খুলনায় স্কুলছাত্র রাজিন হত্যায় ১৭ আসামির ৭ বছরের জেল

আ. রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো:

খুলনা পাবলিক কলেজের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র ফাহমিদ তানভীর রাজিন হত্যার দায়ে ১৭ আসামিকে সাত বছরের জেল দিয়েছেন আদালত। তবে যে সকল আসামির বয়স ১৮ বছরের নিচে তাদের সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ৩ ও শিশু আদালতের বিচারক মো: আ: ছালাম খান এ রায় ঘোষণা করেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হচ্ছে, মঞ্জুরুল ইসলাম ওরফে সাব্বির হাওলাদার (১৬), বিএম মাজিব হাসান রয়েল(১২), শাহারিয়ার জামান তুর্য্য (১৭), রিয়ান শেখ ওরফে রেফাত (১২), ফাহিম ইসলাম মনি (১৪), সানি ইসলাম ওরফে আপন (১৩), জিসান খান (১৫), তারিন হাসান ওরফে রিজভী (১৩), শাকিব খান শিমুল (১৭), অন্তর কুসার দাস(১৫), মোঃ হাকিম(১৭), সৈকত (১৬), শেখ সাকিব (১৭), আসিফ প্রাপ্রন্ত আলিফ (১৫), শেখ তামিম (১৬), সাকরান সালেহ ওরফে মিতুল (১২), মোস্তাফিজুর রহমান নাঈম (১৪)।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ২০ জানুয়ারি সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে কনসার্ট দেখার জন্য কলেজের উদ্দেশ্যে রওনা হয় রাজিন। রাতে অনুষ্ঠান স্থলে বসাকে কেন্দ্র করে আসামি তামিমের সাথে রাজিনের হাতাহাতি হয়। রাত ৯ টার দিকে রাজিনকে অনুষ্ঠানের মঞ্চের পিছনে নিয়ে গিয়ে চড় থাপ্পড় মারতে থাকে। একপর্যায়ে মামলার অন্যান্য আসামিরা রাজিনের হাত চেপে সাব্বির চাকুটি রাজিনের পেটে ঢুকিয়ে দিলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এরপর আসামিরা পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় রাজিনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর নিহতের পিতা বাদী হয়ে ৬ জন আসামির নাম উল্লেখসহ আরও অজ্ঞাতনামা ১০ জনের বিরুদ্ধে খালিশপুর থানায় মামলা দায়ের করেন, যার নং ২০। খালিশপুর থানার এসআই মো: মিজানুর রহমান ১৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

এই নারীকে ধর্মহীন এবং বর্ণহীন মানুষ হিসেবে পরিচয় দেওয়ার স্বীকৃতি দিল আদালত

//দৈনিক বিশ্ব ফেসবুক ডেস্ক//

ইনি স্নেহা পার্থিবরাজ। বয়স পঁয়ত্রিশ। পেশায় আইনজীবি এই ভদ্রমহিলার বাড়ি তামিলনাড়ুর তিরুপাত্তুর। ইনি এর মধ্যেই ব্যতিক্রমী এক কাণ্ড ঘটিয়েছেন।

কাণ্ড বললেও অবশ্য কম বলা হবে,বলা উচিত বিপ্লব। হ্যাঁ, নি:শব্দ বিপ্লবই ঘটিয়েছেন ইনি। তাও আবার ভারতের মতো ধর্ম ও বর্ণে শতবিভক্ত একটি দেশে। ইনি যা করতে চেয়েছেন,করেওছেন তা খবরের কাগজগুলিতে আলোচনার বিষয় হতে পারত। কিন্তু হয়নি। কেন হয়নি? কীই-বা এমন করেছেন তিনি?

ইনিই ভারতের প্রথম মহিলা যাঁর কোনো ধর্ম নেই এবং বর্ণও নেই।এই স্বীকৃতি তিনি আদায় করেছেন দীর্ঘ লড়াইয়ের পর খোদ তামিলনাড়ু সরকারের কাছ থেকে। কিন্তু কীভাবে? স্কুল জীবন থেকেই তিনি বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাগজ পত্তরে ধর্ম ও বর্ণের ঘরটা ফাঁকা রাখতেন। পরবর্তীকালে ২০১০ সাল নাগাদ তিনি আইনি লড়াই শুরু করেন।

পাশে পেয়ে যান তাঁর স্বামী পার্থিবরাজকেও। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর মেলে স্বীকৃতিও। স্বয়ং তামিলনাড়ু সরকার গত ফেব্রুয়ারিতেই স্নেহা পার্থিবরাজকে সনদ পাঠিয়ে জানিয়ে দেয়, এবার থেকে স্নেহা নিজেকে ধর্মহীন এবং বর্ণহীন মানুষ হিসেবে পরিচয় দিতে পারবে।

সরকার একই সঙ্গে জানিয়ে দেয়,এখন থেকে স্নেহার একমাত্র পরিচয়- তিনি ভারতীয়।

স্নেহা পেরেছেন। স্নেহা পার্থিবরাজ।

সাতক্ষীরার স্বর্ণ মামলায় পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন চাকরি হারিয়েছেন

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

চাকরি হারিয়েছেন পুলিশ সুপার (এসপি) আলতাফ হোসেন। সাড়ে পাঁচ বছর আগে সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানায় ১২০ ভরি স্বর্ণ গায়েবের ঘটনায় গত বুধবার এই কর্মকর্তাকে অপসারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।তিনি বর্তমানে ট্যুরিস্ট পুলিশের সিলেট অঞ্চলে দায়িত্বরত।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আখতার হোসেনের সই করা ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেনের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ এর (খ) অনুযায়ী আনীত ‘অসদাচরণের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এই বিধিমালার ৪(৩) গ বিধি মোতাবেক গুরুতর দণ্ড হিসেবে প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেনকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হলো।

জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২৩ জুলাই থেকে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সাতক্ষীরার এসপির দায়িত্বে ছিলেন আলতাফ হোসেন। ২০১৬ সালের ৬ অক্টোবর বিপ্লব চ্যাটার্জি নামের এক স্বর্ণ কারবারি আটক হন। তার কাছে ১২০ ভরি স্বর্ণ পাওয়া গিয়েছিল তখন। ওই ঘটনায় পাটকেলঘাটা থানায় স্বর্ণগুলোর জব্দ তালিকাও করা হয়। কিন্তু পরে স্বর্ণ চোরাচালানের মামলা না হয়ে ওই থানায় মাদকের মামলা রেকর্ড করা হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এসপি আলতাফ হোসেন স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনা মাদক উদ্ধারের ঘটনায় সাজানোর বিষয়টি জানা সত্ত্বেও দায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেননি। এ বিষয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে তিনি অসত্য প্রতিবেদন পাঠান। পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনাটি তদন্ত করে সত্যতা পাওয়ায় ২০১৯ সালে আলতাফ হোসেনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। এরপর আলতাফ হোসেনের ব্যাখ্যাও নেওয়া হয়। পরে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আতাউল কিবরিয়া এ বিষয়ে অধিকতর তদন্ত করেন। সেই তদন্তে এসপি আলতাফের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে দ্বিতীয় দফায় আলতাফ হোসেনের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।

আলতাফ হোসেনের জবাব পর্যালোচনা করে তাকে চাকরি থেকে অপসারণের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের মতামত নেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তার প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আলতাফ হোসেনের চাকরিচ্যুতির প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

English Dainikbiswa

ডুমুরিয়ার চুকনগরে গনহত্যায় শহীদদের স্মরণে মাগুরখালী ও কাঞ্চননগর বাজারে স্মরণ সভা ও শহীদ পরিবারের সম্মননা ক্রেস প্রদান

খুলনায় কিশোরীকে ভারতে পাচারের মামলায় ২ জনের ফাঁ‌সি

//খুলনা ব‍্যুরো//
খুলনার এক কিশোরীকে ভারতে পাচা‌র ও যৌনক‌র্মি হিসেবে বি‌ক্রির অপরাধে ২জনকে ফাঁ‌সিতে ঝু‌লিয়ে মৃত‌্যুদন্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। বুধবার (১৮ মে) খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব‌্যুনা‌ল ৩-এর বিচারক আ: ছালাম খান এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার রায়ে অপর তিন আসা‌মির বিরুদ্ধে অ‌ভিযোগ প্রমা‌নিত না হওয়ায় বেকসুর খালাস দেয়া হয়।

দন্ডপ্রাপ্ত দুই আসা‌মি মোঃ শাহীন শেখ ও আসমা বেগম ওরফে সালমা সম্প‌র্কে স্বামী ও স্ত্রী। তারা দুজনেই পলাতক রয়েছেন।

মামলার রাষ্টপক্ষের কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট ফরিদ আহমেদ জানান, ২০০৯ সালের ১৯ অক্টোবর খানজাহান আলী থানা এলাকায় এক কিশোরীকে ভালো বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে শাহীন ও আসমা ভারতে নিয়ে যায়। সেখানে টাকার বিনিময়ে তাকে যৌনপল্লিতে রেখে আসে। এরপর ভুক্তভোগীর পরিবার শাহীনকে কল দেয়। সে জানায়, ২০ হাজার টাকা দিলে তারা কিশোরীকে ফেরত দেবে। এভাবে নানা কথা বলে টালবাহানা করতে থাকে। এক পর্যায়ে ওই কিশোরী ফিরে এসে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে।

আদালতে মামলার শুনানিকালে আট জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। এই মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন আলী আমরান হোসেন লিটন।

আমতলীতে পশু জবাইখানায় মোবাইল কোর্ট, ১ লক্ষ ৫ হাজার টাকা জরিমানা

//সাইফুল্লাহ নাসির, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি//

বুধবার সকাল ৭টায় পৌর শহরের মাংশ বাজারের সামনের সড়কে পশু জবাই করা, সংক্রামক রোগ মুক্ত’র সনদ না থাকা এবং মূল্য তালিকা প্রদর্শণ না করার অপরাধে মোবাইল কোর্ট পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রন আইন ২০১১ অনুযায়ী পৌর শহরের ৫ জন ব্যাবসায়ীকে ১ লক্ষ ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলা ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোঃ নাজমুল ইসলাম।এ সময়ে তাকে সহায়তা করেন উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা মোঃ নাজমুল হক,পৌর স্যানিটারী কর্মকর্তা মোঃ কবির হোসেন ও আমতলী থানা পুলিশ।

বাঁধঘাট বাজারে শাহাজান দুয়ারী ও জাকির আকনকে ৪০ হাজার, বটতলা বাজারে শাজাহান মৃধা ২০ হাজার ও একে স্কুল বাজারে আঃ রহমানকে ২০ হাজার ও আঃ জলিলকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

সদরের চান্দ্রা চৌরাস্তায় দীর্ঘদিনের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে প্রশংসায় চাঁদপুর জেলা পরিষদ

মোঃ হোসেন গাজী, চাঁদপুর।।

চাঁদপুর সদর উপজেলার ১২ নং চান্দ্রা ইউনিয়নের চান্দ্রা চৌরাস্তায় দীর্ঘদিন যাবৎ জেলা পরিষদের সরকারি ভূমির উপর অবৈধভাবে নির্মিত দোকানসহ স্থাপনা অভিযানের মাধ্যমে উচ্ছেদ করে প্রশংসায় ভাসছেন জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ্ব ওচমান গণি পাটওয়ারী, সচিব মিজানুর রহমানসহ পুরো জেলা পরিষদ।

১৬ মে সোমবার দিনব্যাপী অবৈধ দখলদারদের তোপের মুখে অত্যান্ত সাহসিকতার সাথে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।

জানা যায়, এই উচ্ছেদ অভিযানে অবৈধভাবে দখলকৃত ২২০ ফুট জায়গায় গড়ে উঠা ১৬ টি দোকান উচ্ছেদ করা হয়। অভিযোগ ছিলো হরিনা ঘাট-ভাটিয়ালপুর সড়কের পাশে এসব ভূমি দীর্ঘদিন অবৈধ দখলদাররা দোকান-পাট উঠিয়ে ভোগদখল করে আসছিলো। কিন্ত সরকারের বিধি মোতাবেক তাদেরকে সতর্ক করা সত্ত্বেও জেলা পরিষদ থেকে কোনরূপ লিজ গ্রহন করেনি। যেজন্য অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এদিনে অভিযানে অংশ নেয় চাঁদপুর সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ হেলাল চৌধুরী,চাঁদপুর জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার নাছির উদ্দীন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিন রাসেল, চাঁদপুর সদরের ভূমি অফিসের কানুনগো মোঃ খাদেমুল ইসলাম,জেলা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের টিমসহ অন্যান্যরা।

English Dainikbiswa

চাঁদপুরে ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচনে গোলাম মোস্তফা বাবু’র পুরো প্যাণেল নির্বাচিত

মহম্মদপুর থানার হত্যা মামলার আসামি জিহাদ নোয়াখালী সোনাইমুড়ী থানায় আটক

সুজন মাহমুদ, মাগুরা জেলা প্রতিনিধিঃ

মাগুরা জেলার থেকে পালিয়ে আসা হত্যা মামলার এক আসামিকে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতারকৃত আসামির নাম মুজাহিদুল ইসলাম জিহাদ (৩৯)। তিনি মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর থানার বানিয়াবহু গ্রামের মো. গোলাম আকবরের ছেলে।

শনিবার (১৪ মে) ভোর রাতে উপজেলার পাপুয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

একই দিন বেলা ১১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুণ অর রশিদ।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হত্যা মামলার এ আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সে মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর থানার একটি হত্যা মামলার এজাহার নামীয় ৩নং আসামি।সে উক্ত উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের বানিয়াবহু গ্রামের মোঃ মাহফুজার মোল্লা হত্যা মামলার অন্যতম আসামি।যার মামলা নং-১৯। গত বছরের ৩০ জুন মোহাম্মদপুর থানায় এ মামলা দায়ের করা হয়।

ওসি জানায়, আসামি জিহাদ গ্রেফতার এড়াতে দীর্ঘ ১১ মাস পলাতক অবস্থায় নোয়াখালী সোনাইমুড়ী উপজেলার পাপুয়া এলাকায় অবস্থান করছিলো। গ্রেফতারকৃত আসামিকে মোহাম্মদপুর থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

৩৫০০কোটি টাকা পাচার মামলায় পিকে এর ৩ দিনের রিমান্ড

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

বাংলাদেশ থেকে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা পাচারের মামলার মূল অভিযুক্ত প্রশান্ত কুমার হালদারকে (পিকে হালদার) তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।  ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা থেকে পিকে হালদারকে শনিবার দুপুরের দিকে গ্রেফতারের পর আদালতে তুলে রিমান্ডের আবেদন করা হলে তা মঞ্জুর করা হয়।

তাদের রিমান্ডে নিয়ে জেরা করা হচ্ছে। ১৭ মে পিকে হালদার ও তার পাঁচ সহযোগীকে সিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হতে পারে।

শনিবার ভারতের অর্থসংক্রান্ত গোয়েন্দা সংস্থা ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার অশোক নগরের একটি বাড়ি থেকে পিকে হালদার ও তার পাঁচ সহযোগীকে গ্রেফতার করে। পরে তাকে আদালতে তোলে ইডি।

এক বিবৃতিতে ইডি বলেছে, হাজার কোটি টাকা পাচারকারী পিকে হালদার নাম পাল্টে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশে বসবাস করতেন। প্রদেশের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার অশোক নগরের একটি বাড়িতে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি।

শনিবার সেখান থেকে পিকে হালদারসহ মোট ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে ভারতীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর আগে শুক্রবার দিনভর কলকাতা ও উত্তর চব্বিশ পরগনার অন্তত ৯টি স্থানে অভিযান চালায় ইডি। সেই সময় উত্তর চব্বিশ পরগনার অশোকনগর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার পোলেরহাটে দুটি বাড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় পিকে হালদারের ব্যক্তিগত আইনজীবী সুকুমার মৃধার অবৈধ সম্পত্তির খোঁজে অভিযান শুরু করে ভারতের এই সংস্থা। কর্মকর্তারা বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে এই তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় তাদের সঙ্গে অনেক নিরাপত্তাকর্মী ছিলেন।

তার আগের দিন (শুক্রবার) পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় অন্তত সাত থেকে আটটি জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির গোয়েন্দারা। ভারতে পিকে হালদারের সম্পদের খোঁজে অভিযানের সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিপুল সদস্য মোতায়েন করা হয়। সীমান্ত লাগোয়া অশোকনগর, দমদম, বাইপাস লাগোয়া একাধিক জোনে চলে তল্লাশি।

ভারতে পিকে হালদারের পাচার করা টাকায় গড়া বিপুল সম্পদের খোঁজ পেয়েছেন গোয়েন্দারা। পাওয়া গেছে বেশ কয়েকটি বিলাসবহুল বাড়ি ও কয়েকশ বিঘা মূল্যবান সম্পত্তি।

ইডির গোয়েন্দারা প্রাসাদ বাড়ি ও কয়েকশ বিঘা মূল্যবান জমির হদিস পেয়েছেন। একই সঙ্গে তল্লাশিতে কলকাতা ও এর আশপাশের বিভিন্ন জেলায় বেআইনি আর্থিক লেনদেন, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের হদিস মিলেছে।

ইডি সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট তথ্য ও বার্তা পেয়েই তল্লাশিতে সক্রিয় হয়েছে ভারতীয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। বাংলাদেশ থেকে পলাতক প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পিকে হালদারের পাঠানো বেআইনি অর্থ সুকুমার মৃধা নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন শহরে সম্পত্তি কিনতে ব্যয় করা হয়েছিল। মূলত পিকে হালদারের খবর জানতে গিয়েই এদিন অশোকনগরে সুকুমার নামের ওই মাছ ব্যবসায়ীর বিপুল সম্পত্তির হদিস পেয়েছে ইডি।

পিকে হালদার এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন। তার বিরুদ্ধে চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় সাত হাজার কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক। পিকে হালদার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অদ্যাবধি ৩৪টি মামলা করা হয়েছে। অভিযোগ ওঠার পরই দেশ থেকে পালিয়ে যান পিকে হালদার।

জানা গেছে, আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুসহ সিন্ডিকেটের সহায়তায় কয়েকটি লিজিং কোম্পানি থেকে অন্তত ১০ হাজার ২০০ কোটি টাকা সরিয়ে পিকে হালদার দেশ থেকে সটকে পড়েন। এ অর্থের বড় একটি অংশ কানাডা, ভারত ও সিঙ্গাপুরে পাচার করেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকে প্রায় ২৫০০ কোটি টাকা সরানো হয়। এ ছাড়া এফএএস ফাইন্যান্স, রিলায়েন্স ফাইন্যান্স এবং পিপলস লিজিং থেকে একই কায়দায় আরও প্রায় ৭৫০০ কোটি টাকা ঋণের নামে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করে পিকে হালদার ও তার সিন্ডিকেট।

সব মিলিয়ে ১০ হাজার কোটি টাকার মধ্যে এফএএস ফাইন্যান্স থেকে প্রায় ২২০০ কোটি টাকা, রিলায়েন্স ফাইন্যান্স থেকে ২৫০০ কোটি টাকা, পিপলস লিজিং থেকে প্রায় ৩০০০ কোটি টাকা অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ দেখিয়ে আত্মসাৎ ও পাচার করা হয়েছে।

English Dainikbiswa

বাগেরহাটের কচুয়ায় বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন শেখ তন্ময় এমপি

ডেসটিনি মামলার রায় কাল।। কিহবে হারুন-রফিকুলের

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের মামলায় ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমীনসহ আসামিদের বিষয়ে রায় ঘোষণা করা হতে পারে ‘আগামীকাল’ (বৃহস্পতিবার)।

এ মামলায় যুক্তিতর্ক শেষে ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম রায়ের এ দিন ধার্য করেছেন।

দুদকের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত জানা গেছে বৃহস্পতিবার রায় হবে। আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে বলে আশা করছি।’

২০১২ সালের ৩১ জুলাই দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা এ মামলায় গত ২৭ মার্চ উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়। এটি ছাড়াও ডেসটিনির শীর্ষ কর্তাদের বিরুদ্ধে ডেসটিনি ট্রি প্লান্টেশন প্রজেক্টের অর্থ আত্মসাতের আরেকটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২০২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত। আর আসামিদের মধ্যে ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমীন সাফাই সাক্ষ্য দিয়েছেন।

আসামিদের মধ্যে ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদ জামিনে আছেন। আর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন এবং এমডি রফিকুল আমীন ১০ বছর ধরে কারাবন্দি আছেন।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ৩১ জুলাই রাজধানীর কলাবাগান থানায় ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি এবং ডেসটিনি ট্রি প্লান্টেশন প্রজেক্টের অর্থ আত্মসাতে মামলা দুটি করেছিলেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার ও সহকারী পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম। তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ৫ মে দুদক আদালতে উভয় মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেয় সংস্থাটি।

English Dainikbiswa

বাংলাদেশ কোস্টগার্ড এখন সত্যিকার অর্থে গার্ডিয়ান অফ সি-  খুলনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডুমুরিয়ায় মৎস‍্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ করার অপরাধে ভ্রাম‍্যমান আদালতে এক মাসের কারাদন্ড

//নিজস্ব সংবাদদাতা ডুমুরিয়া//

ডুমুরিয়ার  মঙ্গলবার (১০ মে ) দুপুরে জিলেরডাঙ্গা গ্রামের তালতলায় এলাকায়  একটি মৎস‍্য  ঘেরে  বিষ ট্যাবলেট প্রয়োগ মাছ ধরার ঘটনায় এলাকা বাসী পাইকগাছা এলাকার  কৃষ্ণ মন্ডল(৩৫)নামের এক ব‍্যক্তিকে  হাতে নাতে  পাকড়াও করে  থানা পুলিশ  ও উপজেলা  মৎস‍্য অফিসারের নিকট সোপার্ধ করা  হযেছে।

সুত্রে জানা গেছে, খবর পেয়ে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ধৃত ব‍্যক্তিকে  পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয। ধৃত ব‍্যক্তি দোষ স্বীকার করায় উপজেলার সহকারি কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: মামুনুর রশিদ এর   ভ্রাম‍্যমান আদালতে  ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন -২০০৯ এর ৪২ ধারা ও দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ২৭৩ ধারা অনুযায়ী  কৃষ্ণ মন্ডল (৩৫) কে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। মামলার প্রসিকিউশন দাখিল করেন উপজেলার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার মো. আবুবকর সিদ্দিক তিনি জানান পাইকগাছা উপজেলার মঠবাটি গ্রামের সন্তোষ মন্ডলের ছেলে।

এ ধরনের জঘন্য অপরাধকারীদের কোন প্রকার ছাড় দেয়া হবে না। উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় আইন অমান্যকরীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।