হয়তো কমবে তাপপ্রবাহ, ৫ বিভাগে কালবৈশাখীর আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর

 

কয়েক দিন ধরেই দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ। তবে এই তাপপ্রবাহ কমার আভাস পাওয়া গেছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের দুই অঞ্চল ও ৫ বিভাগে কালবৈশাখীর ঝড়বৃষ্টি বয়ে যেতে পারে বলে আভাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা ছয়টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

আবহাওয়া অফিস বলছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশের দিনের তাপমাত্রা কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, কুমিল্লা ও কুষ্টিয়া অঞ্চলসহ রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, সিলেট ও ঢাকা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

আজ দেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে শ্রীমঙ্গলে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

// অনলাইন ডেস্ক //

আরও পড়ুন…

”হিট স্ট্রোকে মৃত্যু”

অভয়নগর উপজেলায় ৫০ হাজার পরিবার পাবে ২ কোটি ২৭ লাখ ২০ হাজার টাকা 

পবিত্র রমজান ও আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে যশোরের অভয়নগরে ৫০ হাজার পরিবার পাবে উপ-বরাদ্দের ২ কোটি ২৭ লাখ ২০ হাজার টাকা। বৃহস্পতিবারের (২৯ এপিল) মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌর এলাকার উপকারভোগী ব্যক্তি পরিবারের তালিকা জমাদানে অনুরোধ করা হয়েছে।

জানা গেছে, ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে দরিদ্র ও দুঃস্থ পরিবারের সাহায্যর্থে মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় আর্থিক সহায়তা এবং আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত/দুস্থ/অতি দরিদ্র পরিবারকে সহায়তা প্রদান করবে সরকার।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. রিজিবুল ইসলাম জানান, আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ৪৫ হাজার ৬০০ উপকারভোগীর মাঝে কার্ড প্রতি ৪৫০ টাকা হারে ২ কোটি ৫ লাখ ২০ টাকা প্রদান করা হবে।

যার মধ্যে প্রেমবাগ ইউনিয়নে ৪ হাজার ৯৯৫টি, সুন্দলী ইউনিয়নে ৩ হাজার ২০০টি, চলিশিয়া ইউনিয়নে ৪ হাজার ৬১০টি, পায়রা ইউনিয়নে ৪ হাজার ৪৮৩টি, শ্রীধরপুর ইউনিয়নে ৬ হাজার ৯১৭টি, বাঘুটিয়া ইউনিয়নে ৪ হাজার ৬১০টি, শুভরাড়া ইউনিয়নে ৬ হাজার ২০টি, সিদ্ধিপাশা ইউনিয়নে ৬ হাজার ১৪৪টি ও নওয়াপাড়া পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে ৪ হাজার ৬২১ উপকারভোগী ব্যক্তি পরিবার উপ-বরাদ্দের টাকা পাবে।

এছাড়া পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে দরিদ্র ও দুঃস্থ পরিবারের সাহায্যর্থে মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ৫০০ টাকা হারে নগদ অর্থ প্রদান করা হবে। প্রতি ইউনিয়নে ৫০০ করে ৮টি ইউনিয়নে ৪ হাজার এবং নওয়াপাড়া পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ৪০০ উপকারভোগীর মাঝে উপ-বরাদ্দের ২২ লাখ টাকা প্রদান করা হবে।

উপ-বরাদ্দের তালিকায় কারা অর্ন্তভুক্ত হতে পারবে এবং পারবে না এমন প্রশ্নে পিআইও জানান, মালিকানায় বা ভিটেবাড়ি ছাড়া কোনো জমি নেই, দিনমজুর আয়ে নির্ভরশীল, মহিলা শ্রমিকের আয় বা ভিক্ষাবৃত্তির ওপর নির্ভরশীল, উপার্জনক্ষম পূর্ণ বয়স্ক পুরুষ সদস্য নেই, স্কুলগামী শিশু উপার্জনের জন্য কাজ করে, উপার্জনশীল কোনো সম্পদ নেই, স্বামী পরিত্যাক্তা-বিচ্ছিন্ন বা তালাকপ্রাপ্তা মহিলা, অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা, বাড়ির প্রধান অস্বচ্ছল বা অক্ষম প্রতিবন্ধী, ক্ষুদ্র ঋণপ্রাপ্ত হয়নি, প্রাকৃতিক দুর্যোগে খাদ্য/অর্থ সংকটে থাকা, দু’বেলা খাবার জোটে না ও করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি পরিবার উপ-বরাদ্দের উপকারভোগীর তালিকায় অর্ন্তভুক্ত হতে পারবে। তালিকায় অবশ্যই ৭০ শতাংশ মহিলা হতে হবে। একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তির নাম তালিকায় অর্ন্তভুক্ত করা যাবে না, বয়স্ক/বিধবা/প্রতিবন্ধি/ভিজিডি/খাদ্যবান্ধব/ইজিপিপি তালিকায় অর্ন্তভুক্তকে তালিকায় সংযুক্ত করা যাবে না এবং সরকার প্রদত্ত ২ হাজার ৫০০ টাকা প্রণোদনার তালিকাভুক্তরা অর্ন্তভুক্ত হতে পারবে না।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুর রহমান জানান, পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে মানবিক সহায়তা কর্মসূচি এবং আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগীদের মাঝে নগদ অর্থ প্রদান করা হবে। উপ-বরাদ্দের প্রাপ্ত অর্থ পৃথকভাবে বিতরণ করা হবে। সংশ্লিষ্টদের সাথে জরুরী সভা করা হয়েছে। আগামী ২৯ এপ্রিলের মধ্যে স্ব স্ব ইউনিয়ন ও পৌরসভা কর্তৃক উপকারভোগীর তালিকা জমা দানে অনুরোধ করা হয়েছে।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ্ ফরিদ জাহাঙ্গীর জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নে কোনো প্রকার অনিয়ম-দুর্নীতি ধরা পড়লে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল,বিশেষ প্রতিনিধি, যশোর //

চট্টগ্রামে ঊর্ধ্বমুখী চালের বাজার।। নিম্ন- মধ্যবিত্তের নাভিশ্বাস

 

 মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রার্দুভাবে চট্টগ্রামে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেনীর মানুষ। খেটে খাওয়া এ সকল মানুয়ের এখন শ্যাম রাখি না কুল রাখি অবস্থা। করোনার কারনে নিম্ন আয়ের মানুষের রোজগার বলতে গেলে শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। অথচ জীবন ধারনের প্রয়োজনীয় জিনিষ পত্রের মূল্য লাগামহীন ভাবে বেড়ে চলেছে। চাল তার অন্যতম।

 

চাল এমন একটি নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিষ, যা ছাড়া মানুষ একদিনও কল্পনা করতে পারে না। সে চালের বাজারে চলছে অস্তিরতা। চালের বাজারের লাগাম টেনে ধরতে সরকার আমদানী শুল্ক কমিয়ে দিলেও তার প্রভাব চট্টগ্রামের চালের বাজারে নেই।

১৪ এপ্রিল সারা দেশে লকডাউন শুরুর পর থেকে চালের বাজারে অস্তিরতার নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। গত ১৪ দিনে চট্টগ্রামের পাইকারী বাজারে চালের দাম বেড়েছে বস্তা প্রতি আড়াই থেকে তিন শত টাকা। আর খুচরা বাজারে বেড়েছে বস্তাপ্রতি চার থেকে পাঁচ শত টাকা।

 

লকডাউনের আগে থেকে চট্টগ্রামে চালের দাম বাড়তে শুরু করে। সে সময়ে হঠাৎ করে চালের দাম বস্তা প্রতি চার থেকে পাঁচ শত টাকা করে বেড়ে যায়। সে বিষয়ে পাইকারী বিক্রেতারা মিল মালিকদের দোষ দিয়ে বলে মিল মালিকদের মওজুদের কারনে বাজারে চালে ঘাটতি দেখা দেয়ায় চালের দাম বাড়তি। অন্যদিকে মিল মালিকদের ভাষা ভিন্ন। তারা বলেন, বৈশ্বিক বাজারের মূল্য রৃদ্ধি ও আমদানীর অসামজস্যতা কারনে চালের দাম বেড়ে চলেছে।

 

চট্টগ্রামের চালের পাইকারী বাজার খাতুনগঞ্জ ঘুরে দেখা যায়, গত ১৪ দিনের ব্যবধানে জিরা সিদ্ধ চালের দাম ৫০ কেজির বস্তা ৩০০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচেছ ৩ হাজার ৩০০ টাকায়। পারি সিদ্ধ ২০০ টাকা বেড়ে ২ হাজার ৪০০ টাকায়, স্বর্ণ সিদ্ধ ৩০০ টাকা বেড়ে ২ হাজার ৪০০ টাকায়, মিনিকেট সিদ্ধ ২০০ টাকা বেড়ে ২ হাজার ৬০০ টাকায়, কাটারী সিদ্ধ (২৫ কেজির বস্তা) এক হাজার ৪০০ টাকার পরিবর্তে ১ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি হচেছ।      

 

অন্য দিকে বেতি আতপ ২ হাজার ৪০০ টাকার পরিবর্তে (৫০ কেজির) বস্তা ২ হাজার ৭ শত টাকায়, মিনিকেট ২ হাজার আট শত টাকার পরিবর্তে ৩ হাজার এক শত টাকায়, ইরি আতপ ১ হাজার ৮ শত টাকার পরিবর্তে ২ হাজার ১ শত টাকায় বিক্রি হচেছ।

 

অন্যদিকে ভারত থেকে আমদানীকৃত বেতির কস্টিং মূল্য কম হলেও বর্তমানে একই মানের চাল বিক্রি হচেছ ২ হাজার ৪ শত টাকা থেকে ২ হাজার ৭ শত টাকায়। নাজির সিদ্ধ (২৫ কেজির) বস্তা বিক্রি হচেছ ১ হাজার ২ শত টাকার পরিবর্তে ১ হাজার ৪ শত টাকায়। পাইকারী বাজারে চালের এই অবস্থা হলেও খুচরা বাজারের অবস্থা বর্ণনাতীত। খুচরা বাজারে প্রতি বস্তা চাল পাইকারী বাজারের ৪ থেকে ৫ শত টাকা বেশি দামে বিক্রি করা হচেছ।

 

এ ব্যাপারে নগরীর কালা মিয়া বাজারের বাসিন্দা আবদুল মোতালেব জানান, তিন মাস আগে বাসমতি চাল কিনেছি (৫০ কেটি বস্তা) ২ হাজার ২ শত টাকায়, একই চাল এখন কিনতে হচেছ ৩ হাজার ২ শত টাকায়। যা ছয় মাসের ব্যবধানে ১ হাজার টাকা বেশি।

 

এ দিকে খাদ্য বিভাগের তথ্য মতে গত বছরের ৭ নভেম্বর থেকে দেশে আমন সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়। চলতি বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত-  ৭০ হাজার ১৩৬ টন আমন সিদ্ধ চাল, ৪ হাজার ৮ শত ৬৩ টন আতপ চাল এবং ১২ হাজার ৩ শত ৪২ টন আমন ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে সরকারী পর্যায়ে চাল সংগ্রহ করা হয়েছে ৮২ হাজার ২ শত ২ টন। সরকারী পর্যায়ে গত কয়েক মৌসুম ধরে লক্ষমাত্রা অনুযায়ী চল সংগ্রহ করতে পারে নি।

২০২০ সালে বোরো মৌসুমে ১৮ লাখ টন চাল সংগ্রহের লক্ষ মাত্রা থাকলেও সরকার ১০ লাখ টনের বেশি চাল সংগ্রহ করতে পারে নি।  এর মধ্যে সরকারী চালের মজুদ ৫ লাখ টনের নিচে নেমে আসলে বেসরকারী ভাবে চাল আমদানীর সুযোগ দেয়া হয়। এ দিকে চালের এই লাগামহীন মূল্য বৃদ্ধিতে নিম্ন- মধ্যবিত্ত লোকজন সীমাহীন ভোগান্তিতে পড়েছে। সরকার চালের মূল্য বৃদ্ধির লাগাম টেনে ধরতে না পারলে জনগনের জীবন যাত্রার মান কোথায় গিয়ে দাড়াবে তা ভেবে দেখা দরকার।  

// আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো //

 

আরও পড়ুন…

বিশুদ্ধ পানির জন্য RO Filter ব্যবহার করুন…

 

সকল সরকারি ও বেসরকারি ডেন্টাল কলেজ/ডেন্টাল ইউনিট এর ভর্তি পরীক্ষা পরিবর্তন হয়েছে

১ম বর্ষ বিডিএস (২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষ) কোর্সে সকল সরকারি ও বেসরকারি ডেন্টাল কলেজ/ডেন্টাল ইউনিট এর ভর্তি পরীক্ষা কোভিড-১৯ এর বর্তমান বাস্তবতায় ৩০/০৪/২০২১ খ্রিঃ তারিখের পরিবর্তে আগামী ১১/০৬/২০২১ খ্রিঃ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে।

//ডেস্ক নিউজ//

 

বিশুদ্ধ পানির জন্য যোগাযোগ করুন..

আরও পড়ুন…

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নিত হয়েছে: – সালাম মূশের্দী

 

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এখন উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নিত হয়েছে। সেখানে এই মহামারীতে গরীব মানুষ যাতে না খেয়ে থাকে সেজন্য আমার নির্বাচনী এলাকায় করোনাকালীন সময় এই ত্রান বিতরণ অব্যাহত থাকবে।

সাংসদ ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে রবিবার দিঘলিয়া উপজেলায় খাদ্য সামগ্রী বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন। এমপির নিজস্ব অর্থায়নে ও সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘে’র মাধ্যমে দিঘলিয়া সদর ইউনিয়নের তিন শতাধিক গরীব, অসহায় ও দু:স্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়।

দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সভাপতি খান নজরুল ইসলাম এর সভাপতিত্ব, অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন দিঘলিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ও উপজেলা যুবলীগের সদস্য হাবিবুর রহমান তারেক।

 

এসময় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুল আলম, উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য মোল্যা আকরাম হোসেন, জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য ও এমপি প্রতিনিধি অধ্যক্ষ ফ ম আব্দুস সালাম, এমপি মহোদয়ের প্রধান সমন্বয়ক নোমান ওসমানী রিচি, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-প্রচার সম্পাদক মোঃ মকবুল হোসেন, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর সভাপতি শেখ আনছার আলী, সাধারন সম্পাদক মুঞ্জুর হোসেন, সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের টিম লিডার সামসুল আলম বাবু, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর সহ-সভাপতি শেখ আব্দুল হান্নান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য কে এম আসাদুজ্জামান, উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক(ভারপ্রাপ্ত) শেখ আনিসুর রহমান, উপজেলা যুবলীগের সহ-সম্পাদক মোড়ল হাসান মাহমুদ রাকিব, উপজেলা যুবলীগের সহ-সম্পাদক গাজী জিয়াউর রহমান, উপজেলা দিঘলিয়া সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক সৈয়দ জামিল মোর্শেদ মাসুম,যুগ্ম-আহবায়ক শেখ মোঃ আলামীন সহ ইউনিয়নে সকল ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি, সাধারন সম্পাদক বৃন্দ ও ইউনিয়নস্থ সকল সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

করোনাকালীন সময়ে গরীব-অসহায় মানুষ যাতে খাদ্যে কষ্টে না ভোগে, সে জন্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী এমপি তার নির্বাচনী এলাকা রূপসা ও তেরখাদায় ইতিমধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করছেন। তারই ধারাবহিকতায় দিঘলিয়ায় আজ এই আয়োজন করা হয়।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

সেচ্ছাসেবী সংগঠন“ বৃহন্নলা”- তৃতীয় লিঙ্গরা মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে

 

গত ০৮ মার্চ-২০২০ বাংলাদেশে সর্বপ্রথম বাংলাদেশে করোনা রোগী সনাক্ত হয়।প্রথম করোনা রোগী সনাক্তের পর দেশের সকল জনগণের ভিতর যে ভয়ভীতি পরিলক্ষিত হয় সময়ের সাথে সাথে তার অনেক পরিবর্তন হয়েছে।গতবছর দেখেছি নিজের সন্তান করোনা আক্রান্ত মাকে জঙ্গলে ফেলে গিয়েছে, স্ত্রী তার করোনা আক্রান্ত স্বামীকে ফেলে ছেলেমেয়ে নিয়ে বাপের বাড়িতে চলে গিয়েছে ।

আবার যদি কেউ করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছে তাহলে পরিবারের কেউ লাশ পর্যন্ত নিতে আসেনি।এমনি কি দাফন করার জন্য পুলিশ ও কতিপয় কিছু মানবিক গুণ সম্পন্ন করোনা যুদ্ধা ছাড়া কাউকে পাওয়া যায়নি। তখন মনে হয়েছিল হয়তো মনুষ্যত্ববোধ মনে হয় চলেই গিয়েছে।কিন্তু না এবছর মানবিকতার কিছু অন্যন্য নজিরও চোখে পড়েছে যেমন- বরিশালে ছেলে নিজের শরীরে অক্সিজেন সিলিন্ডার বেঁধে মোটরসাইকেলে করোনা আক্রান্ত মাকে নিয়ে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ্য করে নিয়ে বাড়ি ফিরছে এবং দাফন নিয়ে যে ভয়ভীতি ছিল তাও দূর হয়েছে। করোনার সম্মূখ সারীর যুদ্ধা হিসাবে ডাক্তার, নার্স,স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা- কর্মচারী,বাংলাদেশ পুলিশ প্রশাসনের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ,রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন কিছু বেসরকারি সংস্থা এবং সেবামূলক প্রতিষ্ঠান যুক্ত ছিল।

কিন্তু এবছর রোগীর সেবা করতে সাধারণ মানুষেরও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।তেমনি আমরা সমাজের মানুষ যাদের অনেকটাই তুচ্ছ তাচ্ছিল্যের চোখে দেখি,মানুষ হিসাবে স্বীকৃতি দিতেও দ্বিধা করি সেই তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ এবং তাদের গঠিত সংগঠন “ বৃহন্নলা” ও স্বমহিমায় এগিয়ে এসেছে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের সেবা দিতে।

এই সংগঠনের তিন-চার সদস্য কাজ করছে ঢাকা মেডিকেল কলেজের করোনা ইউনিটের সামনে। করোনা রোগী নিয়ে কোন অ্যাম্বুলেন্স থামতেই কমলা রঙের জ্যাকেট পরা ৩/৪ জন মানুষপ্লেকার্ড নিয়ে ছুটে আসে এবং ধরাধরি করে করোনা রোগীকে অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামায়।কেউ হাতে তুলে নেয় রোগীর প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।আবার কেউবা রোগীকে স্ট্রেচারে বসিয়ে নিয়ে যায় হাসপাতালে। এরা সবাই আমাদের কাছের মানুষ,আমাদেরই সমগোত্রীয় কিন্তু জেন্ডার গত সমস্যার জন্য আমাদের কাছে,আমাদের সমাজের কাছে অবহেলিত, নিষ্পেষিত।সামাজিক সুবিধা বঞ্চিত তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ,যাদের আমরা কটাক্ষ করে বলি হিজড়া।

এরা সকলে এদের গঠিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “ বৃহন্নলা”- এর স্বেচ্ছাসেবক। করোনার সম্মূখসারির যুদ্ধা হয়ে কাজ করা মানুষ মুনমুন, রুহী ও চাঁদনী এবং তাদের সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাদিকুল ইসলাম। করোনা আক্রান্ত রোগীকে যেখানে আত্মীয় স্বজনরা বয়কট করছে।আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া মানুষটির নিকটে আসছে না সেখানে “ বৃহন্নলা” – এর তৃতীয় লিঙ্গের মানুষগুলো পরম মমতায়,আদরে ও যত্নে কাছে থেকে সেবাযত্ন করছে, সাহস যোগাচ্ছে এর থেকে আর বড় প্রাপ্তি একজন করোনার রোগীর জন্য কি হতে পারে? আর তাই তো মনে হয়- ” তোমরা কে বল আমায় অভিশাপ দিয়েছো আমি না হয় বৃহন্নলা হয়ে অজ্ঞাত বাসে কাটিয়ে দেব সারাটা জীবন। ” – একথা বলার দিন হয়তো শেষ হয়ে এসেছে ।

সময় এসেছে পারিবারিক,সমাজিক ও রাষ্ট্রীয় দৃষ্টি ভঙ্গি পরিবর্তনের। সময় এসেছে রাষ্ট্রীয়ভাবে এই বৃহন্নলাদের মৌলিক অধিকার সমূহ বাস্তবায়নের। আর সমাজের এই পিছিয়ে পড়া অংশকে যদি মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করা না যায় তাহলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন অনেকাংশে বিঘ্নিত হবে।সুযোগ ও সহযোগীতা পেলে এই তৃতীয় লিঙ্গের মানুষগুলোও আমাদের সমাজের জন্য, দেশের জন্য অনেক কিছু করতে পারে তার অনেকগুলো দৃষ্টান্ত ইতিমধ্যেই তারা স্থাপন করেছেন।

// স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক //

বিশুদ্ধ পানির জন্য যোগাযোগ করুন…

আরও পড়ুন…

খুলনায় করোনায় কর্মহীনদের মাঝে সিটি মেয়রের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

 

খুলনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় করোনায় কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ শনিবার দুপুরে খুলনা জিলা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সিটি মেয়র বলেন, করোনায় নিজের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিজেকেই নিতে হবে। অযথা বাইরে ঘোরাফেরা করা যাবে না

। অন্যের বিপদে পাশে দাঁড়ানো সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতোপূর্বে মহামারী মোকাবেলায় যেসব উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন তার সবই সফল হয়েছে। এবারেও মহামারীতে সরকার সাধারণ মানুষের পাশে আছেন। করোনা প্রতিরোধে মাস্ক ব্যবহার এবং শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার কোন বিকল্প নেই। অনুষ্ঠানে দরজি, ইজিবাইক চালক, দুস্থ নারী, বাস চালক ও অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত নিম্ন আয়ের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার পাঁচশত জন কর্মহীনের মাঝে চাল, ডাল, আলু ও সবজি বিতরণ করা হয়।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হার আকস্মিকভাবে বেড়ে যাওয়ার কারণে সরকার কর্তৃক ঘোষিত সর্বাত্মক লকডাউনের ফলে কর্মহীন হয়ে পড়া নিম্ন আয়ের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রান্তিক মানুষের কথা চিন্তা করে খুলনা জেলা প্রশাসন মানবিক সহায়তা বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করে। লকডাউন চলাকালে খুলনা মহানগর এবং উপজেলাসমূহে এই মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইসমাইল হোসেন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলমগীর কবির, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম জাহিদ হোসেন ও সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুন্সি মোঃ মাহবুব আলম সোহাগ। খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন এতে সভাপতিত্ব করেন।

এসময় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোঃ ইকবাল হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ ইউসুপ আলী, খুলনা বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান, খুলনা মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রণজিৎ কুমার ঘোষ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 //আ:রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

আরও পড়ুন…

শ্রমিক সংকটে কৃষকের ধান কাটছে খুলনার সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের এক ঝাক তরুন

 

যখন ধান পেকে মাঠে সবুজের সমাহার হয়ে উঠছে। তখন ই শ্রমিকের অভাবে দিশেহারা কৃষক। কৃষকের কষ্টের ফসল নষ্টের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের কৃষকের পাশে থেকে ধান বাড়িতে পৌছে দেবার আহবান জানান।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী ও এমপি সহধর্মিনী অসহায় মানুষের অবলম্বন সারমিন সালামের সার্বিক সহযোগিতায় সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের উদ্যোগে ধান কাটছে এক ঝাক তরুন।

শনিবার দুপুরে চলমান কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুলনার তেরখাদা উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের বাসুয়াখালী বিলে গরীব কৃষক অহিদুল ইসলামের জমির পাকা ধান কাটতে মাঠে নেমেছেন সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের এক ঝাঁক তরুন। ধান পাকলেও শ্রমিক না পাওয়ায় কৃষক যখন হতাশার মধ্যে ছিল।

তখন-ই সালাম মূশের্দী সেবা সংঘের একঝাক তরুন কৃষকের ধান কেটে দিলেন। একাধিক কৃষক বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে শ্রমিক সংকট দেখা দেওয়ায় সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের তরুণরা কৃষকের পাশে এসে দাড়িয়েছেন। যা আমরা কখন ও ভাবতে পারে নি। লক ডাউনে যানবাহন বন্ধ থাকায় কোনো শ্রমিক না পাওয়ায় হতাশার মধ্যে ছিলাম। তখন ই একঝাক তরুন ক্ষেতে গিয়ে ধান কেটে দেন। এই বিপদে আমাদের পাশে দাড়ানোর জন্য সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘকে ধন্যবাদ জানায়।

সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী বলেন, করোনার কারনে দেশে লকডাউন চলছে। এ কারনে শ্রমীক আসতে পারছে না বিভিন্ন জেলা থেকে। কৃষকের কথা চিন্তা করে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার দলের সব নেতাকর্মীদের কৃষকের জমির ধান কেটে দেওয়াসহ সহযোগিতা করতে বলেছেন।

কৃষক বান্ধব জননেত্রীর নির্দেশেই আমার নির্বাচনী এলাকা রূপসা-তেরখাদা-দিঘলিয়া উপজেলায় সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের তরুণরা বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে কৃষকের পাশে দাঁড়িয়েছেন। সেই সাথে করোনা লকডাউনের এ মুহূর্তে তিনি তার দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের কৃষকের জমিতে গিয়ে ধান কেটে ঘরে তুলে দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। এমপি আব্দুস সালাম মূর্শেদী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কৃষকের সাথে কথা বলেন।

এ সময় কৃষক অহিদুল ইসলাম এমপির প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞপন করেন। ধান কাটা কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আ’লীগের সদস্য ও অধ্যক্ষ ফ ম আঃ সালাম, এমপির চীপ কো-অডিনেটর ও যুবলীগ নেতা নোমান উসমানী রিচি, সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের টিম লিডার ও যুবলীগ নেতা সামসুল আলম বাবু, আ’লীগ নেতা ইউনুস শেখ, খান ফরাদুজ্জামান সুমন, শেখ হুসাইন আহমেদ, মিলন শিকদার, লিটন, এসএম আনারুল, নজরুল ইসলাম, রিয়াজুল ইসলাম, শিমুল, রিফাত হাসান, জুয়েল রানা প্রমুখ।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

বাঁশখালীতে হতদরিদ্রদের মাঝে আবছার উদ্দিন চৌধুরী জান্টুর ইফতার সামগ্রী বিতরণ

  করোনা মহামারীর কারণে লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়া ও হতদরিদ্র গরীব অসহায় দুস্থ পরিবারের মাঝে মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী এমপির নির্দেশনায় এমপির চাচাতো ভাই বিশিষ্ট সমাজ সেবক আবছার উদ্দিন চৌধুরী জান্টুর পক্ষ থেকে নিজস্ব অর্থায়নে ৭নং সরল ইউনিয়নের পাইরাং, জালিয়াঘাটা,মিনজির তলা, কাহারঘোনান ও সরল নোয়াপাড়া এলাকায় প্রায় তিন’শ মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

২২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার পর নিজ বাস ভবনের সামনে থেকে শুরু করে ২৩ এপ্রিল শুক্রবার জুমার পর থেকে মিনজির তলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সরল ১নং ওয়ার্ডের নোয়াপাড়া এলাকায় প্রথম ধাফের ২দিনব্যাপী এ ইফতার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম সমাপ্ত হয়।

এ ইফতার সামগ্রী বিতরণ কালে স্থানীয় মান্যগণ্য ও ছাত্র লীগ, যুবলীগ,আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আবছার উদ্দিন চৌধুরী জান্টু বলেন,করোনা ক্লান্তিকাল সংকটে পড়া হতদরিদ্র,গৃহবন্দী কর্মহীন অসহায় সর্বস্থরের মাঝে আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী এমপির নির্দেশনায় আমার নিজস্ব অর্থায়নে এই ইফতার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম প্রথম দাফে শুরু করেছি।

এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে আমার ৭নং সরল ইউনিয়ন এর প্রতিটি ওয়ার্ডে আমার সামর্থের আলোকে বিতরণ করে যাবে বলে জানান। সাথে সাথে সামর্থবান সকলকে অসহায় মানুষের মাঝে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ারও আহবান জানান।

//মোঃ আবদুল জব্বার, বাঁশখালী, চট্রগ্রাম//

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে কৃষকদের মাঝে প্রণোদনা বিতরণ

 

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে প্রনোদনা বিতরন কর হয়েছে।

 গতকাল ২২ এপ্রিল বেলা ১১টায়  বিতরন কালে প্রধান অতিথি ছিলেন, চট্টগ্রাম ১৪ আসনের এম, পি আলহাজ মো:নজরুল ইসলাম চৌ:, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমতিয়াজ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতিরানী সরকার,চন্দনাইশ পৌর মেয়র  মাহবুবুল আলম খোকা, চন্দনাইশ থানা অফিসার ইনচার্জ নাছির উদ্দিন সরকার, বরকল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান, কৃষকলীগ নেতা নবাব আলী,কাঞ্চনাবাদ ইউনয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ওসমান ,সাবেক ছাত্রলীগ নেতা হেলাল উদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ।

//মোকতার আহমদ, চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি//