অভয়নগরে সুদ খোরের বিরুদ্ধে মামলা করায় হুমকির মুখে বাদী পরিবার

 

যশোরের অভয়নগরে সুদে টাকা আদায় করতে  ঋণগ্রহীতা যুবকের উপর হামলার ঘটনায় থানায় মামলা করায় এখন হুমকির মুখে বাদী পরিবার।

জানা যায়, উপজেলার ৫নং শ্রীধরপুর ইউনিয়ন” ২ নং ওয়ার্ডের দেয়াপাড়া গ্রামের  কুদ্দুস শেখের ছেলে মো. ইমন শেখ (২২) আর্থিক সমস্যায় পড়ে একই গ্রামের মৃত একিম শেখের পুত্র  হযরতের কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা ধার নেয় ৷

সপ্তাহে ৮’শ টাকা সুদ দেবার শর্তে  তিন সপ্তাহ সুদ দেওয়া হলে পরবর্তী সপ্তাহে সুদের টাকা দিতে দেরি হওয়ায় ২৫ আগস্ট রাতে ইমনকে তার নিজ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে অমানসিক অত্যাচার ও  বে-ধরক মারধোর করে তার ডান হাত ভেঙ্গে দেয় এবং তার কাছে থাকা অর্থ-স্বর্ণের চেইন ও একটি  মোবাইল ছিনিয়ে নেয়।

এঘটনায়   ভুক্তভোগীর পিতা বাদী হয়ে অভয়নগর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ অভিযোগটি মামলা হিসেবে আমলে নেয়, যাহার মামলা নং-০২  তাং ০১/০৯/২০২১ ইং ।

এ মামলায় অভিযুক্ত আসামী হযরত ও শামীমকে গ্রেফতার করে আদালতে সোর্পদ করে পুলিশ।  আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে এসে  আসামীরা মামলা তুলে নিতে বাদী পরিবারকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি প্রদান করছে  বলে জানা যায়।

হুমকির বিষয়ে মামলার বাদী মোঃ কুদ্দুস শেখ জানায় , আমার ছেলের উপর হামলা করে ক্ষান্ত হয়নি আসামীরা তারা এখন মামলা তুলে নিতে আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে।

অন্যথায়  আমার ও আমার পরিবারের অন্য সদস্যদের অবস্থা আমার ছেলের থেকে ভয়ানক হবে। বর্তমানে  আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এ বিষয়ে  অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মহোদয়কে অবহিত করে একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভয়নগর থানার ওসি (তদন্ত)  মিলন কুমার মন্ডল বলেন, বিষয়টি আমলে নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল,  বিশেষ প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

অভয়নগরে তারেক জিয়া পরিষদের নব নির্বাচিত যুগ্ম আহবায়ককে সংবর্ধনা প্রদান

 

বরিশাল নগরীতে র‌্যাবের সাড়াশি অভিযানে ১৪ দালাল আটক

//পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল//

বরিশাল নগরীতে র‍্যাবের অভিযানে বিভিন্ন স্থান থেকে ১৪জন দালাল আটক করেন র‍্যাব ৮

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতাল, জেনারেল হাসপাতাল ও আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে সাড়াশি অভিযান চালিয়ে ১৪ জন দালাল আটক করেছে র‌্যাব-৮।

রবিবার সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত একটানা এই অভিযান চালায় তারা। এ সময় আটক ১৪ জনের মধ্যে ১২ জনকে ১ মাস করে কারাদণ্ড ও ১ জনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মারুফ দস্তগীর। এছাড়া একজনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করে র‌্যাব।

র‌্যাব-৮ কর্মকর্তা কমান্ডার মেজর মো. জাহাঙ্গীর এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানে জনগণকে নির্ভেজাল সেবা পাইয়ে দেয়ার জন্য র‌্যাবের দালাল বিরোধী এই অভিযান অব্যাহত থাকবে ।

বরিশালে অভিনব কৌশলে স্ত্রীকে তালাক, অভিযুক্ত স্বামী গ্রেফতার

বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার ধারালিয়া গ্রামে এন জিও থেকে ঋণ নেওয়ার কথা বলে কৌশলে স্ত্রীর স্বাক্ষর নিয়ে সেই স্বাক্ষর দিয়ে তালাকনামা তৈরি করেছে এক পাসন্ড স্বামী। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী স্ত্রীর অভিযোগের পর পাষন্ড স্বামীকে গ্রেফতার করেছে বানারীপাড়া থানা পুলিশ।   ৫ সেপ্টেম্বর রবিবার দুপুরে ধারালিয়া গ্রামের আব্দুর রব মৃধার পুত্র মোস্তফা মৃধার স্ত্রী পিংকি বেগম জানান, প্রায় পাঁচবছর পূর্বে তাদের পারিবারিক ইচ্ছায় সামাজিকভাবে  বিয়ে হয়। তাদের ঘরে একটি সন্তান রয়েছে।অতি সম্প্রতি তার স্বামী তার বাবার বাড়ি থেকে দুই লাখ টাকা যৌতুক আনার জন্য তার উপর বিভিন্ন ধরনের চাঁপ প্রয়োগ করেন। এতে তিনি অপরাগতা প্রকাশ করায় প্রায়ই তাকে তার স্বামী শারিরিক নির্যাতন করতো বলেও তিনি জানান ।

তিনি আরও জানান,গত ১৫ দিন পূর্বে তার স্বামী একটি এনজিও থেকে ঋণ উত্তোলনের কথা বলে তিনশ’ টাকার স্ট্যাম্পে তার ( স্ত্রী  পিংকি বেগমের) স্বাক্ষর নেন। পরে ওই স্ট্যাম্পে বরিশাল নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে স্ত্রী পিংকি বেগম তার স্বামীকে তালাক দিয়েছে বলে একটি তালাকনামা  তৈরি করেন পাসন্ড স্বামী।

২ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে যৌতুকলোভী মোস্তফা মৃধাআবারো তার স্ত্রী পিংকি বেগমকে তার বাবারবাড়ি থেকে পুর্বের দাবিকৃত যৌতুকের দুই লাখ টাকা আনার জন্য চাঁপ প্রয়োগ করে।এক পর্যায়ে স্বামী মোস্তাফা মৃধা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে( পিংকি বেগমকে) অমানুষিক নির্যাতন করে ভুয়া তালাকনামা দেখিয়ে রাতের আধাঁরে তাকে( স্ত্রী পিংকি বেগমকে)ঘরথেকে বের করে দেন বলে জানানো হয়।

এ বিষয় বানারীপাড়া থানার ওসি(তদন্ত) জনাব মোঃ জাফর আহম্মেদ জানান,উক্ত ঘটনায় পিংকি বেগম থানায় মামলা দায়ের করলেপুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত স্বামী মোস্তফা মৃধাকে গ্রেফতার করেছে বলে জানানো হয়।

//পলাশ চক্রবর্ত্তী, বিশেষ প্রতিবেদক, বরিশাল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশালে ইউএনও’র বাস ভবনে হামলায় চোখে গুলিবিদ্ধ হওয়া ২ আসামীর জামিন

 

ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান গ্রাহকের টাকা মেরে যুক্তরাষ্ট্রে গড়েছেন বিশাল সাম্রাজ্য

গ্রাহকের টাকা মেরে যুক্তরাষ্ট্রে বিশাল সাম্রাজ্য গড়েছেন ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম। নিজের ও স্ত্রীর নামে প্রাসাদসম বাড়ি ও তিনটি ব্যবসা খুলেছেন। কিন্তু বিমার টাকা না পেয়ে প্রতিষ্ঠানটির কয়েক হাজার গ্রাহক নিয়ন্ত্রক সংস্থার দ্বারে দ্বারে ঘুরছে।

এসব জালিয়াতির কারণে বুধবার প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ১০ জন স্বতন্ত্র পরিচালক। নতুন চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডিন ড. মো. রহমত উল্লাহ।

এই পর্ষদ একটি নিরীক্ষা কমিটি করে প্রতিষ্ঠানটির দুর্নীতির সব তথ্য-উপাত্ত উদ্ঘাটন করবে। পাশাপাশি কোম্পানির সম্পদ উদ্ধার ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে। বুধবার বিএসইসি এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার আগে বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার সম্মতি নেওয়া হয়েছে। দুর্নীতির বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে ফারইস্টের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে বুধবার সন্ধ্যায় একাধিকবার কল করা হয়। কিন্তু রিং হলেও প্রতিবারেই অপর প্রান্ত থেকে সংযোগ কেটে দেওয়া হয়। পরে জানা যায়, তিনি দেশে নেই। তিনি এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছে।

বিএসইসির বুধবারের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কোম্পানির নতুন পরিচালনা পর্ষদ আগামী ৬ মাসের মধ্যে শীর্ষ ব্যবস্থাপনাও পুনর্গঠন করবে। নগদ অর্থ-সম্পদ ফিরিয়ে আনবে। পাশাপাশি গত ১০ বছরে যারা আর্থিক অপরাধ এবং মানি লন্ডারিং করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।

নতুন পর্ষদের অন্য সদস্যরা হলেন চার্টার্ড অ্যাকাউন্টটেন্ট ড. মো. রফিকুল ইসলাম, সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. মোফাজ্জল হোসেন, কর্নেল (অব.) গাজী মো. খালিদ হোসেন, চার্টার্ড অ্যাকাউন্টটেন্ট স্নেহাশীষ বড়ূয়া, একাত্তর টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বাবু, জি সেভেন সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান সুজাদুর রহমান, জনতা ব্যাংকের সাবেক ডিএমডি জিকরুল হক এবং নর্দান জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের সাবেক চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম চৌধুরী।

বিএসইসি এবং সরকারের আরও একটি প্রতিষ্ঠানের তদন্ত এবং যুগান্তরের অনুসন্ধানে জানা যায়, কোম্পানির টাকা আত্মসাৎ করে যুক্তরাষ্ট্রে হাজার কোটি টাকা পাচার করেছেন মো. নজরুল ইসলাম। এই টাকায় ফ্লোরিয়ায় নিজেদের নামে প্রাসাদসম বাড়ি এবং নিজের ও স্ত্রীর নামে তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ৩৩৪৪৯ ফ্লোরিডার ১১৫২২ ম্যানাটি বে লনে ওয়েলিংটনে ডুপ্লেক্স বাড়ি কিনেছেন। যার নম্বর এক্সেসর পার্সেল বা ট্যাক্স নির্ধারণকারী নম্বর ৭৩-৪১-৪৪-২৬-০৫-০০০-০৮৪০। ছয় বেড রুম, সম্পূর্ণ ইক্যুইপ জিম, সুইমিংপুল এবং তিনটি গাড়ি রাখার গ্যারেজসহ পুরো বাড়ির আয়তন ১০ হাজার ৫২০ স্কয়ার ফুট।

বাড়িটির মূল্য ৭ লাখ ৫৪ হাজার ৩২৭ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। ২০১৪ সালে ১১ ফেব্রুয়ারি নজরুলের নিজের নামে কোনো ধরনের মর্টগেজ ছাড়া নগদ অর্থে বাড়িটি কেনা হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৯ সালে ট্যাক্স পরিশোধ করা হয়েছে ১৩ হাজার ৫০ ডলার।

নিজের ও স্ত্রীর নামে ফ্লোরিডায় তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলেছেন। এর মধ্যে একটি রাইয়ান বিডি ইন করপোরেশন। ঠিকানা : ৩৩৪৪৯ ফ্লোরিডার ১১৫২২ ম্যানাটি বে লন, ওয়েলিংটন। ডিইউএনএস (ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তথ্য যাচাইকারী কোড) নম্বর ১২২৫৬৪০৮২। ফাইলিং নম্বর পি১৮০০০০৭৯৬৬১। ২০১৮ সালের ২০ সেপ্টেম্বর এটি ফাইল করা হয়। এই প্রতিষ্ঠানের মালিক (প্রেসিডেন্ট) নজরুল ইসলাম নিজেই।

ভাইস প্রেসিডেন্ট তার স্ত্রী তাসলিমা ইসলাম। প্রাইম ফিন্যান্স ইনভেস্টমেন্ট এলএলসি এবং রুমাইসা এন্টারপ্রাইজ এলএলসি নামে আরও দুটি প্রতিষ্ঠান খোলেন। কোম্পানির ঠিকানা: ২৩১৪ এসডব্লিউ ১৩ এসটি, বয়নটন বিচ, ৩৩৪২৬ ফ্লোরিডা। ইমেইল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে avesta.usa@gmail.com। ডিইউএনএস নম্বর ৩৬১৬৬৪৩৭৮, নিবন্ধন অনুসারে কোম্পানির ধরন ডমেস্টিক লিমিটেড লায়াবিলিটি কোম্পানি। ফাইলিং নম্বর এল১৩০০০১৩২৩৪৩। ২০১৩ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর কোম্পানি দুটি ফাইল করা হয়।

এর মালিকানায় রয়েছেন ফারইস্টের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, স্ত্রী তাসলিমা ইসলাম, মোহাম্মদ এম মিয়া এবং ফারহানা মিয়া। এসব কোনো তথ্যই নজরুল ইসলাম ও তার স্ত্রীর বাংলাদেশের আয়কর ফাইলে উল্লেখ করা হয়নি।

জানা যায়, গ্রাহকদের দাবি পরিশোধ না করাসহ নানা আর্থিক অনিয়ম খতিয়ে দেখতে চলতি বছরের জুন মাসে কোম্পানিটির বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করে বিএসইসি। কোম্পানিটির একজন উদ্যোক্তা পরিচালকসহ বেশ কয়েকজনের অভিযোগের পর সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ, ১৯৬৯ এর ২১ ধারা ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ এর ১৭ক ধারা অনুযায়ী এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

তদন্ত কমিটি বেশকিছু অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের ঘটনা চিহ্নিত করেছে। এর আগে প্রাথমিকভাবেই ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের আর্থিক প্রতিবেদনে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ও এক পরিচালককে আর্থিক সুবিধা দিতে গিয়ে কোম্পানিটির স্থায়ী আমানত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে কোম্পানির তিন বছরের আর্থিক প্রতিবেদন বিশেষ নিরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেয় বিএসইসি। ওই নিরীক্ষা অনুসারে ২০১৬ সালে বিভিন্ন ব্যাংকে কোম্পানির স্থায়ী আমানত ছিল ১ হাজার ৪৩১ কোটি টাকা। আর ২০১৮ সালে তা ৪১৩ কোটি টাকায় নেমে আসে।

২০১৭ সালে কোম্পানির বিনিয়োগ ছিল ২৭৫ কোটি টাকা। ২০১৮ সালে তা কমে ২৫১ কোটি টাকায় নেমে আসে। ২০১৯ সালের জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর সময়কালে, কোম্পানির মোট জীবনবিমা পলিসির ৩ হাজার ২৬৯ কোটি টাকা থেকে ৬৩ কোটি টাকা কমেছে। আর আর্থিক সক্ষমতা কমে যাওয়ায় গ্রাহকদের দাবি যথাযথভাবে পূরণ করতে পারছে না কোম্পানিটি।

এতে কোম্পানিটির গ্রাহক হারানোর পাশাপাশি জীবনবিমা পলিসিও কমেছে। একই সঙ্গে ফারইস্ট লাইফের বিনিয়োগের পরিমাণও কমেছে। পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার আগে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ছিলেন মো. নজরুল ইসলাম এবং ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. ইফফাত জাহান।

পরিচালক ছিলেন মো. হেলাল মিয়া, ড. মো. মোকাদ্দেস হোসেন, আয়েশা হুসনে জাহান, নাজনীন হোসেন, ড. মো. মনোয়ার হোসেন, রাবেয়া বেগম, মুসলিমা শিরিন, মোহাম্মদ সোহেল আরিফ ও আবদুল আউয়াল। এছাড়াও স্বতন্ত্র পরিচালক হিসাবে রয়েছেন এবিএম হোসাইন আহমেদ, মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা এবং মো. আকতার হোসেন সান্নামাত।  সূত্র: যুগান্তর

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

প্রায় দুই কোটি ছত্রিশ লক্ষ টাকার স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে চুয়াডাঙ্গা বিজিবি

 

বরিশালে হলিকেয়ারে যুবককে পিটিয়ে হত্যা দেড় লাখ টাকায় ধামাচাপার চেষ্টা

 

বরিশাল নগরীর মাদক নিরাময় কেন্দ্র হলি কেয়ারে রোগী নির্যাতনে হত্যার পর দেড় লাখ টাকার প্রলোভনে দেখিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে । রোগীর স্বজনদের চেকের মাধ্যমে দেড় লাখ টাকা দেয়া হবে বলে আপোষ করে তাদেরকে মামলা করা থেকে দুরেসরিয়ে এনেছে হলি কেয়ার কর্তৃপক্ষ ।

অপরদিকে মামলা না হওয়ায় পুলিশ কাউকে আটক করেনি। যার ফলে এবারেও চিকিৎসার নামে হত্যা করে পার পেয়ে যাচ্ছে সিরিয়াল কিলার প্রতিষ্ঠান হলিকেয়ার মাদক নিরাময় কেন্দ্রের মালিক মোস্তাফিজুর রহমান সুমন। নির্যাতনে নিহত চন্দন সরকারের পরিবারের সদস্যরা জানান ,বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর হলিকেয়ার কার্যালয় বসে তাদের সঙ্গে মামলা না করার শর্তে সমঝোতা করা হয়। তাদেরকে দেড় লাখ টাকা চেকের মাধ্যমে প্রদান করা হবে বলে আশ্বাস প্রদান করা হলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ওই পরিবারের সদস্যদেরকে কোন চেক প্রদান করা হয়নি বলে তারা জানান ।

নিহত চন্দনের মামা নিবাস মুহুরী জানান, আমরা অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সদস্য। হলি কেয়ার এর মালিক মোস্তাফিজুর রহমান সুমনের সঙ্গে মামলা করে আমাদের টিকে থাকা সম্ভব নয় । এরপর তারা বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। ফলে আমরা এ মুহূর্তে মামলা করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছি । মামলা করা না হলে আমাদের দেড় লাখ টাকা দেয়া হবে বলা হয়েছে কিন্তু কোন টাকা কিংবা চেক দেয়া নি। এদিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা সরেজমিনে পরিদর্শন করলেও প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি । ধারণা করা হচ্ছে অর্থ আর ক্ষমতার বিনিময় এবারেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে পার পেয়ে যাবেন একাধিক হত্যাকান্ডের অনুঘটক মোস্তাফিজুর রহমান সুমন।

এ ঘটনায় হলি কেয়ার কেন্দ্র সরেজমিনে পরিদর্শন করে উপ-পুলিশ কমিশনার আলী আশরাফ বলেছেন সিসিটিভি ক্যামেরা পর্যবেক্ষণ করা হবে। কিন্তু বৃহস্পতিবার ঘটনার রাতে সাড়ে দশটার সময় চন্দন কে মারধর করে পা দিয়ে পৃষ্ঠ করা হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শী অন্যান্য রোগীরা অভিযোগ করলেও এ বিষয়ে কাউকে আটক করেনি পুলিশ । ফলে নগরবাসীর মনে অমানবিক এ হত্যাকান্ড নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানায় প্রায়ই এখানে নির্যাতনে রোগীদের কান্নার ও চিৎকারের আওয়াজ পাওয়া যেত। এর আগেও একাধিক রোগীর সঙ্গে এসব নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে রোগীর অভিভাবকদের সঙ্গে সালিশ বৈঠকের ঘটনা ঘটেছে। এর আগেও অনেকে আরো ৪ জন রোগী পিটিয়ে হত্যা করার খবর আমরা পেয়েছিলাম ।

এখন রোগী আত্মহত্যা করলেও কতৃপক্ষ দায় এড়াতে পারে না। এমনকি কোনো ধরনের মানসিক চিকিৎসার লাইসেন্স না থাকার পরেও কিভাবে এখানে মানসিক রোগী ভর্তি করা হলো এ বিষয়টি প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভাল করে তদন্ত করে দেখা উচিত ।

এদিকে টর্চার সেল হলিকেয়ারে রোগী রাখার জন্য নেই কোনো ধরনের চিকিৎসা ব্যবস্থা । সবকিছু দেখেও রহস্যজনক কারণে পুলিশের নিরাবতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উপ-পুলিশ কমিশনার আলী আশরাফ বলেন, তদন্তকরে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। কিন্তু রাত সাড়ে দশটায় নিহত চন্দনকে বেঁধে রেখে মানসিক নির্যাতন করার ভিডিও ফুটেজ রেকর্ড থাকলেও পুলিশ কাউকে আটক করেনি।

অপরদিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এর অতিরিক্তপরিচালক পরিতোষ কুমার কুন্ডু বলেন প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং লাইসেন্স বাতিল করা হবে। তবে এখন পর্যন্ত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। উল্লেখ্য এর আগেও একাধিকবার নির্যাতনের শিকার হয়ে হলি কেয়ারে একাধিক রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে এবং একাধিকবার রোগীরা নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে হলি কেয়ার কার্যালয় ভেঙে পালিয়ে গিয়েছে।

১৯৯১ সালে পুলিশ লাইন্স এলাকায় পুলিশ হত্যা মামলার আসামি এবং এক সময়ের শহরের চিহ্নিত মোটরসাইকেল চোর মুস্তাফিজুর রহমান সুমন ওরফে হিটলার সুমন বারবার মিডিয়ার শিরোনাম হলেও অবৈধ কালো টাকা এবং ক্ষমতার ব্যবহারে সবকিছু ম্যানেজ করে বহাল তবিয়তে চলাফেরা করছেন।

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশাল নগরীতে ১৪দিন দুই নারী রহস্যজনক নিখোঁজ

 

পটুয়াখালীর গলাচিপায় ঝুমুর আক্তার দ্বৈত পরিচয়ে লাখ লাখ টাকার  প্রতারণা

 

পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার আমখোল ইউনিয়ন এর আমখোলা গ্রামের ৩নং ওয়ার্ডের মোঃ দেলোয়ার হাওলাদারের কন্যা ঝুমুর আক্তার এর বিরুদ্ধে দ্বৈত পরিচয়ে প্রতারণার মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

ঝুমুর আক্তার এর দ্বিতীয় স্বামী পটুয়াখালী জেলার রাঙাবালি উপজেলার দক্ষিণ কাজীর হাওলা গ্রামের মৃতঃখালেক মল্লিক এর পুএ মোঃ সেলিম মল্লিক গত ১৮ই অগাষ্ট ২০২১ঝুমুর আক্তার এর বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ সুএে জানা যায় ঝুমুর আক্তার দীর্ঘ দিন যাবত দ্বৈত পরিচয় পএ এবং ইউনিয়ন পরিষদ কতৃক বাবার নাম ঠিক রেখে ভিন্ন নামে ২ টি নাগরিক সনদ গ্রহণ করে বিভিন্ন ব্যক্তিদের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক স্হাপন করে লাখ লাখ টাকা, সোনা গয়না হাতিয়ে নিচ্ছে। একাধিক পুরুষের সাথে বিবাহের কথা বলে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়ে সর্বশান্ত করে লাপাত্তা হয়ে যায়।

জেলার গলাচিপা উপজেলার নির্বাচন অফিসের সীলমোহর এবং ১২-৮-২০২১ সনের জাতীয় পরিচয় পএের আবেদন পএে দেখা যায় ঝুমুর আক্তার নাম পরিবর্তন করে আছিয়া বেগম উল্লেখ করেছেন, জাতীয় পরিচয় পএ নং-৮৬৬৬৪১৬৪৫১,জন্ম তারিখ ১০-১০-১৯৮৫,স্বামীর নাম মানিক, বাবার নাম মোঃদেলোয়ার মায়ের নাম রসনছা।মে ২০১৯ প্রদত্ত জাতীয় পরিচয় পএে(স্মার্ট কার্ড)এ দেখা জায় জন্ম তারিখ ১৫ই মে ১৯৯৬ নং ৭৭৭২৫০০৮০২,বাবার নাম মোঃ দেলোয়ার হাওলাদারের মায়ের নাম রওশন আরা।

ভিন্ন ভিন্ন নামের কারনে দীর্ঘ দিন যাবত সুকৌশলে প্রতারণা করে আসছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতারক ঝুমুর আক্তার নামে ভকেশনাল থেকে পাশ করে ঢাকার সোনারগাঁও ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (টেক্সটাইল এ্যান্ড ইন্জিনিয়ারিং) থেকে বি এস সি পাশ করে।অধ্যায়নরত অবস্থায় তার সহ পাঠী পাবনা জেলার সাথিয়া উপজেলার স্বরগ্রামের মোঃদুলাল ফকির এর পুএ সোহান(২৫)এর সাথে প্রেম এবং বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে এবং ঢাকায় এক সাথে বসবাস করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়।

সোহান ঝুমুর আক্তার কে বিয়ের জন্য চাপ দিলে গত ১০-৯-২০১৮তারিখে বেলা ৩টার সময় ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের সামনে থাপ্পড় মারে। বিষয় টি উভয় পক্ষের মধ্যে মিমাংসা হলেও তিন মাস পর সোহান গত ৬-১২-২০১৮ তারিখে ঢাকায় আত্মহত্যা করলে ঝুমুর পরের দিন ৭-১২-২০১৮ তারিখে ঢাকার বনানী থানায় সোহানের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরী করে (নং৪২২/৭-১২-২০১৮। সোহানের মা সুরাইয়া বেগম (৪০) মুঠোফোনে (০১৭৩৫১৩৩৩৭৫) কান্না জড়িত কন্ঠে এ প্রতিবেদক কে বলেন ঝুমুরের জন্য আমার ছেলে পাগল ছিলো।

আমি ওদের সম্পর্কের বিষয় টি জানতাম।সোহানের আত্মহত্যার পর পুলিশ সোহানের হাতের লেখা একটি চিরকুট উদ্ধার করে যাতে লেখা ছিলো(আত্মহত্যা মহা পাপ,আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়,আমার মৃত্যুর খবর ঝুমুরের কাছে পৌঁছে দিও।)যা পাবনা জেলার সাথিয়া উপজেলার আতাইকুলা থানা পুলিশের কাছে রক্ষীত আছে বলে তিনি জানান। অভিযোগ কারী ঝুমুর আক্তার এর দ্বিতীয় স্বামী মোঃ সেলিম মল্লিক জানায় ঝুমুরের প্রতারণার বিষয় টি তার জানা ছিলোনা।আমি গত ৯ জুলাই ২০২০ নোটারী করে এবং ১১ ই জুলাই ২০২০ শরীয়ত সম্নত ভাবে ঝুমুর কে বিবাহ করি।

ঝুমুর আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে বাড়ীতে মাছের ঘের, পাকা দালান এবং নগদ ১৫ লাখ টাকা নিয়ে এখন নিখোঁজ রয়েছে। সরেজমিনে আমখোলা গ্রামে ঝুমুরের বাবার বাড়ীতে গোলে সাংবাদিকদের দেখে ঝুমুরের বাবা -মা গা ঢাকা দেয়।স্হানীয়রা জানায় বিগত দিনে ঝুমুর অনেকের সাথে অবৈধ সম্পর্ক করে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়েছে। এমন কি তার বাবা অনৈতিক সম্পর্কের কারনে ধর্ষণ মামলার আসামী(পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনালে মামলা চলমান(মামলা নং১৬৪/২০) ইউনিয়ন পরিষদ কতৃক কিভাবে একই ব্যাকত্তিকে দুই টি নাগরিক সনদ পএ দেওয়া হলো জানতে চাইলে ১নং আমখোলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামরুজ্জামান মনির বলেন আমরা জাতীয় পরিচয় পএ দেখে নাগরিক সনদ পএ প্রদান করে থাকি।

অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে ঝুমুর আক্তার এর ব্যবহৃত মোবাইল নং(০১৬৪২৪৪৪১০৯)বন্ধ পাওয়া যায়। ভুক্তভোগীরা ঝুমুর আক্তারের প্রতারণার কারনে অন্য কেউ যাতে আর সর্বশান্ত না হয় তাঁর জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এবং তদন্ত পুর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর দাবী জানিয়েছেন।

//মোঃ তুহিন শরীফ, পটুয়াখালী//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

১০০ অক্সিজেন সিলিন্ডার উধাও হয়ে গেছে বরিশাল শেবাচিম থেকে

 

১০০ অক্সিজেন সিলিন্ডার উধাও হয়ে গেছে বরিশাল শেবাচিম থেকে

 

শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বরিশাল  (শেবাচিম)-এর করোনা ওয়ার্ড থেকে ১০০ অক্সিজেন সিলিন্ডার এবং ৩০টি সিলিন্ডার মিটার উধাও হয়ে গেছে।

এ ঘটনা তদন্তে গত সপ্তাহে একজন চিকিৎসককে প্রধান করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কিন্তু গত ৭ দিনেও বিভিন্ন ওয়ার্ডে সন্ধান চালিয়ে উধাও হওয়া কোনও সিলিন্ডার উদ্ধার করতে পারেননি তারা।

এতদিন গোপন থাকলেও শনিবার (২১ আগস্ট) বিকেলে বিষয়টি ফাঁস হয়ে যায়।

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারি পরিচালক ডা. মনিরুজ্জামানকে প্রধান করে গঠিত তদন্ত কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন আরেক সহকারি পরিচালক ডা. মো. নাজমুল হোসেন, ডা. মাহমুদ হোসেন, স্টোর অফিসার অনামিকা এবং সেবা তত্ত্বাবধায়ক সেলিনা আক্তার।

মেডিকেলের স্টোর সূত্র জানায়, করোনা ওয়ার্ডের ওয়ার্ড মাস্টারদের মাধ্যমে অক্সিজেন সিলিন্ডার ও সিলিন্ডার মিটার সরবরাহ করা হয়। কোন ওয়ার্ডে কতটি অক্সিজেন সিলিন্ডার ও সিলিন্ডার মিটার নেয়া হয়েছে তার তালিকা করা হয়েছে। ওই তালিকা অনুযায়ী বিভিন্ন ওয়ার্ড তল্লাশী করে অন্তত ১০০ সিলিন্ডার ও ৩০টি সিলিন্ডার মিটারের হসিদ পাওয়া যায়নি। নন-কোভিড ওয়ার্ডেও সেগুলোর খোঁজ মেলেনি। বিষয়টি পরিচালককে অবহিত করা হলে তিনি তদন্ত কমিটি গঠন করেন।

তদন্ত কমিটির সদস্য সেবা তত্ত্বাবধায়ক সেলিনা আক্তার বলেন, স্টোর থেকে পরিচালককে অবহিত করা হয় সিলিন্ডার ও মিটার পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে গত সপ্তাহে একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে অক্সিজেন সিলিন্ডার ও মিটারের সন্ধান চালানো হচ্ছে। কিন্তু গতকাল শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত উধাও হওয়া সিলিন্ডার ও মিটারের সন্ধান মেলেনি। এ জন্য একজনকে কারন দর্শানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

হাসপাতালের পরিচালক ডা. এইচএম সাইফুল ইসলাম বলেন, অক্সিজেন সিলিন্ডার ও মিটার উধাও হওয়ার খবর পেয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পর অবহেলার জন্য দায়ী সংশ্লিস্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সরকারিভাবে সরবরাহ করা এবং বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অনুদান পাওয়া সিলিন্ডার সহ শের-ই বাংলা মেডিকেলে ৬২৮টি অক্সিজেন সিলিন্ডার রয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক। সূত্র:বিডিপ্র

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বিসিসি’র কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানবন্ধন

 

 

কালিয়ায় ৩ অবৈধ বালু ব্যবসায়ীসহ ৪জনকে ১ লক্ষ ৫২ হাজার টাকা জরিমানা

//মোঃ খাইরুল ইসলাম চৌধুরী, নড়াইল//

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার ইজারা বহির্ভুত এলাকা পুরাতন বৃ-হাসলা বালুর চরে অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তলোনের দ্বায়ে উপজেলার বুড়িখালী গ্রামের কোবাদ শেখের ছেলে জুয়েল শেখ (২৯), রেজাউল মোল্যার ছেলে জিল্লাল মোল্যা (৩৮) ও নুরমিয়া শিকদারের ছেলে আরিফ শিকদার (৩৫) কে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোঃ জহুরুল ইসলাম।

৫ আগষ্ট (বৃহস্পতিবার) সকাল ১১ টায় তাদের এ জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমান আদালত সুত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আরিফুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ জহুরুল ইসলাম, ভূমি অফিসের নাজির মোঃ তৌহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী সমন্বয়ে ভ্রাম্যামান আদালতের একটি দল ঘটনাস্থল পুরাতন বৃ-হাসলা বালুর চরে অভিযান পরিচালনা করে ৩ জনকে ব্যবসায়ীকে আটকপূর্বক প্রত্যেককে ৫০ হাজার করি মোট ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।

উল্লেখ্য অভিযান চলাকালে একই এলাকার ছত্তার মুন্সীর ছেলে শরিফুল মুন্সী (৩২) কে জুয়া খেলার অপরাধে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

 

কালিয়ায় সরকারি জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা

 

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পুরুলিয়া ইউনিয়নের চাচুড়ী বাজার এলাকায় অবৈধ ভাবে সরকারি জমি দখল করে জোরপূর্বক স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে খোদ সরকারী কর্মকর্তা ইউনিয়ন উপ-সহকারী (ভূমি) কর্মকর্তা নুরজাহান আক্তার শিপ্রার বিরুদ্ধে।

স্থানীয়ভাবে প্রভাব খাটিয়ে ওই কর্মকর্তা চাচুড়ী বাজারের সরকারি ১নং খাস খতিয়ানের জমি দখল করে অবৈধ ভাবে স্থাপনা নির্মাণ কাজ শুরু করেছেন। তিনি বর্তমানে একই উপজেলার কলাবাড়ীয়া ইউনিয়ন উপ-সহকারি ভূমি কর্মকর্তা হিসাবে কর্মরত আছেন। প্রশাসনের কোন প্রকার অনুমতি ছাড়াই সরকারি জমি দখল করে অবৈধ ভাবে স্থাপনা নির্মাণ করায় সচেতন মহলের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

ইতিমধ্যেই এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বিষয়টি উপজেলা ভূমি প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। এমন ঘটনা জানতে পেরে ২ আগষ্ট (সোমবার) স্থানীয় এক সাংবাদিক (দৈনিক জন্মভুমি পত্রিকার কালিয়া প্রতিনিধি) তথ্য অনুসন্ধানে ঘটনাস্থলে গেলে দখলদারদের রোষানলে পড়েন। এ সময় তারা সাংবাদিকের কাছে থাকা ক্যামেরা, মোবাইল ও মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার পাশাপাশি দেখানো হয় পেশিশক্তি।

অবস্থা বেগতিক দেখে স্থানীয় ওই সাংবাদিক পুরুলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আশ্রয় নেন। অতঃপর পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ওই সাংবাদিকের মোটরসাইকেল টি উদ্ধার করা হয় বলে জানান ঐ সাংবাদিক। ঘটনাসুত্রে জানা যায়, উপজেলার ২নং পুরুলিয়া ইউনিয়নের ২৯নং ধারিয়াঘাটা মৌজার আর এস দাগের ৮৫ নং হালের জমিটি ১নং সরকারি খাস খতিয়ানের অন্তর্ভূক্ত। কিন্ত সরকারি চাকরির প্রভাব খাটিয়ে এওই কর্মকর্তা সরকারি জমি দখল করে একটি দোকান নির্মাণ করার চেষ্টা চালান। এসময় সাংবাদিক ছবি তুলতে গেলে সাংবাদিকের উপর অতর্কিত হামলা করে নুরজাহান আক্তার শিপ্রার ছেলে মেহেদী ও তার সহযোগীরা।

ওই সাংবাদিক প্রশাসনের কথা বললেও নুরজাহান আক্তার শিপ্রার ছেলে মেহেদী হুমকি দিয়ে বলেন ইউএনও এসিল্যান্ড আমার বাম পকেটে থাকে।

তথ্য অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, নুরজাহান আক্তার শিপ্রা উপজেলার সালামাবাদ ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা কালিন আর্থিক অনিয়মের কারণে এলাকাবাসীর রোষানলে পড়লে তাকে কলাবাড়ীয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বদলি করা হয়। বর্তমানে কলাবাড়ীয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসেও নুরজাহান আক্তার শিপ্রার বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেনসহ ব্যপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও বাজারের ব্যবসায়ী রাজীব মোল্যা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মেহেদী (নুরজাহান আক্তার শিপ্রার ছেলে) সকলের সামনে ওই সাংবাদিককে অকথ্য ভাষায় গালাগাল দিয়েছে ও শারীরীকভাবে হেনস্থা করার চেষ্টা করেছে। এ ঘটনায় ইউনিয়ন উপ-সহকারী (ভূমি) কর্মকর্তা নুরজাহান আক্তার শিপ্রা জানান, আমার ছেলে মেহেদী সাংবাদিকের সাথে যে আচরন করেছে এ বিষয়ে সাংবাদিকের কাছে মাফ চেয়েছি।

এ বিষয়ে কালিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ জহুরুল ইসলাম জানান, সাংবাদিকের উপর হামলার বিষয়টি আমি জেনেছি।

এ বিষয়ে আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে আলোচনা করে ব্যাবস্থা নিব। কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আরিফুল ইসলাম জানান, সরকারি জমি দখলের চেষ্টা ও সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনা জানতে পেরে আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং স্থাপনা নির্মাণ স্থগিত করেছি। এ বিষয়ে পরবর্তীতে আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

 //মোঃ খাইরুল ইসলাম চৌধুরী, নড়াইল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

যশোরে “উদীচী” কর্তৃক বিনামূল্যে বাজারের আয়োজন

জগন্নাথপুরে প্রধানমন্ত্রীর ঘর বরাদ্দে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর নিয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ উটেছে। ভূমিহীন-গৃহহীনদের প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর নির্মাণ করে দেয়া হলেও জগন্নাথপুরের রানীগঞ্জ এর তহশিলদার হাফিজ উদ্দিনের অনিয়মের কারণে তা ভেস্তে গেছে।

যাদের জায়গা আছে, তাদের নাম ঘরের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন তহশিলদার হাফিজ উদ্দিন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রানীগঞ্জ ইউনিয়নের গুচ্ছ গ্রামে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ৬০টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রতিটি ঘরের সুবিধাভোগীদের কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত তহশিলদার হাফিজ উদ্দিন মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে ঘর বরাদ্দ দিয়েছেন। স্থানীয় লক্ষ্মী রানী বিশ্বাসের নিজের জায়গা আছে।

কিন্তু তার ছেলে মদন বিশ্বাসকে সরকারি ঘর পাওয়ার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন । ধীরা বিশ্বাসেরও জায়গা আছে। কিন্তু তহশিলদার হাফিজ উদ্দিন টাকার বিনিময়ে তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত করেছেন। সাজনা বেগম (তার মেয়ে সৌদি প্রবাসী), জুয়েল মিয়া (তার ভাই সৌদি প্রবাসী), পারুল বেগম (রেস্টুরেন্ট ব্যবসা আছে এবং সাত লক্ষ টাকায় জায়গা খেনেন), সুমেনা বেগম (তার বিয়ে হয়েছে সিলেট), সামছুল ডাক্তার (ফার্মেসি ব্যবসা আছে) সহ এমন অনেককেই প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর দিয়েছেন তহশিলদার হাফিজ উদ্দিন।

রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মুড়ি-চানাচুর বিক্রেতা রাখাল দাসের বাড়ি-ঘর নেই। কিন্তু তার নাম তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। কেবল যারা টাকা দিয়েছে তাদের নামে ঘর বরাদ্দ হয়েছে। এমন অভিযোগ করেছেন হতদরিদ্র পরিবারের ২০ জন ভুক্তভোগী। রানীগঞ্জ ইউনিয়নের তহশিলদার হাফিজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয় তহশিলদার প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে নানা অনিয়ম করেছেন।

রানীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডা. ছরুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর নিয়ে তহশিলদার হাফিজ উদ্দিন অনিয়ম করেছেন। এটা মেনে নেয়া যায়না। বাগমনা গ্রামের দুলন মিয়া জানান, তহশিলদার হাফিজ উদ্দিন এলাকায় গিয়ে যাচাই-বাছাই না করে ঘরে বসে স্থানীয় দালালদের মাধ্যমে অনিয়ম করেছেন। তাকে আইনের আওতায় আনা উচিত। ঘরের জন্য আবেদনকারী রিপন চন্দ্র শীল বলেন, আমি হতদরিদ্র পরিবারের লোক।

গুচ্ছ গ্রামে ঘরের জন্য গত ১৮ মার্চ আবেদন করি। আবেদন করার পর যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। তখন তহশিলদার আমার নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেন। কিন্তু পরে আনন্দ বিশ্বাসের কাছ থেকে বেশি টাকা নিয়ে আমার নাম বাদ দিয়ে তার নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেন। আমি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এর বিচার চাই। ধীরাজ বিশ্বাস বলেন, আমরা হতদরিদ্র লোক। আমরা টাকা না দিতে পারায় আমাদের নাম বাদ দিয়েছেন তহশিলদার হাফিজ উদ্দিন।

আমরা হতদরিদ্র পরিবারের লোকজন প্রধানমন্ত্রীর কাছে এর বিচার চাই। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত হাফিজ উদ্দিনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান যাচাই-বাছাই করে তালিকা করেছেন। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ সঠিক নয়। অভিযোগের বিষয়টি আমি দেখছি।

রানীগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল বলেন, আমাদের কাছে কিছু নেই। যারা তালিকা করেছেন তাদের বিরুদ্ধে লিখুন। রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম রানা বলেন, আমরা ভূমিহীনদের নামের তালিকা তহশিলদারকে দিয়েছি। সেগুলো যাচাই-বাছাই করেছেন তহশিলদার। আমাদের দেয়া তালিকা থেকে ১০ টি নাম বাদ দিয়ে নতুন ১০ টি নাম তালিকায় অর্ন্তভূক্ত করা হয়েছে।

এখন শুনেছি সঠিক ভূমিহীনদের নাম অন্তর্ভুক্ত করেননি । এ দায় তাকেই নিতে হবে। জগন্নাথপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। যদি কেউ টাকা নিয়ে ঘর দিয়ে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যাদের জায়গা আছে, তাদের নাম তালিকায় থাকলে সেসব নাম বাদ দেওয়া হবে।

সহকারী কমিশনার ভুমি অনুপম দাস অনুপ বলেন অভিযোগের আলোকে সরেজমিনে তদন্ত করে ইউএনও স্যার (উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা) বরাবরে প্রেরণ করেছি। তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

//মোঃ রনি মিয়া,  সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

মাগুরার মহম্মদপুরের সূর্যকুন্ডু গ্রামে দুপক্ষের তুমুল সংঘর্ষ