অশনি ঘূর্ণিঝরের সর্বশেষ আপডেট/ কি হতে পারে বাংলাদেশে

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

ঘূর্ণিঝড় অশনি বর্তমানে বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। সেখানে আজও শক্তিশালী রূপে থাকবে ঘূর্ণিঝড়টি। তবে আস্তে আস্তে এটি দুর্বল হয়ে ভারতের উড়িষ্যার দিকে যাচ্ছে। তাতে অশনি নিয়ে শঙ্কা কাটছে বাংলাদেশের।

সোমবার সকালে এমন তথ্যই জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

অশনি নিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম বলেন, চিন্তার কোনো কারণ নেই। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী যেভাবে ছিলো এখনও সেভাবেই আছে ঘূর্ণিঝড়টি। এছাড়া যেভাবে আছে, সেখান থেকেও আজ তেমন পরিবর্তন হয়ত হবে না। বরং এটি আস্তে আস্তে দুর্বল হতে পারে। আজ এটা শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় হিসেবেই থাকবে। ওই রকম কোনো পরিবর্তন হবে না। আজকের পর অশনি আস্তে আস্তে দুর্বল হবে।

তিনি আরও বলেন, আপাতত বাংলাদেশ শঙ্কামুক্ত থাকবে। তবে বৃষ্টি, বাতাস থাকতে পারে। এখন পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী, এটি ভারতের উড়িষ্যার দিকে যাচ্ছে। তবে উপকূলে ধেয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে এর গতি কমে যাবে। যার ফলে বাংলাদেশে সেভাবে প্রভাব পড়বে না বলে দৃশ্যমান হচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ বুলেটিন-৭ অনুযায়ী, প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার। যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১১৭ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে বলে জানায় আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম জানান, এখন পর্যন্ত চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরগুলোকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।

বুলেটিন-৭ এ জানানো হয়, দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় অশনি উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় (অক্ষাংশ: ১৩.০ ডিগ্রি উত্তর, দ্রাঘিমাংশ: ৮৭.৮ ডিগ্রি পূর্ব) অবস্থান করছে। ঘূর্ণিঝড়টি গত মধ্যরাতে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ১১৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

English Dainikbiswa

কৈলাসটিলায় আরও একটি কূপ থেকে বিশাল পরিমান গ্যাস উত্তোলন শুরু

এতজন রুশ জেনারেল নিহতের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ আছে কি….!

কৈলাসটিলায় আরও একটি কূপ থেকে বিশাল পরিমান গ্যাস উত্তোলন শুরু

//অনলাইন নিউজ ডেস্ক//

সিলেটের গোলাপগঞ্জের কৈলাসটিলা গ্যাস ক্ষেত্রের পরিত্যক্ত কূপে আবারও গ্যাসের সন্ধান পেয়েছে সিলেট গ্যাস ফিল্ড। গ্যাস ক্ষেত্রটির ৭নং কূপ থেকে ওয়ার্কওভারের মাধ্যমে শনিবার রাতে জাতীয় গ্রিডে আরও ১৯ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত করল সিলেট গ্যাস ফিল্ড। কৈলাসটিলা গ্যাস ফিল্ডের সাতটি কূপের মধ্যে এতদিন দুটি কূপ থেকে দৈনিক ২ কোটি ৯০ লাখ ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতো। সবশেষ পরিত্যক্ত এ ৭নং কূপ থেকে আরও ১ কোটি ৯০ লাখ ঘনফুট গ্যাস দৈনিক জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো যা নিয়ে কৈলাসটিলা গ্যাস ফিল্ডের ৪, ৬ ও ৭নং কূপ থেকে ৪ কোটি ৪০ লাখ ঘনফুট গ্যাস দৈনিক জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। সুখবরটি শনিবার রাতেই সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে দিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

রোববার এ নিয়ে বিস্তারিত কথা হয় সিলেট গ্যাস ফিল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মিজানুর রহমানের সঙ্গে। তিনি জানান, এ কূপটি ওয়ার্কওভারের আগে তাদের প্রত্যাশা ছিল দৈনিক ১০ থেকে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস এখান থেকে পাওয়া যাবে। কিন্তু দৈনিক পাওয়া যাচ্ছে ১৯ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। তিনি জানান, এর সঙ্গে উপজাত হিসাবে মিলবে দৈনিক ২৫০ ব্যারেল কনডেনসেট যা থেকে ২২ লাখ টাকার জ্বালানি তেল পাওয়া যাবে। মিজানুর রহমান জানান, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আরপিসের ধারণা মতে এই স্তরে মজুত রয়েছে ৭৫৮ বিলিয়ন ঘটফুট গ্যাস। প্রতি হাজার ঘটফুট গ্যাস ১০ ইউএস ডলারে হিসাব করলে যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৬৫ হাজার কোটি টাকা বলে তিনি জানান।

সিলেট গ্যাস ফিল্ড লিমিটেডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ২০১০-১২ সালে বাপেক্সের কারিগরি সহায়তায় সিলেটের গোলাপগঞ্জের কৈলাশটিলা, জৈন্তাপুরের হরিপুর ও হবিগঞ্জের রশিদপুর গ্যাস ক্ষেত্রে নতুন করে ত্রিমাত্রিক ভূতাত্ত্বিক (থ্রিডি সাসমিক) জরিপ চালানো হয়। জরিপ চালিয়ে কৈলাশটিলা গ্যাস ক্ষেত্রের ৭ নম্বর কূপে তেল ও গ্যাস মজুতের সম্ভাব্যতা পায় বাপেক্স। জরিপে এ কূপের ১২টি স্তরে তেল ও গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানায় বাপেক্স। এর মধ্যে চারটিতে তেল, একটিতে তেল-গ্যাস আর বাকি সাতটিতে গ্যাস মজুতের ধারণা করা হয়।

এমন সম্ভাবনা পাওয়ায় দেশের প্রথম তেল খনি হিসাবে ঘোষণা করে খোদ প্রধানমন্ত্রী ২০১৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর গোলাপগঞ্জ সফলকালে এ কূপটির খনন কাজের উদ্বোধন করেন। ২০১৪ সালের ১৭ অক্টোবরে শুরু হয় পুরোদমে খনন কাজ। ২০১৫ সালের ৮ মার্চ খনন কাজ শেষে একটি স্তরে গ্যাসের সন্ধান পেলেও তেলের সন্ধান পায়নি বাপেক্স। পরে ২০১৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ৮ থেকে ১০ মিলিয়ন গ্যাস সরবরাহ শুরু হয় এ কূপ থেকে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে ২০১৬ সালের অক্টোবরে গ্যাস উত্তোলনের হার নেমে আসে ০.৫ মিলিয়ন ঘটফুটে। উত্তোলিত গ্যাস অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক না হওয়ায় ২ নভেম্বর এ কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলন বন্ধ করে দেওয়া হয়।

২০২১ সালের এপ্রিলে সিলেট গ্যাস ফিল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসাবে যোগ দেন মো. মিজানুর রহমান। তিনি ড্রিলিং লগ বিষয়ে পারদর্শী হওয়ায় যোগদান করেই উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়া এ ৭নং কূপের তথ্য-উপাত্ত (লগ) নিয়ে কাজ শুরু করেন। লগ এনালাইসিস শেষে তিনি এ কূপের ৩০০০ মিটার গভীরতায় ৯ মিটার ব্যাপ্তি গ্যাস ও ২২৬৭ থেকে ২৩০০ মিটার গভীরতার স্তরে প্রায় ৩৩ মিটার ব্যাপ্তি গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা দেখেন। কিন্তু অর্থনৈতিকভাবে সুফল পেতে তিনি নিচের স্তরটিতে অর্থাৎ ৩০০০ মিটার গভীরতাকে বেছে নেন। পরেই রাষ্ট্রীয় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানকারী প্রতিষ্ঠান বাপেক্সকে এই কূপে ওয়ার্কওভারের জন্য ঠিকাদার হিসাবে নিয়োগ করে সিলেট গ্যাস ফিল্ড। এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে বাপেক্সের বিজয়-১১ রিগ দ্বারা ওয়ার্ক ওভারের কাজ শুরু করে বাপেক্স।

২৪ ও ২৬ এপ্রিল ডিএসটির মাধ্যমে সফলভাবে ওয়ার্ক ওভারে কাজ শেষ হয়। নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শনিবার রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে ১৯ মিলিয়ন ঘটফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। যদিও এই সুখবর ঈদের আগেই দিয়েছিলেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। সে সময় তিনি জানিয়েছিলেন ১০ মে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। এর ৩ দিন আগেই তা সম্ভব হয়েছে। শনিবার রাতে আবারও সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার সুখবর দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

সিলেট গ্যাস ফিল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালন মিজানুর রহমান যুগান্তরকে জানান, মন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী আমরা চেষ্টা করছিলাম ১০ মেতেই জাতীয় গ্রিডে দিতে। একটু শঙ্কাও ছিল সম্ভব হবে কিনা। কিন্তু সবার অক্লান্ত পরিশ্রমে ৩ দিন আগেই তা সম্ভব হয়েছে। যেহেতু দেশে গ্যাসের চাহিদা রয়েছে তাই আগে থেকেই পরীক্ষামূলকভাবে তা সরবরাহ করা হলো। এ সময় মিজানুর রহমান জানান, এই পরিত্যক্ত কূপ থেকে যে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে তা প্রত্যাশার চেয়ে বেশি। তিনি জানান, সিলেট গ্যাস ফিল্ডের অধীনে কৈলাশটিলা গ্যাস ফিল্ডে ৭টি কূপ খনন করা হয়। এর মধ্যে ৪ ও ৬নং কূপ থেকে দৈনিক ২ কোটি ৯০ লাখ ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। এর সঙ্গে ৭নং কূপের আরও ১ কোটি ৯০ লাখ ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হলো। তিনি বলেন, শুধু এ ৭নং কূপ নয় বন্ধ হয়ে যাওয়া বাকি চারটি কূপেও ওয়ার্কওভারের মাধ্যমে নতুন করে গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এখন অনুসন্ধানের পাশাপাশি বন্ধ হয়ে যাওয়া পুরনো কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলনের দিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা। তিনি জানান শিগগিরই কৈলাশটিলার ২ ও ৩নং কূপের ওয়ার্ক ওভারের কাজও তারা শুরু করতে চান।

English Dainikbiswa

এতজন রুশ জেনারেল নিহতের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ আছে কি….!

রাণীশংকৈলে বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মাহাবুব আলম,রানীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধি।।

শেখ হাসিনার বারতা নারী পুরুষ সমতা,বিশ্ব-মা দিবস  উদযাপন উপলক্ষে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উদ্যোগ(৮ মে রবিবার) সকালে উপজেলা পরিষদের সভা কক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবিরের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়৷

সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান শেফালি বেগম,উপজেলা মহিলা আ”লীগ সম্পাদিকা ফরিদা ইয়াসমিন,সহকারি উপজেলা যুব-উন্নয়ন কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম,মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান, প্রেসক্লাব পুরাতন’র আহব্বায়ক কুশমত আলী,উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসের ট্রেইনার শামীমা আক্তার ও মাফরোজা আক্তার, এবং অফিস সহকারি গোলাম রব্বানি সহ প্রশিক্ষণার্থীরা ও সাংবাদ-কর্মিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন৷অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন শামীমা আক্তার৷

বাঙ্গালির অস্তিস্ব ও চেতনার সঙ্গে রবী ঠাকুর ওতপ্রোতভাবে মিশে আছেন: বিভাগীয় কমিশনার

//আঃ রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. ইসমাইল হোসেন বলেছেন, বাঙ্গালির অস্তিস্ব ও চেতনার সঙ্গে রবী ঠাকুর ওতপ্রোতভাবে মিশে আছেন। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে রবীন্দ্রনাথের গান হয়ে উঠেছিল প্রেরণার উৎস।  গীতাঞ্জলি কাব্যের জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়ে সারা বিশে^ বাংলা ভাষার মর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছেন রবী ঠাকুর।

তিনি আরো বলেন, বাংলা সাহিত্যকে তিনি দিয়ে গেছেন এক নতুন মাত্রা। তার গান বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। মানুষ্যত্বের বিকাশ ও মানব মুক্তি ছিল তার জীবনবোধের প্রধানতম দিক।  বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশে রবীন্দ্রনাথের রয়েছে অসামান্য অবদান।

অনুষ্টানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার। তিনি তার বক্তৃতায় বলেন, নিজের গল্প, কবিতা, উপন্যাস, ছোটগল্প ও অসংখ্য গানের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যকে পরিপূর্ণতা দান করেছেন রবীন্দ্রনাথ। বিশ্বের দরবারে বাঙালিদের মাথা উঁচু করে দাঁড়াতেও শিখিয়েছেন কবিগুরু। যার কারণে বাঙালির অস্তিত্বে মিশে আছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। গল্পে, উপন্যাসে, কবিতায়, সুরে ও বিচিত্র গানের বাণীতে, অসাধারণ সব দার্শনিক চিন্তাসমৃদ্ধ প্রবন্ধে, সমাজ ও রাষ্ট্রনীতি সংলগ্ন গভীর জীবনবাদী চিন্তা জাগানিয়া লেখায় এমনকি চিত্রকলায়ও রবীন্দ্রনাথ চিরনবীন। ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১তম জয়ন্তীতে খুলনার রূপসায়  তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার প্রথম দিনে রবিবার সকাল ১০টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একথা বলেন।

রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নের পিঠাভোগ গ্রামে কবির পূর্ব পুরুষের আদি ভিটায় আলোচনা সভা ও সাংক্তৃতিক অনুষ্টানের বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচীব অসীম কুমার দে, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহাবুব হাসান, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দন বাদশা, জেলা অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেড পুলক কুমার দে,শিক্ষাবীদ ও রবীন্দ্র গবেষক সুশান্ত সরকার।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া তাছনিম। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ফরিদুজ্জামান ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন এর পরিচালনায় বক্তৃতা করেন সহকারী কমিশনার ভূমি মো. সাজ্জাদ হোসেন, থানার অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, অধ্যক্ষ ফ ম আ. সালাম, ভাইচ চেয়ারম্যান ফারজানা আফরোজ মনা, মৎস্য কর্মকর্তা বাপি কুমার দাস, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার মজুমদার, শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ আ. রব, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আইরিন পারভিন, পিআইও আরিফ হোসেন, প্রকৌশলী এস এম ওয়াজিদুজ্জামান, নির্বাচন কর্মকর্তা মোল্লা নাসির আহমেদ, সমাজসেবা কর্মকর্তা জেসিয়া জামান, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক আজিজ, আইিসিটি কর্মকর্তা রেজাউল করিম, সহবারী শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা,  ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল ও মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, আওয়ামীলীগ নেতা আ. মজিদ ফকির, সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, এস এম হাবিব, আল মামুন সরকার সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

English Dainikbiswa

হাইমচরে মা দিবস পালিত

আজ বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস।। এ রোগ প্রতিরোধে সবাইকে এগিয়ে আসাতে হবে – রাষ্ট্রপতি

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সমাজের সচেতন নাগরিকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে থ্যালাসেমিয়া রোগ প্রতিরোধে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

আগামীকাল ৮ মে ‘বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে আজ এক  বাণীতে তিনি এ  আহবান জানান।

বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উদযাপনের উদ্যোগকে তিনি স্বাগত জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, জনসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়া রোগ প্রতিরোধে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব। এ লক্ষ্যে ‘বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস’ পালন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

তিনি বলেন, থ্যালাসেমিয়া একটি জিনবাহিত রোগ, যা বাহকের মাধ্যমে ছড়ায়। স্বামী-স্ত্রী উভয়ই থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক হলে তা জিনগত কারণে সন্তানদের মধ্যে বিস্তার ঘটাতে পারে। এ জন্য পুরুষ বা মহিলা যে কেউ এ রোগের বাহক কি-না তা বিবাহপূর্ব পরীক্ষার মাধ্যমে নির্ণয় করা জরুরি। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে থ্যালাসেমিয়া রোগ প্রতিরোধে থ্যালাসেমিয়া জিন বাহক নারী-পুরুষের মধ্যে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনে সতর্কতা অবলম্বন করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশেও ভয়াবহ বংশগত রক্ত স্বল্পতার এ রোগটি প্রতিরোধে জনসচেতনতা গড়ে তোলা খুবই জরুরি।

তিনি বলেন, থ্যালাসেমিয়া রোগের চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি এবং ক্ষেত্রবিশেষে তা জটিল আকার ধারণ করতে পারে। তাই এ রোগ প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার বিকল্প নেই। থ্যালাসেমিয়ার বিস্তাররোধে বাহকদের মধ্যে এবং আত্মীয়ের মধ্যে বিয়ে নিরুৎসাহিত করতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্রে সন্তানধারণের পর প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।  সমাজের সচেতন নাগরিকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে থ্যালাসেমিয়া রোগ প্রতিরোধে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন,’আসুন, সবাই মিলে থ্যালাসেমিয়ামুক্ত বাংলাদেশ গড়ি, এটাই হোক এবারের বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবসের অঙ্গীকার।’

তিনি বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।

 

 

জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

করোনা মহামারীর প্রকোপ কাটিয়ে দুই বছর পর রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ মাঠে দেশের প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ৮টায় শুরু হয়ে নামাজ শেষ হয় ৮টা ৩৭ মিনিটে।

ঈদের জামাতে ইমামের দায়িত্ব পালন করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতি রুহুল আমিন। মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদ, কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ জামাতে নামাজ আদায় করেন।

দুই রাকাত নামাজের পর ঈদের বিশেষ খুতবা পড়া হয়। খুতবা শেষে মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয় ঈদের প্রধান জামাত। মোনাজাতে গুনাহ থেকে মুক্তি এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করা হয়। জামাত শেষে পরস্পরের সঙ্গে মোসাফাহা ও কোলাকুলির মাধ্যমে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মুসল্লিরা।

দুই বছর পর বড় জামাতে অংশ নিতে পেরে তৃপ্ত মুসুল্লিরা। তাদের চোখেমুখে উচ্ছ্বাাস লক্ষ্য করা গেছে।

এর আগে, নামাজ আদায়ের জন্য সকাল ৭টা থেকে থেকে জায়নামাজ হাতে ঈদগাহে ভিড় করেন মুসল্লিরা। তাদের অনেকের হাতে ছাতাও দেখা যায়। সকাল থেকে আকাশ ছিল কিছুটা মেঘলা। কোথাও কোথাও বৃষ্টিও হয়েছে।

এর আগে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে সকাল ৭টায় ঈদুল ফিতরের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়। আরও চারটি জামাত সেখানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

 

হাইমচরে মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে সুজিত রায় নন্দীর ঈদ উপহার বিতরণ

মোঃ হোসেন গাজী।।

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাংলাদেশ
আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল‍্যাণ বিষয়ক সম্পাদক, চাঁদপুর সদর ও হাইমচরের রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব জননেতা সুজিত রায় নন্দীর পক্ষ থেকে হাইমচরে মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরন করা হয়েছে।

২ রা মে সোমবার সকাল ১১ টায়, হাইমচর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয়ে ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে হাইমচর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার সন্তোষ চন্দ্র মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মুক্তিযোদ্ধা সিরাজ পাটওয়ারীর।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা মান্নান মাস্টার, আঃ রহমান পাটওয়ারী, মুনছুর বিশ্বাস, রুহুল আমিন পাটওয়ারী, মানিক পাটওয়ারী, শহিদুল্লাহ, শাহজাহান, নেছার চৌকিদার আঃ কাদির গাজী, শাহাজাহান দেওয়ান, হাইমচর উপজেলা আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ হোসেন গাজী প্রমুখ।।

পবিত্র ঈদ উপলক্ষে আওয়ামিলীগের ত্রান উপকমিটির পক্ষ থেকে সুজিত রায় নন্দীর উদ্যোগে চাঁদপুর ও হাইমচরের বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, গরিব, অসহায়, প্রতিবন্ধীদের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছেন।

দুই কোটি লিটারের বেশি সয়াবিন তেল এসেছে এক জাহাজেই

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা যখন ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে কেনাকাটায় ব্যস্ত তখনই বাজার থেকে উধাও হয়ে গেল সয়াবিন তেল।

রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মহাখালী, বনানী, তেজকুনীপাড়াসহ বড় বড় কাঁচাবাজারের মুদি দোকানগুলোতেও এ ভোজ্যতেলের দেখা মিলছে না।

দুএকটি দোকানে পাওয়া গেলেও চাহিদার তুলনায় তা একেবারেই অপ্রতুল।

এমন সংকটের মধ্যেই সুখবর, সোয়া দুই কোটি লিটার সয়াবিন তেল নিয়ে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে একটি জাহাজ।

পর পুরোদমে খালাসও চলছে এর।

এই জাহাজে মোট ২ কোটি ২৯ লাখ লিটার সয়াবিন তেল রয়েছে বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর সূত্র।

চট্টগ্রাম বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক গণমাধ্যমকে বলেন, এমভি ওরিয়েন্ট চ্যালেঞ্জ জাহাজে আমদানি করা সয়াবিন তেল খালাস প্রায় শেষ পর্যায়ে। খালাস শেষে কাল বন্দর ত্যাগ করার কথা রয়েছে। পাঁচটি ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী কোম্পানি এ বিপুল তেল আমদানি করেছে।

দেশে অপরিশোধিত আকারে সয়াবিন তেল আমদানি হয়। গত অর্থবছরের হিসাবে, অপরিশোধিত আকারে প্রতি মাসে গড়ে আমদানি হয় ৬৫ হাজার টন। এ হিসাবে ২ কোটি ২৯ লাখ টন সয়াবিন তেল দিয়ে অন্তত ১০ দিনের চাহিদা পূরণ সম্ভব।

প্রসঙ্গত, দেশে ভোজ্যতেলের চাহিদার ৮০ শতাংশের বেশি আমদানি করে পূরণ করা হয়। সাত থেকে আটটি প্রতিষ্ঠান অপরিশোধিত তেল আমদানি করে পরিশোধন করে বাজারে ছাড়ে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হিসাবে, এ বছর মার্চ ও এপ্রিল দুই মাসে সয়াবিন তেল আমদানি হয়েছে ৯২ হাজার টন, যা গত সাত বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। একই সময়ে (১ মার্চ-২৮ এপ্রিল) ১ লাখ ৩৭ হাজার টন সয়াবিন তেল বন্দরের কাস্টম বন্ডেড ট্যাংক টার্মিনাল থেকে খালাস করেছে কোম্পানিগুলো।

মঙ্গলবার ঈদ

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

দেশের আকাশে পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে ঈদ উদযাপিত হবে মঙ্গলবার। ইসলামিক ফাউন্ডেশন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোববার বাংলাদেশের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে পূর্ণ হচ্ছে ৩০ রোজা। সেক্ষেত্রে ঈদ উদযাপিত হবে মঙ্গলবার।

রোববার সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি ও ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান।

এআইআইবি ১হাজার ৭০০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশকে

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে ২০ কোটি ডলার (প্রতি ডলার সমান ৮৫ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় এ ঋণের পরিমাণ ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা) ঋণ দিচ্ছে এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (এআইআইবি)।

রোববার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (ইডকল) মাল্টি সেক্টর অন লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি’ নামক প্রজেক্টে এই ঋণ দিচ্ছে সংস্থাটি। প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ সরকার ও এআইআইবি ঋণ চুক্তি সই করেছে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকি এবং সংস্থাটির পক্ষে এআইআইবির মহাপরিচালক (ইনভেস্টমেন্ট অপারেশন) ডং এলকে লি চুক্তিতে সই করেন। এসময় ইআরডি সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এ প্রকল্পের মূল উদ্দশ্যে হলো বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের মাধ্যমে অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ সম্প্রসারণ করা। বাংলাদেশ পারস্পেক্টিভ প্ল্যান ২০২১-২০৪১ এ উল্লিখিত অবকাঠামোগত ঘাটতি পূরণ এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যের সঙ্গে এ উদ্দেশ্যের সামঞ্জস্য রয়েছে।

এ প্রকল্প বাস্তবায়নে এআইআইবি থেকে নেয়া ঋণ বাংলাদেশ সরকার পুনরায় ইডকল-কে ঋণ হিসেবে দেবে। ইডকল এ ঋণের অর্থ বেসরকারি খাতের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের জন্য ঋণ হিসেবে দেবে। এর অর্থ হচ্ছে এআইআইবি থেকে ঋণ নেবে সরকার।

এরপর এটি ঋণ হিসেবে ইডকল-কে দেবে সরকার। ইডকল পুনরায় বেসরকারি খাতকে ঋণ হিসেবে দেবে। এ প্রকল্প ইডকল এর জন্য অতিরিক্তি অর্থের সংস্থান করবে। যা দেশের অবকাঠামো খাতে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ানে যে চাহিদা রয়েছে তা পূরণে সহায়ক হবে।

এই প্রকল্পের জন্য নেয়া ঋণ পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়িডসহ ১৮ বছরে পরিশোধ করতে হবে। এ ঋণের জন্য ফ্রন্ট অ্যান্ড ফি হিসেবে ০ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং কমিটমেন্ট ফি হিসেবে অব্যয়িত অর্থের ওপর বাৎসরকি ০ দশমিক ২৫ শতাংশ পরিশোধ করতে হবে। এ ঋণের সুদ হার নির্ধারিত ০ দশমিক ৬০ শতাংশ।

English Dainikbiswa

মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ ও ইফতার মাহফিল

ইউক্রেনের অস্ত্র সরবরাহের একটি উৎস হলো রাশিয়ান সেনা