মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতন্ত্র, ধর্মীয় মূল্যবোধের আদর্শে নতুন রাজনৈতিক দল

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

দেশে আরও একটি নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। দলটির নাম বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক পিপলস্ পার্টি।

শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করে দলটি।

অনুষ্ঠানে দলের চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের যে চেতনা, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, আইনের শাসন, গণতন্ত্র, টেকসই উন্নয়ন, বাক-স্বাধীনতা আজ মুক্তিযুদ্ধের ৫৩ বছর পরও আমরা সেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করতে পারিনি। আজ আমাদের অর্থনীতি যেখানে থাকার কথা সেখানে নেই। আমাদের ব্যাংক ব্যবস্থা আজ ধ্বংসের মুখে, আমাদের শেয়ারবাজার আজ বিপর্যস্ত, লাগামহীন দুর্নীতি, ঋণখেলাপি আমাদের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিয়েছে। রাজনীতিতেও আজ সংঘাত, সংঘর্ষ, প্রতিহিংসা ছড়িয়ে পড়েছে। অগণতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতা দখল করার জন্য নির্বাচন ব্যবস্থাকেও আজ পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের মনে রাখতে হবে, আমাদের নিজস্ব দলের আদর্শ থাকতে পারে। তবে আমরা সবাই বাংলাদেশি। সব প্রতিহিংসা দূরে রেখে এই সোনার বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে মর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে আমাদের সবাইকে কাঁধে কাঁধ রেখে কাজ করতে হবে।’

আব্দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের দেশে গণতান্ত্রিক ধারাকে অব্যাহত রাখতে আমরা একটি গণতান্ত্রিক দল ঘোষণা করছি। আমাদের দলের নাম বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক পিপলস্ পার্টি। আমরা একটি ক্ষুধামুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সবসময় জনগণের পাশে থেকে কাজ করব- ইনশাআল্লাহ। জনগণের সব দুর্যোগে, সমস্যায় আমরা পাশে থাকার অঙ্গিকার করছি।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের আদর্শ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতন্ত্র, ধর্মীয় মূল্যবোধ। আমরা বিশ্বাস করি, দেশে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকলে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করা গেলে এবং যার যার ধর্ম সঠিকভাবে মেনে চললে একটি শক্তিশালী, উন্নত রাষ্ট্র গড়তে পারব।’

এ সময় নবগঠিত দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

 

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন…….

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে গতকাল বুধবার মোট ১৩৯টি উপজেলায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার ফলাফল স্থগিত করা হয়েছে। বাকি ১৩৮টি উপজেলায় বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

বেসরকারি ফলাফলে নির্বাচিত ব্যক্তিদের প্রায় সবাই আওয়ামী লীগের সাবেক ও বর্তমান নেতা। ১৩৮টি উপজেলার মধ্যে ১১৮টিতেই আওয়ামী লীগের নেতারা জয়ী হয়েছেন। বাকি ২০টি উপজেলার মধ্যে আটটিতে বিএনপির বহিষ্কৃত নেতারা, দুটিতে জাতীয় পার্টি (জাপা), দুটিতে জনসংহতি সমিতি ও বাকিগুলোতে নির্দলীয় প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন।

রংপুরে আ.লীগ ১৭, অন্যান্য

প্রথম ধাপে রংপুর বিভাগে ১৯টি উপজেলার ভোট গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে ১৭টিতেই আওয়ামী লীগের নেতারা জয়ী হয়েছেন। এর বাইরে একজন জাতীয় পার্টির ও নির্দলীয় একজন উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে।

দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা কামাল হোসেন, ঘোড়াঘাটে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য কাজী শুভ রহমান চৌধুরী ও বিরামপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পারভেজ কবীর বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। কুড়িগ্রামের চিলমারীতে উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মো. রুকুনুজ্জামান, রৌমারীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শহিদুল ইসলাম ও রাজীবপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শফিউল আলম নির্বাচিত হয়েছেন।

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সফিকুল ইসলাম ও হরিপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবদুল কাইয়ুম জয়ী হয়েছেন। পঞ্চগড় সদরে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য এ এস এম শাহনেওয়াজ প্রধান, তেঁতুলিয়ায় নির্দলীয় প্রার্থী নিজাম উদ্দিন খান ও আটোয়ারীতে জেলা আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক আনিছুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন।

রংপুরের কাউনিয়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম ও পীরগাছায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জয়ী হয়েছেন। নীলফামারীর ডিমলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক সরকার ও ডোমারে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সরকার ফারহানা আক্তার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। আনোয়ারুল নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন সরকারের চাচাতো ভাই।

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. লিয়াকত হোসেন ও পাটগ্রামে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন নির্বাচিত হয়েছেন। গাইবান্ধার ফুলছড়িতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা আবু সাঈদ ও সাঘাটায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সামশিল আরেফিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

রাজশাহী বিভাগে আ.লীগ ২০, বিএনপি

রাজশাহী বিভাগের ২৩টি উপজেলায় গতকাল ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০টিতে আওয়ামী লীগ, দুটিতে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা ও একটিতে নির্দলীয় একজন প্রার্থী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। রাজশাহী বিভাগের মধ্যে রাজশাহীর তানোরে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. লুৎফর হায়দার ও গোদাগাড়ীতে উপজেলা যুবলীগের কোষাধ্যক্ষ বেলাল উদ্দিন নির্বাচিত হয়েছেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জর নাচোলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের, গোমস্তাপুরে বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা আশরাফ হোসেন ও ভোলাহাটে বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা আনোয়ারুল ইসলাম চেয়ারম্যান হয়েছেন। জয়পুরহাটের কালাইয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিনফুজুর রহমান, ক্ষেতলালে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. দুলাল মিয়া সরদার ও আক্কেলপুরে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. মোকছেদ আলী মাস্টার বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

নাটোর সদরে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, নলডাঙ্গায় নির্দলীয় প্রার্থী রবিউল ইসলাম ও সিংড়ায় আওয়ামী লীগের কর্মী দেলোয়ার হোসেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। পাবনার সুজানগরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আবদুল ওহাব, সাঁথিয়ায় পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা ও বেড়ায় আমিনপুর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হক জয়ী হয়েছেন।

সিরাজগঞ্জ সদরে আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা রিয়াজ উদ্দিন, বেলকুচিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আমিনুল ইসলাম ও কাজিপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন। নওগাঁর বদলগাছীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কোষাধ্যক্ষ শামসুল আলম খান, পত্নীতলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল গাফফার চৌধুরী ও ধামইরহাটে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আজহার আলী জয়ী হন।

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনের সংসদ সদস্য সাহাদারা মান্নানের ছেলে ও পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য মোহাম্মেদ সাখাওয়াত হোসেন, সোনাতলায় সংসদ সদস্যের ছোট ভাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিনহাদুজ্জামান লিটন এবং গাবতলীতে আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক উপকমিটির সদস্য অরুণ কান্তি রায় জয় পেয়েছেন।

খুলনার ১৭ উপজেলার সবাই আ.লীগের

প্রথম ধাপে খুলনা বিভাগের ১৭টি উপজেলার ভোট গ্রহণ হয়েছে গতকাল। বেসরকারিভাবে নির্বাচিত সবাই আওয়ামী লীগের সাবেক ও বর্তমান নেতা। মেহেরপুর সদর উপজেলায় জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আনারুল ইসলাম, মুজিবনগরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমাম হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন।

কুষ্টিয়া সদরে পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান ও খোকসায় উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল মাসুম মোর্শেদ নির্বাচিত হয়েছেন। চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় দর্শনা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলি আজগারের সহোদর মো. আলি মুনছুর, জীবননগরে উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন।

ঝিনাইদহ সদরে পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মিজানুর রহমান ও কালীগঞ্জে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) মো. শিবলী নোমানী নির্বাচিত হয়েছেন। যশোরের মনিরামপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আমজাদ হোসেন, কেশবপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মফিজুর রহমান চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

মাগুরা সদরে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রানা আমির ওসমান ও শ্রীপুরে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করা শরিয়তউল্লাহ হোসেন মিয়া জয়ী হয়েছেন। নড়াইলের কালিয়ায় নড়াগাতি থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খান শামীম রহমান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

বাগেরহাটের কচুয়ায় রাড়িপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান ও রামপালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মোয়াজ্জেম হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন। সাতক্ষীরার শ্যামনগরে উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাঈদ-উদ-জামান ও কালীগঞ্জে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শেখ মেহেদী হাসান বিজয়ী হয়েছেন।

বরিশালের পাঁচটির চারটিতেই আ.লীগ

বরিশাল বিভাগে প্রথম ধাপে মাত্র পাঁচটি উপজেলার ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে চারটিতে আওয়ামী লীগ ও একটিতে নির্দলীয় প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে পিরোজপুরের নাজিরপুরে পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য শ ম রেজাউল করিমের ছোট ভাই নূর ই আলম, সদরে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এস এম বায়েজিদ হোসেন ও ইন্দুরকানিতে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউল আহসান গাজী জয়ী হয়েছেন। বরিশাল সদরে নির্দলীয় আব্দুল মালেক ও বাকেরগঞ্জে যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা রাজিব আহম্মদ তালুকদার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

ঢাকা বিভাগে আ.লীগ ২৬, জাপা ১, বিএনপি

প্রথম ধাপে বুধবার ঢাকা বিভাগের ১৩ জেলার ২৯টি উপজেলায় ভোট গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে জাতীয় পার্টির একজন ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত দুজন ছাড়া বাকি ২৭ জন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ঢাকার কেরানীগঞ্জে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহিন আহমেদ, দোহারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন ও নবাবগঞ্জে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি নাসিরউদ্দিন ঝিলু নির্বাচিত হন।

গোপালগঞ্জ সদরে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য কামরুজ্জামান ভূইয়া, কোটালীপাড়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বিমল কৃষ্ণ বিশ্বাস ও টুঙ্গিপাড়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. বাবুল শেখ নির্বাচিত হন। নারায়ণগঞ্জের বন্দরে জেলা জাতীয় পার্টির সহসভাপতি মাকসুদ হোসেন চেয়ারম্যান হয়েছেন। গাজীপুরের কালীগঞ্জে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন, কাপাসিয়ায় জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. আমানত হোসেন খান ও সদরে জেলা বিএনপির সহসভাপতি (বহিষ্কৃত) ইজাদুর রহমান জয়ী হয়েছেন।

রাজবাড়ীর পাংশায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার সাইফুল ইসলাম ও কালুখালীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আলীউজ্জামান চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন। মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও দুর্যোগবিষয়ক সম্পাদক দেওয়ান সাইদুর রহমান ও সিঙ্গাইরে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সায়েদুল ইসলাম নির্বাচিত হন।

ফরিদপুর সদরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সামসুল আলম চৌধুরী, চরভদ্রাসনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার আলী মোল্লা, মধুখালীতে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক মোহাম্মদ মুরাদুজ্জামান চেয়ারম্যান হয়েছেন।

মাদারীপুর সদরে সংসদ সদস্য শাজাহান খানের ছেলে ও যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আসিবুর রহমান খান, রাজৈরে আওয়ামী লীগ নেতা মহসিন মিয়া নির্বাচিত হয়েছেন। শরীয়তপুরের নড়িয়ায় জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ইসমাইল হোসেন ও ভেদরগঞ্জের সখীপুর থানা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ওয়াসেল কবির জয়ী হন।

নরসিংদী সদরে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন ও পলাশে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সৈয়দ জাবেদ হোসেন নির্বাচিত হন। মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মনসুর আহমদ খান নির্বাচিত হন।

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ তালুকদার, মধুপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ইয়াকুব আলী নির্বাচিত হয়েছেন। ইয়াকুব আলী সাবেক কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাকের খালাতো ভাই। কিশোরগঞ্জ সদরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আওলাদ হোসেন, পাকুন্দিয়ায় বিএনপির সমর্থক এমদাদুল হক ও হোসেনপুরে আওয়ামী লীগের কর্মী মোহাম্মদ সোহেল চেয়ারম্যান হয়েছেন।

ময়মনসিংহে আ.লীগ ৬, বিএনপি

ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলার আটটি উপজেলায় গতকাল ভোট গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে ছয়টিতে আওয়ামী লীগ ও দুটিতে বিএনপির বহিষ্কৃত দুই নেতা জয় পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক (বহিষ্কৃত) মো. আবদুল হামিদ, ধোবাউড়ায় উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ডেভিড রানা চিসিম ও ফুলপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন। জামালপুর সদরে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিজন কুমার চন্দ নির্বাচিত হয়েছেন।

শেরপুরের শ্রীবরদীতে উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মো. জাহিদুল ইসলাম ও ঝিনাইগাতীতে বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা মো. আমিনুল ইসলাম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। নেত্রকোনার দুর্গাপুরে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান ও কলমাকান্দায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক আবদুল কুদ্দুছ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

সিলেটে আ.লীগ ৯, অন্যান্য

সিলেট বিভাগের চার জেলার ১১টি উপজেলা গতকাল ভোট হয়েছে। এর মধ্যে ৯টিতেই জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের নেতারা। সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ রায় ও শাল্লায় জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি অবনী মোহন দাস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

সিলেট সদরে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সুজাত আলী রফিক, দক্ষিণ সুরমায় উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বদরুল ইসলাম, গোলাপগঞ্জে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মঞ্জুর কাদির শাফি চৌধুরী ও বিশ্বনাথে জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি (বহিষ্কৃত) মোহাম্মদ সুহেল আহমদ চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন।

মৌলভীবাজারের জুড়ীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক কিশোর রায় চৌধুরী মনি, বড়লেখায় আওয়ামী লীগ নেতা মো. আজির উদ্দিন ও কুলাউড়ায় ফজলুল হক খান নামে আঞ্জুমানে আল ইসলাম নামের আরেকটি সংগঠনের নেতা বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে আওয়ামী লীগের কর্মী আলাউদ্দিন ও বানিয়াচংয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন খান জয়ী হন।

চট্টগ্রামে আ.লীগ ১৯, অন্যান্য ৭, ফল স্থগিত

প্রথম ধাপে চট্টগ্রাম বিভাগে গতকাল ১১ জেলার ২৭টি উপজেলায় ভোট হয়েছে। এর মধ্যে একটির ফলাফল স্থগিত করা হয়েছে। বাকি ২৬টির মধ্যে ১৯টিতে আওয়ামী লীগ, তিনটিতে নির্দলীয়, দুটি জনসংহতি সমিতি এবং একটি করে উপজেলায় বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন থেকে বহিষ্কৃত নেতারা জয় পেয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে আওয়ামী লীগের নেতা রোমা আক্তার ও সরাইলে উপজেলা যুবলীগের একাংশের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শের আলম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। কুমিল্লার লাকসামে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ইউনুছ ভূঁইয়া, মনোহরগঞ্জে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবদুল মান্নান চৌধুরী ও মেঘনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মো. তাজুল ইসলাম জয়ী হয়েছেন।

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মানিক দর্জি ও মতলব দক্ষিণে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সিরাজুল মোস্তফা তালুকদার নির্বাচিত হন। ফেনীর ফুলগাজীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুন মজুমদার নির্বাচিত হয়েছেন।

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে নোয়াখালী-৪ (সদর–সুবর্ণচর) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরীর ছেলে আতাহার ইশরাক ওরফে শাবাব চৌধুরী এবং হাতিয়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আশিক আলী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলীর ছেলে। লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে নির্দলীয় প্রার্থী শরাফ উদ্দীন আজাদ ও কমলনগরে ইসলামী আন্দোলনের বহিষ্কৃত নেতা মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, সীতাকুণ্ডে আওয়ামী লীগ নেতা আরিফুল আলম চৌধুরী ও মিরসরাইয়ে উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক এনায়েত হোসেন জয় পেয়েছেন। কক্সবাজার সদরে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আবছার, মহেশখালীতে নির্দলীয় মো. জয়নাল আবেদীন ও কুতুবদিয়ায় নির্দলীয় প্রার্থী মো. হানিফ বিন কাশেম জয়ী হয়েছেন।

খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. জয়নাল আবেদীন, মাটিরাঙ্গায় নির্দলীয় আবুল কাশেম ভুইয়া ও রামগড়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক বিশ্ব প্রদীপ কারবারি জয়ী হয়েছেন। লক্ষ্মীছড়িতে ভোটগ্রহণ করা হলেও ফলাফল স্থগিত করা হয়েছে। বান্দরবান সদরে বিএনপির সাবেক নেতা আব্দুল কুদ্দুস ও আলীকদমে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জামাল উদ্দিন চেয়ারম্যান হয়েছেন।

রাঙামাটি সদরে জনসংহতি সমিতি সমর্থিত অন্ন সাধন চাকমা ও বরকলে একই দলের বিধান চাকমা জয়ী হয়েছেন। কাউখালীতে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সামশুদ্দোহা চৌধুরী ও জুরাছড়িতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমা বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

Daily World News

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী কামাল উদ্দিন বাদশার গণসংযোগ

সিলিং ফ্যানের বিশ্রাম প্রয়োজন আছে কি-না…? ফ্যানটাও তো ভালে রাখতে হবে…

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

গত কয়েক দিনের গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন। গরম কমাতে দিন কি রাত— বিশ্রাম দেওয়ার উপায় নেই সিলিং ফ্যানকে। প্রায় সারাদিনই চালিয়ে রাখায় অনেকেরই ফ্যান নষ্ট হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, একটানা কতক্ষণ ফ্যান চালানো যায়? কত সময় পর এই যন্ত্রটি বিশ্রাম দেওয়া উচিত?

ঘণ্টার পর ঘণ্টা একভাবে চলতে থাকলে ফ্যান ওভারহিট হয়ে যেতে পারে। এই ঘটনা ঘটলে ফ্যানের কয়েল পুড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। দেখা দিতে পারে অন্য সমস্যাও।

ফ্যান চালালে তাতে লাগানো মোটর আসলে বিদ্যুৎকে গতিতে পরিবর্তন করে। এই কারণেই ফ্যান গরম হতে শুরু করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সিলিং ফ্যান একটানা চালালে প্রতি ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা অন্তর অন্তত এক ঘণ্টা বন্ধ রাখা উচিত।

পর্যাপ্ত বিশ্রাম না পেলে এবং একটানা চলতে চলতে ফ্যান খারাপ হয়ে যেতে পারে। এমন কী নষ্ট হয়ে যেতে পারে ফ্যানের ভেতরের ওয়্যারিংও।

এর পাশাপাশি, ফ্যান চালানোর সময় বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে ফ্যানের ব্লেডগুলো প্রতিমাসে অন্তত একবার করে পরিষ্কার করুন। এতে বাতাস বেশি হবে।

যেসব জায়গায় আজ বৃষ্টি হবার সম্ভাবনা আছে

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

রাজধানী ঢাকাসহ ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া চাঁদপুর ও মৌলভীবাজার জেলাসহ ঢাকা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর ও বরিশাল বিভাগ এবং খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে যে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে তা অব্যাহত থাকতে পারে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

শনিবার (৪ মে) সকাল ৬টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক জানান, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও বাগেরহাট জেলার ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। চাঁদপুর ও মৌলভীবাজার জেলাসহ ঢাকা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর ও বরিশাল বিভাগ এবং খুলনা বিভাগের অবশিষ্টাংশের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের যে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

তিনি আরও জানান, সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

চরম গরমে সাস্থ্য সুরক্ষায় কী খাবেন, কী খাবেন না

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন।  এ সময় শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি ঘাম হয়ে বের হয়। এতে শরীরে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে শরীরে অস্বস্তি, ক্লান্তির মত একাধিক উপসর্গ দেখা দেয়। তাই শরীর হাইড্রেটেড রাখতে আপনাকে খেতে হবে পানি ও পানিযুক্ত খাবার।

গরমে কী ধরনের খাবার আমাদের শরীরের জন্য ভালো সে প্রসঙ্গে জানতে চাইলে প্রাভা হেলথের ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন বিভাগের পুষ্টিবিদ নূর-ই-জান্নাত ফাতেমা বেশ কিছু খাবারের কথা উল্লেখ করেছেন, যা শরীরকে এই গরমেও রাখবে সুস্থ।

পানি

পূর্ণবয়স্ক একজন নারীর দিনে অন্তত ২.৫-৩ লিটার, পূর্ণবয়স্ক একজন পুরুষের ৩-৩.৫ লিটার বিশুদ্ধ পানি পান করা উচিত। তবে কিডনি রোগীদের অবশ্যই ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করেই পানির পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে।

গরমে লেবু বা ফলের শরবত খাওয়া খুবই উপকারী। ডাবের পানিও খুব দারুণ কার্যকর। এসব পানীয় খুব সহজেই শরীরের পানির চাহিদা পূরণ করবে। ডাবের পানি ও ফলের শরবত খেলে পানির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় খনিজ লবণের চাহিদাও পূরণ হবে।

সবজি

কাঁচা পেঁপে, পটল, ধুন্দল, শসা, চিভিঙ্গা, গাজর, লাউ, পেঁপে, পালংশাক, টমেটো, শসায় পানির পরিমাণ বেশি থাকে। পানিশূন্যতা দূর করতে এই খাবারগুলো অবশ্যই খাবার তালিকায় রাখার চেষ্টা করুন।

তাছাড়া পাতলা করে রান্না করা টক ডাল, সজনে ডাল শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। যাদের ইউরিক এসিড বেড়ে যায় তারা এ সময় ঢেঁড়স, বেগুন এড়িয়ে চলুন।

মৌসুমি ফল

কাঁচা আম খুবই ভালো পানিশূন্যতা দূর করার জন্য। কাঁচা আমে আছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম। এ ছাড়া ভিটামিন সি ও ম্যাগনেশিয়ামও আছে,  যা শরীর ঠান্ডা রাখতে সহায়তা করে।

তরমুজ শরীর ঠান্ডা করতে সাহায্য করে। এতে আছে ভিটামিন ও খনিজ লবণ, যা এই গরমে শরীরের জন্য দরকার।

বাঙ্গি একটি খুবই পুষ্টিকর একটি ফল, যা খুবই সহজলভ্য এবং দামেও তুলনামূলক সস্তা। শরীর ঠান্ডা রাখতে বাঙ্গির তুলনা নেই।

আখের রস

আখের রস শরীরকে ঠান্ডা রাখতে খুবই কার্যকরী। আখের রসের সঙ্গে বিট লবণ, পুদিনাপাতা এবং লেবুর রস মিশিয়ে খেলে এর স্বাদও বাড়ে, পুষ্টিগুণও বাড়ে।

বেলের শরবত

বেলের শরবত পাকস্থলী ঠান্ডা রাখতে খুব কার্যকর। বেলে রয়েছে বিটা-ক্যারোটিন, প্রোটিন, রিবোফ্লাভিন, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি১ এবং বি২, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম  ও ফাইবার।

পুদিনার শরবত

শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখতে এবং সতেজ অনুভূতির জন্য পুদিনার শরবত অতুলনীয়।

জিরা পানি

নোনতা স্বাদযুক্ত এই পানীয় হজমে সাহায্য করে।তবে ডায়াবেটিস রোগীরা শরবতে আলাদা করে চিনি বা মধু অ্যাড করবেন না।

যা খাবেন না

অনেক কার্বনেটেড বেভারেজ আমরা গরমের সময় প্রচুর খেয়ে থাকি,যা ঠিক না। এই পানীয়গুলো শরীরকে সাময়িক চাঙা করলেও এর কোনো পুষ্টিগুণ নেই, বরং শরীরকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করে। ঝাল, বাইরের খোলা শরবত, বাইরের খাবার, ভাজাপোড়া এ সময় যতটা পারেন এড়িয়ে চলুন। পাতলা ঝোল ঝোল খাবার খাওয়া এ সময় সবচেয়ে ভালো।

Daily World News

এমভি আবদুল্লাহ জলদস্যুদের থেকে মুক্ত হয়ে দেশের পথে রওনা দিয়েছে

কান্ট পৃথিবীর আলো নয়, তিনি একটি দীপ্তিমান সৌরজগত

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

যাদের যুক্তি পছন্দ তাদের পক্ষে জার্মান দার্শনিক ইমানুয়েল কান্টকে উপেক্ষা করা অসম্ভব৷ সোমবার তার ৩০০তম জন্মবার্ষিকী ছিল৷ ‘চিরস্থায়ী শান্তি’র এই লেখকের দর্শন আজও প্রাসঙ্গিক৷

১৭২৪ সালের ২২ এপ্রিল পূর্ব প্রুশিয়ার ক্যোনিগসব্যার্গে (বর্তমান রাশিয়ার কালিনিনগ্রাদ) জন্মেছিলেন কান্ট৷

দুনিয়াকে বুঝতে হলে যে আপনাকে পৃথিবী ভ্রমণে বের হতে হবে, তা নয়৷ কান্ট কখনও তার শহর ক্যোনিগসব্যার্গ ছেড়ে যাননি৷ কিন্তু তারপরও তিনি দুনিয়া নিয়ে যে দর্শন দিয়েছেন তাতে সমৃদ্ধ হয়েছে দর্শনশাস্ত্র৷

শুধু তাই নয়, ১৭ শতকে তার হাত ধরেই ইউরোপে এনলাইটেনমেন্ট বা আলোকায়ন যুগ শুরু হয়েছিল৷ এনলাইটেনমেন্ট ছিল একটি বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন, যার উদ্দেশ্য ছিল বিজ্ঞান ও সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে প্রথাগত বিশ্বাস ও কুসংস্কারের শাসন থেকে মানুষকে মুক্ত করে সমাজকে মানবিকতার পথে পরিচালিত করা৷

কান্ট পৃথিবীর আলো নয়, তিনি একটি দীপ্তিমান সৌরজগত

কান্টকে সর্বকালের সেরা চিন্তাবিদদের একজন ধরা হয়৷ তার অনেক দর্শন আজও প্রাসঙ্গিক৷ ১৭৯৫ সালে লেখা ‘অন পার্পেচুয়াল পিস’ প্রবন্ধে তিনি বিশ্বের সব প্রজাতন্ত্রের সমন্বয়ে ‘লিগ অফ নেশনস’ নামের একটি কেন্দ্রীয় সংগঠন তৈরি পরামর্শ দিয়েছিলেন৷ সেই পরামর্শ অনুসারেই প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ‘লিগ অফ নেশনস’ তৈরি হয়েছিল, যেটি আজকের জাতিসংঘ৷

কান্ট মনে করতেন, প্রতিটি মানুষের বিশ্বের যে কোনো দেশে যাওয়ার অধিকার রয়েছে৷ তবে সেই দেশে তাকে সাদরে গ্রহণ করা হবে, বিষয়টা তেমন নাও হতে পারে৷

মানুষের মর্যাদা ও মানবাধিকারকে ধর্ম দিয়ে নয়, দার্শনিকভাবে যুক্তি দিয়ে বিচারের কথা বলতেন কান্ট৷

মানুষের উপর তার অগাধ বিশ্বাস ছিল৷ তিনি মনে করতেন, নিজের ও বিশ্বের সবার দায়িত্ব নেওয়ার ক্ষমতা মানুষের আছে৷ তাই তিনি মানুষকে এমনভাবে কাজ করতে বলতেন যেনস সেটা পরবর্তীতে সযে-কোনো সময় পৃথিবীর সবার জন্য আইন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে৷ আজকের বিচারে তার এই কথাটা এভাবে বলা যেতে পারে: আপনার শুধু তা-ই করা উচিত যেটা সবার জন্য ভালো হবে৷

১৭৮১ সালে প্রকাশিত কান্টের ‘ক্রিটিক অফ পিউর রিজন’ বইটি বুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাসের সন্ধিক্ষণ হিসাবে বিবেচিত হয়৷ এই বইয়ে তিনি দর্শনের চারটি মৌলিক প্রশ্ন তুলে ধরেছেন: আমি কী জানতে পারি? আমার কী করা উচিত? আমি কী আশা করতে পারি? আর মানুষ কী?

তার আগে পৃথিবীতে আসা অনেক দার্শনিকের বিপরীত চিন্তা করতেন কান্ট৷ তিনি বলেছেন, মানুষের মন ঈশ্বরের অস্তিত্ব, আত্মা বা পৃথিবীর শুরুর মতো প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে পারে না৷

কান্টের সমসাময়িক জার্মান রোমান্টিক লেখক জ্যঁ পাউল (১৭৬৩-১৮২৫) বলেছিলেন, ‘‘কান্ট পৃথিবীর আলো নয়, তিনি একটি দীপ্তিমান সৌরজগত৷”

উপনিবেশবাদ ও দাসত্বের বিরোধী ছিলেন কান্ট৷

দৈনন্দিন জীবনে কঠোর নিয়মনীতি মনে চলতেন কান্ট৷ পরিবার ও বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে অনেক সময় নিয়ে দুপুরের খাবার খেতেন, বিলিয়ার্ড খেলতে পছন্দ করতেন, আর খেলতেন কার্ড গেমস৷ থিয়েটারে যেতেও পছন্দ করতেন তিনি৷ আর চুল কাটার দোকানে কান্ট গল্প বলে সবাইকে আনন্দ দিতে পারতেন বলে জানা যায়৷

কান্টের ৩০০তম জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জার্মানিতে অনেক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে৷ যেমন বন শহরে ‘আনরিজলভড ইস্যুস’ শীর্ষক একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে৷ এছাড়া জুন মাসে বার্লিনে একটি অ্যাকাডেমিক কনফারেন্স ও বছরের শেষ দিকে বন শহরে আন্তর্জাতিক কান্ট কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে৷ এই সম্মেলনটি কান্টের জন্মভূমি কালিনিনগ্রাদে করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল কিন্তু ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে৷ Source DW

Daily World News

শেখ হাসিনার নির্দেশ অমান্য করা হচ্ছে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনের দলীয় সিদ্ধান্তে

আবহাওয়া অফিস|| দাবদাহ নিয়ে দুঃসংবাদ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সংশোধিত ফল প্রকাশ

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্ব খাতে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৩ এর ৩য় গ্রুপের (৩ টি পার্বত্য জেলা ব্যতীত ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ২১টি জেলা) লিখিত পরীক্ষার নিরীক্ষিত ও সংশোধিত ফল আজ প্রকাশিত হয়েছে।

পরীক্ষায় ৪৬ হাজার ১৯৯ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের  সিনিয়র তথ্য অফিসার মাহবুবুর রহমান তুহিন এসব তথ্য জানান।

গত ২৯ মার্চ এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষার্থী ছিলেন ৩ লাখ ৪৯ হাজার ২৯৩ জন।

এর আগে ২০২৩ সালের  ১৪ জুন এ নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট www.mopme.gov.bd এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট www.dpe.gov.bd -তে ফলাফল পাওয়া যাবে। উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরা মোবাইলেও মেসেজ পাবেন।

মৌখিক পরীক্ষার তারিখ, সময় ও স্থান পরবর্তীতে জানানো হবে।

নির্বাচিত প্রার্থীদের তালিকা দেখতে ক্লিক করুন

 

ফরিদপুরের কানাইপুরে বাস-পিকআপ সংঘর্ষ – নিহত ১৩

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

ফরিদপুরের কানাইপুরে বাস ও পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন আরও ৮ জন।

মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে ফরিদপুরের কানাইপুরের দিকনগর এলাকায় ফরিদপুর–খুলনা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহতেরা সবাই পিকআপের যাত্রী। তবে নিহতদের এখনো পরিচয় পাওয়া যায়নি।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, যাত্রীবাহী বাসটি ফরিদপুর থেকে যশোরের উদ্দেশে যাচ্ছিল। দিকনগরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

করিমপুর হাইওয়ে থানার ওসি সালাউদ্দিন চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে হতাহতদের নাম ঠিকানা জানা সম্ভব হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে- একটি পরিবারের লোকজন পিকআপ ভাড়া করে ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছিলেন।

ডুবে যেতে পারে ১৩ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বিমান বন্দর

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

২৯ বছর আগে ১৯৯৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে যাত্রা শুরু করে জাপানের কানসাই আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর। জাপানের ওসাকা,কিয়োটো কোবের মতো ব্যস্ত শহর থেকে নিকটতম আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর এটি।

ওসাকা স্টেশন থেকে ৩৮ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে ওসাকা বের ঠিক মাঝখানে দুটি কৃত্রিম দ্বীপের ওপর  তৈরি হয়েছে এ বিমানবন্দর।

কিন্তু যে দুটি কৃত্রিম দ্বীপের ওপর বিমান বন্দর তৈরি করা হয়েছে তা ক্রমেই সমুদ্রের তলায় ডুবে যাচ্ছে। এমনকি,মূল ভূখণ্ড থেকেও ধীরে ধীরে দূরে সরে যাচ্ছে এ বিমানবন্দর। বিশেষজ্ঞদের দাবি,ইতোমধ্যেই কৃত্রিম দ্বীপের ৩৮ ফুটেরও বেশি ডুবে গেছে।

২০৫৬ সালের মধ্যে আরও ১৩ ফুট সমুদ্রের তলায় ডুবে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

দুটি কৃত্রিম দ্বীপের ওপর বিমান বন্দর তৈরি করতে জাপান খরচ হয়েছিল ১৩ লাখ কোটি টাকারও বেশি। কৃত্রিম দ্বীপ দুটি নির্মাণ করতে প্রথমে সমুদ্র পৃষ্ঠের ওপর পাঁচ ফুট উচ্চতার মাটি দেওয়া হয়। তার উপর গেঁথে দেওয়া হয়

১৬ ইঞ্চি ব্যাসের ২২ লাখ পাইপ।

জমির ভিত শক্ত করতে পাইপের ওপর মাটির সঙ্গে কাদা বালি মেশানো হয়। ওসাকা বের ওপর তৈরি দুটি কৃত্রিম দ্বীপের জমি ছিল ভেজা স্পঞ্জের মতো। সেই জমি পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে তারপর শুরু হয় বিমানবন্দর নির্মাণের কাজ। ষাটের দশকে টোকিয়ো শহরের সঙ্গে কানসাই এলাকার বাণিজ্যের কথা চিন্তা করে কোবে ওসাকা শহরের কাছা কাছি একটি বিমানবন্দর তৈরির পরিকল্পনা থেকেই এ বিমানবন্দর নির্মাণের পদক্ষেপ নেয় জাপান সরকার।

প্রথমে ভাবা হয়েছিল ইটামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পুনঃনির্মাণ করে আরও বর্ধিত করা হবে। কিন্তু ইটামি  টোয়োনাকা শহরের কাছে এত উঁচু আবাসন রয়েছে যে বিমানবন্দর তৈরির জন্য ফাঁকা জমি পাওয়া দুষ্কর হয়ে ওঠে। এমনকি সেখানকার বাসিন্দারাও আপত্তি জানাতে শুরু করেন। বিমানবন্দর তৈরি হলে শব্দদূষণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে দাবি জানান তারা। তাই সেই পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়।

কোবে শহরে নতুন বিমানবন্দর তৈরির চিন্তাভাবনা করা হলেও সেই চিন্তা থেকে সরে আসে জাপান সরকার।

এরপর সমুদ্র পৃষ্ঠের ওপর দুটি কৃত্রিম দ্বীপ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় দেশটি।

১৯৮৭ সাল থেকে দ্বীপ নির্মাণের কাজ শুরু হয়। ২৬০০ একর জমির ওপর কৃত্রিম উপায়ে দুটি দ্বীপ তৈরি করে তার ওপর তৈরি হয় কানসাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ১৯৯০ সালে কৃত্রিম দ্বীপ দুটি তিন কিলোমিটার দীর্ঘ সেতুর মাধ্যমে যুক্ত করা হয়। সেতু নির্মাণের চার বছর পর সম্পূর্ণ ভাবে কার্যকর হয় কানসাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

১৯৯৫ সালের ১৭ জানুয়ারি ভূমিকম্প হয় জাপানে। ভূমিকম্পের ফলে জাপানের হোনসু দ্বীপে ৬,৪৩৪ জন মারা যান। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিও হয়। কিন্তু কানসাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছিল সম্পূর্ণ অক্ষত। এরপর ১৯৯৮ সালে এই এলাকায় আঘাত হানা মারাত্মক ঘূর্ণিঝড়ও বিমান বন্দরের কোনো ক্ষতি করতে পারেনি।

তবে ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বরের ঘূর্ণিঝড়ে বেশ ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয় কানসাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়,কয়েকটি বিমানের ইঞ্জিনের ভেতর পানি ঢুকে যায়। বিমানবন্দরের ভেতর আটকে পড়েন বহু যাত্রী। যে সেতুর মাধ্যমে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে বিমান বন্দরের যোগাযোগ ছিল সেই সেতুর ওপর একটি ট্যাঙ্কার আছড়ে পড়ে সেতুর কিছু অংশ ভেঙে পড়ে। দুদিন বিমান ওঠা নামা বন্ধ থাকে বিমানবন্দরে।

ঘূর্ণিঝড়ের এক মাস পর কানসাই আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরটি সম্পূর্ণভাবে চালু হয়। ২০১৯ সালের ৮ এপ্রিলের মধ্যে সেতুর কাজ শেষ হয়। ২০১৬ সালের গণনা অনুযায়ী কানসাই আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে মোট ২ কোটি ৬০ লাখ যাত্রী যাতায়াত করেছেন। সেই সময় জাপানের তৃতীয় ব্যস্ততম এশিয়ার ত্রিশতম ব্যস্ত বিমান বন্দর হিসেবে নাম লেখায় কানসাই বিমানবন্দর।

তবে কৃত্রিম দ্বীপের প্রতিনিয়ত ডুবে যাওয়ার ঘটনা চিন্তায় ফেলেছে জাপান সরকারকে। তা হলে কী এই বিমান বন্দরটি কয়েক দশকের মধ্যে সমুদ্রের তলায় চলে যাবে?

না কি এর বিকল্প হিসেবে অন্য কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে? সূত্রঃ ফেসবুক

Daily World News

বুড়ামজুমদার যুব সংঘের পক্ষ থেকে ৫০ টি পরিবারকে ঈদ উপহার প্রদান

পরিচালক সোহানুর রহমানের মেয়ে সামিয়া রহমান সৃষ্টি লাশ উদ্ধার

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

বাংলাদেশে অনেক জনপ্রিয় চলচ্চিত্র নির্মাতা সোহানুর রহমানের মেয়ের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বিশেষ করে চির সবুজ নায়ক সালমান শাহ ও শাবনূরের অনেক জনপ্রিয় ছবির নির্মাতা ছিলেন এই পরিচালক। মৌসুমী ও সালমান শাহকে নিয়ে প্রথম চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন করেন এই পরিচালক। যে ছবিটির নাম ছিল কেয়ামত থেকে কেয়ামত।

জানা যায়, রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে জনপ্রিয় চলচ্চিত্র পরিচালক মরহুম সোহানুর রহমান সোহানের মেয়ে সামিয়া রহমান সৃষ্টির (৩৪) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ক্যামব্রিয়ান স্কুল সংলগ্ন ‘রংধনু’ আবাসিক হোটেলের ২১০ নম্বর কক্ষ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

এদিকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাব্বির হোসেন জানান, সন্ধ্যার দিকে হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছে খবর পেয়ে হোটেলের দ্বিতীয় তলার ২১০ নম্বর কক্ষ থেকে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। তার লাশ এসময় জানালার গ্রিলের সাথে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখা যায়।

পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, মৃত সামিয়া রহমান উত্তরা ২ নম্বর রোডের ৩ নম্বর সেক্টরে স্বামী তানিমের সাথে থাকতেন। কয়েক দিন আগে পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্বামীর সাথে ঝগড়া করে বাসা থেকে বের হন সামিয়া।

রোববার দুপুরে যাত্রাবাড়ীর এ হোটেলে ওঠেন তিনি। ইফতারের সময় হোটেল কর্তৃপক্ষ ইফতার নিয়ে ওই কক্ষের দরজা নক করে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে ভেতর থেকে তার লাশ উদ্ধার করে।

পরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) মর্গে পাঠানো হয়।