আজ শনিবার পানিতে ডুবে মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার চৌবাড়িয়া গ্রামের মোঃ শরিফুল মোল্লার সেজো ছেলে তামিম(৩) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।এলাকাবাসী ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তামিম ছিলো পরিবারের সকলের চোখের মণি।আজ সকাল আনুমানিক ৮ঘটিকার সময় বাড়ির পাশে খেলতে খেলতে খালে পড়ে যায়।
পরবর্তীতে নুরজাহান নামের একটি মেয়ে খালের পাড়ে পাটের আশ ছাড়ানোর সময় ভাসমান শিশুটিকে দেখতে পেয়ে চিৎকার করে উঠলে মোঃ উজির নামের এক যুবক পানি থেকে তুলে আনলে অবস্থা আশংকাজনক হলে পরিবারের লোকজন মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।তামিমের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
অপরদিকে মহম্মদপুরের বড়রিয়া গ্রামে ভয়াবহ সড়ক দূর্ঘটনায় একব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
আজ শনিবার সকাল ৮ টার দিকে দ্রুত গতির ট্রলি(তিন চাকা বিশিষ্ট স্যালো ইঞ্জিন চালিত) উল্টে মৃত্যু হয়েছে তিতাস (১৮) নামের এক যুবকের ও মারাত্মক ভাবে আহত হয়েছে সাগর সরদার (১৫) নামের আরেক কিশোর।
তিতাস বড়রিয়া গ্রামের মৃত ফারুক শেখ এর এক মাত্র ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৃত তিতাস এর বাবার মৃত্যুর পর সংসারের বোঝা তিতাস’ই বয়ে আসছিলেন,তার সংসার চলছিল মা ও ছোট বোনকে নিয়ে, বাড়িতে এক তলা বিল্ডিং এর কাজও শুরু করেছেন, সেই বিল্ডিং এর বালু আনার জন্য বড়রিয়া গ্রামের চুন্নু খাঁনের ট্রলি ভাড়া করে ট্রলির সাথেই উপজেলার পলাশবাড়ীয়া ইউনিয়নের ঝামা বালুর ঘাটে যাচ্ছিলেন তিতাস,বড়রিয়া ঈদগাহ পার হয়ে’ই মোড়ে দ্রুত গতির ট্রলিটি উল্টে যায়।
ট্রলির ড্রাইভার ছিলেন বড়রিয়া গ্রামের রিয়াজ সরদার, পিতা-মৃত হাফিজার সরদার,এ দুর্ঘনায় ড্রাইভার এর তেমন কিছু না হলেও না ফেরার দেশে চলে গেছেন তিতাস, মারাত্মতক ভাবে আহত হয়েছেন বড়রিয়া গ্রামের সাগর সরদার, পিতা মোঃ জনাব সরদার,সাগর সরদারের উন্নত চিকিৎসার জন্য মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে মহম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি)জনাব নাসির উদ্দিন বলেন মরদেহটি পোস্টমর্টেম এর জন্য মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে,পরবর্তীতে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
//সুজন মাহমুদ, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি//
বিসিসি’র কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানবন্ধন

