দেখা যায় না। আর সেই সুবিধা কাজে লাগিয়ে সেখানে আকাশমনির একটি বাগান থেকে গাছ কেটে ট্রাক দিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আর এই ট্রাকগুলো প্রকাশ্য দিবালোকে বাঁশতৈল রেঞ্জ অফিস, হাটুভাঙ্গা চেক পোস্ট অতিক্রম করে নির্বিঘ্নে চলে যাচ্ছে কোন অদৃশ্য হাতের ইশারায়।
জমির মালিক নাজিম উদ্দিন সিকদার গাছ বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, গাছ কেটে নেয়ার দায়িত্ব ব্যাপারীর, আমার না।
এবিষয়ে গাছের ব্যাপারী (ক্রেতা) খরম আলী বলেন, আমি যথাযথ ভাবে গাছ কেটেছি। দাবি তিনি অনুমতি নিয়েই গাছ কেটেছেন।
এবিষয়ে কথা বলতে বংশীনগর বিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিট কর্মকর্তা রমিউজ্জামানকে পাওয়া যায়নি। তার মুঠো ফোনে যোগযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে গাছ কাটার বিষয়ে কোন অনুমতি দেয়া হয়নি বলে জানান, বাঁশতৈল রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম। এসময় তিনি বাঁশতৈল সদর রেঞ্জের বিট কর্মকর্তাকে কাঠ পরিবহনের সময় ট্রাক আটকের নির্দেশ দেন। কিন্তু এই সংবাদ লেখা পর্যন্ত কাঠ বোঝাই কোন ট্রাক আটকের সংবাদ পাওয়া যাইনি।
এবিষয়ে জানতে টাঙ্গাইল বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক মুঠোফোনে বলেন, গাছ কাটতে অনুমতি লাগে। পরে ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে আমি একটি মিটিং এ আছি বলে ফোন কেটে দেন। সূত্র: বাপ্র
//অনলাইন নিউজ//
ফেসবুক- হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রাম চলছেনা…! বিশ্বজুড়ে সার্ভার ডাউন

