রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ বনাম জেলেনস্কিকে ন্যাটোর আমন্ত্রণ

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে মাদ্রিদে নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো) জোটের শীর্ষ সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংস্থাটির ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল মিরসিয়া জোয়ান।

ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানা গেছে, ন্যাটোর সম্মেলনটি এ বছরের ২৮ ও ২৯ জুন স্পেনের মাদ্রিদে অনুষ্ঠিত হবে।

মিরসিয়া জোয়ান জানিয়েছেন, এই শীর্ষ সম্মেলনে প্রথমবারের মতো প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে অংশগ্রহণ করবে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া।

তিনি আরও জানান, অবশ্যই ন্যাটোর পরিবর্ধন এবং দরজা খোলা রাখার নীতি আলোচনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে।

আমরা আশা করি, ফিনল্যান্ড ও সুইডেন আমাদের তালিকায় যুক্ত হবে। অবশ্যই আমাদের ইউক্রেনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি কোনো না কোনোভাবে আমাদের শীর্ষ সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন। সেটি মাদ্রিদে।

এদিকে স্পেনের সরকারের বরাত দিয়ে ইউরোপা প্রেস জানিয়েছে, মাদ্রিদে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে ভলোদিমির জেলেনস্কিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণপত্র পাঠানোর পরিকল্পনা করছে স্পেন।

তবে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্র কুলেবা হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ন্যাটো সম্মেলনে ইউক্রেনের জন্য ইতিবাচক সিদ্ধান্ত তিনি আশা করেন না। সূত্র: এনডিটিভি।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ২০০ সৈন্য হারাচ্ছে ইউক্রেন- জেলেনস্কির উপদেষ্টা

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমিরি জেলেনস্কির একজন জ্যেষ্ঠ সহযোগী বলেছেন, যুদ্ধের ময়দানে ইউক্রেন প্রতিদিন ১০০ থেকে ২০০ সৈন্য হারাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার এক সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কির উপদেষ্টা মিখাইলো পদোলিয়াক এই তথ্য জানান। খবর বিবিসির।

জেলেনস্কির এই ঘনিষ্ঠ সহযোগী বলেন, দোনবাস অঞ্চলে রাশিয়ার সঙ্গে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড করতে ইউক্রেনের শত শত পশ্চিমা আর্টিলারি ব্যবস্থা প্রয়োজন। এই মুহূর্তে কিয়েভ মস্কোর সঙ্গে শান্তি আলোচনায় বসতে রাজি না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মিখাইলো পদোলিয়াক বলেন, রাশিয়া দোনবাসের দখল নিতে মরিয়া। এ কারণে তারা ইউক্রেনীয় সেনাদের ওপর নির্বিচারে বোমাবর্ষণ করছে। অঞ্চলটিতে রুশ সেনারা সব ধরনের অপরমাণু অস্ত্র- ভারি আর্টিলারি, মাল্টিপল রকেট লঞ্চার সিস্টেমস এবং বিমান হামলা চালাচ্ছে।

পশ্চিমা দেশগুলোর কাছে আরও অস্ত্র দেওয়ার অনুরোধ পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমাদের এত বেশি সেনা নিহত হওয়ার কারণ, ইউক্রেন-রুশ সেনাদের মধ্যে সম্পূর্ণ বৈসাদৃশ্য।

রাশিয়ার বোমা হামলা, ইউক্রেনের সেনারা পিছিয়ে যেতে বাধ্য হন

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

লুহানেস্ক প্রদেশের সেভেরোদোনেৎস্কের যুদ্ধের সম্মুখভাগ থেকে পিছিয়ে গেছে ইউক্রেনের সেনারা। রাশিয়া সেখানে বোমা হামলা করার পর ইউক্রেনেীয় সেনারা পিছিয়ে যেতে বাধ্য হন।

বুধবার এমন তথ্য জানিয়েছেন লুহানেস্কের গভর্নর সেরহি হাইদাই।

তিনি বলেছেন, ইউক্রেনীয় সেনাদের হাতে এখন শুধুমাত্র শহরটির উপকণ্ঠের দখল রয়েছে।

বিবিসি- ইউক্রেনের সঙ্গে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গভর্নর সেরহি হাইদাই বলেছেন, রাশিয়ার সেনারা গোলাবর্ষণ ও বিমান হামলা করে শহরটি মিলিয়ে দেওয়ার কাজ শুরু করার পর শহরের ভেতর ইউক্রেনীয় সেনাদের থাকার কোনো মানে হয় না।

আঞ্চলিক নেতারা জানিয়েছেন, ইউক্রেনীয় সেনাদের খুব সম্ভবত নিরাপদ অবস্থানে চলে আসতে হবে যেখানে তাদের অবস্থান শক্তিশালী।

শুধুমাত্র শহরের উপকণ্ঠ দখলে থাকার বিষয়টি জানিয়ে গভর্নর বলেন, আমাদের সেনারা আবার শুধুমাত্র উপকণ্ঠ দখল করেছে। কিন্তু লড়াই এখনো চলছে। আমাদের সেনারা সেভেরোদোনেৎস্ক রক্ষা করছে। বলা যায় না রাশিয়ানরা পুরো সেভেরোদোনেৎস্ক দখল করেছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

রাশিয়া পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে সেভেরোদোনেৎস্ক

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

ইউক্রেন তুলনামূলক কম সেনা নিয়ে দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় দোনবাসের শিল্প শহরে লড়াই করছে বলে ঘোষণার পর রাশিয়া দাবি করছে, তার বাহিনী পূর্ব ইউক্রেনের সেভেরোদোনেৎস্কের আবাসিক এলাকাগুলোর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

লুহানস্ক অঞ্চলের এই শিল্প শহর দখলে সপ্তাহব্যাপী তীব্র লড়াই চলছে। বেসামরিক লোকেরা পালিয়ে গেছে এবং প্রায় ৮০০ উদ্বাস্তু একটি রাসায়নিক কারখানায় আশ্রয় নিয়েছে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু বলেন, সেভেরোদোনেৎস্ক শহরের আবাসিক এলাকাগুলো সম্পূর্ণ মুক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, রাশিয়ান সেনাবাহিনী এখনো শহরের শিল্প অঞ্চল এবং নিকটতম বসতিগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।

ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের প্রভাবে বিশ্বব্যাংক তার বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির অনুমিত হার কমিয়ে ২.৯ শতাংশ করেছে, যা গত জানুয়ারির পূর্বাভাসের চেয়ে ১ দশমিক ২ শতাংশ পয়েন্ট কম।

যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী খাদ্যসংকটের সতর্কতা ঘোষণার মধ্যে রাশিয়ান পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ ইউক্রেন থেকে খাদ্যশস্য সরবরাহে ‘নিরাপত্তা করিডোর’ নিয়ে আলোচনার জন্য তুরস্কে পৌঁছেছেন।

রাশিয়ান নৌবাহিনীর অবরোধের কারণে বিশ্বের অন্যতম খাদ্য রপ্তানিকারক ইউক্রেনের গম এবং অন্যান্য পণ্য জাহাজীকরণ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় খাদ্যশস্যের মূল্যবৃদ্ধি পাচ্ছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সোমবার বলেছেন, এ মুহূর্তে আমাদের কাছে প্রায় ২০ থেকে ২৫ মিলিয়ন টন খাদ্যশস্য আটকা পড়ে আছে। শরৎকালে তা বেড়ে দাঁড়াবে ৭০-৭৫ মিলিয়ন টন।

জাতিসংঘের অনুরোধে তুরস্ক তাদের উপকূলসহ সমুদ্রে মাইন থাকা সত্ত্বেও ইউক্রেনীয় শস্যবহনকারী জাহাজগুলো এসকর্ট করে শস্য সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছে। সূত্র: মস্কো টাইমস

Daily World News

খুলনার রূপসায় ধর্মীয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন হয়রানির প্রমাণ মিলছে। নিন্দা জ্ঞাপন

শ্রীলংকা আরোহীসহ আটকে দিয়েছে রাশিয়ার উড়োজাহাজ

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

শ্রীলংকার রাজধানী কলম্বোয় রাশিয়ার যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ আটকে দেওয়া হয়েছে। উড়োজাহাজটিতে প্রায় ২০০ আরোহী ছিল।

বৃহস্পতিবার উড়োজাহাজটি কলম্বো ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল। খবর বিবিসির।

এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কলম্বোর বন্দরনায়েক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিমানবন্দর ছাড়ার ঠিক আগে কলম্বোর বাণিজ্যিক আদালতের নির্দেশে উড়োজাহাজটি আটকে দেওয়া হয়।

শ্রীলংকায় আটকেপড়া উড়োজাহাজটি অ্যারোফ্লোটের। এটি রাশিয়ার সবচেয়ে বড় বিমান সংস্থা। ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পর নিষেধাজ্ঞার মুখে গত মার্চে সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ করেছিল অ্যারোফ্লোট। তবে এপ্রিলে কলম্বোর সঙ্গে আবার বিমান চলাচল শুরু করে সংস্থাটি।

মস্কোর কাঁধে চাপিয়ে দেওয়া আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে রাশিয়ার উড়োজাহাজ আটকে দেওয়ার কোনো সংযোগ আছে কিনা, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ওই উড়োজাহাজের সব যাত্রী ও ক্রুকে হোটেলে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বন্দরনায়েক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

এদিকে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে হামলা আরও জোরদার করেছে রাশিয়া। এ অঞ্চলে সেভেরোদোনেৎস্ক শহরে নিজেদের অবস্থান আরও বিস্তৃত ও দৃঢ় করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে রুশ বাহিনী। দোনবাস অঞ্চলে নিজেদের এই সামরিক অভিযানে বড় বিজয় দাবির আরও কাছে পৌঁছে যাচ্ছে তারা।

লুহানস্ক অঞ্চলের গভর্নর সেরহি হাইদাই বলেছেন, পূর্বাঞ্চলীয় সেভেরোদোনেৎস্ক শহরের রাস্তায় রাস্তায় এখন লড়াই চলছে। অবশ্য রুশ বাহিনী শহরের ৮০ ভাগ দখলে নিয়েছে। তিনি বলেন, কিছু সড়কে আমাদের প্রতিরোধকারীরা সফল হয়েছে।

অফিসিয়ালী তুরস্কের  নাম বদলে হচ্ছে ‘তুর্কি’

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

তুরস্ক প্রজাতন্ত্রের নাম পরিবর্তন করে ‘তুর্কি’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতিসংঘ। আঙ্কারার অনুরোধের প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘ তুরস্কের নাম পরিবর্তনের এ সিদ্ধান্ত নেয়।

বৃহস্পতিবার আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, বুধবার তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলুর কাছ থেকে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে সম্বোধন করা একটি চিঠি পাওয়া গেছে, যেখানে সব বিষয়ে ‘তুরস্ক’-এর পরিবর্তে ‘তুর্কি’ ব্যবহার করার অনুরোধ করা হয়েছে।

মুখপাত্র বলেন, চিঠি পাওয়ার পর থেকেই দেশের নাম পরিবর্তন কার্যকর হয়েছে। মঙ্গলবার কাভুসোগলু জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছে চিঠিটি আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠানো ঘোষণা দিয়েছেন।

কাভুসোগলু আনাদোলু এজেন্সিকে বলেন, ‘আমরা জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা, দেশগুলোর জন্য ‘তুর্কি’ ব্যবহারটা দেখতে চাচ্ছি।’

ইউক্রেনীয় সেনারা বলছে- আমরা আর যুদ্ধ করবোনা

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা করার পর পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলোতে যে বিষয়টি ফলাও করে প্রচার করা হয়েছিল সেটি হলো, রাশিয়ার সেনাদের যুদ্ধ করার মনোবল নেই।

অন্যদিকে ইউক্রেনের সেনাদের বিষয়ে বলা হয়েছিল, তাদের মনোবল অনেক চাঙ্গা। দেশকে রক্ষার জন্য নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে দিতেও দ্বিধা করছে না।

কিন্তু পুরো ইউক্রেনের চিত্রটা এক না। শুক্রবার গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট তাদের একটি রিপোর্টে জানিয়েছে, অনেক ইউক্রেনীয় সেনা যুদ্ধ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

তাদের অভিযোগ, তাদের কাছে পর্যাপ্ত অস্ত্র নেই। কমান্ডাররাও তাদের কোনো সহায়তা করছে না।

সেরহি লাপকো নামে একজন কোম্পানি কমান্ডার বলেন, আমাদের কমান্ড কোনো দায়িত্ব নেয় না। তারা শুধু আমাদের অর্জনগুলোর কৃতিত্ব নিয়ে নেয়। তারা আমাদের কোনো সহায়তা দেয় না।

তারা যুদ্ধ করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে এবং আটক কোর্ট মার্শালে বিচারের মুখোমুখি হচ্ছে।

এ নিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন পোস্ট। ভিডিওতে বলা হয়, এটি ইউক্রেনের ১১৫ ব্রিগেডের, ৩য় ব্যাটালিয়ন যারা সেভেরোদোনেৎস্কে যুদ্ধ করছে। তারা জানিয়েছে, তারা যুদ্ধ করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে কারণ তাদের কোনো যুদ্ধ কমান্ডার নেই। কোনো অস্ত্র নেই এবং সম্মানও নেই।

ভিডিওতে একজন সেনা বলেন, আমরা দুই সপ্তাহ ধরে এখন নতুন  রশদের জন্য অপেক্ষা করছি। আমাদের আসলে নিশ্চিত মৃত্যুর দিকে পাঠানো হচ্ছে।

তবে ইউক্রেনীয় সেনাদের যুদ্ধ করতে অস্বীকৃতি জানানোর বিষয়টি অনেক বিরল।

এই ব্যাটালিয়নেরই আরেকটি গ্রুপ অপর আরেকটি ভিডিওতে তাদের সহকর্মীদের সমালোচনা করে বলেছেন, তারা যুদ্ধক্ষেত্রে সহকর্মীদের ফেলে চলে গেছে। তাদের পলাতক বলে অভিহিত করে সেই গ্রুপটি।

অন্যদিকে মধ্য চেরাস্ককি অঞ্চলের আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা ব্যাটালিয়নের সদস্যরা জানান, তারা যুদ্ধ করতে চান। কিন্তু যুদ্ধ করার জন্য যে ভারি অস্ত্রের প্রয়োজন সেগুলো তাদের কাছে নেই। সূত্র: বিবিসি

English Dainikbiswa

৩৬ ভরি স্বর্ণালঙ্ক চুরি করল গৃহকর্মী সেজে থাকা জোসনা। অতঃপর….

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হতে পারে ইউক্রেন যুদ্ধ থেকেই- সোরোস

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণ তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হতে পারে এবং এর ফলে সভ্যতা হয়তো টিকে থাকবে না বলে সতর্ক করেছেন মার্কিন ধনকুবের ও ব্যবসায়ী জর্জ সোরোস। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের একটি প্যানেলে বার্ষিক বক্তব্যে জর্জ সোরোস বলেন, যুদ্ধ খুব দ্রুত শেষ করতে বিশ্বকে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে হবে।  সভ্যতা রক্ষার সবচেয়ে সেরা এবং একমাত্র উপায় হলো পুতিনকে যত দ্রুত সম্ভব পরাজিত করা।

তিনি বলেন, এই আগ্রাসনই হয়তো তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা এবং আমাদের সভ্যতা হয়তো এই যুদ্ধে টিকতে পারবে না।

এদিকে, বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে ইউক্রেন নিয়ে প্যানেল আলোচনায় প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেন, একবার প্রেসিডেন্ট (পুতিন) তার এই বিকল্প বাস্তবতার বুদ্বুদ থেকে বের হয়ে বাস্তব জগতে এসে আমাদের সঙ্গে কথা বলার জন্য প্রস্তুত হলে, বুঝবেন যে বেসামরিক লোকসহ প্রচুর মানুষ নিহত হচ্ছে। সম্ভবত তখন হয়তো তিনি বুঝবেন যে আমাদের কথা বলা শুরু করা উচিত এবং যে যুদ্ধ তিনি শুরু করেছেন তা বন্ধ হওয়া উচিত।

এ সময় জেলেনস্কি অভিযোগ করে বলেন, ইউক্রেনকে সহায়তা করা নিয়ে বিভক্ত হয়ে গেছে পশ্চিমা দেশগুলো।

তিনি বলেন, একতা হলো অস্ত্র নিয়ে। আমার প্রশ্ন হলো, এই একতা কি বাস্তবে আছে? আমি এটি দেখতে পাচ্ছি না। যখন আমরা সত্যিই এক হতে পারব তখনই রাশিয়ার ওপর সুবিধা পাব।

ভিডিও কলে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে ইউক্রেন নিয়ে প্যানেল আলোচনায় প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি সামরিক জোট ন্যাটোতে ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের সদস্য হওয়া নিয়ে যে ঐক্যমতের অভাব রয়েছে সেটিও তুলে ধরেছেন।

তুরস্ক ন্যাটোর অন্যতম শক্তিশালী ও গুরুত্বপূর্ণ সদস্য যে ফিনল্যান্ড-সুইডেনের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি আটকানোর চেষ্টা করছে। এমনকি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিস্যেপ তাইয়্যেপ এরদোগান সরাসরি বলেছেন, তিনি ফিনল্যান্ড-সুইডেনের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার আবেদনে ভেটো দেবেন।

ফিনল্যান্ড-সুইডেনের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রেও যে পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে দ্বিমত আছে সেটি তুলে ধরেছেন জেলেনস্কি।

এর আগে পুতিন বলেছিলেন, রাশিয়ান ভাষাভাষীদের ‘নব্য-নাৎসিদের’ হাতে গণহত্যা থেকে রক্ষা করার জন্যই মস্কোর এই আক্রমণ শুরু হয়। যদিও এই বক্তব্যের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

যদিও ইউক্রেনের একটি চরম ডানপন্থী ব্যাটেলিয়ন রয়েছে। রুশ আক্রমণ প্রতিরোধে ওই ব্যাটেলিয়ন ভূমিকাও পালন করছে। সেটাকেই হয়তো পুতিন যুদ্ধের অজুহাত হিসেবে কাজে লাগিয়েছেন। আক্রমণ শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পর পুতিন কিয়েভের নেতাদের ‘মাদক আসক্ত এবং নব্য-নাৎসিদের দল’ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন, যদিও জেলেনস্কি ইহুদি।

এর আগে মার্চ মাসে মার্কিন গোয়েন্দারা মূল্যায়ন করেছিলেন যে যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়ার প্রাথমিক ব্যর্থতাসহ পুতিনের উপদেষ্টারা তাকে যুদ্ধের পরিস্থিতি সম্পর্কে সঠিকভাবে অবহিত করছেন না।

জাতিসংঘ প্রধান ‘সকলের জন্য একটি ভাগাভাগির ভবিষ্যত’ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস রোববার ‘সকল জীবনের জন্য একটি ভাগাভাগির ভবিষ্যত গড়ে তুলতে’ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। খবর সিনহুয়ার।

ইন্টারন্যাশনাল ডে ফর বায়োলজিক্যাল ডাইভারসিটি দিবস পালন উপলক্ষ্যে দেয়া এক বিবৃতিতে গুতেরেস বলেন, ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জন, জলবায়ু পরিবর্তনে অস্তিত্বের হুমকির অবসান, জমির ক্ষয় বন্ধ, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মানব স্বাস্থ্যের অগ্রগতির সহায়তার জন্য জীব বৈচিত্র্য অত্যন্ত জরুরি।’ প্রতি বছর ২২ মে এ দিবস পালন করা হয়ে থাকে।

জাতিসংঘের এ শীর্ষ কর্মকর্তা সতর্ক করে দিয়ে বলেন, জমির তিন-চতুর্থাংশ ও সমুদ্র পরিবেশের ৬৬ শতাংশ মানুষের কর্মকা-ের কারণে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটার প্রেক্ষিতে প্রকৃতির বিরুদ্ধে এমন ‘বিবেকহীন ও ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ’ বন্ধের আহ্বান জানান তিনি।

মহাসবিচ বলেন, জীব বৈচিত্র্য সবুজায়ন ও ব্যাপক প্রবৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি করে। এ বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার পৃথিবীকে রক্ষায় ২০৩০ সাল নাগাদ লক্ষ্য অর্জনের পথে সুস্পষ্ট ও যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে একটি বৈশ্বিক জীব বৈচিত্র্য কাঠামো বিষয়ে সম্মত হওয়ার ব্যাপারে সম্মেলন করবে।

জাতিসংঘ প্রধান বলেন, পৃথিবীর জন্য অপরিহার্য এবং ভঙ্গুর প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করতে প্রত্যেকের অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

সুইডেনের প্রধানমন্ত্রীকে ন্যাটোতে যোগদান নিয়ে যা বললেন এরদোগান

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য ইতোমধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেছে রাশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশ সুইডেন-ফিনল্যান্ড। বরাবরই দেশ দুটির ন্যাটো সদস্য পদের বিরোধিতা জানিয়ে আসছে তুরস্ক। এবার ন্যাটো নিয়ে সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসনের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। বিবিসি শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

সুইডেন ও  ফিনল্যান্ড আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যাটো সদস্যপদের জন্য আবেদন করার পর শনিবার এরদোগান অ্যান্ডারসনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। এ সময় সুইডেন সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে দৃঢ় পদক্ষেপ নেবে বলে আশাপ্রকাশ করেন এরদোগান।

ফোনে এরদোগান ২০১৯ সালে সিরিয়ায় অনুপ্রবেশের পর তুরস্কের উপর আরোপিত অস্ত্র রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা উচিত বলে জানান।

স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোর বিরুদ্ধে কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (পিকেকে) এবং চরম বামপন্থী রেভুলেশনারি পিপলস লিবারেশন পার্টি-ফ্রন্ট (ডিএইচকেপি-সি) সদস্যদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের ন্যাটোতে যোগদানের ব্যাপারে বিরোধিতা করে আসছে তু্রস্ক।

তুরস্কের আপত্তি শর্তেও আঙ্কারার অবস্থান ন্যাটো যোগদান প্রক্রিয়ার জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াবে না বলে পশ্চিমা নেতারা আস্থা প্রকাশ করেছেন।