নেই বৃষ্টি প্রচন্ড গরমে পুড়ছে বরিশালবাসী

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল//

প্রায় এক সপ্তাহ ধরে অসহনীয় তাপপ্রবাহে পুড়ছে বরিশালবাসী  আসি আসি করেও আসছে না কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি।নগরবাসী বলছেন এরকম একটানা অসহনীয় গরম আগে কখনো তারা অনুভব করেননি। অসহনীয় গরমে ঘরের মধ্যেও থাকা যাচ্ছে না ঘর থেকে বের হওয়াও যাচ্ছে না। এ অবস্থায় তীব্র গরমে মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বরিশালে চলছে একটানা দাবদাহ। এর মধ্যে গত ৬ দিন থেকে অসহনীয় দাবদাহে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। মাঝে-মধ্যে আকাশে মেঘের আনাগোনা ও ঝড়োবাতাস বয়ে গেলেও কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা মিলছে না। ফলে একটানা প্রচণ্ড গরমে জনজীবন প্রায় থমকে পড়েছে।

এপ্রিল ও মে মাসে স্বাভাবিকভাবেই তাপপ্রবাহ বেশি থাকে। আবার এসব মাসে কালবৈশাখী ঝড়ও হয়। যে কারণে তাপমাত্রার একটা ভারসাম্য থাকে। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে এবার বরিশালে বৃষ্টি না হওয়ায় চরম তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বরিশাল আবহাওয়া অধিদপ্তরের পর্যবেক্ষক মাজহারুল ইসলাম বলেন, ২০১৯ সালের মার্চে বরিশালের  তাপমাত্রা ছিল সর্বোচ্চ ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই বছরের এপ্রিলে গড়ে তাপমাত্রা ছিল সর্বোচ্চ ৩২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০২০ সালের মার্চ ও এপ্রিলে গড়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.২ এবং ৩৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০২১ সালের মার্চ ও এপ্রিলে ছিল ৩৩.৯ এবং ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ বছরের মার্চ ও এপ্রিলে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩.৮ এবং ৩৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পর্যবেক্ষক মাজহারুল আরও বলেন গত ৪ বছরের তাপমাত্রা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে প্রতিবছরই ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়ছে।

English Dainikbiswa

বরগুনার তালতলীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা ও ক্লিনিক সীল গালা

হৃদয় মন্ডলের পরিবারের নিরাপত্তার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ

কুমিল্লায় মাটির ট্রাক্টর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে-নিহত ৩

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

কুমিল্লায় মাটি বোঝাই ট্রাক্টর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে তিনজন নিহত হয়েছেন। শনিবার (৯এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মুরাদনগরের মোচাগড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, উপজেলার বল্লববাড়ীয়া এলাকার ২২ বছরের মো. বাবুল ও টুটুল এবং ২৩ বছরের মো. হাসান। তারা সবাই একই এলাকার বাসিন্দা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসিম।

তিনি বলেন, ভোরে ভাটায় যাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি খালে পড়ে যায়। এ সময় ঘটনাস্থলে তিনজন মারা যায়।

 

 

ভারতের সবচেয়ে ধনী হয়েও সোনার অলঙ্কার পরেন না নীতা আম্বানি, কেন…?

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

বর্তমান সময়ে ভারতের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হলেন মুকেশ আম্বানি। শুধু দেশের নয়, সারা বিশ্বে তাঁর নাম রয়েছে। তিনি এশিয়ার মধ্যে ধনী ব্যক্তিদের লিস্টএ রয়েছেন। মুকেশ আম্বানি (Mukesh Ambani) একজন অত্যন্ত সফল বিজনেসম্যান। তিনি তাঁর জীবনে নাম, সম্মান এবং অর্থ সব কিছুই অর্জন করেছেন। আপনাদের জানিয়ে রাখি, ভারত সরকার নিজেই মুকেশ আম্বানিকে নিরাপত্তা দিয়ে থাকেন।

তাহলে বুঝতেই পারছেন, মুকেশ আম্বানি আজকের সময় কত বড় একজন মানুষ। তাঁর কাছে এত টাকা রয়েছে তা গুণলে শেষ করা যাবে না। আগামী কয়েক প্রজন্ম সেই টাকা উপভোগ করলেও তা শেষ হবে না। মুকেশ আম্বানি এবং তার পরিবারের প্রতিটি সদস্যই খুবই বিলাসবহুল জীবনযাপন করে থাকেন। আপনাদের জানিয়ে রাখি, মুকেশ আম্বানির স্ত্রী নিতা আম্বানি (Neeta Ambani) ভারতের প্রথম একজন মহিলা, যিনি এত বিলাসবহুল জীবনযাপন করে থাকেন।

ভারতের সবচেয়ে ধনী হয়েও সোনার অলঙ্কার পরেন না নীতা আম্বানি, কেন...?

মুকেশ আম্বানির স্ত্রী নীতা আম্বানির কাছে ব্যয়বহুল এবং বিলাসবহুল প্রচুর জিনিস রয়েছে। বিশ্বের দামি জিনিস তাঁর কাছেই রয়েছে। তিনি নিজস্ব যেসব জিনিস ব্যবহার করে থাকেন, সেগুলো অত্যন্ত দামী। তবে আজকে আপনাদের নীতা আম্বানির একটি বিষয় নিয়ে আপনাদের জানাবো। আপনার হয়তো লক্ষ্য করেছেন, নিতা আম্বানি কখনোই সোনার জিনিস পড়েন না।

যেখানে ভারতের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হলেন মুকেশ আম্বানি। সেখানে দাঁড়িয়ে, কেন নিতা আম্বানি সোনার মতন মূল্যবান জিনিস পড়ে না? আপনি কখনোই সোনার জিনিস দেখতে পাবেন না তাঁকে পড়তে। আসলে নিতা আম্বানি সোনা একদমই পছন্দ করেন না। তাই সোনার পরিবর্তে তিনি হীরা এবং মুক্ত নেকলেস পড়ে থাকেন। সেই সব হিরো এবং মুক্তার দাম সোনার থেকে অনেকগুণ বেশি।

English Dainikbiswa

টানা ৫০ বার ফেল।। এরপর Google এ ১.১০ কোটি টাকা প্যাকেজের চাকরি

টানা ৫০ বার ফেল।। এরপর Google এ ১.১০ কোটি টাকা প্যাকেজের চাকরি

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

“কষ্ট করলে কেষ্ট মেলে”- বাংলায় এই প্রবাদ খুবই প্রচলিত। আর এই প্রবাদকে সত্য করে দেখিয়েছেন ভারতের এক কন্যার। যুবতী ইন্টারভিউতে 50 বার ফেল হওয়া সত্ত্বেও উৎসাহ হারিয়ে ফেলেনি তথা চেষ্টা জারি রেখেছিল। যুবতীর নাম সম্প্রতি যাদব যে নিজের করা পরিশ্রম ও নিষ্ঠার দ্বারা সেই কাজ করে দেখিয়েছে যা প্রশংসনীয় অনেকেই একবার বা দু’বার ব্যর্থ হয়েই হার মেনে নেন অথবা উৎসাহ হারিয়ে ফেলেন।

তবে সম্প্রতি যাদব 50 বার ফেল হয়েও হার মানেননি এবং অনেকের কাছে অনুপ্রেরণার উদাহরণ হয়ে উঠেছেন। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে সম্প্রীতি যাদব এর কাছে 4 টি কোম্পানির অফার রয়েছে। শুধু এই নয়, গুগল (Google) সম্প্রীতিকে 1.10 কোটি টাকার বার্ষিক প্যাকেজ এর অফার দিয়েছে। সম্প্রীতির এই সফলতার খবর তার প্রিয়জনদের মধ্যে আনন্দের ঢেউ এনে দিয়েছে। অবশ্য ওর সম্প্রীতির এই সফলতা এতটাও সহজ ছিল না।

জানিয়ে দিব সম্প্রতি 14 ই ফেব্রুয়ারি থেকে গুগলে কাজ করা শুরু করে দিয়েছেন। গুগলের কাছে এই অফার পাওয়ার জন্য সম্প্রতি কে 9 রাউন্ড পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে সম্প্রতি যাদবকে নটি ইন্টারভিউতে সফল হতে হয়েছে। যারা চাকরি চাকরির জন্য চেষ্টা চালাচ্ছেন তাদের উদ্দেশ্যে সম্প্রীতি কয়েকটা কথা বলেছেন।

সম্প্রতি বলেছেন সফলতা পাওয়ার জন্য প্রথমে লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হয় তারপর সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রস্তুতি নিতে হয়। এরপর বারবার চেষ্টা করলেই সফলতা নিশ্চিত আছে। সম্প্রতি যাদব এর এমন চেষ্টা ও সফলতা যে বহুজনকে উৎসাহ দেবে তা বলাই বাহুল্য।

English Dainikbiswa

হাইমচরে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ উপলক্ষে সচেতনতামুলক আলোচনা সভা

ইউক্রেনের অনেকেই বাঙ্কারে আশ্রয় নিয়েছেন। “বাঙ্কার” জিনিসটা আসলে কী?

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

এটির আসল উত্তর ছিল: ইউক্রেনের অনেকেই বাঙ্কারে আশ্রয় নিয়েছেন, তো এই “বাঙ্কার” জিনিসটা কি জিনিস?

বাঙ্কার (Bankar/Bunkar) হচ্ছে, বোমা বিস্ফোরণে আক্রান্ত হওয়ার থেকে নিজেকে রক্ষা করতে, মাটির নীচে আশ্রয় স্থল।

মাটি খুঁড়ে, প্রায় পাঁচ ছয় ফুট গভীর পর্যন্ত গর্ত করে, সেখানে আশ্রয় নেয়া। এটা অনেকটাই L (এল) টাইপের মতো করে করা হয়। কতোজন লোকের জায়গা দরকার হবে, সে অনুপাতে এই বাংকার এর দৈর্ঘ্য স্থির করা হয়। তারপর বাংকারে ঢুকে এর উপর দিকটি চাটাই, বালির বস্তা, বাঁশ, লতা, পাতা দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়, যাতে বাইরে থেকে আন্দাজ করা না যায়।

বাংকার, আমি নিজেই বানিয়েছি, কোদাল দিয়ে মাটি খুঁড়ে।

ইউক্রেনের অনেকেই বাঙ্কারে আশ্রয় নিয়েছেন। "বাঙ্কার" জিনিসটা আসলে কী?
একটা মোটামুটি ধারণা নেয়ার জন্য, বাংকারের ছবি

সাল টা ১৯৭১। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম চলছে, সে সময়। আমি তখন ত্রিপুরার আগরতলায়। মাঝে, মাঝেই, সো করে যুদ্ধ বিমান চলে যাচ্ছে, বাড়ীর উপর দিয়ে, বুঝার উপায় নেই, এটা কী ভারতের না পাকিস্থানের।

যুদ্ধ বিমানের আওয়াজ শোনা মাত্রই বাড়ীর সবাই বাংকারে ঢুকে চুপ করে বসে পড়তাম। কিছুক্ষণ বাদে, যুদ্ধ বিমানের আনাগোনা কমে গেলে, বাংকার থেকে সবাই বেরিয়ে আসতাম, আবার আওয়াজ শোনা মাত্রই, সবাই গিয়ে বাংকারে ঢুকে পড়তাম। সে সময়, আগরতলার প্রায় প্রতিটি বাড়ীতেই বাংকার দেখা যেতো।

 

অফিসের টেবিলের ওপর ঘুমিয়ে সময় কাটান সহকারী স্টেশনমাস্টার

//নীলফামারী প্রতিনিধি//

নীলফামারীর ডোমার রেলওয়ে স্টেশনে দিনের বেলায় নিজের চেম্বারের টেবিলের ওপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঘুমিয়ে থাকার অভিযোগ উঠেছে সহকারী স্টেশনমাস্টার মোসাদ্দেক আলীর বিরুদ্ধে। আজ রোববার বেলা ৩টার দিকে তাঁকে টেবিলের ওপর ঘুমাতে দেখেছেন অনেকে।

টিকিট নিতে আসা সফিকুল ইসলাম (৩৮) নামে এক ব্যক্তি বলেন, ‘বিকেলে স্টেশনে এসে দেখি স্টেশনমাস্টারের চেম্বারের টেবিলে ওপর একজন ঘুমিয়ে আছেন। আর স্টেশনের কাউকে খুঁজে পাই নাই।’

স্থানীয় সংবাদকর্মী রতন রায় বলেন, ‘একজন কর্মকর্তা কীভাবে দিনের বেলায় নিজের চেম্বারের টেবিলের ওপর ঘুমাতে পারে, তা আমার বুঝে আসে না।’

সহকারী স্টেশনমাস্টার মোসাদ্দেক আলী বলেন, ‘দুপুরে খাবার পর বিশ্রাম নিয়েছিলাম।’ টেবিলের ওপর ঘুমানো ঠিক করেছেন কি না, জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এ বিষয়ে স্টেশনমাস্টার মাসুদ রানাকে স্টেশনে পাওয়া না যাওয়ায়, তাঁর মোবাইল ফোনে বারবার কল করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

প্রসঙ্গগত, গত কয়েক দিন থেকে এ স্টেশনে টিকিট কালোবাজারি বন্ধ ও জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধনসহ বিভিন্নভাবে প্রতিবাদ করছেন এলাকাবাসী। এতে গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় ডোমার রেলওয়ে স্টেশনে বাংলাদেশ রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (ডিসিও) নাছির উদ্দিনের নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি সরেজমিনে পরিদর্শনে আসেন। এ সময় স্থানীয় এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারির সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ডোমার রেলওয়ে স্টেশনের বুকিং সহকারী সিহাব হোসেনকে তাৎক্ষণিকভাবে সাময়িক অব্যাহতি দিয়েছে। এ ছাড়া কালোবাজারি চক্রের ৬ জনের নামে মামলার প্রস্তুতিও নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ বলে জানা গেছে।

English Dainikbiswa

স্ত্রীর মামলায় তালতলী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম কারাগারে

রমনার বটমূলে হবে বর্ষবরণ, টানা দুই বছর পর

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

বিগত দুই বছর করোনা মহামারির কারণে রমনার বটমূলে বর্ষবরণের আয়োজন হয়নি। তবে করোনা সংক্রমণ কমে আসায় এবার বরাবরের মতো এই আয়োজন করছে ছায়ানট। মাসাধিককাল ধরে দলীয় পরিবেশনার মহড়ার মাধ্যমে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ইতোমধ্যে বটমূলের বরাদ্দ চেয়ে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কাছে আবেদনও করা হয়েছে।

অবশ্য রমজানের পবিত্রতা রক্ষায় ও স্বাস্থ্যবিধি বিবেচনায় রেখে এবারের আয়োজনে শিল্পী সংখ্যা কমিয়ে আনা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে ছায়ানটের পক্ষ থেকে।

প্রসঙ্গত, ১৯৬৭ সাল থেকে নগরজীবনে বাংলা নববর্ষকে আহ্বান জানানোর জন্য সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানট রমনার বটমূলে সুর ও বাণীর আয়োজন করে আসছে।

গতকাল শনিবার বিকেলে ধানমন্ডির ছায়ানট-সংস্কৃতি ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে ছায়ানটের সভাপতি বরেণ্য সংগীতজ্ঞ সন্‌জীদা খাতুন বলেন, আগ্রাসী করোনাকে দমাতে প্রায় দু’বছর আমরা গৃহবন্দি ছিলাম। সব শেকল ভেঙে বিশ্বজুড়ে আজ নব আনন্দে জেগে উঠবার আহ্বান।’

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সাধারণভাবে ছায়ানটের বর্ষবরণের মঞ্চে কমবেশি সোয়াশো শিল্পী থাকে। তবে স্বাস্থ্যবিধি বিবেচনায় রেখে এবার শিল্পীসংখ্যা কমিয়ে আনা হয়েছে। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলছে দলীয় পরিবেশনার মহড়া।

সংবাদ সম্মেলনে সনজীদা খাতুন আরও বলেন, বাংলা বর্ষবরণ এখন দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে, ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে বিশ্ববাঙালির প্রধান প্রাণের উৎসব, বাঙালি ঐতিহ্যের অঙ্গ। আমাদের প্রত্যাশা, বটমূলে অর্ধশতাধিক বছরের এই উৎসবের ধারায় বাঙালির প্রত্যাবর্তন হবে সংযমী, প্রাণবন্ত, আনন্দঘন এবং বিপর্যয় বিনাশের অঙ্গীকারে বলীয়ান।

English Dainikbiswa

রাশিয়া কিকি দাবি মেনে নিল ইউক্রেনের

নওয়াজ শরিফের উপড় হামলা।। মেয়ে মরিয়ম ইমরান খানকেই দায়ী করছেন

কর্মহীন ও অনাহারে মানবেতর জীবনযাপন করছে জাহাজ ও বালু উত্তোলন শ্রমীকরা

বিশেষ প্রতিনিধি।।

আদালতের রায়ে বর্তমানে নাকি বালু উত্তোলন বন্ধ করেছে সরকার, আমারা এই কাজ শিখেছি অন্য কোন কাজ আমরা জানিনা। আমাদের কথা কেউ ভাবছে না,সকলেই নিজেদের ও নিজের পরিবার পরিজনের কথাই ভাবছে।

বালু উত্তোলন যদি অবৈধ হয়,তাহলে বৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের অনুমোদন দেওয়া হউক।বালু উত্তোলন না হওয়ার কারণে চাঁদপুর জেলার সরকারি ও বাসস্থান নির্মান কাজ বন্ধ হয়ে রয়েছে,বালু ব্যতিত কোন প্রকার উন্নয়ন মূলক কাজ বাস্তবায়ন হওয়া সম্ভাব নয় বললেন,,,,জাহাজ ও বালু উত্তোলন শ্রমীকরা।

তারা আও বলেন,সামনে মাহে রমজান ও ঈদ আমদের কোন আয় রুজি না থাকলে আমরা ও আমাদের পরিবারপরিজন অনাহারে দিন কাটাচ্ছে এবং কাটতে হবে।সরকারের কাছে আকুল আবেদন বালু যদি দেশের জন্যে প্রয়োজন না হয়,আমাদেরকে সরকার কর্মসংস্থান তৈরিকরে আমাদের শ্রমীক ও শ্রমীক পরিবারকে বেঁচে থাকার জন্যে কর্ম তৈরিকরে দেওয়া হউক।

ইউক্রেন সেনা যুদ্ধও করবে বিয়েও করবে: দেখুন ভিডিও….

//আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের কারণে প্রতিদিনই বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা। লাখ লাখ ইউক্রেনীয় দেশ ছেড়ে পালাচ্ছেন। মানবেতন জীবনের দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে বহু মানুষকে।

এরইমধ্যে শক্তিশালী রুশ বাহিনীর সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন ইউক্রেনের সেনা সদস্যরা। অনিশ্চিত এক জীবন তাদের। কখন রুশ বাহিনীর বুলেটে তাদের প্রাণ যায়, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই!

কিন্তু এসবের মধ্যেও থেমে নেই জীবন। থেমে নেই জীবনের আয়োজনও; যেনো যুদ্ধকেই জীবনের অংশ বলে মেনে নিতে চাচ্ছেন ইউক্রেনের সেনারা।

এক ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, যুদ্ধক্ষেত্রে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন ইউক্রেনের দুই সেনা।

এতে দেখা গেছে, সামরিক পোশাক পরেই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করছেন তারা। তাদের চারপাশে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন।

জানা যায়, ওই দুই ইউক্রেনীয় সেনার নাম লেসিয়া ও ভ্যালেরি। ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের পাশে তারা এ বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেন।

কনে লেসিয়ার হাতে দেখা যায় ফুলের তোড়া। তাদের দুজনকে গান গেয়ে শোনাচ্ছিলেন সহযোদ্ধা সেনারা। এরমধ্যে এক সেনা ঐতিহ্যবাহী ইউক্রেনীয় বাদ্যযন্ত্র পরিবেশন করছিলেন। সূত্র: এনডিটিভি।

ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন…..

 

খুলনার ডুমুরিয়ায় দলিত জনগোষ্ঠীর অগ্রাধিকার নিশ্চিত করণে গণশুনানি অনুষ্ঠিত

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া খুলনা//

খুলনার ডুমুরিয়ায় দলিতের উদ্যোগে উপজেলা  সমাজসেবা কর্তৃক  সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচীতে দলিত জনগোষ্ঠীর অগ্রাধিকার নিশ্চিতকরণে এক  গণশুনানি অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলার শহীদ জোবায়েদ আলী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত গণশুনানি অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সুব্রত বিশ্বাস।  দলিত সংস্থার ম্যানেজার মোঃ আল-আমিন’র সঞ্চালনায় গণশুনানির অনুষ্ঠানে  প্রধান অথিতির বক্তব্য দেন খুলনা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক খান মোতাহার হেসেন   সহকারী – পরিচালক আইনাল হক ও শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন দলিত সংস্থার নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার দাস।

আরোও বক্তব্য দেন, দলিত সংস্থার মনিটরিং অফিসার ইসরাত নূরেয়ী হোসেন,হিসাব রক্ষক হরিচাঁদ দাস, ফিল্ড সুপার ভাইজার সামসুন নাহার, সহকারী মেডিকেল অফিসার তনিমা দাস, সুমিত্রা বিশ্বাস, সঙ্গীতা দাস, রাজু দাস, প্রান্ত দাস, দোলন দাস, নিয়তি দাস, দিপ্তী রানী দাস, শিল্পী গাইন, পলাশ দাস,  প্রমুখ।

গণশুনানিতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত সুবিধা বঞ্চিত দলিত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের দাবি প্রদান করে।

রাশিয়-ইউক্রেন যুদ্ধ// কোন দেশ কি অবস্থানে আছে জেনে নিন..

ত্রয়োদশ তম প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ নিচ্ছেন রোববার