প্রিয়ার প্রস্থান “ব্যাচেলর বলে”

প্রিয়ার প্রস্থান  “ব্যাচেলর বলে”

– মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান

নিঝুম রাতের তারার মেলায় মনে পরে তোমাকে ওগো প্রিয়তমা,

জুঁই চামিলীর সৌরভ ছড়ানো ঘ্রাণে তোমাকেই খুজে ফিরি ওগো প্রিয়তমা।

হৃদয় নীড়ে নেই উজ্জ্বল আলোকচ্ছটা, উত্তেজনা, শব্দ; কিবা  আনন্দ ।

জোৎস্নাকে জানিয়ে বিদায় এ হৃদয় আজ বড় নির্বাক স্তব্ধ।

ভালোবাসা মানে কি তবে এক সহস্র কষ্ট বুকে আগলে রাখা?

আচ্ছা ভালোবাসা মানে কি তবে প্রিয়তমাকেই হারিয়ে ফেলা?

প্রশ্ন জাগে মনে, এমন যদি হয় তবে লোকে ভালো কেন বাসে!

কেনই বা হৃদয় ছুয়ে বার বার কাছে আসে?

উত্তর মেলেনি আজও।

আমি ব্যাচেলর বলে আপন করে পাওয়া হলো না তোমাকে,

আচ্ছা ভালোবাসা কি তবে চাকরির কাঙ্গালিনী!

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী পালিত রাণীশংকৈলে

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২২ তম জন্মজয়ন্তী পালিত হয় ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ১১ জ্যৈষ্ঠ, ২৫ মে মঙ্গলবার ।

এ উপলক্ষে এদিন বিকেলে পৌর শহরের নেপচুন বিদ্যালয়ে ষড়জ শিল্পি গোষ্ঠি এক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। শিল্পি গোষ্টির সভাপতি প্রভাষক রেজাউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন কবি-গীতিকার অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি ও আলোচক ছিলেন মহিলা ডিগ্রি কলেজ উপাধ্যক্ষ মহাদেব বসাক, হরিপুর মুসলিমউদ্দিন কলেজের অধ্যাপক ফেরদৌস বাহার চৌধুরী, গাজীরহাট ডিগ্রি কলেজের সহ-অধ্যাপক বিল্লাল হোসেন।

এছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা হবিবর রহমান, গোষ্ঠির সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক, শিক্ষক অমল রায়, তৌহিদুল ইসলাম ও মাজহারুল ইসলাম বকুল প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন, মনসুরা বেগম কাজল, শাহিনা আকতার, পূর্বাশা মজুমদার ও মোজাফফর হোসেন।

তবলাবাদনে ছিলেন পল্লব মহন্ত। কবিতা আবৃত্তি করেন, ফেরদৌস বাহার চৌধুরী, আফরা আনজুম আভা, প্রভাষক মনিরুজ্জামান মনি। সঞ্চালনা করেন গোষ্ঠির প্রচার সম্পাদক আশরাফ আলী।

//মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল,  ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রাজশাহীর বাঘায় চুরি হওয়া ১২টি মহিষ পুঠিয়ায় উদ্ধার আটক-১

 

না ফেরার দেশে চলে গেলেন কবি শঙ্খ ঘোষ

 

বৈশ্বিক মহামারীকরোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে প্রতিদিনই মৃত্যুর মিছিলে যুক্ত হচ্ছে এক একটি ইতিহাস।কিভাবে যেন শেষ হয়ে যাচ্ছে এক একটি মূল্যবান জীবন।

আমরা চাইছিলাম এই সকল মহামানবকে আরও দীর্ঘদিন আমাদের মাঝে বাহুর বন্ধনে আবদ্ধ করতে রাখতে।কিন্তু অদৃশ্য এক ভাইরাসের কাছে একাবিংশ শতাব্দীর মানবকূল আজ দেশাহারা হয়ে দিকবিদিকশুন্য হয়ে নিরাশার অথৈই সাগরে ভাসছে।

বাংলা কবিতায় খ্যাত পঞ্চপান্ডব শক্তি-সুনীল-উৎপল-বিনয়- এই ০৪ জন আগেই পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন।বাকি ছিলেন শঙ্খ ঘোষ। তিনিও আজ ভারতীয় সময় ১১ঃ০০ ঘটিকা ( বাংলাদেশ সময় ১১ঃ৩০) বিদায় নিলেন।মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।

উল্লেখ কবি শঙ্খ ঘোষের আসল নাম চিত্তপ্রিয় ঘোষ।পিতার নাম মনীন্দ্রী কুমার ঘোষ, মাতার নাম অমলা ঘোষ।

তিনি বাংলাদেশের চাঁদপুর জেলায় ১৯৩২ সালের ০৫ ফেব্রুয়ারী জন্ম গ্রহন করেন। প্রতিটি মুহূর্ত আজ আমাদের কাছে আতঙ্কের মনে হচ্ছে।কিভাবে যেন শেষ হয়ে যাচ্ছে একটা সময়কাল।যেটা ভীষণ যত্নে আগলে রাখতে চাইছি আমরা।কিন্তু পারছি না।কবি শঙ্খ ঘোষ তাঁর কবিতায় ও ভাবনায় চিরদিন বেঁচে থাকবেন আমাদের মনের মনিকোঠায়।

//দৈনিক বিশ্ব  অনলাইন ডেস্কঃ ডেস্ক//

মিতা হক আর নেই..// প্রখ্যাত রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মিতা হক

 

 

ছায়ানটের রবীন্দ্র সঙ্গীত বিভাগের প্রধান, বরেন্য  রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মিতা হক আর নেই।  রোববার ভোর ০৬:১৫ মিনিটে  রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় (ইন্নালিল্লাহি…রাজিউন)।

মিতা হকের ননদাই শিল্পী সোহরাব উদ্দিন জানান – গত ৩১শে মার্চ  মিতা হক করোনা আক্রান্ত হন। এরপর তিনি নেগেটিভ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরে যান। তিনি কিডনি রোগে ভুগছিলেন তাই তার ডায়লাইসিস করতে হতো।

শনিবার ডায়লাইসিসের সময় তার প্রেসার ফল করে। এর পর বাসায় নেওয়ার পরও আবার তার প্রেসার ফল করে। সে সময় হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসকরা জানান, মিতা হক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন।

এরপর রোববার ভোর সোয়া ৬টায় রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তিনি বলেন, কেরানীগঞ্জে মিতা হকদের আদি বাড়িতে তার দাফন হবে। তবে শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানের বিষয়ে পরে জানানো হবে।

মিতা হকের জন্ম ১৯৬২ সালে। তিনি বাংলাদেশ বেতারের সর্বোচ্চ গ্রেডের তালিকাভুক্ত শিল্পী। সঙ্গীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ২০২০ সালে একুশে পদক প্রদান করে।

মিতা হক প্রথমে তার চাচা ওয়াহিদুল হক এবং পরে ওস্তাদ মোহাম্মদ হোসেন খান ও সনজীদা খাতুনের কাছে গান শেখেন। ১৯৭৪ সালে তিনি বার্লিন আন্তর্জাতিক যুব ফেস্টিভালে অংশ নেন। ১৯৭৬ সাল থেকে তিনি তবলা বাদক মোহাম্মদ হোসেন খানের কাছে সঙ্গীত শেখা শুরু করেন। ১৯৭৭ সাল থেকে নিয়মিত তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারে সঙ্গীত পরিবেশনা করেছেন।

 

মিতা হক অভিনেতা – পরিচালক খালেদ খানের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। খালেদ খান ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। এই দম্পতির ফারহিন খান জয়িতা নামে এক কন্যা সন্তান রয়েছে।

মিতা হক সুরতীর্থ নামে একটি সঙ্গীত প্রশিক্ষণ দল গঠন করেন যেখানে তিনি পরিচালক ও প্রশিক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন ।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

 

একাত্তরের আলোকে ভারতে ” কনসার্ট ফর বাংলাদেশ ” আয়োজনের পরিকল্পনা

 অনলাইন ডেস্কঃ

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতে আশ্রয় নেওয়া এককোটি শরনার্থীদের মানবিক সহায়তা করার জন্য বিশ্বখ্যাত সেতার বাদক পন্ডিত রবি শঙ্করের উদ্যোগে কিংবদন্তি ব্যান্ড বিটলসের অন্যতম সদস্য জর্জ হ্যারিসনকে সঙ্গে নিয়ে ১৯৭১ সালের ১ লা আগষ্ট যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে আয়োজন করেন ‘ কনসার্ট ফর বাংলাদেশ।’ ঐ কনসার্টে পন্ডিত রবি শঙ্করের সাথে মঞ্চে ছিলেন ওস্তাদ আলী আকবর খান।

তবলায় সহযোগিতা করেছিলেন বিখ্যাত আল্লারাখা এবং তানপুরায় ছিলেন কমলা চক্রবর্তী। কনসার্টের অন্যতম আকর্ষণ ছিল প্রতিবাদী গানের রাজা, নোবেল বিজয়ী কিংবদন্তি সঙ্গীত শিল্পী বব ডিলান।পারফর্ম করেন জর্জ হ্যারিসন,ব্যাস লিওন রাসেল ও রিঙ্গো স্টার, এরিক ক্লাপটন, বিলি প্রেস্টন, ডন প্রেস্টনসসহ অনেকেই। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ১৯৭১ সালের ০১ আগষ্টের ঐতিহাসিক ‘ কনসার্ট ফর বাংলাদেশ ‘- এর আলোকে আরেকটি ‘ কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে বন্ধু প্রতীম প্রতিবেশী দেশ ভারত।

সেই কনসার্টটির আলোকে ভারতের ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশন্সের( আইসিসিআর) আয়োজনে ‘ কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ এর নেতৃত্ব দিবেন পন্ডিত রবি শঙ্করের মেয়ে আনুশকা শঙ্কর ও জর্জ হ্যারিসনের ছেলে ড্যানি হ্যারিসন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জি নিউজ জানিয়েছে, এ বছরের শেষের দিকে কনসার্টটি আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।