নোয়াখালীর জেলার হাতিয়ায় হাতিয়া থানা পুলিশ ও নিঝুমদ্বীপ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশের যৌথ অভিযানে নোয়াখালীতে গণধর্ষণে জড়িত ৪জন আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় আসামীদের থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়।
সোমবার সন্ধ্যায় নোয়াখালী পুলিশ সুপার মোঃ শহিদুল ইসলাম, পিপিএম এর দিক নির্দেশনায় হাতিয়া থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে হাতিয়া থানা পুলিশ ও নিঝুমদ্বীপ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশের যৌথ অভিযানে গণর্ধষণের সাথে সম্পৃক্ত চার জন আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আসামীরা হলো- নিঝুমদ্বীপ ইউপির ৪নং ওয়ার্ড, জেলে কলোনীর এনায়েতের ছেলে আক্তার (২৭), ৮নং ওয়ার্ডের বান্দাখালীর মাকসুদুল হক ছেলে হক সাব (৩৪), ৭নং ওয়ার্ডের মদিনা গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে সোহেল প্রকাশ ওরপে রোহিঙ্গা সোহেল (৩০), ৪নং ওয়ার্ড জেলে কলোনীর মৃত সাইদুল হকের ছেলে রাশেদ মাঝি (৪২)। এসময় তাদের নিকট হতে ভিকটিম আফসানা আক্তার (২৫) কে উদ্ধার করা হয়।
উল্লেখ্য, ভিকটিম আফসানা আক্তার (২৫) চট্টগ্রামে গার্মেন্টস্ ফ্যাক্টরীতে কাজ করে। ঘটনার দিন অর্থাৎ ০৩/০৮/২০২১ খ্রিঃ সন্ধ্যা ০৭.০০ ঘটিকায় তার শিশু কন্যা আরিফা (১.৫ বছর) সহ চট্টগ্রাম থেকে তার স্বামী মোঃ সোহেল প্রঃ রোহিঙ্গা সোহেল এর নিকট যাওয়ার জন্য হাতিয়া থানাধীন নিঝুমদ্বীপ ঘাটে পৌঁছলে ভিকটিমের স্বামী আসামী সোহেলসহ সঙ্গীয় ০৭ জন এবং অজ্ঞাতনামা ০৩ জন আসামী ভিকটিম আফসানা আক্তারকে হাতে ও মুখে ওড়না দ্বারা বেঁধে হাতিয়া থানাধীন নিঝুমদ্বীপ ইউপির ০৮ নং ওয়ার্ডস্থ বান্দাখালি সাকিনের মোক্তারিয়া ঘাট হতে ০.৫ কিলোমিটার পূর্ব দিকে নদীর পাড়ে নিয়ে যায়।
সেখানে তার স্বামী আসামী সোহেলের সহযোগিতায় অন্যান্য আসামীরা ভিকটিমকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ বিষয়ে মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
// মোহাম্মদ উল্যাহ্ ভূইঁয়া, নোয়াখালী//
রূপসা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা রোগীদের জন্য ‘বেড’ প্রদান করলেন সালাম মূর্শেদী এমপি

