বাগেরহাটে শিক্ষকের বেত্রাঘাতে শিশু শিক্ষার্থী আহত

//বিশেষ প্রতিনিধি : জেনিভা প্রিয়ানা//

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেয়ায় শিক্ষক সোহাগ মোল্লার বেদম প্রহারে আব্দুল্লাহ আল প্রিন্স নামে পঞ্চম শ্রেণীর এক শিশু শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। সোমবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টার দিকে ওই শিক্ষার্থী শরীরচর্চা’র অমনোযোগী লক্ষ্য থাকার কারণে প্রধান শিক্ষকের বেত্রাঘাতের শিকার হয়। আহত শিক্ষার্থী উপজেলার আডুয়াবনী গ্রামের মো. শহীদ শেখের ছেলে। আব্দুল্লাহ আল প্রিন্স স্থানীয় এক চিকিৎসকের তত্তাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক উপজেলা সদরে অবস্থিত সানসাইন কিডস কেয়ার কিন্ডার গার্টেনের

পরিচালক ও প্রধান শিক্ষক। এ ঘটনার বিচারের দাবিতে আব্দুল্লাহর পিতা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে আহত শিশু শিক্ষার্থীর বাবা মো. শহীদ শেখ জানান, আব্দুল্লাহ আল প্রিন্স সানসাইন কিডস কেয়ারের ৫ম শ্রেণীর ছাত্র। আনুমানিক দেড় মাস পূর্বে একদিন স্কুলে

অনুপস্থিত থাকার কারনে সানসাইন কিডস কেয়ারের পরিচালক সোহাগ মোল্লা তাকে অনুরুপ বেত্রাঘাত করেন। এ বিষয়ে ছেলের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তখন আব্দুল্লাহর পরিবার ওই শিক্ষককে কোন কিছু বলেননি। গত ২ ডিসেম্বর শরীরচর্চা করার সময় আব্দুল্লাহ শিক্ষক সোহাগের নির্দেশনা শুনতে পায়নি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সানসাইন কিডস কেয়ারের পরিচালক সোহাগ মোল্লা হ্যান্ডমাইক দিয়ে তাকে আঘাত করে। এ সময় সে ভয়ে দৌড় দিলে সোহাগ মোল্লা তার পিছু পিছু পিটাতে থাকে। ওই শিক্ষার্থী ঠেকাতে গেলে তার ডান হাতের কনুইয়ে মারাত্মক চোট লাগে। খবর শুনে আব্দুল্লার ফুফাতো বোন দৌড়ে গিয়ে আব্দুল্লাহকে জড়িয়ে ধরে শিক্ষক সোহাগের হাত থেকে রক্ষা করেন। বর্তমানে আব্দুল্লাহ ব্যাথায় হাত দিয়ে কোন কিছুই ধরতে বা কিছুই করতে পারছে না। আমি ছেলেকে চিকিৎসা জন্য নিলে ডাক্তার তাকে এক্স-রে করে হাতের ব্যান্ডেজ দিয়ে দিয়েছে। শিশুদের সাথে ধরনের অমানবিক আচারণ আমি কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছি না। শিশু শিক্ষার্থীদের সাথে এ ধরনের আচরনের বিচার দাবি করছি। শুধু আমার ছেলেই নয় সে অন্য শিক্ষার্থীদের সাথে একই আচারণ করেন। তার ভয়ে কেহই মুখ খুলতে সাহস পায় না। সানসাইন কিডস কেয়ার কিন্ডারগার্টেনের পরিচালক ও প্রধান শিক্ষক সোহাগ মোল্লা মারপিটের কথা অস্বীকার করে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সাথে আমরা খেলধুলা করি। হয়তো তখন কোন আঘাত লাগতে পারে।’

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন বলেন, অভিযোগকারী ও আহত শিক্ষার্থী আমার কাছে এসেছিল। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে আলোচনা করে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপস পালের অফিসিয়াল মুঠোফোনে ফোন একধিকবার দিলে তিনি কলরিসিভ না করায় তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বাগেরহাটে উপজেলা আ. লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক কারাগারে

//বিশেষ প্রতিনিধি, জেনিভা প্রিয়ানা//

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৯জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রোববার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমল হোসেন মুক্তা, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিলনসহ ৯জন জামিনের জন্য আদালতে হাজির হন।

এসময় চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. ওসমান গনি তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, গত বছর ২৮ অক্টোবর ঢাকার সমাবেশ শেষে স্থানীয় জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মীরা ফেরার পথে তাদের ওপর হামলা করে আসামিরা।

এ ঘটনায় গত ১৯ নভেম্বর আদালতে মামলা করেন শরণখোলার উত্তর সাউথখালী এলাকার আবু বক্কর সিদ্দিক নামে এক জামায়াত নেতা।
বাদী আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ঢাকার সমাবেশ থেকে ফেরার সময় রায়েন্দা মাছ বাজারে আমাদের ওপর হামলা চালায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা।

এ ঘটনায় আমিসহ ৮জন গুরুতর আহত হই। দীর্ঘদিন হাসপাতালে থাকতে হয়েছিল আমাদের।
তাদের প্রভাবে কোথাও অভিযোগ পর্যন্ত দিতে পারিনি। সরকার পতন হলে আদালতে ১৪জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৪০-৫০ জনের নামে মামলা করি।
বাদীপক্ষের আইনজীবী আব্দুল ওয়াদুদ জানান, আসামিদের মধ্যে শরণখোলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ৯ নেতাকর্মী আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। দীর্ঘ শুনারি শেষে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বাগেরহাট পুলিশ লাইনস স্কুলে বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি, জেনিভা প্রিয়ানা।।

স্কুল প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন বাগেরহাট পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির সভানেত্রী শোভা আরিফ।

বাগেরহাট পুলিশ লাইনস স্কুলে বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা পুলিশ সুপার তৌহিদুল আরিফ। এসময় অন্যদের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আইরিন নাহার মলি।

সাংস্কৃতি অনুষ্ঠানে স্কুলের শিক্ষার্থীরা দলীয় ও একক গান, নাচ ও আবৃত্তি পরিবেশন করে।বাগেরহাট পুলিশ লাইনস স্কুলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা পুলিশ সুপার তৌহিদুল আরিফ।

বাগেরহাটে খাল ও নদী পুনরুদ্ধার শুরু

বিশেষ প্রতিনিধি : জেনিভা প্রিয়ানা।।

বাগেরহাট প্রতিনিধি : কচুয়া উপজেলা প্রশাসনের ডাকে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কচুরিপানা অপসারণ

কচুয়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে খাল ও নদী পুনরুদ্ধার শুরু হয়েছে। শনিবার দিনব্যাপী এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আড়িয়ামদ্দন শাখা খাল থেকে কচুরিপানা অপসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
এদিন সকালে কচুয়া উপজেলা প্রশাসনের ডাকে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কচুরিপানা অপসারণে নারী-পুরুষ, ছাত্র-শিক্ষক, সাংবাদিক, বিডি ক্লিন, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, স্কাউট, গ্রাম পুলিশ, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সর্বস্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করেন। এ কার্যক্রমে এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেন।
কচুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কে এম আবু নওশাদ বলেন, সকাল থেকে দিনব্যাপী সমন্বিত উদ্যোগে একযোগে খালের সকল কচুরিপানা উত্তোলন করা হচ্ছে। শনিবার প্রথম দিনে প্রায় ৪ কিলোমিটার এলাকা কচুরিপানামুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ধারাবাহিকভাবে গজালিয়ার লড়ারকুলসহ উপজেলার সকল খাল ও নদী পুনরুদ্ধার কার্যক্রম চলমান থাকবে। বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক আহমেদ কামরুল হাসান বলেন, সরকারি প্রবাহমান সকল খালের কচুরিপানাসহ অবৈধ বাঁধ, পাটা অপসারণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বাগেরহাটে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার যোগদানের আগেই বিক্ষোভ

বিশেষ প্রতিনিধি:জেনিভা প্রিয়ানা।।

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) হিসেবে সদ্য পদায়ন হওয়া ডা. শর্মী রায়কে যোগদান না করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা। রবিবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে চিতলমারী উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে মানববন্ধন করে এ দাবী জানান। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা ভারপ্রাপ্ত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুমনের সাথে দেখা করলে তিনি উর্দ্ধোতন কর্মকর্তাদের জানানোর আশ্বাস দেন।

এছাড়া একই দাবিতে গত বৃহস্পতিবার হাসপাতালের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী স্থানীয় শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের দাবি ডা. শর্মি রায়কে নয় একজন দক্ষ ও সৎ কর্মকর্তাকে এই উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হোক।

স্থানীয় বাসিন্দা আল আমিন বলেন, ডা. শর্মী রায় মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা থাকা অবস্থায় দূর্নীতির কারণে স্থানীয়রা তার বিরুদ্ধে মিছিল ও সভা করেছেন। তার মাধ্যমে ওই উপজেলার মানুষ তেমন সেবা পায়নি। আমরা চিতলমারীবাসী ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর সাবেক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মামুন হাসানকে তাড়িয়েছি। এখন পুনরায় আরেক দূর্নীতিবাজকে মেনে নিতে পারব না।’

শিক্ষার্থী কাওছার আলী বলেন, স্থানীয়দের দাবি উপেক্ষা করেও যদি ডা, শর্মীকে চিতলমারীর ইউএইচএফপিও হিসেবে দেওয়া হয় তা হলে চিতলমারী বাসী দূর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে। প্রয়োজনে তাকে হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়ার হুমকী দেয় আন্দোলন কারীরা।

চিতলমারী ভারপ্রাপ্ত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুমন তালুকদার বলেন, স্থানীয়দের দাবির বিষয়টি উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। সেখান থেকে সিদ্ধান্ত দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার শর্মী রায় বলেন, বদলীর আদেশ পেয়েছি। যোগদানের বিষয়টি ওখানের মানুষের উপর নির্ভর করে। তারা যদি আমাকে গ্রহণ করতে না চায় তাহলে আমি যাব না। তবে মোড়েলগঞ্জে ছাত্র-জনতা আমার বিরুদ্ধে মিছিল করেননি। একজন ব্যক্তি তার দূর্নীতি ধামাচাপা দিতে টাকা দিয়ে কিছু লোককে দিয়ে মিছিল করিয়েছেন। সুযোগ পেলে অবশ্যই চিতলমারীবাসির সেবা করব।’

বাগেরহাটের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন চিকিৎসক হাবিবুর রহমান বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রাণালয় থেকে ডা. শর্মী রায়কে চিতলমারীতে বদলী করা হয়েছে। বদলীর ব্যপারে আমাদের কোন হাত নেই। তার বিরুদ্ধে মিটিং-মিছিল ও মানবন্ধন হয়েছে বলে শুনেছি। বদলী ঠেকাতে হলে ছাত্র প্রতিনিধিদের ডিজি (স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক) বরাবর যোগাযোগ করতে হবে।’

গেল ‘গত ১৩ নভেম্বর মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার শর্মী রায়কে চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে বদলীর আদেশ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের দপ্তর থেকে। মোরেলগঞ্জে কর্মরত থাকা অবস্থায় দূর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের কারণে স্থানীয়রা ড্.া শর্মী রায়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছিলেন স্থানীয়রা। ।

এছাড়া পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ২০১৯ সাল থেকে চিতলমারি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ডাক্তার মামুন হাসানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে বিক্ষোভ মিছিল।

রামপালে সুন্দরবন মহিলা কলেজের এডহক কমিটির পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত

//বিশেষ প্রতিনিধি: জেনিভা প্রিয়ানা/

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সুন্দরবন মহিলা কলেজের এডহক কমিটির পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৬ অক্টোবর) f কাল সাড়ে ১১ টায় কলেজের অধ্যক্ষ শেখ খালিদ আহমেদ’র সভাপতিত্বে কলেজের শিক্ষক মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজে নবগঠিত এডহক কমিটির সভাপতি ও বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম।

গত ৩ অক্টোবর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ f রিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আব্দুল হাই সিদ্দিক সরকার র্তৃক স্বাক্ষরিত কলেজের অধ্যক্ষ বরাবর প্রেরিত এক চিঠিতে শামীমকে সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয়। সভাশেষে কলেজের জমি পর্যবেক্ষন করেন শামীমুর রহমান এবং কলেজের সকল শিক্ষকবৃন্দ।

জমি পর্যবেক্ষন শেষে কৃষিবিদ শামীমুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, গত ১৭ বছর আওয়ামী লীগের লোকজন কলেজের দোকান ভাড়া না দিয়ে দখল করে ভোগ করছে। এছাড়া অন্যায়ভাবে আওয়ামী লীগের লোকজন কলেজের জমি দখল করে বাড়ি-ঘর নির্মাণ করে বসবাস করছে। এখন আর আওয়ামী লীগ নেই। অতএব, জোর করে সরকারি সম্পদ ভোগ করা যাবে না। আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নিয়ে স্বল্প সময়ের মধ্যে আমাদের কলেজের সম্পত্তি উদ্ধার করবো।

নি আরো বলেন, অতীতের সব গ্লানি মুছে ফেলে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে সুন্দরবন মহিলা কলেজকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব। শিক্ষার মান বৃদ্ধির পাশাপাশি আমরা কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়নের চেষ্টা চালাব। বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ার পথে ছাত্রীরা যাতে ইভটিজিং বা কোন ধরনের হয়রানীর শিকার না হয় সেদিকেও আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। আশাকরি অল্প সময়েই সুন্দরবন মহিলা কলেজ বাগেরহাটের মধ্যে একটি মডেল কলেজে পরিনত হবে।

এসময় তার সাথে রামপাল উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

বাগেরহাট পৌরসভার রাস্তাঘাট পরিষ্কার করল ছাত্রদল

//বিশেষ প্রতিনিধি:জেনিভা প্রিয়ানা//

বাগেরহাট পৌরসভার রাস্তাঘাটে জমে থাকা ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

বৃহস্পতিবার সকালে শহরের শালতলা মোড় থেকে তাদের এ পরিষ্কার অভিযান শুরু হয়।

এদিন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা শহরের লাইটহল সড়ক, সাধনার মোড়, কাজী নজরুল ইসলাম সড়ক ও রাহাতের মোড় এলাকাসহ বেশ কিছু সড়কের ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করেন।

জনকল্যাণমূলক এ ধরনের কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্যোগ নেওয়া জেলা ছাত্রদল নেতা শেখ আল মামুন বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাগেরহাট পৌরসভার জনপ্রতিনিধিরা নাগরিকদের জন্য কিছুই করেননি। তারা বাগেরহাট পৌরসভাকে একটি দুর্বল পৌরসভা বানিয়ে পালিয়ে গেছেন। বাগেরহাট পৌরসভা এতটাই দুর্বল হয়েছে যে বর্তমানে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বেতন দিতে পারছে না। বেশ কিছুদিন যাবত পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা রাস্তাঘাট পরিষ্কার না করায় শহরটা ডাস্টবিনে পরিণত হয়েছিল। রাস্তাঘাটে চলাচল করতে সাধারণ মানুষের অনেক কষ্ট হচ্ছিল। তারেক রহমানের নির্দেশনা মোতাবেক ছাত্রদল সবসময় সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। আমরা আজ শহরের বেশ কিছু সড়কের ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করেছি। সাধারণ মানুষ আমাদের এই কর্মকাণ্ডকে সাধুবাদ জানিয়েছে। জনকল্যাণমূলক এ ধরনের কর্মকাণ্ড আমরা ভবিষ্যতেও চালিয়ে যাব।

পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন- ছাত্রদলকর্মী জসিম মিনা, তাজ আহমেদ, রোহিত হালদার, ইমন শেখ, আদনান ফাহিম, রবিউল মুন্সি, সজীব শেখ, লিমন আল সাদ, সাকিব শেখ প্রমুখ।

বাগেরহাটে খেতাবপ্রাপ্ত সাত বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা

//নিজস্ব প্রতিবেদন : জেনিভা প্রিয়ানা/

মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত বাগেরহাটের সুসন্তান একজন বীর উত্তম, একজন বীর বিক্রম ও বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা প্রদান করেছে বাগেরহাট ফাউন্ডেশন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাগেরহাট ফাউন্ডেশনের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শহরের এসি লাহা মিলনায়তনে রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত সাতজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। বাগেরহাট ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সম্মাননা প্রদান করা এই সাতজন রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা হচ্ছেন, বীর উত্তম ফ্লাইট লেফটেন্যান্ড লিয়াকত আলী খান, বীর বিক্রম নৌ-কমান্ডো খিজির আলী, সেনা সদস্য বীর প্রতীক শহিদ এনামুল হক, ইস্ট পাকিস্তান রাইফেল (ইপিআর) সদস্য বীর প্রতীক মোস্তফা কামাল, ইপিআর সদস্য বীর প্রতীক আবুল হোসেন, ইপিআর সদস্য বীর প্রতীক মোহম্মদ হোসেন ও সেনা সদস্য বীর প্রতীক আলী আহম্মেদ খান।

অনুষ্ঠানে জানানো হয় এই সাতজন রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে এখন দুজন বীর উত্তম ফ্লাইট লেফটেন্যান্ড লিয়াকত আলী খান ও বীর প্রতীক মোহম্মদ হোসেন জীবিত রয়েছেন।

বাগেরহাট ফাউন্ডেশনের সভাপতি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খালিদ হোসেনের সভাপতিত্বে রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত ৭ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন বাগেরহাট সদর আসনের সাবেক এমপি ও বাগেরহাট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মীর শওকাত আলী বাদশা। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোজাফফর হোসেন, মুখার্জী রবীন্দ্রনাথ, ডা. মোশাররফ হোসেন, ফাউন্ডেশনের সম্পাদক আহাদউদ্দিন হায়দার বক্তব্য রাখেন।

মোংলা হবে বিশ্বমানের আধুনিক সমুদ্রবন্দর: নৌপরিবহন উপদেষ্টা

//বিশেষ প্রতিনিধি, জেনিভা প্রিয়ানা//

#মোংলা বন্দরকে বিশ্বমানের নিরাপদ ও আধুনিক সমুদ্রবন্দরে পরিণত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. #এম_সাখাওয়াত_হোসেন।

গতকাল মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে খুলনায় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা জানান।

মোংলা বন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নত করা হবে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, মোংলা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর। ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় এ সমুদ্র বন্দরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের অর্থনীতিতেও বন্দরটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। রাজধানী ঢাকা থেকে বন্দরটির সড়ক পথে দূরত্ব মাত্র ২১০ কিলোমিটার। এছাড়াও বন্দরটির সাথে ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য প্রান্তের রেল ও নৌযোগাযোগ রয়েছে। সুতরাং এ বন্দরটিকে পিছিয়ে রাখার কোনো সুযোগ নেই। মোংলা বন্দরকে আরও আধুনিক ও বিশ্বমানের করে গড়ে তোলার জন্য বেশ কিছু প্রকল্প চলমান রয়েছে এবং কিছু প্রকল্প ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য হাতে নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, চলমান প্রকল্পগুলো যথা নিরাপদ চ্যানেল বিনির্মাণ, সমুদ্রগামী জাহাজ সুষ্ঠুভাবে হ্যান্ডলিং এবং দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় জরুরি উদ্ধারকাজ পরিচালনার জন্য ‘মোংলা বন্দরের জন্য সহায়ক জলযান সংগ্রহ’, ‘মোংলা বন্দরে আধুনিক বর্জ্য ও নিসৃত তেল অপসারণ ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রকল্প, ‘আপগ্রেডেশন অব মোংলা পোর্ট’ শীর্ষক প্রকল্প, ‘পশুর চ্যানেলের ইনার বারে ড্রেজিং” শীর্ষক প্রকল্প, ‘মোংলা বন্দরের ২টি অসম্পূর্ণ জেটি নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলছে। অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন প্রকল্পসমূহ হচ্ছে-মোংলা বন্দরের সুবিধাদির সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন’ প্রকল্প,মোংলা বন্দর চ্যানেলে ৫ বছর মেয়াদি সংরক্ষণ ড্রেজিং প্রকল্প, পশুর চ্যানেলে নদীশাসন এবং মোংলা বন্দরের আরো সম্প্রসারণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রকল্প।

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এ সব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দরের বার্ষিক সক্ষমতা বাড়বে। চ্যানেলে ৮.৫ সিডি গভীরতা অর্জিত হবে। এতে ১০ মিটার গভীরতার জাহাজ মোংলা বন্দরে হ্যান্ডেল করা সম্ভব হবে। মোংলা বন্দরে বার্ষিক প্রায় ৮ লাখ টিইউজ কন্টেইনার, ৪ কোটি মেট্রিক টন কার্গো এবং ৩০ হাজার গাড়ি হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা বাড়বে।

এ সময়ে বন্দরের কার্যক্রমকে আরও বেশি গতিশীল ও আমদানি-রফতানিকারকদের উৎসাহিত করতে রাজস্ব বিভাগকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে মোংলা বন্দরে স্ক্যানার স্থাপনের নির্দেশনা প্রদান করেন উপদেষ্টা। বন্দরের নাব্যতা বৃদ্ধি ও সংরক্ষণের জন্য ড্রেজিং এর প্রয়োজন রয়েছে উল্লেখ করে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের জন্য নিজস্ব ২ টি ড্রেজার ক্রয়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সভায় #মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহীন রহমানসহ বন্দরের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ ও নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

বাগেরহাটে বিএনপি পরিবারের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

//বিশেষ প্রতিনিধি: জেনিভা প্রিয়ানা//

সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আওয়ামীলীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ,ক্ষমতায় থাকাকালীন পিলখানায় বিডিআর হত্যাকান্ড,মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাযতের সমাবেশে গনহত্যা,সারাদেশে হাজার হাজার বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের হত্যা ও নিপীড়ন,৫ ই আগষ্টের আগে সারাদেশে ছাত্র-জনতা হত্যাকান্ডের জন্য দায়ী শেখ হাসিনার ফাঁসি সহ বাগেরহাটের দুর্নীতিগ্রস্হ আওয়ামীলীগ নেতাদের অপরাধ তদন্তপূর্বক বিচার ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাগেরহাট জেলা বিএনপি পরিবার।

২২ সেপ্টেম্বর রবিবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এই মানববন্ধনে হাজার হাজার নেতাকর্মী অংশ নেয়।তারা শেখ হাসিনা সহ বাগেরহাটের সাবেক এমপি ও আওয়ামীলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের শাস্তির দাবি সংবলিত প্লাকার্ড প্রদর্শন করে।

মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক এর কাছে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে। এসময়ে বক্তব্য রাখেন জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ষাটগম্বুজ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফকির তারিকুল ইসলাম।অ্যাডভোকেট হিরক মিনা। অ্যাডভোকেট শিকদার ইমরান সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।