বৈশ্বিক খাদ্য সংকট।। যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া একে অপরকে দোষারোপ করছে

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে সারা বিশ্বে বেছে খাদ্যসংকট। এ প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া একে অপরকে দোষারোপ করছে।

বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের এক বৈঠকে বিশ্ব খাদ্য পরিস্থিতির অবনতির জন্য ওয়াশিংটন ও মস্কো একে অপরকে দায়ী করে। যুক্তরাষ্ট্রের আয়োজনে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বার্তাসংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

ইউক্রেন বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ গম উৎপাদনকারী দেশ। যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনের বন্দর থেকে গম রপ্তানি কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। দেশটির থেকে আরও কয়েকটি খাদ্যশস্য রপ্তানি হলেও সেগুলোও আপাতত বন্ধ রয়েছে। বন্ধ রয়েছে সূর্যমুখী তেলের রপ্তানিও। ফলে বিশ্ববাজারে এর স্পষ্ট প্রভাব পড়েছে।

এ প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটন কৃষ্ণসাগরের বন্দরগুলো দিয়ে ইউক্রেনের খাদ্যশস্য রপ্তানির সুযোগ দিতে মস্কোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে রাশিয়াকে উদ্দেশ্য করে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন বলেন, কৃষ্ণসাগরের বন্দরগুলো অবরোধ করা বন্ধ করুন। ইউক্রেন থেকে খাদ্যবাহী জাহাজের পাশাপাশি ট্রেন ও ট্রাককে অবাধ যাতায়াতের সুযোগ দিন।

ব্লিঙ্কেন বলেন, ‘যেসব দেশ আপনাদের (রাশিয়া) আগ্রাসনের সমালোচনা করছে, সেসব দেশে খাদ্য ও সার রপ্তানি বন্ধের হুমকি থেকে সরে আসুন।’

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইউক্রেনীয়সহ বিশ্বের লাখো মানুষের জন্য খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা আক্ষরিকভাবেই অবরুদ্ধ করে রেখেছে রুশ সামরিক বাহিনী।

এ অবস্থায় জাতিসংঘে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত ভাসিলি নেবেনজিয়া পাল্টা অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, বিশ্বের সব দুর্দশার জন্য তার দেশকে দোষারোপ করা হচ্ছে। ভাসিলি বলেন, বিশ্ব দীর্ঘদিন ধরেই খাদ্যসংকটে ভুগছে। এ সংকটের পেছনে নানা কারণ রয়েছে। ভাসিলির দাবি, ইউক্রেন নিজেই তার বন্দরগুলো অবরোধ করে রেখেছে। কৃষ্ণসাগর উপকূলে তারা মাইন পুতে রেখেছে।

রুশ রাষ্ট্রদূতের অভিযোগ, বন্দরে আটকা পড়ে থাকা বেশ কিছু বিদেশি পণ্যবাহী জাহাজ ছেড়ে দিতে শিপিং কোম্পানিগুলোকে সহায়তা করছে না ইউক্রেন।

ভাসিলি রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমা দেশগুলোর আরোপিত নিষেধাজ্ঞারও সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে খাদ্য নিরাপত্তার ওপর এ নিষেধাজ্ঞা বাজে প্রভাব ফেলছে।

এর জবাবে অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন পাল্টা দাবি করেন, রাশিয়ার খাদ্য ও সার রপ্তানি বাধাগ্রস্ত করছে না নিষেধাজ্ঞা। খাদ্যকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার সিদ্ধান্তটি শুধুই মস্কোর।

এর আগে গত বুধবার জাতিসংঘ সতর্ক করে বলেছে, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে আগামী মাসগুলোতে বিশ্বব্যাপী খাদ্যসংকট দেখা দিতে পারে। বিশ্ব সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, এ যুদ্ধ দরিদ্র দেশগুলোর খাদ্য নিরাপত্তাহীনতাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। খাদ্যপণ্যের ক্রমবর্ধমান দামের কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। ইউক্রেনের রপ্তানি যদি যুদ্ধ-পূর্ব পর্যায়ে ফিরিয়ে নেয়া না যায়, তাহলে বিশ্ব দুর্ভিক্ষের মুখোমুখি হতে পাওে, যা চলতে পারে বছরের পর বছর ধরে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক আগ্রাসন শুরু করে রাশিয়া। দেশটির রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন শহরে গোলা ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করে রুশ বাহিনী।

যুদ্ধে দুই পক্ষেরই ব্যাপক প্রাণহানির খবর পাওয়া যাচ্ছে। জাতিসংঘ বলছে, যুদ্ধের কারণে ইতোমধ্যে ইউক্রেন ছেড়ে অন্য দেশে আশ্রয় নিয়েছেন ৫০ লাখেরও বেশি মানুষ। আর অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ৮০ লাখের বেশি লোক।

সূত্র জানায়, রাশিয়ার সীমান্তবর্তী ইউক্রেনের শহরগুলো ঘিরে রেখেছে রুশ সামরিক বাহিনী; হামলা চলছে ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভেও।

রাশিয়ার গোলা ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় খারকিভ শহরেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির খবর পাওয়া যাচ্ছে।

English Dainikbiswa

সুরমা ও কুশিয়ারার প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে তিন নদীতে পানি ঢুকছে

বাঁশখালীতে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার উদ্বোধন করলেন এমপি মোস্তাফিজ

ইউক্রেনকে বিদ্যুৎ প্লান্ট থেকে বিচ্ছিন্ন করার হুমকি রাশিয়ার

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

রাশিয়ার ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী মারাত খুসনুলিন ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইউরোপের সবচেয়ে বড় নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট জাপোরিঝঝিয়া থেকে ইউক্রেনকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে যদি তারা রাশিয়াকে বিদ্যুতের জন্য মূল্য না দেয়।

ঝাপোরিঝজিয়া নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টটি ইউক্রেনের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত। ইউক্রেনে ২৪ ফেব্রুয়ারি হামলা করার পরপরই রাশিয়া এ প্ল্যান্টটি দখল করে।

ইউক্রেনকে প্ল্যান্টের বিদ্যুতের জন্য দাম দিতে হবে, এমনটি জানিয়ে রাশিয়ার ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যদি ইউক্রেনের জ্বালানি বিভাগ বিদ্যুৎ নেওয়ার জন্য অর্থ দিতে প্রস্তুত থাকে তাহলে এটি ইউক্রেনের জন্য কাজ করবে। যদি না হয় তাহলে এ প্ল্যান্টটি রাশিয়ার জন্য কাজ করবে।

এদিকে রুশ ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী এমন সময় এ কথা বললেন যখন রাশিয়ার কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন ইউক্রেনে দক্ষিণ দিকে দখল করা অঞ্চলগুলো যেমন খেরসন এবং জাপোরিঝঝিয়ার বড় একটি অংশে লম্বা সময়ের জন্য থাকতে চায় তারা।

রুশ ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, প্ল্যান্টটিতে তার কার্যক্রম চলবে এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

তিনি বলেছেন, নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট নিয়ে কাজ করার অনেক অভিজ্ঞতা আছে আমাদের। রাশিয়ায় আমাদের কোম্পানি আছে যাদের এ অভিজ্ঞতা আছে।

এদিকে ইউক্রেনের নিউক্লিয়ার এজেন্সি,  এনারর্জোয়াতোম, বৃহস্পতিবার বলেছে, জাপোরিঝঝিয়া প্ল্যান্ট থেকে ইউক্রেনের জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ আসা অব্যহত রয়েছে।

এনারর্জোয়াতোমের একজন মুখপাত্র বলেছেন, জাপোরিঝঝিয়া পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে রাশিয়া বা ক্রিমিয়ায় বিদ্যুৎ নিয়ে যাওয়ার টেকনিক্যাল ক্ষমতা রাশিয়ার নেই। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

ইউক্রেন ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালাল সরাসরি রাশিয়ার উপড়/ নিহত-১

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

রাশিয়ার পশ্চিমাঞ্চল কুরস্কে ইউক্রেনের হামলায় এক বেসামরিক লোক নিহত হয়েছেন এবং এ হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ দাবি করেছেন ওই অঞ্চালের গভর্নর রোমান স্টারোভয়েট।

বৃহস্পতিবার ভোরে রোমান স্টারোভয়েট সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। খবর সিএনএনের।

স্টারোভয়েট বলেন, কুরস্কের টাইওতকিনও গ্রামের একটি ইথানল কারখানায় ইউক্রেনের ক্ষেপণাত্র আঘাত হেনেছে। এতে বেশ কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

টাইওতকিনও  ইউক্রেন-রাশিয়া সীমান্ত থেকে ১.৫ মাইল (২.৪ কিলোমিটার) দূরে অবস্থিত। কুরস্ক ও ইউক্রেনের মধ্যে সীমান্তের উভয়পক্ষই এই মাসে বিরতিহীন কামান হামলা চালাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইউক্রেনকে এরই মধ্যে ৪১০ কোটি ডলার সহায়তা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এই যুদ্ধে ইউক্রেনের অনেক শহর ধ্বংস হয়ে গেছে। দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন প্রায় ৬০ লাখ এবং হতাহত হয়েছেন প্রায় ৮ হাজার মানুষ।

 

রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ// চীনকে জাপান যে বার্তা দিল

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন নিয়ে বুধবার চীনকে ‘গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের’ আহ্বান জানিয়েছে জাপান। বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছয় মাসের মধ্যে বুধবারই প্রথম চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময়ই তিনি এ আহ্বান জানান।

জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োশিমাসা হায়াশি চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইকে বলেছেন, রাশিয়ার আগ্রাসন ‘জাতিসংঘের সনদ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন’।

জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে চীনকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন’ বলেও ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

দুই দেশের মধ্যে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে দেশ দুটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গত নভেম্বরের পর এই প্রথম কথা বললেন বলে এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

আগামী সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জাপান সফরের প্রাক্কালে এই ঘোষণা সামনে এলো।

ইউক্রেনে আগ্রাসনের জেরে রাশিয়ার বিরুদ্ধে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো নিন্দায় যোগ না দেওয়ায় মস্কো ও বেইজিং নিজেদের মধ্যে সমন্বয় বাড়াচ্ছে বলেই মনে হচ্ছে।

কান চলচ্চিত্র উৎসবে জেলেনস্কির ভাষণ।। ইতিহাসের কি বলে….!

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবার ৭৫তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দিয়েছেন। বিশ্ব চলচ্চিত্রের সবচেয়ে বড় এ উৎসবে তিনি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে যুক্ত হন।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত সোয়া ১১টায় এবারের আসরের পর্দা উঠেছে। প্রতিবারের মতো এবারও ফ্রান্সের কান শহরে বসেছে এ জমকালো আয়োজন।

মঞ্চে বড়পর্দায় ভিডিওতে জেলেনস্কি হাজির হলে উপস্থিত সবাই তাকে দাঁড়িয়ে সম্মান জানান। ইউক্রেনের সাবেক এ অভিনেতা নিজের ভাষণে রুশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য বিশ্বজুড়ে সবার সমর্থনের আবেদন জানিয়েছেন।

এ ছাড়া চলচ্চিত্রে যুদ্ধ ও স্বৈরশাসকদের তুলে ধরতে ‘দ্য গ্রেট ডিক্টেটর’ ও ‘অ্যাপোক্যালিপস নাউ’র মতো ছবির উদাহরণ তুলে ধরেছেন জেলেনস্কি।

তিনি বলেন, গণকবরে ভরে গেছে ইউক্রেন। আমার দেশে প্রতিদিন মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। আমাদের সাজানো রঙিন দেশ ক্ষত-বিক্ষত-রক্তাক্ত অথচ বিশ্ব সিনেমা নিশ্চুপ। এ রকম তো হওয়ার কথা ছিল না। বিশ্ব সিনেমা কি এভাবেই নিশ্চুপ থাকবে, তারা কি ইউক্রেনের পাশে দাঁড়াবে না, বলবে না বন্ধ হোক যুদ্ধ।

জেলেনেস্কি এ সময় উদাহরণ টানেন চার্লি চ্যাপলিনের। যিনি ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিরুদ্ধে হিটলারের আগ্রাসী নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। নিজে হিটলার সেজে অভিনয় করেন দ্য গ্রেট ডিক্টেটর সিনেমায়। চ্যাপলিন যখন হিটলার সাজেন, তখন বিশ্বকে যুদ্ধ থামানোর কথা বলেন, চ্যাপলিন যখন হিটলার রূপে তখন হত্যার বিরুদ্ধে কথা বলেন। সেদিন সিনেমা হয়ে ওঠে প্রতিবাদের তীব্র রূপ।

ইউক্রেনের এ নেতা শুরুতে ছিলেন রুপালি পর্দার নায়ক। অভিনেতা হিসেবে বেশ কিছু ছবি এবং টিভি সিরিজে কাজ করেছেন তিনি। মাত্র ১৭ বছর বয়সে কমেডিয়ান হিসেবে অভিনয় শুরু করেন জেলেনস্কি। রাশিয়ান ও ইউক্রেনীয় ভাষার একাধিক টিভি শোতে অংশগ্রহণ করেন তিনি।

২০০৮ সালে তিনি ‘লাভ ইন দ্য বিগ সিটি’ ফিচার ফিল্মে কাজ করার সুযোগ পান। এর পর তিনি এ ছবির সিক্যুয়েল ‘লাভ ইন দ্য বিগ সিটি ২’ তেও কাজ করেন। ছবিটির তৃতীয় অংশ এসেছিল ২০১৪ সালে।

২০১২ সালে, তার চলচ্চিত্র হেভস্কি ভার্সেস নেপোলিয়ন মুক্তি পায়। একই বছরে তার হিট ছবি ৮ ফার্স্ট ডেটসও আসে। এই ছবির সিক্যুয়েল ২০১৫ এবং ২০১৬ সালে মুক্তি পায়। ২০১০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ভলোদিমির জেলেনস্কি বোর্ডের সদস্য এবং টিভি চ্যানেল ইন্টারের সাধারণ প্রযোজক ছিলেন। ২০১৪ সালে তিনি ইউক্রেনের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের রাশিয়ান শিল্পীদের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছিলেন।

২০১৫ সালে রাশিয়ান শিল্পীদের ইউক্রেনে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছিল। এমন পরিস্থিতিতে ২০১৮ সালে জেলেনস্কির রোমান্টিক কমেডি ছবি লাভ ইন দ্যা বিগ সিটি ২ ইউক্রেনে নিষিদ্ধ করা হয়। ২০১৫ সালে, ভলোদিমির জেলেনস্কি সার্ভেন্ট অব দ্য পিপল নামে একটি শোতে কাজ করেছিলেন। মজার বিষয় হলো— এই শোতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ভলোদিমির। সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।

English Dainikbiswa

ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে পুড়ে ছাই বরগুনা পৌর সুপার মার্কেটের ১৭০ দোকান

ন্যাটো রাশিয়ার সীমান্তে বড় আকারের মহড়া শুরু করেছে

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

রাশিয়ান সীমান্ত থেকে মাত্র ৬০ কিলোমিটার দূরে এস্তোনিয়ায় বড় মাত্রার সামরিক মহড়া শুরু করেছে সামরিক জোট ন্যাটো। বাল্টিক দেশগুলোর ইতিহাসে এটি অন্যমত বৃহত্তম মহড়া।

সোমবার ‘হেজহগ ২০২০’ নামের এই মহড়া শুরু হয়। রাশিয়ান সংবাদমাধ্যম আরটি এই খবর প্রকাশ করেছে।

এ মহড়ায় ন্যাটোর সদস্য এবং সহযোগীসহ মোট ১৪টি দেশের অন্তত ১৫ হাজার সেনা অংশ নেবেন বলে জানানো হয়েছে।

ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ইলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ মহড়ায় অংশ নেওয়া সেনাদের মধ্যে ফিনল্যান্ড, সুইডেন, জর্জিয়া এবং ইউক্রেনের সেনা রয়েছেন। সামরিক বাহিনীর সব শাখা এ মহড়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। আকাশ, পানি ও স্থলপথে মহড়ায় অংশ নেবেন সেনারা। এ ছাড়া সাইবার যুদ্ধের বিষয়েও প্রশিক্ষণ নেবেন মহড়ায় অংশ নেওয়া সেনারা।

ন্যাটো এক বিবৃতিতে জানায়, এ মহড়ায় মার্কিন নৌবাহিনীর ওয়াস্প-ক্লাস ল্যান্ডিং শিপ ‘কিয়ারসার্জ’-কেও অংশ নিতে দেখা যাবে। তবে রাশিয়ান সীমান্তের ৬০ কিলোমিটার দূরে শুরু হওয়া এ মহড়ার সঙ্গে ইউক্রেনে চালানো মস্কোর সামরিক অভিযানের কোনো সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছে ন্যাটো এবং এস্তোনিয়ার প্রতিরক্ষা বাহিনীর মেজর জেনারেল ভেইকো-ভেল্লো পাম।

এদিকে এই সামরিক মহড়াটি এমন এক সময়ে শুরু হলো যখন নর্ডিক দেশ ফিনল্যান্ড এবং সুইডেন ন্যাটোর সদস্য হওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে এবং সদস্যপদ পেতে আনুষ্ঠানিক আবেদন করার ঘোষণা দিয়েছে। তবে পশ্চিমা কর্তৃপক্ষ বলছে, ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই এ মহড়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

এস্তোনিয়ায় হওয়া এই মহড়া রাশিয়ান সীমান্তের কাছে হওয়া ন্যাটোর বড় মাত্রার সামরিক কর্মকাণ্ডের একটি অংশ মাত্র। আরেক বাল্টিক দেশ লিথুনিয়ার আয়োজনে চলছে ‘আইরন ওলফ’ নামে সামরিক মহড়া, যেখানে ন্যাটোর তিন হাজার সেনার পাশাপাশি এক হাজার সামরিক সরঞ্জামও ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মধ্যে জার্মানির লিওপার্ড ট্যাঙ্ক-২ ও আছে।

অন্যদিকে শুক্রবার দেওয়া ন্যাটোর এক বিবৃতিতে জানা যায়, ন্যাটোর বৃহত্তম দুটি মহড়া ‘ডিফেন্ডার ইউরোপ’ এবং ‘সুইফট রেসপন্স’ অনুষ্ঠিত হচ্ছে পোল্যান্ডসহ আটটি দেশে। এ মহড়ায় ২০টি দেশের ১৮ হাজার সেনা অংশ নিচ্ছেন।

সূত্র: বিবিসি।

English Dainikbiswa

ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের ন্যাটোতে যোগ দেওয়া নিয়ে যা বললেন পুতিন

ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের ন্যাটোতে যোগ দেওয়া নিয়ে যা বললেন পুতিন

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সোমবার রাশিয়ার নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট কালেক্টিভ সিকিউরিটি ট্রিটি অর্গানাইজেশনের (সিএসটো) একটি বৈঠকে কথা বলেন।

রাশিয়ার রাজধানী  মস্কোতে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে পুতিন ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন।

তিনি জানিয়েছেন, ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের সঙ্গে রাশিয়ার কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু ন্যাটো যদি এ দুটি দেশে সামরিক শক্তি বাড়ায় তাহলে রাশিয়ার পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়া আসবে।

পুতিন এ বৈঠকে আরও জানিয়েছেন, ন্যাটোর পরিধি বাড়ানো রাশিয়ার জন্য একটি সমস্যার বিষয়।

পুতিনের মতে, ন্যাটোর লক্ষ্য হলো বিশ্বে তাদের প্রভাব বৃদ্ধি করা। তাই রাশিয়া বিষয়টি খুব কাছ থেকে নজর রাখবে।

পুতিন তার বক্তব্যে বলেছেন, আমাদের প্রতিক্রিয়া কি হবে? আমরা দেখব কি রকম হুমকি আমাদের জন্য তৈরি করা হয়।

রুশ প্রেসিডেন্ট আরও বলেছেন, কোনো কারণ ছাড়াই সমস্যা তৈরি করা হয়েছে। আমরা অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেব।

এদিকে রাশিয়া ইউক্রেন হামলা করার পর রাশিয়ার প্রতিবেশী দেশ ফিনল্যান্ড ও এর পাশের দেশ সুইডেন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বিশ্বের বৃহত্তম সামরিক জোট ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে।

রোববার এ দুটি দেশ সরাসরি ঘোষণা দেয় তারা ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার আনুষ্ঠানিক আবেদন করবে।

ফিনল্যান্ড-সুইডেন ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করার পর থেকেই তাদের নানা রকম হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছে রাশিয়া। সূত্র: বিবিসি

একথ্ শোনার পরও পুতিন শান্ত ছিলেন, অবাক হলেন সাউলি নিনিস্তো

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে শনিবার ফোন করেন ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট সাউলি নিনিস্তো।

তিনি পুতিনকে জানান, ফিনল্যান্ড ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার আবেদন করবে।

পুতিনের সঙ্গে কি কথা হয়েছে? ফিনল্যান্ড ন্যাটোতে যোগ দেবে এটা শোনার পর পুতিনের প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল? এসব বিষয় গণমাধ্যম সিএনএনকে জানিয়েছেন ফিনিশ প্রেসিডেন্ট।

তিনি জানিয়েছেন, যখন পুতিনকে তিনি ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার কথা বলেন তখন পুতিন খুবই শান্ত ছিলেন। আর তাকে এত শান্ত থাকতে দেখে তিনি নিজেই বেশ অবাক হয়েছিলেন।

এ ব্যাপারে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট সাউলি নিনিস্তো বলেন, আসলে আমার জন্য অবাক করার মতো ছিল যে, সে এটি খুব শান্তভাবে নিয়েছে।  তাকে এত শান্ত থাকতে দেখে অবাক হয়েছি।

তিনি আরও বলেন, কিন্তু নিরাপত্তা পলিসিতে, বিশেষ করে যখন রাশিয়ার সঙ্গে কথা বলেন, তখন আপনাকে মাথায় রাখতে হবে সে যা বলে, তা বোঝায় না আপনার সবসময় ভালোভাবে সতর্ক থাকতে হবে না।

তিনি আরও বলেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত যা মনে হয়েছে, এখনই কোনো সমস্যা আসছে না।

ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিস্যেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের বিষয়েও কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, এরদোগানের মন্তব্য শুনে তিনি অবাক হয়েছিলেন কিন্তু এ নিয়ে তিনি চিন্তিত না।

আমি বিশ্বাস করি এখনো এখানে অনেক আলোচনা হবে এবং এ নিয়ে আমি চিন্তিত না।  সিএনএনকে বলেন প্রেসিডেন্ট সাউলি নিনিস্তো। সূত্র: সিএনএন

অবাক হলেও বাস্তব// চাঁদের মাটিতেই চারা জন্মেছে

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো চাঁদের মাটিতে গাছের চারা জন্মাতে পেরেছেন। এর মধ্য দিয়ে এই উপগ্রহ মানুষের দীর্ঘমেয়াদে অবস্থানে সাফল্যের সম্ভাবনা উজ্জ্বল করেছে। চাঁদে বসবাস করবে মানুষ। সেই স্বপ্ন নিয়েই এগোচ্ছে নাসা। ২০২৫ সালে এই মিশন শুরু হবে তাদের। বিবিসি।

গবেষকরা ১৯৬৯-১৯৭২ অ্যাপোলো মিশনের সময় সংগৃহীত ধূলিকণার ছোট নমুনাগুলোতে এক ধরনের ক্রেস জন্মানোর চেষ্টা করেছিলেন। বিজ্ঞানীদের অবাক করে দিয়ে দুদিন পরই চাঁদের মাটি ফুঁড়ে উঁকি দিল গাছের চারা। এই গবেষণাপত্রের সহলেখক ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আনা-লিসা পল বলেন, ‘আমি আপনাকে বলতে পারব না যে, আমরা কতটা বিস্মিত হয়েছিলাম।’ তিনি জানান, ‘চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে আনা নমুনা হোক বা পৃথিবীর মাটি হোক- প্রত্যেক উদ্ভিদই জন্মানোর প্রায় ছয় দিন পর্যন্ত একরকম দেখায়। এরপর ধীরে ধীরে তার রূপ পালটাতে থাকে। চাঁদের মাটিতে জন্মানো চারাগুলো কিছুটা থিতু ছিল। সেগুলো ধীরে ধীরে বিকাশ লাভ করে এবং শেষ পর্যন্ত স্থবির হয়ে পড়ে।’

এ গবেষণার সঙ্গে জড়িত অন্যরাও বলছেন, এটি একটি যুগান্তকারী সাফল্য, যদিও এর মধ্যে পার্থিব প্রভাব থাকতে পারে। তবে এ প্রভাব কেমন, সেটা উল্লেখ করেননি।

নাসার প্রধান বিল নেলসন বলেন, ‘এই গবেষণা নাসার দীর্ঘমেয়াদি মানব অন্বেষণ লক্ষ্যগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আমাদের ভবিষ্যতের মহাকাশচারীদের বসবাস এবং গভীর মহাকাশে কাজ করার জন্য খাদ্য উৎস বিকাশের জন্য চাঁদ এবং মঙ্গলে পাওয়া সংস্থানগুলোকে ব্যবহার করতে হবে।’ সেই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই মৌলিক উদ্ভিদ গবেষণাটি আমাদের বুঝতে সাহায্য করতে পারে, কীভাবে পৃথিবীর খাদ্য-দুষ্প্রাপ্য অঞ্চলে চাপের পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে?’ গবেষকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলো, পরীক্ষার জন্য খুব বেশি চন্দ্রমাটি নেই।

১৯৬৯ সাল থেকে তিন বছরের মধ্যে নাসা মহাকাশচারীরা চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩৮২ কেজি (৮৪২ পাউন্ড) শিলা, মূল নমুনা, নুড়ি, বালি এবং ধূলিকণা নিয়ে এসেছিলেন। কয়েক দশক ধরে সংরক্ষিত মাটি থেকে ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক দলকে নমুনাগুলো থেকে পরীক্ষার জন্য প্রতি গাছে মাত্র ১ গ্রাম মাটি দেওয়া হয়েছিল।

English Dainikbiswa

স্কুল বন্ধ।। ঐ অঞ্চলে গত ৭বছরে কোন শিশু জন্মেনি

ইউরোপে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করেছে রাশিয়া

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের ময়দানের মতোই পাল্লা দিয়ে উত্তাপ ছড়াচ্ছে রাশিয়া ও পশ্চিমাদের অর্থনৈতিক যুদ্ধ। এরই ধারবাহিকতায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন গ্যাজপ্রমের ইউরোপীয় সহায়ক সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মস্কো।

মূলত ইউক্রেন একটি প্রধান গ্যাস ট্রানজিট রুট বন্ধ করার একদিন পর এই সিদ্ধান্ত নেয় প্রেসিডেন্ট পুতিনের প্রশাসন। আর এতে করে বেকায়দায় পড়েছে ইউরোপ। রুশ গ্যাসের বিকল্প নিশ্চিত করতে ইউরোপের ওপর চাপ আরও বেড়েছে। আজ শুক্রবার (১৩ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপে গ্যাস সরবরাহে রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞা এবং ইউক্রেনের ভেতর দিয়ে যাওয়া রুশ গ্যাসলাইনগুলো বন্ধ করে দেওয়ার প্রেক্ষিতে তীব্র গ্যাস-সংকটে পড়েছে ইউরোপের দেশগুলো। ফলে গ্যাসের বিকল্প সরবরাহ নিশ্চিত করার চাপ বৃদ্ধির পাশাপাশি ইউরোপজুড়ে বেড়ে গেছে গ্যাসের দাম।

ইউক্রেন পরিস্থিতি নিয়ে সৃষ্ট দ্বন্দ্বে মস্কো ইতোমধ্যে বুলগেরিয়া ও পোল্যান্ডে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। এছাড়া ইউরোপের অন্য দেশগুলোও সামনে শীত মৌসুমের আগে নিজেদের ক্রমবর্ধমান গ্যাসের মজুদ পূরণের জন্য কার্যত হন্যে হয়ে দৌড়াচ্ছে।

রয়টার্স বলছে, রাশিয়া গত বুধবার রাতে গ্যাজপ্রমের ইউরোপীয় সহযোগী সংস্থাগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, যার মধ্যে গ্যাজপ্রম জার্মানিয়াও রয়েছে। মূলত জ্বালানি সরবরাহ সুরক্ষিত রাখার জন্য জার্মানি গত মাসে ট্রাস্টিশিপের অধীনে এটি চালু করেছিল। এছাড়া ইউরোপে রুশ গ্যাস বহনকারী ইয়ামাল-ইউরোপ পাইপলাইনের পোলিশ অংশের মালিকের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মস্কো।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সরকারী বাসভবন ও কার্যালয় ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, এসব কোম্পানির সঙ্গে কোনো সম্পর্ক থাকতে পারে না বা তারা রাশিয়ার গ্যাস সরবরাহের কাজে অংশ নিতে পারে না।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসা এসব কোম্পানির নাম রাশিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান মূলত সেইসব দেশের যারা ইউক্রেনে আগ্রাসন চালানোর কারণে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। আরও ভালোভাবে বললে, এসব দেশের বেশিরভাগই ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য।

ইউরোপে রাশিয়ার জ্বালানির শীর্ষ গ্রাহক জার্মানি। দেশটি বলছে, গ্যাজপ্রম জার্মানিয়ার কিছু সহযোগী সংস্থা নিষেধাজ্ঞার কারণে গ্যাস পাচ্ছে না। জার্মানির অর্থনীতি বিষয়ক মন্ত্রী রবার্ট হ্যাবেক দেশটির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ বুন্ডেস্ট্যাগকে বলেছেন, ‘গ্যাজপ্রম ও এর সহযোগী সংস্থাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মানে কিছু সহায়ক সংস্থা রাশিয়া থেকে আর গ্যাস পাচ্ছে না।’

কিয়েভ যে ট্রানজিট পয়েন্টটি বন্ধের দাবি করেছে সেটি দিয়ে সাধারণত ইউরোপে রাশিয়ার মোট গ্যাসের প্রায় ৮ শতাংশ সরবরাহ করা হয়ে থাকে। ওই লাইন দিয়ে দিয়ে মূলত অস্ট্রিয়া, ইতালি, স্লোভাকিয়া এবং পূর্ব ইউরোপের অন্যান্য দেশে গ্যাস সরবরাহ করা হয়।

English Dainikbiswa

করাচিতে বোমা বিস্ফোরণ