রূপসায় বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলায় এমপি সালাম মূর্শেদী

এম মুরশীদ আলী||

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদনের নিমিত্তে সারাদেশে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্ণামেন্টের অংশ হিসেবে আগামী ১২ ও ১৩ জুন (বুধ ও বৃহস্পতিবার) উপজেলা পর্যায়ের খেলা রূপসা উপজেলাধীন কাজদিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত খেলায় প্রধান অতিথি’র বক্তৃতা করেন, খুলনা- ৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদী। তিনি বলেন- প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে শারীরিক, মানসিক ও নান্দনিক বিকাশ সাধন, সহিষ্ণুতা ও মনোবল বৃদ্ধিসহ গণতন্ত্রমনস্ক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা এ টুর্নামেন্টের লক্ষ্য হবে।
তিনি আরো বলেন- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান খেলাধুলা অনেক বেশী ভালবাসতেন। তাঁদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সারাদেশে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্ণামেন্টের আয়োজন করায় আমি অনুপ্রেনিত। আমিও ছোট বয়সে খেলাধুলা করে জাতীয় টিমে খেলার পাশাপাশি সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে আজও রয়ে গেছি। খেলা থেকেই আমার জীবন গড়া। এখন আমি সিআইপি’র পাশাপাশি এমপিও হয়েছি। এ সবই আমার প্রথম ফুটবল খেলা থেকে উঠে আসা। কখনো জয়, কখনো পরাজয় এটা হবেই, তাতে মন খারাপের কিছু নেই। কারণ আমাকে আরো ভালো খেলা খেলতে হবে।

অনুষ্ঠিত খেলায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অপ্রতিম কুমার চক্রবর্তী সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন- উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন- রূপসার ৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। প্রতি ইউনিয়নের মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলির খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরপর ইউনিয়ন থেকে বিজয়ী অর্জন টিমগুলি উপজেলায় ফাইনাল খেলায় অংশগ্রহন করে। তাদের মধ্য থেকে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ চ্যাম্পিয়ান হয় নৈহাটী ইউনিয়নের মাজেদা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং রানারআপ হয়েছে টিএসবি ইউনিয়নের দক্ষিন খাজাডাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।
অপরদিকে- বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ খেলাটি সমানে সমনে লড়াইয়ের মধ্যে শেষে হয়ে যায়। পরে টাইব্রেকারের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়ান হয় ঘাটভোগ ইউনিয়নের আনন্দনগর আদর্শ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং রানারআপ হয়েছে শ্রীফলতলা ইউনিয়নের ভবানীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। খেলা শেষে সেরা খেলোয়াড়, গোলদাতাসহ বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিগণ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মো. মাসুদ রানা, (ইউ আর সি) ইন্সট্রাক্টর মো. নজিবুর রহমান। তাছাড়া- স্ব-স্ব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।

খেলা পরিচালনা রেফারী দায়িত্ব পালন করেন- মো. বাশির আহমেদ লালু এবং সহযোগী রেফারী/লাইসম্যানের দায়িত্ব পালন করেন- আলী আকবর ও মো. সুমন রাজু।

রূপসার কৃষকরা পেল ১৫ হাজার নারিকেল গাছের চারা

এম মুরশীদ আলী||

‘বৃক্ষ দিয়ে সাজাই দেশ, সমৃদ্ধ করি বাংলাদেশ’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে প্রণোদনা কর্মসূচি আওতায় রূপসা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজনে  ১১ জুন দুপুরে, কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আলোচনা সভা শেষে চাষিদের মাঝে নারিকেল গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে ভিডিও কলিং এর মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদী। তিনি বলেন- আমাদের উপজেলার কৃষকদের অত্যন্ত সুন্দরভাবে এ সব নারিকেলের চারা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়ার ফলে নারিকেল উৎপাদন বৃদ্ধি পাবার পাশাপাশি এ খাত আরো সমৃদ্ধ হবে। তিনি আরো বলেন- বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা কৃষি ভর্তুকি দেওয়ার পাশাপাশি দেশের কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে নানান ফসল ফলাতে সক্ষম হয়েছেন। দেশের কৃষকরা এখন এক অন্যান্য দৃষ্টি স্থাপন করে যাচ্ছে। কৃষকরাই পারে দেশকে উন্নতির পথে এগিয়ে নিতে। জাতির পিতার আদর্শকে ধারণ করে জাতি এগিয়ে যাবে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার পথে।

সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার কোহিনুর জাহান এর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তৃতা রাখেন- উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন- রূপসায় ৩ হাজার জন চাষিকে ৫টি করে মোট ১৫ হাজার নারিকেল গাছের চারা দেওয়া হয়। এতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা সহ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা স্থানীয় উন্নত জাতের এক বছর বয়সের চারা পাই। এ সব নারিকেল চারায় আগামী ৩ বছর পর থেকে ফলন অসা শুরু করবে। ফলন শুরু হলে প্রায় ৩০ বছর পর্যন্ত ভালো ফলন পাওয়া যাবে। এতে করে আমাদের প্রান্তিক, ক্ষুদ্র কৃষকরা লাভবান হবেন।

আলোচনা সভায় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিতিশ চদ্র বালা’র পরিচালনায়- বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন রূপসা থানা ওসি এনামুল হক, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনষ্টিটিউট বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা  মো. মমিনুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- উপ সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আলী হাসান, মো. রাজু আহম্মেদ, নীতিশ চন্দ্র বালা, জান্নাতুন নাহার, সমীর কুমার ঘোষ, শোয়েব তরিকুল্লাহ, সোহেল রানা, হিমাংশু রায়, হিমাদ্রি বিশ্বাস, প্রমিলা রানী বালা, মো. মোজাহিদুর রহমান, দেবাশীষ কুমার দাস প্রমুখ।

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান কিশোর গ্যাংরা বাড়ীতে হামলা-লুটপাট; থানায় অভিযোগ

//এম মুরশীদ আলী//

নবম শ্রেণীতে পড়ুয়া শিক্ষার্থীকে প্রেম প্রস্তাব দেয় এলাকার বখাটে যুবক। ঐ প্রেম প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায়, তার বাড়িতে হামলা ভাঙ্গচুর সহ নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নেয় কিশোর গ্যাং লিডার মো. জনি ইসলাম সহ ৮/১০ জন। এ ঘটনায় রূপসা থানায় অভিযোগ দায়ের।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়- রূপসার নৈহাটী ইউনিয়ন, জয়পুর গ্রাম (এ্যাকটেল টাওয়ার) পাশে বসবাস করে মো. আকরাম শেখ। তাঁর মেয়ে বাগমারা শামসুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণীতে পড়ে। তাকে প্রেমের কুপ্রস্তাব দিয়েছিল একই গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে জনি ইসলাম (২৫)। সে ঐ প্রেম প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করাতে গত ২৯ মার্চ দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে বাড়ীর সামনে মেয়েকে দেখতে পেয়ে জনি জোরপূর্বক মোবাইল নম্বর নিতে চাচ্ছিল। এমন সময় পিতা এসে কারণ জানতে চাওয়ার মধ্যে, জনি ইসলাম ক্ষিপ্ত বুঝতে পেরে মেয়েকে দ্রুত সরিয়ে নিয়ে যায়। তার পরই কোন উত্তর না দিয়ে জোরপূর্বক টিনের বেড়া ভেঙ্গে ও সামনের পাচিল টক্কিয়ে রনি শেখ (২৯), রেশমা বেগম (৩৮), তানিয়া বেগম (৩৫) সহ ৮/১০ জন সংঘবদ্ধ প্রবেশ করে। পিতা আকরাম শেখ ও তাঁর স্ত্রীকে অশ্লীল ভাষায় গালি-গালাজের মধ্যে, হাতে থাকা রড দিয়ে তাঁর স্ত্রী এবং ৭ বছর বয়সের কন্যাকে পিটিয়ে আহত করে। রনি শেখ ছুরি দিয়ে কোপ মারে আকরাম শেখকে। এতে হাতের আঙ্গুল কেটে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়ে পড়লে, সন্ত্রাসীরা ঘরে প্রবেশ করে ৫ ভরি স্বর্ণ, নগদ ১ লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা ও ২টি স্যামসাং মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ সময় আকরাম শেখের চিৎকারে লোকজনকে আসতে দেখে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে লোকজন দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়।

পিতা মো. আকরাম শেখ বলেন- আমি নিরুপায় হয়ে মেয়েকে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি। তারপর থেকে রাতের আধারে প্রায়ই বাড়ীর আশপাশে চকলেট বাজি ফাটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টির মধ্যে বসবাস করতে হয়। কিশোর গ্যাং লিডার জনি ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২৯ মার্চ দুপুরে বাড়িতে হামলা করে বৃদ্ধ মাতা সহ পরিবারের সকলকে মার-ধর এবং ঘরে থাকা নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, ২টি মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ায় রূপসা থানায় অভিযোগ দায়ের করি।

রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন

//এম ‍মুরশীদ আলী, রূপসা//

রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের আয়োজনে রোজার ১৫তম দিনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল গত ২৬ মার্চ বিকেলে ক্লাব চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়।

প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা মিসেস সারমিন সালাম, উপদেষ্টা বাবলু কুমার আঁশ, আ: জব্বার শেখ দ্বয়ের ব্যবস্থাপনায় ইফতার মাহফিল সম্পন্ন হয়।

ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য জামিল খান।

এ সময় উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সৈয়দ মোরশেদ আলম বাবু’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) ফ.ম আইয়ুব আলীর পরিচালনায়- বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন, রূপসা থানার ওসি (তদন্ত) সঞ্জয় কুমার কুন্ডু, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সদস্য আব্দুল মজিদ ফকির, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি খান শাহজাহান কবির প্যারিশ, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবিব, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক গাজী মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও প্রেসক্লাবের অন্যতম উপদেষ্টা বাবলু কুমার আঁশ, উপজেলা হাট-বাজার সমিতির সভাপতি মো. জুলফিকার আলী, আজকের সারাদেশ পত্রিকার সম্পাদক সৈয়দ নাজমুল আলম পারভেজ এ্যাডভোকেট হানিফ পাইক।

রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবে ইফতার ও দোয়া মাহফিল  

অন্যান্য অতিথি ছিলেন- বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও আওয়ামীলীগ নেতা শেখ জালাল উদ্দিন, ইউপি সদস্য মো. মঈন উদ্দিন শেখ, ইন্তাজ মোল্লা, মহসিন পাইক, টিএসবি ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক খায়রুজ্জামান সজল, যুবলীগ নেতা শেখ সাগর, শেখ রহমত আলী, উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী মাধুরী সরকার, ইউনিয়ন যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক জেসমিন আক্তার, আছমা বেগম, হিরা বেগম।

এ ছাড়া রূপসার ৩টি প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- প্রেসক্লাব রূপসা’র সভাপতি রাজু আহম্মেদ খান শহীদ, উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি এম মুরশীদ আলী, রূপসা প্রেসক্লাবের অন্যতম সদস্য সাংবাদিক বেনজীর হোসেন, শাহরিয়ার হোসেন মানিক, মোস্তাফিজুর রহমান, প্রেসক্লাব রূপসার সাধারণ সম্পাদক মো. খবির উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক শেখ আবুল কালাম বাবু, কোষাধ্যক্ষ নাহিদ জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মজিদ শেখ,  প্রচার সম্পাদক মো. মোশাররফ হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক ইউসা মোল্লা, মো. বাকির হোসেন বাকু, চিত্ত রঞ্জন সেন, রেজাউল ইসলাম তুরান, মো. মিলন মোল্লা, নাজিম সরদার, মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম, মিলন সাহা, মো. শহীদুল্লাহ আল আজাদ, মুন্সি রায়হান, মো. আজিজুল ইসলাম, তৌহিদুল ইসলাম, মো. মাসুম সরদার, রানী শিকদার, কেয়া তারা প্রমূখ। এ সময় পথচারী সহ শতাধিক ব্যক্তি দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহন পূর্বক ইফতার করেন।

রূপসায় আদিবাসী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাই সাইকেল বিতরণ

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অনুদানের বাই সাইকেল রূপসা আদিবাসী বহুমুখী সমবায় সমিতির ব্যবস্থাপনায় গত ২০ মার্চ বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কোহিনুর জাহান। তিনি শিক্ষার্থীদের বাইসাইকেল দিয়ে বলেন- সাইকেলটি যত্রতত্র ব্যবহারে পরামর্শ প্রদান করেন। তোমরা শিক্ষার্থীরা সাইকেলে চড়ে স্কুলে যাওয়া আসার মাধ্যমে অভিভাবকের আর্থিক খরচ কমাতে সাহায্য হবে। তাছাড়া প্রাইভেট, কোচিং ইত্যাদি সময়ে  বাইসাইকেলটি তোমাদের নিত্যদিনের সঙ্গি হবে। এভাবে তোমাদেরকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশের ভবিষ্যত উজ্বল করতে হবে। তোমরাই আগামীতে দেশের বিভিন্ন উচ্চপদস্থ নেতৃত্ব দিবে। এমন আশা রেখে প্রধান অতিথি বক্তব্য শেষ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম, নির্বাহী কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জগন্নাথ দেব, সার্টিফিকেট সহকারী কর্মকর্তা শেখ আহম্মেদ আলী। তাছাড়া উপজেলা আদিবাসী বহুমুখী সমবায় উন্নয়ন সমিতির সভাপতি ইন্দ্রজিৎ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সমিতির সহ সভাপতি শংকর বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক তুষার পাত্র, সদস্য অনিমা শিকদার, সুষমা রাহা প্রমূখ। অনুষ্ঠানে পার্থ প্রতিম পাত্র  ৭ম শ্রেণী, রূপা পাত্র ৮ম শ্রেণী, পার্থ বিশ্বাস ১০ম শ্রেণী, সুলতা বিশ্বাস ১০ম  শ্রেণী দের মধ্যে বাই সাইকেল দেওয়া হয়।

রূপসায় পার্টনার ফিল্ড স্কুল উদ্বোধন

এম মুরশীদ আলী||

“পুষ্টি উন্নয়ন, উদ্যোক্তা তৈরি, পরিবেশবান্ধব চাষাবাদ”। এ প্রতিপাদ্য সঙ্গে নিয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রূপসায় পার্টনার ফিল্ড স্কুল (পিএফএস)-ধান ও কৃষক সেবা কেন্দ্র‘র শুভ উদ্বোধন গত ১৪ মার্চ, সকাল ১০ টায় টিএসবি ইউনিয়ন, তিলক গ্রাম কুদির বটতলা মন্দির এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়।

রূপসায় পার্টনার ফিল্ড স্কুল উদ্বোধন

সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- খুলনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, অতিরিক্ত পরিচালক মোহন কুমার ঘোষ। তিনি  চাষীদের উদ্দেশ্যে বলেন- নিরাপদ ফসল উৎপাদনের কথা বিবেচনা করে কৃষকদের পার্টনার ফিল্ড স্কুলে নিয়মিত আসার জন্য আহ্বান করেন। তিনি আরো বলেন- স্কুলে ১০টি সেশন পরিচালনা করা হবে। উক্ত সেশন গুলোতে ধান ফসলের চারা থেকে ফসল কর্তন পর্যন্ত যত প্রতিবন্ধকতা আছে, যেমন- পোকামাকড়, রোগবালাই, পানি ব্যবস্থাপনা, ফসল ব্যবস্থাপনা, ইত্যাদি বিষয়ে সম্মুখ ধারণা দিয়ে একজন কৃষককে স্মার্ট করে গড়ে তোলা হবে। উক্ত স্কুলে ২৫ জন সদস্যের প্রত্যেকেই নিয়মিত ক্লাস করলে ফসলের যাবতীয় প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করতে সক্ষম হবেন এবং আশেপাশের অন্যান্য কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করতে পারবেন বলে পার্টনার ফিল্ড স্কুলের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এরপর একই প্রকল্পের বীজ সংরক্ষণের জন্য উন্নতমানের লক ব্যবহার করা ড্রাম। ৫৮ টি বীজ সংরক্ষণের ড্রাম কৃষকদের মাঝে বিতরণ করেন।

রূপসায় পার্টনার ফিল্ড স্কুল উদ্বোধন

উক্ত অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় কৃষকদের প্রাথমিক পরীক্ষার ধারণা দিয়ে পরীক্ষা শুরু করেন। উক্ত স্কুলে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন, উপ সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. আলী হাসান নিয়মিত সেশন পরিচালনা করবেন, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিমাদ্রি বিশ্বাস সহযোগিতা করবেন।

রূপসায় মনির ফয়সাল শুভ স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

এম মুরশীদ আলী :

ঐতিহ্যবাহী শহীদ মনসুর স্মৃতি সংসদ আয়োজিত, অকাল প্রয়াত তরুণ ক্রিকেটার মনির ফয়সাল শুভ’র স্মৃতিকে জাগিয়ে রাখার অভিপ্রায়ে ৮ দলীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ গত ৭ মার্চ দুপুর ২টায় কাজদিয়া সরকারি কলেজিয়েট স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।

উদ্বোধনী খেলায় অংশগ্রহন করে- অধ্যক্ষ খান আলমগীর কবির স্মৃতি পরিষদ বনাম ফকিরহাট আট্টাকা স্পোটিং ক্লাব।

রূপসায় মনির ফয়সাল শুভ স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

এ সময় প্রায়ত স্মৃতি স্মরণে ১মি: নিরাবতা পালন শেষে টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করেন- খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এ্যাড. এম. এম. মুজিবুর রহমান।

বিশেষ অতিথি’র বক্তৃতা করেন- খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ সভাপতি কাজী শামীম আহসান বয়রা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যাপক আহমেদুল কবীর চাইনিজের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ও খেলা কমিটির আহবায়ক খান মারুফুল হকের সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন- মনির ফয়সাল শুভ’র পিতা জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সদস্য আ: মজিদ ফকির, বঙ্গবন্ধু কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সরদার ফেরদৌস আহম্মেদ, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক ইমদাদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবিব, প্রভাষক মেজবাহউদ্দিন খান সেলিম, খেলা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক ফ,ম আইয়ুব আলী, সামসুল আলম বাবু, রূপসা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. ফরিদ শেখ, আরিফুল ইসলাম কাজল, নাজমুল হুদা অঞ্জন সহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

এ খেলার অ্যাম্পিয়ারের দায়িত্বে ছিলেন মো. হাফিজুর রহমান ও বিপ্লব হালদার রাজ।

অ্যাম্পিয়ারের টর্চে প্রথম ব্যাট পায় অধ্যক্ষ খান আলমগীর কবির স্মৃতি পরিষদ। তারা খেলতে নেমে ৮ উইকেট ও ১৮ ওভারে ২০৫ রান করতে সক্ষম হয়। এরপর ফকিরহাট আট্টাকা স্পোটিং ক্লাব ২০৬ রানের টার্গেটে নেমে ১৭ ওভারে ১০ উইকেটে ৯৮ রানে পরাজিত হয়। খেলায় ম্যান অব দা ম্যাচ বিবেচিত হয় মঞ্জিল।