এ পর্যন্ত আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে ৯২০ জন নিহত

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

আফগানিস্তানে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯২০ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ভূমিকম্পে প্রায় ছয় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে তালেবান কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় পাকতিকা প্রদেশের খোস্ত শহর থেকে ৪৪ কিলোমিটার দূরের একটি স্থানে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ১টা ৩০ মিনিটের দিকে ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হয়।

সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করা বিভিন্ন পোস্টে ধ্বংসস্তুপ, ভেঙে পড়া বাড়িঘর এবং আহত মানুষদেরকে স্ট্রেচারে করে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে।

আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বুধবার এক টুইট বার্তায় জানিয়েছে, আহত ব্যক্তিদের নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য চিকিৎসকদের একটি দল এবং সাতটি হেলিকপ্টার ওই এলাকায় পাঠানো হয়েছে।

ভূমিকম্পটি আফগানিস্তান, পাকিস্তান এবং ভারতের ৫০০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে অনুভূত হয় বলে ইউরোপিয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিকাল সেন্টারের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও  বলা হয়েছে, আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল এবং পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদেও ভূমিকম্প অনভূত হয়েছে।

তালেবান সরকারের একজন মুখপাত্র বিলাল কারিমী বুধবার একটি টুইটারবার্তায় জানান, দূর্ভাগ্যজনকভাবে, গত রাতে এক তীব্র ভূমিকম্পে পাকতিকা প্রদেশের চারটি জেলায় কয়েকশ’ মানুষ হতাহত হয়েছে এবং অনেক বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে গেছে। আরও ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে আমি সব সাহায্য সংস্থাকে দ্রুত সেখানে তাদের দল পাঠানোর জন্য অনুরোধ করছি।

মার্কিন ভূতাত্তিক জরিপ সংস্থা ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে জানায়, ভূমিকম্পটি ছিল ৫ দশমিক ৯ মাত্রার।

ভূমিকম্পটি যখন আঘাত হানে, তখন অনেক মানুষ ঘুমিয়ে ছিলেন।

গত ১০ বছরে, দেশটিতে ভূমিকম্পে সাত হাজার জনেরও বেশি লোক নিহত হয়েছে বলে জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয়ের কার্যালয়ের রিপোর্টে জানা গেছে। ভূমিকম্পে দেশটিতে বছরে গড়ে ৫৬০ জন মারা যায়।

পুতিন: রাশিয়া কাউকে পরমাণু অস্ত্রের হুমকি দেয় না, তবে মস্কোর কাছে তা আছে

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

সেন্ট পিটার্সবার্গ ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক ফোরামের সময় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, রাশিয়া কাউকে পারমাণবিক অস্ত্রের হুমকি দেয় না, তবে কেউ ভুলে যাবেন না যে মস্কোর কাছে সেগুলো আছে।

পুতিনের মতে, কেউ প্রায়শই উচ্চ পর্যায়ের দায়িত্বজ্ঞানহীন রাজনীতিবিদদের পারমাণবিক যুদ্ধ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা সম্পর্কে কথা বলতে শুনতে পারেন। রাশিয়া সেই অনুযায়ী এই ধরনের বক্তব্যের জবাব দেয়, কিন্তু যত তাড়াতাড়ি রাশিয়ান পক্ষ প্রতিক্রিয়া জানায়, তারা “এটিকে আঁকড়ে ধরে এবং বলে যে রাশিয়া একটি হুমকি।”

“আমরা কোন হুমকি নই। তবুও, প্রত্যেকেরই জানা উচিত যে আমাদের কাছে কী আছে এবং আমাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রয়োজন হলে আমরা সেগুলি ব্যবহার করব,” তিনি জোর দিয়েছিলেন।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর পর পরমাণু যুদ্ধের বাকবিতণ্ডা আবারও গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। 27 ফেব্রুয়ারি, পুতিন কৌশলগত পারমাণবিক বাহিনী সহ প্রতিরোধকারী বাহিনীকে উচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করার নির্দেশ দেন। জুনের শুরুতে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ইয়ারস পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ব্যবহার করে অনুশীলন পরিচালনা করে।

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ পরমাণু সংঘাতের ঝুঁকিকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে অভিহিত করেছেন। তবে এ ধরনের যুদ্ধ বাদ দিতে পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলোর চুক্তির দিকে ইঙ্গিত করেছেন তিনি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি পারমাণবিক যুদ্ধের শুরু সম্পর্কে বিবৃতি সংখ্যা কমানোর জন্য জোর দিয়েছিল যাতে বাগাড়ম্বরের তীব্রতা কম হয়। রাশিয়ায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত জন সুলিভান পরমাণু যুদ্ধের ঝুঁকি সম্পর্কে ল্যাভরভের কথাকে “পারমাণবিক ব্ল্যাকমেইল” বলে অভিহিত করেছেন।

নিরাপত্তা পরিষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান দিমিত্রি মেদভেদেভ 12 মে সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে ইউক্রেনে ন্যাটোর অস্ত্র সরবরাহ এবং রাশিয়ার সীমান্তের কাছে ন্যাটোর মহড়া রাশিয়া-ন্যাটো সংঘর্ষের ঝুঁকি বাড়ায়। এটি, পরিবর্তে, একটি “পূর্ণ-পরমাণু যুদ্ধের” হুমকি দেয়।

ক্রেমলিন ইউক্রেনের বিশেষ অভিযানে হস্তক্ষেপ করার প্রচেষ্টার জন্য “সবচেয়ে নির্ণায়ক প্রতিক্রিয়া” দেওয়ার জন্য তার প্রস্তুতির কথা উল্লেখ করেছে।

বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর আগে, ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে বলেছিলেন যে তিনি বুদাপেস্ট মেমোরেন্ডামের কাঠামোর মধ্যে পরামর্শ শুরু করবেন, যা ইউক্রেনের পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগের জন্য প্রদান করে। যদি শীর্ষ সম্মেলন না হয়, কিয়েভ নথিটি বাতিল করতে পারে, জেলেনস্কি বলেছেন। সূত্র: প্রাদভা

ইউক্রেন নিয়ে ক্লান্তি শুরু হওয়ার কারণে পশ্চিমারা পিছিয়ে যেতে পারে

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সতর্ক করে বলেছেন, যুদ্ধ অব্যাহত থাকায় বিশ্বজুড়ে ইউক্রেন নিয়ে  ক্লান্তি শুরু হয়ে গেছে। এই অবস্থায় ইউক্রেনকে সমর্থন জানানো ব্রিটেনের জন্য গুরত্বপূর্ণ বলেও জানিয়েছেন তিনি। শনিবার বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

বরিস জনসন শুক্রবার হঠাৎ করেই অঘোষিত সফরে ইউক্রেন যান। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, রাশিয়ানরা ইঞ্চি ইঞ্চি এগিয়ে যাচ্ছে। তবে আমরা যা জানি তা দেখানো অত্যাবশ্যক যে ইউক্রেন জিততে পারে এবং জিতবে।

জনসন বলেন, যখন ইউক্রেনের অবসাদ শুরু হয়েছে, তখন এটা দেখানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে আমরা দীর্ঘ পথ চলার জন্য তাদের সঙ্গে আছি এবং আমরা তাদের প্রয়োজনীয় কৌশলগত সহনশীলতা দিচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যদি ইউক্রেনের দক্ষিণে এবং দোনবাস অঞ্চলকে দখল করতে সক্ষম হন তবে এটি একটি ‘বিপর্যয়’ হবে।

এদিকে, এর আগে এতো দিন ধরে রুশ আগ্রাসন চলায় ‘যুদ্ধের ক্লান্তি’র কারণে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনকে সাহায্য করার সংকল্প থেকে পশ্চিমা বিশ্বকে পিছিয়ে দিতে পারে বলে কিয়েভের কর্মকর্তারা আশঙ্কা করেছিলেন।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও বলেছিলেন, ক্লান্তি বাড়ছে। মানুষ কিছু ফলাফল আশা করছে (যা তাদের জন্য লাভজনক), আর আমরাও আমাদেন জন্য একটা ফলাফল চাইছি।

 

 

ন্যাটোর সরবরাহ করা অস্ত্র ডিপো ধ্বংস করেছে রাশিয়া

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

রাশিয়ান সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা ইউক্রেনের পশ্চিম লিভিভ অঞ্চলে একটি ডিপো ধ্বংস করতে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে, যেখানে ন্যাটো দ্বারা সরবরাহ করা অস্ত্রের গোলাবারুদ সংরক্ষণ করা হয়েছিল।

বুধবার রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইগর কোনাশেনকভ এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ন্যাটোর সদস্য পোল্যান্ডের সীমান্তের কাছে, রুশ বাহিনী জোলোচিভ শহরের কাছে ডিপোটি ধ্বংস করতে উচ্চ-নির্ভুল ক্যালিবার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে।

কোনাশেনকভ বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহকৃত এম৭৭৭ হাউইটজারের শেলগুলো সেখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, চারটি হাউইৎজার অন্যত্র ধ্বংস করা হয়েছে এবং রাশিয়ার বিমান হামলায় দক্ষিণ মাইকোলাইভ অঞ্চলের একটি সামরিক বিমানঘাঁটিতে ইউক্রেনীয় বিমান চলাচলের সরঞ্জাম ধ্বংস হয়েছে।

ইউক্রেনের কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিকভাবে এর বিপরিতে কোনো মন্তব্য করেনি। সূত্র: আলজাজিরা

’’ যদি ইউক্রেন হেরে যায় ‘’ – মিখাইল কাসিয়ানভ

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

রাশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বর্তমান বিরোধী দলীয় সদস্য মিখাইল কাসিয়ানভ বলেছেন, চলমান যুদ্ধে যদি ইউক্রেন হেরে যায়, তাহলে রাশিয়ারর পরবর্তী টার্গেট হবে বাল্টিক রাষ্ট্রগুলো। বার্তা সংস্থা এএফপি সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

এই যুদ্ধ দুই বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে বলেও কাসিয়ানভ ভবিষ্যদ্বাণী করেন।

কাসিয়ানভ ২০০২ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে পুতিনের যুদ্ধ তাকে নিশ্চিত করেছে যে, পুতিন ইতোমধ্যে এটি থেকে বেরিয়ে এসেছেন। চিকিৎসাগত দিক থেকে নয়, রাজনৈতিক দিক থেকে।

সব অঞ্চলে হামলা কমিয়ে দিয়ে শুধুমাত্র ভেরোদোনেৎস্কের দিকেই মনোযোগ দিয়েছে রুশ বাহিনী।

লুহানেস্কের আঞ্চলিক সেনা প্রশাসনের প্রধান সেরহি হেইডে জানিয়েছেন, সেভেরোদোনেৎস্কে থাকা দুটি গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজ উড়িয়ে দিয়েছে রুশ সেনারা।

এ কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, এখন সেভেরোদোনেৎস্কের পাশের শহর লাইশাইচান্সকের সঙ্গে সংযোগ হওয়া তৃতীয় ব্রিজটি উড়িয়ে দিতে রুশ সেনারা অত্যাধিক হামলা চালাচ্ছে।

আর তৃতীয় ব্রিজটি ধ্বংস হয়ে গেলে সেভেরোদোনেৎস্কে থাকা বেসামরিক লোক ও সেনারা ইউক্রেনের দখলে থাকা অঞ্চলগুলো থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।

এ ব্যাপারে সেরহি রোববার বলেন, বর্তমানে এখানে যাওয়া অনেক কঠিন হয়ে গেছে। তারা তৃতীয় ব্রিজটিতে গোলাবর্ষণ করছে। আমি যা বুঝেছি, তারা সেভেরোদোনেৎস্ককে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে দিতে চায়, যেন সেখান থেকে বেসামরিক লোকদের বের করে নিয়ে না আসা যায় এবং সেনাদের পুনরায় রসদ না পাঠানো যায়।

তিনি জানান, রাশিয়া আজ বা কাল রিজার্ভ ফোর্স মোতায়েন করবে শহরটি দখল করতে।

সেরহি বলেন, খুব সম্ভবত আজ অথবা কাল, তারা তাদের সব রিজার্ভ ফোর্সকে নামাবে এবং শহরটি দখল করতে চাইবে অথবা আশপাশের জায়গাগুলো। তাদের লক্ষ্য সেভেরোদোনেৎস্ককে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা এবং সর্বশেষ লাইশাইচান্সক-বাখমুতের প্রধান রাস্তাটি দখল করা।

Daily World News

ডুমুরিয়ায় চিংড়িতে অপদ্রব‍্য ( পুশ) এর ক্ষতিকারক প্রভাব সংক্রান্ত জনসচেতনা মূলক সভা অনুষ্ঠিত

ইউক্রেনের গোলাবারুদ শেষ হয়ে যাচ্ছে- সেনারা পিছিয়ে যাচ্ছে

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

ইউক্রেনের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বর্তমানে রাশিয়ার দখলদার সেনাদের বিরুদ্ধে চরম কামান যুদ্ধ চলছে ইউক্রেনের সেনাদের। ফলে তাদের গোলাবারুদ শেষ হয়ে যাচ্ছে।

যুদ্ধের দক্ষিণ দিকের সম্মুখভাগ মাইকোলাইভ শহরের গভর্নর ভিটালি কিম বলেছেন, যুদ্ধ এখন পরিণত হয়েছে ‘কামানের লড়াইয়ে’।

তিনি জানিয়েছেন, রাশিয়ার সেনারা তাদের চেয়ে অনেক শক্তিশালী। ইউক্রেনের সেনারা অনেক পিছিয়ে যাচ্ছে। কারণ তাদের গোলা শেষ হয়ে যাচ্ছে। খবর সংবাদ সংস্থা এএফপির।

মাইকোলাইভের গভর্নর ভিটালি কিম পশ্চিমা মিত্রদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন অস্ত্র পাঠানোর বিষয়টি আরও ত্বরান্বিত করেন এবং ইউক্রেনকে যেন দূরপাল্লার অস্ত্র দেন, তাতে করে রাশিয়ার বিরুদ্ধে আক্রমণ করতে পারবেন তারা।

গভর্নর ভিটালি কিম বলেন, ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা খুব খুব গুরুত্বপূর্ণ।

এদিকে এর আগে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর গোয়েন্দা বিভাগের ডেপুটি প্রধান ভাদইয়াম স্কিবিটস্কি একই রকম আর্জি জানিয়েছিলেন।

তিনি ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে বলেছিলেন, ইউক্রেনের গোলাবারুদ ফুরিয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধ ময়দানে রাশিয়ানদের অগ্রযাত্রা আটকে রাখতে তাদের আরও অস্ত্র ও গোলাবারুদের প্রয়োজন।

সূত্র: বিবিসি

 

ইংল্যান্ড প্রায়ই হিস্টিরিয়াগ্রস্থ আচরণ করছে বলে রাশিয়ার দাবি

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

যুক্তরাজ্য ‘হিস্ট্রিরিয়াগ্রস্ত আচরণ’ করছে বলে দাবি করেছে রাশিয়া। বার্তা সংস্থা রয়টার্স শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ইউক্রেনের মারিউপোল থেকে আটক দুই ব্রিটিশ নাগরিকের রাশিয়ার প্রক্সি আদালত খ্যাত দোনেৎস্ক পিপপলস রিপাবলিকের একটি আদালতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর যুক্তরাজ্য এই আচরণ করছে বলে বলে রাশিয়ার দাবি।

এ ব্যাপারে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা টেলিগ্রামে লিখেছেন, এই ধরনের ক্ষেত্রে ব্রিটেনের প্রতিক্রিয়া ‘প্রায়ই হিস্ট্রিরিয়াগ্রস্ত’।

এছাড়া, এই ব্যাপারে  ব্রিটেনকে দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিক (ডিপিআর) কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল করা উচিত বলে জানিয়েছে রাশিয়া।

রুশপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হাতে আটক নটিংহ্যামশায়ারের অ্যাইডেন অ্যাসলিন (২৮) ও বেডফোর্ডশায়ারের শন পিনারকে (৪৮) দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকের একটি আদালত এই মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ট্রাস শুক্রবার ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন বলে বরিস জনসনের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন।

ব্রিটেন তাদের মুক্তি নিশ্চিত করতে রাশিয়ার সঙ্গে কথা বলবে কি না জানতে চাইলে ওই মুখপাত্র বলেন, আমাদের রাশিয়ার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, আমাদের অগ্রাধিকার ইউক্রেন সরকারের সঙ্গে কাজ করা এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাদের মুক্তি নিশ্চিত করার চেষ্টা করা।

অন্যদিকে, দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকের ওই আদালত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি নয় বলে বিবিসি জানিয়েছে।

ওই ব্রিটিশ নাগরিকরা ভাড়াটে যোদ্ধা বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে ব্রিটিশ নাগরিক দুজনের পরিবারের দাবি, তারা ইউক্রেনের সেনাবাহিনীতে ছিলেন।

ব্রিটিশ নাগরিক অ্যাসলিন এবং শন পিনার বলেছিলেন, তারা ইউক্রেনের নিয়মিত সেনা হিসেবে যুদ্ধ করছিলেন। সুতরাং তাদের যুদ্ধবন্দি হিসেবে বিচার করা উচিত।

Daily World News

বাগেরহাটের কচুয়ায় অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত        

২টি সোনাভর্তি জাহাজের সন্ধান।। মূল্য হতে পারে ১৭ বিলিয়ন ডলার

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

বিখ্যাত জাহাজ সান জোসে গ্যালিয়নের ধ্বংসাবশেষের  পাশেই সন্ধান মিলেছে দুইটি জাহাজের। সম্প্রতি আবিষ্কৃত ওই জাহাজ দুটিতে রয়েছে বিপুল পরিমাণ সোনা; যার মূল্য ১৭ বিলিয়ন ডলার হতে পারে বলে মার্কিন সাময়িকী নিউজউইকের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ব্রিটিশরা ১৭০৮ সালে সান জোসে গ্যালিয়ন ডুবিয়ে দেয়। ২০১৫ সালে ওই জাহাজটির সন্ধান পাওয়া যায়। স্প্যানিশ সরকারেরে প্রকাশ করা নতুন ফুটেজে ওই জাহাজের ধ্বংসাবশেষের মধ্যে বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী দেখা গেছে।

দূর নিয়ন্ত্রিত যান থেকে ধারণ করা ভিডিওতে সান জোসে গ্যালিয়নের মূল ধ্বংসাবশেষের কাছে দেখা থেকে আরও দুটি জাহাজ। ওয়াংশিংটন পোস্ট জানায়, দুইটি জাহাজই দুইশ’ বছরের পুরোনো বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দূর থেকে চালিত যানটিকে ক্যারিবিয়ান উপকূল থেকে তিন হাজার একশ ফুট গভীরে পাঠানো হয়েছিল বলে ওয়াংশিংটন পোস্ট জানিয়েছে।

ওয়াংশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, নীল ও সবুজ রঙের ছবিগুলোতে সোনার মুদ্রা, মৃৎপাত্র এবং অক্ষত চীনামাটির কাপ সমুদ্রের তলদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখা গেছে।

নিউজউইক জানায়, সমুদ্রের নিচে বহু শতাব্দী কাটানোর পরেও জাহাজগুলোর একটির সামনের অংশ ভালভাবে সংরক্ষিত রয়েছে বলে ছবিতে দেখা গেছে। বিভিন্ন ধরনের মাটির পাত্র ছাড়াও সমুদ্রের তলদেশে একটি কামানও দেখা গেছে।

রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ বনাম জেলেনস্কিকে ন্যাটোর আমন্ত্রণ

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে মাদ্রিদে নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো) জোটের শীর্ষ সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংস্থাটির ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল মিরসিয়া জোয়ান।

ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানা গেছে, ন্যাটোর সম্মেলনটি এ বছরের ২৮ ও ২৯ জুন স্পেনের মাদ্রিদে অনুষ্ঠিত হবে।

মিরসিয়া জোয়ান জানিয়েছেন, এই শীর্ষ সম্মেলনে প্রথমবারের মতো প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে অংশগ্রহণ করবে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া।

তিনি আরও জানান, অবশ্যই ন্যাটোর পরিবর্ধন এবং দরজা খোলা রাখার নীতি আলোচনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে।

আমরা আশা করি, ফিনল্যান্ড ও সুইডেন আমাদের তালিকায় যুক্ত হবে। অবশ্যই আমাদের ইউক্রেনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি কোনো না কোনোভাবে আমাদের শীর্ষ সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন। সেটি মাদ্রিদে।

এদিকে স্পেনের সরকারের বরাত দিয়ে ইউরোপা প্রেস জানিয়েছে, মাদ্রিদে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে ভলোদিমির জেলেনস্কিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণপত্র পাঠানোর পরিকল্পনা করছে স্পেন।

তবে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্র কুলেবা হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ন্যাটো সম্মেলনে ইউক্রেনের জন্য ইতিবাচক সিদ্ধান্ত তিনি আশা করেন না। সূত্র: এনডিটিভি।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ২০০ সৈন্য হারাচ্ছে ইউক্রেন- জেলেনস্কির উপদেষ্টা

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমিরি জেলেনস্কির একজন জ্যেষ্ঠ সহযোগী বলেছেন, যুদ্ধের ময়দানে ইউক্রেন প্রতিদিন ১০০ থেকে ২০০ সৈন্য হারাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার এক সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কির উপদেষ্টা মিখাইলো পদোলিয়াক এই তথ্য জানান। খবর বিবিসির।

জেলেনস্কির এই ঘনিষ্ঠ সহযোগী বলেন, দোনবাস অঞ্চলে রাশিয়ার সঙ্গে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড করতে ইউক্রেনের শত শত পশ্চিমা আর্টিলারি ব্যবস্থা প্রয়োজন। এই মুহূর্তে কিয়েভ মস্কোর সঙ্গে শান্তি আলোচনায় বসতে রাজি না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মিখাইলো পদোলিয়াক বলেন, রাশিয়া দোনবাসের দখল নিতে মরিয়া। এ কারণে তারা ইউক্রেনীয় সেনাদের ওপর নির্বিচারে বোমাবর্ষণ করছে। অঞ্চলটিতে রুশ সেনারা সব ধরনের অপরমাণু অস্ত্র- ভারি আর্টিলারি, মাল্টিপল রকেট লঞ্চার সিস্টেমস এবং বিমান হামলা চালাচ্ছে।

পশ্চিমা দেশগুলোর কাছে আরও অস্ত্র দেওয়ার অনুরোধ পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমাদের এত বেশি সেনা নিহত হওয়ার কারণ, ইউক্রেন-রুশ সেনাদের মধ্যে সম্পূর্ণ বৈসাদৃশ্য।