খুলনার রূপসায় লকডাউনে প্রশাসনের মাস্ক বিতরণ, অভিযান ও জরিমানা

 

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে লকডাউনের প্রথম দিন থেকে খুলনার রূপসা উপজেলায় লকডাউন নিশ্চিত করার লক্ষে জনসাধারণের মাঝে মাক্স বিতরণ, মাইকিং ও সচেতনতা প্রচারণা করা হয়।

উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত খান মাসুম বিল্লাহ ৫ এপ্রিল সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ প্রচরণা করেন।

রূপসা ঘাটে নৌকায় অধিক লোক নেওয়ার অপরাধে ২ মাঝিকে জরিমানা করেন এবং লকডাউনের প্রথম দিনেই ১১টি মামলা ও ৩১০০ টাকা জরিমানা আদায় করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের নির্দেশে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান।

অপরদিকে খুলনা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মামুনুর রশিদ সকাল থেকে রূপসার গুরুত্বপূর্ণ এলাকা গুলোতে অভিযান পরিচালনা করেন। রূপসা ঘাট, সেনেরবাজার ঘাট, উপজেলা সদর, পালেরহাট বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় মানুষকে সচেতনতামূলক প্রচার ও মাক্স বিতরণ করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন থানা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, ওসি তদন্ত মো. সিরাজুল ইসলামসহ অসংখ্য পুলিশ সদস্য।

//খুলনা ব্যুরো, আ: রাজ্জাক সেখ //

মাস্ক ব্যবহার না করায় ৯ ব্যাক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা, রাণীশংকৈলের ইউএনও

 মাহাবুব আলম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ।।

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় সাড়া দেশের ন্যায় করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের সার্বিক পরিস্থিতি মোকাবেলায় মাস্ক পরিধান ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয় ।

১ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বর সংলগ্ন মহাসড়ক ও পৌর কাঁচা বাজারে মাস্ক ব্যবহার না করায় সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ আইন ১৮৬০ এর ২৬৯ ধারায় ৯ জনকে সামান্য অর্থ জরিমানা করেন ।

এছাড়াও শতাধিক মাস্ক বিহীন গরীব পথচারীকে বিনামূল্য মাস্ক বিতরণ করেন ইউএনও । এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির।

এ সময় ইউএনও অফিসের পেশকার ইউনুস আলী, এস আই আহসান হাবিব, পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ইউএনও বলেন সাড়া বিশ্বে করোনা আবার ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে তারই প্রেক্ষিতে এ মাস্ক বিতরণের কার্যক্রমের শুরু হয়েছে । সেই সাথে সকলকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরা ও মাস্ক পরিধান করে চলাফেরা পরামর্শ দেন তিনি জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে নির্বাহী কর্মকর্তা জানান ।

হেফাজত -পুলিশ সংঘর্ষে হতাহতের ৬ মামলায় চট্টগ্রামে আসামী ২৫০০

 

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে  ভারতের প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধীতা করে হেফাজতে ইসলামী- পুলিশের সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনার ৫ দিন পর হাটহাজারী থানায় পৃথক ছয়টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এ সব মামলায় ২ হাজার ৫০০ জনকে আসামী করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে এ সব মামলা দায়ের করা হয়। চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার রাসিদুল হক মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

হাটহাজারী থানা পুলিশ সুত্র জানায়, হাটহাজারী উপজেলা সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয়, সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ২৬ মার্চ হামলা ও অগ্নিকান্ডের ঘটনায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসের নাজির একরামুল হক সিকদার এবং ইউনিয়ন সদর ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আকতার কামাল চৌধুরী বাদী হয়ে দুইটি এবং হাটহাজারী থানায় হামলা, পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধা প্রদান, পুলিশ সদস্যদের মারধর ও অগ্নি সংযোগের অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে পৃথক চারটি মামলা দায়ের করেছে।

হাটহাজারী থানায় হামলা, পুলিশের কাজে বাধা, পুলিশ সদস্যদের মারধরের অভিযোগে করা মামলায় অজ্ঞাত পরিচয়ে ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার ব্যক্তিকে আসামী করা হয়েছে। অন্যদিকে ভূমি অফিসের করা দুইটি মামলায় অজ্ঞাত পরিচয়ের দুই শত করে মোট চারশত ব্যক্তিকে আসামী করা হয়েছে।

উলে­খ্য যে, গত ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা করে হেফাজতের বিক্ষোভ থেকে একদল উশৃঙ্খল যুবক উপজেলা ভুমি অফিস, ইউনিয়ন ভুমি অফিসে হামলা করে ব্যাপক ভাংচুর চালায়। এতে হাটহাজারী উপজেলা সদর, ফতেপুর ও মেঘল ইউনিয়নের ১৭ টি মৌজার নামজারী খতিয়ান, বিএস খতিয়ান, খাজনা বই, খতিয়ান বইসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন সরকারী দলিল- দস্তাবেজ খতিগ্রস্থ হয়।

রিপোর্টার: আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম //

বিএনপি নেতা ডা. শাহাদাতকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ বিজ্ঞ আদালতের

 

 চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেনকে এক কোটি টাকা চঁাদা দাবী মামলায় জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত। বুধবার দুপুরে অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মহিউদ্দিন মুরাদের আদালত নির্দেশ প্রদান করেন। গত সোমবার গ্রেফতারের পর মঙ্গলবার বিকালে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম সরোয়ার জাহানের আদালতে হাজির করা হলে আদালত ডা. শাহাদাত হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন

এর আগে গত সোমবার সন্ধায় নগরীর পাঁচলাইশ এলাকার বেসরকারী ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে নিজ চেম্বার থেকে ডা. শাহাদাতকে গ্রেফতার করা হয়। পরে নগর বিএনপির সাবেক সহ দফতর সম্পাদক নারী নেত্রী লুসি খানের দায়ের করা এক কোটি টাকার চাঁদা দাবীর মামলায় আটক দেখানো হয়

ডা. শাহাদাত হোসেনের আইনজীবী চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট এনামুল হক জানান, চকবাজার থানার চঁাদা দাবী অপহরণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ডা. শাহাদাত হোসেনকে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন পুলিশ। আদালত শুনানী শেষে ডা. শাহাদাতকে জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদ করার আদেশ প্রদান করেছেন। অন্য দুই মামলায় রিমান্ডের আবেদন করা হয় নি

উলে­খ্য নগরীর কাজীর দেউরীতে চট্টগ্রাম বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ মিছিলকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে দুইটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলা দুইটিতে বিএনপি চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান শামীম, মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন, নগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাসেম বক্কর, চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলার বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান সহ ৫৭ জনের নাম উলে­ পূর্বক আরো অজ্ঞাত নামা ৫০৬০ জনকে আসামী করে কোতোয়ালী থানায় করা মামলায় ডা. শাহাদাতকে গ্রেফতার দেখানো হয়

 রিপোর্টার: আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ।।

কক্সবাজারে ৩ কাউন্সিলর গ্রেফতার।। অপরাধ রোহিঙ্গাদের ভোটার করা

কক্সবাজর সংবাদদাতা।।

রোহিঙ্গাদের ভোটার করার অভিযোগে কক্সবাজার পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মিজানুর রহমান এবং সাবেক কাউন্সিলর জাবেদ কায়সার নোবেল ও রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে দুদক।

রোববার ভোরে কক্সবাজার শহরের নিজ নিজ বাসা থেকে তাদের গ্রেফতার করে দুদকের দল। অভিযানে নেতৃত্ব দেন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম ২-এর উপপরিচালক মাহবুব আলম ও সহকারী পরিচালক শরীফ উদ্দীন।

দুদকের সহকারী পরিচালক শরীফ উদ্দীন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, কাউন্সিলের দায়িত্ব পালনকালে এই গ্রেফতার চারজনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে রোহিঙ্গা নাগরিক ভোটার তালিকাভুক্ত করার অভিযোগ পেয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মামলা করে দুদক, যার নং ১০/২০২১।

দুদক কর্মকর্তা শরীফ উদ্দীন বলেন, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনৈকতার আশ্রয় নিয়ে কক্সবাজার পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মিজানুর রহমান এবং সাবেক কাউন্সিলর জাবেদ কায়সার নোবেল, রফিকুল ইসলাম ও  দিদারুল আলম রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি করে। এমন তথ্য পায় দুদক।

এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয় এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় দুদক দল। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের থানায় সোপর্দ করা হবে বলেও জানান তিনি।

গোপালগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী সেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টার দায়ে ১৪ জনের মৃত্যুদন্ডের আদেশ

ডেস্ক নিউজ: 

গোপালগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী সেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টার দায়ে ১৪ জনের মৃত্যুদন্ড আদেশ প্রদান করেন আজ ২৩/৩/২০২১ । ফায়ারিং স্কোয়র্ডে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হবে । বিধিতে সমস্যা থাকলে ফাসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ড ক্র্যকর করা হবে ।

টাঙ্গাইলের মধুপুরে কিশোরীকে অপহরণের সময় এক বখাটে যুবক আটক

 আঃ হামিদ, মধুপুর, টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার কুড়ালিয়া ইউনিয়নের ধলপুর গ্রামে এক কিশোরীকে নিয়ে পালানোর সময় এক বখাটে যুবককে আটক করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী।স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আহাম্মদ আলী জানান- ১৯শে মার্চ শুক্রবার রাত ৮ টার দিকে অত্র এলাকার আব্দুল গফুরের বখাটে ছেলে রাজু (১৯)একই এলাকার এক কিশোরী মেয়েকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ঘর থেকে বের করে। পরবর্তীতে কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখায় কিন্তু সে রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে বখাটে রাজু জোর করে উঠিয়ে নিতে গেলে মেয়েটির আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে রাজুকে ধরে ফেলে এবং প্রসাশনকে অবহিত করেন।
মধুপুর উপজেলা কমিশনার( ভুমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এম.এ করিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং বখাটে রাজুকে দোষী সাব্যস্ত করে ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কুড়ালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আহাম্মদ আলী, পুলিশ প্রসাশন ও ইউপি সদস্য সহ অত্র এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
উল্লেখ্য উপজেলা কমিশনার (ভুমি) এম.এ করিম বিগত করোনা মহামারি থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা, খাদ্য দ্রব্যের মুল্য বৃদ্ধি, নানান অনিয়মের বিরুদ্ধে এবং বাল্য বিবাহ রোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে মধুপুরবাসীর আস্থাশীল ও সাদা মনের মানুষ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। তার এই নানামুখী অভিযান অভ্যাহত থাকবে বলে তিনি আশ্বাস প্রদান করেন।

কলারোয়া সীমান্তে ২কোটি ৮লক্ষ টাকার স্বর্ণের বার উদ্ধারের ১৬ মাস পর থানায় মামলা

জুলফিকার আলী ,কলারোয়া, সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ

সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্তে ২ কোটি ৮লক্ষ টাকা মূল্যের ৪০০ ভরি স্বর্ণের বার উদ্ধারের ঘটনায় ১ বছর ৪ মাস পরে থানায় মামলা হয়েছে।

কলারোয়া থানায় ২০মার্চ বিকেলে সীমান্তের কাঁকডাঙ্গা বিজিবির পক্ষ থেকে একটি মামলা দেয়া হলে ঘটনার প্রকাশ পায়। মামলার বিবরণে জানা গেছে, গত ২২নভেম্বর ২০১৯সালে সকাল সাড়ে ৮টার সময় ৩৩/ই কোম্পানীর কাঁকডাঙ্গা বিওপি ৮৮৪৫২ নং সিপাহী শামীম হোসেন, সঙ্গীয় সিপাহী ৯৬৫৯০ আকিব হোসেন, সিপাহী ৯৪৩৯০ সুমন মিয়া, সিপাহী ৯৬৮৪৯ রাজু আহম্মেদ বালিয়াডাঙ্গা বাজার এলাকায় টহল দেয়।

ডিউটি চলাকালে সকাল সাড়ে ৮টার সময় বালিয়াডাঙ্গা বাজার বড় মসজিদের সামনে কসটেপ দ্বারা মোড়ানো অবস্থায় ৪০০ভরি (৪.৬৬৮গ্রাম) স্বর্ণের বার উদ্ধার করে। যার বাজার মূল্যে ২ কোটি ৮ লাখ টাকা।

সে সময় ওই মালামাল উদ্ধারের স্বাক্ষী ছিলো-কাঁকডাঙ্গা গ্রামের ইব্রাহীম হোসেনের ছেলে মিকাইল হোসেন (৩২), তাহের আলীর ছেলে জহুরুল ইসলাম (৪৫)। পরে স্বর্ণের বার গুলো উদ্ধার করে সাতক্ষীরা জুয়েলার্স সমিতিতে পরীক্ষা নিরিক্ষা করে ২দিন পরে সাতক্ষীরা ট্রেজারী অফিসে ২৪ নভেম্বর-২০১৯ সালে জমা দেয়।

যার ট্রেজারী নং-১৭/২০১৯ ইং। দীর্ঘ ১বছর ৪ মাস পরে ২০১৯ সালের স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনায় ২০২১ সালের ২০ মার্চ বিকালে কাঁকডাঙ্গা বিওপির একজন সিপাহী শামীম হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-৩৮(৩)২১।

এই মামলায় কোন সুবেদার বা হাবিলদার ও নায়েক সুবেদারের বাদী করা হয়নী। শুধূ মাত্র একজন সিপাহী নিজের ক্ষমতা বলে অজ্ঞাতনামা আসামীদের নাম ও ঠিকানা উদঘাটনের চেষ্টা করতে ১বছর ৪ মাস সময় নিয়েছে। আসলে এঘটনার পিছনে অনেক রহস্য লুকিয়ে রয়েছে।

তা না হলে কেন এতদিন পরে থানায় মামলা দেয়া হলো। তিনি এজাহারে আরো বলেছেন-অজ্ঞাতনামা আসামীদের নাম ও ঠিকানা উদঘাটনের চেষ্টা করিয়া উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের সহিত আলোচনা করতে ১বছর ৪মাস সময় লেগে যায়। এই হলো মামলার বিলাম্বের কারণ।

সুনামগঞ্জ হিন্দুদের বাড়িতে হামলার মূল যুবলীগ নেতা স্বাধীন মেম্বার গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক :

সুনামগঞ্জের শাল্লায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বাড়িতে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি শহিদুল ইসলামকে (স্বাধীন মেম্বার) গ্রেফতার করেছে পিবিআই সিলেট।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিবিআই সিলেটের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ খালেদ উজ জামান।

তিনি জানান, শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে প্রযুক্তি সহায়তায় স্বাধীন মেম্বারকে মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া থেকে গ্রেফতার করা হয়।

 

জানা যায়, ১৭ মার্চ সুনামগঞ্জের শাল্লার নোয়াগাঁওয়ে হিন্দুদের বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনার পর থেকেই উঠে আসে স্বাধীন মেম্বারের নাম। হামলার পরদিন স্থানীয় হবিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়ের করা মামলায়ও স্বাধীন মেম্বারকে আসামি করা হয়। স্বাধীনের বাড়ি শাল্লার পার্শ্ববর্তী দিরাই উপজেলার নাচনি গ্রামে। তিনি স্থানীয় ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য।

হেফাজত ইসলামের নেতা মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হকের সমালোচনা করে ফেসবুকে এক যুবকের দেওয়া স্ট্যাটাসের জেরে ১৭ মার্চ শাল্লার নোয়াগাঁওয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হাজারও লোক মিছিল নিয়ে এসে এই হামলা চালায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হামলাকারীদের বেশিরভাগই আসে স্বাধীনের গ্রাম দিরাইয়ের নাচনি থেকে। স্বাধীন মেম্বারও হামলাকারীদের দলে ছিলেন। তার উপস্থিতিতেই হামলা হয়। স্বাধীন মেম্বারের সঙ্গে জলমহাল নিয়ে নোয়াগাঁও গ্রামবাসীর বিরোধ রয়েছে। এই বিরোধের জেরে মামুনুল অনুসারীদের সঙ্গে তিনি এই হামলায় অংশ নেন বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের।

প্রসঙ্গত, ১৫ মার্চ দিরাইয়ে সমাবেশ করে হেফাজতে ইসলাম। এতে বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক। পরদিন মামুনুলের সমালোচনা করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন নোয়াগাঁওয়ের এক যুবক। এই স্ট্যাটাসের জেরে হিন্দু অধ্যুষিত ওই গ্রামটিতে হামলা চালিয়ে ৯০টিরও বেশি বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। এ ঘটনায় দু’টি মামলা এবং স্বাধীনসহ ২৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

৫ কোটি টাকার জায়গা উদ্ধার: চন্দনাইশে সড়ক বিভাগের উচ্ছেদ অভিযান

মোকতার আহমদ, চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি//

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার গাছবাড়ীয়া কলঘর, দোহাজারীতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের দু-পাশে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে পাঁচ কোটি টাকা মূল্যের ১ একর ৫০ শতক জায়গা উদ্ধার করেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

গত ১৫ মার্চ (সোমবার) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার গাছবাড়িয়া পায়রা মার্কেট, কলঘর ও দোহাজারী পৌরসভা এলাকায় সড়কের দু’পাশে অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গায় গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে উদ্ধার করা হয় ।

স.ও.জ সূত্রে জানা যায়, উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন সড়ক বিভাগ চট্টগ্রামের উপ-সচিব ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনোয়ারা বেগম। অভিযান পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের ক্রসবর্ডার ইমফ্রুভমেন প্রকল্প ব্যাবস্থাপক নির্বাহী প্রকৌশলী জুলফিকার আহমদ, উপ-প্রকল্প ব্যাবস্থাপক সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী তাজমিন বিনতে ইসলাম, প্রকৌশলী জিয়াউল হক, সেফটি ম্যানেজার মোঃ মিজানুর রহমান, সার্ভেয়ার আবদুল মন্নান, আবদুর রাজ্জাক ও চন্দনাইশ থানা ওসি তদন্ত মোঃ মজনু মিয়ার নেতৃত্বে ২১ সদস্য চন্দনাইশ থানার পুলিশের একটি টিম ও চন্দনাইশ ফায়ার সার্ভিসের একটি দল উচ্ছেদ অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন ।

সড়ক বিভাগ চট্টগ্রামের উপ-সচিব ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনোয়ারা বেগম সাংবাদিকদের বলেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের পাঁচ কোটি টাকার ১ একর ৫০ শতক জায়গা উদ্ধার করা হয়েছে।  তিনি  আরও বলেন, এ উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে। সে সাথে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গায় যত সব অবৈধ স্থাপনা রয়েছে, পর্যায়ক্রমে তা উচ্ছেদ করা হবে।