চট্টগ্রাম ব্যুরো :
চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে মাদরাসায় ৮ বছরের শিশুকে নির্যাতনের রেশ কাটতে না কাটতেই সাতকানিয়ায় একটি মাদরাসায় চার শিশু শিক্ষাথীকে বেধড়ক মারধরের ঘটনা ঘটেছে। তাদের মধ্যে এক শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে।
সাতকানিয়া উপজেলার সোনাকানিয়া ইউনিয়নের গারাংগিয়া রংগিপাড়া এতিমখানা ও হেফজখানায় এ ঘটনা ঘটে। গত বৃহস্পতিবার ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় শনিবার অভিযুক্ত শিক্ষক মোহাম্মদ কামরুল হাসান (২৬) কে পুলিশ আটক করেছে। সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, উপজেলার গারাংগিয়া রংগিপাড়া এতিমখানা ও হেফজখানার চার শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত আবদুলাহ নামের এক শিশু শিক্ষাথর্ীকে সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। সেই শিক্ষাথীর অভিভাবকের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত শিক্ষক কামরুল হাসানকে আটক করেছে পুলিশ।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, আড়াই মাস আগে ছয় বছর বয়সী শিশু আবদুল্লাহকে গারাংগিয়া রংগিপাড়া এতিমখানা ও হেফজখানার হেফজ বিভাগে ভর্তি করা হয়। গত বৃহস্পতিবার পড়া না পারার অভিযোগে মাদরাসার শিক্ষক মো: কামরুল ইসলাম তাকে সহ চার শিশুকে বেধড়ক মারধর করে। শুক্রবার শিশুটি বাড়ী ফেরলে তার মা শরীরে মারধরের চিহ্ন দেখতে পান। এ সময় আবদুলাহ তার মাকে জানায়, পড়া না পারার কারনে শিক্ষক তাকে সহ আরো চার জনকে ব্যাপক মারধর করেছে এবং বাড়ীতে কাউকে না বলার জন্য হুমকি প্রদান করেছে। আবদুলাহকে প্রথমে স্’ানীয় ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা দেয়া হলেও অবস্থার অবনতি হওয়ার কারনে শুক্রবার রাতে তাকে সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। শিশুটি বর্তমানে সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। উলেখ্য গত সপ্তাহে হাটহাজারী উপজেলার মারকাজুল কোরআন ইসলামিক একাডেমির এক শিশু শিক্ষাথর্ীকে বেধড়ক মারধরের ভিডিও ভাইরাল হলে গনমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে অভিযুক্ত শিক্ষক হাফেজ ইসমাইলকে আটক করে পুলিশ।

