হয়তো কমবে তাপপ্রবাহ, ৫ বিভাগে কালবৈশাখীর আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর

 

কয়েক দিন ধরেই দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ। তবে এই তাপপ্রবাহ কমার আভাস পাওয়া গেছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের দুই অঞ্চল ও ৫ বিভাগে কালবৈশাখীর ঝড়বৃষ্টি বয়ে যেতে পারে বলে আভাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা ছয়টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

আবহাওয়া অফিস বলছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশের দিনের তাপমাত্রা কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, কুমিল্লা ও কুষ্টিয়া অঞ্চলসহ রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, সিলেট ও ঢাকা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

আজ দেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে শ্রীমঙ্গলে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

// অনলাইন ডেস্ক //

আরও পড়ুন…

”হিট স্ট্রোকে মৃত্যু”

বিধ্বংশি বেপরোয়া করোনা: ভারতে করুণ দৃশ্য: এক অ্যাম্বুলেন্সে ২২ লাশ শ্মশানে

 

করোনায় (কোভিড-১৯) বিধ্বস্ত ভারত। বেশ কয়েকদিন ধরে দেশটিতে করোনায় মৃত্যু ও শনাক্তের রেকর্ড হচ্ছে। হাসপাতালে জায়গা নেই। অক্সিজেনের তীব্র সংকট।

পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে। শ্মশানগুলোতে মৃতদেহ পোড়ানোর আর জায়গা হচ্ছে না। এখন অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার ব্যবহার করা হচ্ছে পার্কিং লটগুলো। এমনকি জায়গা নেই কবরস্থানেও।

মুখের শ্বাস দিয়েও স্বামীকে বাঁচাতে পারেননি স্ত্রী।   অ্যাম্বুলেন্স থেকে সড়কে ছিটকে পড়ছে করোনা রোগীর লাশ। এমন ঘটনার ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ছে ফেসবুক, টুইটারে।

এবার তেমনি আরেক করুণ দৃশ্য সামনে এলো। একটি অ্যাম্বুলেন্সে ২২টি মরদেহ গাদাগাদি করে সৎকারের জন্য শ্মশানে নেওয়ার ছবি ভাইরাল হয়েছে।

টুইটারে কয়েক সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, মহারাষ্ট্রের বীড জেলার অম্বেজোগাইয়ের স্বামী রামানন্দ তীর্থ মরাঠাওয়াড়ায় সরকারি হাসপাতালের মর্গের সামনে একটি অ্যাম্বুলেন্স। তাতে করোনায় মৃতদের দেহ গাদাগাদি করে তোলা হচ্ছে। বস্তাবন্দি মরদেহ দাবিয়ে দাবিয়ে জায়গা তৈরি করে আরও দেহ রাখা হচ্ছে।

আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মরদেহ এভাবে গাদাগাদি করে তোলার সময় সেখানে পুলিশ উপস্থিত ছিল। মৃত রোগীর স্বজনরা বিষয়টি নিয়ে আপত্তি করলেও কেউ তাদের কথায় কান দেয়নি। তারা অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহ গাদাগাদি করে তোলার দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করতে গেলে পুলিশ তা কেড়ে নেয়। মরদেহ সৎকার শেষে স্বজনদের মোবাইল ফেরত দেয় পুলিশ।

এদিকে এ ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর মহারাষ্ট্রসহ গোটা ভারতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। প্রশাসনের শীর্ষকর্তারা ঘটনার খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। বীড জেলার প্রশাসক রবীন্দ্র জগতপ বলেন, ‘অম্বেজোগাইয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যদি কারও দোষ থাকে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

হাসপাতালের ডিন শিবাজি সুকরে বলেন, ‘সৎকার করতে মরদেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য মাত্র দুটি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। আমরা আরও অ্যাম্বুলেন্সের দাবি জানিয়েছি। কেউ মারা গেলে স্থানীয় প্রশাসনের হাতে মরদেহ তুলে দেয়া পর্যন্ত আমাদের দায়িত্ব। তারা কীভাবে শ্মশান বা কবরস্থানে নিয়ে যাবে, তা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই।’

ওয়ার্ল্ডো মিটারের মঙ্গলবার সকালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ৩ লাখ ১৯ হাজার ৪৩৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে মারা গেছেন ২ হাজার ৭৬৪ জন।

আগের দিন সংক্রমিত হয়েছিলেন ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৫৩১ জন। একই সময়ে মারা যান ২ হাজার ৮০৬ জন। ভারতে করোনার মোট সংক্রমণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৭৬ লাখ ২৫ হাজার ৭৩৫ জনে। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৮০ জন। করোনার বৈশ্বিক সংক্রমণ তালিকায় ভারতের অবস্থান দ্বিতীয় আর মৃত্যুতে চতুর্থ।

// অনলাইন ডেস্ক //

আরও পড়ুন…

 

”হিট স্ট্রোকে মৃত্যু”- বরিশাল নগরীতে জনসম্মুখে এক রিক্সা চালকের মৃত্যু হয়েছে প্রচন্ড তাপদাহে

 বরিশাল নগরীর প্রাণকেন্দ্র সদররোডে অর্ধশতাধিক জনসাধারণের চোখের সামনে এক মুহুর্তে হিট স্ট্রোকে রাজা মিয়া (৬৫) নামের এক রিক্সা চালকের মৃত্যু ঘটেছে। আজ (মঙ্গলবার ২৭ এপ্রিল) সকাল ১১টায় এঘটনাটি ঘটে।

সদররোডে বে-সরকারী ল্যাব এইড হাসপাতালের গার্ড সদস্যরা বলেন দূর্ঘটনাটির ঠিক কয়েক মিনিট আগে রিক্সা চালক তাদের ল্যাব এইডের সামনে এসে থামিয়ে দাঁড়ান।

এসময় তিনি কয়েকবার শরীরে কাপুনী দিয়ে রাস্তায় পড়ে গেলে তাকে ধরে ল্যাব এইডের ট্রলিতে রেখে সেবা দেয়ার চেষ্টা করেন উক্ত প্রতিষ্ঠানের সেবিকারা। এ সময় কোতয়ালী মডেল থানার টহলরত এ.এস.আই রিয়াজুল ইসলাম রাজা মিয়াকে সদর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে মেডিকেল চিকিৎসক ডাঃ মলয় কৃষ্ণ রিক্সা চালক রাজা মিয়াকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।

এব্যাপারে এ.এস. আই রিয়াজ বলেন, ল্যাব এইডে রাখা অবস্থায় রাজা মিয়ার মেয়ে মাহিনুর ও ছেলে ইমন দ্রুত সংবাদ পেয়ে তারা চলে আসলে তাদেরকে সাথে নিয়ে সদর হাসপাতালে নিয়ে যাই। পড়ে সেখানে বসে ছেলে ও মেয়ের কাছে তাদের পিতার লাশ হস্তান্তর করা হয়।

জানা গেছে, রাজা মিয়া বরিশাল নগরীর বগুড়া রোড অপসোনিন মেডিসিন ফেক্টরি কারখানা এলাকায় তারা বসবাস করেন।

আরও জানাযায়, সাধারণত দীর্ঘ সময় বাইরে বা গরম পরিবেশে কাজ করেন, কৃষক, শ্রমিক, রিকশাচালক। ফলে দীর্ঘক্ষণ রোদে দাঁড়ালেও এমন হতে পারে। এ থেকে মৃত্যুও হতে পারে। লক্ষণ শুনে আমাদের ধারণা রাজা মিয়া হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল //

আরও পড়ুন…

 

বাগেরহাটের মোংলায় ছেলের হাতে মা খুন

 

পারিবারিক কলহের জেরে মোংলায় ছেলের হাতে মা এর খুনের ঘটনা ঘটেছে। লোমহর্ষক এই ঘটনা মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে তিনটায় হৃদয়বিদারক এ ঘটনাটি ঘটে মোংলা পৌর শহরের খোছের ডাঙ্গা এলাকায়।

এ ঘটনায় পুলিশ ঘাতক ছেলেসহ তার স্ত্রীকে আটক করেছে। এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় বেশ কিছুদিন ধরেই তাদের পারিবারিক কলহ চলছে এ নিয়ে এলাকায় অনেকবার সালিশ মীমাংসা করা হলেও কোন সুরাহা আসেনি, আজ দুপুরে ছেলে ও মায়ের ভিতর কথা কাটা কাটির একপর্যায়ে ছেলে সুব্রত রায় (৪৫) তার হাতে থাকা কোঁদাল দিয়ে তার মা শৈবালিনী রায়ের (৬০) মাথায় আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীরা তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় ঘাতক ছেলে সুব্রত রায় ও তার স্ত্রী সুচিত্রা রায় (৩০) কে আটক করেছে পুলিশ।

//আজিজ মোড়ল, মোংলা, বাগেরহাট//

আরও পড়ুন……

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সরকার দেশের অর্থনীতিকে সচল রেখেছে: সালাম মূশের্দী

 

খুলনা-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূশের্দী বলেছেন, করোনাকালীন সময়ে গোটা বিশ্ব যখন স্থবির হয়ে পড়েছে তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সরকার দেশের অর্থনীতিকে সচল রেখেছে।

সরকার একদিকে লকডাউনের মাধ্যমে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ করার ব্যবস্থা করছে। অন্যদিকে ভ্যাকসিন প্রদান করার মাধ্যমে দেশের মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করছে। লকডাউনকালীন সময়ে কর্মহীন হয়ে পড়া দুঃস্থ-অসহায় মানুষদের সর্বাত্ত্বক সহযোগিতা করে যাচ্ছেন বর্তমান সরকার। আমি চাই আমার নির্বাচনী এলাকা তেরখাদা, রূপসা, ও দিঘলিয়ার গরীব দুঃখী মানুষ যাতে অভুক্ত না থাকে। তার জন্য আমি আমার ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রাখব।

রূপসা উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নে ২ শতাধিক গরীব, অসহায় ও দু:স্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। সালাম মূশের্দী সেবা সংঘের আয়োজনে আজ মঙ্গল্বার বিকালে রূপসা উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নের গরিব-অসহায়দের মাঝে নৈহাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় মাঠে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আ’লীগের সদস্য ও অধ্যক্ষ ফ ম আব্দুস সালাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, নৈহাটি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান,ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন বুলবুল, এমপি সালাম মূর্শেদীর প্রধান সমন্বয়ক নোমান ওসমানী রিচি, সাবেক চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের টিম লিডার ও যুবলীগ নেতা সামসুল আলম বাবু, আকতার ফারুক,নাজির হোসেন,মামুন শেখ,বাদশা মিয়া, জসিম সরদার,হামিদ খান ভাসানী, তরিকুল ইসলাম, ছাত্রলীগ নেতা রিয়াজ, রাহা,হিমেল,সোহেল, জাহিদ, ইমরান প্রমুখ।

 আ: রাজ্জাক শেখ:

অভয়নগর উপজেলায় ৫০ হাজার পরিবার পাবে ২ কোটি ২৭ লাখ ২০ হাজার টাকা 

পবিত্র রমজান ও আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে যশোরের অভয়নগরে ৫০ হাজার পরিবার পাবে উপ-বরাদ্দের ২ কোটি ২৭ লাখ ২০ হাজার টাকা। বৃহস্পতিবারের (২৯ এপিল) মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌর এলাকার উপকারভোগী ব্যক্তি পরিবারের তালিকা জমাদানে অনুরোধ করা হয়েছে।

জানা গেছে, ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে দরিদ্র ও দুঃস্থ পরিবারের সাহায্যর্থে মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় আর্থিক সহায়তা এবং আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত/দুস্থ/অতি দরিদ্র পরিবারকে সহায়তা প্রদান করবে সরকার।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. রিজিবুল ইসলাম জানান, আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ৪৫ হাজার ৬০০ উপকারভোগীর মাঝে কার্ড প্রতি ৪৫০ টাকা হারে ২ কোটি ৫ লাখ ২০ টাকা প্রদান করা হবে।

যার মধ্যে প্রেমবাগ ইউনিয়নে ৪ হাজার ৯৯৫টি, সুন্দলী ইউনিয়নে ৩ হাজার ২০০টি, চলিশিয়া ইউনিয়নে ৪ হাজার ৬১০টি, পায়রা ইউনিয়নে ৪ হাজার ৪৮৩টি, শ্রীধরপুর ইউনিয়নে ৬ হাজার ৯১৭টি, বাঘুটিয়া ইউনিয়নে ৪ হাজার ৬১০টি, শুভরাড়া ইউনিয়নে ৬ হাজার ২০টি, সিদ্ধিপাশা ইউনিয়নে ৬ হাজার ১৪৪টি ও নওয়াপাড়া পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে ৪ হাজার ৬২১ উপকারভোগী ব্যক্তি পরিবার উপ-বরাদ্দের টাকা পাবে।

এছাড়া পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে দরিদ্র ও দুঃস্থ পরিবারের সাহায্যর্থে মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ৫০০ টাকা হারে নগদ অর্থ প্রদান করা হবে। প্রতি ইউনিয়নে ৫০০ করে ৮টি ইউনিয়নে ৪ হাজার এবং নওয়াপাড়া পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ৪০০ উপকারভোগীর মাঝে উপ-বরাদ্দের ২২ লাখ টাকা প্রদান করা হবে।

উপ-বরাদ্দের তালিকায় কারা অর্ন্তভুক্ত হতে পারবে এবং পারবে না এমন প্রশ্নে পিআইও জানান, মালিকানায় বা ভিটেবাড়ি ছাড়া কোনো জমি নেই, দিনমজুর আয়ে নির্ভরশীল, মহিলা শ্রমিকের আয় বা ভিক্ষাবৃত্তির ওপর নির্ভরশীল, উপার্জনক্ষম পূর্ণ বয়স্ক পুরুষ সদস্য নেই, স্কুলগামী শিশু উপার্জনের জন্য কাজ করে, উপার্জনশীল কোনো সম্পদ নেই, স্বামী পরিত্যাক্তা-বিচ্ছিন্ন বা তালাকপ্রাপ্তা মহিলা, অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা, বাড়ির প্রধান অস্বচ্ছল বা অক্ষম প্রতিবন্ধী, ক্ষুদ্র ঋণপ্রাপ্ত হয়নি, প্রাকৃতিক দুর্যোগে খাদ্য/অর্থ সংকটে থাকা, দু’বেলা খাবার জোটে না ও করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি পরিবার উপ-বরাদ্দের উপকারভোগীর তালিকায় অর্ন্তভুক্ত হতে পারবে। তালিকায় অবশ্যই ৭০ শতাংশ মহিলা হতে হবে। একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তির নাম তালিকায় অর্ন্তভুক্ত করা যাবে না, বয়স্ক/বিধবা/প্রতিবন্ধি/ভিজিডি/খাদ্যবান্ধব/ইজিপিপি তালিকায় অর্ন্তভুক্তকে তালিকায় সংযুক্ত করা যাবে না এবং সরকার প্রদত্ত ২ হাজার ৫০০ টাকা প্রণোদনার তালিকাভুক্তরা অর্ন্তভুক্ত হতে পারবে না।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুর রহমান জানান, পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে মানবিক সহায়তা কর্মসূচি এবং আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগীদের মাঝে নগদ অর্থ প্রদান করা হবে। উপ-বরাদ্দের প্রাপ্ত অর্থ পৃথকভাবে বিতরণ করা হবে। সংশ্লিষ্টদের সাথে জরুরী সভা করা হয়েছে। আগামী ২৯ এপ্রিলের মধ্যে স্ব স্ব ইউনিয়ন ও পৌরসভা কর্তৃক উপকারভোগীর তালিকা জমা দানে অনুরোধ করা হয়েছে।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ্ ফরিদ জাহাঙ্গীর জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নে কোনো প্রকার অনিয়ম-দুর্নীতি ধরা পড়লে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল,বিশেষ প্রতিনিধি, যশোর //

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে অগ্নিকান্ডে ৭ দোকান ক্ষতিগ্রস্থ

 

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার লেলাং এ ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৭ টি দোকান পুরোপুরি ভস্মীভূত হয়েছে।

সোমবার (২৬ এপ্রিল) দুপুর ২ টার দিকে শাহনগর ইসলামিয়া বাজারে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী ও ফটিকছড়ি ফায়ার সার্ভিস দীর্ঘ ১ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ আনলেও ততক্ষণে আগুনে বাঁশ-বেড়ার দোকানগুলো পুরোপুরি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। মোস্তফা সওদাগরের চায়ের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

আগুনে মোস্তফা সওদাগরের চায়ের দোকান, বাদল ডাক্তারের হোমিওপ্যাথিকের চেম্বার, মোহাম্মদ করিমের মুরগির ফার্ম, আল আমিনের মাছের দোকান, মোহাম্মদ আইয়ুবের সবজির দোকান, মোহাম্মদ নাসিরের কলার দোকান, আব্দুস সালামের মুরগির ফার্ম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে প্রায় ২০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

এদিকে খবর পেয়ে লেলাং ইউপি চেয়ারম্যান সরোয়ার উদ্দিন চৌধুরী শাহীন ও ফটিকছড়ি থানার এস আই ফখরুল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো//

আরও পড়ুন….

নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে তিনদিন ব্যাপী অসহায় গরীব রোজাদারদের মাঝে  ইফতার সামগ্রী বিতরণ করার উদ্যোগ নিয়েছেন প্রেসক্লাবের সাংবাদিক বৃন্দ ৷ 
বিতরণের প্রথম দিন ২৩ এপ্রিল (শুক্রবার) বিকালে খুলনা-যশোর মহাসড়ক নূরবাগ মোড়ে রোজাদারদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেন ৷
একই ভাবে  দ্বিতীয় দিন ২৬ এপ্রিল (সোমবার) নওয়াপাড়া শংকরপাশা সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে রোজাদারদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণের মাঝে উপস্থিত ছিলেন , নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের  উপদেষ্টা- এস এম ফারুক আহমেদ, সভাপতি- নজরুল ইসলাম মল্লিক , সাধারণ সম্পাদক- মোজাফ্ফার আহমেদ , যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক -সৈয়দ জাহিদ মাসুদ তাজ , ক্রিড়া-সম্পাঃ- এম আলাউদ্দিন, দপ্তর সম্পাঃ শাহিন আহমেদ। আরও উপস্থিত ছিলেন আইসিটি সম্পাদক- তারিম আহমেদ ইমন, সদস্য-সৈয়দ রিপানুল ইসলাম রিপন,  মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, জাকির হোসেন রিদয় , ডি আর আনিস, আর এস রুবেল, জসিম উদ্দিন বাচ্চু, জাবেদ হোসেন,মোঃ রবিউল ইসলাম,আশরাফুল ইসলাম প্রিন্স, আবুল হোসেন , জাহিদ হোসেন লিটন প্রমুখ ৷
নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ
//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধিঃ যশোর//

করোনা আতঙ্কে মৃতকে ছুঁল না স্বামী সন্তান, সৎকার করলেন একদল মুসলিম যুবক

যতই দিন যাচ্ছে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে ভারতের করোনা পরিস্থিতি। ইতোমধ্যে দেশটিতে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় তিন হাজারে পৌঁছেছে। প্রতিদিনের সংক্রমণ সংখ্যা ছাড়িয়েছে সাড়ে ৩ লাখের গণ্ডি। শ্মশানেও জায়গা সংকুলান হচ্ছে না মৃতদেহ সৎকারে।

 

এমতাবস্থায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নজির গড়লেন ভারতের বিহারের গয়া জেলার একদল মুসলিম যুবক।

 

করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন, এই ভয়ে এক নারীর মৃতদেহ ছুঁতে চায়নি পরিবারের লোক। শেষপর্যন্ত রীতি মেনে ওই হিন্দু নারীর শেষকৃত্য সম্পন্ন করলেন মুসলিম যুবকরাই। ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে তাদের সেই কাজ। অনেকেই প্রশংসাও করেছেন।

খবরে বলা হয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের গয়া জেলার ইমামগঞ্জ পুলিশ স্টেশনের তেতারিয়া গ্রামে। সম্প্রতি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন প্রভাবতী দেবী নামে ৫৮ বছরের ওই নারী। তাকে তড়িঘড়ি একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আরটি-পিসিআর টেস্টও করা হয়। কিন্তু সেই রিপোর্ট নেগেটিভ আসলেও পরবর্তীতে চিকিৎসা চলাকালীনই মৃত্যু হয় ওই নারীর। করোনাতেই মারা গিয়েছেন তিনি, এই ভয়ে ওই নারীর স্বামী এবং দুই ছেলে মরদেহ নিতে রাজি হননি। ফলে দীর্ঘক্ষণ গাড়িতেই পড়েছিল মৃতদেহ। শেষপর্যন্ত খবর পেয়ে ওই নারীর শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে এগিয়ে আসেন মুহাম্মদ রফিক, শারিক, কালামি, বারিক, লাদ্দানসহ এলাকারই বেশ কয়েকজন মুসলিম যুবক।

 

এই প্রসঙ্গে সমাজকর্মী মুহাম্মদ শারিক জানান, ‘চিকিৎসা চলাকালীনই ওই নারীর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হতে থাকে। এরপরই চিকিৎসকরা তার করোনা পরীক্ষা করতে বলেন। রিপোর্ট নেগেটিভ এলেও চিকিৎসা চলাকালীনই মারা যান তিনি।’

 

এদিকে, করোনায় মমৃত্যু হয়েছে প্রভাবতী দেবীর, এই ভয়ে তার স্বামী বা দুই ছেলে কেউই মৃতদেহ নিতে রাজি হননি। ফলে দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত গাড়িতেই পড়েছিল তার মৃতদেহ। শেষপর্যন্ত আমরা খবর পেয়ে সেখানে যাই, পরিবারের লোকজনকে শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে বলি। কিন্তু তবুও তারা দূরেই দাঁড়িয়েছিলেন। শেষপর্যন্ত আমরা কয়েকজন গাড়ি থেকে মৃতদেহটি নামাই। এরপর বাঁশ দিয়ে মড়া নিয়ে যাওয়ার খাট তৈরি করে শবদেহটি নিয়ে শ্মশানের উদ্দেশে রওনা হই। তখন অবশ্য পরিবারের অন্যরা নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে আমাদের সঙ্গ দেন।’

এই প্রসঙ্গে মৃতের এক ছেলে বলেন, ‘এলাকার মুসলিম যুবকরা আমার মায়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে সাহায্য করেন। ওরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য উদাহরণ গড়েছে। আমাদের পরিবার ওদের প্রত্যেকের কাছে ঋণী।’ সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

অনলাইন ডেস্ক।।

আরও পড়ুণ…

হেফাজতের হরতালে তাণ্ডব: হেফাজতের ওবায়দুল্লাহ ও ওলামা ঐক্যের মো. মোজাম্মেল হকসহ ৬জন গ্রেফতার

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হামলা, ভাংচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আশুগঞ্জ উপজেলার হেফাজত ইসলাম ও ইমাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুফতি ওবায়দুল্লাহ এবং সাদেকপুর ইউনিয়ন ছাত্র ওলামা ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক, কারি মো. মোজাম্মেল হকসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।  এসব ঘটনায় হওয়া মামলায় এখন পর্যন্ত ৩৭৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে বিজ্ঞপ্তিতে গ্রেফতারকৃতদের কারও নাম জানায়নি পুলিশ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মো. রইছ উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, হেফাজতের হরতাল চলাকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানাধীন টিএ

রোড এলাকায় তাণ্ডবের ঘটনায় জড়িত সাদেকপুর ইউনিয়ন ছাত্র ওলামা ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক, কারি মো. মোজাম্মেল হককে রাতে গ্রেফতার করা হয়।

এ ছাড়া আশুগঞ্জ থানাধীন ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে। টায়ারে আগুন দিয়ে পিকেটিংয়ে জড়িত আশুগঞ্জ উপজেলার হেফাজত ইসলাম ও ইমাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুফতি ওবায়দুল্লাহকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

এ ছাড়া সহিংসতায় জড়িত থাকার অভিযোগে আরও চার হেফাজত নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।  মঙ্গলবার দুপুরে তাদের আদালতে নেওয়া হবে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬, ২৭ ও ২৮ মার্চে হেফাজতের তাণ্ডবে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ৪৯টি, আশুগঞ্জ থানায় তিনটি ও সরাইল থানায় দুটিসহ ৫৪টি মামলা রুজু হয়েছে।

এসব মামলায় ৪১৪ জন এজাহারনামীয় আসামিসহ অজ্ঞাতনামা ৩০-৩৫ হাজার লোকের নামে মামলা হয়েছে। সহিংসতার ঘটনায় পুলিশ স্থিরচিত্র ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের শনাক্ত করছে।

//অনলাইন ডেস্ক//

আরও পড়ুণ…