বরিশালে কোস্টগার্ডের অভিযানে বিপুল পরিমাণ রেনুপোনাসহ আটক

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল প্রতিনিধি//

বরিশালে বিপুল পরিমানে রেনুপোনাসহ ৭ জনকে আটক করেছে কোস্টগার্ড সদস্যরা।

এসময় ২টি ট্রলারও জব্দ করা হয়েছে। বাংলাদেশ কোষ্টগার্ড দক্ষিণ জোনস্থ বরিশাল কোস্টগার্ডের বিসিজি স্টেশান টিম  (৮ মে) দিবাগত রাত ২টার সময় এ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় ২টি ট্রলারে অভিযান চালিয়ে আনুমানিক ১০লক্ষ ৫০ হাজার পিস রেনুপোনাসহ ৭ জনকে আটক করা হয়। কোস্টগার্ডের গোয়েন্দা সূত্র জানায়, বাংলাদেশ কোষ্টগার্ড দক্ষিণ জোনস্থ বরিশাল কোস্টগার্ডের বিসিজি স্টেশান টিমের সদস্যরা আজ (৮ মে) দিবাগত রাত আনুমানিক ২ টার সময় গোপন সংবাদে জানতে পেরে বরিশাল সদর উপজেলাধীন কীর্তনখোলা নদীস্থ শায়েস্তাবাদ খালে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ২টি ট্রলারে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান রেনুপোনাসহ ৭জনকে আটক করা হয় এবং ট্রলার ২টি জব্দ করা হয়।

পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এর উপস্থিতিতে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জব্দকৃত রেনুপোনা নদীতে অবমুক্ত করা হয়। আটককৃত ৭ জনকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং জব্দকৃত ট্রলার মুচলেকায় ছেড়ে দেয়া হয়। বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেঃ কে এম শাফিউল কিঞ্জল বলেন, বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের এখতিয়ারভুক্ত এলাকাসমূহে আইন শৃঙ্খলা ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন, জননিরাপত্তা ও ডাকাতি দমনের পাশাপাশি বনজ সম্পদ রক্ষায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ড সর্বদা তৎপর রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে

ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম কি স্টাটাস দিয়ে কি শাস্তি পেলেন

//অনলাইন নিউজ ডেস্ক//

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে শাস্তি পেয়েছেন র‍্যাবের আলোচিত ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম। র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বেশ প্রশংসা পেয়েছিলেন তিনি। ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর তাকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে বদলি করা হয়।

সম্প্রতি প্রশাসনের এই আলোচিত কর্মকর্তাকে (সিনিয়র সহকারী সচিব) তিরস্কার সূচক লঘুদণ্ড দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

গত বছরের ৭ মার্চ প্রশাসনের ৩৩৭ জন সিনিয়র সহকারী সচিবকে উপ-সচিব পদে পদোন্নতি দেয় সরকার। কিন্তু পদোন্নতি বঞ্চিত হন ২৭তম বিসিএসের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা সারওয়ার আলম। এরপর তিনি ওই বছরের ৮ মার্চ ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস দেন।

স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, চাকুরী জীবনে যেসব কর্মকর্তা কর্মচারী অন্যায়, অনিয়মের বিরুদ্ধে লড়েছেন তাদের বেশিরভাগই চাকুরী জীবনে পদে পদে বঞ্চিত ও নিগৃহীত হয়েছেন এবং এদেশে অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়াটাই অন্যায়।

শাস্তি দেয়ার প্রজ্ঞাপনে ওই স্ট্যাটাসের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সারওয়ার আলম একজন সরকারি কর্মচারী হয়ে সরকার ও কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এ ধরনের ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করার মাধ্যমে অকর্মকর্তাসুলভ আচরণ করেছেন এবং এতে জনপ্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ায় ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’ এর ৩ (খ) বিধি অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’ এর অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করে গত বছরের ৩০ জুন অভিযোগনামা ও অভিযোগ বিবরণী পাঠিয়ে কৈফিয়ত তলব করা হয়।

সারওয়ার আলম আত্মপক্ষ সমর্থনে কোনো লিখিত বক্তব্য দাখিল করেননি। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করলে, তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায় সারওয়ার আলম ফেসবুকে মন্তব্য করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন এবং তার বিরুদ্ধে আনা অসদাচরণ এর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

তাই ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’ এর ৩(খ) বিধিতে বর্ণিত ‘অসদাচরণ’ এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিধিমালার ৪(২)(ক) বিধি অনুযায়ী তাকে ‘তিরস্কার’ সূচক লঘুদণ্ড দেয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সারওয়ার আলম র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থাকার সময় ভেজাল, অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেন মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

English Dainikbiswa

কুষ্টিয়ার বটতলে মা-ছেলের প্রাণ নিল ড্রামট্রাক

মামলার ২৪ বছর পর রায়: সাজা যাবজ্জীবন, আসামি পলাতক

//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি//

চট্টগ্রামের দীর্ঘ ২৪ বছর আগে দায়ের হওয়া একটি মামলার রায় প্রদান করেছেন বিজ্ঞ আদালত। নগরীর ডবলমুরিং থানা এলাকায় ১৯৯৮ সালে দায়ের হওয়া এসিড নিক্ষেপের এই মামলায় মো. কামাল নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছেন আদালত। রোববার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মুন্সি আবদুল মজিদ এ রায় প্রদান করেন। একই সঙ্গে আসামীকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে আরও দুই বছর কারাদ- দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক ছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম মহানগরীর আগ্রাবাদ সরকারি কমার্স কলেজ রোড এলাকায় ১৯৯৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর মো. জাকারিয়া নামের এক রেফ্রিজারেশন দোকানের কর্মচারীকে এসিড ছুড়ে চোখ, মুখ ও বুক ঝলসে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ভিকটিম জাকারিয়ার বাবা মো. ইউনুস বাদী হয়ে ডবলমুরিং থানায় কামাল নামের এক ব্যক্তিকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। ২০০৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়। পুরো বিচার কাজে মোট তিনজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. মূসা জানান, এসিড নিক্ষেপের মামলায় মো. কামাল নামে এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদ- ও এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই বছর কারাদ- দিয়েছেন আদালত। বিচার চলাকালে আসামি পলাতক ছিলেন।

English Dainikbiswa

চন্দনাইশে ৭ হাজার পিস ইয়াবাসহ মা, ছেলে আটক

৩ লক্ষ ৭৪ হাজার কোটি টাকায় টুইটার কিনবেন ইলন মাস্ক

ক্যাসিনোকাণ্ডে এনু-রুপনের ৭ বছরের কারাদণ্ড

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//
ক্যাসিনোকাণ্ডে জড়িত সহোদর এনামুল হক এনু ও রুপন ভূঁইয়াসহ ১১ আসামিকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের চার কোটি টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক মো. ইকবাল হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ড পাওয়া অন্য আসামিরা হলেন- জয় গোপাল সরকার, মেরাজুল হক ভূঁইয়া শিপলু, রশিদুল হক ভূঁইয়া, সহিদুল হক ভূঁইয়া, পাভেল রহমান, তুহিন মুন্সি, আবুল কালাম আজাদ, নবীর হোসেন শিকদার ও সাইফুল ইসলাম।

আসামিদের মধ্যে শিপলু, রশিদুল, সহিদুল ও পাভেল মামলার শুরু থেকে পলাতক রয়েছেন। তুহিন আছেন জামিনে। আর অন্য ছয় আসামি কারাগারে।

এর আগে গত ১৬ মার্চ মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে ৬ এপ্রিল রায়ের দিন ধার্য করা হয়। কিন্তু ওই দিন বিচারক ছুটিতে থাকায় রায়ের তারিখ পিছিয়ে দেওয়া হয়। এর আগে আদালত মামলার অভিযোগকারীসহ রাষ্ট্রপক্ষের ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

২০২০ সালের ২৬ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) সিআইডির পরিদর্শক সাদেক আলী আওয়ামী লীগের গেন্ডারিয়া ইউনিটের সাবেক সহ-সভাপতি এনু ও যুগ্ম সম্পাদক রুপনসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। এরপর গত বছরের ৫ মে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালত অভিযোগ গঠন করেন।

২০১৯ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর র‌্যাব-৩-এর পরিদর্শক মো. জিয়াউল হাসান বাদী হয়ে এনু ও আজাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তদন্ত শেষে মামলায় অন্যান্য আসামিকে সম্পৃক্ত করা হয়। এনু ও রুপনের বিরুদ্ধে এর আগে বিভিন্ন থানায় অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে আরও ১২টি মামলা করা হয়। অন্যান্য মামলা বিচারাধীন আছে।

English Dainikbiswa

বরিশালে জমি সংক্রান্তের জের ধরে পুলিশ সদস্য পরিবারের উপর হামলা

ফের তেলের দাম বেড়ে কততে গিয়ে দাড়ালো…!

চট্টগ্রামে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহতের ঘটনায় আটক- ২

//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি//

চট্টগ্রামের পটিয়ায় উপজেলার কাশিয়াইশ ইউনিয়নে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে মোহাম্মদ সোহেল (৩৫) নিহতের ঘটনায় দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (২৩ এপ্রিল) তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে জানান পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম মজুমদার। আটককৃতরা হলেন- মামলার প্রধান আসামি মোহাম্মদ শরীফের পিতা মো. মুনছুর (৪৫) ও একই এলাকার নুরুল আবছারের পুত্র জনি (২৫)। এই হত্যার ঘটনায় নিহতের ভাই স্থানীয় কাশিয়াইশ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম বাদী হয়ে ১৫ জনকে আসামী করে পটিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। শুক্রবার (২২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে পটিয়া উপজেলার কাশিয়াইশ ইউনিয়নের বুধপুরা বাজারে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে নিহত হন মোহাম্মদ সোহেল নামের এক যুবক। এসময় আহত হন মো. সাজ্জাদ (২০), সাদ্দাম হোসেন (৩০) ও জয়নাল আবেদীন (৩৪)। আহতরা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। নিহত সোহেল কেডিএস গ্রুপের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমানের ভাগ্নে এবং স্থানীয় কাশিয়াইশ ইউনিয়ন পরিষদের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের ছোট ভাই।

এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির তদন্ত কর্মকর্তা পাঁচলাইশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাদিকুর রহমান জানান, পটিয়া উপজেলার কাশিয়াইশ ইউনিয়নের বুধপুরা বাজারে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে আহত চারজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সোহেল নামের একজনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অন্য তিনজনকে ২৫নং সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। তারা আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের জের ধরে এ হত্যাকা-ের ঘটনা ঘটেছে। পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম মজুমদার বলেন, বুধপুরা বাজারে সোহেল হত্যাকা-ের ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পাশাপাশি মূল আসামি শরীফকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

English Dainikbiswa

বাগেরহাটের কচুয়ায় গৃহ প্রদাণের লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং

 ‘নিউ বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি’র নেতা কিরণ আটক

//অনলাইন নিউজ ডেস্ক//

চরমপন্থী সংগঠন নিউ বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টির নেতা একাধিক হত্যা ও অস্ত্র মামলার আসামি কিরণকে দুই সহযোগীসহ আটক করেছে যশোরের ডিবি পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে একটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

আটক বাসুদেব সাহা ওরফে তিল্লক ওরফে কিরণ ওরফে তপন ওরফে বাদল ওরফে মাহমুদুর রহমান পটুয়াখালী সদর উপজেলার পুরান বাজার গ্রামের নারায়ণ চন্দ্র সাহার ছেলে।

তার দুই সহযোগী হলেন, যশোরের অভয়নগর উপজেলার রামসরা গ্রামের নিখিল মন্ডলের ছেলে দীপংকর মন্ডল ও একই গ্রামের পঞ্চরাম মন্ডলের ছেলে কৃষ্ণপদ মন্ডল।

ডিবির এসআই শামীম হোসেন জানিয়েছেন, তথ্য-প্রযুক্তি ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে কিরণের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে ১৯ এপ্রিল একটি চৌকস টিম প্রথমে ময়মনসিংহ জেলায় অভিযান চালায়। এরপর পর্যায়ক্রমে ঢাকা, বরিশাল, পটুয়াখালী এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সর্বশেষ মাদারিপুর জেলায় অভিয়ান চালিয়ে শুক্রবার সকালে কিরণকে আটক করা হয়। এরপর তাকে নিয়ে যশোরের অভয়নগর উপজেলায় ফের অভিযান চালিয়ে অপর দুই আসামিকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে একটি একনালা বন্দুক উদ্ধার করা হয়।

যশোর ডিবির অফিসার ইনচার্জ ইন্সপেক্টর রুপন কুমার সরকার জানান, আসামিরা সংঘবদ্ধ কথিত ‘নিউ বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি’র সক্রিয় সদস্য। তারা দলীয় ছদ্মনাম ব্যবহার করে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে অবৈধ অস্ত্র গুলি, বিস্ফোরকদ্রব্য ইত্যাদি ব্যবহার করে হত্যা ও চাঁদাবাজি করে চলেছে। ইতোপূর্বে আত্মসমর্পণ করে পুনরায় তারা সংঘবদ্ধ হয়ে নতুন সদস্য সংগ্রহ করে দল গঠন করে যশোরের অভয়নগর, মণিরামপুর, কেশবপুরসহ আশপাশের জেলায় মাছের ঘের দখল, চাঁদাবাজি ও হত্যাকাণ্ড ঘটানো তাদের পেশা।

তিনি বলেন, গত ১০ জানুয়ারি অভয়নগরের হরিশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য উত্তম সরকারের কাছে চাঁদার টাকা না পেয়ে তাকে গুলি করে হত্যা করে এ চক্রের সদস্যরা। হত্যার পরে জড়িতরা বিভিন্ন জনের কাছে চাঁদা চাওয়ার সময় উত্তম সরকারকে খুন করার রেফারেন্স টেনে মোবাইল ফোনে ভয়ভীতি দেখায়। এ সব ঘটনার মাস্টারমাইন্ড ছিলেন কিরণ।

তিনি আরও জানান, এর আগে গত ১৫ থেকে ১৬ জানুয়ারি খুলনার ডুমুরিয়া থানার বিভিন্ন এলাকা, যশোরের অভয়নগর, মণিরামপুর ও কেশবপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই বাহিনীর সাথে জড়িত ইকরামুল গোলদার, প্রসেনজিৎ বিশ্বাস, পল্লব বিশ্বাস, প্রশান্ত মন্ডল ও বিজন কুমার মন্ডলকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছে থাকা হত্যার মিশনে ব্যবহৃত অস্ত্র, গুলি, বিস্ফোরক দ্রব্য, মোবাইল ফোন, মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। তাদের আটকের পরই একে একে সব রহস্য উন্মোচন হয়। এরপর থেকেই কিরণ আত্মগোপনে চলে যান। কিন্তু ডিবি পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখে শুক্রবার মাদারিপুর থেকে বাহিনী প্রধান কিরণকে আটক করে।

কিরণ যশোরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জুরুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ওই জবানবন্দিতে তিনি অভয়নগরের ইউপি মেম্বার উত্তর সরকার ও ২০২১ সালের ১৮ নভেম্বর মণিরামপুরের চরমপন্থী দলের সদস্য প্রকাশ চন্দ্র মল্লিক ওরফে ব্রিটিশ হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।

English Dainikbiswa

খুলনার রূপসায় ভাইয়ের আঘাতে ভাইয়ের মৃত্যু

আমতলীী সংখ্যালঘুু দুই পরিবারকে আবাসস্থল থেকে উচ্ছেদ করায় খোলা আকাশের নিচে বসবাস

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলী পৌর শহরে দুই সংখ্যালঘু পরিবারের ৬০ বছরের পৈতৃক বাসস্থান থেকে গতকাল শনিবার আদালতের নির্দেশে উচ্ছেদ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী দুই পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাঁই না থাকায় থাকায় তারা এখন পরিবার পরিজন নিয়ে খোলা আকাশে নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, আমতলী পৌর শহরের ৪নং ওয়ার্ড ওয়াপদা রাস্তা নিকটে স্বপন কুমার পরিবারবর্গসহ দীর্ঘ ৬০ বছর যাবৎ বসবাস করে আসছিল। এদিকে সংখ্যালঘু পরিবার দ্বয়ের বসবাসরত বাড়ীটির জায়গার মালিকানা দাবী করে প্রতিবেশী মজিবর হাওলাদার  তার দাবি করে স্ত্রী ছকিনা বেগম বাদী করে ২০০৮ সালে আমতলী সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন।পরবর্তীতে বাদী ছকিনা বেগমের পক্ষে মামলায় রায় পায়। মামলা নম্বর-০৯/২০০৮। পরবর্তীতে সিনিয়র সহকারি জজ, আমতলী আদালতে উচ্ছেদের মামলা করলে ১৮/০৪/২০২২ তারিখ আমতলী সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের বিচারক নজরুল ইসলাম বাদীকে দখল বুঝিয়ে দেওয়ার আদেশ দেন। আদেশ বলে ২৩/০৪/২০২২ তারিখ বিজ্ঞ এ্যাডভোকেট কমিশনার ও নাজির স্থাপনা উচ্ছেদ করে জমির দখল ছকিনা বেগমকে বুঝিয়ে দেন।

স্বপন কুমার দাস ১৯৬৭ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছ থেকে ০.১১ একর জমি বরাদ্ধ পায়। তার মৃত্যুর পর তার ভাই রুপাই দাস ও ছেলে সঞ্জিব দাস ঐ জমিতে বসবাস করতে থাকেন।বসবাসের ঘর থেকে উচ্ছেদের ফলে তারা এখন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করতেছে।

রুপাই দাস বলেন, আমার ভাই স্বপন দাসের নামে ১১ শতাংশ জমি পানি উন্নয়নে বোর্ডের কাছ থেকে অস্থায়ী বন্দোবস্ত নিয়ে আমরা দুই পরিবার বসবাস করতেছি। বিগত ২০০৭ সালে প্রলয়ঙ্কারী সিডরে আমাদের ঘর-বাড়ী ভাসিয়ে নিয়ে যায়। এ সুযোগে প্রতিবেশী মজিবর হাওলাদার আমাদের বসবাসরত জমি দখলের পায়তারা চালায়। এরপর থেকে আমরা এ বিষয়ে কিছুই জানিনা। কোন নোটিশ ছাড়াই আজকে আমাদের উচ্ছেদ করা হয়।এখন আমরা নিঃস্ব হয়ে গেছি।কোথায় গিয়ে থাকব,কিভাবে জীবন চালাব একমাত্র ভগবানই জানে।

বিজ্ঞ এ্যাডভোকেট কমিশনার হরিদাস বিশ্বাস বলেন, ছকিনা বেগম এর পক্ষে আদালত দখল বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য আদেশ প্রদান করেন।

English Dainikbiswa

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ// জাতিসংঘ মহাসচিব সরাসরি কথা বলবেন

ট্রেন টিকিট// প্রেস ব্রিফিং কালে ব্যবস্থাপকের ফোন ও মানিব্যাগ চুরি

হৃদয় মণ্ডলের মামলার তদন্ত প্রতিবেদন// ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের প্রমাণ মেলেনি

//অনলাইন নিউজ ডেস্ক//

ধর্ম অবমাননার মামলায় অভিযুক্ত বিনোদপুর রামকুমার উচ্চবিদ্যালয়ের বিজ্ঞানের শিক্ষক হৃদয় চন্দ্র মণ্ডলের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার বিষয়টি প্রমাণিত হয়নি। এ ঘটনায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের তদন্ত কমিটির প্রধান সরকারি হরগঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল হাই তালুকদার বুধবার বিকেলে এ তথ্য জানিয়েছেন।

বুধবার বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন মাউশি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নেহাল আহমেদের কার্যালয়ে গিয়ে তাঁর কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।

অধ্যক্ষ আবদুল হাই তালুকদার বলেন, ‘১১ এপ্রিল মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর থেকে আমাকে ঘটনার বিষয়টি তদন্ত করার জন্য পাঁচ কার্যদিবসের সময় বেঁধে দেয়। ১২, ১৩, ১৮, ১৯ এপ্রিল ঘটনার তদন্ত করি। এ সময় মামলার বাদী, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি, বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং দশম শ্রেণির যেসব শিক্ষার্থীর সঙ্গে ধর্ম ও বিজ্ঞান বিষয় নিয়ে কথা-কথাকাটি হয়েছিল, তাদের সবার সঙ্গে কথা বলেছি। এদের মধ্য থেকে ১০ জনের লিখিত বক্তব্যও নেওয়া হয়। তাদের কারও বক্তব্যে ধর্ম অবমাননার বিষয়টি প্রমাণিত হয়নি।’

আবদুল হাই তালুকদার আরও বলেন, ছাত্ররা গোপনে ক্লাসে মুঠোফোন নিয়েছিল। ছাত্ররা তাঁর বক্তব্যটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে রেকর্ড করেছিল। এগুলো পরিকল্পিত ছিল। ছাত্ররা এগুলো স্বীকার করেছে। ছাত্ররা তাদের ভুল বুঝতে পেরেছে, এ জন্য ক্ষমা চেয়েছে। বাইরে থেকে এগুলো কেউ তাদের দিয়ে করিয়েছে কি না, তা কেউ স্বীকার করেনি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, শিক্ষক হৃদয় মণ্ডল প্রাইভেট পড়াতেন। অনেক প্রাইভেট শিক্ষার্থী ছিল। এ ছাড়া একজন বিজ্ঞানের শিক্ষক ছিলেন, তিনি অবসরে গেছেন। এ জন্য বিজ্ঞান ও গণিতের সব ক্লাস হৃদয় মণ্ডল পেয়েছেন। এতে অন্য শিক্ষকেরা ঈর্ষান্বিত হতে পারেন। এসব কারণেও হৃদয় মণ্ডলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হতে পারে।

হৃদয় চন্দ্র মণ্ডল বুধবার রাতে বলেন, ‘তদন্তে ধর্ম অবমাননার বিষয়টি মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। আমি ও আমার পরিবারের সবাই খুব খুশি। আমার বিশ্বাস ছিল, আমাকে যে বিষয় নিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে, সেটি একদিন না একদিন মিথ্যা প্রমাণিত হবে। তবে এত তাড়াতাড়ি হয়তো হতো না। মিডিয়ার কারণে সম্ভব হয়েছে।’

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হৃদয় চন্দ্র মণ্ডলের বিরুদ্ধে গত ২২ মার্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী মো. আসাদ বাদী হয়ে মামলা করেন। ওই দিনই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২৩ ও ২৮ মার্চ আদালতে তাঁর জামিন চাওয়া হয়েছিল। সে সময় আদালত তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছিলেন। ১০ এপ্রিল জামিনে মুক্তি পান হৃদয় চন্দ্র মণ্ডল। ১১ এপ্রিল এ ঘটনা তদন্তে মাউশি মুন্সিগঞ্জ সরকারি হরগঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল হাই তালুকদারকে প্রধান করে এক সদস্যের কমিটি গঠন করে।

বিনোদপুর রামকুমার উচ্চবিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক বলেন, ২০ মার্চ দশম শ্রেণির বিজ্ঞানের ক্লাস নিচ্ছিলেন হৃদয় চন্দ্র মণ্ডল। সেখানে বিজ্ঞান ও ধর্ম বিষয়ে তাঁর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের কয়েকজনের পক্ষে-বিপক্ষে কথোপকথন হয়। এক শিক্ষার্থী ওই কথোপকথনের ভিডিও ধারণ করে। পরে প্রধান শিক্ষক মো. আলাউদ্দীনকে বিষয়টি জানানো হয়। প্রধান শিক্ষক সেদিনই হৃদয় চন্দ্রকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন এবং শিক্ষার্থীদের শান্ত থাকতে বলেন। তবে শিক্ষার্থীরা স্থানীয় কয়েকজন ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বিষয়টি জানায়। পরদিন সকালে তাঁরা বিদ্যালয়ে এসে ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তারের দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

English Dainikbiswa

খুলনার রূপসায় পাওনা টাকা চাওয়ায় হৃদয় নিহত, আহত ২

ইট পোড়ানোর সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশ হওয়ার পর আমতলীর সেই তিনটি ইট ভাটাকে জরিমানা

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলীতে করাত কল বসিয়ে ইট পোড়ানোর সংবাদ দৈনিক বিশ্ব পত্রিকায় প্রকাশ হওয়ার পর আমতলীর সেই তিনটি ইট ভাটাকে ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা  জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বরগুনার আমতলী উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের ৩টি ইটভাটাকে মঙ্গলবার দুপুরে ইট ভাটায় অবৈধভাবে করাত কল বসিয়ে কাঠ দিয়ে ইট পোরানোর  দায়ে এ জরিমানা করা হয় এবং  আগামী ৭দিনের মধ্যে ভাটা থেকে করাত কল সরিয়ে নেওয়ার ও নির্দেশ দিয়েছেন।

জানা গেছে,উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের রায়বালা গ্রামের নুরুজ্জামান হাওলাদার এডিবি ও খাকদান গ্রামে জসিম মৃধা মৃধা ব্রিক্রস এবং একই গ্রামের মধু মৃধা ফাইভ স্টার নামে ভাটা স্থাপন করে দীর্ঘদিন অবৈধভাবে ইট তৈরি করে আসছে।এ সকল ইট ভাটায় শুরু থেকেই ভাটার অভ্যন্তরে করাত কল বসিয়ে  কাঠ দিয়ে ইট পোড়ানোর অভিযোগ রয়েছে।এ নিয়ে সোমবার একাধিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর মঙ্গলবার দুপুরে আমতলীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্যাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নাজমুল ইসলাম উক্ত ইট ভাটা সমুহে  অভিযান চালিয়ে এডিবি ইট ভাটার মালিক নুরুজ্জামানকে ৭০ হাজার টাকা,মৃধা ব্রিকস এর মালিক জসিম মৃধাকে ৫০ হাজার এবং ফাইভ স্টার ব্রিকস এর মালিক মধু মৃধাকে ৫০ হাজারসহ মোট ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

এছাড়াও ভাটার অভ্যন্তরে বসানো করাত কল আগামী ৭দিনের মধ্যে সরিয়ে নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন।

এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্যাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নাজমুল ইসলাম বলেন,ভাটা ৩টিতে অভিযানকালে দেখা যায় ভাটার অভ্যন্তরে করাত কল বসিয়ে অবৈধ ভাবে কাঠ দিয়ে ইট পোড়ানো হচ্ছে।এ সময় উক্ত ইট ভাটার মালিকদেরলকে ইট তৈরি ও ভাটা নিয়ন্ত্রন আইন ২০১৩ অনুযায়ী ১লক্ষ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা এবং ভাটার ভিতর থেকে ৭ দিনের মধ্যে করাত কল সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

English Dainikbiswa

আমতলীতে ইটভাটায় করাতকল: হুমকির মুখে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্

বাবার কোলে থাকা শিশুকে হত্যার প্রধান আসামী সহ আটক ৫

//অনলাইন নিউজ ডেস্ক//

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে বহুল আলোচিত বাবার কোলে থাকা অবস্থায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত শিশু তাসপিয়া হত্যার মামলার প্রধান আসামি রিমনসহ আরও পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মো. রিমন (২৩), মো. মহিন (২৫), মো. আকবর (২৫), মো. সুজন (২৮) ও নাঈম ওরফে বড় নাঈম (২৩)।

মঙ্গলবার রাতে সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বর থানার চরক্লার্ক থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান র‍্যাব-১১ এর সিপিসি-৩ নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার খন্দকার মো. শামীম হোসেন।

খন্দকার মো. শামীম হোসেন জানান, গ্রেপ্তারের সময় র‌্যাবের সঙ্গে রিমন ও তার সহযোগীদের বেশ কিছুক্ষণ গোলাগুলি হয়। তবে এতে কেউ হতাহত হয়েছেন কি না তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, রাত সাড়ে ১০টার দিকে গোপন সংবাদ পেয়ে র‌্যাব-১১-এর একটি দল আসামিদের গ্রেপ্তারে সুবর্ণচরের চরক্লার্ক এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে রিমন ও তার সহযোগীরা র‌্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এ সময় র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছোড়ে।

কিছুক্ষণ গোলাগুলির পর র‌্যাব চারদিক থেকে ঘেরাও করে শিশু মামলার প্রধান আসামি মো. রিমনসহ পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তিনি সাংবাদিকদের জানান, বাকি আসামিদের ধরতে তখনও অভিযান চলছে।

খন্দকার শামীম হোসেন আরও জানান, বুধবার বেলা ১১টায় নোয়াখালীতে এ ঘটনায় প্রেস ব্রিফিং করবে র‌্যাব।

এর আগে, গত ১৩ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বেগমগঞ্জের পূর্ব হাজীপুর গ্রামে জমির মাটি কাটা নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে বাবার কোলে থাকা শিশু তাসপিয়াকে গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসী রিমন বাহিনীর সদস্যরা। এ সময় তাসপিয়ার বাবা প্রবাসী মাওলনা আবু জাহেরও গুলিবিদ্ধ হন।

শিশু তাসপিয়া নিহত হওয়ার ঘটনায় তার খালু হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

English Dainikbiswa

ঠাকুরগাঁওয়ে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলায় ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড