আমতলী পৌর নির্বাচন ঘিরে চলছে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ, সংঘর্ষের আশংকায় পৌরবাসী!

//মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি//

আগামী ৯ই মার্চ অনুষ্ঠিতব্য বরগুনার আমতলী পৌর নির্বাচনকে ঘিরে চলছে জমজমাট প্রচারনা।

বেলা ২টার পর থেকেই প্রচার মাইকের উচ্চ শব্দে নানা সুরের নির্বাচনী গান বাজিয়ে পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় সরগরম থাকে পৌরসভার পাড়া মহল্লার প্রতিটি ওলি-গলি। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে যে যার মত ভোট প্রার্থনা করেছেন প্রার্থীরা। পৌর শহরের হোটেল রেস্তোরাঁ থেকে ছোট ছোট দোকানগুলোর চায়ের আড্ডায় নিজ নিজ পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে কথা বলছেন সাধারণ ভোটাররা, প্রশংসায় গাইছেন নিজ নিজ প্রার্থীর গুণগান।বলতে গেলে নির্বাচনকে ঘিরে বইছে উৎসবের আমেজ।

একদিকে উৎসবের আমেজ চললেও তা যেকোনো সময়ে বিষাদে রুপ নিতে পারে সংঘাত ও সংঘর্ষে। বহিরাগতদের আনাগোনা ও গত কয়েকদিনের উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারনে এমনটিই মনে করছেন প্রার্থী ও সাধারণ ভোটাররা। উত্তপ্ত পরিস্থিতি ও বহিরাগতদের দাপটে ভোটারদের শঙ্কিত থাকতে হয় বলে অভিযোগ করেন আমতলী পৌরসভার মেয়র ও মোবাইল প্রতিকের প্রার্থী মতিয়ার রহমান।তিনি বলেন নির্বাচনকে ঘিরে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নাজমুল আহসান নান্নু পার্শ্ববর্তী এলাকার বহিরাগতদের জড়ো করছেন।

তিনি আরও বলেন,তফসিল ঘোষণার পরে আমি নিয়মনীতি মেনেই আমি আমার নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি। প্রতিক বরাদ্দের পরে শান্তিপূর্ণভাবে আমরা প্রচার প্রচারণা চালিয়ে আসছিলাম। আমার প্রতিদ্বন্দ্বী হ্যাঙ্গার প্রতিকের প্রার্থী নাজমুল আহসান খান নান্নু বরগুনা, পার্শ্ববর্তী চাকামাইয়াসহ বিভিন্ন এলাকার বহিরাগত লোকজন এনে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চাইছে। তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

অপর প্রতিদ্বন্দ্বী হ্যাঙ্গার প্রতিকের প্রার্থী সাবেক পৌর মেয়র নাজমুল আহসান খান নান্নু প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীর এসব অভিযোগ অস্বীকার করে  পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, আমার ব্যানার হাতে নিয়ে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নিজের লোকজন দিয়ে এসব করায়। তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন,মেয়র মতিয়ার রহমান বিভিন্ন ওয়ার্ডের নারীদের নিজ বাসায় জড়ো করে দেদারসে টাকা দিচ্ছেন এ ব্যাপারে তিনিও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সমুহকে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্হা গ্রহনের জন্য অনুরোধ জানান।

এসব বিষয়ে আমতলী পৌরসভা নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবদুল হাই আল হাদী বলেন,বিষয়টি আমরাও শুনেছি,কয়েকজন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাদের লোকজন নিয়ে একজন প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। তবে তাদেরকে আচরণবিধি মেনে প্রচারণা চালাতে বলা হয়েছে। আমতলী পৌরসভা নির্বাচনের মাঠ পর্যবেক্ষণের জন্য তিনজন ম্যাজিষ্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ভোট গ্রহনের ৭২ঘন্টা আগে সকল বহিরাগতদের মাইকিং করে নির্বাচনী এলাকা ছাড়তে বলা হবে।

আমতলী পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে নয়জন প্রার্থী অংশ গ্রহণ করলেও বর্তমান মেয়র ও আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মতিয়ার রহমান,সহ-সভাপতি নাজমুল আহসান নান্নু,জিল্লুর রহমান ছাড়া আর কোন প্রার্থীর কোন প্রচারণা চোখে পড়েনি।

অপরদিকে ৯টি ওয়ার্ডে (পুরুষ) ৩৬ জন কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হয়ে লড়ছেন। নারী কাউন্সিল পদে ০৯ জন প্রার্থী হয়ে লড়ছেন।আগামী ৯ই মার্চ আমতলী পৌর নির্বাচনে ১৫ হাজার ৮ ’শ ৩৯ ভোটার তাদের ভোটের মাধ্যমে পছন্দের প্রার্থী নির্বাচিত করবেন।

উপজেলা চেয়ারম্যান বাদশাকে পদ থেকে অব্যহতির দাবি করে আ’লীগের সংবাদ সম্মেলন

 //আঃ রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনার রূপসা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দিন বাদশার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন দলের  একাংশ নেতৃবৃন্দ।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় খুলনা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা আওয়ামী লীগের একটি অংশ এমন অভিযোগ তোলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রূপসা উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ‍্যক্ষ  ফ ম আব্দুস সালাম।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দিন বাদশা গত ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে দলীয় সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলক, মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন তথ্য উপস্থাপন করেছেন। যা দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভের দানা বেঁধেছে। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান  আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর সকল সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন।

এছাড়া কামাল উদ্দিন বাদশা একজন বয়জ্যেষ্ঠ মানুষ হওয়ায় তার সাংগঠনিক কর্মকান্ডে অক্ষমতার পরিচয় দিয়ে আসছেন। যার ফলে রূপসা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কাঠামো ভেঙ্গে পড়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর সিদ্ধান্তকে অমান্য করা এবং দলীয় সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা দলীয় শৃংঙ্খলা পরিপন্থী। এমতাবস্থায় কামাল উদ্দিন বাদশাকে দলের পদ থেকে অব্যাহতি প্রদানে দাবি জানানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত আস্থাভাজন। যে কারণে পরপর তিনবার তাকে দলীয় মনোনয়ন দেয় হয়েছে। সংসদ সদস্য স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী সমর্থকদের কখনো কোনো ধরণের ভয়-ভীতি ও হুমকি দেননি।

এসময়  উপস্থিত ছিলেন সাবেক অধ‍্যক্ষ সরদার ফেরদৌস আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার আবুল কাশেম ডাবলু, খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ মোতালেব হোসেন, সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান মোল্লা, সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, যুগ্ম-সম্পাদক অধ্যাপক শ্যামল দাস, মো: এমদাদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম হাবিব, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, দপ্তর সম্পাদক আক্তার ফারুক, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান মো. কামাল হোসেন বুলবুল, ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা ওহিদুজ্জামান মিজান, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি আব্দুল মান্নান শেখ, উপজেলা শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক মোঃ মফিজুল ইসলাম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক রাজিব দাস টাল্টুসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের অসংখ্য নেতা-কর্মী ও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

আমতলীতে পোষ্টার টানানোকে কেন্দ্র করে প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত-৮

//মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলী পৌর নির্বাচনে পোষ্টার টানানোকে কেন্দ্র করে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে ৮জন আহত হয়েছে। গুরুতর আহত পাঁচজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে আমতলী পৌরসভার ফকিরবাড়ীর সামনে।

জানাগেছে, আমতলী পৌর নির্বাচনে ১ নং ওয়ার্ডের উটপাখি প্রতিকের কাউন্সিলর প্রার্থী মীর হাবিবুর রহমানের সমর্থকরা ফকিরবাড়ী এলাকার পোষ্টার টানাতে যায় এমন দাবী কাউন্সিলর প্রার্থীর হাবিবুর রহমানের। এ সময় ডালিম প্রতিকের অপর কাউন্সিলর প্রার্থী হাবিবুর রহমান ফকিরের সমর্থকদের মধ্যে কাটাকাটি হয়। এক পর্যায় উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে দুই পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হয়েছে। আহত প্রার্থী মীর হাবিবুর রহমান,মুছা,কুদরাত,মামুন ও ইমরানকে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অপরদিকে নিবাচনকে কেন্দ্র করে মিঠাবাজার এলাকার কাজল বেগম প্রতিবেশী হনুফা ও মারিয়াকে পিটিয়ে জখম করেছে।

আহত ইমরান বলেন,কাউন্সিলর প্রার্থী মীর হাবিবুর রহমান ও তার সমর্থকরা আমাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করেছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।

কাউন্সিলর প্রার্থী মীর হাবিবুর রহমান বলেন,পোষ্টার টানাতে গেলে আমার ৬-৭ জন সমর্থককে হাবিবুর রহমান ফকিরের সমর্থকরা পিটিয়ে জখম করেছে।

হাবিবুর রহমান ফকির বলেন,আমার পোষ্টার ছিড়ে মীর হাবিবুর রহমানের সমর্থকরা তার পোষ্টার টানাতে ছিল। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ‌্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায় মীর হাবিবুর রহমান ও তার লোকজন আমার লোকজনকে  কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ‌্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মেহেরীন আশ্রাফ বলেন,আহতদের যথাযথ চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। একজনকে পটুয়াখালী পাঠানো হয়।

আমতলী থানার ওসি কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন,খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব‌্যবস্থা নেয়া হবে।

পৌরসভা মেয়র নির্বাচন// আমতলীর প্রার্থী সাবেক ও বর্তমান মেয়র

//মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনা আমতলী পৌরসভার মেয়র পদে বর্তমান ও সাবেক মেয়র প্রার্থী হয়ে ভোটযুদ্ধে নেমে পড়েছেন। মেয়র প্রার্থী ছাড়াও ৯টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীরাও ভোটের আমেজে জাগিয়ে তুলেছে পাড়া,মহল্লা। পৌর এলাকার সর্বত্র ছেয়ে গেছে পোস্টার আর ফেস্টুনে। প্রচার যন্ত্রেও নির্দিষ্ট সময়ে চালিয়ে যাচ্ছে অবিরাম প্রচারণা। এতে যেন মানুষের ক্লান্তি বেড়ে যাচ্ছে।তবে ভোটারদের মাঝে মুল আকর্ষণ বর্তমান ও সাবেক মেয়রের ভোট যুদ্ধ।

আগামী আগামী ০৯ মার্চ আমতলী পৌরসভায় ভোট অনুষ্ঠিত হবে। দিনক্ষণ খানিকটা সামনে থাকলেও প্রচার প্রচারণায় যেন হাঁপিয়ে পড়েছেন প্রার্থীরা।ভোটারদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন প্রার্থীরা।সেই সাথে দিচ্ছেন প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরিও। নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশ থাকলেও  ভোটারদের মাঝে দিনদিন শঙ্কা বেড়েই চলছে। তাদের প্রশ্ন শেষ পর্যন্ত ভোট দিতে আদৌ যেতে পারবেন কি না ভোটের মাঠে এমন শঙ্কাও বিরাজ করছে ভোটারদের মাঝে।

পৌরসভার মেয়র পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান মেয়র মোঃ মতিয়ার রহমান (মোবাইল) প্রতীক নিয়ে প্রার্থী হয়ে ভোটারদের কাছে যাচ্ছেন,তিনি উন্নয়নের ধারা অব্যাহত ও আগামীর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করছেন।

তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজমুল আহসান খাঁন (হ্যাঙ্গার) প্রতিক নিয়ে বসে নেই। তিনিও দিন-রাত যাচ্ছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে।বলছেন তার আমলে উন্নয়নের কথা এবং দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি।উভয় প্রার্থীকে জেতাতে দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা চেষ্টা করছেন সমান তালে।

প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থী ছাড়াও মেয়র পদে রয়েছেন,জহিরুল ইসলাম খোকন,জিল্লুর রহমান,নুসরাত জাহান,, ইফতেকার হাসান,আব্দুল্লাহ আল মামুন, আবুল কালাম আজাদ ও কামাল হোসেন। মেয়র পদে তারা প্রার্থী হলেও তাদের প্রচার প্রচারণা নেই নির্বাচনী মাঠে।

এর বাইরেও ৯টি ওয়ার্ডে (পুরুষ) ৩৬ জন কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হয়ে লড়ছেন। নারী কাউন্সিল পদে ০৯ জন প্রার্থী হয়ে লড়ছেন। আগামী ০৯ মার্চ পৌর এলাকায় ১৫ হাজার ৮ ’শ ৩৯ ভোটার তাদের ভোটের মাধ্যমে পছন্দের নেতা নির্বাচন করবেন।

নির্বাচন নিয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারী রিটানিং কর্মকর্তা সেলিম রেজা জানান,পৌর নির্বাচন অবাধ,সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে কোনো অবস্থাতেই চেষ্টার কমতি থাকবে না সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের।

আমতলী পৌর নির্বাচনে নামকাওয়াস্তে ৮ মেয়র প্রার্থী!

মাহমুদুল হাসান,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

বরগুনার আমতলী পৌরসভা সাধারণ নির্বাচনে মেয়র পদে ১০ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে ৮ প্রার্থী নামকাওয়াস্তে মেয়র প্রার্থী হয়েছেন এমন দাবী সাধারণ ভোটারদের। এ ৮ প্রার্থীকে ৯০ ভাগ ভোটার চিনেন না। শুধুমাত্র নিজেদের নাম জাহির ও অন্য প্রার্থীকে সহযোগীতা করতেই তারা প্রার্থী হয়েছেন। শেষ পর্যন্ত এরা প্রার্থী থাকলে তাদের সকলেই জামানত হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।

জানাগেছে, আমতলী পৌরসভা নির্বাচন আগামী ৯ মার্চ। গত ১৩ ফেব্রæয়ারী মেয়র পদে উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি মেয়র মতিয়ার রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজমুল আহসান খাঁন, জিল্লুর রহমান, আবুল কালাম আজাদ, জহিরুল ইসলাম খোকন, নুসরাত জাহান, কামাল মৃধা, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মুহা ইফতেকার হাসান ও জেসিকা তারতিলা জুথি মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এদের মধ্যে বর্তমান মেয়র মতিয়ার রহমান ও সাবেক মেয়র নাজমুল আহমান খাঁন জনগন ও ভোটারদের কাছে ব্যপক পরিচিত। অপর ৮ জন প্রার্থী জিল্লুর রহমান, আবুল কালাম আজাদ, জহিরুল ইসলাম খোকন, নুসরাত জাহান, কামাল মৃধা, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মুহা ইফতেকার হাসান ও জেসিকা তারতিলা জুথি নাম লেখাতেই মেয়র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন। এ ৮ প্রার্থীর নেই কর্মী ও সমর্থক। এরা ডামি প্রার্থী হিসেবে মুল প্রার্থীদের সহযোগীতা করতে প্রার্থী হয়েছেন এমন দাবী ভোটারদের। এর মধ্যে নুসরাত জাহান মেয়র প্রার্থী মতিয়ার রহমানের স্ত্রী এবং আবুল কালাম আজাদ তার ভাগ্নে। জেসিকা তারতিলা জুথি কাউন্সিলর জিএম মুছার স্ত্রী। কামাল মৃধা, আব্দুল্লাহ আল মামুন ও মুহা ইফতেকার হাসান এ তিনজনকে কেউ চিনেন না। আমতলী পৌরসভার ১৫ হাজার ৮ ’শ ৩৯ ভোটারের মধ্যে ৯০ ভাগ ভোটার তাদের চেনেন না এবং জানেন না বলে দাবী সাধারণ ভোটারের।

ভোটার লুৎফর রহমান, স্বপন মিয়া ও খাদিজা বলেন, ৮ প্রার্থীর মধ্যে কামাল মৃধা, আব্দুল্লাহ আল মামুন ও মুহা ইফতেকার হাসান চেনাতো দুরের কথা নাম শুনিনি। এরাতো শুধু নিজেদের নাম জাহির করতেই প্রার্থী হয়েছেন।

মেয়র প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন ও মুহা ইফতেকার হাসান মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

মেয়র প্রার্থী কামার মৃধা বলেন, পরিচিতি না থাকলেও অল্প দিনের মধ্যে পরিচিত হয়ে যাব। যে মতে কাজ চলছে।

আমতলী উপজেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. শাহাবুদ্দিন পান্না বলেন, দুই প্রার্থী ছাড়া অধিকাংশ প্রার্থী জনগন চিনেন না। এরা কেন প্রার্থী হয়েছেন তা তারাই ভালো বলতে পারবেন।

নির্বাচনে বিজয়ীর পর রূপসায় এমপি’র আগমনে সংবর্ধনা এবং উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্ধারণ প্রস্তুতিমূলক সভা 

//এম মুরশীদ আলী , রূপসা//

খুলনা- ৪ আসনে সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদী  দ্বাদশ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পরবর্তী সময়ে আগমন, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি। তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া উপলক্ষে ও অধ্যক্ষ খান আলমগীর কবীর স্মৃতি ফুটবল টুনার্মেন্টের ফাইনাল খেলা এবং আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্ধারণের প্রস্তুতিমূলক মতবিনিময় সভা গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বিকালে কাজদিয়া গ্রামবাসীর আয়োজনে ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সদস্য আ: মজিদ ফকির।

প্রধান বক্তা ছিলেন বয়রা সরকারি মহিলা কলেজের সহকারি অধ্যাপক, খান আহমেদুল কবীর চাইনিজ এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন সৈয়দ মোরশেদ আলম বাবু।

নির্বাচনে বিজয়ীর পর রূপসায় এমপি’র আগমনে সংবর্ধনা এবং উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্ধারণ প্রস্তুতিমূলক সভা 

সমাজসেবক খান বজলার রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি খান শাহ জাহান কবীর প্যারিস, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক গাজী মোহম্মাদ আলী জিন্নাহ, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক বিনয় কৃষ্ণ হালদার, আওয়ামীলীগ নেতা শিক্ষক বাকির হোসেন, প্যানেল চেয়ারম্যান সৈয়দ আওরঙ্গজেব স্বর্ন, ইউপি সদস্য মো. দাউদ শেখ, ইনতাজ মোল্লা, উপজেলা হাট-বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মো. জুলফিকার আলী প্রমূখ।

এ সময় শফিকুর রহমান ইমনের পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউপি সদস্য পলাশ হালদার, নৈহাটী ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলগের সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল শেখ, আজমল ফকির, ফ ম অহিদুল ইসলাম, আমানুল্লাহ গাজী, আলতাফ মাহমুদ, সমাজসেবক সৈয়দ মাহমুদ আলী, আলম শেখ, সৈয়দ নান্টু, আয়ূব আলী খান, কিবরিয়া, লিটন সরকার, ছাত্রনেতা আরিফুল ইসলাম কাজল, রবিউল ইসলাম, খায়রুজ্জামান সজল, মো. সাদ্দাম শেখ, সৈয়দ হেলাল, আজিজুল মোল্যা, রহমত আলী, প্রণব বিশ্বাস, আছমা বেগম, আশুরা বেগম, জামাল শেখ, শাহাজাদা আলমগীর, মুশফিকুর রহমান সুমন, মাসুদ শেখ, মাহবুব শেখ,  আসলাম শেখ, মন্টু শেখ, শেখ রবিউল ইসলাম সহ বিভিন্ন গ্রাম থেকে আশা অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলার সদরস্থ কাজদিয়া গ্রামবাসীর ডাকে সাড়া দিয়ে ১০টি গ্রামের লোক স্বতস্ফুত অংশগ্রহন উপস্থিত মতামতে সিদ্ধান্ত হয়। আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী থাকবেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোরশেদ আলম বাবু। তাকে বিজয়ী করতে আমরা সকলে আজ থেকে ঐক্যভাবে কাজ করবো। সভা শেষে প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হয়।

রাজনীতি করলে মানুষ গালাগাল দেওয়ার লাইসেন্স পেয়ে যায়- তাই ইস্তফা দিলেন

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

সরকারি পদ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার পর এবার সংসদ সদস্য থেকে পদত্যাগ করলেন যাদবপুরের তৃণমূল সংসদ সদস্য টালিউড অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী।

বৃহস্পতিবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির কাছে গিয়ে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি।

তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা সেটি এখনো গ্রহণ করেননি। তিনি জানিয়েছেন, কোনো সংসদ সদস্য যদি ইস্তফা দিতে চান সে ক্ষেত্রে তাকে নিয়ম মেনে লোকসভার স্পিকারের কাছে গিয়ে ইস্তফা দিতে হবে।

এদিকে বিধানসভা থেকে বের হয়ে সংসদ সদস্যপদ থেকে সরে আসার কারণ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি রাজনীতি আমার জন্য নয়। কেননা রাজনীতি করলে আমাকে গালাগাল দেওয়ার লাইসেন্স পেয়ে যায় মানুষ। জেনেশুনে কখনো কারও ক্ষতি করিনি আমি।

তিনি বলেন, আমি রাজনীতিক নই। আর কখনো রাজনীতিক হবও না। আমি সবসময় একজন কর্মী হিসেবে মানুষের জন্য কাজ করতে চেয়েছি। বিরোধী দলের কারও বিরুদ্ধে কখনো বাজে কথা বলিনি।

টালি তারকা বলেন, লোকসভায় কতদিন উপস্থিত থেকেছি আমি, সেসব নিয়ে মানুষের মাথাব্যথা। এক মাস দিল্লিতে থাকলে মানুষ বলবে সংসদ সদস্য দিল্লিতে থাকেন, এখানে তিনি কাজ করেন না। আবার এখানে থাকলে বলা হবে, সংসদে উপস্থিতি কম আমার। সবদিকে ভারসাম্য রাখতে হয়।

বাগেরহাটে সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন পাওয়ায় লুচিকে কচুয়া প্রেসক্লাবের অভিনন্দন

শুভঙ্কর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট প্রতিনিধি॥

বাগেরহাটে সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি পদে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেলেন ফরিদা আক্তার বানু লুচি। তিনি বাগেরহাট-২ আসনের বার বার নির্বাচিত প্রাক্তন সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা মীর সাখাওয়াত আলী দারুর সহধর্মিনী। তিনি বাগেরহাট জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি।

বুধবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সরকারী বাসভবন গণভবন এ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।এদিকে ফরিদা আক্তার বানু লুচি মনোনয়ন পাওয়ায় কচুয়ার বীরমুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক সহ বিভিন্ন সংগঠন অভিনন্দন জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, কচুয়া প্রেসক্লাব,বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ বাগেরহাট জেলা কমিটি সহ বিভিন্ন সংগঠন।

কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি খোন্দকার নিয়াজ ইকবাল, সাবেক সভাপতি তুষার রায় রনি,সহসভাপতি সমির বরণ পাইক, সাধারন সম্পাদক কাজী ছাইদুজ্জামান সাইদ, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক শুভংকর দাস বাচ্চু, অর্থ সম্পাদক রথীন্দ্র নাথ সাহা, নির্বাহী সদস্য সুপার্থ কুমার মন্ডল, খান সুমন, প্রদ্যুৎ ককুমার মন্ডল, সদস্য নকীব মিজানুর রহমান, আজমির আলম খান, মইনুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, মো.রুম্মান, সাইদুল ইসলাম  প্রমূখ।

উপজেলা নির্বাচন কবে কোথায় অনুষ্ঠিত হবে জেনেনিন

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

দেশের ছয়টি নির্বাচনী অঞ্চলের ৩৪৪টি উপজেলার নির্বাচন কখন হবে তা জানাল নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বুধবার সন্ধ্যার দিকে ওয়েবসাইটে তার সম্ভাব্য তালিকা প্রকাশ করেছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।

ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম জানিয়েছেন, প্রথম ধাপে মে, দ্বিতীয় ধাপে ১১ মে, তৃতীয় ধাপে ১৮ মে এবং চতুর্থ ধাপে ২৫ মে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

ইসি ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে প্রথম ধাপে ১০৮টি, দ্বিতীয় ধাপে ১২১, তৃতীয় ধাপে ৭৭ ও চতুর্থ ধাপে ৩৮টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আর সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপজেলাগুলোর তালিকা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে। দেশে বর্তমানে ৪৯৫টি উপজেলা রয়েছে।

প্রথম ধাপে যে ১০৮ উপজেলায় ভোট: জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল, কালাই ও আক্কেলপুর; বগুড়ার সারিয়াকান্দা, সোনাতলা ও গাবতলী; চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট; নওগাঁর ধামইরহাট, পত্নীতলা, মহাদেবপুর ও বদলগাছী; রাজশাহীর গোদাগাড়ী ও তানোর; নাটোরের নাটোর সদর, নলডাঙ্গা ও সিংড়া; সিরাজগঞ্জের সিরাজগঞ্জ সদর, কাজিপুর ও বেলকুচি; পাবনার সাঁথিয়া, সুজানগর ও বেড়া;

পঞ্চগড়ের পঞ্চগড় সদর, তেঁতুলিয়া ও আটোরিয়া; ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী ও হরিপুর; নীলফামারীর ডোমার ও ডিমলা; দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট, হাকিমপুর ও বিরামপুর;

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা; রংপুরের কাউনিয়া ও পীরগাছা; কুড়িগ্রামের রৌমারী, চর রাজিবপুর ও চিলমারী; গাইবান্ধার সাঘাটা ও ফুলছড়ি; মেহেরপুরের মেহেরপুর সদর ও মুজিবনগর; কুষ্টিয়ার খোকসা, কুষ্টিয়া সদর ও কুমারখালী; চুয়াডাঙ্গার জীবননগর ও দামুড়হুদা; ঝিনাইদহের ঝিনাইদহ সদর ও কালীগঞ্জ; যশোরের মনিরামপুর ও কেশবপুর; মাগুরার মাগুরা সদর ও শ্রীপুর; নড়াইলের কালিয়া; বাগেরহাটের বাগেরহাট সদর, রামপাল ও কচুয়া; সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ ও শ্যামনগর; বরিশালের বরিশাল সদর ও বাকেরগঞ্জ; পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া ও ভান্ডারিয়া; ঢাকার দোহার, নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জ;

গোপালগঞ্জের গোপালগঞ্জ সদর, কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়া; নারায়ণগঞ্জের নারায়ণগঞ্জ সদর ও বন্দর; গাজীপুরের গাজীপুর সদর, কালীগঞ্জ ও কাপাসিয়া; রাজবাড়ীর কালুখালী ও পাংশা; মানিকগঞ্জের সিংগাইর ও হরিরামপুর; ফরিদপুরের চরভদ্রাসন, মধুখালী ও ফরিদপুর সদর; মাদারীপুরের মাদারীপুর সদর, শিবচর ও রাজৈর; শরীয়তপুরের নড়িয়া ও ভেদরগঞ্জ; নরসিংদীর নরসিংদী সদর ও পলাশ; টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী, মধুপুর ও গোপালপুর; মুন্সিগঞ্জের মুন্সিগঞ্জ সদর ও গজারিয়া; কিশোরগঞ্জের কিশোরগঞ্জ সদর, হোসেনপুর ও পাকুন্দিয়া; ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া ও ফুলপুর; জামালপুরের জামালপুর সদর ও সরিষাবাড়ী; শেরপুরের ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী; নেত্রকোনার দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা।

দ্বিতীয় ধাপে যে ১২১ উপজেলায় ভোট: জয়পুরহাটের জয়পুরহাট সদর ও পাঁচবিবি; বগুড়ার দুপচাঁচিয়া, আদমদীঘি ও কাহালু; চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ; নওগাঁর সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর; রাজশাহীর পুঠিয়া, বাগমারা ও দুর্গাপুর; নাটোরের লালপুর ও বাগাতিপাড়া;

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া ও তাড়াশ; পাবনার চাটমোহর, ভাংগুড়া ও ফরিদপুর; পঞ্চগড়ের বোদা ও দেবীগঞ্জ; ঠাকুরগাঁওয়ের ঠাকুরগাঁও সদর ও রাণীশংকৈল; নীলফামারীর সৈয়দপুর, কিশোরগঞ্জ ও জলঢাকা; দিনাজপুরের বিরল, কাহারোল, বীরগঞ্জ ও বোচাগঞ্জ;

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ ও আদিতমারী; রংপুরের মিঠাপুকুর ও পীরগঞ্জ; কুড়িগ্রামের রাজারহাট, উলিপুর ও কুড়িগ্রাম সদর; গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ, পলাশবাড়ী ও গাইবান্ধা সদর; মেহেরপুরের গাংনী; কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা, মিরপুর ও দৌলতপুর; চুয়াডাঙ্গার চুয়াডাঙ্গা সদর ও আলমডাঙ্গা; ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ড ও শৈলকুপা;

যশোরের চৌগাছা, ঝিকরগাছা ও শার্শা; মাগুরার শালিখা ও মহম্মদপুর; নড়াইলের নড়াইল সদর ও লোহাগড়া; বাগেরহাটের ফকিরহাট, মোল্লাহাট ও চিতলমারী;

খুলনার তেরখাদা, দিঘলিয়া ও ফুলতলা; সাতক্ষীরার তালা, দেবহাটা ও আশাশুনি; বরিশালের বাবুগঞ্জ, উজিরপুর ও বানারিপাড়া; পটুয়াখালীর দশমিনা, গলাচিপা ও বাউফল; পিরোজপুরের কাউখালী ও নেছারাবাদ; ভোলার বোরহানউদ্দিন, ভোলা সদর ও দৌলতখান; ঝালকাঠির ঝালকাঠি সদর ও নলছিটি; বরগুনার বেতাগী ও বরগুনা সদর; ঢাকার সাভার ও ধামরাই; গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী ও মুকসুদপুর; নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও, রূপগঞ্জ ও আড়াইহাজার;

গাজীপুরের কালিয়াকৈর ও শ্রীপুর; রাজবাড়ীর রাজবাড়ী সদর, গোয়ালন্দ ও বালিয়াকান্দি; মানিকগঞ্জের শিবালয়, ঘিওর ও দৌলতপুর; ফরিদপুরের নগরবান্দা ও সালথা; মাদারীপুরের কালকিনি ও ডাসার; শরীয়তপুরের শরীয়তপুর সদর ও জাজিরা;

নরসিংদীর বেলাবো ও মনোহরদী; টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর, কালিহাতি ও ঘাটাইল; মুন্সিগঞ্জের লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী; কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী, নিকলী ও অষ্টগ্রাম;

ময়মনসিংহের ময়মনসিংহ সদর, মুক্তাগাছা ও গৌরীপুর; জামালপুরের বকশীগঞ্জ, দেওয়ানগঞ্জ ও ইসলামপুর; শেরপুরের নালিতাবাড়ী ও নকলা; নেত্রকোনার নেত্রকোনা সদর, পূর্বধলা ও বারহাট্টা।

তৃতীয় ধাপে যে ৭৭ উপজেলায় ভোট : বগুড়ার বগুড়া সদর, শাজাহানপুর, শিবগঞ্জ; নওগাঁর আত্রাই ও রাণীনগর; রাজশাহীর পবা ও মোহনপুর; নাটোরের গুরুদাসপুর ও বড়াইগ্রাম; সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর ও চৌহালী; পাবনার পাবনা সদর, আটঘরিয়া ও ঈশ্বরদী;

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ; নীলফামারীর নীলফামারী সদর, দিনাজপুরের দিনাজপুর সদর, খানসামা, চিরিরবন্দর; লালমনিরহাটের লালমনিরহাট সদর; রংপুরের রংপুর সদর ও গঙ্গাচড়া; কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী, ভূরুঙ্গামারী ও নাগেশ্বরী; গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর ও সুন্দরগঞ্জ;

যশোরের যশোর সদর, অভয়নগর ও বাঘারপাড়া; বাগেরহাটের শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ ও মোংলা; খুলনার কয়রা, পাইকগাছা ও ডুমুরিয়া; সাতক্ষীরার কলারোয়া ও সাতক্ষীরা সদর;

বরিশালের গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া; পটুয়াখালীর পটুয়াখালী সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি; পিরোজপুরের পিরোজপুর সদর, নাজিরপুর ও ইন্দুরকানি; ভোলার তজুমদ্দিন ও লালমোহন; ঝালকাঠির রাজাপুর ও কাঠালিয়া; বরগুনার বামনা ও পাথরঘাটা; মানিকগঞ্জের মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া;

ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও সদরপুর, শরীয়তপুরের ডামুড্যা ও গোসাইরহাট; নরসিংদীর শিবপুর ও রায়পুরা; টাঙ্গাইলের টাঙ্গাইল সদর, দেলদুয়ার ও নাগরপুর; মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান ও শ্রীনগর; কিশোরগঞ্জের ইটনা, তাড়াইল, করিমগঞ্জ ও মিঠামইন;

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া, ঈশ্বরগঞ্জ ও ত্রিশাল; জামালপুরের মেলান্দহ ও মাদারগঞ্জ; নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ, মদন ও খালিয়াজুরী।

চতুর্থ ধাপে যে ৩৮টি উপজেলায় ভোট: বগুড়ার নন্দীগ্রাম, শেরপুর ও ধুনট; নওগাঁর নওগাঁ সদর ও মান্দা; রাজশাহীর চারঘাট ও বাঘা; সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ ও রায়গঞ্জ;

দিনাজপুরের ফুলবাড়িয়া, পার্বতীপুর ও নবাবগঞ্জ; রংপুরের তারাগঞ্জ ও বদরগঞ্জ; খুলনার রূপসা, দাকোপ ও বটিয়াঘাটা; বরিশালের মুলাদী ও হিজলা; পটুয়াখালীর কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী; ভোলার মনপুরা ও চরফ্যাশন; বরগুনার আমতলী ও তালতলী;  ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা ও বোয়ালমারী; টাঙ্গাইলের মির্জাপুর, বাসাইল ও সখীপুর; কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর, কুলিয়ারচর ও ভৈরব; ময়মনসিংহের ভালুকা, গফরগাঁও ও নান্দাইল এবং নেত্রকোনার কেন্দুয়া ও আটপাড়া উপজেলা।

Daily World News

সরস্বতী পুজা উদযাপিত ঐতিহ্যবাহী মানসা কালীবাড়ী মন্দিরে

সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৮ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৮ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ। বুধবার বিকালে গণভবনে প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি জানান, মোট ১ হাজার ৫৫৩ জন প্রার্থী এবার মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। এর মধ্যে থেকে যাচাই–বাছাই করে ৪৮ জনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

যারা মনোনয়ন পেয়েছেন তারা হলেন-

রেজিয়া ইসলাম – পঞ্চগড়

দ্রৌপদী বেবি আগরওয়াল- ঠাকুরগাঁও

আশিকা সুলতানা- নীলফামারী

রোকেয়া সুলতানা – জয়পুরহাট

কোহেলী কুদ্দুস – নাটোর

জারা জাবীন মাহবুব – চাঁপাইনবাবগঞ্জ

রুনু রেজা- খুলনা

ফরিদা আক্তার বানু- বাগেরহাট

মোসা. ফারজানা সুমি – বরগুনা

খালেদা বাহার – ভোলা

নাজনীন নাহার রশীদ – পটুয়াখালী

ফরিদা ইয়াসমিন–নরসিংদী

উম্মি ফারজানা ছাত্তার – ময়মনসিংহ

নাদিয়া বিনতে আমিন – নেত্রকোনা

মাহফুজা সুলতানা -জয়পুরহাট

পারভীন জামান – ঝিনাইদহ

আরোমা দত্ত -কুমিল্লা

লায়লা পারভীন  -সাতক্ষীরা

মন্নুজান সুফিয়ান – খুলনা

বেদৌরা আহমেদ সালাম – গোপালগঞ্জ

শবনম জাহান -ঢাকা

পারুল আক্তার -ঢাকা

সাবেরা বেগম– ঢাকা

শাম্মী আহমেদ – বরিশাল

নাহিদ ইজাহার খান- ঢাকা

ঝর্না হাসান– ফরিদপুর

ফজিলাতুন নেসা – মুন্সীগঞ্জ

সাহিদা তারেখ –ঢাকা

অনিমা মুক্তি গোমেজ – ঢাকা

শেখ আনার কলি -ঢাকা

মাসুদা সিদ্দিক রোজী – নরসিংদী

তারানা হালিম–টাঙ্গাইল

বেগম শামসুন নাহার–টাঙ্গাইল

মেহের আফরোজ – গাজীপুর

অপরাজিতা হক– টাঙ্গাইল

হাছিনা বারী চৌধুরী- ঢাকা

নাজমা আকতার–গোপালগঞ্জ

রুমা চক্রবর্তী–সিলেট

ফরিদুন্নাহার লাইলী – লক্ষ্মীপুর

আশ্রাফুন নেছা–লক্ষ্মীপুর

কানন আরা বেগম – নোয়াখালী

শামীমা হারুন–চট্টগ্রাম

ফরিদা খানম – নোয়াখালী

দিলোয়ারা ইউসুফ- চট্টগ্রাম

ওয়াসিকা আয়েশা খান – চট্টগ্রাম

জ্বরতী তঞ্চঙ্গ্যা–রাঙামাটি

সানজিদা খানম – ঢাকা

মোছা. নাসিমা জামান  – রংপুর