বরিশালে ইউএনও বাসভবনের হামলায় বিসিসির মেয়রসহ ৬০২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

 

বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বাসভবনে হামলা ও পুলিশের কাজে বাধা প্রদানের অভিযোগে পৃথক মামলা করা হয়েছে। দুটি মামলাতেই প্রধান আসামি করা হয় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি) মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে।

বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দুটি করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরুল ইসলাম। উভয় মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহকে। এ ছাড়া ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের কর্মচারীরা মামলার আসামির তালিকায় রয়েছেন।

ওসি নুরুল ইসলাম জানান, পুলিশের সরকারি কাজে বাধা প্রদান, সাধারণ মানুষকে মারধর, ভাঙচুর ও গুলিবর্ষণের অপরাধে কোতোয়ালি থানার এসআই শাহজালাল মল্লিক বাদী হয়ে থানায় মামলাটি করেন। মামলায় ৯৪ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনিবুর রহমান বাদী হয়ে ২৮ জনের নামে ও অজ্ঞাতনামা ৮০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলায় প্রধান আসামি করা হয় বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহকে। মামলায় অভিযোগ করা হয়, সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর নির্দেশে উপজেলা কম্পাউন্ডে শোক দিবস উপলক্ষে বরিশাল সদর আসনের সংসদ সদস্য ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছিল।

এ বিষয়ে বারণ করায় তারা সংঘবদ্ধ হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনে হামলা চালান। মামলায় আরও আসামি করা হয়েছে ২১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ সাইয়েদ আহম্মেদ মান্না, জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সাজ্জাদ সেরনিয়াবাত, আতিকুল্লাহ মুনিম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদক রাজীব হোসেন খান, মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক পরিমল চন্দ্র দাস, মহানগর ছাত্রলীগ নেতা অনিক সেরনিয়াবাত, রইজ আহম্মেদ মান্না, বিসিসি মেয়রের পিএস সুমন সেরনিয়াবাত, মনির সরদার, ফাইজুল সেরনিয়াবাত, বিসিসির প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস, ২৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্পাদক জগলুল মোর্শেদ প্রিন্সসহ নামধারী ২৮ জন।

এই মামলায় অজ্ঞাত আরও ৮০ জনকে আসামি করা হয়েছে। কোতোয়ালি থানার ওসি নূরুল ইসলাম আরও বলেন, এখন পর্যন্ত মামলার ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদেরও গ্রেফতারে অভিযান চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

//নিজস্ব প্রতিবেদক ::বরিশাল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

 সরকারি চাকরিপ্রার্থীরা বয়সে ২১ মাসের ছাড় পেলেন

জাতীয় শোক দিবসের ব্যানার খোলা নিয়ে বরিশাল সদর ইউএনও অফিস ক্যাম্পাসে সংঘর্ষ: আহত ৩৫

 

দিঘলিয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান ফিরোজ মোল্লাকে শোকজ

দিঘলিয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান এবং তাঁর এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী কর্তৃক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে দু’দফা লাঞ্চিত করার ঘটনায় লাঞ্চনাকারী চেয়ারম্যানকে কারণ দর্শানো নোটিশ এবং নোটিশ প্রাপ্তির ৭ কার্য দিবসের মধ্যে লিখিত জবাব চেয়ে ঠিঠি দিয়েছেন দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহাবুবুল আলম।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় থেকে ৬৫৮ নং স্মারকে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, কোভিড -১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত গত ৭ আগষ্ট গণটিকা প্রদান কর্মসূচীতে দায়িত্ব পালনরত দিঘলিয়া (দঃ) সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে মানষিক নিগৃহের জন্য কারণ দর্শানো প্রসঙ্গে, পত্র প্রাপ্তির ৭ কার্য দিবসের মধ্যে নিগৃহকারী দিঘলিয়া সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোল্যা ফিরোজ হোসেনকে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

গত ৭ আগষ্ট দিঘলিয়া এম এ মজিদ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সরকারের গণটিকা কার্যক্রমে স্বেচ্ছাশ্রমের বিনিময়ে দায়িত্ব পালন করতে যেয়ে দু’ দফা লাঞ্চনার শিকার হন দিঘলিয়া (দঃ) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ সিদ্দিকুর রহমান। ১ম দফা লাঞ্চিত করেন ঐ চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী সদ্য বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে যোগদানকারী বাবু খান। ২য় দফা লাঞ্চনার শিকার হন দিঘলিয়া সদর ইউনিয়নের নানা কারণে আলোচিত চেয়ারম্যান মোল্যা ফিরোজ হোসেন কর্তৃক। ঘটনাটি নিয়ে এলাকাবাসী এবং দিঘলিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষকদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ঘটনার একদিন পর জরুরী সভা ডেকে হেনস্তাকারী শিক্ষকের মর্যাদার সামান্যতম হের ফের হলে বা সন্মানজনক কোন সিদ্ধান্ত বা পদক্ষেপ নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে না আসলে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় কর্মসূচী ঘোষণা করা হবে মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

পরে শিক্ষকরা শিক্ষক লাঞ্চনাকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একযোগে উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ মারুফুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহাবুবুল আলম, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মমতাজ শিরীন ময়না এবং উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আলী রেজা বাচার নিকট স্বারকলিপি প্রদান করেন।

// স্টাফ রিপোর্টার //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ভাইস প্রেসিডেন্ট আমরুল্লাহ সালেহ নিজেকে আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করলেন

 

পাবজি- ফ্রি ফায়ার গেম বন্ধ: নির্দেশ হাইকোর্টের

//অনলাইন ডেস্ক//

পাবজি- ফ্রি ফায়ার বন্ধ করার পাশপাশি টিকটক, বিগো লাইভ, লাইকি ধরণের আ্যাপস কেন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হবেনা তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালাত।

আজ সোমবার বিচারপতি মো: মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো: কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

 

 

দুর্নীতির অভিযোগে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ১২জন চাকরিচ্যুত

নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ১২জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী কে সিটি কর্পোরেশন৷থেকে স্হায়ী ভাবে চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে বলে বিবিসি কার্যালয় সূত্র থেকে জানা যায়।

শনিবার (১৪ আগস্ট) বরিশাল সিটি কর্পোরেশন সুত্র থেকে জানা যায় ২০১৯ সালে ২৯ জানুয়ারি ৩২ জন্য কর্মকর্তা কর্মচারী কে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ওএস ডি করা হয়েছিল।

বিভিন্ন সময় তাদের মধ্যে কয়েকজনকে চাকুরীচ্যুত করা হয়। অবশেষে গত ১২ আগস্ট চিঠির মাধ্যমে ১২জনকে চাকুরীচ্যুত করা হয়েছে। তিন মাসের বেতন পরিশোধপূর্বক তাদের চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে বলে জানা যায়। চাকুরীচ্যুতরা হলেন কাজী মনিরুল ইসলাম সহকারী প্রকৌশলী বিদ্যুৎ,ডাঃ আব্দুল মতিন প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, হুমায়ুন কবির নির্বাহী প্রকৌশলী, কমল মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, জহিরুল ইসলাম চিফ অ্যাসেসর,মোঃ আজম জনসংযোগ কর্মকর্তা, মোঃ রুমেন অ্যাস্টেট অফিসার (সম্পত্তি শাখা), মাহবুবুর রহমান শাকিল হিসাবরক্ষক, মোঃ মাইনুদ্দিন আইন সহকারী, রফিকুল ইসলাম অফিস সহকারী,ও আব্দুস সালাম এবং মোঃ হায়াতুল।

এ বিষয় চাকুরীচ্যুত কাজী মনিরুল ইসলাম বলেন আমার বিরুদ্ধে যে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে তা সঠিক নয়। আমাকে যখন ওএসডি করা হয় তখন বেতনের একটা অংশ দেওয়ার নিয়ম থাকলেও তা দেওয়া হয়নি।

//পলাশ চক্রবর্ত্তী, বিশেষ প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদৎ বার্ষিকী

 

সাতক্ষীরায় হারিয়ে যাওয়া ২৮ মোবাইল ফোন উদ্ধার করে মালিকের কাছে হস্তান্তর

 নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
করোনার কারণে কর্মহীন পড়েছে এক শ্রেণীর মানুষ। ফলে শহর ও গ্রাম এলাকায় চুরি,ডাকাতি ও ছিনতাই পূর্বের থেকে বেড়ে গেছে।এক শ্রেণীর মোবাইল চোর বিভিন্ন কৌশলে মোবাইল ছিনতাই ও চুরি করে বিক্রি করে।
এ রকম কয়েক গ্রুপ সক্রিয় আছে সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন উপজেলায়। আর তাদের কারণে অনেক সাধারণ মানুষ মোবাইল ফোনের সাথে থাকা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হারিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন থানায়।
এসব অভিযোগের ভিত্তিতে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের একটি চৌকস টীম সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অভিযান পরিচালনা করে INFINIX -১ টি, SAMSUNG Galaxy – ৪ টি, UMIDIG-১ টি, OPPO-৩ টি, VIVO-৪ টি,REDMI, -১ টি, Syamphony -১ টি,ITEL-২ টি,LAVA -১ টি, TECNO- ৪ টি,REALME -১ টি,HUAWEI – ১ টি, WALTON PRIMO-১ টি ও One plus-১ টিসহ মোট ২৮ মোবাইল ফোন উদ্ধার করেন। উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনগুলি আজ ১৪ আগস্ট রোজ শনিবার প্রকৃত মালিকগণের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পঞ্চগড়ে ১বছর পর তরুনী উদ্ধার, গ্রেফতার-০১

 

পঞ্চগড়ে তরুণী উদ্ধার গ্রেপ্তার ০১ গতকাল ০৯ আগষ্ট সোমবার ঠাকুরগাঁও ইসলামবাগ হতে অপহৃত তরুনীকে উদ্ধার করেছে পঞ্চগড় জেলার বোদা থানা পুলিশ। ঘটনার সুত্রপাতঃ- পঞ্চগড় জেলার বোদা থানাধীন গুয়াগ্রাম প্রধান পাড়া এলাকার নবম শ্রেনীতে পড়ুুয়া তরুনী মোছাঃ আশরাফিয়া আরা প্রধান ঝুমুর (১৭) কে ধৃত আসামী মোঃ লিপন ইসলাম @ আক্কু , পিতা-মোঃ রফিকুল ইসলাম (অফফের), সাং-পাঁচপীর, থানা-বোদা, জেলা-পঞ্চগড় গত-১৭-০৬-২০২০ খ্রিঃ সন্ধায় কৌশলে সিএনজি জোগে অপহরন করে ঢাকা, খুলনা, গাজীপুর, কিশোরগঞ্জ এবং চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় উক্ত তরুনীকে নিয়ে অবস্থান করেন।

উক্ত তরুনীর বাবা তার মেয়েকে অনেক খুঁজাখুঁজির পরে তার মেয়েকে উদ্ধার করতে না পেরে গত ২১-০৬-২০২০ খ্রিঃ বোদা থানা একটি অপহরন মামলা রুজু করেন। তাৎক্ষণিক সময়ে সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ ইউসুফ আলী মহোদয় ভিকটিম উদ্ধারের জন্য অফিসার ইনচার্জ বোদা থানাকে নির্দেশনা দেন।

শুরু হয় পুলিশি তৎপরতা, অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবু সাঈদ চৌধুরী ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ জাহিদুল ইসলাম এর নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম নিয়ে ভিকটিম উদ্ধারে বেরিয়ে পরেন। শুরু হয় বিভিন্ন এলকায় অনুসন্ধান ও অভিযান পরিচালনা।

এক পর্যায়ে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং অপহরনকারীদের মোবাইল ফোনের সুত্র ধরে আসামী মোঃ লিপন ইসলাম @ আক্কু কে ০৯ আগষ্ট ২০২১ খ্রিঃ সোমবার ঠাকুরগাঁও কালিবাড়ি হতে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তিতে ধৃত আসামী মোঃ লিপন ইসলাম @ আক্কু এর দেখানো মতে ঠাকুরগাঁও জেলার ইসলামবাগ এলাকা হতে ভিকটিম মোছাঃ আশরাফিয়া আরা প্রধান ঝুমুর (১৭) কে উদ্ধার করেন পঞ্চগড় জেলার বোদা থানা পুলিশ।

একপর্যয়ে পুলিশি তৎপরতায় অপহৃত তরুনী উদ্ধার হওয়ায় তরুনীর বাবা বোদা থানা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

// নিতিশ চন্দ্র বর্মন, পঞ্চগড়//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

শিয়ালীতে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে উপজেলা প্রশাসনের আর্থিক সহযোগিতা প্রদান

 

পটুয়াখালী ছাএলীগ নেতা, ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি আবু বক্কর সিদ্দিক গ্রেফতার

র‌্যাব-৮, সিপিসি-১ (পটুয়াখালী ক্যাম্প) এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল ০৮/০৮/২০২১ইং তারিখে পটুয়াখারী জেলার সদর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযান পরিচালনাকালে আনুমানিক ১১:১০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, পটুয়াখালী জেলার সদর থানাধীন প্রেস ক্লাব এলাকায় (পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া থানার মামলা নং-২১, জিআর নং-১৪৯, ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০(সংশোধনী)২০০৩ এর ৭/৯(১)) এর ধর্ষন মামলার এজাহার নামীয় পলাতক আসামী অবস্থান করছে।

প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের আভিযানিক দল লেঃ কমান্ডার মোঃ শহিদুল ইসলাম, (এস), পিসিজিএমএস, বিএন এর নেতৃত্বে দুপুর আনুমানিক ১২:০৫ ঘটিকায় উক্ত স্থানে উপস্থিত হলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে ঘেরাও পূর্বক ০১ জন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে তার নাম মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক (২৫), পিতা-মোঃ মসহীন হাওলাদার, সাং-পাঁচজুনিয়া, থানা-কলাপাড়া, জেলা-পটুয়াখালী বলে জানায়। গ্রেফতারকৃত আসামী স্বীকার করে যে, পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া থানার (মামলা নং-২১, জিআর নং-১৪৯, ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী) ২০০৩ এর ৭/৯(১)) এর ধর্ষণ মামলার এজাহার নামীয় পলাতক আসামী।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া থানার (মামলা নং-২১, জিআর নং-১৪৯, ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী) ২০০৩ এর ৭/৯(১)) মূলে হস্তান্তর করা হয়।

//পটুয়াখালী প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশালে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের স্বীকার, অভিযুক্ত কিশোর গ্রেফতার

 

পটুয়াখালীতে যাবজ্জীবন সাজা প্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

 //মোঃ তুহিন শরীফ, নিজস্ব প্রতিনিধি//

পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশ গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে আঃজব্বার চৌকিদার (৫০) নামে একজন যাবজ্জীবন আসামী কে গ্রেফতার করেছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পটুয়াখালী সদর থানার পরিদর্শক মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে সদর উপজেলার পক্ষিয়া বাজারের উত্তর পার্শ্ব থেকে আঃ জব্বার চৌকিদার (৫০)কে গ্রেফতার করে।

(জি আর মামলা নং ৫৮৪/৯৮)গ্রেফতার কৃত আসামী সদর উপজেলার পশ্চিম আউলিয়াপুর গ্রামের মৃত ইউসুফ চৌকীদার ওরফে লতিফ চৌকিদার এর পুএ।

গ্রেফতার কৃত আসামী কে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।উল্লেখ্য পটুয়াখালীর বিশেষ দায়রা জজ আদালত ২৭/২/০৭ সনে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করে এবং ৫০০০ টাকা অর্থ দণ্ড প্রদান করে।

নোয়াখালীতে গণধর্ষণে জড়িত ৪জন গ্রেফতার : ভিকটিম উদ্ধার

নোয়াখালীর জেলার হাতিয়ায় হাতিয়া থানা পুলিশ ও নিঝুমদ্বীপ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশের যৌথ অভিযানে নোয়াখালীতে গণধর্ষণে জড়িত ৪জন আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় আসামীদের থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়।

সোমবার সন্ধ্যায় নোয়াখালী পুলিশ সুপার মোঃ শহিদুল ইসলাম, পিপিএম এর দিক নির্দেশনায় হাতিয়া থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে হাতিয়া থানা পুলিশ ও নিঝুমদ্বীপ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশের যৌথ অভিযানে গণর্ধষণের সাথে সম্পৃক্ত চার জন আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আসামীরা হলো- নিঝুমদ্বীপ ইউপির ৪নং ওয়ার্ড, জেলে কলোনীর এনায়েতের ছেলে আক্তার (২৭), ৮নং ওয়ার্ডের বান্দাখালীর মাকসুদুল হক ছেলে হক সাব (৩৪), ৭নং ওয়ার্ডের মদিনা গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে সোহেল প্রকাশ ওরপে রোহিঙ্গা সোহেল (৩০), ৪নং ওয়ার্ড জেলে কলোনীর মৃত সাইদুল হকের ছেলে রাশেদ মাঝি (৪২)। এসময় তাদের নিকট হতে ভিকটিম আফসানা আক্তার (২৫) কে উদ্ধার করা হয়।

উল্লেখ্য, ভিকটিম আফসানা আক্তার (২৫) চট্টগ্রামে গার্মেন্টস্ ফ্যাক্টরীতে কাজ করে। ঘটনার দিন অর্থাৎ ০৩/০৮/২০২১ খ্রিঃ সন্ধ্যা ০৭.০০ ঘটিকায় তার শিশু কন্যা আরিফা (১.৫ বছর) সহ চট্টগ্রাম থেকে তার স্বামী মোঃ সোহেল প্রঃ রোহিঙ্গা সোহেল এর নিকট যাওয়ার জন্য হাতিয়া থানাধীন নিঝুমদ্বীপ ঘাটে পৌঁছলে ভিকটিমের স্বামী আসামী সোহেলসহ সঙ্গীয় ০৭ জন এবং অজ্ঞাতনামা ০৩ জন আসামী ভিকটিম আফসানা আক্তারকে হাতে ও মুখে ওড়না দ্বারা বেঁধে হাতিয়া থানাধীন নিঝুমদ্বীপ ইউপির ০৮ নং ওয়ার্ডস্থ বান্দাখালি সাকিনের মোক্তারিয়া ঘাট হতে ০.৫ কিলোমিটার পূর্ব দিকে নদীর পাড়ে নিয়ে যায়।

সেখানে তার স্বামী আসামী সোহেলের সহযোগিতায় অন্যান্য আসামীরা ভিকটিমকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ বিষয়ে মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

// মোহাম্মদ উল্যাহ্ ভূইঁয়া, নোয়াখালী//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রূপসা স্বাস্থ‍্য কমপ্লেক্সে করোনা রোগীদের জন্য ‘বেড’ প্রদান করলেন সালাম মূর্শেদী এমপি

Daily World

 

রাণীশংকৈল নেকমরদ হাটে ৬০হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ ও ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে (১ আগষ্ট রবিবার) ৮ ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা ও প্রায় ৬০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করেছে। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)প্রীতম সাহা। এ সময় ভূমি অফিসের অফিস সহকারী পেশকার সোয়েব আলী ও বিজিবি আনসার বাহিনী উপস্থিত ছিলেন।

 

উপজেলার নেকমরদ হাটে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল বিক্রির অভিযোগে ৫ জন ব্যবসায়ীকে প্রায় ৬০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জদ্বসহ উপজেলার বাসনাহার গ্রামের মজিবরের ছেলে মানিক(৪২) একই গ্রামের জব্বার আলীর ছেলে জুয়েল (৩৪) ভবানন্দপুর গ্রামের আমিরুলের ছেলে রাজ(২০) ও আজগর আলীর ছেলে আবু তালেব(২০) করনাইট গ্রামের আঃ সাত্তারের ছেলে ওসমান(২৯) কে ৩ হাজার ৫০০ শত টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অপরদিকে ২ জন কাপড় ব্যাবসায়ী লকডাউন অমান্য করে দোকান খুলা রাখার দায়ে ১ হাজার টাকা ও ১ জন টিন দোকান মালিককে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে একইসাথে হাট ইজারাদার হালিমকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রীতম সাহা বলেন সরকারি আইন অমান্য করে কারেন্ট জাল বিক্রি করার অপরাধে মৎস্য রক্ষা সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ এর ৪ ক ধারা মোতাবেক কারেন্ট জাল জদ্ব করে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং ৫ ধারা মোতাবেক জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে লকডাউন অমান্য করে হাট ইজারাদার হাট বসানোর দায়ে এবং কাপড় ব্যাবসায়ী দোকান খুলা রাখার অপরাধে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা করা হয়।