খুলনার রূপসায় ভ‍্যানের আঘাতে শিশু নিহত

//খুলনা ব্যুরো//
খুলনার রূপসায় ভ‍্যানের আঘাতে হোসাইন শেখ(১১)নামে এক শিশুর মৃত‍্যু হয়েছে। শিশুটি বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার গাদ্দাসকাঠী গ্রামের বাসিন্দা ইব্রাহিম শেখের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শ্রীফলতলা ইউনিয়নের নন্দনপুর এলাকায় শামী আহমেদ এর মুন ইটভাটার শ্রমীক হিসেবে ইব্রাহিম শেখ তার পরিবার নিয়ে বসবাস করে।

গত ১৭ মে সকাল সাড়ে ১০টায় ইটভাটা সরদার রনি ইসলাম এর সাথে কাজ করতে ছিল। কাজ শেষে সরদার রনি শিশু হোসাইনকে নিয়ে ভ‍্যানে করে নাস্তা আনতে যাবার পথে ভ‍্যানের এক্সেল ভেঙ্গে শিশুর টির মাথায় আঘাত লাগে। গুরুত্বর আঘাতে ঘটনাস্থলে শিশু হোসাইন মারা যায়। এঘটনায় পরিবার ও এলাকায় শোক বিরাজ করছে।

থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো:শাহিন জানান,ভ‍্যানের আঘাতে শিশুর মৃত‍্যুর খবর শুনে ঘটনাস্থলে যায়।

খুলনায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী কৃষ্ণ র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার

আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো:

র‌্যাব-৬, (স্পেশাল কোম্পানি) খুলনার একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খুলনার সোনাডাঙ্গা থানাধীন করিমনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮ বছরের সাজাপ্রাপ্ত কুখ্যাত মাদক কারবারি কৃষ্ণ শীলকে গ্রেফতার করেছে।

সে পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার বাসিন্দা।

র‍্যাব জানায়, কৃষ্ণ শীল পিরোজপুর জেলার কুখ্যাত মাদক কারবারি। সে দীর্ঘদিন যাবত পিরোজপুর জেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। গত ২০১৭ সালে আইন শৃংখলা বাহিনী কৃষ্ণ শীলকে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ গ্রেফতার করে এবং পিরোজপুর নেছারাবাদ থানায় একটি মাদক মামলা দায়ের করেন। মামলার বিচারকার্য শেষে ঘটনার সত্যতা প্রমানিত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত আসামী কৃষ্ণ শীলকে ৬ বছরের সাজাসহ ১০,০০০/-(দশ হাজার) টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ০৩ (তিন) মাসের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।
এছাড়াও আরও একটি মাদক মামলায় আসামী কৃষ্ণ শীলকে ২ বছরের সাজাসহ ২০০০/-(দুই হাজার) টাকা জরিমানা প্রদান করেন।
কৃষ্ণ আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়ায়। পরবর্তীতে র‌্যাব গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে উক্ত আসামীকে গত ১২ মে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীকে পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

খুলনায় ইউপি সদস্যের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রতিবাদে মানববন্ধন

//খুলনা ব‍্যুরো//

খুলনায় মনি মালাকার ইউপি সদস্যের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে গ্রামবাসীর আয়োজনে ১০ মে বিকালে শিয়ালী বাজার এলাকায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মনি মালাকার , অস্ত্রসহ গ্রেফতারকৃত বিনয় বিশ্বাস, ভগিরথ গংদের বিরুদ্ধে অতিষ্ঠ হয়ে গ্রামবাসী মানববন্ধন এর আয়োজন করেন।

খুলনায় ইউপি সদস্যের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রতিবাদে মানববন্ধন

মানববন্ধনে গ্রামবাসীর পক্ষে বক্তব্য রাখেন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য বিনোদিনী পাল, ইলিকা বিশ্বাস (প্রভাষক চাঁদপুর কলেজ), নিত্যানন্দ বিশ্বাস, অপূর্ব হালদার, ভোলানাথ বিশ্বাস, মোহিত বিশ্বাস, বিভাস বিশ্বাস, বিবরণ হালদার, সরুপ রায়, গিরি তরফদার, মহিলা আওয়ামী লীগের নেত্রী সাধনা হালদার, সীমা মন্ডল, শম্ভু মল্লিক, অজিত হালদার, মৃন্ময় ধর শিপন, মকরন্দ মজুমদার, অজয় ধর, দীপক বৈরাগ, প্রমূখ।

গ্রামবাসী সন্ত্রাসী ইউপি সদস্য মনি মালাকার ও তার বাহিনীর অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার প্রতিবাদ জানায় এবং এলাকায় মদ জুয়া মাদক বন্ধ করে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পের জমি ও ঘর দেয়ার নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এক চক্রকে গ্রেফতার করেছে র্যাব

খুলনা ব‍্যুরো:

র‌্যাব-৬, খুলনার একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৯মে জানতে পারে যে, খুলনার সোনাডাঙ্গা থানা এলাকায় সরকারি দরিদ্র ত্রান কার্ড এবং সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পের জমি ও ঘর দেয়ার নামে একটি প্রতারক চক্র অসহায় সাধারণ মানুষের নিকট হতে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।

উক্ত চক্রটি ইতোমধ্যে দরিদ্র জনসাধারণের মধ্যে বেশ কিছু ভূয়া দরিদ্র ত্রান কার্ড প্রদান করেছে। এছাড়াও সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পের জমি ও ঘর দেয়ার নামে বিপুল পরিমান অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে আভিযানিক দলটি একই তারিখ কেএমপি খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার গোবরচাকা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে প্রতারক চক্রের মূলহোতা মোসাঃ ইয়াসমিন(৪০), থানা-সোনাডাঙ্গা, জেলা-কেএমপি, খুলনা গ্রেফতার করেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী প্রতারণার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।

পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামীকে কেএমপি খুলনার সোনডাঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হ য়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপককে মারধর মামলার আসামীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬

//আ: রাজ্জাক শেখ,খুলনা ব‍্যুরো//
খুলনা জেলার কয়রা থানাধীন কয়রা উত্তরচক আমিনিয়া বহুমুখী কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পরীক্ষা পরিচালনার জন্য ৫মার্চ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক নজরুল ইসলাম কয়রাতে আসেন।
পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ প্রদানের জন্য মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও মহারাজপুর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল মাহমুদ নিয়োগ বোর্ডকে ক্রমশ চাপ প্রয়োগ করতে থাকে।
নিয়োগ বোর্ডের প্রতিনিধিরা চেয়ারম্যানের প্রস্তাবে রাজি না হয়ে পরীক্ষার কার্যক্রম শেষে গাড়ি যোগে নিজ কর্মস্থলে ফিরছিলেন। এমতাবস্থায় তাদের বহন করা নিয়োগ বোর্ডের গাড়িটি ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে পৌঁছলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে চেয়ারম্যান ও তাঁর লোকজন গাড়িটি আটকে দেয়। এ সময় অধ্যাপক নজরুল ইসলাম ইউপি চেয়ারম্যানের কথামতো নিয়োগ পত্রে স্বাক্ষর করতে রাজি না হলে ইউপি চেয়ারম্যানের লোকজন তাকে এলোপাতাড়িভাবে মারধর করে।

পরে চেয়ারম্যানের বাড়িতে একটি কক্ষে অধ্যাপক নজরুল ইসলামকে আটক করে মাদ্রাসার প্রধান করনিক আসামী কামরুল তার কাছ থেকে জোরপূর্বক নিয়োগ পত্রে স্বাক্ষর নেয়। পরে আহত অবস্থায় অধ্যাপক নজরুল ইসলামকে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ বিষয়ে অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে খুলনা জেলার কয়রা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার সংবাদ প্রাপ্ত হয়ে র‍্যাব-৬ খুলনার একটি আভিযানিক দল আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে এবং অভিযান অব্যাহত রাখে।

এরই ধারাবাহিকতায় ৬ মে ২০২৩ তারিখ র‌্যাব-৬ (স্পেশাল কোম্পানি) খুলনার একটি আভিযানিক দল গোপন সূত্রে জানতে পারে যে, উক্ত মামলার অন্যতম আসামী কামরুল ইসলাম খুলনা জেলার কয়রা থানা এলাকায় অবস্থান করছে।

প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আভিযানিক দলটি একই তারিখ খুলনা জেলার কয়রা লঞ্চঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামী কামরুল ইসলামকে গ্রেফতার করে। মামলার বাকি আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত আছে।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে জেলার কয়রা থানায় হস্তান্তরের করা হয়েছে।

র‍্যাব ১৮টি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি রিপনকে গ্রেফতার করেছে

//খুলনা ব‍্যুরো//

দীর্ঘদিন যাবত পলাতক ১৮টি মামলার গ্রেফতারী পরায়না শীর্ষ সন্ত্রাসী রাজীব হাসান @রিপন চৌধুরীকে ঢাকা হতে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬। রিপন চৌধুরী যশোরের একজন চিহ্নিত শীর্ষ সন্ত্রাসী।

সে গত ২০১৪ সাল হতে ২০১৮ সাল পর্যন্ত যশোর শহরের বিভিন্ন স্থানে ককটেল বোমা ও পেট্রোল বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনসাধারণের মারাত্মক ক্ষতিসাধনসহ জানমালের ব্যাপক ক্ষতি করে।

তার বিরুদ্ধে ১৩টি বিস্ফোরক তৎসহ বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা, ১টি সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা, ২টি বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলাসহ ২ টি হত্যা চেষ্টার মত ঘৃণ্য অপরাধের মোট ১৮টি মামলা রয়েছে।

সে দীর্ঘদিন যাবত আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে দেশের বিভিন্নস্থানে পলাতক ছিল।

বিষয়টি জানতে পেরে র‍্যাব-৬ (যশোর ক্যাম্প) খুলনার একটি আভিযানিক দল ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং উক্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামীকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রাখে।

এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-৬, যশোর ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, ডিএমপি ঢাকার লালবাগ থানা এলাকায় আসামী রাজীব হাসান চৌধুরী (৪৫) আত্মগোপনে আছে।

উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে আভিযানিক দলটি ৬ মে ২০২৩ তারিখ ভোরে ডিএমপি ঢাকার লালবাগ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ রাজীব হাসান চৌধুরী @রিপন চৌধুরী(৪৫)কে গ্রেফতার করেন।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে ২০১৪ সাল হতে ২০১৮ সাল পর্যন্ত যশোরের বিভিন্ন স্থানে নেতৃত্বে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকান্ড সংঘটিত করেছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত আসামী তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সত্যতা স্বীকার করেছে।

পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামীকে যশোর জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সরকারী রাস্তায় দোকান ঘর রাখায় সাক্ষী প্রদান কালে সাক্ষীদের উপর ইউপি সদস‍্যসহ ১০/১২জনকে কুপিয়ে জখম,মামলা দায়ের

//খুলনা প্রতিনিধি//
রূপসা ফকিরহাট সীমান্তে
ডহর মৌভোগ এলাকায় সরকারি রাস্তার পাশে খাস জমিতে দোকান ঘর উচ্ছেদ করেন সরকারের পক্ষে ম্যাজিস্ট্রেট। উচ্ছেদকৃত দোকানঘর

রাস্তার উপর দোকান ঘর রাখায় সাক্ষী প্রদান কালে সাক্ষীদের উপর অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে গুরুতর যখম করার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।

সরকারী রাস্তায় দোকান ঘর রাখায় সাক্ষী প্রদান কালে
সাক্ষীদের উপর ইউপি সদস‍্যসহ ১০/১২জনকে কুপিয়ে জখম,মামলা দায়ের

মামলার আসামিরা হলেন, লিটন বালা, মিল্টন বালা, দিপু কীর্তনীয়া, দীপঙ্কর কীর্তনীয়া, দেবদাস কীর্তনীয়া, রঞ্জিত কীর্তনীয়া, মিঠুন শিকদার সহ ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে ও ৫/৬ জনকে অজ্ঞাত করে ফকিরহাট থানায় মামলা দায়ের করেছেন কালিদাস মাঝিবাদী হয়ে।

সরকারী রাস্তায় দোকান ঘর রাখায় সাক্ষী প্রদান কালে
সাক্ষীদের উপর ইউপি সদস‍্যসহ ১০/১২জনকে কুপিয়ে জখম,মামলা দায়ের
মামলার সূত্রে জানা যায়, ডহর মৌভোগ এলাকায় খাস জমির উপরে দোকানঘর উচ্ছেদ করেন বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি ম‍্যাজিস্ট্রেড গত ২মে।
ঐ দোকান গুলি রথখোলা থেকে পূর্ব পাড়া থেকে পশ্চিমপাড়া যাওয়ার রাস্তার উপর রাখিয়া সেখানে ঘর তৈরি করে।
এই বিষয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নিতিশ ঢালী ও সংরক্ষিত ইউপি সদস্য সন্ধ্যা রানী মন্ডল সহ আরো কয়েকজন ফকিরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

সরকারী রাস্তায় দোকান ঘর রাখায় সাক্ষী প্রদান কালে
সাক্ষীদের উপর ইউপি সদস‍্যসহ ১০/১২জনকে কুপিয়ে জখম,মামলা দায়ের

অভিযোগের পর তাৎক্ষণিক অভিযোগের তদন্ত করার জন্য ৩ মে বিকালে সহকারি কমিশনার ভূমি ঘটনাস্থলে আসেন।
তদন্তে ওই স্থানের সাক্ষী অংশুমান ঢালী, কামনা ঢালী, নিরাপদ রায়, বিপুল মাঝি, সুশীল রায় সহ গ্রামের অনেক লোক উপস্থিত হয়।
তাহারা সহকারি কমিশনার ভূমির নিকট সাক্ষ্য প্রদান করেন।
সাক্ষ্য প্রদান করলে আসামি দ্বয় সঙ্গোবদ্ধ হইয়া আক্রমণ করিয়া ত্রাস সৃষ্টি করিলে সহকারী কমিশনার ভূমি দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়।

সহকারী কমিশনার ভূমি চলিয়ে যাবার পর আসামিগণ তাদের হাতে থাকা দা,লাঠি, শাবল, লোহার রড, ইত্যাদি লইয়া সাক্ষী ও উপস্থিত লোকদের উপর হামলা করে।

আসামীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাক্ষী কামনা ঢালী স্বামী অংশুমন ঢালী, সুশীল রায়, ইউপি সদস্য সন্ধ্যা রানী মন্ডল, নীতিশ ঢালী
ঝন্টু ঢালী, বিপুল মাঝি সহ ১০/১২ জন কে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।

এ সময় আসামিরা আহতদের দোকান ঘর পিটিয়া কুপাইয়া টিনের বেড়া জানালা দরজার আসবাবপত্র চায়ের দোকানের মালামাল ও বিভিন্ন প্রকারের মুদি মনোহরি মালামাল ভাঙ্গিয়া ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি করেন।

এসময় ক্যাশ বাক্সে থাকা নগদ ২০ হাজার টাকা নিয়ে যায় এবং কাজল ঢালীর ১৫ হাজার টাকা মূল্যের একটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়।

আরো জানাযায়, উপস্থিত ইউপি সদস্য সহ অন্যান্যরা নানাভাবে নিষেধ করতে থাকলে আসামি লিটন বালা, দীপঙ্কর,দেবদাস, মিল্টন, ইউপি সদস্য নীতিশ ঢালী ও সন্ধ্যা রানী মন্ডলকে মারপিট করে আহত করে।

ঝন্টু ঢালীর শরীরে বিভিন্ন স্থানে পিটাইয়া জখম করে এবং
বিপুল মাঝির শ্বশুরের চায়ের দোকান ভাংচুর করে।

কিছু দিন আগে আসামীদের বিরুদ্ধে সাক্ষী অংশুমান ঢালী বাদী হ য়ে ফকিরহাট থানার মামলা দায়ের করেন। যার নং ১১, তারিখ ১৮ /৯/২২।
মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। আহতদের রক্তাক্ত যখমবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে কালিদাস মাঝি বাদী
হয়ে ফকিরহাট থানায় মামলা দায়ের করেন।
যার নং-৭,তারিখ-৫/৫/২৩।

খুলনায় পলাশ হত্যা মামলার  আসামীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬

খুলনা ব‍্যুরো:

র‍্যাব-৬ অভিযান চালিয়ে খুলনায়  পলাশ হাওলাদার (২৩)  হত‍্যা মামলার আসামী সজীব কে গ্রেফতার করেছে।

পলাশ  খুলনা সদর থানাধীন মাথাভাঙ্গা এলাকার শিউলি বেগম এর ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে,  গত ৬ অক্টোবর ২০২২ তারিখ পলাশ নিজ বাসা হতে বাজার করার উদ্দেশ্যে বের হয়।

পথিমধ্যে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সজীবসহ কয়েকজন আসামীরা তাকে ও তার বন্ধুকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে জখম করে। এসময় তাদের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে আসলে আসামিরা পালিয়ে যায়।

স্থানীয় লোকজনের সহায়তায়  পলাশ ও তার বন্ধুকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসা পলাশ হাওলাদার (২৩)কে মৃত ঘোষণা করে।

এ বিষয়ে নিহতের মা বাদী হয়ে খুলনা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার বিষয়ে জানতে পেরে র‍্যাব-৬ (সদর কোম্পানি) খুলনার একটি আভিযানিক দল ছায়া তদন্ত শুরু করে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত আসামীদেরকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রাখে।

এরই ধারাবাহিকতায় র‍্যাব-৬ (সদর কোম্পানি) খুলনার  ৪ মে  গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কেএমপি খুলনার লবণচরা থানাধীন হরিণটানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত হত্যা মামলার অন্যতম পলাতক আসামী  মোঃ সজিবুর রহমান @ সজিব (২৩) কে গ্রেফতার করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সজীব উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করে।  আসামী সদর থানার বাসিন্দা হওয়ায় তাকে খুলনার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বাগেরহাটের রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চুরি হওয়া মূল্যবান সরঞ্জামাদি উদ্ধার, ২ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাব ৬

//খুলনা ব্যুরো//

র‍্যাব -৬ অভিযান চালিয়ে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চুরি হওয়া মূল্যবান সরঞ্জামাদি উদ্ধার ও ২ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে।

তাদের বিরুদ্ধে বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।

জানাযায়,গত ২৮ এপ্রিল ২০২৩ তারিখ রাতে রামপাল থানাধীন রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কন্সট্রাকশনের কাজে ব্যবহৃত ৫,৫০০ কেজির অধিক মূল্যবান লৌহ সামগ্রী যার অনুমান বাজার মূল্য ৩,২০,০০০/- (তিনলক্ষ বিশ হাজার) টাকা কে বা কারা লুট করে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজে নিয়োজিত ভেল কোম্পানীর সাইড ইনচার্জ অধিনায়ক, র‌্যাব-৬ খুলনা এর বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

উক্ত অভিযোগের ভিত্তিতে র‌্যাব-৬, সদর কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক দল এই সংক্রান্তে ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং চুরিকৃত মালামাল উদ্ধার ও আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রাখে।

এরই ধারাবাহিকতায়, র‌্যাব-৬ সদর কোম্পানির একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৯ এপ্রিল ২০২৩ তারিখ রাতে বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট থানার কাটাখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোর চক্রের মূলহোতা বিপ্লব হোসেন (১৯), মেহেদী হাসান শান্ত (২৩), খুলনা সদর, কেএমপি খুলনাকে গ্রেফতার করে।

এ সময় তাদের নিকট হতে চুরিকৃত মালামাল মূল্যবান লৌহ সরঞ্জামাদি-৫৪৯৫ কেজি, তামার তার-৫০ কেজি ও চোরাই কাজে ব্যবহৃত মিনি ট্রাক ১টি উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজে নিয়োজিত ভেল কোম্পানীর সিকিউরিটি ইনচার্জ র‌্যাবের সহযোগীতায় বাদী হয়ে বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করেন।

খুলনায় নাশকতা মামলায় হেলাল-এজাজসহ ৮ জন কারাগারে

//খুলনা ব্যুরো//

খুলনার ডুমুরিয়া থানার একটি নাশকতা মামলায় কেন্দ্রীয় বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খানসহ ৮ জনকে কারাগারে প্রেরণ করেছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে তারা খুলনার সিনিয়র দায়রা জজ আদালতে জামিন শুনানির জন্য হাজির হয়েছিলেন। বিচারক মীর শফিকুল আলম ৮ আসামির জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। অন্যান্য আসামীরা হলেন শেখ ফরহাদ হোসেন, মোল্লা আকবর হোসাইন সৈকত, আবদুর রব আকুঞ্জী, শাহীনুর রহমান, মোল্লা মশিউর রহমান ও শাহনেওয়াজ শেখ আসামীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. মোমরেজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

খুলনা মহানগর বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা বলেন, ডুমুরিয়া থানার একটি নাশকতা মামলায় বিএনপি’র ১৭ জন নেতাকর্মী হাজিরা দিতে গিয়েছিলেন। তার মধ্যে কেন্দ্রীয় বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খানসহ ৮ জনকে কারাগারে প্রেরণ করেছে আদালত।

এদিকে আদালত সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে বিএনপির কেন্দ্রীয় তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, খুলনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমির এজাজ খান, ডুমুরিয়া উপজেলা আহ্বায়ক মোল্লা মফিজুর রহমানসহ ১৩০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ডুমুরিয়া থানার এস আই তারেক রাইয়ান বাদী হয়ে একটি নাশকতা মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নাশকতার সৃষ্টির অভিযোগ করেন তিনি। মামলায় মোট ১৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।