গান্ধীজীর চশমা-খড়ম নিলামে।। দাম মিলতে পারে ৫ কোটি

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

গান্ধীর বেশ কয়েকটি ছবিও রয়েছে। নিলাম সংস্থার দাবি, তার মধ্যে একটি সম্ভবত গান্ধীর জীবদ্দশায় তোলা শেষ ছবি।

নিলামে উঠছে মোহনদাস কর্মচন্দ গান্ধীর বেশ কিছু জিনিস। ইংল্যান্ডের  ইস্ট ব্রিস্টল অকশানস’ সংস্থাটির ধারণা, গান্ধীর স্মৃতি-বিজড়িত এই জিনিসগুলি অন্তত পাঁচ কোটি টাকায় বিক্রি হবে। ২০২০ সালে গান্ধীর ব্যবহার করা একটি চশমা আড়াই কোটি টাকায় (আড়াই লক্ষ পাউন্ড) বিক্রি করেছিল সংস্থাটি।

এ বারের নিলামে রয়েছে গান্ধীর ব্যবহৃত দু’টি চশমা, তাঁর হাতে বোনা দু’টুকরো খদ্দরের কাপড়, তাঁর নিজের হাতে বানানো এবং ব্যবহার করা খড়ম, তাঁর ব্যবহার করা একটি কালির দোয়াত এবং গান্ধীর লেখা বেশ কয়েকটি চিঠি। রয়েছে সর্দার বল্লভভাই পটেলের গাঁধীকে লেখা কয়েকটি চিঠিও। তা ছাড়া, গান্ধীর বেশ কয়েকটি ছবিও রয়েছে। নিলাম সংস্থার দাবি, তার মধ্যে একটি সম্ভবত গান্ধীর জীবদ্দশায় তোলা শেষ ছবি। ১৯৪৭-এর কোনও সময়ে দিল্লির বিড়লা হাউসে গান্ধীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক এই ছবিটি তুলেছিলেন। সাদা-কালো এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, চারপাইয়ে বসে কথা বলছেন মোহনদাস, মাথায় টুপি।

সংস্থার প্রতিনিধি অয়ান্ড্রু স্টো-র কথায়, ‘‘প্রতিটি জিনিসের ঐতিহাসিক মূল্য অপরিসীম।’’ আগামী ২১ মে পর্যন্ত অনলাইনে নিলাম চালু থাকবে। চাইলে কেউ অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নিলাম সংস্থার ব্রিস্টল দফতরে এসে জিনিসগুলি দেখেও যেতে পারেন।

রাশিয়ার অভ্যন্তরে যেসব হামলা হচ্ছে সেগুলো কি ইউক্রেন করছে নাকি অন্তর্ঘাতমূলক…

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর উত্তর-পশ্চিমে তেভারের মহাকাশ গবেষণা ইনস্টিটিউটে মারাত্মক আগুন লেগেছিল। পার্মের একটি গোলাবারুদের কারখানাতেও ঘটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা, যা তেভারের কারখানাটি থেকে ১ হাজার ১০০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত। এ ছাড়া বেলারুশের কাছে রাশিয়ার শহর ব্রিয়ানস্কের দুই আলাদা তেলের ডিপোতে আগুন লাগে।

সব ঘটনাই কি কাকতালীয়? নাকি এসব ঘটনা ইউক্রেন বা তাদের সমর্থকদের রাশিয়ায় ঢুকে নাশকতা চালানোর চিহ্ন, যারা ইউক্রেন আক্রমণের জন্য মস্কোকে শায়েস্তা করতে চাইছে। পুরো বিষয়টি বিশ্লেষণ করেছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

তেভারের কেন্দ্রীয় মহাকাশ গবেষণা ইনস্টিটিউটে আগুন লাগে ২১ এপ্রিল, যাতে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পর থেকেই রাশিয়ার অভ্যন্তরে যেকোনো অগ্নিকাণ্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত হয়। বিশেষ করে সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে এ রকম ঘটনা, যা গোপন আক্রমণেরই ইঙ্গিত দেয়।

কেউই এসব নাশকতার দায় স্বীকার করেনি। কিন্তু বিশ্লেষকেরা বলছেন, কয়েকটি আক্রমণ বিশেষ করে ব্রিয়ানস্কের ঘটনাগুলো কিয়েভের কাজ হতে পারে। এই ধারণার পালে হাওয়া দিয়েছে মিখাইল পোদোলিয়াকের একটি টেলিগ্রাম পোস্ট। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের জ্যেষ্ঠ এই উপদেষ্টা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাশিয়ায় নাশকতার ঘটনাগুলোকে ‘ঐশ্বরিক হস্তক্ষেপ’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, বিভিন্ন কারণে বড় তেলের ডিপোগুলো পর্যায়ক্রমে জ্বলতে থাকে। এ ছাড়া ওই পোস্টে তিনি লিখেছেন,   কর্মফল খুবই নিষ্ঠুর’।

আমরা অস্বীকার করছি না’

রাশিয়ার মতো অনেক বড় একটি দেশে প্রত্যন্ত অঞ্চলের কারখানা বা ভবনে আগুন লাগা তেমন কোনো ভ্রু-কুঁচকানোর মতো ব্যাপার নয়। কিন্তু ইউক্রেনে রুশ আক্রমণের পর এসব ঘটনার অর্থ বদলে গেছে। রাশিয়ার আক্রমণ শুরুর পর থেকে এক ডজনের বেশি আগুন লাগার কথা জানা গেছে। তাই গত মাসে রাশিয়ার পূর্বে ভ্লাদিভস্তক শহরের উত্তরের বিমানঘাঁটি ও সাখালিন দ্বীপের কয়লা খনিতে আগুন নাশকতার সন্দেহকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

এখানেই শেষ নয়, গত বুধবার মস্কোর পূর্ব পাশে দিজারিজস্কে রাসায়নিক কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর ইউক্রেনের একজন রেস গাড়িচালক বলেন, ‘রাশিয়ার নাশকতাকারীরা পুতিনের বিরুদ্ধে তাদের ঐতিহাসিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।’ এই চালক রাশিয়ার ভেতর বিভিন্ন নাশকতার ঘটনার ছবি ও ভিডিও নিয়মিত টুইটারে পোস্ট করেন। তবে এসব অগ্নিকাণ্ড যে পরিকল্পিত নাশকতা, সে বিষয়ে তিনি কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি।

জেলেনস্কির আরেকজন উপদেষ্টা ওলেক্সি আরেস্তোভিচও মার্কিন গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেন, ইসরায়েল কখনোই তার গোপন হামলা বা হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে না। ‘আমরা স্বীকার করছি না, অস্বীকারও করছি না।’

পরিকল্পনার অংশ?

সমর বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ব্রিয়ানস্কের ইউরোপের তেল সরবরাহ পরিষেবায় হামলা ইচ্ছাকৃত এবং এটা যুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত।

‘ইউক্রেন ওয়েপন ট্র্যাকার’ নামে একটি টুইটার অ্যাকাউন্টের পক্ষ থেকে বলা হয়, তাদের কাছে ‘বিশ্বাসযোগ্য’ প্রমাণ আছে যে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা থেকেই ব্রিয়ানস্কে আগুন লেগেছে।

আরেকজন বিশেষজ্ঞ রব লি গার্ডিয়ানকে বলেন, ‘আমি মনে করি, এটা ছিল ইউক্রেনের হামলা। তবে আমি পুরোপুরি নিশ্চিত নই।’

এ ছাড়া ইউক্রেন সীমান্তে যুদ্ধক্ষেত্রের কাছে রাশিয়ার বেলগোরোদ ও কুরস্ক শহরে হামলা হয়। ১ এপ্রিল বেলগোরোদের জ্বালানি ডিপো হামলার পর শহরের গভর্নর হামলার জন্য ইউক্রেনের সেনাদের হেলিকপ্টার হামলাকে দায়ী করেন।

সমর বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ফিলিস ও’ব্রায়েন বলেন, ‘রাশিয়ার কৌশলগত বা সামরিক স্থাপনায় অনেক আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এটা এসব হামলা ইউক্রেনিয়ান নাশকতা, সেটা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।’

স্কটল্যান্ডের সেন্ট অ্যান্ড্রুস বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপক আরও বলেন, এসব হামলা ‘নিশ্চিতভাবেই তাঁদের পরিকল্পনার অংশ’।

English Dainikbiswa

বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার// টিটিই শফিকুলের স্বস্তি

ইউক্রেন বলছে তারা রাশিয়ার অজস্র যুদ্ধাস্ত্র ধ্বংস করেছে

আমেরিকা সৈন্যর বদলে গোয়েন্দা দিয়ে ইউক্রেনকে সহায়তা করছে: পুতিন ভাবতে পারেন

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের ইউক্রেনে তাদের চালানো কার্যক্রম নিয়ে চুপ থাকতে অনুরোধ করেছেন দেশটির সাবেক গোয়েন্দারা।

যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমে গত কয়েকদিন ধরে দুটি ঘটনা বেশ ফলাও করে প্রচার করা হচ্ছে।

প্রথমটি হলো যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের সহায়তা নিয়ে রুশ জেনারেলদের হত্যা করা। দ্বিতীয়টি যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের সহায়তা নিয়ে রাশিয়ার বিশাল যুদ্ধজাহাজ মস্কভা ডুবিয়ে দেওয়া।

নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট, এনবিসি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গোয়েন্দাদের বরাত দিয়ে এ দুটি খবর জানিয়েছে।

আর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের আশঙ্কা যুক্তরাষ্ট্র এরকম সরাসরি রাশিয়ার ক্ষতি করার বিষয়টি স্বীকার করায় এতে রাশিয়া আরও ক্ষেপে যেতে পারে এবং তারা এর  বদলা নেওয়ার চেষ্টা চালাবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় রুশ জেনারেল হত্যা ও জাহাজ ডুবির দুটি ঘটনাই রাশিয়া ও পুতিনের জন্য অপমানজনক।

পল পিলার নামে সিআইএ এর সাবেক একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এ ব্যাপারে বলেছেন, আমাদের ব্যক্তিগত মতামত হলো এটি অবিবেচনাপূর্ণ। আমি অবাক হয়েছি জাহাজ ডুবি এমনকি জেনারেল হত্যায় যেভাবে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা যুক্তরাষ্ট্র বলেছে।

তিনি আরও বলেন, রাশিয়াকে অপদস্ত করার বিষয়টি যেভাবে সরাসরি স্বীকার করা হচ্ছে, তা পুতিনকে এমনভাবে দ্বন্দ্ব বাড়াতে উস্কে দিতে পারে, যেটি পুতিন মনে করেননি দ্বন্দ্ব বাধানো প্রয়োজন আছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

বৃদ্ধাশ্রমে প্রবীণরা কেমন আছে..? একটু খুজুন অনেক জানতে পারবেন

//অনলাইন ডেস্ক//

স্বজনশূন্যতায় বৃদ্ধাশ্রমে প্রতিক্ষণ দগ্ধ হচ্ছেন প্রবীণরা। উৎসব ঈদ আনন্দ সবই তাদের কাছে এখন স্মৃতি। স্বামী-স্ত্রী সন্তান স্বজন অর্থ বিত্ত সব হারিয়ে প্রবীণ নিবাসই এখন তাদের কাছে আপন। এখানে আয়েশে থাকলেও রাত-দিন বুকে ধাউ ধাউ আগুন জ্বলে। দিন মাস বছর শেষে ঋতু বদলায়। কিন্তু শীতল হয় না প্রবীণের বুক। স্বজনহীনতার যন্ত্রণায় অঙ্গার হয়ে পড়া অগ্রজদের মনের আগুন নেভাতে কেউ আসে না। শেষ জীবনে এভাবেই বেঁচে থাকার কথা জানালেন বৃদ্ধাশ্রমে থাকা প্রবীণরা।

ঈদের দিন দুপুরে আগারগাঁও প্রবীণ নিবাসে গিয়ে দেখা যায় পুরো ভবন নিস্তব্ধ। প্রধান ফটকের নিরাপত্তাকর্মী জানান সকালে কিছু লোক আসছিল। এখন সবাই বিশ্রাম নিচ্ছেন। এরই মধ্যে গেটের বাইরে পায়চারি করা একজনকে দেখিয়ে বললেন, ‘উনি প্রবীণ নিবাসে থাকেন। উনার সাথে কথা বলতে পারেন।’

তার কথামতো তার সামনে গিয়ে পরিচয় দিয়ে জানতে চাইলাম ‘কেমন আছেন, ঈদ কেমন কাটল’। এ কথা শুনে তিনি পাল্টা প্রশ্ন করলেন, ‘মরা মানুষ কি ঈদ করতে পারে’? তার এমন উক্তির ব্যাখ্যা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘শুনুন আমরা এখানে যারা আছি তারা সব হারিয়ে এসেছি। এখানে আমাদের পরিবার সন্তান ছাড়া আর কোনো কিছুর অভাব নেই। কিন্তু অতীত আমাদের শেষ করে দিচ্ছে।’

তার ভাষ্য, ‘অনেক বছর থেকে এখানে আছি। কিন্তু একটা মুহূর্তও শান্তিতে নেই। প্রতিটি সময় স্বজনদের জন্য বুকের মধ্যে আগুন জ্বলে। এভাবে পুড়তে পুড়তে অঙ্গার হয়ে গেছি। বলতে পারেন এখন মরে গেছি। কিন্তু তারপও শান্তি নেই। আগুনতো নেভে না।’

ঈদ পালনের বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘ঈদ আমাদের জন্য এখন অতীত। এমনিতেই সারা বছর মনের যন্ত্রণায় পুড়তে থাকি। আর ঈদ যখন আসে বুকের মধ্যে ধাউ ধাউ আগুন আরো বেড়ে যায়। কারণ তখন স্ত্রী-সন্তানদের সাথে অতীতের ঈদের অনেক স্মৃতি চোখের সামনে ভাসে। এতে মনের যন্ত্রণা আরো বাড়ে।’

তার ভাষ্য ‘এখানে যারা আছেন তাদের সবার অবস্থা একই। আমরা বেঁচেও মরে আছি। এত বছর ধরে স্বজনহীন শূন্যতায় পুড়তে পুড়তে আমরা অঙ্গার হয়ে গেছি। কিন্তু একটা মুহূর্তের জন্যও মনে শান্তি পাই না। এখানে সবই আছে। কিন্তু বুকের আগুন নেভানোর একটা মানুষ নেই।’ সব শেষে পরিচয় জানতে চাইলে তিনি তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

এর কিছুক্ষণ পর একজন ভেতর থেকে বের হয়ে এসে আলোচনায় যুক্ত হন। তিনি জানান, প্রায় এক যুগ ধরে এখানে আছেন। তার ভাষ্য, ‘ঢাকার ধানমন্ডিতে তার বাড়ি আছে। কিন্তু তিনি এখন সন্তানদের কাছে মেহমান।’

তিনি বলেন, ‘আমার টাকার অভাব নেই। অভাব শুধু স্বজনের। যত দিন এখানে আছি তার একটা দিনও শান্তি পাইনি। সন্তানদের কথা মনে হলে একা একা কান্না করি। আমার নিজেকে সামলে নেই। কারণ সন্তানরা এখন আমাকে মেহমান মনে করে। মনে হলে দেখতে আসে। কিছুক্ষণ কথা বলেন চলে যায়।’

তিনি জানান, এখানে যারা আছেন তাদের প্রত্যেকেই উচ্চবিত্ত। কিন্তু অভাব একটাই স্বজন নেই। গল্পের মধ্যে পরিবার পরিজনের প্রসঙ্গ এলে উপস্থিত কেউই চোখের পানি ধরে রাখতে পারেন না। স্বজন কাছে না থাকার যন্ত্রণা কঠিন। এর চেয়ে মরে যাওয়াটাই সহজ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

প্রবীণ নিবাসের ব্যবস্থাপক ও বার্ধক্য বিশেষজ্ঞ গবেষক ডা: মহসীন কবির জানান, তাদের এখানে বর্তমানে ৩০ জন প্রবীণ রয়েছেন। তাদের প্রত্যেকেই বিত্তশালী জানিয়ে তিনি বলেন, এখানে যারা আছেন তারা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন। কিন্তু পারিবারিক নানান জটিলতায় তারা এখানে থাকছেন। কিন্তু দূরে থাকলেও প্রত্যেকেই স্বজনদের জন্য হাহাকার করেন। মৃত্যুর পর যাতে সন্তানরা লাশ দাফন না করে এমনও কথা কেউ কেউ বলেন। এতেই বুঝা যায় স্বজনদের ওপর তাদের অভিমান কতটুকু। তিনি বলেন, প্রবীণদের জন্য সবচেয়ে বেশি সমস্যা স্বাস্থ্যসেবা। কারণ অন্যদের তুলনায় তাদের স্বাস্থ্যগত বিষয়গুলো জটিল এবং ব্যয়বহুল। প্রবীণরা স্বাভাবিকভাবেই পরিবারের সাথেই থাকতে চান। কিন্তু পারিবারিক কাঠামোতে যে পরিবর্তন এসেছে তার সাথে প্রবীণদের জন্য পর্যাপ্ত সেবাব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি।

English Dainikbiswa

সাতক্ষীরায় নববিবাহিতার গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুণে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা

 

ইউক্রেনে রাশিয়া অধিকৃত অঞ্চলে সরকার গঠনের প্রস্তুতি মস্কোর

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

সমগ্র ইউক্রেন দখলে ব্যর্থ হলেও অধিকৃত এলাকায় সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে মস্কো। অধিকৃত অঞ্চলগুলো রাশিয়ার অধীনে আনার প্রক্রিয়াও শুরু করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে, কেনাবেচা করতে রুশ মুদ্রা রুবল ব্যবহার করতে হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানিয়েছেন, রাশিয়ার অধিকৃত অঞ্চলগুলোতে তড়িঘড়ি গণভোট করানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। গণভোটের মাধ্যমেই এই অঞ্চলগুলো রাশিয়া ফেডারেশনের অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে ক্রেমলিনের।

অন্যদিকে রাশিয়ার হুমকি অগ্রাহ্য করে ন্যাটোর সদস্যপদ চেয়েছিল ইউক্রেন। তারপরই পুতিনের রোষে ছারখার হয়ে গেছে দেশটি। এবার মস্কোর হুঁশিয়ারি উড়িয়ে ন্যাটো জোটে শামিল হওয়ার দাবি জানিয়েছে ফিনল্যান্ড।

এরপরই দেশটির আকাশসীমায় ঢুকে পড়েছে রুশ অ্যাটাক হেলিকপ্টার। ফলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, এবার ফিনল্যান্ডে আক্রমণ চালাতে পারেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আর তেমনটা হলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাবে বিশ্ব।

জানা গেছে, বুধবার ফিনল্যান্ডের আকাশসীমায় ঢুকে পড়ে রুশ ফৌজের একটি এমআই-১৭ হেলিকপ্টার। তারপরই ফিনল্যান্ড সেনার তৎপরতা ঘিরে আরো জোরাল হয়েছে যুদ্ধের জল্পনা।

বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, ফিনল্যান্ডকে ন্যাটোতে কিছুতেই শামিল হতে দেবে না রাশিয়া। প্রয়োজনে ইউক্রেনের মতোই সেই দেশে হামলা চালাতে পারে মস্কো।

এদিকে, বুধবার থেকেই রুশ সীমান্ত ঘেঁষা এলাকায় আমেরিকার সেনার সাথে যৌথ মহড়া শুরু করেছে ফিনল্যান্ড ফৌজ। এর ফলে উত্তেজনা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সামরিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

উল্লেখ্য, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্বে ১৯৩৯ সালের নভেম্বরে জার্মানির সাথে হাত মিলিয়ে ফিনল্যান্ডে হামলা চালিয়েছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। কিন্তু সামরিক ক্ষমতায় অনেক এগিয়ে থেকেও প্রায় সাড়ে তিন মাসের যুদ্ধে স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চলের ছোট্ট দেশটিকে পুরোপুরি দখল করতে পারেনি জোসেফ স্তালিনের সেনা। মস্কো চুক্তিতে কোনোমতে মুখ বাঁচিয়ে সেই যাত্রায় হামলায় ইতি টেনেছিল রেড আর্মি। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন

English Dainikbiswa

রাশিয়ার এমআই-১৭ হেলিকপ্টার ফিনল্যান্ডের আকাশে// তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আভাশ নয়তো…!

রাশিয়ার এমআই-১৭ হেলিকপ্টার ফিনল্যান্ডের আকাশে// তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আভাশ নয়তো…!

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

রাশিয়ার হুমকি অগ্রাহ্য করে ন্যাটোর সদস্যপদ চেয়েছিল ইউক্রেন। তারপরই পুতিনের রোষে ছারখার হয়ে গেছে দেশটি। এবার মস্কোর হুঁশিয়ারি উড়িয়ে ন্যাটো জোটে শামিল হওয়ার দাবি জানিয়েছে ফিনল্যান্ড।

এরপরই দেশটির আকাশসীমায় ঢুকে পড়েছে রুশ অ্যাটাক হেলিকপ্টার। ফলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, এবার ফিনল্যান্ডে আক্রমণ চালাতে পারেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আর তেমনটা হলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাবে বিশ্ব।

জানা গেছে, বুধবার ফিনল্যান্ডের আকাশসীমায় ঢুকে পড়ে রুশ ফৌজের একটি এমআই-১৭ হেলিকপ্টার। তারপরই ফিনল্যান্ড সেনার তৎপরতা ঘিরে আরো জোরাল হয়েছে যুদ্ধের জল্পনা।

বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, ফিনল্যান্ডকে ন্যাটোতে কিছুতেই শামিল হতে দেবে না রাশিয়া। প্রয়োজনে ইউক্রেনের মতোই সেই দেশে হামলা চালাতে পারে মস্কো।

এদিকে, বুধবার থেকেই রুশ সীমান্ত ঘেঁষা এলাকায় আমেরিকার সেনার সাথে যৌথ মহড়া শুরু করেছে ফিনল্যান্ড ফৌজ। এর ফলে উত্তেজনা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সামরিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

উল্লেখ্য, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্বে ১৯৩৯ সালের নভেম্বরে জার্মানির সাথে হাত মিলিয়ে ফিনল্যান্ডে হামলা চালিয়েছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। কিন্তু সামরিক ক্ষমতায় অনেক এগিয়ে থেকেও প্রায় সাড়ে তিন মাসের যুদ্ধে স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চলের ছোট্ট দেশটিকে পুরোপুরি দখল করতে পারেনি জোসেফ স্তালিনের সেনা। মস্কো চুক্তিতে কোনোমতে মুখ বাঁচিয়ে সেই যাত্রায় হামলায় ইতি টেনেছিল রেড আর্মি।

এদিকে, সমগ্র ইউক্রেন দখলে ব্যর্থ হলেও অধিকৃত এলাকায় সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে মস্কো। অধিকৃত অঞ্চলগুলো রাশিয়ার অধীনে আনার প্রক্রিয়াও শুরু করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে, কেনাবেচা করতে রুশ মুদ্রা রুবল ব্যবহার করতে হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানিয়েছেন, রাশিয়ার অধিকৃত অঞ্চলগুলোতে তড়িঘড়ি গণভোট করানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। গণভোটের মাধ্যমেই এই অঞ্চলগুলো রাশিয়া ফেডারেশনের অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে ক্রেমলিনের। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন

কুষ্টিয়ার বটতলে মা-ছেলের প্রাণ নিল ড্রামট্রাক

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

মা ও ছোট ভাইকে মোটরসাইকেলের পেছনে বসিয়ে বেড়াতে নিয়ে যাচ্ছিলেন ২০ বছর বয়সি ইফতিয়াজ।

আর পথেই মা ও এক ছেলের প্রাণ কেড়ে নিল এক ঘাতক ড্রামট্রাক।

কুষ্টিয়ার বটতল এলাকার বাইপাস সড়কে বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন –  ইফতিয়াজ ও তার মা অঞ্জনা খাতুন। কুষ্টিয়া সদর উপজেলার কবুরহাট এলাকার বাসিন্দা তারা। সেখানের নাজমুল হোসেনের স্ত্রী নিহত অঞ্জনা খাতুন। ইফতিয়াজ কুষ্টিয়া পলিটেকনিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।

এ ঘটনায় ইফতিয়াজের ৮ বছর বয়সি ভাই রিফাত গুরুতর আহত হয়েছে। তাকে ঢাকায় হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি ছাব্বিরুল আলম বলেন, মোটরসাইকেল আরোহী তিনজন কুষ্টিয়ার দিকে আসছিলেন। বটতল এলাকার বাইপাস সড়কে একটি ড্রামট্রাকের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলচালক তরুণ মারা যান। তার মাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিলে সেখানে তিনি মারা যান। অপর ভাই গুরুতর আহত হয়েছে।

পুতিন ক্যান্সার আক্রান্ত// অস্ত্রোপাচার করা লাগবে- নিউইয়র্ক পোস্ট

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের স্বাস্থ্যের অবস্থা নিয়ে সাম্প্রতিক সপ্তাহ গুলোতে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তার ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য অস্ত্রোপচার করা লাগবে। এসময় তিনি দেশটির নিরাপত্তা পরিষদের সেক্রেটারি কট্টরপন্থী সাবেক পুলিশ প্রধান নিকোলাই প্যাটরুশেভের কাছে সাময়িকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে পারেন। রাশিয়ার টেলিগ্রাম চ্যানেল ‘জেনারেল এসভিআর’র বরাত দিয়ে মার্কিন দৈনিক নিউইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে এই দাবি করা হয়েছে। তবে এই দাবির সত্যতা পুরোপুরি প্রমাণিত নয়।  খবর এনডিটিভি ও ডেইলি মেইলের।

রাশিয়ার ফরেন ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের সাবেক লেফটেন্যান্ট জেনারেল ভিক্টর মিখাইলোভিচ (ছদ্মনাম) ওই টেলিগ্রাম চ্যানেল পরিচালনা করেন। সেই চ্যানেলে পোস্ট করা একটি ভিডিওতে তিনি দাবি করেছেন, পুতিনকে তার ডাক্তাররা অস্ত্রোপচার করানোর পরামর্শ দিয়েছেন। অস্ত্রোপচারের প্রক্রিয়া চলাকালীন এবং পরে প্রেসিডেন্ট পুতিন রাশিয়ার সরকারের নিয়ন্ত্রণ রুশ ফেডারেল পুলিশের নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান নিকোলাই প্যাটরুশেভের কাছে হস্তান্তর করবেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা হবে। পুতিনের ক্ষমতা হস্তান্তরের মেয়াদও সংক্ষিপ্ত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অসমর্থিত এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রত্যাশিত অস্ত্রোপচার এবং পরবর্তী প্রক্রিয়া পুতিনকে ‘স্বল্প সময়ের’ জন্য অক্ষম করে তুলতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ভিডিওর ভাষ্যকার বলেছেন, দীর্ঘ সময়ের জন্য ক্ষমতা হস্তান্তরে পুতিনের রাজি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে ফেডারেল পুলিশের নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান নিকোলাই প্যাটরুশেভের কাছে তিনি দুই থেকে তিন দিনের জন্য ক্ষমতা হস্তান্তর করতে পারেন।

এই প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে সোমবার প্রশ্ন করা হলে পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কিরবি বলেন, এটা এখনই নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘আমি এমন কিছু দেখতে পাইনি, যা এটাকে ব্যাখ্যা করতে সহায়তা করবে।’

ভিডিওটিতে রাশিয়ান অনুসন্ধানী গণমাধ্যম দ্য প্রজেক্টের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, রাশিয়ার দোর্দণ্ড প্রতাপশালী রাষ্ট্রনেতা ভ্লাদিমির পুতিন গত কয়েক বছরে একজন ক্যানসার চিকিৎসকের কাছে অন্তত ৩৫ বার গেছেন। তিনি নিজের স্বাস্থ্যের ব্যাপারে এতটাই উদ্বিগ্ন হয়েছেন যে, তিনি অপ্রচলিত এবং আদিম থেরাপিও নিয়েছেন।

সম্প্রতি প্রকাশ্যে এবং সরকারি গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের সময় রুগ্ন চেহারা ও উদাসীন দেখা যায় ৭০ বছর বয়সি পুতিনকে। পরে পারকিনসন-সহ ক্যান্সার এবং অন্যান্য গুরুতর রোগে তিনি আক্রান্ত হয়েছেন বলে গুজব ছড়িয়ে পড়ে।

গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত একটি টেলিগ্রাম পোস্টে বলা হয়, সাবেক পুলিশ প্রধান নিকোলাই প্যাটরুশেভ প্রেসিডেন্ট পুতিনের সাথে দুই ঘণ্টা খোলামেলা আলোচনা করেছেন। পোস্টে দাবি করা হয়েছে, আমরা জানি, প্যাটরুশেভকে পুতিন ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, তিনি রাশিয়ার বর্তমান সরকারের একমাত্র বিশ্বস্ত মিত্র এবং বন্ধু হিসাবে বিবেচনা করেন। এছাড়া যদি শরীর খারাপের দিকে মোড় নেয় তাহলে দেশের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ সাময়িকভাবে প্যাটরুশেভের হাতে চলে যাবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন পুতিন।

English Dainikbiswa

জাব উই মেট ছবিতে নায়ক হবার কথা ছিল ববির, নায়ক হলেন শাহিদ।। কিন্তু কেন…?

১৯৪৫ সালে হিরোশিমা নাগাসাকি পরমাণু বোমাও মারতে পারেনি অভাগা সুতোমুকে…! // দেখুন তখনকার কিছু স্মরণীয় ছবি

লাগে টাকা দেবে গৌরী সেন- প্রবাদের বংশধররা কেমন আছেন জানলে অবাক হবেন…!

//আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

গৌরী সেনের বংশধর হিসেবে পরিচিত অনেকেই আছেন উত্তর কলকাতার আহিরীটোলায়। তাঁদের অনেকেরই ছিল অচল টাকা চালানোর কারবার।

লাগে টাকা, দেবে গৌরী সেন। প্রবাদের গৌরী সেনকে কে না চেনে! শতকের পর শতক ধরে তিনি বাঙালি মননের বাসিন্দা। বঙ্গসমাজের অর্থম অনর্থম আলোচনায় অহরহ হাজির থাকেন তিনি। প্রবাদের মতোই।

এহেন প্রবাদপুরুষের এক উত্তরপুরুষ দিব্যেন্দু সেন এই কলকাতাতেই থাকেন। তাঁরও টাকা নিয়েই কারবার। তবে গৌরী সেনের মতো দানধ্যান করার ক্ষমতা নেই। অন্য উপায়ে পূর্বপুরুষের মতো বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারেন। টাকা, সে ছেঁড়া-পোড়া হোক বা নোংরায় অচল, তাঁর কাছে আসল হলেই চালু! তাঁর ব্যবসাটাই হল, অচল নোট মেরামত করে ব্যাঙ্কে চালিয়ে দেওয়া। মাঝে ‘বাটা’ (কমিশন) হিসেবে হয় রোজগার। তবে ইদানিং এই কারবারের বাজার ভাল নয়। অনলাইন লেনদেন বেড়ে যাওয়ায় টাকা অচল হওয়া নাকি অনেক কমে গিয়েছে।

গৌরী সেনের বংশধর হিসেবে পরিচিত অনেকেই আছেন উত্তর কলকাতার আহিরীটোলায়। তাঁদের অনেকেরই ছিল অচল টাকা চালানোর কারবার। কিন্তু বাজার মন্দা হওয়ায় একে একে সকলেই অন্য ব্যবসায় চলে গিয়েছেন। হাল ধরে রেখেছেন দিব্যেন্দু। বড়বাজারের সোনাপট্টিতে মনোহর দাস স্ট্রিটে এক গয়নার দোকানের টুলে বসে চলে তাঁর ব্যবসা। সেটাকেই ‘গদি’ বলেন দিব্যেন্দু। ছোট্ট এক চিলতে জায়গায় বসেই ভাবেন সংসার চালাতে অন্য কিছু করার কথা। ‘লাগে টাকা’ পরিস্থিতি তৈরি হলে তিনিও ভাবেন, সত্যিই যদি একজন ‘গৌরী সেন’ পাওয়া যেত!

প্রবাদের গৌরী সেন কে ছিলেন, তা জানতে অনেক গবেষণা হয়েছে। অনেকে বলেন গৌরী আসলে ছিলেন এক নারী। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠদের দাবি, গৌরী আসলে গৌরীকান্ত সেন। বাংলা প্রবাদ বিষয়ক বিভিন্ন গবেষণাগ্রন্থ থেকে যা জানা যায়, তাতে গৌরী ছিলেন সুবর্ণবণিক সম্প্রদায়ের সম্ভ্রান্ত ব্যবসায়ী। বাবা ছিলেন নন্দরাম সেন। ১৫৮০ সালের আশপাশে গৌরীর জন্ম হয় হুগলিতে। পরে কলকাতার কলুটোলা স্ট্রিটে থাকত সেন পরিবার। বিভিন্ন গবেষণায় এমনটাও দাবি করা হয়েছে যে, গৌরী আসলে ছিলেন হাওড়ার বালির বাসিন্দা। কেউ আবার বলেন হুগলি বা হাওড়া নয়, গৌরীর আদি বাড়ি ছিল মুর্শিদাবাদের বহরমপুর এলাকায়। জন্মস্থান নিয়ে নানা মত থাকলেও গবেষকরা সকলেই এটা বলেছেন যে, কলকাতার আহিরীটোলায় বাড়ি করেছিলেন ধনী গৌরীর বংশধররা। তাঁর ধনী হয়ে ওঠা নিয়েও রয়েছে অনেক কাহিনি। তার মধ্যে যেটা বেশি শোনা যায়, সেটি হল ব্যবসার অংশীদার বৈষ্ণবচরণ শেঠের সঙ্গে একটি ডুবে যাওয়া জাহাজে বোঝাই-করা দস্তা কিনেছিলেন গৌরী। কিন্তু পরে দেখতে পান আসলে দস্তার তলায় লুকিয়ে রুপো পাচার করা হচ্ছিল ওই জাহাজে। দস্তার দরে রুপো পেয়ে রাতারাতি ধনী হয়ে যান। ‘ঈশ্বরের কৃপায়’ পাওয়া অর্থের সবটা ভোগ না করে দানধ্যান শুরু করেন। কন্যাদায়গ্রস্ত পিতামাতার জন্য নাকি তাঁর দরজা সব সময় খোলা থাকত, হাতও থাকত উপুড়-করা। আবার জমিদারের ঋণ শোধ করতে না পেরে জেলে যাওয়া প্রজাদের রক্ষা করতেও এগিয়ে আসতেন গৌরী। একটা সময়ে লোকমুখে তাঁর দান-গৌরব ছড়িয়ে পড়ে গোটা বাংলায়। প্রবাদ তৈরি হয়ে যায়— ‘লাগে টাকা, দেবে গৌরী সেন।’

বাপ-ঠাকুর্দার মুখে এ সব কাহিনি অনেক শুনেছেন দিব্যেন্দু। সেই সঙ্গে শুনেছেন তাঁদের পরিবারের অচল টাকার ব্যবসার ইতিহাসও। স্বাধীনতার পরে পরেই দাদু জিতেন্দ্রকুমার সেন শুরু করেন এই ব্যবসা। তখন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের লাইসেন্স লাগত। সাধারণ মানুষের থেকে সংগ্রহ করা নষ্ট-হওয়া নোট রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থেকে বদলে আনার ব্যবসা। দিব্যেন্দুর বাবা অসীমকুমার সেনও একই ব্যবসা করেন। পরে দিব্যেন্দুর দাদা সন্দীপও। কাকাদের পরিবারেও ছিল এই ব্যবসা। কিন্তু একে একে সবাই ছেড়ে দিয়েছেন। আনন্দবাজার অনলাইনকে দিব্যেন্দু বললেন, ‘‘সবাই অন্য ব্যবসা করেন এখন। কিন্তু সব ব্যবসার মূলধন থেকে বাড়ি, গাড়ি যা হয়েছে সবই এই নোটবদলের কারবার থেকে।’’

কী ভাবে চলে এই ব্যবসা? দিব্যেন্দু জানালেন, বড়বাজারের সোনাপট্টিতে এমন ব্যবসায়ী আরও কয়েকজন রয়েছেন। বাংলার গ্রামেগঞ্জে অনেক মুদিখানা দোকান রয়েছে, যেখানে ছেঁড়া-ফাটা নোট সংগ্রহ করা হয়। কোন নোট কতটা ছেঁড়া, ফাটা বা পোড়া, তার উপরে নির্ভর করে কত টাকার বিনিময়ে তাঁরা সেটা কিনবেন। সেই সব নোটই আসে দিব্যেন্দুর মতো ব্যবসায়ীদের হাতে। এর পরে বাড়িতে এনে ছেঁড়া নোট জুড়ে বা নানা ভাবে সারাই করে তা ব্যাঙ্কে নিয়ে যেতে হয়। ব্যাঙ্কও যে পুরো অর্থ দেবে, তার কোনও মানে নেই। বদলের কিছু নিয়মও রয়েছে। সেই মতো দামেই কিনতে হয় দিব্যেন্দুদের। কারণ, ব্যাঙ্ক কত টাকা দেবে সেটা আগাম বুঝতে না পারলেই ঠকতে হবে। এখন অবশ্য রিজার্ভ ব্যাঙ্কে যেতে হয় না। আগের মতো ব্যবসা করতে শীর্ষ ব্যাঙ্কের লাইসেন্সও লাগে না। বিভিন্ন ব্যাঙ্কের কিছু শাখা এই কাজ করে। তেমন শাখা জেলায় জেলায় রয়েছে। তাই আগের মতো পুরনো নোট আর আসে না কলকাতায়। ফলে ব্যবসা ছোট হচ্ছে। তার কারণ হিসেবে নিজের দিকেও আঙুল তুললেন গৌরী সেনের বংশধর। বললেন, ‘‘আমিও তো আজকাল নগদ টাকায় কেনাকাটা কমিয়ে দিয়েছি। সবাই অনলাইনে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে। তাই নোট নষ্ট হওয়াও কমেছে। সবেরই খারাপ দিক, ভাল দিক আছে। এই যেমন অনলাইনে লেনদেন আমাদের ব্যবসার পক্ষে মোটেও ভাল নয়।’’

বলতে বলতেই পুরনো নোট জুড়তে মন দিলেন দ্যিবেন্দু। সঙ্গে জুড়লেন, কয়েক বছর আগেই পর্যটনের ‘সাইড’ ব্যবসা শুরু করেছেন। এ বার সেটাকেই ‘মেন’ করার কথা ভাবছেন তিনি। ভাবছেন। কারণ, পর্যটনকে মূল ব্যবসা করতে গেলেও তো টাকা লাগবে। গৌরী সেন কোথায়!

English Dainikbiswa

জাব উই মেট ছবিতে নায়ক হবার কথা ছিল ববির, নায়ক হলেন শাহিদ।। কিন্তু কেন…?

আজ বজ্রপাতে মারা গেছে ৮ জন

স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে থানায় নিয়ে গেল স্ত্রী

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে থানায় হাজির হয়েছেন এক স্ত্রী। পরে গুরুতর আহতবস্থায় স্বামীকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া দক্ষিণ খন্ডের চেয়ারম্যানবাড়ি মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী যুবক মোঃ শরীফ (৩১) গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার সোহাগপুর গ্রামের আলা উদ্দিনের ছেলে। তার স্ত্রী হনুফা বেগম (৩০), গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার গাজিয়ারন গ্রামের আবু হানিফ বেপারীর মেয়ে। শরীফের দ্বিতীয় স্ত্রী হনুফা। ৮/৯মাস আগে প্রথম স্ত্রীকে ছেড়ে দেয়ার পর হনুফাকে বিয়ে করেন শরীফ।

শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ মিজান জানান, রাত্রিকালীন সময়ে ওই এলাকায় ডিউটিতে ছিলেন তিনি। এসময় থানার ডিউটি অফিসার তাকে মুঠোফোনে জানান, স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে নিয়ে এক নারী থানায় হাজির হয়েছেন এবং গুরুতর অবস্থায় কেওয়া পূর্ব খন্ড গ্রামের একটি ঘরে স্বামীকে তালাবদ্ধ অবস্থায় রেখে এসেছেন। পরে ওই নারীর দেয়া তথ্যমতে ঘরের তালা ভেঙ্গে স্বামী শরীফকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোন্দকার ইমাম হোসেন বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বিডিজা