জাতির ক্রান্তিকালে অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি

জাতির ক্রান্তিকালে অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি

 

বাংলাদেশে ঝড়,বন্যা,জলোচ্ছ্বাসসহ বিভিন্ন দূর্যোগ প্রবণ দেশ। এখানে বার মাসে তেরো পার্বণের ন্যায় বিভিন্ন দূর্যোগ সংগঠিত হয় আর লক্ষ লক্ষ মানুষ অসহায় হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়।তখন দেশ ও দশের প্রয়োজনে অসহায় মানুষের অসহায়ত্ব দূর করার জন্য সবসময় হাত বাড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি।

গতবছর ৮ মার্চ-২০২০ বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী সনাক্ত হওয়ার পর করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় জনগণের জীবন ও জীবিকার কথা চিন্তা করে সরকার বিভিন্ন সময় লকডাউন ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছে। এবছর ইদের পর থেকে আবারও করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার গতবছরের চেয়ে অধিক হওয়ায় সরকার কয়েকধাপে লকডাউন ঘোষণা করেন।

আর এই লকডাউন চলাকালে কর্মহীন হয়ে পড়েছে দেশের হতদরিদ্রসহ দিন আনে দিন খাওয়া অনেক মানুষ। আয় রোজগার বন্ধ হওয়ায় অনেক পরিবার দুবেলা দুমুঠো অন্নের সংস্থান করতে পারছেন না।দিন যত যাচ্ছে ততোই কর্মহীন হয়ে পড়েছেন অসংখ্য মানুষ। ফলে শহরের রাস্তাগুলিতে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ক্ষুধার্ত মানুষের ঢল।

জাতির ক্রান্তিকালে অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি

জাতির এমনই একটি ক্রান্তিকালে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি( পুনাক)সীমিত সামর্থ নিয়ে শহরের ক্ষুধার্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। সমিতির সভানেত্রী জিসান মীর্জার উদ্যোগে গত ৪ জুলাই-২০২১ তারিখ থেকে শুরু করে চলছে এ মহতী উদ্যোগ এবং পুনাকের একাধিক টীম শহরের বিভিন্ন রাস্তায় ঘুরে ঘুরে খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন ক্ষুধার্ত মানুষের হাতে।

এরই ধারাবাহিকতায় আজ ৮ জুলাই -২০২১ রোজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১.৩০ টায় রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের মাঠে বৃহৎ পরিসরে আয়োজন করা হয় “অসহায় ও দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরন”অনুষ্ঠান। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রায় ৭০০ মানুষের মাঝে স্বাস্থ্যবিধি মেনে খাবার বিতরণ করা হয়।

পুনাক সভানেত্রী জিসান মীর্জা উক্ত অনুষ্ঠানে ঊপস্থিত থেকে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করেন। এছাড়াও পুনাকের অন্যান্য নেতৃবন্দ সেসময় উপস্থিত ছিলেন। পুনাক সভানেত্রী জানান বরাবরের মতো এবারো অসহায় ও দুস্থদের পাশে রয়েছে পুনাক। লকডাউন শেষ হওয়া পর্যন্ত পুনাকের খাবার বিতরণের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

জয়হোক মানবতার, দূরহোক অসহায় মানুষের অসহায়ত্ব। সমাজের সকল স্তরের মানুষ যদি করোনার এই দুঃসময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাড়াতেন তাহলে হয়তো অভুক্ত শ্রমজীবি রিকশা চালক, ইজিবাইক চালকসহ হতদরিদ্র শ্রেণীর জনগণকে লকডাউন পালনের জন্য বাধ্য করতে হতো না।

আর দেশের সকল স্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের লকডাউন বাস্তবায়নে দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করতে হতো না।

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

করোনাভাইরাস ধ্বংস করার স্প্রে আবিস্কার করলেন সাদিয়া

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *