শিবগঞ্জে নিসচা’র সহযোগিতায় পাকা  মুদির দোকান পেল  প্রতিবন্ধি শাকিল 

শিবগঞ্জে নিসচা’র সহযোগিতায় বগুড়ার শিবগঞ্জের  বিদ্যুৎস্পৃষ্টে হাত-পা হারিয়ে পঙ্গুত্ববরণকারী যুবক শাকিল পেল জীবিকা নির্বাহের পথ, এখন আর তার জীবন আনাহারে-অর্ধাহারে কাটবেনা।
হাঁটাচলা করতে পারেন না। চায় সহযোগী। সোস্যাল মিডিয়া ও একটি জাতীয় পত্রিকার সংবাদের ভিত্তিতে শাকিলের সহযোগিতায় এগিয়ে আসে নিরাপদ সড়ক চাই শিবগঞ্জ উপজেলা শাখা।
তাকে সাবলম্বী করার জন্য শিবগঞ্জ উপজেলা নিরাপদ সড়ক চাই দায়িত্ব নিয়ে উপজেলার কিচক বাজারে সরকারী খাস জায়গায় স্থাপন করে দেয় একটি মুদির দোকান। 
৩মে বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টা ৩০ঘটিকায় উপজেলার কিচক বাজারে নিসচা শিবগঞ্জ উপজেলা শাখার উপদেষ্টা এমপি পুত্র হুসাইন শরীফ সঞ্চয়ের অর্থায়নে নির্মিত পাকা মুদির দোকানটি আনুষ্ঠানিকভাবে অসহায় শাকিলকে হস্তান্তর করা হয়। 
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ রিজু। 
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে কুলসুম সম্পা।
নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) শিবগঞ্জ উপজেলা শাখার আহ্বায়ক সাংবাদিক রশিদুর রহমান রানার সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিবগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রিজ্জাকুল ইসলাম রাজু, নিসচা শিবগঞ্জ উপজেলা শাখার উপদেষ্টা উপজেলা যুবসংহতির আহ্বায়ক যুবনেতা হুসাইন শরিফ সঞ্চয়, উপজেলা প্রকৌশলী সিহাদুল ইসলাম।
নিসচা শিবগঞ্জ উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক সাংবাদিক রবিউল ইসলাম রবি’র পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নিসচা শিবগঞ্জ উপজেলা শাখার সদস্য সচিব প্রভাষক আব্দুল হান্নান, সদস্য জিয়া, বায়েজিদ বোস্তামি, সোহেল রানা প্রমূখ। 
প্রসঙ্গত সাইফুল ইসলাম শাকিল (২০) বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক ইউনিয়নের আপসন গ্রামের শাহিনুর ইসলামের একমাত্র ছেলে। 
পিতার অভাবের সংসারে যোগান দিতে স্কুল পড়া বাদ দিয়ে শাকিল পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বিআরইবি) সঞ্চালন ও লাইন নির্মাণের শ্রমিক হিসেবে ২০১৪ সালে সামান্য বেতনে চাকরি নেন। 
বিআরইবির তালিকাভুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের উপঠিকাদার লোকমান হোসেনের অধীনে শ্রমিকের কাজ করতেন তিনি। ২০১৯ সালের ১৮ নভেম্বর কুমিল্লা জেলার বড়ুরা উপজেলার বাতাবাড়িয়া গ্রামে ৩৬৫০ কেভির হাই ভোল্টেজের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনে কাজ করতে গিয়ে একটি দুর্ঘটনা তাকে পুঙ্গু করে দেয়। তাকে বলা হয়েছিল ‘বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করা হয়েছে।’ কিন্তু সঞ্চালন লাইন স্পর্শ করতেই বিদ্যুতায়িত হয়ে ছিটকে পড়ে যান। দীর্ঘ ২০ দিন পর জ্ঞান ফিরলে দেখতে পান তার দুই পায়ের হাঁটু পর্যন্ত এবং ডান হাত সম্পূর্ণ কেটে ফেলা হয়েছে। 
মুদির দোকান পাওয়া শাকিল আবেগাপ্লুত কণ্ঠে  বলেন, আমার জীবনের এমন দুঃখের সময়ে এসে নিরাপদ সড়ক চাই যে সহযোগিতা করলো তাতে আমার ভাগ্য’র পরিবর্তন ঘটলো। আমার জীবনে শুরু হলো নতুন এক অধ্যায়।
এছাড়াও নিসচা শিবগঞ্জ উপজেলা শাখার উপদেষ্টা ও শিবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ রিজুর সহযোগীতায়  দোকানের মালপত্র ক্রয় করে দেওয়া হয়।
//মো: ফারুক হোসাইন, বগুড়া সংবাদদাতা//

খুলনার রূপসায় করোনা সংক্রমন মোকাবেলায় এক সভা অনুষ্ঠিত

 

খুলনার রূপসায় করোনা সংক্রমন মোকাবেলার লক্ষ্যে রূপসা উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত এক সভা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় ৩জুন সকাল সাড়ে ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রূবাইয়া তাছনিম এর সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন থানা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা,কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ফরিদু উজ্জামান, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: সঙ্গীতা চৌধুরী, সমবায় কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার ব্যানার্জি, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আবু বকর মোল্লা, সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা,তথ্য কর্মকর্তা দিলশানা আরা।

জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য জাহাঙ্গির হোসেন মুকুল, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল, জেলা আ’লীগের সাবেক সদস্য আ:মজিদ ফকির, অধ্যক্ষ আল মামুন সরকার, আতাহার আলী ফকির,উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবিব, ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এসহাক সরদার, সাধন অধিকারী, জাহাঙ্গির শেখ,আওয়ামীলীগ নেতা রবিউল ইসলাম বিশ্বাস,আজিজুল হক কাজল, জুলফিকার আলী সহ গণমাধ্যমকর্মী বিভিন্ন হাট বাজার কমিটি ও ঘাট মাঝির সমিতির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় সিদ্ধান্ত হয় হাট বাজার ও ঘাট এলাকায় সার্বক্ষণিক সচেতনতার জন্য মাইকিং করা হবে। বাধ্যতামূলক মাক্স ব্যবহার করা।

পুলিশের টহল এবং ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান অব্যহত থাকবে।

এছাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ২০টি বেড।

 

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

রাণীশংকৈলে আ’লীগের কমিটি গঠনে ‘অনিয়মের’ বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

 

রাণীশংকৈলে আ’লীগের কমিটি গঠনে ‘অনিয়মের’ বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

 

রাণীশংকৈলে আ’লীগের কমিটি গঠনে বিভীন্ন মতবিরোধ দেখা দিয়েছে । ঠাকুরগাওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা আ’লীগের সদ্য ঘোষিত কমিটিকে ” পকেট কমিটি” আখ্যা দিয়ে তা বাতিলের দাবিতে ৩ জুন বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় পৌর শহরের চৌরাস্তা মোড়ে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা করেছে ‘ পদবঞ্চিতরা’।

 

সভার আগে তারা সমর্থক আ’লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মিদের নিয়ে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে শহরের রাস্তায় ব্যানার,ফেস্টুন নিয়ে, রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে। এ সময় তারা ” অবৈধ পকেট কমিটি মানিনা,মানবোনা” ” পকেট কমিটি বাতিল করতে হবে,নূতন কমিটি করতে হবে” ইত্যাদি স্লোগান দেয়।

 

চৌরাস্তা মোড়ে আয়োজিত সভায় বক্তব্য রাখেন-সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আইয়ুব আলি ও রুকুনুল ইসলাম ডলার, যুবলীগ নেতা রমজান আলি ও সসীম,সাবেক যুবলীগ নেতা বাবর আলি, সাবেক পৌর মেয়র ও যুবলীগ নেতা আলমগীর সরকার, সাবেক পৌর আ’লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম, সাধন বসাক, সাবেক আ’লীগ নেতা আনিসুর রহমান বাকি, সাবেক কেন্দ্রিয় ছাত্রলীগ নেতা ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না।

 

বক্তারা তাদের বক্তব্যে উপজেলা আ’লীগ সভাপতি সইদুল হকের বিরুদ্ধে ক্ষমতার খাটিয়ে অনিয়ম করে পুরনো ও ত্যাগী আ’লীগ নেতাদের কমিটিতে না রাখার অভিযোগ তুলে ধরেন। এই সাথে তারা আগামি ৭২ ঘন্টার মধ্যে উক্ত কমিটি বাতিল করে নূতন কমিটি গঠন করার আলটিমেটাম দেন।

 

এ ব্যাপারে আ’লীগ সভাপতি সইদুল হকের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “… মূলত বিগত ইউনিয়ন ও পৌর নির্বাচনে যারা নৌকার বিরুদ্ধে নির্বাচন করে বহিষ্কৃত হয়েছেন তারাই এ অযৌক্তিক দাবি করছেন। তাদের ব্যাপারে জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দও অবহিত আছেন। জেলা কমিটির চূড়ান্ত অনুমোদনেই এ কমিটি গঠিত হয়েছে।” 

 

//মাহাবুব আলম, ঠাকুরগাও প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনায় ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে ২ লাখ ৯২ হাজার ২৪১ জন শিশুকে

 

 

খুলনায় ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে ২ লাখ ৯২ হাজার ২৪১ জন শিশুকে

 

খুলনায় ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো উপলক্ষে আগামী ৫ জুন থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত দেশব্যাপী অনুষ্ঠেয় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে খুলনা মহানগরী ও জেলার নয়টি উপজেলার ছয় থেকে ৫৯ মাস বয়সী দুই লাখ ৯২ হাজার দুইশত ৪১ শিশুকে একটি করে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ক্যাম্পেইন চলাকালে ৬-১১ মাস বয়সী প্রত্যেক শিশুকে একটি নীল রঙের এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী প্রত্যেক শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

 

ক্যাম্পেইনে অভিভাবকদের শিশুর জন্য মায়ের দুধের গুরুত্ব ও শিশুর ছয় মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি শিশুকে পরিমান মতো ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়ানোর বিষয়ে সচেতন করা হবে। জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার সকালে খুলনা নগরীর স্কুল হেলথ ক্লিনিক সম্মেলনকক্ষে জেলার সাংবাদিকদের জন্য সিভিল সার্জন দপ্তরের আয়োজনে এক ওরিয়েন্টশন কর্মশালায় এসকল তথ্য জানানো হয়।

 

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন খুলনার সিভিল সার্জন ডাঃ নিয়াজ মোহাম্মদ। সভাপতির বক্তৃতায় সিভিল সার্জন বলেন, ভিটামিন এ ক্যাপসুল রাতকানাসহ শিশুর অনেক রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। এটি শিশুর শরীরে কোন পাশ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে না। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ক্যাম্পেইন চলাকালে জেলার নয়টি উপজেলার এক হাজার ছয়শত ৪১টি টিকাদান কেন্দ্রে ছুটির দিন ব্যতিত প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

 

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থাকায় এ ক্যাম্পেইনে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও সর্তকতা অনুসরণ করা হবে। ভিটামিন ‘এ’ অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব থেকে শিশুকে রক্ষা করে, শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ডায়রিয়ার ব্যাপ্তিকাল ও জটিলতা কমায় এবং শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস করে। ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ভরাপেটে খাওয়ানো ভালো। এই ক্যাপসুল শিশুর জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং এটি খাওয়ালে পাশ্ব-প্রতিক্রিয়া হওয়ার তেমন কোন ঝুঁঁকি নেই। ভ্রমণে থাকাকালীন রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল, ফেরিঘাট ও লঞ্চঘাটে অবস্থিত কেন্দ্র থেকে শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে।

 

তবে ছয় মাসের কম অথবা পাঁচ বছরের বেশি বয়সী শিশু, চার মাসের মধ্যে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে এমন শিশু এবং মারাত্মক অসুস্থ শিশুকে এই ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না। জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক জয়ন্ত নাথ চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় কর্মশালায় স্বাগত জানান ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ এসএম কামাল হোসেন। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ শারাফাত হোসাইন।

 

খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম জাহিদ হোসেন, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুন্সি মোঃ মাহাবুব আলম সোহাগ প্রমুখ বক্তৃতা করেন। কর্মশালায় খুলনায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার ৭০ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।

//আ: রাজ্জাক শেখ,খুলনা ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

”তোমারো করোনা হোক” বলেই করোনা আক্রান্ত শাশুড়ি জড়িয়ে ধরেন বৌমাকে

 

”তোমারো করোনা হোক” বলেই করোনা আক্রান্ত শাশুড়ি জড়িয়ে ধরেন বৌমাকে

 

”তোমারো করোনা হোক” এমনটাই আশা করেন এক করোনা আক্রান্ত শাশুড়ি। হ্যা করোনা হয়েছে। তাই বাড়িতেই আইসোলেশনে ছিলেন শাশুড়ি। স্বাভাবিক ভাবেই ছেলে, বউমা, নাতি-নাতনি, সবাই নিয়মনে চলছিল, তার ঘরের চৌকাঠ পেরোননি কেউই। বাইরে রেখে দেয়া খাবার খেতে হচ্ছিল রোজ।

 

এত লোকজনের ঘরে তার একাএকা থাকতে থাকতে মন খারাপ লাগতেছিল ওই মহিলার। থাকতে না পেরে এক দিন হঠাৎ তিনি চলে গেলেন বউমার ঘরে। আর বলে উঠলেন  আমি মরে গেলে তোমরা ভাল থাকতে চাও…! বলেই জাপটে ধরলেন বউমাকে।.

ব্যাস হয়ে গেল…

 

ভারতের তেলঙ্গানার রজান্যা জেলার থিমাপুর গ্রামের ঘটনায় অবাক হয়ে গিয়েছেন সবাই। পরিবারের ২০ বছরের পুত্রবধু গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, কয়েক দিন আগে করোনা হওয়ায় শাশুড়ির সাথে নিরাপদ দূরত্ব রেখে চলছিলেন পরিবারের সবাই। কিন্তু শাশুড়ির বিষয়টা পছন্দ হয়নি। তাই বউমাকে জড়িয়ে ধরে তিনি বলেছেন, ‘তোমারও করোনা হোক’।

 

ঘটনার পরেই অবশ্য ছেলে-বউমা বাড়ি থেকে বার করে অন্যত্র পাঠিয়ে দেয় শাশুড়িকে।

 কিন্তু তত ক্ষণে যা হওয়ার তা হয়ে গিয়েছে।

কয়েক দিন পরেই পরীক্ষা করে দেখা যায়, বউমাও করোনা পজিটিভ

আপাতত নিজের বোনের কাছে আছেন ওই মহিলা।

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

আজ ৫০তম বাজেট: ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট

 

আজ ৫০তম বাজেট: ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট

 

আজ ৫০তম বাজেট, ৩ জুন জাতীয় সংসদে ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এটি হবে দেশের ৫০তম বাজেট। ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার প্রস্তাবিত এ বাজেট মোট জিডিপির ১৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ। এরইমধ্যে ইতিহাসবিদরা এটিকে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঘাটতি বাজেট হতে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন।

 

আলোচিত এই বাজেটে অনুদানসহ ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ১১ হাজার ১৯১ কোটি টাকা। যা জিডিপির ৬ দশমিক ১ শতাংশ। অনুদান বাদ দিলে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়ায় ২ লাখ ১৪ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা।

 

আসন্ন ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটের আকার হচ্ছে ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। যা মোট জিডিপির ১৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ। এটি চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ৬৪ হাজার ৬৯৮ কোটি টাকা বেশি।

 

বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদে এ বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। প্রস্তাবিত বাজেটের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘জীবন ও জীবিকার প্রাধান্য, আগামীর বাংলাদেশ’।

 

একাদশ জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ (বাজেট) অধিবেশনে বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন হবে। করোনাকালের দ্বিতীয় এই বাজেট অধিবেশনও সংক্ষিপ্ত হবে বলে জানা গেছে।

 

মহামারী করোনার ধাক্কা সামলাতে এবারের বাজেটে আয়ের দিকে বেশি নজর দিচ্ছে সরকার। সেজন্য বাজেটে মোট আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৯২ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা। যা জিডিপির ১১ দশমিক ৩৫ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৩৬ হাজার ৯৭৩ কোটি টাকা বেশি।

 

চলতি অর্থবছরে এ আয়ের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ৩ লাখ ৫৫ হাজার ৫১৭ কোটি টাকা। যদিও বাজেটে মূল লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ লাখ ৮২ হাজার ১৩ কোটি টাকা। আয়ের মধ্যে রাজস্ব খাত থেকে আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৩ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক অনুদান নেয়া হবে ৩ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা।

 

বাজেট প্রসঙ্গে সম্প্রতি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানিয়েছেন, দেশের সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের বাঁচানোর লক্ষ্য নিয়েই ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট দেওয়া হবে। এ বাজেটে সবার স্বার্থ সংরক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি পিছিয়ে পড়া প্রান্তিক মানুষকে সাথে রাখা হবে। আগামী বছর একই ধারা থাকবে। আর রাজস্ব আহরণ কম হলে ব্যয় কমাতে হয়। পাশাপাশি প্রশাসনিক অদক্ষতা ও জবাবদিহিতার অভাবে যে বরাদ্দ দেয়া হয়, সেটিও ব্যয় করা যাচ্ছে না।

 

এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নিয়ন্ত্রিত কর ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা এবং এনবিআরবহির্ভূত কর হচ্ছে ১৬ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া কর ছাড়া প্রাপ্তি ধরা হয়েছে ৪৩ হাজার কোটি টাকা। আর বৈদেশিক অনুদান থেকে সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে ৩ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা। বাজেটে মোট আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৯২ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা।

 

বড় বাজেটের ব্যয়ের খাতগুলোর মধ্যে সরকারের পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৬১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। যা জিডিপির ১০ দশমিক ৪৬ শতাংশ। এর মধ্যে আবর্তক ব্যয় ৩ লাখ ২৮ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা। যার মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ হিসেবে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬২ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক ঋণের সুদ ৬ হাজার ৫৮৯ কোটি টাকা। এছাড়া উন্নয়ন ব্যয় ২ লাখ ৩৭ হাজার ৭৮ কোটি টাকা, ঋণ ও অগ্রিম ৪ হাজার ৫০৬ কোটি টাকা এবং খাদ্য হিসাবে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৯৭ কোটি টাকা।

 

আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান বেড়ে যাওয়ায় আগামী বাজেটে ঘাটতির পরিমাণও অনেক বেড়েছে। আগামী বছর অনুদানসহ ঘাটতির পরিমাণ ৬ দশমিক ১ শতাংশ চূড়ান্ত করা হয়েছে। টাকার অংকে ২ লাখ ১১ হাজার ১৯১ কোটি টাকা। আর অনুদান ছাড়া ঘাটতির পরিমাণ হচ্ছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। যা জিডিপির ৬ দশমিক ২ শতাংশ। যেখানে চলতি অর্থবছরে অনুদানসহ ঘাটতির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯৮৭ কোটি টাকা। যা জিডিপির ৫.৯ শতাংশ। আর চলতি অর্থবছরে অনুদান ব্যতীত সামগ্রিক ঘাটতি ছিল ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। যা জিডিপির ৬ শতাংশ।

 

বড় বাজেটের বড় ঘাটতি পূরণ করা হবে ঋণের মাধ্যমে। যদিও করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে বিভিন্ন দাতা সংস্থা বাংলাদেশকে সহায়তা করছে। যা বাজেটের হিসাবেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাজেট সহায়তা হিসাবে আগামী বাজেট ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ খাত থেকে ঋণ নেয়া হবে ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৫৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যাংকিং খাত থেকে নেওয়া হবে ৭৬ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা। যদিও চলতি অর্থবছরের তুলনায় ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা কমেছে।

 

চলতি অর্থবছরে ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭৯ হাজার ৭৪৯ কোটি টাকা। এছাড়া সঞ্চয়পত্র থেকে ৩২ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য খাত থেকে নেওয়া হবে ৫ হাজার ১ কোটি টাকা। পাশাপাশি বিদেশি ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৯৭ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা। ঋণের বিপরীতে সুদ পরিশোধ করতে হয়। এজন্য আগামী অর্থবছরে সুদ খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬৭ হাজার ৫৮৯ কোটি টাকা।

 

আগামী বাজেটে আটটি খাতকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে করোনা নিয়ন্ত্রণে অর্থায়ন ও স্বাস্থ্য খাতে অতিরিক্ত বরাদ্দ নিশ্চিত, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সামাজিক নিরাপত্তার আওতা সম্প্রসারণ করা। এছাড়া প্রণোদনা প্যাকেজ সফলভাবে বাস্তবায়ন, নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে স্বল্প ও বিনামূল্যে খাদ্য বিতরণ, অধিক খাদ্য উৎপাদনে কৃষিতে গুরুত্ব এবং মানবসম্পদ উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে।

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

গাজীপুরে কোচিং সেন্টারসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে ১,৬৩,২০০/- টাকা জরিমানা

গাজীপুরে কোচিং সেন্টারসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে ১,৬৩,২০০/- টাকা জরিমানা

 

গাজীপুরে কোচিং সেন্টারসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সরকারি বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে গাজীপুরের জোড়পুকুরপাড় এলাকায় কয়েকটি কোচিং সেন্টার পরিচালনা করছিল। তখন গাজীপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান পরিচালনা করে দেখা যায় অভিভাবকদের উদাসীনতায় শতাধিক ছাত্র-ছাত্রীদের কোচিং করানো হচ্ছে।

 

সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কোচিং সেন্টার পরিচালনা করায় উদয়ন একাডেমি হোমের মালিক আবুল হাসান বাবুকে ৩০ হাজার টাকা, দুলাল চন্দ্র সরকারকে ৩০ হাজার টাকা এবং সমাপনী কোচিং এর মালিক সোহেল রানাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং কয়েকজন অভিভাককে জরিমানা করা হয়।

 

এছাড়াও বৈশ্বিক মহামারী করোনার মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি না মানা ও মাস্ক না ব্যবহার করায় শাপলা গিফট কর্ণারের ম্যানেজার হাসান আহমদকে ১ হাজার টাকা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় ও অধিক কাস্টমার রেস্টুরেন্টে বসিয়ে আড্ডা দেওনোয় একটি রেস্টুরেন্টকেসহ সর্বসাকুল্যে ১ লক্ষ ৬৩ হাজার ২ শত টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

// নিজস্ব প্রতিবেদক //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

চট্টগ্রাম থেকে চুরি হওয়া শিশু ৫ মাস পর হবিগঞ্জ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ

 

যশোরে ৪৩ জনের করোনা পজেটিভ সনাক্ত হয়েছে আজ ০২ জুন-২০২১

 

যশোরে ৪৩ জনের করোনা পজিটিভের রিপোর্ট পাওয়া গেছে। বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সীমান্তবর্তী জেলা যশোরে সারাদেশের চেয়ে কিছুদিন যাবত অনেকটাই বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। এছাড়াও ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গিয়েছে এমন কিছু লোকের মধ্যে যাদের ভারত ভ্রমনের অতীত কোন ইতিহাস নেই।ফলে ধারণা করা হচ্ছে সীমান্তবর্তী যশোর জেলায় করোনার বিষাক্ত থাবা প্রোকট আকার ধারণ করতে যাচ্ছে ।

০২ জুন-২০২১ রোজ বুধ যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনোম সেন্টারে ঘোষিত করোনা টেষ্টের ফলাফলে দেখা যায় যশোরে সর্বমোট ২৩৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৪৯ জনের করোনা পজেটিভ সনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তের শতকরা হার ২০.৭৬। এর মধ্যে যশোর জেলার ২০২ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৪৩ জনের করোনা পজেটিভ সনাক্ত হয়েছে ফলে আক্রান্তের শতকরা হার ২১.২৮। মাগুরায় ৮ জনের মধ্যে ৩ জন করোনা পজেটিভ ফলে মাগুরায় আক্রান্তের শতকরা হার ৩৭.৫০।

নড়াইলে ২৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৩ জন করোনা পজেটিভ সনাক্ত হয়েছে ফলে আক্রান্তের হার ১১.৫৩। সমগ্র বাংলাদেশে আজ করোনায় আক্রান্তের শতকরা হার ৯.৮১ আর যশোর আক্রান্তের হার ২১.২৮। ফলে সমগ্র দেশের সাথে তুলনামূলক ভাবে ১১.৪৭ শতাংশ বেশি।

তাই যশোর জেলা যে করোনার রেড জোন হতে যাচ্ছে তা বলাই বাহুল্য। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ও পরীক্ষণ দলের সদস্য ড. মোঃ ইকবাল কবির জাহিদ জানান, পরীক্ষা সংক্রান্ত সকল তথ্য সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জন অফিসে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

// নিজস্ব প্রতিনিধি //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

চট্টগ্রাম থেকে চুরি হওয়া শিশু ৫ মাস পর হবিগঞ্জ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ

 

চট্টগ্রাম থেকে চুরি হওয়া শিশু ৫ মাস পর হবিগঞ্জ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ

চট্টগ্রাম থেকে চুরি হওয়া এক শিশুকে দীর্ঘ ৫ মাস পর সদুর হবিগঞ্জ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।  হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার এক দম্পতির বাড়ী থেকে শিশুটিকে উদ্ধারের পাশাপাশি চুরির সাথে জড়িত দুই জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত দুই জন হলেন,  সুলতানা বেগম সুমি(২৫) ও মোহাম্মদ ইসমাইল(৩৫)। 
চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানার ওসি নেজাম উদ্দিন জানান, আটককৃতরা শিশু চুরির সাথে দীর্ঘ দিন যাবৎ জড়িত। বিভিন্ন সূত্র থেকে খবর পেয়ে সুলতানা বেগম সুমিকে সিলেটের শাহজালালের মাজার এলাকা থেকে আটকের পর তার দেয়া তথ্য মতে হবিগঞ্জ থেকে ইসমাইলকে আটক করা হয়। এরপর তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার এক দম্পতির কাজ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। 
ওসি নেজাম উদ্দিন আরো জানান, ২০২০ সালের ১২ ডিসেম্বর নগরীর রেল স্টেশন কলোনির বাসা থেকে আট মাস বয়সী  ফারহান নামের এক শিশুকে চুরি করে নিয়ে যায় সুলতানা বেগম সুমি নামের এক মহিলা। শিশু ফারহানের বর্তমান বয়স এক বছর এক মাস।
জানা যায়, পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে শিশু ফারহানের বাড়ীতে সুমির নিয়মিত যাতায়ত ছিল। ঘটনার দিন সুলতানা বেগম সুমি নগরীর স্টেশন রোড কলোনীতে ফারহানদের বাসায় গিয়ে তাকে কোলে নিয়ে আদর করে। এক সময় ফারহানের মা তসলিমা ঘরের কাজে ব্যস্- হয়ে পড়লে সুমি শিশু ফারহানকে নিয়ে পালিয়ে যায়। আটকের পর সুলতানা বেগম সুমি পুলিশকে জানান, চুরি করার পর সে শিশুটিকে ইসমাইলের কাছে দেন। পরে ইসমাইল হবিগঞ্জের এক দম্পতির কালে শিশু ফারহানকে পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। তার ঔ দম্পতিকে এতিম এবং রাস্-ায় কুড়িয়ে পেয়েছে বলে জানান। উদ্ধার করার পর গত মঙ্গলবার শিশু ফারহানকে তার পিতা মাতার কাছে কোলে তুলে দেয়া হয়েছে।
//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো//

জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনা ক্রীড়া বান্ধব প্রধানমন্ত্রী: সালাম মূশের্দী

 

জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে সর্বদা উৎসব মূখর রাখেন, খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জনাব আব্দুস সালাম মূর্শেদী বলেছেন, ফুটবল হচ্ছে পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা। ফুটবল খেলার মাধ্যমে সঠিক যোগ্যতা অর্জন করতে পারলে, মানুষের মনে বিনোদনের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের মাধ্যমে দেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা সম্ভব।

জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনা ক্রীড়া বান্ধব প্রধানমন্ত্রী: সালাম মূশের্দী

বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনা ক্রীড়া বান্ধব প্রধানমন্ত্রী। এ কারনে বর্তমান সময়ে অন্য যে কোন সময়ের থেকে ক্রীড়াঙ্গনে অর্থনৈতিক বাজেট দ্বি-গুনের বেশি। এখন সময় এসেছে ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজানোর। তিনি আরো বলেন, খেলাখুলার চর্চা না থাকায় কিশোর কিশোরীরা মাদক সেবনের দিকে ঝুকে যাচ্ছে। এ জন্য মাদক মুক্ত সুখী, সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়তে এবং যুব সমাজকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে মুক্ত করতে রাষ্ট্রীয় ভাবে খেলাধুলার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।

জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনা ক্রীড়া বান্ধব প্রধানমন্ত্রী: সালাম মূশের্দী

আজ বুধবার সকালে রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভাকক্ষে ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোল্ডকাপ ও বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জাতীয় গোল্ডকাপ অনুর্দ্ধ (১৭) বালক ও বালিকা ফুটবল টুর্ণামেন্টর প্রস্তুতি মূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবাইয়া তাছনিম এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মাও: মো: আব্দুল্লাহ যোবায়ের, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) খান মাসুম বিল্লাহ, সমাজসেবক খান আহমেদুল কবীর চাইনিজ। সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো: গোলাম মোস্তফার পরিচালনায় বক্তৃতা করেন মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আইরিন পারভীন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাহিরা খাতুন, ওসি (তদন্ত) সিরাজুল ইসলাম, তথ্য কর্মকর্তা দিলশান আরা, কাজদিয়া সরকারী উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ খান মারুফুল হক, প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান, আওয়ামীলীগ নেতা আ: মজিদ ফকির, আলহাজ¦ নজরুল ইসলাম, মোর্শেদুল আলম বাবু, ইউপি চেয়ারম্যান মো: জাহাঙ্গীর শেখ, বিনয় কৃষ্ণ হালদার, ফিফা রেফারী আব্দুর রহমান ঢালী, শাহিনুর রহমান, প্রশান্ত কুমার দে, আ: হামিদ খান ভাসানী, কৃষ্ণ পদ রায়, প্রভাষক বাশির আহম্মেদ লালু প্রমুখ।

 

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনায় করোনা রোধে ৭ দিন চার থানায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ: জেলা কমিটি

খুলনায় বিশ্ব দুগ্ধ দিবস পালিত সবার জন্য মানসম্মত ও নিরাপদ দুধ নিশ্চিত চাই