মেধাবী ছাত্রী চৈতির অকাল মৃত্যুর জন্য দায়ী শিক্ষক; ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

রূপসা উপজেলার নৈহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেনীতে পড়ুয়া মেধাবী ছাত্রী ফাইরুজ মাহমুদ নিদ (চৈতি)। তার অকাল মৃত্যুর জন্য দায়ী নৈহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাহাবুবুর রহমান ও তার স্ত্রী সোনিয়া সুলতানা এবং শিক্ষিকা কাকলি গাইন সহ দোষীদের ফাঁসির দাবিতে গত ১০ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০ টায় বিদ্যালয়ের সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য- রূপসার নৈহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাহাবুবুর রহমানের প্রেমের ফাঁদে পড়ে গত জুলাই মাসের ২৪ তারিখে চৈতি নিজ বাড়িতে আত্মহত্যা করে। এ ব্যাপারে প্রয়াত ছাত্রী চৈতীর মাতা নুরনাহার বাদী হয়ে আদালতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এছাড়াও ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

ঘটনার পর থেকে বিদ্যালয়ের উক্ত শিক্ষক পলাতক রয়েছেন বলে জানা যায়।

নৈহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও এলাকাবাসী আয়োজিত মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন- ফাইরুজ মাহমুদ চৈতীর পিতা ফিরোজ পাশা, মাতা নুর নাহার শেখ, ইউপি সদস্য রেশমা আক্তার, আশরাফ আলী রাজ, হুমায়ূন কবীর রাজা, নিজাম উদ্দীন, মনিরা বেগম, হাফিজুর রহমান, পিয়াস শেখ, সাব্বির শেখ, হাসান মল্লিক, সাদমান, মো. সিদ্দিক, মো. তুহিন, আরমান শেখ, রেজাউল করিম, ফারুক, জনী, শফিক, হিরা শেখ, সুমন ঘোষ, প্রিন্স শেখ, আঃ হালিম, রিয়াদ শেখ, সৌমিত্র দেবনাথ, ওবায়দুল্লাহ মল্লিক, শিক্ষার্থীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- রাসেল হাওলাদার, মো. ইউসুফ, ইব্রাহিম খলিল, মো. সিয়াম, লাবন্য আক্তার জ্যেতি, সুমাইয়া আক্তার ফাতেমা, সাদিয়া আক্তার লামিয়া, মারুফা, সুমাইয়া সুলতানা, মুন্নী খাতুন, সাহারা আক্তার তৃষা, শান্তনা দাস, জ্যেতি রানী পাল, সুমা খাতুন, আসাদুজ্জামান রাফি, রাহুল কুমার দাস, অর্পন পাল, আজিম শিকদার, রাজ্জাক প্রমূখ।

বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ দিল প্রাণিসম্পদ মাঠ সহকারী (এলএফএ) এর সদস্যরা

//এম মুরশীদ আলী//

বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মাঠ সহকারী (এলএফএ) ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

গত ২৯ আগস্ট খুলনা বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সার্বিক দিক নির্দেশনায় খুলনা, রংপুর ও বরিশাল বিভাগ থেকে আগত (এলএফএ) এর সদস্যরা খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলায় বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করে।

তাছাড়া- প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প, উপজেলা পর্যায়ের কর্মরত প্রাণিসম্পদ মাঠ সহকারী সদস্যরা ফেনি, নোয়াখালী, সিলেট ও খুলনায় বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণনের জন্য বাংলাদেশ (এলএফএ) ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ে সারা দেশের (এলএফএ) এর সদস্যরা আর্থিক সহযোগিতার মাধ্যমে মানুষের খাদ্য ও ব্যবহার উপযোগী ত্রাণের পাশাপাশি গবাদিপশুর খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম চলমান রাখবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

এ ব্যাপারে খুলনা জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা: মো. শরিফুল ইসলাম জানান- পানিবন্দি অনেকেই অসহায়ত্ব জীবন-যাপন অবস্থায় রয়েছে। এই প্রেক্ষিতে মানবতার টানে মানুষের সহযোগিতায় প্রাণিসম্পদ মাঠ সহকারীদের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। জনকল্যাণে তাদের  সহযোগিতার হাত প্রসারিত হউক।

খুলনা বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অফিসার, ডা: নুরুল্লাহ মোহাম্মদ আহসান জানান- দেশে হঠাৎ বন্যায় মানুষ চরম দুর্ভোগ ও ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। এই বিপদের সময় প্রাণিসম্পদের মাঠ সহকারী (এলএফএ) গণ উদ্যোগ নিয়ে পানিবন্দি মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে যে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন, সে জন্য সবাইকে প্রাণিসম্পদের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই।

রূপসায় নারী কর্মীদের মাঝে চেক ও সনদপত্র বিতরণ

//এম মুরশীদ আলী//

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর আয়োজনে রূপসায় পল্লী কর্মসংস্থান ও সড়ক রক্ষনাবেক্ষণ কর্মসূচী-৩ শীর্ষক প্রকল্পের নারী কর্মীদের সঞ্চয়কৃত অর্থের চেক ও সনদপত্র গত ২৭ আগষ্ট সকলে উপজেলা প্রকৌশলীর অফিস কক্ষে বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

রূপসায় নারী কর্মীদের মাঝে চেক ও সনদপত্র বিতরণ

চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কোহিনুর জাহানের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তৃতা করেন- উপজেলা প্রকৌশলী এস এম ওয়াহিদুজ্জামান। তিনি বলেন- রূপসা উপজেলায় ৫টি ইউনিয়ন। প্রতি ইউনিয়নে ১০ জন করে মোট ৫০ জন নারীর মাঝে চেক ‌ও সনদপত্র দেওয়া হচ্ছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আজিজুর হক, উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবু সালেহ মুসা আশিক, কমিউনিটি অর্গানাইজার মোছাঃ ফাতেমা তুজ জোহরা প্রমুখ।

রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবে আহ্বায়ক কমিটি গঠন

//এম মুরশীদ আলী //

রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের কার্যকরি সভা গত ২৩ আগষ্ট সন্ধ্যায় ক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় ক্লাবের পূর্বের কমিটির সভাপতি ও সেক্রেটারি সহ সকল পদের স্থগিত পূর্বক বিলুপ্ত ঘোষনা দেওয়া হয়।একই সময় ৯০ দিনের আহবায়ক কমিটি গঠনের মাধ্যমে ক্লাবের কার্যক্রম চলমান রাখা হয়। ক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি জিএম আসাদুজ্জামান আহবায়ক এবং ইউশা মোল্লাকে সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য সকলের সম্মতিক্রমে নির্ধারণ করা হয়। বাকিরা সবাই সদস্য পদ হিসেবে বিবেচিত থাকবে।

ঘোষনা থাকে যে, ক্লাব ঘরটি পূর্ণ নির্মান,  অরাজনৈতিক পেশায় সাংবাদিক হিসেবে কাজ করা। কোন রাজনৈতিক দলের ছবি ক্লাব কক্ষে ব্যবহার না করা এবং গঠনতন্ত্রের নিয়মানুযায়ী ক্লাব প্রচালিত করার ইত্যাদি প্রসঙ্গে উল্লেখ করা হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন- সাবেক সভাপতি সৈয়দ মোরশেদ আলম বাবু, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. মহিবুল্লাহ আল মামুন, প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি এম মুরশীদ আলী, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক ফ, ম আয়ুইব আলী, সাবেক কোষাধ্যক্ষ মো. নাহিদুজ্জামান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মজিদ শেখ, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম বাবু, দপ্তর সম্পাদক মোশারফ হোসেন, সাবেক প্রচার সম্পাদক নাজিম সরদার, ক্রীড়া সম্পাদক মিলন মোল্লা, সদস্য আজিজুল ইসলাম, শিক্ষক মারুফ হোসেন, রায়হান মুন্সী, মাসুম সরদার, আনিসুর রহমান, আহাম্মদ হোসেন প্রমূখ।

ছাত্র আন্দোলনে শহীদ পরিবারকে নগদ অর্থ প্রদানে রূপসায় অধ্যাপক গোলাম পরওয়ার

//এম  মুরশীদ আলী//

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদের স্মরনে দোয়া ও শহীদ পরিবারে নগদ অর্থ প্রদান অনুষ্ঠান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী খুলনা জেলা শাখার আয়োজনে গত ২৪ আগষ্ট দুপুর সাড়ে ১২ টায়, রূপসা দারুস সালাম জামে মসজিদ চত্ত্বর অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্র আন্দোলনে শহীদ হওয়া রূপসার ৪ পরিবারকে ২ লক্ষা টাকা করে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি ও সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন- দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে দেশের মানুষের ওপর গুম-খুন, মিথ্যা মামলা ও নির্যাতন চালিয়েছে স্বৈরাচারী সরকার। সেখান থেকে দেশ ও জনপদকে মুক্ত করতে যারা শহীদ হয়ে গেলেন, তারা আমাদের জাতীয় বীর। এখন রাষ্ট্রীয়ভাবে এসব শহীদদের বীর হিসেবে ঘোষণা করা উচিৎ আমরা সেই দাবি জানাচ্ছি। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, খুনিদের বিচার অবশ্যই বাংলাদেশে হবে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যারা গণহত্যা পরিচালনা করেছেন তাদের বিচার এদেশের মাটিতে করতে ইতোমধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিচারের কার্যক্রম শুরু করেছে, আমরা তাদেরকে সাধুবাদ জানাই। আন্তর্জাতিক আদালতেও ইতোমধ্যেই গণহত্যাকারী শেখ হাসিনাসহ তার সব দোসরদের নামে মামলা হয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের সময়ে ছাত্র-জনতাকে হত্যাকারীদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে।

ছাত্র আন্দোলনে শহীদ পরিবারকে নগদ অর্থ প্রদানে রূপসায় অধ্যাপক গোলাম পরওয়ার

তিনি আরো বলেন- জুলুম নির্যাতনের পরেও জামায়াতের নেতারা ফাঁসির দড়িতে চুম্বন করে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের কাছে আপোষ করেননি অথচ স্বৈরাচার শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। তার নেতাকর্মীরাও পালাতে গিয়ে খালবিলে মাছের মতো ধরা পড়ছে’। স্বৈরাচারের লোকজন হিন্দু ভাইদের ব্যবহার করে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল কিন্তু দেশের ছাত্রজনতা সেটি নস্যাৎ করে দিয়েছে। জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা হিন্দু ভাইদের মন্দির, জমি জায়গা পাহারা দিয়ে শান্তির বাংলাদেশ বিনির্মানে কাজ করেছেন। কিন্তু বিগত দিনে আওয়ামী লীগের লোকজনই হিন্দু ভাইদের ঘরবাড়ি, জায়গা জমি দখল, লুটপাট ও মন্দির ভাঙচুর নির্যাতনের ঘটনা ঘটিয়েছে। ‘প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে স্বৈরাচার আওয়ামী সরকারের যে প্রেতাত্মারা বসে আছে, তাদেরকে অপসারণ না করা পর্যন্ত নির্বাচনের জন্য ধৈর্য ধারণ করতে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত দেশ পুনর্গঠন না হবে ততদিন পর্যন্ত আমরা অন্তবর্তীকালীন সরকারকে সময় দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে। এরপর তিনি সকল শহীদের স্মরনে দোয়া-মোনাজাত করিয়ে বক্তব্য শেষ করেন।

ছাত্র আন্দোলনে শহীদ পরিবারকে নগদ অর্থ প্রদানে রূপসায় অধ্যাপক গোলাম পরওয়ার

জামায়াতে ইসলামী খুলনা জেলা শাখার আমির মাওলানা এমরান হোসাইনের সভাপতিত্বে এবং জামায়াতে ইসলামী রূপসা শাখার সেক্রেটারির মাওলানা হাবিবুল্লাহ ইমনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, খুলনা অঞ্চল পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় মজলিস শুরা সদস্য ও খুলনা অঞ্চল টিম সদস্য মাওলানা মশিউর রহমান, কেন্দ্রীয় মজলিস শুরা সদস্য ও খুলনা মহানগর আমির অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, খুলনা অঞ্চল টিম সদস্য ও কেন্দ্রীয় মজলিস শুরা সদস্য মাস্টার শফিকুল আলম, সাতক্ষীরা জেলা আমির মাওলানা রবিউল বাশার, খুলনা জেলা নায়েবে আমির অধ্যক্ষ মাওলানা কবিরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মজলিস শুরা সদস্য ও খুলনা জেলা সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, খুলনা জেলা সহ সেক্রেটারি মুন্সি মইনুল ইসলাম, সহ সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মিয়া গোলাম কুদ্দুস, আল মুজাহিদ জেলা কর্ম পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ গোলাপ মোস্তফা, জেলা কর্ম পরিষদ সদস্য মো. আমিনুল ইসলাম, জেলা কর্ম পরিষদ সদস্য স.ম এনামুল হক, খুলনা জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি মো. বেলাল হুসাইন, রূপসা উপজেলা  আমির মাওলানা লাবিবুল ইসলাম, তেরখাদা উপজেলা আমি মাওলানা হাফিজুর রহমান, বটিয়াঘাটা উপজেলা আমি মাওলানা আবু ইউসুফ, বটিয়াঘাটা নায়েবে আমির মাওলানা আশরাফ আলী, তেরখাদা উপজেলা সেক্রেটারি মো. নাহিদ হাসান, সেক্রেটারি বটিয়াঘাটা উপজেলা মো. আব্দুল হাই প্রমূখ।

অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামী সারাদেশে কাজ করছে

//এম মুরশীদ আলী//

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রূপসা উপজেলা শাখার আয়োজনে উপজেলা পর্যায়ে সকল সাংবাদিক ও সুধিজনদের সাথে মতবিনিময় সভা গত ১৮ আগষ্ট বিকাল ৩ টায় কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তৃতা করেন-  জামায়াত ইসলামী রূপসা উপজেলার শাখার আমির মাওলানা মো. লাবিবুল ইসলাম। তিনি বলেন- অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামী সারাদেশে কাজ করছে। আমাদের নিবন্ধন বাতিল করে আওয়ামীলীগ দেশ ছাড়া হয়েছে। তাদের রাজনীতির কারনে তাদের কোন নেতাকর্মীকে এখন মাঠে পাওয়া যাচ্ছে না। দেশের তৃণমূল পর্যায়ের জনসাধারণের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে জামায়াতে ইসলামী কাজ করবে। উপজেলা পর্যায়ে সাংবাদিক ও সুধিজনের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামী সারাদেশে কাজ করছে

এ সময় স্বাগত বক্তৃতা করেন প্রভাষক আসাদুজ্জামান।

সভায় শিক্ষক আঃ কাদেরের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন- জামায়াতে ইসলামী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল্লাহ ভূইয়া ইমন, সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ইসমাইল হোসেন, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মো. আনোয়ার আলী, রূপসা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি নাজিম উদ্দীন, জামায়াত ইসলামীর কর্মপরিষদ ও সূরা সদস্য নেতা হাফেজ মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, মাওলানা হেকমত আলী, মাওলানা মো. মহিউদ্দিন, মো. সেলিম রেজা, অধ্যাপক আসাদুজ্জামান, মো. হেলাল উদ্দিন, মো. ইকবাল আমির, অধ্যাপক গিয়াস উদ্দিন, রেজাউল ইসলাম, হাফেজ মো. সাইফুল ইসলাম, নাসিম সরদার, মো. সিরাজুল ইসলাম, মো. আঃ কাদের, ডাঃ মো. সাইফুল ইসলাম, হাফেজ মাওলানা গোলাম রসুল, মো. আল আমিন, মো. নাসিম সরদার, ডাঃ মো. রেজাউল কবির খান, মাওলানা মামুনুর রশিদ, মো. ফরিদ শেখ, ছাত্র শিবির নেতা মো. ইসমাইল হোসেন, সৌরভ ইসলাম, প্রান্তবিন আলম, নাহিদুল ইসলাম ইমন, হাসান মীর্জা, ইমাম হুসাইন, যোবায়ের হোসেন, তামিম ইসলাম, ওয়াসিফ হোসেন প্রমূখ।

সভায় রূপসা প্রেস ক্লাব, রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাব ও প্রেসক্লাব রূপসার বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট পত্রিকার সাংবাদিকবৃন্দ এবং সুধিজন উপস্থিত ছিলেন।

সালমান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

//এম মুরশীদ আলী//

সালমান স্মৃতি কিশোর অনূর্ধ্ব ১৫ এর ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ও আলোচনা সভায় প্রয়াত স্মৃতি স্মরণে ১ মিঃ নিরাবতা পালন শেষে গত ১৬ আগষ্ট বিকাল ৪টায় রূপসা উপজেলা সদরস্থ কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে উদ্বোধনী খেলায় অংশগ্রহন করে- শহীদ মুনসুর স্মৃতি সংসদ বনাম আদাঘাট তরুন সংঘ রামপালের মধ্য অনুষ্ঠিত হয়। টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করেন- জামিনি মেশিন কোম্পানির প্রোপ্রাইটার মো. জামাল শেখ।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কোহিনুর জাহান।

টুর্নামেন্ট কমিটির আহবায়ক এসএম বাশির আহম্মেদ লালুর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তৃতা করেন- ক্রীড়া সংগঠক অধ্যাপক আহমেদুল কবীর চাইনিজ।

সালমান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

সাবেক ছাত্রনেতা মুন্না সরদারের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- ক্রীড়া সংগঠক সেখ মাফতুন আহম্মেদ রাজা, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, সৈয়দ মাহামুদ আলী, মঈনুল ইসলাম টুটুল, কামরুল ইসলাম কচি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- শিক্ষিকা তাহমিনা সুলতানা, ফুটবল কোচ মনির শেখ, সাধন দে, সাজ্জাদ হোসেন, আলম শেখ, শামীম হাসান, আয়ূব খান, ইসরাইল বাবু, শাহাজাদা আলমগীর, শেখ বিল্লাল হোসেন, ফরিদ আহম্মেদ, আবু মুসা শেখ, কালাম শেখ, হীরক গোলদার, হাসান ফারাজী, জহির খান, আনিস বিশ্বাস, তাহসিন প্রমূখ।

খেলার মধ্যে আদাঘাট তরুন সংঘকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শহীদ মুনসুর স্মৃতি সংসদ বিজয়ী হওয়ার গৌরব অর্জন করে। ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয় বিজয়ী দলের ১২ নম্বর জার্সি পরিহিত জিল্লাল। খেলা পরিচালনা করেন আলী আকবর, আল মামুন এলিচ, সুমন রাজু।

রূপসায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদ্বোধন করলেন এমপি সালাম মূর্শেদী

এম মুরশীদ আলী :

‘ভরবো মাছে মোদের দেশ, গড়বো স্মার্ট বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে রূপসা মৎস্য অফিস কর্তৃক গতকাল ৩০ জুলাই শুরু হয়েছে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২৪ এবং চলবে ৫ আগস্ট পর্যন্ত। এ উপলক্ষে গত ৩১ জুলাই সকালে র‌্যালী শেষে মৎস্য পোনা অবমুক্তকরণ এবং উদ্বোধন, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান রূপসা উপজেলা অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- খুলনা- ৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী। তিনি বলেন- মৎস্য সম্পদের সুরক্ষা ও সমৃদ্ধি অর্জনে প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশীয় প্রজাতির মাছের উৎপাদন বাড়ছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ চীনকে টপকিয়ে মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে দ্বিতীয় হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাছ উৎপাদনে আমরা রূপসাবাসী দেশের মধ্যে প্রথম স্থানে থাকবো বলে আশা করি। এমপি বলেন- মাছ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে খামার যান্ত্রিকীকরণের পাশাপাশি অত্যাধুনিক ও স্বয়ংক্রিয় মৎস্য চাষ প্রযুক্তির ব্যবহার করে প্রতিটি পর্যায়ে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। সামুদ্রিক মাছের আহরণ, বিপণন ও আন্তর্জাতিক বাজার সৃষ্টি করতে পারলে মৎস্য খাত বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। বর্তমানে বিশ্বের ৫০টিরও অধিক দেশে বাংলাদেশ মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানি করে থাকে। বিশ্ববাজারে আর্থিক মন্দাবস্থা থাকা সত্ত্বেও বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে। আমাদের আরো বেশী অর্জন করতে মৎস্য চাষ ও ব্যবস্থাপনার প্রতিটি পর্যায়ে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার কোহিনুর জাহানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এসএম হাবিবুর রহমান, রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. এনামুল হক, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সারমিন সুলতানা রুনা, উপজেলা প্রকৌশলী এস. এম ওয়াহিদুজ্জামান প্রমূখ।

সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক করেন- সিনিয়র উপজেলা মৎস‍্য কর্মকর্তা বাপী কুমার দাস। তিনি বলেন- মৎস্য উৎপাদন বাড়ায় মাথাপিছু দৈনিক মাছ গ্রহণ ৬০ গ্রাম চাহিদার বিপরীতে বৃদ্ধি পেয়ে ৬৭ দশমিক ৮০ গ্রামে উন্নীত হয়েছে। দেশের কৃষিজ জিডিপির ২২ দশমিক ২৬ শতাংশ মৎস্য উৎপাদন খাতের অবদান। দেশের প্রায় ১২ শতাংশের অধিক মানুষ মৎস্য খাতের বিভিন্ন কার্যক্রমে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত থেকে জীবিকা নির্বাহ করে। এজন্যে রূপসার মানুষদের আরো উদ্বুদ্ধ করতে গত ৩০ জুলাই রূপসার কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন।

সভায় প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলামের পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন- প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ প্রদীপ কুমার মজুমদার, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ বজলুর রহমান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, সহকারি প্রোগ্রামার ইমরান হোসেন, আনসার ভিডিপি (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা বিপুল গাজী, একাডেমিক সুপারভাইজার নিত্যানন্দ মণ্ডল, উপজেলা হাট-বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মো. জুলফিকার আলী, মডেল মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা ফুয়াদ উদ্দিন সহ মৎস্য চাষিগণ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সভায় ৯জন ক্লাষ্টার মৎস্য চাষিকে সম্মাননা ক্রেষ্ট দেওয়া হয়।

Daily World News

আগামীদিন থেকে সব অফিস স্বাভাবিক সময়ে চলবে: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

দুই ভিক্ষুকের কর্মসংস্থান ব্যবস্থা করে রূপসা সমাজসেবা

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

“উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায়, দেশ গড়বো সমাজসেবায়” এ প্রতিপাদ্য সঙ্গে নিয়ে রূপসা উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয় আয়োজিত ভিক্ষুক পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে এক আলোচনা সভা গত ৮ জুলাই সকালে অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

দুই ভিক্ষুকের কর্মসংস্থান ব্যবস্থা করে রূপসা সমাজসেবা

সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এসএম হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন- ভিক্ষুকরা জীবন-জীবিকার জন্য অন্যের ওপর নির্ভরশীল এবং ঠিকানাবিহীন কত লোক বসবাস করে তার সঠিক পরিসংখ্যান নেই। নদী ভাঙন, অতি দারিদ্র্য, রোগ, ব্যাধি, অশিক্ষা প্রভৃতি কারণে কিছু লোক ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত হচ্ছেন। তাদের প্রকৃতপক্ষে সাহায্যের দরকার আছে। তবে কিছু কিছু কর্মবিমুখ লোক সহজ আয়ের পথ হিসেবে ভিক্ষাবৃত্তিকে বেছে নিয়েছেন। এর পাশাপাশি কিছু দুষ্টচক্র নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য অসহায় মানুষদের দিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করাচ্ছে। তিনি আরও বলেন- সরকার ভিক্ষুকমুক্ত করার লক্ষ্যে ভিক্ষাবৃত্তি সমাধানে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান’ শীর্ষক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এ কর্মসূচির আওতায় রূপসা উপজেলা প্রশাসন ভিক্ষুকদের পুনর্বাসন করার জন্য কাজ করছে।

দুই ভিক্ষুকের কর্মসংস্থান ব্যবস্থা করে রূপসা সমাজসেবা

সভাপতির বক্তৃতা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কোহিনুর জাহান। তিনি বলেন-, ভিক্ষুকদের ডাটাবেজ তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। যাতে সঠিক পরিসংখ্যানের মাধ্যমে প্রকৃত ভিক্ষুকদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে ভিক্ষাবৃত্তি নিরসন করা যায়। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ অর্থায়নে ভিক্ষাবৃত্তি নিরসন ও পুনর্বাসন করার লক্ষ্যে রূপসায় দুইজন ভিক্ষুককে ৪১ হাজার ৩ শত ৫০ টাকার (মুদি-মনিহারি দোকান) মালামাল সহ নগদ ৫ হাজার টাকা করে কর্মসংস্থানের জন্য দেওয়া হয়।

এ সময় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সারমিন সুলতানা রুনা, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার মজুমদার, রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. ইমদাদুল হক।

দুই ভিক্ষুকের কর্মসংস্থান ব্যবস্থা করে রূপসা সমাজসেবা

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আনিচুর রহমান, মেডিকেল অফিসার ডাঃ কুদরত আলী শেখ, সমবায় কর্মকর্তা মো. ফরিদ আহম্মেদ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, একাডেমিক সুপার ভাইজার নিত্যানন্দ মন্ডল, শ্রীফলতলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইসহাক সরদার, আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) বিপুল গাজী, মেরিন ফিশারিজ অফিসার মো. রাসেল শেখ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোর্শেদুল আলম বাবু, প্রভাষক বাশির আহম্মেদ লালু, উপজেলা সমাজসেবা দপ্তরের ফিল্ড অফিসার এস এ ফয়সাল প্রমূখ। এরপর সমাজসেবা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এসএম হাবিব ও  মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সারমিন সুলতানা রুনাকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

রূপসায় কৃষকের মাঝে বীজ ও সার বিতরণী উদ্বোধনে এমপি সালাম মূর্শেদী

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

‘কৃষিই সমৃদ্ধ’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের খরিপ- ২/২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রনোদনা রোপা আমন ধানের (উফশী) বীজ ও সার সহায়তা বিতরণ উদ্বোধন অনুষ্ঠান গত ৭ জুলাই সকাল সাড়ে ১১ টায় উপজেলা কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আলোচনা সভা শেষে কৃষকের মাঝে বিতরণ করা হয়।

বীজ ও সার বিতরণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কলিং এর মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা- ৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদী। তিনি বলেন- আমাদের উপজেলার কৃষকদের এ সব বীজ ও সার সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়ার ফলে, কৃষি ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি পাবার পাশাপাশি এ খাত আরো সমৃদ্ধ হবে। তিনি আরো বলেন- বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা কৃষি ভর্তুকি দেওয়ার পাশাপাশি দেশের কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে নানান ফসল ফলাতে সক্ষম হয়েছেন। দেশের কৃষকরা এখন এক অনন্যা দৃষ্টি স্থাপন করে যাচ্ছে। কৃষকরাই পারে দেশকে উন্নতির পথে এগিয়ে নিতে। জাতির পিতার আদর্শকে ধারণ করে জাতি এগিয়ে যাবে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার পথে।

সভায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অপ্রতিম কুমার চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- খুলনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এস এম হাবিবুর রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সারমিন সুলতানা রুনা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি সৈয়দ মোরশেদ আলম বাবু।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন- উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন- রূপসায় ৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ৯৫০ জন কৃষক কে ৫ কেজি করে ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি এমওপি সার দেওয়া হচ্ছে। কৃষকরা যাতে ভালো ফলন ফলাতে পারে সরকার সেদিকে খেয়াল রেখে বিনামূল্যে রোপা আমন ধানের (উফশী) বীজ ও সার  দিয়ে আমাদের প্রান্তিক, ক্ষুদ্র কৃষকদের লাভবান করে তুলছেন। ডিজিটাল যুগে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে কৃষকের কষ্ট ও সময় বাঁচিয়ে আরো বেশী জমি আবাদ করতে সক্ষম হচ্ছে। তাতে কৃষকরা আশানুরূপ ফলশ্রুতি পাচ্ছে। তাছাড়া ঘুর্ণিঝড় রেমাল এ ক্ষতিগ্রস্থ চাষিদেরও সহায়তা প্রদান করা হয়।

আলোচনা সভায় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিতিশ চদ্র বালা’র পরিচালনায়- অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- উপ সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আলী হাসান, মো. রাজু আহম্মেদ, জান্নাতুন নাহার, সমীর কুমার ঘোষ, শোয়েব তরিকুল্লাহ, সোহেল রানা, হিমাংশু রায়, হিমাদ্রি বিশ্বাস, প্রমিলা রানী বালা, মিলি বেগম, মো. মোজাহিদুর রহমান, দেবাশীষ কুমার দাস, আফরোজা মুমু প্রমুখ। এ সময় সকল ইউনিয়নের কৃষকবৃন্দ উপস্থিত থেকে তাদের কৃষি উপকরণ বুঝে নেন।

Daily World News

অবশেষে আলোচিত পিস্তল বাবু’কে আটক করেছে র‌্যাব-৮