রূপসায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন নবী উদযাপনে বিএনপির আলোচনা সভা ও দোয়া আনুষ্টিত

//এম মুরশীদ আলী //

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন আয়োজনে পবিত্র ঈদে মিলাদুন নবী উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও তাবারক বিতরণ গত ১৯ সেপ্টেম্বর বিকালে রূপসা উপজেলা সদর দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্টিত হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোস্তফাউল বারী লাভলু।

প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিএম কামরুজ্জামান টুকু।

সভায় সৈয়দ নিয়ামত আলীর সভাপতিত্বে এবং মুন্না সরদার ও এইচএম কামরুল ইসলাম কচির পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- সৈয়দ মাহামুদ আলী, এ্যাড: তাফসিরুজ্জামান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- আজিজুল ইসলাম, আবু সরদার, আকরাম গোলদার, আবুল কালাম আজাদ, খান ওলিয়ার রহমান, অহিদুজ্জামান চঞ্চল , বিল্লাল শেখ, আয়ুব আলী, হাফিজুর রহমান, জুয়েল আহম্মেদ, বাদশা, খান আসাদুর রহমান, জাহিদুল ইসলাম, জিয়াউর রহমান, কাজী আব্দুল কুদ্দুস, আলমগীর, আবু দাউদ দানিশ, হিরোক গোলদার, ইমরান শেখ, আবুল কাশেম, ওয়ালিদ শেখ, সাইদুল ইসলাম, রমজান গোলদার, আরাফাত শেখ, রুবাই গোলদার, সোহাগ সরদার, ফেরদাউস শেখ, মাহাবুবুর রহমান, ফুরাদ হোসেন, জি এম শাহারুল, রবিউল ইসলাম, শাহিনুর রহমান, বাবুল শেখ, মশিউর, সাইফুল কাজী, মাসুদ শেখ, রবি সরদার প্রমূখ।

রূপসায় শিবির নেতার মায়ের ইন্তেকাল ; জানাজা সম্পন্ন

 

//এম মুরশীদ আলী//

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির খুলনা জেলা উত্তরের সাবেক অফিস সম্পাদক রূপসা উপজেলা পূর্ব সাথী শাখার সাবেক সভাপতি মো. সাইফুল্লাহ সিদ্দিকীর মাতা জামায়াতে ইসলামী রূপসা উপজেলা (পূর্ব) শাখার সাবেক আমীর বর্তমান রূপসা উপজেলা নায়েবে আমীর মাস্টার ফজলুল হকের স্ত্রী সকিনা বেগম (৬৩) গত ১৬ সেপ্টেম্বর  রাত আনুমানিক ০৯.৩০ মিনিটে  ইন্তেকাল করেছেনইন্নালিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। মরহুমা রূপসা উপজেলা মহিলা বিভাগের সাবেক সেক্রেটারি ছিলেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে তার বাড়িতে আসেন খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা এমরান হুসাইন সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

 মরহুমার নামাজের জানাজা গত  ১৭ সেপ্টেম্বর বাদ যোহর তার নিজ গ্রাম নৈহাটি মাষ্টার পাড়া বায়তুল আমান জামে মসজিদ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা নামাজের ইমামতি করেন মরহুমার স্বামী মাষ্টার ফজলুল হক। এর  পূ্র্বে আলোচনায় বক্তব্য রাখেনবাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি সালাউদ্দিন আউভি, খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যক্ষ মাওলানা কবিরুল ইসলাম, জেলা সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান।

সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রূপসা উপজেলা আমির মাওলানা লবিবুল ইসলাম, সেক্রেটারি হাবিবুল্লাহ ইমন, খুলনা তালিমুল মিল্লাত রহমাতিয়া ফাজিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপ্যাল এএফএম নাজমুস সউদ, বাগেরহাট আলিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সপ্যাল মাওলানা আবুল কালাম শেখ, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের খুলনা মহানগর সভাপতি আরাফাত হোসেন মিলন, সাবেক সভাপতি মুসারেফ আনসারী, খুলনা জেলা ছাত্র শিবিরের সেক্রেটারি আবু ইউসুফ ফকির, সদস্য আবু জাফর, উপজেলার  নৈহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবিউল ইসলাম পলাশ, বাগমারা আল আকসা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মিজানুর রহমান, শিবিরের রূপসা থানা পূর্ব শাখার সভাপতি মো: আলআমিন, পশ্চিম শাখার সভাপতি মুরসালিন আকন, পূর্ব শাখার সেক্রেটারি আল মাুহদ প্রমূখ। এছাড়াও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ মুসল্লীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

 

ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশ রূপসায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপন

//এম মুরশীদ আলী//

ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশ খুলনার উদ্যোগে গত ১০ সেপ্টেম্বর সকাল ১১ টায় নৈহাটী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষ রোপন করা হয়।

বৃক্ষ রোপণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন- মূল উদ্দেশ্য ছিল পরিবেশের স্বার্থে বৃক্ষরোপণ সম্পন্ন করা। আমরা সবাই জানি গাছ লাগালে পরিবেশের উপকার হয় এবং গাছের কারণে মানুষ পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায়। আমরা নির্দয়ভাবে গাছ কেটে ফেলাতে পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব পড়ে। একটি গাছ কাটলে তার পাঁচগুন গাছ অবশ্যই লাগাতে হবে এবং সংরক্ষণও করতে হবে। গাছ আমাদের জীবন বাঁচাতে সহয়তা করে বলেই গাছের যতœ নিতে হবে।

এ সময় নৈহাটী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিকা নাসরীন সুলতানা লিপি’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান ও ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশ খুলনার সিনিয়র প্রজেক্ট অফিসার মো. জাকারিয়া। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণীর শিক্ষার্থী, আইআরবি স্পন্সর শিশু, স্কুলের শিক্ষক ও আইআরবি কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের সহযোগিতার জন্য প্রশংসা করা হয়।

মেধাবী ছাত্রী চৈতির অকাল মৃত্যুর জন্য দায়ী শিক্ষক; ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

রূপসা উপজেলার নৈহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেনীতে পড়ুয়া মেধাবী ছাত্রী ফাইরুজ মাহমুদ নিদ (চৈতি)। তার অকাল মৃত্যুর জন্য দায়ী নৈহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাহাবুবুর রহমান ও তার স্ত্রী সোনিয়া সুলতানা এবং শিক্ষিকা কাকলি গাইন সহ দোষীদের ফাঁসির দাবিতে গত ১০ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০ টায় বিদ্যালয়ের সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য- রূপসার নৈহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাহাবুবুর রহমানের প্রেমের ফাঁদে পড়ে গত জুলাই মাসের ২৪ তারিখে চৈতি নিজ বাড়িতে আত্মহত্যা করে। এ ব্যাপারে প্রয়াত ছাত্রী চৈতীর মাতা নুরনাহার বাদী হয়ে আদালতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এছাড়াও ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

ঘটনার পর থেকে বিদ্যালয়ের উক্ত শিক্ষক পলাতক রয়েছেন বলে জানা যায়।

নৈহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও এলাকাবাসী আয়োজিত মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন- ফাইরুজ মাহমুদ চৈতীর পিতা ফিরোজ পাশা, মাতা নুর নাহার শেখ, ইউপি সদস্য রেশমা আক্তার, আশরাফ আলী রাজ, হুমায়ূন কবীর রাজা, নিজাম উদ্দীন, মনিরা বেগম, হাফিজুর রহমান, পিয়াস শেখ, সাব্বির শেখ, হাসান মল্লিক, সাদমান, মো. সিদ্দিক, মো. তুহিন, আরমান শেখ, রেজাউল করিম, ফারুক, জনী, শফিক, হিরা শেখ, সুমন ঘোষ, প্রিন্স শেখ, আঃ হালিম, রিয়াদ শেখ, সৌমিত্র দেবনাথ, ওবায়দুল্লাহ মল্লিক, শিক্ষার্থীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- রাসেল হাওলাদার, মো. ইউসুফ, ইব্রাহিম খলিল, মো. সিয়াম, লাবন্য আক্তার জ্যেতি, সুমাইয়া আক্তার ফাতেমা, সাদিয়া আক্তার লামিয়া, মারুফা, সুমাইয়া সুলতানা, মুন্নী খাতুন, সাহারা আক্তার তৃষা, শান্তনা দাস, জ্যেতি রানী পাল, সুমা খাতুন, আসাদুজ্জামান রাফি, রাহুল কুমার দাস, অর্পন পাল, আজিম শিকদার, রাজ্জাক প্রমূখ।

বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ দিল প্রাণিসম্পদ মাঠ সহকারী (এলএফএ) এর সদস্যরা

//এম মুরশীদ আলী//

বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মাঠ সহকারী (এলএফএ) ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

গত ২৯ আগস্ট খুলনা বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সার্বিক দিক নির্দেশনায় খুলনা, রংপুর ও বরিশাল বিভাগ থেকে আগত (এলএফএ) এর সদস্যরা খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলায় বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করে।

তাছাড়া- প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প, উপজেলা পর্যায়ের কর্মরত প্রাণিসম্পদ মাঠ সহকারী সদস্যরা ফেনি, নোয়াখালী, সিলেট ও খুলনায় বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণনের জন্য বাংলাদেশ (এলএফএ) ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ে সারা দেশের (এলএফএ) এর সদস্যরা আর্থিক সহযোগিতার মাধ্যমে মানুষের খাদ্য ও ব্যবহার উপযোগী ত্রাণের পাশাপাশি গবাদিপশুর খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম চলমান রাখবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

এ ব্যাপারে খুলনা জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা: মো. শরিফুল ইসলাম জানান- পানিবন্দি অনেকেই অসহায়ত্ব জীবন-যাপন অবস্থায় রয়েছে। এই প্রেক্ষিতে মানবতার টানে মানুষের সহযোগিতায় প্রাণিসম্পদ মাঠ সহকারীদের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। জনকল্যাণে তাদের  সহযোগিতার হাত প্রসারিত হউক।

খুলনা বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অফিসার, ডা: নুরুল্লাহ মোহাম্মদ আহসান জানান- দেশে হঠাৎ বন্যায় মানুষ চরম দুর্ভোগ ও ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। এই বিপদের সময় প্রাণিসম্পদের মাঠ সহকারী (এলএফএ) গণ উদ্যোগ নিয়ে পানিবন্দি মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে যে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন, সে জন্য সবাইকে প্রাণিসম্পদের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই।

রূপসায় নারী কর্মীদের মাঝে চেক ও সনদপত্র বিতরণ

//এম মুরশীদ আলী//

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর আয়োজনে রূপসায় পল্লী কর্মসংস্থান ও সড়ক রক্ষনাবেক্ষণ কর্মসূচী-৩ শীর্ষক প্রকল্পের নারী কর্মীদের সঞ্চয়কৃত অর্থের চেক ও সনদপত্র গত ২৭ আগষ্ট সকলে উপজেলা প্রকৌশলীর অফিস কক্ষে বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

রূপসায় নারী কর্মীদের মাঝে চেক ও সনদপত্র বিতরণ

চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কোহিনুর জাহানের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তৃতা করেন- উপজেলা প্রকৌশলী এস এম ওয়াহিদুজ্জামান। তিনি বলেন- রূপসা উপজেলায় ৫টি ইউনিয়ন। প্রতি ইউনিয়নে ১০ জন করে মোট ৫০ জন নারীর মাঝে চেক ‌ও সনদপত্র দেওয়া হচ্ছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আজিজুর হক, উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবু সালেহ মুসা আশিক, কমিউনিটি অর্গানাইজার মোছাঃ ফাতেমা তুজ জোহরা প্রমুখ।

রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবে আহ্বায়ক কমিটি গঠন

//এম মুরশীদ আলী //

রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের কার্যকরি সভা গত ২৩ আগষ্ট সন্ধ্যায় ক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় ক্লাবের পূর্বের কমিটির সভাপতি ও সেক্রেটারি সহ সকল পদের স্থগিত পূর্বক বিলুপ্ত ঘোষনা দেওয়া হয়।একই সময় ৯০ দিনের আহবায়ক কমিটি গঠনের মাধ্যমে ক্লাবের কার্যক্রম চলমান রাখা হয়। ক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি জিএম আসাদুজ্জামান আহবায়ক এবং ইউশা মোল্লাকে সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য সকলের সম্মতিক্রমে নির্ধারণ করা হয়। বাকিরা সবাই সদস্য পদ হিসেবে বিবেচিত থাকবে।

ঘোষনা থাকে যে, ক্লাব ঘরটি পূর্ণ নির্মান,  অরাজনৈতিক পেশায় সাংবাদিক হিসেবে কাজ করা। কোন রাজনৈতিক দলের ছবি ক্লাব কক্ষে ব্যবহার না করা এবং গঠনতন্ত্রের নিয়মানুযায়ী ক্লাব প্রচালিত করার ইত্যাদি প্রসঙ্গে উল্লেখ করা হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন- সাবেক সভাপতি সৈয়দ মোরশেদ আলম বাবু, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. মহিবুল্লাহ আল মামুন, প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি এম মুরশীদ আলী, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক ফ, ম আয়ুইব আলী, সাবেক কোষাধ্যক্ষ মো. নাহিদুজ্জামান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মজিদ শেখ, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম বাবু, দপ্তর সম্পাদক মোশারফ হোসেন, সাবেক প্রচার সম্পাদক নাজিম সরদার, ক্রীড়া সম্পাদক মিলন মোল্লা, সদস্য আজিজুল ইসলাম, শিক্ষক মারুফ হোসেন, রায়হান মুন্সী, মাসুম সরদার, আনিসুর রহমান, আহাম্মদ হোসেন প্রমূখ।

ছাত্র আন্দোলনে শহীদ পরিবারকে নগদ অর্থ প্রদানে রূপসায় অধ্যাপক গোলাম পরওয়ার

//এম  মুরশীদ আলী//

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদের স্মরনে দোয়া ও শহীদ পরিবারে নগদ অর্থ প্রদান অনুষ্ঠান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী খুলনা জেলা শাখার আয়োজনে গত ২৪ আগষ্ট দুপুর সাড়ে ১২ টায়, রূপসা দারুস সালাম জামে মসজিদ চত্ত্বর অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্র আন্দোলনে শহীদ হওয়া রূপসার ৪ পরিবারকে ২ লক্ষা টাকা করে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি ও সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন- দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে দেশের মানুষের ওপর গুম-খুন, মিথ্যা মামলা ও নির্যাতন চালিয়েছে স্বৈরাচারী সরকার। সেখান থেকে দেশ ও জনপদকে মুক্ত করতে যারা শহীদ হয়ে গেলেন, তারা আমাদের জাতীয় বীর। এখন রাষ্ট্রীয়ভাবে এসব শহীদদের বীর হিসেবে ঘোষণা করা উচিৎ আমরা সেই দাবি জানাচ্ছি। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, খুনিদের বিচার অবশ্যই বাংলাদেশে হবে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যারা গণহত্যা পরিচালনা করেছেন তাদের বিচার এদেশের মাটিতে করতে ইতোমধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিচারের কার্যক্রম শুরু করেছে, আমরা তাদেরকে সাধুবাদ জানাই। আন্তর্জাতিক আদালতেও ইতোমধ্যেই গণহত্যাকারী শেখ হাসিনাসহ তার সব দোসরদের নামে মামলা হয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের সময়ে ছাত্র-জনতাকে হত্যাকারীদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে।

ছাত্র আন্দোলনে শহীদ পরিবারকে নগদ অর্থ প্রদানে রূপসায় অধ্যাপক গোলাম পরওয়ার

তিনি আরো বলেন- জুলুম নির্যাতনের পরেও জামায়াতের নেতারা ফাঁসির দড়িতে চুম্বন করে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের কাছে আপোষ করেননি অথচ স্বৈরাচার শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। তার নেতাকর্মীরাও পালাতে গিয়ে খালবিলে মাছের মতো ধরা পড়ছে’। স্বৈরাচারের লোকজন হিন্দু ভাইদের ব্যবহার করে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল কিন্তু দেশের ছাত্রজনতা সেটি নস্যাৎ করে দিয়েছে। জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা হিন্দু ভাইদের মন্দির, জমি জায়গা পাহারা দিয়ে শান্তির বাংলাদেশ বিনির্মানে কাজ করেছেন। কিন্তু বিগত দিনে আওয়ামী লীগের লোকজনই হিন্দু ভাইদের ঘরবাড়ি, জায়গা জমি দখল, লুটপাট ও মন্দির ভাঙচুর নির্যাতনের ঘটনা ঘটিয়েছে। ‘প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে স্বৈরাচার আওয়ামী সরকারের যে প্রেতাত্মারা বসে আছে, তাদেরকে অপসারণ না করা পর্যন্ত নির্বাচনের জন্য ধৈর্য ধারণ করতে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত দেশ পুনর্গঠন না হবে ততদিন পর্যন্ত আমরা অন্তবর্তীকালীন সরকারকে সময় দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে। এরপর তিনি সকল শহীদের স্মরনে দোয়া-মোনাজাত করিয়ে বক্তব্য শেষ করেন।

ছাত্র আন্দোলনে শহীদ পরিবারকে নগদ অর্থ প্রদানে রূপসায় অধ্যাপক গোলাম পরওয়ার

জামায়াতে ইসলামী খুলনা জেলা শাখার আমির মাওলানা এমরান হোসাইনের সভাপতিত্বে এবং জামায়াতে ইসলামী রূপসা শাখার সেক্রেটারির মাওলানা হাবিবুল্লাহ ইমনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, খুলনা অঞ্চল পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় মজলিস শুরা সদস্য ও খুলনা অঞ্চল টিম সদস্য মাওলানা মশিউর রহমান, কেন্দ্রীয় মজলিস শুরা সদস্য ও খুলনা মহানগর আমির অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, খুলনা অঞ্চল টিম সদস্য ও কেন্দ্রীয় মজলিস শুরা সদস্য মাস্টার শফিকুল আলম, সাতক্ষীরা জেলা আমির মাওলানা রবিউল বাশার, খুলনা জেলা নায়েবে আমির অধ্যক্ষ মাওলানা কবিরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মজলিস শুরা সদস্য ও খুলনা জেলা সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, খুলনা জেলা সহ সেক্রেটারি মুন্সি মইনুল ইসলাম, সহ সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মিয়া গোলাম কুদ্দুস, আল মুজাহিদ জেলা কর্ম পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ গোলাপ মোস্তফা, জেলা কর্ম পরিষদ সদস্য মো. আমিনুল ইসলাম, জেলা কর্ম পরিষদ সদস্য স.ম এনামুল হক, খুলনা জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি মো. বেলাল হুসাইন, রূপসা উপজেলা  আমির মাওলানা লাবিবুল ইসলাম, তেরখাদা উপজেলা আমি মাওলানা হাফিজুর রহমান, বটিয়াঘাটা উপজেলা আমি মাওলানা আবু ইউসুফ, বটিয়াঘাটা নায়েবে আমির মাওলানা আশরাফ আলী, তেরখাদা উপজেলা সেক্রেটারি মো. নাহিদ হাসান, সেক্রেটারি বটিয়াঘাটা উপজেলা মো. আব্দুল হাই প্রমূখ।

অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামী সারাদেশে কাজ করছে

//এম মুরশীদ আলী//

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রূপসা উপজেলা শাখার আয়োজনে উপজেলা পর্যায়ে সকল সাংবাদিক ও সুধিজনদের সাথে মতবিনিময় সভা গত ১৮ আগষ্ট বিকাল ৩ টায় কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তৃতা করেন-  জামায়াত ইসলামী রূপসা উপজেলার শাখার আমির মাওলানা মো. লাবিবুল ইসলাম। তিনি বলেন- অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামী সারাদেশে কাজ করছে। আমাদের নিবন্ধন বাতিল করে আওয়ামীলীগ দেশ ছাড়া হয়েছে। তাদের রাজনীতির কারনে তাদের কোন নেতাকর্মীকে এখন মাঠে পাওয়া যাচ্ছে না। দেশের তৃণমূল পর্যায়ের জনসাধারণের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে জামায়াতে ইসলামী কাজ করবে। উপজেলা পর্যায়ে সাংবাদিক ও সুধিজনের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামী সারাদেশে কাজ করছে

এ সময় স্বাগত বক্তৃতা করেন প্রভাষক আসাদুজ্জামান।

সভায় শিক্ষক আঃ কাদেরের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন- জামায়াতে ইসলামী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল্লাহ ভূইয়া ইমন, সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ইসমাইল হোসেন, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মো. আনোয়ার আলী, রূপসা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি নাজিম উদ্দীন, জামায়াত ইসলামীর কর্মপরিষদ ও সূরা সদস্য নেতা হাফেজ মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, মাওলানা হেকমত আলী, মাওলানা মো. মহিউদ্দিন, মো. সেলিম রেজা, অধ্যাপক আসাদুজ্জামান, মো. হেলাল উদ্দিন, মো. ইকবাল আমির, অধ্যাপক গিয়াস উদ্দিন, রেজাউল ইসলাম, হাফেজ মো. সাইফুল ইসলাম, নাসিম সরদার, মো. সিরাজুল ইসলাম, মো. আঃ কাদের, ডাঃ মো. সাইফুল ইসলাম, হাফেজ মাওলানা গোলাম রসুল, মো. আল আমিন, মো. নাসিম সরদার, ডাঃ মো. রেজাউল কবির খান, মাওলানা মামুনুর রশিদ, মো. ফরিদ শেখ, ছাত্র শিবির নেতা মো. ইসমাইল হোসেন, সৌরভ ইসলাম, প্রান্তবিন আলম, নাহিদুল ইসলাম ইমন, হাসান মীর্জা, ইমাম হুসাইন, যোবায়ের হোসেন, তামিম ইসলাম, ওয়াসিফ হোসেন প্রমূখ।

সভায় রূপসা প্রেস ক্লাব, রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাব ও প্রেসক্লাব রূপসার বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট পত্রিকার সাংবাদিকবৃন্দ এবং সুধিজন উপস্থিত ছিলেন।

সালমান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

//এম মুরশীদ আলী//

সালমান স্মৃতি কিশোর অনূর্ধ্ব ১৫ এর ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ও আলোচনা সভায় প্রয়াত স্মৃতি স্মরণে ১ মিঃ নিরাবতা পালন শেষে গত ১৬ আগষ্ট বিকাল ৪টায় রূপসা উপজেলা সদরস্থ কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে উদ্বোধনী খেলায় অংশগ্রহন করে- শহীদ মুনসুর স্মৃতি সংসদ বনাম আদাঘাট তরুন সংঘ রামপালের মধ্য অনুষ্ঠিত হয়। টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করেন- জামিনি মেশিন কোম্পানির প্রোপ্রাইটার মো. জামাল শেখ।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কোহিনুর জাহান।

টুর্নামেন্ট কমিটির আহবায়ক এসএম বাশির আহম্মেদ লালুর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তৃতা করেন- ক্রীড়া সংগঠক অধ্যাপক আহমেদুল কবীর চাইনিজ।

সালমান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

সাবেক ছাত্রনেতা মুন্না সরদারের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- ক্রীড়া সংগঠক সেখ মাফতুন আহম্মেদ রাজা, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, সৈয়দ মাহামুদ আলী, মঈনুল ইসলাম টুটুল, কামরুল ইসলাম কচি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- শিক্ষিকা তাহমিনা সুলতানা, ফুটবল কোচ মনির শেখ, সাধন দে, সাজ্জাদ হোসেন, আলম শেখ, শামীম হাসান, আয়ূব খান, ইসরাইল বাবু, শাহাজাদা আলমগীর, শেখ বিল্লাল হোসেন, ফরিদ আহম্মেদ, আবু মুসা শেখ, কালাম শেখ, হীরক গোলদার, হাসান ফারাজী, জহির খান, আনিস বিশ্বাস, তাহসিন প্রমূখ।

খেলার মধ্যে আদাঘাট তরুন সংঘকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শহীদ মুনসুর স্মৃতি সংসদ বিজয়ী হওয়ার গৌরব অর্জন করে। ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয় বিজয়ী দলের ১২ নম্বর জার্সি পরিহিত জিল্লাল। খেলা পরিচালনা করেন আলী আকবর, আল মামুন এলিচ, সুমন রাজু।