স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশে মোদির সফর অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ

অনলাইন ডেস্ক।।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর আয়োজনে যোগ দিতে ঢাকা সফর করবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী ২৫-২৬ মার্চ দুইদিন ব্যাপী মোদি বাংলাদেশ সফর করবেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশে এটি মোদির দ্বিতীয় সফর। এর আগে, ২০১৫ সালের জুনে ঢাকায় মোদির সফরে ২২টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এর পর একই বছরের আগস্টে ভারতের বাংলাদেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় সম্পন্ন হয়েছিল।

ইউরোপীয় ফাউন্ডেশন ফর সাউথ এশিয়ান স্টাডিজ (ইএফএসএএস) লিখেছে, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী বাংলাদেশিদের কাছে অত্যন্ত আবেগময়। যা মোদির এই সফরকে গভীর তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত ১০ দিন ব্যাপী ‘মুজিব চিরন্তন’ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এরইমধ্যে বাংলাদেশে এসেছেন মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, নেপালের রাষ্ট্রনেতারা। মোদির সফরকেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, আমি খুবই খুশি এবং ভাগ্যবান যে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী আমাদের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন। এটা আমাদের কূটনৈতিক সাফল্য ও অর্জনের অনেক বড় উদাহরন। করোনার মধ্যে এটাই মোদির প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর।

 

মোমেন জোর দিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক খুবই দৃঢ়। সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক বন্ধন দুই দেশের মানুষের মধ্যকার সম্পর্ককে শক্তিশালী করেছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় ভারত বাংলাদেশিদের “শারীরিক, মানসিকভাবে” সহায়তা করেছিল এবং যুদ্ধে ভারতীয় সৈন্যরা তাদের রক্ত দিয়েছিল।

৪ মার্চ ঢাকা সফরের সময় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছিলেন, আমরা বাংলাদেশকে শুধু দক্ষিণ এশিয়ায় নয়, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী ও সহযোগী দেশ হিসেবে বিবেচনা করি। নিরাপত্তা, বাণিজ্য, পরিবহন, সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমরা আমাদের এ সম্পর্কের পরিসরকে আরও সম্প্রসারিত করার কঠোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

সূত্র: এএনআই

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে্ নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ঢাকায়

অনলাইন ডেস্ক।।

নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারী ঢাকায় পৌঁছেছেন।  রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের আমন্ত্রণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দুদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে তিনি ঢাকায় এলেন।

সোমবার সকাল ১০টার দিকে বিদ্যা দেবী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী চার্টার্ড বিমানটি ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।  এসময় ২১ বার তোপধ্বনি দিয়ে নেপালের প্রেসিডেন্টকে বরণ করা হয়।

এটিই বাংলাদেশে নেপালের কোনো রাষ্ট্রপ্রধানের প্রথম সফর।  বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারী ২২ ও ২৩ মার্চ দুদিন ঢাকায় অবস্থান করবেন।

কিছুক্ষণ পরই তিনি সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাবেন।  সেখানে পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর ও একটি চারা রোপণ করবেন।

বিকালে প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এরপরে তিনি জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।  ওই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও নেপালের শিল্পীদের পরিবেশনায় একটি সাংস্কৃতিক পর্বেরও আয়োজন করা হয়েছে।

সন্ধ্যায় নেপালের প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং পারস্পরিক দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন।  উভয় রাষ্ট্রনেতার উপস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যে বেশ কয়েকটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আজ রাতেই রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ নেপালের প্রেসিডেন্ট এবং তার প্রতিনিধিদলের সম্মানে একটি নৈশভোজের আয়োজন করবেন।

আগামীকাল (২৩ মার্চ) নেপালের প্রেসিডেন্ট বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করবেন। এরপর তিনি কাঠমান্ডু ফিরে যাবেন।

নেপালের প্রেসিডেন্টের প্রতিনিধিদলে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র সচিব ছাড়াও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা রয়েছেন।

মানবসেবার জন্য সোনুর ছবি বিমানের গায়ে লাগিয়ে সম্মাননা!

অনলাইন ডেস্ক :

মানবসেবার জন্য ‘স্পেশ্যাল হিউম্যানিটেরিয়ান অ্যাকশন অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন বলিউড ‍ও দক্ষিণী ছবির জনপ্রিয় অভিনেতা সোনু সুদ। এই অ্যাওয়ার্ড উপলক্ষে তার ছবি একটি বিমানের পুরো অংশে লাগিয়ে  বিশেষ সম্মাননা জানিয়েছে ভারতীয় একটি বিমানসংস্থা।

ভারতের অন্যতম সমাজসেবক তারকাদের একজন সোনু সুদ। লকডাউনে বহু মানুষের খাবার, পড়াশোনার খরচ, চিকিৎসার খরচসহ নানাবিধ দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। সব কিছুই মনে রেখেছে দেশবাসী। তারই ধারাবাহিকতায় ভারতীয় এই বিমানসংস্থাটি এই সমাজ সেবক ও অভিনেতাকে সম্মান জানাতে ছবির সাথে লিখেছে, ‘রক্ষাকর্তা সোনু সুদকে কুর্নিশ।’

ভারতবাসী এই অভিনেতাকে ‘মসিহা’ নাম দিয়েছেন । লকডাউনের সময়ে দেশটির নানা প্রান্তে আটকে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি পৌঁছানোর ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন তিনি। স্বাস্থ্যকর্মীদের থাকার জন্য নিজের হোটেলের দরজা খুলে দিয়েছিলেন। বিদেশে আটকে থাকা ভারতীয় পড়ুয়াদের দেশে ফেরার জন্য বিমানের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন।

নিজের ছবিসহ সেই বিমানের ছবি দিয়ে সোনু গণযোগাযোগ মাধ্যমে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘ভালোবাসার জন্য অনেক ধন্যবাদ সবাইকে। মা ও বাবা, তোমাদের কথা খুব মনে পড়ছে’।

একসময় মুম্বাই আসার জন্য সোনুর ট্রেনের ভাড়াটুকু ছিল না। তিনি পাঞ্জাবের মগা থেকে মুম্বাই এসেছিলেন অভিনেতা হওয়ার জন্য। সামর্থ্য ছিল না ট্রেনে সংরক্ষিত টিকিট কাটার। কঠিন দিনে বাবা-মা ছিলেন সোনুর পাশে। কিন্তু ছেলের সাফল্য তারা দেখে যেতে পারেননি।

জাপানের উত্তরাঞ্চলে ৭.২ স্কেলে ভূমিকম্প

আন্তর্জাতিক অনলাইন ডেস্ক : 

জাপানের উত্তরাঞ্চলে ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় শনিবার বিকাল ৬টা ২৬ মিনিটে মিয়াগি প্রিফ্যাকচারে ৭.২ মাত্রার ওই ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।

জাপানের ভূতাত্ত্বিক জরিপ কেন্দ্র জানিয়েছে,  রিখটার স্কেলে এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২, এর উপকেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠের ৬০ কিলোমিটার গভীরে।

ডয়চে ভেলে জানিয়েছে, এই ভূমিকম্পের ফলে ১ মিটার উচ্চতার সুনামি হতে পারে জানিয়ে সবাইকে উপকূল থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে।

এ ঘটনায় ঘরবাড়ি থেকে আতঙ্কে মানুষজন রাস্তায় নেমে আসে।

‘ভূমিকম্পের দেশ’ হিসেবে পরিচিত জাপান বারবার বড় বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে। ভূমিকম্প, ভূমিকম্প থেকে সৃষ্ট সুনামিসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগে সবসময় প্রস্তুত থাকতে হয় জাপানিদের।

ভূ-তাত্ত্বিকদের মতে, জাপান প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত। বাংলায় যার অর্থ হয় ‘আগুনের গোলা’। ‘রিং অব ফায়ার’ এমন একটি কাল্পনিক বেল্ট যা ঘোড়ার খুর আকৃতির মতো প্রধানত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলকে ঘিরে রেখেছে।

রিং অব ফায়ারে যেসব অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত হয়েছে সেগুলো পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ। এই রিং অব ফায়ারই ৯০ শতাংশ ভূমিকম্পের কারণ। ৪০ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ এই ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে ৪৫২টি আগ্নেয়গিরি রয়েছে, যা পৃথিবীপৃষ্ঠে অবস্থিত মোট আগ্নেয়গিরির ৭৫ শতাংশ।

এশিয়ার জাপান, পলিনেশিয়ার টোঙ্গো, দক্ষিণ আমেরিকার ইকুয়েডর এই রিং অব ফায়ারের অন্তর্ভুক্ত। তাই এসব অঞ্চলেই বেশি ভূমিকম্প হয়ে থাকে।

১০ বছরের মধ্যে বেইজিংয়ে ভয়ঙ্কর ধূলিঝড়

অনলাইন ডেস্ক : 

প্রবল ধূলিঝড়ের মুখে পড়েছে চীনের রাজধানী বেইজিং। ১০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর এই ধূলিঝড়ে হলুদ বর্ণের আকার ধারণ করেছে পুরো শহর। সোমবার হঠাৎ করেই মঙ্গোলিয়ান মালভূমি থেকে ধেয়ে আসা এই ধূলিঝড়ে বিপদের মুখে পড়ে বেইজিংবাসী।

বিপাকে পড়ে বন্ধ রাখা হয় চার শতাধিক ফ্লাইট। অবস্থা এমন হয়েছে যে দিনের বেলাতেও কিছু জায়গাতে লাইট জ্বালাতে হয়।

গাড়িগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলতে হয়েছে। গত এক দশকে এমন বিপর্যয় দেখেনি বেইজিংবাসী। চীনের আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ সোমবার বেইজিংসহ আশেপাশের এলাকায় এই ঝড় সম্পর্কিত সতর্কতাও জারি করে।

 

শুধু বেইজিং না, শহরটির চারপাশের কিছু এলাকা যেমন, গান্সু, শাংসি, হেবেই এলাকাতেও এই ধূলিঝড় দেখা গেছে।

আমেরিকা বিশ্বের প্রধান অস্ত্র বিক্রেতা , বড় ক্রেতা সৌদি আরব

অনলাইন ডেস্ক : 

গত পাঁচ বছরে সারা বিশ্বে যে পরিমাণে অস্ত্র বিক্রি হয়েছে তার এক-তৃতীয়াংশের বেশি আমেরিকায় তৈরি হয়েছে এবং এ সময়ে সৌদি আরব সবচেয়ে বেশি অস্ত্র কিনেছে।

স্টকহোম ভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট বা এসআইপিআরআই সোমবার তাদের বার্ষিক রিপোর্টে এসব তথ্য জানিয়েছে। এ রিপোর্টের তথ্যমতে- ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত আমেরিকা একাই সারাবিশ্বের শতকরা ৩৭ ভাগ অস্ত্র বিক্রি করেছে।

এই সময় আমেরিকা যে অস্ত্র বিক্রি করেছে তার শতকরা ৪৭ ভাগ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে গেছে এবং এর প্রধান ক্রেতা ছিল সৌদি আরব। এই ৪৭ ভাগ অস্ত্রের মধ্যে ২৪ ভাগ একা সৌদি সরকার কিনেছে।

 

এসআইপিআরআই আরও জানিয়েছে, ২০১১ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আমেরিকা যে অস্ত্র বিক্রি করেছিল তার তুলনায় ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত শতকরা ১৫ ভাগ অস্ত্র বিক্রি বেড়েছে।

এদিকে, রাশিয়া এখনও বিশ্বে অস্ত্র রফতানির ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। সারা সারা বিশ্বের মোট অস্ত্রের এক-পঞ্চমাংশ রফতানি করে থাকে মস্কো। তবে ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত গত পাঁচ বছরে দেশটির অস্ত্র রপ্তানি কমেছে শতকরা ২২ ভাগ। রাশিয়া থেকে ভারত অস্ত্র আমদানি কমিয়ে দেওয়ার কারণে রাশিয়ার অস্ত্র বিক্রি মূলত কমেছে।

বিশ্বের তৃতীয় প্রধান অস্ত্র রফতানিকারক দেশ হিসেবে ফ্রান্সের নাম উঠে এসেছে। দেশটি সারাবিশ্বের শতকরা আট ভাগ অস্ত্র রফতানি করে থাকে। ফ্রান্সের প্রধান অস্ত্র ক্রেতা দেশ হচ্ছে ভারত, মিশর এবং কাতার। জার্মানি এবং চীন পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে। আলজেরিয়া ও পাকিস্তান হচ্ছে চীনের প্রধান অস্ত্র ক্রেতা দেশ।

দক্ষিণ আফ্রিকার ধরনসহ বাংলাদেশে করোনার ১২ রূপ শনাক্ত

অনলাইন ডেস্ক : 

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস নিয়ে আরও একটি দুঃসংবাদ এল। প্রথমবারের মত বাংলাদেশে শনাক্ত হল করোনাভাইরাসের দক্ষিণ আফ্রিকান স্ট্রেইন। শুধু তাই নয়, এটিসহ করোনার মোট ১২টি অ্যাকটিভ ধরন শনাক্ত হয়েছে এ দেশে।

করোনাভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সের উন্মুক্ত তথ্যভান্ডার, গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অন শেয়ারিং অল ইনফ্লুয়েঞ্জা ডাটা (জিআইএসএআইডি) এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

জার্মান প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত দক্ষিণ আফ্রিকার ধরনটি বাংলাদেশে প্রথম শনাক্ত হয় গেল ২৪ জানুয়ারি। করোনাভাইরাসের এই স্ট্রেইনটি বিশ্বের ৫৫টিরও বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

 

দক্ষিণ আফ্রিকার ধরনটির প্রভাবে মারাত্মক অসুস্থতা দেখা দেওয়ার প্রমাণ না থাকলেও এই ভাইরাস খুব দ্রুত ছড়ায়।

এছাড়া প্রাথমিক পর্যায়ের ট্রায়ালে দেখা গেছে, অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা’র করোনার টিকা দক্ষিণ আফ্রিকার স্ট্রেইন প্রতিরোধে কম কার্যকরি।