৫ বছর পর আজ  মিতু হত্যা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিল পিবিআই

৫ বছর পর আজ মিতু হত্যা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিল পিবিআই

 

সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যার ঘটনায় তার (বাবুল) করা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

 

আজ বুধবার বেলা একটার দিকে চট্টগ্রাম আদালতে এটি জমা দেওয়া হয়।

 

নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) কাজী শাহাবউদ্দিন আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে  বলেন, হত্যা মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে পিবিআই। এটি আদালতে গ্রহণের শুনানির জন্য রয়েছে।

 

এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই চট্টগ্রামের পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা বলেন, স্ত্রী হত্যায় বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততা পাওয়ায় এই মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। কারণ, বাবুল মামলার বাদী।

 

এদিকে বাবুলকে প্রধান আসামি করে পাঁচলাইশ থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। সেখানে বাবুল ছাড়াও ৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার বাদী হয়েছেন মিতুর বাবা মোশারফ হোসেন।

 

পাঁচ বছর আগে চট্টগ্রামে নিজ বাসার কাছে খুন হয়েছিলেন পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু। সেই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাবুল আক্তারকে হেফাজতে নিয়েছে পিবিআই।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সোমবার থেকে বাবুল আক্তার চট্টগ্রামের পিবিআইয়ে হেফাজতে আছেন। তবে পিবিআই বাবুল আক্তারকে আটক বা গ্রেফতারের কথা স্বীকার করেনি। তারা বলছে, বাবুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চট্টগ্রামে ডেকে পাঠানো হয়েছে।

 

মাহমুদা হত্যার ঘটনায় করা মামলার বাদী স্বামী বাবুল আক্তার। কিন্তু পরবর্তীকালে বাবুল আক্তারকে নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছিল। তবে এ বিষয়ে তদন্ত আর এগোয়নি। একপর্যায়ে বাবুলকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

 

২০১৬ সালের ৫ জুন ভোরে চট্টগ্রাম শহরের জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয় মাহমুদা খানম ওরফে মিতুকে।

 

ওই ঘটনায় বাদী হয়ে বাবুল আক্তার পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন। তাতে তিনি বলেন, তার জঙ্গিবিরোধী কার্যক্রমের জন্য স্ত্রী আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হয়ে থাকতে পারেন। তবে সপ্তাহ দুয়েকের মাথায় মাহমুদা হত্যার তদন্ত নতুন মোড় নেয়। অব্যাহতভাবে মাহমুদার মা–বাবা এই হত্যার জন্য বাবুল আক্তারকে দায়ী করে আসছেন।

স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে খুন করাতে আসামিদেরকে তিন লাখ টাকা দিয়েছিলেন সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আকতার। এ বিষয়ে বাবুল আকতারের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সন্তোষ কুমার চাকমা বলেন, স্ত্রী হত্যার তিন দিন পর বাবুল আক্তার তার ব্যবসায়িক অংশীদার সাইফুল হককে বলেন তার লাভের অংশ থেকে তাকে যেন টাকা তিন লাখ টাকা দেওয়া হয়। সাইফুল বিকাশের মাধ্যমে ওই টাকা গাজী আল মামুনকে পাঠান। গাজী আল মামুন ওই টাকা মুসা, ওয়াসিমসহ আসামিদের ভাগ করে দেন। তবে কাকে কত টাকা দেওয়া হয়েছে সে সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। 

পিবিআই আজ জানায় মিত্যু হত্যায় বাবুল জড়িত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এরপরই আগের মামলার চার্জশিট ও নতুন করে মামলা দায়ের হলো।

// অনলাইন ডেস্ক //

—————————

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

‘ভ্রাম্যমাণ মানবতার বাজার’ …..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You May Also Like