বৃহত্তর খুলনা সমিতির নির্বাচন , সভাপতি সালাম ও সাধারণ সম্পাদক রবি

//বিশেষ প্রতিনিধি, জেনিভা প্রিয়ানা//

বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম বৃহত্তর খুলনা সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন খুলনার খান রবিউল ইসলাম রবি। গেল ২৫ ডিসেম্বর রাজধানীর হোটেল একাত্তরে এক মত বিনিময় সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির বুলবুল, শেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ সাহেদ হোসেন সালাউদ্দিন, শেখ আব্দুল হান্নান, ইকবাল মাসুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার জাহিদ, দপ্তর সম্পাদক খান আখতারুজ্জামান, প্রচার সম্পাদক স.ম. মেহেদী হাসান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃ আব্দুর রহমান, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার রেবেকা সান ইয়াত।

এছাড়া খুলনা বাগেরহাট ও সাতক্ষীরার ২১ জন সদস্য কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

বাগেরহাটে ডিআইজির ভয় দেখিয়ে সন্ত্রাসী হামলা, চার নারী আহত

//বিশেষ প্রতিনিধি, জেনিভা প্রিয়ানা//

বাগেরহাট সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের কুলিয়াদাইড় গ্রামে ডিআইজি ভাইায়ের ভয় দেখিয়ে এলাকায় সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে বাবু নামের এক পাতি নেতা। শুক্রবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে কুলিয়াদাইড় গ্রামে বাবু সরদারের নেতৃত্বে অনন্ত রাজবংশীর বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর জখম হন মৃত্তিকা রাজবংশী নামে এক গৃহবধূ। মৃত্তিকা রাজবংশী বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের অনন্ত রাজবংশীর স্ত্রী। হামলায় বাকি আহতরা হলেন অহনা রাজবংশী, কল্পনা রাজবংশী ও চন্দনা রাজবংশী।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মৃত্তিকা রাজবংশীর স্বামী অনন্ত রাজবংশী বাদী হয়ে বাগেরহাট সদর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত বাবু সরদারের ভাই প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হওয়ায় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে প্রতিনিয়ত এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে থাকেন বলে অনন্ত রাজবংশী অভিযোগ করেছেন।

ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, অনন্ত রাজবংশীর ছোট ভাই সুকুমার রাজবংশীর স্ত্রীর সাথে শুক্রবার দুপুরে পরিবারের সদস্যদের কথা কাটাকাটি হয়। এতে সুকুমারের স্ত্রী ক্ষিপ্ত হয় ও পরিবারের সদস্যদের হুমকি প্রদান করে। এর কিছুক্ষণ পরেই বাবু সরদারের নেতৃত্বে স্থানীয় সামাদ, জাহাঙ্গীর, আশিস, মিলন, খোকন, ভগিরথ, হৃদয় ও জয় কৃষ্ণ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বেআইনিভাবে বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করে। তারা বাড়িতে মহিলাদের উপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা করে। হামলাকারীরা গৃহবধূ মৃত্তিকাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুত্বর জখম করে এছাড়া অহনা, কল্পনা ও চন্দনাকে মারধর করে ও পরনের কাপড় ছিড়ে ফেলে। পরে সন্ত্রাসীরা বেআইনিভাবে বসত ঘরে প্রবেশ করে স্বর্ণালংকার ও নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে আহতদের বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত বাবু সরদারের সাথে একাধিক বার যোগাযোগ করা হলেও তাকে মোবাইলে পাওয়া যায়নি। বাগেরহাট সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সাইদুর রহমান বলেন, হামলার ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

খুলনা রূপসায় সাব্বির নামে এক যুবককে গুলি, এলাকায় আতঙ্ক

//বিশেষ প্রতিনিধি//

খুলনা রূপসায় সাব্বির (২৭) নামের এক যুবক সন্ত্রাসীদের গুলিতে মারাত্মক আহত হয়েছে। গতকাল রাতে রূপসা উপজেলার জয়পুর গামের হেলার বটতলা ঈদগাহ ময়দান রোডে এই গুলির ঘটনা ঘটে। মারাত্মক আহত অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হচ্ছে।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, শনিবার রাত আনুমানিক ৭টার সময় স্থানীয় কৃষক কাদেরের পুত্র সাব্বির মোটরসাইকেল যোগে তার বাড়ি সামনে পৌঁছাইলে দুটি মোটরসাইকেলের চারজন যুবক প্রথমে তার প্রতিরোধ করে এবং তাকে তাদের গাড়িতে উঠানোর চেষ্টা করে। সাব্বির বিষয়টি বুঝতে পেরে মোটরসাইকেল ছেড়ে পাঠানোর চেষ্টা করলে দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে ১টী গুলি করে। গুলিটি তার শরীরের পিছনে লেগে সে মারাত্মক যখম প্রাপ্ত হয়। স্থানীয়লোকজন তাকে প্রাথমিক অবস্থায় রূপসা থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে তার অবস্থার অবনতিতে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রেরণ করা হয়েছে। আহত সাব্বির ইতিপূর্বে ডেইলি ভিত্তিতে কাজ করতো অতি সম্প্রতি যে ব্যবসা করছে বলে স্থানীয় জানান ,তবে তিনি কিসের ব্যবসা করেন সে ব্যাপারে তারা কিছু জানাতে পারেননি।

খবর পেয়ে রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: মনিরুল ইসলাম ও কিসমত খুলনা ফাঁড়ির আইসি এস আই শফিকুল ইসলাম সহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেছেন। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত গুলির প্রকৃত ঘটনায় কেউ কোনো কিছু স্পষ্ট করে বলতে পারেনি। তবে পুলিশের একটি সূত্র দাবি করেছে মাদক বিকিকিনি নিয়ে এই গুলির ঘটনা ঘটতে পারে।

রামপালে হামলায় ১৬ ভূমিহীন আহত

//বিশেষ প্রতিনিধি, জেনিভা প্রিয়ানা//

রামপালে কথিত ভূমিহীনের হামলায় প্রকৃত ভূমিহীন নারীসহ ১৬ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় রামপাল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

আহতরা হলেন, উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের ওমর ফারুক (৩৫), নজরুল পাটোয়ারি (৬৫), রিপন শেখ (৩২), মতলেব শেখ (২২), সোহেল শেখ (২২), আহমদ আলী ((২২), শরীফা বেগম (৩০), মনিরা বেগম (২৫), মতিরুল ইসলাম (৫৫), খাদিজা বেগম (২৪), নিলুফা বেগম (২৪), রিক্তা বেগম (৩০), সুমাইয়া বেগম (২০), জেসমিন বেগম (৪৫), রিজিয়া বেগম (৫০) ও জাহাঙ্গীর মোড়ল (৪০)। তাদের রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের প্রায় ৮৩ জন ভূমিহীন পরিবারের সদস্য গোবিন্দপুর মৌজার চরভরাটি জমি সরকারিভাবে বন্দোবস্ত পান। সরকারিভাবে ১৯৯৪-৯৫ সালে প্রত্যেক ভূমিহীন পরিবারকে ৪৪ শতাংশ করে জমি বন্দোবস্ত দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের নেতা সাবেক বাইনতলা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ ফকিরের হস্তক্ষেপে ৮৩ জন ভূমিহীন জমি থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে থাকেন।

গত জুলাই-আগস্টের বিপ্লবের পর প্রকৃত ভূমিহীনেরা তাদের বন্দোবস্ত পাওয়া জমি ফিরে পাওয়ার জন্যে রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও যৌথবাহিনীর নিকট আবেদন করেন।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফতাব আহমেদ সরোজমিনে গিয়ে মাপজোক করে লাল নিশান টানিয়ে দেন ও চিহ্নিত দাগের জমি ভূমিহীনদের বুঝিয়ে দেন। ভূমিহীন পরিবারের সদস্যরা তাদের জমিতে গেলে কথিত ভূমিহীনরা বাধা দেন। ওই ভূমিদস্যুরা জমি দখলে রেখে উল্টো বিএনপি নেতা আলী আকবার সম্রাট ও জামায়াত নেতা বাদশাহ শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেন।

আহত ভূমিহীন মতিরুল ও রিপন শেখ জানান, ৩০ বছর আগে আমরা সরকারিভাবে ৪৪ শতাংশ করে চরভরাটি জমি প্রকৃত ভূমিহীন হিসেবে বন্দোবস্ত পাই। ওই জমি দখল নিতে গেলে প্রভাবশালী বাইনতলা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ ফকির বাধা দেন। পরে গত ৫ আগস্টের পর আমরা জমিতে যাওয়ার জন্যে প্রশাসনের শরণাপন্ন হই। তারা আমাদের জমি মেপে সীমানা নির্ধারণ করে দেন। আমরা বৃহস্পতিবার বিকেলে জমিতে গেলে আমাদের ওপর তারা হামলা করে। তেলীখালী গ্রামের ভূমিদস্যু শিফার শেখ, শেখ হাসান, আলামিন, ফিরোজা বেগমসহ প্রায় দুই শতাধিক গ্রামবাসী হামলায় অংশ নেন। আমরা তখন নিরুপায় হয়ে ফয়লা পুলিশ ফাঁড়ি ও সেনা ক্যাম্পকে অবহিত করি।

অভিযুক্ত শিফার শেখ, শেখ হাসান ও আলামিন বলেন, আমরাও ভূমিহীন। আমাদের কোন জমি নেই। আমরা তাদের ওপর হামলা করিনি।

এ বিষয়ে রামপাল থানার ওসি মো. সেলিম রেজা জানান, আমরা খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছি।

Daily World News

বিগত সরকার পতনের পর বাংলাদেশে এখন শান্তির সুবাতাস প্রবাহিত হচ্ছে….. রূপসায় আজিজুল বারী হেলাল

রামপালে ১৭ বছর পরে বিএনপির বিজয় শোভাযাত্রা

//বিশেষ প্রতিনিধি, জেনিভা প্রিয়ানা//

দীর্ঘ ১৭ বছর পরে রামপাল উপজেলা বিএনপি বিজয় শোভাযাত্রা করেছে। সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকাল ৪ টায় উপজেলার খুলনা-মোংলা মহাসড়কের  ফয়লাহাট এলাকায় এ বিরাট শোভাযাত্রা বের করা হয়। নেতৃত্ব দেন বাগেরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম।

শোভাযাত্রায় অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, জুলাই বিপ্লবে তারুণ্যের বিজয় অর্জিত হয়েছে। এ অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে হবে। তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে ৩১ দফার যে রূপরেখা দিয়েছেন, তা বাস্তবায়ন করতেই হবে। সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে আমাদের অর্জিত স্বাধীনতা বাস্তবায়নে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সমুন্নত রাখতে হবে। সভায় আগত মায়েদের উদ্দেশে বলেন, সন্তানদের প্রাথমিক শিক্ষায় বেশি মনোযোগী হবেন। কারণ প্রাথমিক থেকেই শিশুরা যদি সুশিক্ষা পায় তবে জাতি গঠনে তারা বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারবে।

দলীয় নেতা-কর্মীদের বলেন, দলের ঐক্য ধরে রাখতে বিশৃঙ্খল পরিবেশ থেকে দূরে থাকুন। সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজিতে লিপ্ত হলে দল তার দ্বায় নিবে না। তিনি দেশের জন্যে কাধে কাধ মিলিয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান।

শোভাযাত্রা শেষে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোস্তফা কামাল পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে স্থানীয় সবুজকুড়ি কিন্ডারগার্টেনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোড়ল লুৎফর রহমান, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মো. আলতাফ হোসেন বাবু, উপজেলা বিএনপির সদস্য মোড়ল মাহাতাব আলী, সদস্য মাষ্টার মুজিবর জোয়ার্দার, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব কাজী জাহিদুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মল্লিক জিয়াউল হক জিয়া, উজলকুড় ইউনিয়ন বিএনপি নেতা জাহিদুল ইসলাম বাবলা, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কাজী অজিয়ার রহমান, উপজেলা শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান মনি, উপজেলা কৃষকদলের সাবেক সভাপতি আব্বাস আলী, উজলকুড় ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা কামাল, বাগেরহাট জেলা যুবদলের সাবেক সদস্য মোড়ল আক্তারুজ্জামান, রামপাল উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক মোল্লা তরিকুল ইসলাম শোভন, মোফাজ্জল হুসাইন বাদল, পল্লব হোসেন রাজু প্রমুখ। সভায় বিপুল সংখ্যক বিএনপি ও অংগ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী এবং নারীরা উপস্থিত ছিলেন

বাগেরহাটে মাদক সম্রাজ্ঞীসহ গ্রেফতার-২,পাঁচশত পিচ ইয়াবা উদ্ধার

//বিশেষ প্রতিনিধি, জেনিভা প্রিয়ানা//

বাগেরহাটের হাড়িখালীতে মধ্যরাতে একটি আবাসিক ভবনে বিশেষ অভিযান চালিয়ে নওশীন পূরবী ওরফে ডালিয়া (৩০) নামে এক মাদক সম্রাজ্ঞী ও তার সহযোগি শেখ ফরিদ (২৫) কে গ্রেফতার করেছে বাগেরহাট মডেল থানা পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিযানে নেতৃত্ব দেয়া বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সাইদুর রহমান।

গ্রেফতার নওশীন পূরবী ওরফে ডালিয়া বাগেরহাটের শরুই এলাকার আব্দুস সালাম শেখের মেয়ে ও শেখ ফরিদ কুষ্টিয়া জেলার আলামপুর ইউনিয়নের শেখ মহিউদ্দিনের ছেলে।

বাগেরহাট মিডিয়া সেলের সমন্বয়ক ইন্সপেক্টর কাজী শাহিদুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এস আই রফিক, এ এস আই সরদার সাইফুল ইসলাম এবং এ এস আই মইনুল প্রথমে ইয়াবা সরবরাহকারী শেখ ফরিদকে আটক করে। তার স্বীকারোক্তি মতে পরবর্তীতে বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সাইদুর রহমানের নেতৃত্বে এস আই হানিফ, এস আই গৌতম এ এস আই সেলিম রেজা সঙ্গীয় ফোর্স সহ অভিযানে অংশ নিয়ে ইয়াবাসহ তাদের গ্রেফতার করে।

বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সাইদুর রহমান জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা হয়েছে। তাদেরকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

ভাই ভাইয়ের জায়গায় থাকবে, দলের প্রশ্নে তার সাথে কোন সম্পর্ক নেই সংবাদ সম্মেলনে এম এ সালাম

//বিশেষ প্রতিনিধি, জেনিভা প্রিয়ানা//

বাগেরহাট জেলা বিএনপি নেতাদের বিরোধিতার মুখে পড়েছেন দলটির সাবেক জেলা সভাপতি ও বাগেরহাট -২ ( সদর – কচুয়া ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ এইচ, সেলিম।

বাগেরহাট প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এম এ এইচ সেলিমের বিভিন্ন সমলোচনা করেন। সাংবাদিক সম্মেলনে এম এ এইচ সেলিমকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়, বছরের পর বছর দল ছেড়ে নিস্ক্রিয় থাকা কাউকে নেতা কর্মীরা আর গ্রহণ করবে না।

বিরোধিতাকারি নেতৃবৃন্দের মধ্যে এম এ এইচ সেলিমের আপন ছোট ভাই ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম ও রয়েছেন। সালাম বর্তমান জেলা কমিটির সমন্বয়ক পদে রয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে সেলিমের আপন ছোট ভাই এম এ সালাম বলেন, তিনি ( সেলিম ) আমার ভাই, কিন্তু তা বাসায়। ভাই ভাইয়ের জায়গায় থাকবে, সেটি আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক। ২০০৯ সালের পর দলের সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করার পর দলের প্রশ্নে তার সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই।

তিনি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট করে বলেছেন, গত ৫ ই আগস্টের পর যে সব নেতারা বিএনপিতে ফেরার চেষ্টা করছেন তাদের কোন অবস্থাতেই দলে জায়গা হবে না। বিএনপিতে বিগত ১৬ বছরে যারা রাজনীতির মাঠে ছিলেন, আন্দোলন করেছেন, জেল খেটেছেন, তাদের দল মূল্যায়ন করবে। তিনি আরো বলেন, সেলিম যখন বিএনপিতে ছিলেন তখন বিএনপি’র দলীয় কর্মকান্ড তার বাড়ি শহরের পুরাতন বাজার মেহেদী কুঞ্জ থেকে পরিচালিত হতো ।

পদত্যাগের পর তিনি বলেন, “আমি যেহেতু এখন দল করি না ,তাই আমার বাড়িতে বসে বিএনপির রাজনীতি পরিচালনা করা যাবে না”। ওই বাড়ি থেকে তাদের নামিয়ে দেয়া হয়েছিল অভিযোগ করে সালাম বলেন, আমি জমি করে সেখানে দলের কার্যালয় স্থাপন করে রাজনীতি কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছি।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্র ক্ষমতা আসার পর এম এ এইচ সেলিম জেলা বিএনপির সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করে দলীয় কর্মকাণ্ড সম্পৃক্ত না থাকার ঘোষণা দেন।

২০০৭ সালে‌ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তিনি বেশ কয়েকটি দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত হয়ে তিনি জেলখানায় ছিলেন পরবর্তী রাজনৈতিক দীর্ঘ প্রায় ১৮ বছর পর গত ২৫ ও ২৬ সাবেক এই বিএনপি নেতার অনুসারে তার সম্মানে বাগেরহাটে সংবর্ধনা দুইটি সভা আয়োজন করে । এম এ এইচ সেলিম এসব অনুষ্ঠানে অংশ নেন। অনুষ্ঠান দুটি তে বিপুল মানুষের সমাগম ঘটে। এরপর থেকে স্থানীয় বিএনপির মধ্যে তোলপাড় শুরু হয়। আগামীকাল ১৭ ই ডিসেম্বর বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার গোয়ালমাঠ এলাকায় সেলিমের ব্যক্তিগত টাকায় গড়ে তোলা মাজেদা বেগম কৃষি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে তার অনুসারীরা আরো একটি নাগরিক সংবর্ধনা আয়োজন করেছে।

ওই অনুষ্ঠানের তিনি উপস্থিত থাকবেন বলে বিভিন্ন সূত্রে নিশ্চিত করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে বাঘেরহাট জেলা বিএনপির আহবায়ক প্রকৌশলী এ টি এম আকবর হোসেন তালিম অভিযোগ করে বলেন, জেলা বিএনপি পদত্যাগী সাবেক সভাপতি এম এ এইচ সেলিম ৫ ই আগস্ট এর পর গত ২৫ ও ২৬ নভেম্বরে এলাকায় ফিরে বিভিন্ন ভাষায় কথা বলেন। বিএনপির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড এবং নেতৃবৃন্দ সম্পর্কে প্রকাশ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত আপত্তিকর ও উস্কানিক মূলক বক্তব্য প্রদান করেন। তার বক্তব্যের জন্য বিএনপি প্রতিবাদ জানাচ্ছি ছাড়তে তার ওই বক্তব্যর জন্য অনতিবিলম্বে তাকে আমরা ক্ষমা প্রার্থনার আহ্বান জানাচ্ছি।

জেলা বিএনপির আহবায়ক বলেন সেলিমের সংবর্ধনার একটি পোস্টারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। বিষয়টি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তার সাথে আমাদের দলের কোন সম্পর্ক নেই। তিনি এই ছবি ব্যবহার করতে পারেন না।

তিনি বিগত স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগের শাসনামলে তাদের সাথে সুসম্পর্ক রেখে ব্যবসা-বাণিজ্য করে সুন্দর জীবন যাপন করেছেন। তার এই কর্মকাণ্ড জেলা বিএনপি কোনো ভাবেই মেনে নেবে না বলে হুঁশিয়ারিদের এই নেতা। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আইনজীবী ওয়াহিদুজ্জামান দিপু, জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক খাদেম নিয়ামূল নাসির আলাপ, শেখ শমসের আলী মোহন, আহবায়ক কমিটির সদস্য শেখ শাহেদ আলী রবি, পুরো বিএনপির আহবায়ক এসকান্দার হোসেনসহ দলের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

বাগেরহাটে কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

//বিশেষ প্রতিনিধি, জেনিভা প্রিয়ানা//

বাগেরহাটে মোড়লগঞ্জে ঘর থেকে স্বর্না আক্তার (১৫) নামে এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেছেন পুলিশ।

রবিবার (১৫ ) ডিসেম্বর সকালে মরদেহ উদ্ধারের পর ময়না তদন্তের জন্য বাগেরহাট ২৫০ বেড হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।

নিহত কিশোরী উপজেলার বিশারীঘাটা গ্রামের হেমায়েত শেখের প্রথম পক্ষের সন্তান। নিহত স্বর্না আক্তারের বাবা হেমায়েত শেখ ও সৎ মা রাশিদা বেগম জানান, বাড়ির একটি ফাঁকা ঘরে স্বর্নার ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া যায় বলে দাবি করেছেন ।

তবে, ডালিয়া বেগম স্বর্না মৃত্যু রহস্যজনক বলে দাবি করেছেন। মোড়লগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ রাকিবুল ইসলাম জানান, স্বার্নার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে । তার মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে মরদেহের ময়না তদন্ত করা হচ্ছে।

ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।।

মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নে গ্রামপুলিশ নাসিম খান কালুর অপকর্ম যেনো থেমেই নেই

//বিশেষ প্রতিনিধি:জেনিভা প্রিয়ানা//

রামপাল উপজেলাধীন মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নে মিথ্যা চুরির অপবাদ দিয়ে। শিশু নির্যাতন মামলার আসামি গ্রামপুলিশ নাসিম খান কালুর অপকর্ম যেনো থেমেই নেই। গ্রামে একের পর এক অপকর্ম করেই যাচ্ছেন তিনি।

রবিবার দুপুর ২.৫০ মিনিট এর সময় পারিবারিক কোলহলে তাহার আপন বড় ভাই মোঃ দেলোয়ার খানের ছেলে ঝিলাম খানকে বাঁশ ও দাও দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। নাসিম খান কালুর আঘাতে ঝিলাম গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। মাথার আঘাত গুরুতর হওয়ায় বাগেরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দাও এর আঘাতে তাহার মাথা কেঁটে যায় ক্ষত স্থানে ছয়টি সেলাই লাগে। বর্তমানে তিনি বাগেরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

ভুক্তভোগী ঝিলামের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে, তিনি বলেন যে, আমাকে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দিবে এইকথা বলে আমাকে বাঁশ দিয়ে মাথায় আঘাত করেন এবং পরে দাও দিয়ে মাথার পিছনে কোপ দেন। আমি প্রশাসনের কাছে সঠিক বিচার চাই।

নাসিম খান কালুর মুঠোফোনে কয় একবার ফোন দেওয়া হলেও তাকে পাইয়া যায় নাই।

বাগেরহাটে দুই দিন ব্যাপী তথ্যমেলার উদ্ভোধন

//বিশেষ প্রতিনিধি, জেনিভা প্রিয়ানা//

”তথ্যের অধিকার” সুশাসনের অঙ্গীকার’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাগেরহাটে শুরু হয়েছে দুই দিন ব্যাপী তথ্যমেলা। বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় জেলা সচেতন নাগরিক কমিটি সনাকের আয়োজনে মঙ্গলবার সকালে শহরের স্বাধীনতা উদ্যানে তথ্যমেলার উদ্ধোধন করেন জেলা প্রশাসক আহমেদ কামরুল হাসান। তথ্যমেলায় জেলা পর্যায়ের ২৬টি সরকারি ও বেসরকারী ষ্টল থেকে তাদের সেবা ও তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে নাগরিকরা জানতে পারছে।

বাগেরহাট জেলা সচেতন নাগরিক কমিটি সনাকের সভাপতি অ্যাডভোকেট রামকৃষ্ণ বসুর সভাপতিত্বে তথ্যমেলার উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক আহমেদ কামরুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান, জেলা তথ্য কর্মকর্তা উপ পরিচালক ম্ঈুনুল ইসলাম, খুলনা টিআইবি কর্মকর্তা ফিরোজ উদ্দিন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার বকসি, বাগেরহাট জেলা আনইজীবী সমিতির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন মন্টু, বাগেরহাট প্রেসক্লাব সভাপতি মো. কামরুজ্জামান, তথ্যমেলার আহবায়ক অ্যাডভোকেট মো. শাহ্ আলম টুকু প্রমুখ। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা বিভিন্ন ষ্টল ঘোরে দেখেন।

বুধবার বিকাল ৩টায় তথ্যমেলার সমাপনি অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি দপ্তরের কার্যক্রম উপস্থানা,দুনীতি বিরোধী ভিডিও প্রদর্শন, প্রশ্নোত্তর পর্ব, কুইজ ও প্রীতি বিতর্ক প্রতিযোগিতার বিজয়িদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হবে।