নিয়ম মানছেনা ডিলার বিহীন তালতলীর ক্ষুদ্র সার বিক্রেতারা, ভোগান্তিতে কৃষক

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা//

বরগুনার তালতলীতে নিয়ম মানছেনা ক্ষুদ্র সার বিক্রেতারা। ডিলার বিহীন দোকানে শত শত বস্তা সার মজুদ করে চড়া দামে বিক্রি করছে নিজেদের পছন্দ মত কৃষকদের কাছে। সার বিক্রিতে সরকারি নিয়ম থাকলেও এসব বিক্রেতারা তা তোয়াক্কা করছেন না।কয়েকজন ক্ষুদ্র সার বিক্রেতারা দিনদিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছেন।

এমন পরিস্থিতিতে গোটা উপজেলায় ইউরিয়াসহ অন্যান্য সারের কৃত্রিম সংকটের আশংকা দেখা দিয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন কৃষকরা।

জানা যায়, উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে সাতজন বিসিআইসি অনুমোদিত সার ডিলার রয়েছেন।  এছাড়াও প্রতি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে মোট ৯ জন সার ডিলার রয়েছে। তবে সরকার অনুমোদিত এই খুচরা ডিলারের পরও রয়েছে কিছু অসাধু সার ব্যবসায়ী। এরা সরকারি নির্দেশনা মানছে না। বিভিন্ন কীটনাশকের দোকানে বিভিন্ন জায়গা থেকে অবৈধ সার মজুদ রেখে বেশি দামে বিক্রি করছেন বলে জানা গেছে। এতে প্রকৃত কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে ডিলার এর কাছ থেকে সরাসরি সার কিনতে পারছে না। যার সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে কৃষিতে।

বিসিআইসি সার ডিলারদের সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী জানা যায়, নিজস্ব দোকান অথবা গুদাম ব্যতীত নিজ বাড়িতেও সার মজুদ রাখার কোন সুযোগ নেই। উপরোক্ত নিয়মের ব্যত্যয় ঘটলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া উচিৎ । সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশী দামে সার বিক্রয় করা যাবে না। যার নামে লাইসেন্স তাকেই ব্যবসা করতে হবে। মজুদ রেজিষ্টার ফর্মেট অনুযায়ী সংরক্ষণ করতে হবে। বিক্রয় রেজিষ্টারে অবশ্যই কৃষকের নাম এবং মোবাইল নাম্বার থাকতে হবে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বাজারে ১৩৫০ টাকার ইউরিয়া সার চাষিরা কিনছেন ১৪শ থেকে ১৫শ টাকা বস্তা দরে। খুব গোপনে এভাবে সার বিক্রি করে আসছেন কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ীরা।

খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, সার ডিলারদের ক্যাশ মেমোর মাধ্যমে চাষিদের কাছে সার বিক্রির নিয়ম থাকলেও বেশি দামে বিক্রির কারণে তা করছেন না অসাধু ব্যবসায়ীরা ও ডিলাররা। কিছু ডিলার সিন্ডিকেট করে এমন নানা কারসাজি করে আসছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন দোকানে বিসিআইসি সার বিপুল পরিমাণে অবৈধ মজুদ করে রেখেছেন। ডিলার লাইসেন্স না থাকলেও অবৈধ পথে বিভিন্ন সার মজুদ করে রেখেছেন বেশি দামে বিক্রি করার জন্যে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের অভিযোগ, সার ডিলারদের কাছে সরকারি দরে ক্যাশ মেমোসহ সার কিনতে গেলে সার নেই বলে ছাফ জানিয়ে দেয়। আর বেশি দামে নিলেই পাওয়া যায় পর্যাপ্ত সার। তাই ডিলাররা সারের ১–৫ বস্তার মেমো না করে বিভিন্ন দোকানদারের নামে শত শত বস্তার মেমো করছেন। আর আমাদের মত সাধারণ চাষিদের কাছে মেমো ছাড়া বেশি দামে বিক্রি করছেন। তাই প্রতিটি ইউনিয়ন বিসিআইসি ডিলারের উচিৎ ডিলার ব্যতিত অন্য কাউকে সার হস্তান্তর না করা।

এ বিষয়ে তালতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন হাওলাদার বলেন, খুরচা দোকানে ডিলার ছাড়া সার বিক্রি করা যাবে না। যারা বিক্রি করে আমাদের কাছে তথ্য দিন আমরা প্রয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

তালতলী উপজেলা কর্মকর্তা সিফাত আনোয়ার তুমপা বলেন, বিসিআইসি অনুমোদিত সার ডিলার ছাড়া অন্য কেউ সার বিক্রি করতে পারবে না। যদি কেউ সার বিক্রি করে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Daily World News

লাকসামের সুরক্ষা সিটির ভুট্টো কি পালিয়ে গেছে ?

তালতলীতে সাংবাদিকের নামে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করায় আমতলী’র ওপিসি ও বিজেসি’র নিন্দা

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক কালবেলার তালতলী উপজেলা প্রতিনিধি নাঈম ইসলামের বিরুদ্ধে বরিশালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করায় আজ ৭ই অক্টোবর আমতলী উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

নিন্দা ও প্রতিবাদকারী সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ হলেন,বাংলাদেশ সাংবাদিক ক্লাব আমতলী উপজেলা শাখার সভাপতি ও দৈনিক সোনালী খবর পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ আবুল কালাম আজাদ,সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক ভোরের ডাক পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি টি,এম,রেদওয়ান বায়জিদ,যুগ্ম সম্পাদক ও চ্যানেল এ এর সম্পাদক মোঃ আল আমিন বাবু,আমতলী অনলাইন প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও নিউজ বিডি রিপোর্ট এর উপজেলা প্রতিনিধি খান মোঃ সাইফ উদ দৌলা শাওন,সাধারণ সম্পাদক ও সময় ২৪ এর উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ রনি মল্লিক প্রমুখ।

নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে দৈনিক কালবেলা পত্রিকার তালতলী উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ নাইমুল ইসলামের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা প্রত্যাহারর দাবী জানান।

উল্লেখ্য,বিগত ৪ অক্টোবর মোকাম বরিশাল বিজ্ঞ সাইবার ট্রাইবুনাল আদালতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২০২৩ এর ২৩(১),২৫ (ক),২৬(১),২৯,৩৩ (১) ধারায় মামলাটি করা হলেও ৬ অক্টোবর বিষয়টি জানাজানি হয়।

সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক কালবেলার তালতলী উপজেলা প্রতিনিধি নাঈম ইসলামের বিরুদ্ধে বরিশালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে। ৪ অক্টোবর মোকাম বরিশাল বিজ্ঞ সাইবার ট্রাইবুনাল আদালতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২০২৩ এর ২৩(১),২৫ (ক),২৬(১),২৯,৩৩ (১) ধারায় মামলাটি করা হলেও ৬ অক্টোবর বিষয়টি জানাজানি হয়।

বরগুনা সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের বন্দরগাছিয়া খাকবুনিয়া ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত হারুনের মেয়ে মোসাম্মৎ শিরিন মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটি বরগুনা সদর থানার ওসিকে তদন্তের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়।

জানা যায়,বরিশালের আগৈলঝাড়া কোদালধোয়া গ্রামের সুবাস বিশ্বাসের ছেলে ডাক্তার সুমন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বরগুনা আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল অফিসার থাকা কালে প্রতি শুক্রবার তালতলী উপজেলার একটি বে-সরকারি ডায়াগনস্টিকে রোগী দেখতেন এই চিকিৎসক।

নিউ পপুলার ডায়াগনস্টিক ল্যাব নামে ওই প্রতিষ্ঠানে রিসিপশনের কর্মরত মোসাম্মৎ শিরিন নামে এক নারীর সঙ্গে পরিচয় হয়।এরপর প্রেম তারপর বিয়ে।শেষ পর্যন্ত গর্ভপাত করে প্রতারণার অভিযোগ উঠছে এই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে।যা নিয়ে RAB-8 বরাবর এক অভিযোগে এই নারী বলেন চিকিৎসকের ছদ্মবেশে এই প্রতারক ধর্মান্তরিত হয়ে মোসলমান হয়েছেন বলে। চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি তাকে পটুয়াখালী নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বিয়ে করেন। যেখানে নিজের নাম পরিচয় সুমন খন্দকার, পিতা মোঃ সেলিম মিয়া এবং ঠিকানা বরিশালের আগৈলঝোড়া দেখান এই চিকিৎসক।
৫ লক্ষ টাকা দেনমোহর ধার্য করে এই বিয়ের হলপ নামায় আইনজীবী মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের সিল ও স্বাক্ষর রয়েছে। এরপর বেশ কিছুদিন বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে যান এই দম্পতি। এর মধ্যে অন্তঃসত্ত্বা হন এই নারী।কিন্তু চতুর এই চিকিৎসক তাকে গর্ভপাত করাতে বাধ্য করেন।
অভিযোগ পত্রে আরো উল্লেখ করা হয়েছে এর কয়দিন পরই চিকিৎসক সুমনের আসল চেহারা সামনে আসে।নিজের এক উকিল বন্ধুকে দিয়ে নিজেকে মুসলিম দেখিয়ে ভুয়া নোটারী পাবলিক করে এই বিয়ে করেন ও নারীকে জানান সুমন।

এ নিয়ে দৈনিক কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর এসব অভিযোগ অস্বীকার করে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করলেন ওই নারী মোসাম্মৎ শিরিন। তিনি মামলায় উল্লেখ করেন, ডাক্তার সুমন বিশ্বাসের সাথে তার বন্ধুত্ব ছিল বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করেছে তারা। তাদের এই ছবি ও ভিডিও দিয়ে কালবেলায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এ মামলার ১ নম্বর সাক্ষী সুমন বিশ্বাসের সম্মানহানি হয়েছে।

দৈনিক কালবেলার তালতলী উপজেলা প্রতিনিধি নাঈম ইসলাম বলেন,মোসাম্মৎ শিরিন ওই নারী ডাক্তারের বিরুদ্ধে একটি RAB-8 বরাবর অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগপত্রে যা উল্লেখ আছে ও এ সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে সংবাদ প্রকাশের কয়েকদিন পরেই ওই নারী সুমন বিশ্বাসের পরিবারের লোকজনদের সাক্ষী দিয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন।

খাস জমির দখল নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১০

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা সংবাদদাতা//

বরগুনার আমতলীতে খাস জমির দখল নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছে। আহতদের স্বজনরা উদ্ধার করে পটুয়াখালী ও বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার গভীর রাতে আমতলী উপজেলার মহিষকাটা বাজারে।

জানা গেছে,উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের কালিবাড়ী গ্রামের আশ্রাফ মৃধা ও অদুদ মৃধার মধ্যে মহিষকাটা বাজারের খাস জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে বেশ কয়েকবার সালিশ বৈঠক হয়। কিন্তু উভয় পক্ষই সালিশ বৈঠকের সিদ্ধান্ত মানছেন না এমন দাবী স্থানীয়দের। আশ্রাফ মৃধার দখলে থাকা খাজ জমি বুধবার গভীর রাতে ওদুদ মৃধা ও তার লোকজন দখল করতে যায় এমন অভিযোগ আশ্রাফ মৃধার। ওই সময় দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হয়। গুরুতর আহত নাশির মৃধা (৪০) আশ্রাফ মৃধা (৫০), ফেরদৌস মৃধা (৪৫), আলিম মৃধা (৩২) ও আহসান মৃধাকে (৩০) স্বজনরা উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

ওই হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ কাঙ্খিতা মন্ডল তৃণা তাদের সংঙ্কটজনক অবস্থায় বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরন করেছে। অপর দিকে আহত অদুদ মৃধা (৪৫), খুকি বেগম (৩২) ও বাবলুকে (২৫) পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপর আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।

আহত আশ্রাফ মৃধার স্ত্রী আসমা বেগম বলেন, গত ৩০ বছর ধরে খাস জমিতে দোকান ঘর ও বসতভিটা নির্মাণ করে বসবাস করে আসছি। ওই জমি অদুদ মৃধা তার দাবী করে বুধবার রাতে আমাদের বাড়ীতে হামলা করেছে। এতে আমার স্বামীসহ তার পাঁচ ভাইকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে অদুদ মৃধা ও তার লোকজন। তিনি আরো বলেন, এ জমি নিয়ে স্থানীয়ভাবে বেশ কয়েকবার সালিশ বৈঠক হয়েছে। কিন্তু অদুদ মৃধা সালিশ বৈঠকের সিদ্ধান্ত মানেনা। তিনি গায়ের জোড়ে জমি দখল করতে চায়। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।

এ বিষয়ে জানতে অদুদ মৃধার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ কাঙ্খিতা মন্ডল তৃণা বলেন, গুরুতর আহত পাঁচজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন,এখনো অভিযোগ পাইনি।অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তালতলীতে শ্রমিক দলের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার তালতলীতে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের নতুন আহবায়ক কমিটি গঠন হয়েছে। শ্রমিক নেতা মোঃ শাহ আলম হাওলাদারকে আহবায়ক ও সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোঃ আল-আমিন হাওলাদারকে সদস্য সচিব করে ৩১ সদস্যের আহবায়ক কমিটি অনুমোদন পেয়েছে।

শ্রমিক দলের বরগুনা জেলা সভাপতি নাসির উদ্দিন মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. রুহুল আমিন ১০ সেপ্টেম্বর কমিটি অনুমোদন দিয়েছে। তবে সোমবার ২ অক্টোবর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।

কমিটি অনুমোদনপত্রে উল্লেখ করা হয়,৫ সদস্যের একটি টিম গঠন করা হয়েছে কমিটি গঠনের লক্ষ্যে। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে এই কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আগামী ৩ মাসের মধ্যে এ কমিটি পূর্নাঙ্গ করার নির্দেশনা দেয়া হয় অনুমোদনপত্রে।

নতুন ঘোষিত কমিটিতে মো. আমির হোসেন, মোঃ সিদ্দিকুর রহমান মামুন, মোঃ আল আমিন, মোঃ শানু হাংকে যুগ্ন আহবায়ক, মোঃ জামাল হাং, মোঃ সুলতান হাং, মোঃ জব্বার, জামাল হোসেন, আফজাল কাজি, জামাল হাং, আবুল হোসেন, জাহাঙ্গীর, হালিমা আকন জসিম, আলম, রিপন সিকদার, জসিম হাওলাদার, ফারুক হাওলাদার, ইব্রাহিম সরদার, আরিফ তালুকদার, জাকির ভান্ডারী, মো. শাহীন, আল-আমিন শিকদার, বেল্লাল আকন, অংচং আকন, হানিফ হাং, ফরিদ, মো. ফারুকে সদস্য করা হয়েছে।

নবগঠিত কমিটির আহবায়ক মো. শাহ আলম হাং বলেন, পুরাত ওই কমিটির দুই-চারজন বাদে অন্যরা দলীয় কর্মকান্ডে নিস্ক্রিয় হয়ে পড়েছিল। তাই সাংগঠনিক গতিশীলতা ফেরাতে নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পুর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে।

তালতলীতে সেলুন মালিকের ছুরিকাঘাতে যুবক আহত

সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

বরগুনার তালতলীতে মাছের পোনা ব্যবসায়ী শুক্কুর আলী মোল্লা স্হানীয় সেলুন মালিক প্রেমাই শীল এর কাছে পাওনা পাঁচশত টাকা চাইতে গেলে সেলুন মালিক প্রেমাই শীল শুক্কুর আলী (৩৫) কে ছুরিকাঘাত করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্হানীয়রূ আহত শুক্কুর আলী কে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এ সময় হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন। ঘটনা ঘটেছে তালতলী বন্দরের মহিলা মার্কেটে রবিবার দুপুরে।

জানাগেছে, খুলনার দিঘুলিয়া উপজেলার বারকপুর গ্রামের ইসমাইল মোল্লার ছেলে শুক্কুর আলী মোল্লা মাছের পোনা বিক্রি করতে গত দুই মাস পুর্বে পোনা তালতলী আসেন। ওই সময় সেলুন ব্যবসায়ী প্রেমাই শীল তার কাছ থেকে বাকীতে ৫০০ টাকার মাছের পোনা নেয়।কিন্তু টাকা না দিয়ে প্রেমাই বিভিন্ন ভাবে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। রবিবার দুপুরে ওই টাকা চাইতে তার সেলুনে যায় পোনা ব্যবসায়ী শুক্কুর।

এ সময় টাকা দিতে অস্বীকার করে প্রেমাই। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায় সেলুন ব্যবসায়ী প্রেমাই শীলের হাতে থাকা ছুরি তার পেটে ঢুকিয়ে দেয়। এতে তিনি গুরুতর জখম হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এ সময় হাসপাতালের চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরন করেছেন। এ ঘটনার পরপরই প্রেমাই পালিয়েছে।

আহত শুক্কুর আলী মোল্লা বলেন, ৫০০ টাকা বাকী রেখে পোনা নেয় প্রেমাই শীল। ওই টাকা তিনি পরিশোধ না করে কালক্ষেপণ করতে থাকে। রবিবার তার কাছে টাকা চাইতে গেলে তিনি আমাকে টাকা দিবেনা বলে গালাগাল করে। এক পর্যায় তিনি আমাকে তার হাতে থাকা ছুরি পেটের মধ্যে ঢুকিয়ে দেয়। আমি এ ঘটনার শাস্তি দাবী করছি।

তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ নাজনিন আক্তার বলেন, তার বেশ রক্তক্ষরণ হয়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরন করা হয়।।

তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ শহীদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছে। অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আমতলীতে বিভিন্ন কর্মসুচীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালিত

//সাইফুল্লাহ নাসির, আমতলী, বরগুনা//

বরগুনার আমতলীতে  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৭ তম জন্মদিন ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে উদযাপন করেছে আমতলী  উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

শুক্রবার  (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত আটটায় দলীয় কার্যালয়ে  উপজেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে আ’লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র মোঃ মতিয়ার রহমান সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া,আলোচনা সভা ও কেক কাটা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আমতলী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, প্রবীণ রাজনীতিবিদ এডভোকেট এম এ কাদের মিয়া।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ নুরুল ইসলাম মৃধা,উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ মজিবুর রহমান, আওয়ামীলীগ নেতা বাবু অশোক মজুমদার, মোঃ  আব্দুল হান্নান, আবদুল হক,হারুন অর রশীদ,আবুল কালাম আজাদ,রিয়াজ উদদীন মৃধা,মীর হাবিবুর রহমান, বাদল প্যাদা সহ অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন নেতৃবৃন।

এ সময় বক্তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সু স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যগণ সহ মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে  এবং বর্তমান সরকারের উন্নয়নের বর্নণা করে এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে   আবারও  নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার আহবান জানান।

বরগুনার তালতলীতে ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

বরগুনার তালতলীতে ২৮ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় নামিসে পাড়া কারিতাস আইসিডিবি রাখাইন ভাষা শিক্ষা কেন্দ্রে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বরিশাল ক্যাথলিক ডায়সিসের প্রজেক্ট মারিয়া সিক সেল্টার এর আয়োজনে রাখাইন সমাজ উন্নয়ন সাংস্থার সহযোগিতায়
মি: মংচিন থান এর সভাপতিত্বে মেডিকেল ক্যাম্প উদ্ধোধন করেন,নামিসে পাড়া বৌদ্ধ বিহারের সভাপতি মিস্টার চোচিমং। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন সিস্টার রোজিনা থামি, হেলথ এসিস্ট্যান্ট মি. মিল্টন মজুমদার,পিএসটি সেএেটারী মিস্টার সুমন ও কারিতাস সিডিএ মিসেস চান্ডা প্রমুখ।

মেডিকেল ক্যাম্পে চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করেন ডাঃ মংম‍্যা এসময় তারা ১০০শ রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ প্রদান করেন।

আমতলীতে দায়িত্নে অবহেলায় অধ্যক্ষ সহ শিক্ষক-কর্মচারীদের শো’কজ 

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

পাবলিক পরীক্ষার দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে বরগুনার আমতলী বন্দর হোসাইনিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইউনুচ আলীসহ প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক-কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে।১৭ সেপ্টেম্বর মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জাকির হোসাইন স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে কারণ দর্শানোর জন্য বলা হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, বরগুনার আমতলী বন্দর হোসাইনিয়া ফাজিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ১৭ মে অনুষ্ঠিত দাখিল পরীক্ষার্থীদের ‘কৃষি শিক্ষা’ বিষয়ের প্রশ্নপত্রের স্থলে হল কর্তৃপক্ষ তাদের ‘বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়’ বিষয়ের প্রশ্নপত্র বিতরণ করেছেন মর্মে একটি অভিযোগ কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদফতরে পাঠানো হয়। আপনাদের এহেন কর্মকাণ্ড বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ (২৩ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত)’ এর ১৮.১ (গ) অনুচ্ছেদের পরিপন্থী।

এমতাবস্থায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের পাবলিক পরীক্ষায় দায়িত্বে অবহেলার কারণে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে যে ক্ষতি সাধিত হয়েছে তার জন্য মাদ্রাসার অধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিও সাময়িক স্থগিত/স্থায়ীভাবে বন্ধের ব্যবস্থা কেন গ্রহণ করা হবে না মর্মে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদফতরে মহা-পরিচালক বরাবর জবাব দিতে হবে।’ এ নোটিশের খবর আমতলী পৌছলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তি দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীরা।

জানা গেছে,আমতলী বন্দর হোসাইনিয়া ফাজিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলার কারণে পরীক্ষা দিতপ না পেরে ৫৫ পরীক্ষার্থী কেন্দ্র থেকে বের হয়ে যায়। পরীক্ষার্থী তানহা,হাবিুল্লাহ, আয়শা, ও আবিদা বলেন,চতুর্থ বিষয়ের পরীক্ষা দিতে না পারায় আমাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল হয়নি। মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ জাকির হোসাইন বলেন, নোটিশের জবাবের আলোকে বিধি মোতাবেক পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শরতের শুভ্র কাশফুলে ছেলে আমতলী-তালতলীর চরাঞ্চল

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা//

শরতের শুভ্র কাশফুলে ছেয়ে গেছে বরগুনার আমতলী-তালতলী চরাঞ্চল। অভুতপুর্ব দৃশ্যের সৃষ্টি হয়েছে দুই উপজেলার নদ-নদী তীরে জেগে ওঠা চরাঞ্চলে। এ অপার সৌন্দর্য প্রকৃতিপ্রেমীদের পর্যটনের খোরাক মেটানোর পাশাপাশি হয়ে উঠেছে এলাকার জীবিকার উৎস।

ঋতু বৈচিত্রের এই দেশে ‘ঋতুর বৈচিত্র্য’ অনুভব করতে গ্রামবাংলার প্রকৃতির কোনো বিকল্প নেই। যদিও দিন দিন সেই বৈচিত্র্য হারিয়ে যেতে বসেছে। শীত এবং বর্ষাকাল স্পষ্টভাবে বোঝা গেলেও অন্যান্য ঋতুর বৈচিত্র্য খুব একটা দেখা যায় না। তবে নদ-নদীর চর এলাকা, বিরানভূমিতে কাশফুল ফুটলেই বোঝা যায় শরৎ এসেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, তালতলী আমতলী সড়কের পাশ ঘেঁশে চরাঞ্চল ঘুরে দেখা গেছে, মেঘ যেন মাটি স্পর্শ করছে। বাতাসে ঢেউ তুলছে কাশফুল। দীর্ঘ এলাকা শুধু কাশফুলের শুভ্রতা।

বরগুনার জেলার তালতলী উপজেলায় বিস্তৃর্ণ এলাকাজুড়ে রয়েছে চরাঞ্চল।এ সব চরাঞ্চলে বছরের এই সময়টায় কাশফুলের শুভ্রতায় ছেয়ে যায়। কাশফুল ফুটলেই বোঝা যায় ঋতুর পরিবর্তন।

শরতের এ এক অপরুপ সৌন্দর্য।এ সময় আকাশে ভাসতে থাকে খণ্ড খণ্ড সাদা মেঘ।কখনো দেখা যায় ঝকঝকে নীলাকাশে ছোপ ছোপ সাদা মেঘের ভেসে বেড়ানো। শরতে কাশফুলের পাশাপাশি ফোটে ছাতিম ফুল সড়কের পাশে থাকা ছাতিম গাছ ভরে উঠে সাদা সাদা ফুলে। সন্ধ্যা নামলেই ফুল থেকে ছড়িয়ে পড়ে তীব্র সুগন্ধ! কাশফুল এবং ছাতিম এখনো মনে করিয়ে দেয় ঋতুর বৈচিত্র্য।

এদিকে কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে এই সময়ে অনেকেই ঘুরতে আসে বিভিন্ন শহর থেকে। মেইন সড়কের পাশে ।

কাশ ফুলের সৌন্দর্য মণ্ডিত সড়কের পাশে ঘুরতে আসা  তালতলী উপজেলার বাসিন্দা আরিফ বলেন, প্রতিবছর শরতে আমাদের এই সড়কের পাশে প্রচুর কাশফুল ফোটে। কাশফুলের সাদা রঙে চারপাশ ছেয়ে যায়। চমৎকার লাগে দেখতে। সড়কের পাশে অনেক লোকজন আসে ঘুরতে।আমিও প্রতি বছর এ সময়ে এখানে কাশ ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসি।

স্থানীয় কলেজের শিক্ষার্থী শান্তা মারিয়া বলেন,কাশফুল বালু মিশ্রিত মাটিতে প্রচুর জন্মে। সড়কের পাশে তালতলী উপশহরসহ চরাঞ্চল এলাকায় প্রচুর জন্মে কাশফুল। প্রকৃতিতে যে শরত এসেছে, তা কাশফুল না ফুটলে টের পাওয়া যেতো না। শরতের সৌন্দর্যই যেন এই কাশফুল!

এদিকে কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে এই সময়ে অনেকেই ঘুরতে আসে। সঙ্গে ছবি তুলতে ব্যস্ত সময় কাটাতে দেখা যায় অনেককেই। তিনি আরও বলেন, প্রকৃতির সৌন্দর্যের কোনো তুলনা হয় না। এই কাশফুল প্রকৃতির বুকে ভিন্ন রকম সৌন্দর্য এনে দেয়। কাশফুল দেখলেই বোঝা যায় শরত এসেছে।

স্থানীয় মোঃ ফয়সাল মিয়া বলেন,কাশফুল যেমন সৌন্দর্য বাড়ায়,তেমনি ফুল ঝড়ে যাওয়ার পর কাশফুলের ডগা সংগ্রহ করে ঝাড়ু তৈরি করা হয়। অনেকেই এগুলো কেটে নিয়ে যায়। তাছাড়া বাণিজ্যিকভাবেও এগুলো বিক্রি হচ্ছে।

দলবেধে ঘুরতে আসা কয়েকজন জানান,গ্রামবাংলার প্রকৃতি পাল্টে যাচ্ছে দিন দিন। উজার হচ্ছে গাছপালা। ভরাট হচ্ছে জলাশয়। প্রতিবছরই শুকনো মৌসুমে।এদের কবলে পড়ে কাশফুলও হারিয়ে যেতে বসেছে। অতীতের মতো কাশফুল চোখে পড়ে না বর্তমানে।প্রকৃতিতে শরৎ আসে নতুন রূপ নিয়ে। আর কাশফুল শরতের রূপের মধ্যে অন্যতম। ভোরে হালকা শিশির এবং মাঝেমধ্যে হালকা কুয়াশাভাব জানান দেয় দুয়ারে আসছে শীত।