খুলনায় পলাশ হত্যা মামলার  আসামীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬

খুলনা ব‍্যুরো:

র‍্যাব-৬ অভিযান চালিয়ে খুলনায়  পলাশ হাওলাদার (২৩)  হত‍্যা মামলার আসামী সজীব কে গ্রেফতার করেছে।

পলাশ  খুলনা সদর থানাধীন মাথাভাঙ্গা এলাকার শিউলি বেগম এর ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে,  গত ৬ অক্টোবর ২০২২ তারিখ পলাশ নিজ বাসা হতে বাজার করার উদ্দেশ্যে বের হয়।

পথিমধ্যে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সজীবসহ কয়েকজন আসামীরা তাকে ও তার বন্ধুকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে জখম করে। এসময় তাদের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে আসলে আসামিরা পালিয়ে যায়।

স্থানীয় লোকজনের সহায়তায়  পলাশ ও তার বন্ধুকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসা পলাশ হাওলাদার (২৩)কে মৃত ঘোষণা করে।

এ বিষয়ে নিহতের মা বাদী হয়ে খুলনা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার বিষয়ে জানতে পেরে র‍্যাব-৬ (সদর কোম্পানি) খুলনার একটি আভিযানিক দল ছায়া তদন্ত শুরু করে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত আসামীদেরকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রাখে।

এরই ধারাবাহিকতায় র‍্যাব-৬ (সদর কোম্পানি) খুলনার  ৪ মে  গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কেএমপি খুলনার লবণচরা থানাধীন হরিণটানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত হত্যা মামলার অন্যতম পলাতক আসামী  মোঃ সজিবুর রহমান @ সজিব (২৩) কে গ্রেফতার করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সজীব উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করে।  আসামী সদর থানার বাসিন্দা হওয়ায় তাকে খুলনার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বাগেরহাটের রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চুরি হওয়া মূল্যবান সরঞ্জামাদি উদ্ধার, ২ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাব ৬

//খুলনা ব্যুরো//

র‍্যাব -৬ অভিযান চালিয়ে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চুরি হওয়া মূল্যবান সরঞ্জামাদি উদ্ধার ও ২ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে।

তাদের বিরুদ্ধে বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।

জানাযায়,গত ২৮ এপ্রিল ২০২৩ তারিখ রাতে রামপাল থানাধীন রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কন্সট্রাকশনের কাজে ব্যবহৃত ৫,৫০০ কেজির অধিক মূল্যবান লৌহ সামগ্রী যার অনুমান বাজার মূল্য ৩,২০,০০০/- (তিনলক্ষ বিশ হাজার) টাকা কে বা কারা লুট করে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজে নিয়োজিত ভেল কোম্পানীর সাইড ইনচার্জ অধিনায়ক, র‌্যাব-৬ খুলনা এর বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

উক্ত অভিযোগের ভিত্তিতে র‌্যাব-৬, সদর কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক দল এই সংক্রান্তে ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং চুরিকৃত মালামাল উদ্ধার ও আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রাখে।

এরই ধারাবাহিকতায়, র‌্যাব-৬ সদর কোম্পানির একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৯ এপ্রিল ২০২৩ তারিখ রাতে বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট থানার কাটাখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোর চক্রের মূলহোতা বিপ্লব হোসেন (১৯), মেহেদী হাসান শান্ত (২৩), খুলনা সদর, কেএমপি খুলনাকে গ্রেফতার করে।

এ সময় তাদের নিকট হতে চুরিকৃত মালামাল মূল্যবান লৌহ সরঞ্জামাদি-৫৪৯৫ কেজি, তামার তার-৫০ কেজি ও চোরাই কাজে ব্যবহৃত মিনি ট্রাক ১টি উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজে নিয়োজিত ভেল কোম্পানীর সিকিউরিটি ইনচার্জ র‌্যাবের সহযোগীতায় বাদী হয়ে বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করেন।

রামপালে ইসলাম ধর্ম অবমাননার আসামি সজীব বিশ্বাস ভারতীয় পুলিশের হাতে আটক

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

রামপালে ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটুক্তি ও অবমাননার অভিযোগে করা মামলার আসামি সজীব ও তার পিতা গোলক বিশ্বাসকে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় পুলিশ আটক করেছে। এ সংক্রান্ত একটা বার্তা পাঠিয়েছে কোলকাতা পুলিশ। জানা গেছে,  গত ইংরেজি ১৭ এপ্রিল উপজেলার হুড়কা ইউনিয়নের জগারহুলা গ্রামের গোলক বিশ্বাসের পুত্র সজীব বিশ্বাস ওরফে দোদো (১৫) ছাড়াখালী গ্রামের দারুল নাজাত হাফিজিয়া মাদরাসা সামনে দাড়িয়ে ইসলাম ধর্ম ও রমজানের ঈদ নিয়ে কটুক্তি করে।

এ ঘটনায় গত ২০ এপ্রিল রামপাল থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। মামলাটি করেন একই গ্রামের মনিরুজ্জামান গোলদার। এরপর পুলিশি অভিযানের ভয়ে সজীব ও তার পিতা গোলক বিশ্বাস গত ২৫ এপ্রিল অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করন। ওই সময় তারা ভারতীয় পুলিশের হাতে আটক হন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামপাল থানার ওসি মোহাম্মদ সামসুদ্দীন। তিনি বলেন, আসামি ভারতে আটক সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন পেয়েছি।

বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আমরা কাজ করছি।

উল্লেখ,  ইসলাম ধর্ম অবমাননার অভিযোগে করা মামলার আসামি সজীব হলেও তার পিতা গোলক বিশ্বাস মামলার আসামি ছিলেন না। তবে সে কেন ভারতে পালিয়ে যাচ্ছিল সেটা স্পষ্ট নয়। এলাকাবাসী বলছেন একটি বিরূপ ইস্যু সৃষ্টির জন্য সে ভারত গিয়ে ইচ্ছাকৃত পুলিশের কাছে ধরা দিয়েছেন।

যশোর বেনাপোল সীমান্তে ধান্যখোলা গ্রাম থেকে ০৩টি অবৈধ অস্ত্রগুলিসহ গ্রেফতার-০২

মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍ঃ

যশোরের অভয়নগর, মনিরামপুর ও খুলনার বিভিন্ন অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে কথিত চরমপন্থি সংগঠন “নিউ বিপ্লবী কমিউনিষ্ট পার্টি ও পূর্ব বাংলার কমিউনিষ্ট পার্টি” শ্রেণী শত্রু নিধন করে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, সন্ত্রাসী কার্যক্রম, চাঁদাবাজির জন্য কয়েকটি হত্যাকান্ড সংঘটন করে। উল্লেখিত ঘটনাসমূহ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষন করে জেলার পুলিশ সুপার জনাব প্রলয় কুমার জোয়ারদার, বিপিএম (বার), পিপিএম মহোদয় ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার ও হত্যাকাজে ব্যবহৃত অস্ত্রগুলি সরবরাহকারীদের সনাক্ত পূর্বক গ্রেফতারের জন্য জেলা গোয়েন্দা শাখাকে নির্দেশ প্রদান করেন।

পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশ ক্রমে জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি রুপন কুমার সরকার, পিপিএম (বার) এর তত্ত্বাবধানে ডিবি’র এসআই মফিজুল ইসলাম, পিপিএম গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তার নেতৃত্বে এসআই শফি আহমেদ রিয়েল, এএসআই রঞ্জন কুমার বসুসহ সঙ্গীয় ফোর্সসহ একটি চৌকশ টিম ইং ২৬ এপ্রিল ২০২৩ তারিখ রাত ০৩.১৫ ঘটিকার সময় বেনাপোল পোর্ট থানাধীন ধান্যখোলা গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অস্ত্রগুলি সরবরাহকারী ০২(দুই) সদস্যকে গ্রেফতার করে ।ধৃত আসামী মহিদুল ইসলাম এর বসতঘর থেকে ০৩টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ০৬ রাউন্ড গুলি, তাদের ব্যবহৃত মোবাইল উদ্ধার করে ।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তাদের ব্যবহৃত মোবাইল পযালোচনায় জানা যায়, কথিত চরমপিন্থ সংগঠন “নিউ বিপ্লবী কমিউনিষ্ট পার্টি’র নেতা দিপংকর বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অস্ত্রগুলি সরবরাহ করে চরমপন্থি সংগঠনের সন্ত্রাসী কাযক্রম ও মানুষ্য হত্যার পরিকল্পনা করে। উল্লেখিত উদ্ধারকৃত অবৈধ অস্ত্রগুলি সংক্রান্তে এসআই মফিজুল ইসলাম, পিপিএম বাদী হয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় এজাহার দায়ের করেন।

গ্রেফতারকৃত আসামি

১। মোঃ আতিয়ার রহমান (৩০), পিতা- মৃত আঃ মান্নান, মাতা-নবিছন বেগম, সাং-ধান্যখোলা উত্তরপাড়া, থানা-বেনাপোল পোর্ট, জেলা-যশোর

২। মোঃ মহিদুল ইসলাম (৪০), পিতা- আইয়ুব আলী, মাতা- ফুলসুরাত বেগম, সাং-ধান্যখোলা দক্ষিনপাড়া, থানা-বেনাপোল পোর্ট, জেলা-যশোর উদ্ধারকৃত আলামতঃ

১। ০১টি রিভলবার (ছক্কা)

২। ০২টি ওয়ানসুটারগান

৩। ০৬ রাউন্ড ৮ এমএম কেএফ গুলি।

৪। ১টি মোবাইল ফোন।

“বাংলাদেশ পুলিশের শপথ-দেশের মানুষকে রাখবো নিরাপদ,

সত্য উদঘাটনে বদ্ধ পরিকর, যশোর জেলা পুলিশ” ।

খুলনায় নাশকতা মামলায় হেলাল-এজাজসহ ৮ জন কারাগারে

//খুলনা ব্যুরো//

খুলনার ডুমুরিয়া থানার একটি নাশকতা মামলায় কেন্দ্রীয় বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খানসহ ৮ জনকে কারাগারে প্রেরণ করেছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে তারা খুলনার সিনিয়র দায়রা জজ আদালতে জামিন শুনানির জন্য হাজির হয়েছিলেন। বিচারক মীর শফিকুল আলম ৮ আসামির জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। অন্যান্য আসামীরা হলেন শেখ ফরহাদ হোসেন, মোল্লা আকবর হোসাইন সৈকত, আবদুর রব আকুঞ্জী, শাহীনুর রহমান, মোল্লা মশিউর রহমান ও শাহনেওয়াজ শেখ আসামীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. মোমরেজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

খুলনা মহানগর বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা বলেন, ডুমুরিয়া থানার একটি নাশকতা মামলায় বিএনপি’র ১৭ জন নেতাকর্মী হাজিরা দিতে গিয়েছিলেন। তার মধ্যে কেন্দ্রীয় বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খানসহ ৮ জনকে কারাগারে প্রেরণ করেছে আদালত।

এদিকে আদালত সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে বিএনপির কেন্দ্রীয় তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, খুলনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমির এজাজ খান, ডুমুরিয়া উপজেলা আহ্বায়ক মোল্লা মফিজুর রহমানসহ ১৩০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ডুমুরিয়া থানার এস আই তারেক রাইয়ান বাদী হয়ে একটি নাশকতা মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নাশকতার সৃষ্টির অভিযোগ করেন তিনি। মামলায় মোট ১৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

ইলিশ সম্পদ উন্নয়নে ২৩ জেলে পরিবারের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ

//সৈয়দ মোঃ শাকিল, গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ//

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় জেলে পরিবারের মাঝে বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়।

১৭ এপ্রিল সোমবার সকাল ১১ টায় গজারিয়া  উপজেলা পরিষদ চত্বরে গজারিয়া উপজেলার ২৩ জেলে পরিবারের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ। আরও উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া  উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন গজারিয়া উপজেলা ভ্যাটেনারি অফিসার মোঃ রফিকুল আহসান ও ইমামপুর ইউ.পি চেয়ারম্যান হাফিজুজ্জামান খাঁন জিতু সহ প্রমূখ।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন সাংবাদিকদের জানান ২০২২ – ২৩ অর্থ বছরে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে গজারিয়া উপজেলার ৪০ টি জেলে পরিবারকে তালিকা ভুক্ত করা হয় এর মধ্যে ২৩ জন কে বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়েছে বাকী ১৭ পরিবারে পর্যায়ক্রমে বকনা বাছুর বিতরণ করা হবে।

বরগুনা আইনজীবী সমিতির সভাপতি বাহাদুর – সম্পাদক আতিকুর

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

নবরগুনা জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৪ এপ্রিল) সমিতির হল রুমে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনে আক্তারুজ্জামান বাহাদুর সভাপতি ও মো: আতিকুল হক আতিক সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট মো: মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল শুক্রবার বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।

জানা গেছে, বরগুনা জেলা আইনজীবী সমিতির ২৬৭ জন ভোটারের মধ্য ২৬১ জন ভোটার তাদের ভোট প্রদান করেন। আক্তারুজ্জামান বাহাদুর (আ’ লীগ) তিনি ভোট পেয়েছেন ১৬১। তার নিকটতম আবদুর রহমান নান্টু পেয়েছেন ৯৬ ভোট। অন্যান্য পদ গুলো হলো সহ-সভাপতি মো: মিজানুর রহমান মজনু, মো: মশিউর রহমান (আ’লীগ), মো: মহসিন (বিএনপি), সাধারণ সম্পাদক মো: আতিকুল হক আতিক ( আ’লীগ), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: আরিফ হোসেন (আ’লীগ), নার্গিস সুলতানা লাকি (বিএনপি), মাহবুবুর রহমান মঈন, গ্রন্থাগার সম্পাদক মো: কবির হোসেন, ক্রীড়া ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মো: ইসমাইল হোসেন রাসেল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক উম্মে সালমা খান নাতাশা, সদস্য ইমরান হোসেন( আ’লীগ) সাইফুল ইসলাম ওয়াসিম (বিএনপি) ও রুহুল ইসলাম হাওলাদার (জাতীয় পার্টি)।

অভয়নগরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলার ১৭ জন গ্রেফতার

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍//

যশোর জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার, বিপিএম (বার), পিপিএম মহোদয়ের নির্দেশনায় অভয়নগর থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা ও অত্র থানার আওতায় বিভিন্ন এলাকা হতে জিআর- ১০জন, নিয়মিত মামলায় ৭ জন, সর্বমোট ১৭ জন আসামিদের গ্রেফতার করে বিচারের নিমিত্তে ৯ এপ্রিল (রবিবার) ২০২৩ খ্রিঃ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
গ্রেফতার পরোয়ানা-১০ জন, নিয়মিত মামলায়- ০৭ জনসহ উদ্ধার- ৪৫ পিচ ইয়াবা।
১। জিআর-৯১/১৯ মোঃ সজিব মোল্যা, পিতা- বাবু মোল্যা, সাং- বুইকারা, থানা- অভয়নগর, জেলা -যশোর

২। জিআর- ৩০৫/২১ মোঃ মাসুদ মোল্যা, পিতা- নুর ইসলাম, সাং- বুইকারা,থানা- অভয়নগর, জেলা -যশোর

৩। জিআর- ১২৩৩/১৫ মোঃ রবিউল ইসলাম, পিতা- রুহুল আমিন, সাং- বুইকারা,থানা- অভয়নগর, জেলা -যশোর

৪। জিআর-৩২/১৯ মোঃ জাহাঙ্গীর, পিতা- মৃত শাহজাহান, সাং- চলিশিয়া, থানা- অভয়নগর, জেলা -যশোর

৫। জিআর-১০৮/১৭ চন্দ্র শেখর মল্লিক, পিতা- মৃত কৃষ্ণপদ মল্লিক, সাং- দত্তগাতি,থানা- অভয়নগর, জেলা -যশোর

৬। এসসি- ৮২৬/১৪ আঃ মালেক বিশ্বাস, পিতা- মৃত ইব্রাহিম বিশ্বাস, সাং- দিঘলীয়া, থানা- অভয়নগর, জেলা -যশোর

৭। জিআর- ৬৬/১২ মোঃ আলমগীর হোসেন, পিতা- মৃত আলী খা, সাং- মহাকাল, থানা- অভয়নগর, জেলা -যশোর

৮।জিআর-১৫৬/২০ মোঃ হেকমত শেখ, পিতা- খোকা শেখ, সাং- গোপিনাথপুর, থানা- অভয়নগর, জেলা -যশোর

৯। জিআর-১৫২/২২ মোঃ সাইফুল ইসলাম, পিতা- করিম শেখ, সাং- বিভাগদি, থানা- অভয়নগর, জেলা -যশোর

১০। জিআর- ৫৬/১৫ মোঃ নাজিম শেখ, পিতা- মজিদ শেখ, সাং- সিংগাড়ী,থানা- অভয়নগর, জেলা -যশোর

মামলা আসামী
১১। মোঃ ইমাম হোসেন(২৫), পিতা-মোঃ নুরু আকন, গ্রাম- সাভার পাড়া, থানা- অভয়নগর, জেলা -যশোর,

১২। মোঃ হাসান শেখ(২৪), পিতা-মজিবর শেখ @ আজিবর শেখ, সাং- রাজঘাট (মোয়াল্লেম তলা), থানা- অভয়নগর, জেলা -যশোর

১৩।সুজয় বৈরাগী(১৯), পিতা-রবিন বৈরাগী, সাং- বারান্দী (রাজবংশীপাড়া), থানা- অভয়নগর, জেলা -যশোর,

১৪। মহানন্দ রায়(২০), পিতা-জগদীশ রায়, সাং- বারান্দী (রাজবংশীপাড়া), থানা- অভয়নগর, জেলা -যশোর,

১৫। জয় বিশ্বাস(১৯), পিতা-ভাষান বিশ্বাস, সাং-বারান্দী (রাজবংশীপাড়া), থানা- অভয়নগর, জেলা -যশোর,

১৬। দ্বীপ রায় (১৮), পিতা-দেবানন্দ রায়, সাং- বারান্দী (রাজবংশীপাড়া), থানা- অভয়নগর, জেলা -যশোর

১৭। মোঃ তাজু মোল্যা(২৪), পিতা-মৃত আব্দুর রশিদ মোল্যা, সাং- নওয়াপাড়া (তরফদার পাড়া) , থানা- অভয়নগর, জেলা -যশোর।

বরগুনার তালতলীর সাফিয়া হত্যা মামলার আসামীকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করলো র‌্যাব

//সাইফুল্লাহ নাসির, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি//

বরগুনার তালতলী উপজেলার মোসাঃ শাফিয়া বেগম হত্যা মামলার অন্যতম আসামী সিদ্দিক হাওলাদার কে গোপন সংবাদ এর ভিত্তিতে ঢাকার সাভার সাভার থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাবের যৌথ টিম র‌্যাব-৮ এর সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প ও র‌্যাব-৪, সিপিসি-২।

র‌্যাব-৮,সিপিসি-১পটুয়াখালী এর কোম্পানি অধিনায়ক এবং সহকারী পুলিশ সুপার তুহিন রেজা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে জানানো হয়, র‌্যাব-৮, সিপিসি-১ (পটুয়াখালী ক্যাম্প) ও র‌্যাব-৪, সিপিসি-২, সাভার ক্যাম্প একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায় যে, গত ০৩/০৪/২০২৩ ইং তারিখ দিবাগত রাত ০৯:৩০ ঘটিকায় ভিকটিম মৃত মোসাঃ শাফিয়া বেগম(৫০) টাকা ধার নেওয়ার জন্য প্রতিবেশী বিকাশ ব্যবসায়ী মোঃ সবুজের দোকানের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। পরবর্তীতে সে বাড়িতে ফিরে না আসায় এবং রাত্র গভীর হওয়ায় তাহাকে বিভিন্ন জায়গায় খোজাখূজি করিতে থাকে। খোজাখুজির এক পর্যায়ে ইং০৫/০৪/২০২৩ দুপুর অনুমান ০২:২০ ঘটিকার সময় তালতলী থানাধীন ০৪নং শারিকখালী ইউনিয়নের ০৭নং ওয়ার্ডস্থ দক্ষিণ নলবুনিয়া সাকিনের ধোপার ভিটার পূর্ব পাশে কালীর খালের মধ্যে কেওড়া গাছের গোড়ায়, পানির মধ্যে মৃত শাফিয়াকে উপুর অবস্থায় ভেসে থাকতে দেখিতে পাইয়া ডাকচিৎকার ও কান্নকাটি শুরু করিলে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে আসে। স্থানীয় গ্রাম পুলিশ মোঃ আব্দল মালেক বিষয়টি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে থানা পুলিশকে অবহিত করে। মৃত ভিকটিম এর মেয়ে মোসাঃ আজমাইন আক্তারকে জিজ্ঞাসা বাদে সে জানায় যে, বাড়ি থেকে বাহির হওয়ার সময় তাহার মায়ের পড়নের কাপড়ের কোচরে ১০,০০০/- টাকা এবং কাণে স্বর্ণের দুল ওজন অনুমান ৫ আনা মূল অনুমান ৩৪০০০/- টাকা ও নাকে স্বর্ণের নাক ফুল ওজন অনুমান ১ আনা মূল্য অনুমান ৬০০০/- টাকা। যাহা শাফিয়া বেগম এর মৃত দেহের সাথে পাওয়া যায় নাই। উল্লেখিত বিবাদীগণ ভিকটিম মৃত মোসাঃ শাফিয়া বেগমকে গত ০৩/০৪/২০২৩ইং তারিখ দিবাগত রাত ০৯:৩০ ঘটিকা হইতে ০৫/০৪/২০২৩ইং তারিখ দুপুর অনুমান ০২:৩০ ঘটিকার মধ্যে যে কোন সময় খুন করিয়া লাশ গোপন করার উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থলে ফেলে রাখে এবং স্বর্নের জিনিস নিয়া যায়। উক্ত বিষয়ে বরগুনা জেলার তালতলী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। যাহার মামলা নং-৫, তারিখ-০৬/০৪/২০২৩ইং , ধারা-৩০২/২০১/৩৭৯/৩৪ পেনাল কোড। র‌্যাব-৮, সিপিসি-১ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে আমলে নিয়ে কার্যক্রম আরম্ভ করে এবং আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রাখে। র‌্যাব-৮, সিপিসি-১ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে বর্ণিত মামলার ০৩ নং আসামী মোঃ সিদ্দিক হাওলাদার(৫০), আইন শৃংখলা বাহিনীর নিকট হতে গ্রেফতার এড়াতে রাজধানীর সাভার এর কাঠগড়া বাজার এলাকায় অবস্থান করছে। স্থানীয় র‌্যাব-০৪, সিপিসি-২, সাভার উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানীর সাভার এর কাঠগড়া বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গত ০৭/০৪/২০২৩ইং তারিখ ১৯০০ ঘটিকার সময় আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ সিদ্দিক হাওলাদার(৫০) ঘটনার সাথে নিজের সরাসরি সং¯িøষ্টতার বিষয়টি র‌্যাবের কাছে স্বীকার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য (মামলা নং-৫, তারিখ-০৬/০৪/২০২৩ইং , ধারা-৩০২/২০১/৩৭৯/৩৪ পেনাল কোড) মূলে বরগুনা জেলার তালতলী থানায় হস্তান্তর করা হয়।

বরগুনায় বেহুন্দি জাল জব্দ বাবা-ছেলের এক বছরের কারাদণ্ড

//সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি//

বরগুনায় অবৈধ জাল নির্মূল অভিযানকালে সদর উপজেলায় নয়টি অবৈধ বেহুন্দি জাল সহ বাবা ও ছেলেকে গ্রেফতার করেছে বরগুনার ভ্রাম্যমান আদালত ।

গ্রেপ্তারারকৃতদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ এর ধারা ৫ অনুযায়ী এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং জব্দকৃত বেহুন্দি জালগুলো পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

গত কাল বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) রাতে এ ঘটনা ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন,সদর উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ তেঁতুলবাড়িয়া এলাকার গোলাম মোস্তফা (৫৭) ও তার ছেলে সোলায়মান (২৮)।

বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আল নূরের নেতৃত্বে বিষখালী নদীর বরগুনা সদর উপজেলার দক্ষিণ তেঁতুলবাড়িয়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এসময় নয়টি অবৈধ বেহুন্দি জালসহ ওই দুজনকে আটক করা হয়।’