দেশে শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড়ের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস

 

দেশে শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড় আঘাত হানার আভাস দিয়ে আবহাওয়া অফিস।ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটারের বেশি বেগে রোববার চলতি বছরে প্রথমবারের মতো দেশে এ কালবৈশাখী ঝড় আঘাত হানতে পারে।

শনিবার পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য দিয়ে বলা হয়েছে, রাতেই দেশের কয়েকটি স্থানে ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক গণমাধ্যমকে বলেন, চলতি বছরে কমবেশি অনেক কালবৈশাখী ঝড় বয়ে গেছে। তবে আগামীকালের (রোববার) কালবৈশাখী ঝড়ের তীব্রতা অনেক বেশি থাকবে।দুপুর থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এই কালবৈশাখী ঝড় আঘাত হানতে পারে।

কালবৈশাখী ঝড়ের তিনটি ধরনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার গতি হলে দমকা হাওয়া, ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার গতি হলে ঝড়ো হাওয়া এবং ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটারের বেশি হলে কালবৈশাখী ঝড় বলা হয়।

অনলাইন ডেস্ক।।

আরও পড়ুন…

 

অভয়নগরে নওয়াপাড়া পৌর ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ  অসহায় দরিদ্র কৃষক জাহাঙ্গীর বিশ্বাসের ধান কেটে দিলো  

 

অভয়নগর উপজেলার দরিদ্র কৃৃষকের ধান কেটে দিলো নওয়াপাড়া পৌর ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ। শনিবার 

সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চলিশিয়া ইউয়িনের কৃষক জাহাঙ্গীর বিশ্বাসের ধান ক্ষেতে এই ধান কাটা কর্মসূচীতে অনুষ্ঠিত হয়।

ধানকাটা কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন, নওয়াপাড়া পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি কামরুজ্জামান মিলন, অভয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা ইয়াসিন হোসেন, আজিম বিশ্বাস, সবুজ মোড়ল, সজল মন্ডল, সাগর গাজী, রিয়াজুল ইসলাম, তুহিন বিশ্বাস, খাইরুল হাসান, জাহিদ শেখ, আবু হুরাইরা প্রমুখ। নওয়াপাড়া পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি কামরুজ্জামান মিলন ও অভয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা ইয়াসিন হোসেন ইমন জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশে, যশোর জেলা ছাত্রলীগের কর্মসূচীর অংশ হিসেবে এবং অভয়নগর  উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার অলিয়ার রহমানের নির্দেশনায় অভয়নগর উপজেলা ও নওয়াপাড়া পৌর ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ কৃষকদের পাশে থেকে ধান কাটা কাজ অব্যাহত রাখবে। 

মোঃ শফিকুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধিঃ 

আরও পড়ুন…

সেখ হসিনার নির্দেশে খুলনার রূপসা উপজেলা যুবলীগের নেতৃত্বে বিভিন্ন ইউনিয়নে ধান কর্তন

বিশুদ্ধ পানির জন্য RO Filter ব্যবহার করুন…

সেখ হসিনার নির্দেশে খুলনার রূপসা উপজেলা যুবলীগের নেতৃত্বে বিভিন্ন ইউনিয়নে ধান কর্তন

রূপসা উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নের সামন্তসেনা গ্রামের কৃষকদের ধান কেটে দিলেন নৈহাটি ইউনিয়ন যুবলীগ নেতৃবৃন্দ। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক, আব্দুস সালাম মূর্শেদী এমপির ব্যবস্থাপনায় কেন্দ্রিয় যুবলীগের কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি গ্রহন করা হয়। আজ ৩০ এপ্রিল দুপুরে প্রচন্ড তাপদাহ উপেক্ষা করে রোজা থাকা অবস্থায় অর্ধশতাধিক যুবলীগ নেতাকর্মী এ কাজে অংশ গ্রহন করে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবিএম কামরুজ্জামান, জেলা যুবলীগ নেতা নাসির হোসেন সজল, আশিষ কুমার রায়, উপজেলা যুবলীগ নেতা এমপি কো অর্ডিনেটর নোমান ওসমান রিচি, নৈহাটি ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক বাদশা মিয়া, যুবলীগ নেতা শাহনেওয়াজ কবীর টিংকু, শেখ আ: মজিদ, মারুফ খান, ইলিয়াজ হোসেন, সাইফুল ইসলাম শাওন, মহিউদ্দিন মানিক, মাসুম শেখ, তরিকুল ইসলাম বাদল, শাহজাদা, ওমর ফারুক, নাহিদ শেখ, আলতাফ শেখ, ইমান শেখ, ওলিয়ার শেখ, ফরহাদ শেখ, তুষার দাস, জাহিদুর রহমান, রহিম মিনা, আব্দুল্লাহ, নাজমুল শেখ, বিল্লাল শেখ, রুবেল। নেতৃবৃন্দ এসময় ইকবাল ফৌজদারের ২ বিঘা জমির ধান কেটে ঘরে তুলে দেন।
 
 

 

 

ঘাটভোগ ইউনিয়ন

রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নের নতুনদিয়া গ্রামের কৃষক অনিল বিশ্বাসের ১০ বিঘা জমির ধান কেটে দিলেন রূপসা উপজেলা যুবলীগ। গত ২৯ এপ্রিল সকালে নরনিয়া বিলের নতুনদিয়া দাড়ির মাথা নামক স্থানে প্রায় ৫ কিলোমিটার পায়ে হেটে যুবলীগ নেতা মোঃ নোমান ওসমানী রিচির নেতৃত্বে অর্ধশত যুবলীগ নেতৃবৃন্দ এ ধান কর্তন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করেন। প্রচন্ড তাপদাহ উপেক্ষা করে রোজা থাকা অবস্থায় প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক এবং কেন্দ্রীয় যু্বলীগের কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ ধান কর্তনে অংশগ্রহন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান মোল্লা অহিদুজ্জামান মিজান, জেলা যুবলীগের প্রভাবশালী নেতা নাসির হোসেন সজল, উপজেলা যুবলীগ নেতা আশিষ কুমার রায়, সুব্রত বাগচি, সরদার আবুল কালাম আজাদ, শারাফাত হোসেন উজ্জ্বল, ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক আঃ মজিদ শেখ, বাদশা মিয়া, কৃষকলীগ নেতা রহমত আলী শেখ, যুবলীগ নেতা মহিউদ্দিন মানিক, তুষার দাস, হাবিবুর রহমান, আবুল হাসান, এহতেশামুল হক অপু, ইমান আলী মোল্লা, জনি ফকির, সাইফুল ইসলাম শাওন, বাপ্পারাজ, হিমেল, জাহিদুর রহমান, আঃ রহিম মিনা, মুরাদ শেখ প্রমূখ।

 

   

// আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো //

আরও পড়ুন…

 

বাঁশখালীতে প্রিয় বার্তাদেশ’র এ্যাওয়ার্ড পেলেন সাংবাদিক কল্যাণ সহ ৫জন

 

জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রিয় বার্তাদেশ’র ইফতার সন্ধ্যা ও এ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠান’২১ সম্পন্ন হয়েছে। ২৮ মার্চ (বুধবার) চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল বাজারস্থ হানিফ ফুড কর্ণারে প্রিয় বার্তাদেশ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক শোয়াইব হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও টৈটং ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শহীদুল্লাহ বি.এ। উদ্বোধক ছিলেন, বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কম্প্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা: আসিফুল হক।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, এডভোকেট আনিসুল ইসলাম তালুকদার, সরকারি আলাওল কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারি অধ্যাপক মো: আজিজুর রহমান, দৈনিক আজাদীর বাঁশখালী প্রতিনিধি কল্যাণ বড়ুয়া মুক্তা। অনুষ্ঠানে শহিদুল্লাহ বি.এ কে সমাজে উন্নয়ন ও শান্তিশৃঙ্খলায় রক্ষায় অবদানের জন্য, ডা: আসিফুল হককে মহামারী করোনার সময় বিনামূল্য চিকিৎসা সেবা প্রদান ও চিকিৎসা সেবায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য, এডভোকেট আনিসুল ইসলাম তালুকদারকে আইনী পেশায় অবদানের জন্য, অধ্যাপক আজিজুর রহমানকে শিক্ষাখাত অবদান রাখার জন্য ও কল্যাণ বড়ুয়া মুক্তাকে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের জন্য প্রিয় বার্তাদেশ পত্রিকার পক্ষ থেকে সম্মানসুচক এ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

এছাড়াও প্রিয় বার্তাদেশ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক শোয়াইব হাসানকে আইটি বাজার ক্রিয়েশনসের মাধ্যমে ওয়েব ডেপলোম্যান্ডে অবদান রাখার জন্য, প্রিয় বার্তাদেশ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমানকে দক্ষ পরিচালনা ও মনিটরিং করার জন্য ও সহযোগি সম্পাদক শামিম উল্লাহ আদিলকে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ সংগ্রহ ও সংবাদ প্রচারের জন্য সম্মাননাসুচক প্রিয় বার্তাদেশ এ্যাওয়ার্ড’২১ প্রদান করা হয়।

আলোচনা সভা এ্যাওয়ার্ড’২১ প্রদান শেষে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয় এতে প্রিয় বার্তাদেশ পত্রিকার বিভিন্ন প্রতিনিধি, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া, প্রিন্ট মিডিয়া ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মোঃ আবদুল জববার, বাঁশখালী, চট্রগ্রাম।।

পড়ুন…..

 

খুলনার রূপসায় সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় কম্বাইট হারভেস্টার রিফার মেশিন প্রদান

 

রূপসা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক আয়োজিত সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি যান্ত্রিকী করণ শির্ষক প্রকল্পের আওতায় ৫০% ভর্তুকি মূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি (কম্বাইট হারভেস্টার রিফার মেশিন) বিতরণ অনুষ্ঠান গত ২৮ এপ্রিল দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত হয়। রিফার মেশিন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দিন বাদশা।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) খান মাসুম বিল্লাহর সভাপতিত্বে ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ ফরিদুজ্জামানের পরিচালনায় বিষেশ অতিথি ছিলেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বাপী কুমার দাস, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আরিফ হোসেন, কৃষি সম্প্রসারন অফিসার শিউলি মজুমদার, এস এম ফেরদৌস, সহকারি মাধ্যমিক শিা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোরশেদুল আলম বাবু, এমপির প্রধান সমন্বয়কারী মোঃ নোমান ওসমানী রিচি, সাবেক চেয়ারম্যান মোল্লা অহিদুজ্জামান মিজান, এসিআই মটরস্ এর মার্কেটিং ম্যানেজার অপূর্ব কুমার সাহা, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মমতাজ উদ্দিন, আঃ রহমান, রাম প্রসাদ বালা, হিমাংশু, হিমাদ্রি বিশ্বাস, জিহাদুল ইসলাম, মোঃ সোহেল রানা, যুবলীগ নেতা আঃ মজিদ শেখ, বাদশা মিয়া প্রমূখ। উপজেলার আইচগাতি ইউনিয়নের দেয়াড়া গ্রামের কৃষক মোঃ আজমির হোসেনকে এসিআই মটরস্ খুলনা জেলা হতে ইয়ানমার কম্বাইট হারভস্টার AG600A মডেলের (ধান কাটা) মেশিনটি সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় প্রদান করা হয়।

 //আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

আরও পড়ুন…

 

কে এই মান্না…! বিতর্কিত ছাত্রলীগ নেতা মান্না কার লোক

 

পূর্বসূত্র: বিসিক এলাকার বিএনপি নেতা আলতাফ বাচ্চুর কর্মী। পরে সাবেক মেয়র প্রয়াত শওকত হোসেন হিরণ অনুসারী মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অসিম দেওয়ান ও বর্তমান মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ এই দুই নেতার বিশ্বস্ত কর্মী রইজ আহমেদ মান্না।

সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হিরণের মৃত্যুর পরে নাটকীয়ভাবে ২০১৬ সালে অসিম দেওয়ান ও তার বাসায় হামলা চালায় মান্না ও তার ক্যাডার বাহিনী। প্রথমিকভাবে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ওই সময় রইজ আহমেদ মান্নাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট প্রদান করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

তবে কালের বিবর্তনে বর্তমান মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিশ্বস্ত কর্মী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন এই রইজ আহমেদ মান্না। বর্তমান মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ’র নাম ব্যবহার করে নগরীতে দাপিয়ে চাঁদাবাজী, দখলবাজীসহ নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন মান্না ও তার ক্যাডার বাহিনী।

সর্বশেষ গত সোমবার নগরীর কাউনিয়া ২ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর আরেক আস্থাভাজন রাজনৈতিক কর্মী কাজী জিয়া উদ্দিন জিয়ার বিশ্বস্ত রাজনৈতিক কর্মী শেখ শুভকে প্রকাশ্যে নৃশংসভাবে কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে রাস্তার উপর ফেলে যায় মান্না ও তার সাঙ্গ-পাঙ্গরা। শুভকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি না করলে হয়তো মৃত্যুই তার অনিবার্য ছিল।

এতসব অপকর্মের কারণে প্রকাশ্যে আসা মান্নাকে নিয়ে বরিশালবাসীর প্রশ্ন, ‘এই মান্না মূলত কার? বিএনপি’র এজেন্ট! নাকি অন্য কারো এজন্টে হিসেবে কাজ করছেন তিনি।’তার কোন পদ-পদবী নেই। এছাড়াও তিনি এক সময়ে ছাত্রলীগ এর সাধারণ সম্পাদক অসিম দেওয়ানের ডান হাত হিসাবে পরিচিতি লাভ করে আওয়ামালীগের রাজনীতির খাতায় নাম লেখান।

সাবেক মেয়র প্রয়াত শওকত হোসেন হিরণ’র মৃত্যুর পরই ছাত্রলীগ এর সাধারণ সম্পাদক অসিম দেওয়ানের আস্থাভাজন এই মান্না হঠাৎ অসিমের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে বর্তমান মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন। বরিশাল বাসীর প্রশ্ন, অসিম দেওয়ানের সাথে করা বিশ্বাসঘাতকতার মতই কবে যেন মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ’র বুকে ছুড়ি ধরেন এই পদহীন ছাত্রলীগ নেতা।

ক্ষমতাসীন দলের একাধিক নেতা জানান, মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ’র নাম ব্যবহার করে নগরীর বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজী করে আসছেন মান্না বাহিনী। এমনকি ফুটপাত ব্যবসায়ীরাও বাদ যায়নি মান্নার হাত থেকে। যেখানে নগরপিতা সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল নগরীকে চাঁদাবাজমুক্ত করে গড়ে তুলতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, সেখানে তাঁর নাম ব্যবহার করে এভাবেই বেপরোয়া কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছো মান্না। মান্নার এই অপকর্মের ফলে যেমন দলীয় ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে, একইভাবে মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ’র স্বপ্ন চাঁদাবাজমুক্ত বরিশাল নগরী গড়ে তোলার কাজ ব্যহত হচ্ছে দারুণভাবে। ভুক্তভোগিদের আশঙ্কা, বেপরোয়া এই মান্নার লাগাম এখনই টেনে ধরা না গেলে এর দায়ভার দায়িত্বপ্রাপ্ত দলীয় নেতাদের ওপর পড়বে ।

দায়িত্বশীল নেতাদের উচিত দ্রুত মান্নার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া। এদিকে ছাত্রলীগ নেতা শেখ শুভর ওপর হামলার ঘটনায় এখনও থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে কাউনিয়ায়। তবে হামলার ঘটনার দুই দিন অতিবাহিত হলেও এখনও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। শেখ শুভর রাজনৈতিক অভিভাবক ও ২ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী জিয়া উদ্দিন জিয়া ও রইজ আহমেদ মান্নার সাথে একটি গোপন বৈঠক হয়েছে।

এ বৈঠকে আলোচিত বিষয়টির সমঝোতা করতে ১৫ লাখ টাকার প্রস্তাব দেয় জিয়া। এসময়ে জিয়া শুভ কর্তৃক মামলা না করার শর্তে মান্নার নিকট ১৫ লাখ টাকা দাবী করেন। এ বিষয় শুভর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ জিয়া তার রাজনৈতিক অভিভাবক। তিনি যা করবেন, তাই মেনে নেব।’ গোপন মিটিং ও লেনদেনের বিষয় এই ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী জিয়া উদ্দিন জিয়া কাছে জানতে চাইলে তিনি ব্যস্ততার কথা বলে লাইন কেটে দেন।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মান্নার ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। এদিকে এমন আলোচিত একটি ঘটনার পরেও প্রশাসনের নীরব ভূমিকা দেখে হতভম্ব নগরবাসী। কাউনিয়া থানার ইনচার্জ সাংবাদিকদেন বলেন, ‘কেউ অভিযোগ করেনি। তাই অভিযোগ ছাড়া কোন ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না।’

প্রশাসনের উচ্চপদস্থ একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাংবাদিদের জানান, ‘অপরাধী যত বড়ই হোক না কেন, কেউই আইনের ঊর্ধে নয়।’ তারা জানান, মান্নার বিষয়টি প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্তৃপক্ষ অবগত আছেন। এ বিষয় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে

:: নিজস্ব প্রতিবেদক ::

আরও পড়ুন…

 

ভূতলস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়ায় পানি সংকটে  মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ার মানুষ

 

 মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ভূতলস্থ (মাটির তলদেশ) পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার কারনে নলকূপ থেকে উঠছে না পর্যাপ্ত পানি।সমস্যাটি গত মাস থেকে গজারিয়ার বিভিন্ন এলাকায় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।সরেজমিনে দেখা যায় অনাবৃষ্টি (খরা) জনিত কারনে উদ্ভোব সমস্যাটি বিগত দিন সহ এই রমজানে জনদুর্ভোগ নাভীঃশ্বাসে উঠিছে।

চরম ভোগান্তিতে রয়েছে উপজেলার ভবেরচর, বাউশিয়া, বালুয়াকান্দি সহ অন্যান্য পয়েন্টের প্রায় বিশ হাজার সাধারন পরিবার। পানি সংকটে থাকা উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে অনুসদ্ধান চালিয়ে জানা যায় ৭০০ থেকে ৯০০ ফুট গভীরস্থ যেসব নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে সেইসব নলকূপ থেকে পানি উঠছে না।

এদিকে দেখা যাচ্ছে স্থানীয় জলাশয় গুলোতেও রয়েছে পর্যাপ্ত পানির অভাব। গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের ভিটিকান্দি এলাকার বাসিন্দা দৈনিক মুন্সীগঞ্জের খবর পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক ও দৈনিক সমকাল পত্রিকার গজারিয়া প্রতিনিধি মহিউদ্দিন আহাম্মদ (ভুক্তভোগী) বলেন উপজেলায় এমন সংকট আজ প্রায় এক মাস হলো।

বৈশাখে এমন তীব্র খরা আর অনাবৃষ্টি গত প্রায় ২০ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে।আমার বাড়ীর নলকূপটি ৯০০ ফুট গভীর অথচ নলকূপে পানি উঠছে নাহ্। ভবেরচর এলাকার আরেক বাসিন্দা মশিউর প্রধান জানায় দীর্ঘ দিনের অনাবৃষ্টিতে (প্রাকৃতিক) এবং জমিতে পানি দেয়ার স্কীম গুলির অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতি (কৃত্রিম) ব্যবহারের ফলে এই অঞ্চলে এই সংকট তৈরি হয়েছে।এলাকার জনসাধারনের মধ্যে দেখা দিয়েছে নিরাপদ ও ব্যবহার উপযোগি পানির চরম দুর্ভোগ অভাব।

এই বিষয়ে উপজেলার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের মতামত নিতে সরেজমিনে উপস্থিত হয়েও পিয়ন ব্যাতিত অফিস কক্ষে আর কোন দায়িত্বরত কর্তা ব্যাক্তিকে পাওয়া যায়নি।মুঠোফোনে সংযোগ নিতে চেষ্টা করেও তাদের সাঁড়া পাওয়া যায়নি।

 সৈয়দ মোঃ শাকিল। গজারিয়া মুন্সীগঞ্জ।

 

আরও পড়ুন…

 

খুলনার দিঘলিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী সাড়ে পাঁচশত পরিবারের মাঝে বিতরণ

 

খুলনা জেলার দিঘলিয়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে করোনায় সাড়ে পাঁচশত কর্মহীন পরিবারের মাঝে বুধবার দুপুরে দিঘলিয়া উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী।

খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন এসব প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে দিঘলিয়া উপজেলার করোনায় কর্মহীন, দুস্থ, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে সাড়ে পাঁচশত কর্মহীনের মাঝে চাল ১০ কেজি, এক কেজি ডাল, তেল ৫০০ গ্রাম, আলু দুই কেজি, পেঁয়াজ এক কেজি, চিনি ৫০০ গ্রাম, দুধ ৫০০ গ্রাম ও সেমাই এক প্যাকেট বিতরণ করা হয়। জেলা প্রশাসক উপজেলায় বঙ্গবন্ধু কর্ণারের উদ্বোধন এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলার উদ্বোধন করেন। পরে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন ঘরে ঘরে গিয়েও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

এছাড়া তিনি দিঘলিয়া উপজেলার আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় মানুষের মাঝে ১০ কেজি চাল, এক কেজি ডাল, তেল ৫০০ গ্রাম, দুই কেজি আলু, এক কেজি পেঁয়াজ, ৫০০ গ্রাম চিনি, ৫০০ গ্রাম দুধ ও সেমাই এক প্যাকেট বিতরণ করেন। খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের উপপরিচালক মোঃ ইকবাল হোসেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ মারুফুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোল্যা মোঃ আকরাম হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুল আলমসহ উপজেলার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

// আ: রাজ্জাক শেখ , খুলনা ব্যুরো//

আরও পড়ুন…

 

বিশুদ্ধ পানির জন্য RO Filter ব্যবহার করুন…

 

রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদকের পিতার সুস্থতা কামনায় বিবৃতি

 

রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক চন্দন ভট্টাচার্য্য এর বাবা শারীরিক ভাবে অসুস্থ। তার সুস্থতা কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু,সিনিয়র সহ সভাপতি জি এম আসাদুজ্জামান, সহ সভাপতি এম মুরশিদ আলী, সাধারণ সম্পাদক আঃ রাজ্জাক শেখ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃমোস্তাফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আ:মজিদ শেখ, ওয়াহিদুজ্জামান অহিদ, কোষাধ্যক্ষ ফ.ম. আইয়ুব আলী, প্রচার সম্পাদক মোশারেফ হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক নাজিম সরদার, সদস্য নূর ইসলাম, আনিচুর রহমান,এইচ এম রোকন, শাহরিয়ার হোসেন মানিক, নাসির উদ্দীন, মিলন সাহা, কুরবান শেখ,ফ ম বুরহান প্রমূখ।

রূপসা প্রতিনিধিঃ

আরও পড়ুন…

 খুলনা-৪আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী 

বিশুদ্ধ পানির জন্য RO Filter ব্যবহার করুন…

 

টাঙ্গাইলের মধুপুরে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ, অস্বস্তিতে ভোক্তা, বাজার মনিটরিংয়ের দাবী

 

মৌসুমী রসালো ফল তরমুজ বর্তমানে টাঙ্গাইলের মধুপুরে কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্যাবসায়ীগন তাদের ইচ্ছেমতো দাম হাকিয়ে তরমুজ বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতা ও জনসাধারণ। নিম্ন আয়ের মানুষের এ বছরের তরমুজের স্বাদ নিতে খুবই হিমশিম খাচ্ছেন বলে জানা যায়।

রমজান মাস এলেই প্রতিটা রোজাদারের পরিবারে ইফতার থাকে তরমুজ সহ হরেক রকমের মৌসুমী ফলের সমাহার। কিন্ত সেই তরমুজের দাম এবার আকাশ ছোয়া। তবে দাম বৃদ্ধির কারনে অনেক রোজাদার সহ নিম্ন আয়ের মানুষ আজও তরমুজের স্বাদ নিতে পারেননি।

গত বছর মধুপুরের সর্বত্রই তরমুজের ছড়াছড়ি এবং পিচ হিসেবে বিক্রি হতে দেখা গেছে। কিন্তু এবার চিত্রটা ভিন্ন! চলতি মৌসুমে বাজারে পর্যাপ্ত তরমুজের দেখা গেলেও এ বছর তরমুজ কেজিতে বিক্রি হচ্ছে এবং তাও কেজিপ্রতি আবার ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। মধুপুর বাস্টান্ড সহ বিভিন্ন বাজার, হাট ঘুরে দেখা গেছে, কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করতে। অনেক ক্রেতা এসে বিক্রেতার সাথে দাম নিয়ে রীতিমতো বিবাদে জড়িয়ে পড়ছেন।

আবার অনেক ক্রেতা যেহেতু কেজিতে বিক্রি হচ্ছে তাই কেটে ১ কেজি তরমুজ চাচ্ছেন দোকানির কাছে। এ নিয়েও চলছে বাক বিতন্ডতা। অটোচালক শফিক, হায়দার, মিন্টু সহ আরও অনেকেই বলেন, লকডাউন চলছে। ভয় নিয়ে সড়কে আসি, দিন শেষে যা আয় হচ্ছে কোনো রকমে পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে আছি।

এই রোজগারে এ বছর তরমুজ খাওয়া সম্ভব হবে না। বাজারে আসা রোজাদারসহ নানা শ্রেনী পেশার মানুষের প্রশ্ন তরমুজ কেজিতে বিক্রি হওয়ার কারন কি? যে তরমুজ গত বছরও মানুষ পিচ হিসেবে কিনেছে, সেই তরমুজ এ বছর কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

তবে কেজিতে যদি ১৫/২০ টাকা হতো তাহলে সাধ্যের মধ্যে থাকতো ; অথচ ৫০/৬০ টাকা কেজি দরে তরমুজ বিক্রি হতে দেখা গেছে। ভোক্তাদের প্রশ্ন এই টাকা কি প্রকৃতপক্ষে ওই চাষি, যে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তরমুজ উৎপাদন করেছে তার পকেটে যাচ্ছে নাকি অন্য কারও পকেটে?

কৃষকের তরমুজের ক্ষেত থেকে শুরু করে বাজারে বিক্রেতা পর্যন্ত যারা ভোক্তার পকেট খালি করে চলেছে তাদের খুজে বের করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা। বাজারের কয়েকজন খুচরা ব্যবসায়ী জানান, বড় ব্যবসায়ীরা তরমুজ পাইকারী বাজার হতে শ’ হিসেবে কিনে তা কেজিতে বিক্রি করছেন।

আমরাও কেজিতে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি। বাজার মনিটরিং করলে কেজি কাহিনী উন্মোচন হবে বলে তারা মনে করছেন।

 //আঃ হামিদ ,মধুপুর, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি//

আরও পড়ুন…