“ভূমি সেবা ডিজিটাল, বদলে যাচ্ছে দিনকাল” গজারিয়ায় ভূমি সেবা সপ্তাহ পালিত

 

“ভূমি সেবা ডিজিটাল, বদলে যাচ্ছে দিনকাল”- এই স্লোগানকে সামনে রেখে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ভূমি সেবা সপ্তাহ ২০২১ পালিত হয়েছে। আজ (০৬ জুন) রবিবার সকাল ১০ঘটিকায় উপজেলা ভূমি অফিসের আয়োজনে গজারিয়ায় সোনালী মার্কেটস্থ উপজেলা ভূমি অফিস কার্যালয়ে ফিতা কেটে সেবা সপ্তাহের শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিয়াউল ইসলাম চৌধুরী।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) সৈয়দা ইয়াছমিন সুলতানা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে র্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) সৈয়দা ইয়াছমিন সুলতানা জানায় ০৬ জুন থেকে ১০ জুন পর্যন্ত ভূমি সেবা সপ্তাহ ২০২১ইং উপলক্ষ্যে জনসাধারণ সহজে এ সপ্তাহে কতিপয় সুবিধা গ্রহন করতে পারবে।

 

সুবিধা গুলো মধ্যে উল্লেখ্য থাকে যে

১.ভূমি উন্নয়ন কর আদায় ও অন লাইনে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ে রেজিষ্ট্রেশন

২. ই-নামজারির আবেদন

৩. খাস জমির বন্দোবস্তের আবেদন

৪. ভূমিহীন দের মাঝে বন্দোবস্তকৃত জমির দলিল হস্তান্তর

৫. ডি.সি.আর ও খতিয়ান প্রদান/ ভি.পি নবায়ন এর আবেদন সহ বিবিধ সেবা গ্রহন করতে পারবেন।

//সৈয়দ মোঃ শাকিল গজারিয়া,মুন্সীগঞ্জ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

দেশকে স্বয়ংসম্পুর্ণ করতে শেখ হাসিনা সরকারের বিকল্প নাই: সালাম মূর্শেদী

 

 

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান

 

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী । বাঁশখালীতে পুষ্টি মেধা দারিদ্র বিমোচন দিনব্যাপী প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে উদ্যোগে এক সভা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাঁশখালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. সমরঞ্জন বড়ুয়ার ব্যবস্থাপনায় ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইদুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, বাঁশখালী সাংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী এমপি।

 

বিশেষ অতিথি বাঁশখালী থানার (ওসি) তদন্ত আজিজুল ইসলাম,উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম,এডভোকেট তোফাইল বিন হোসাইন, বাঁশখালী থানা পুলিশের এসআই নাজমুল হক, এসআই আকতার,ওলমা লীগ সভাপতি মৌঃ আকতার হোসাইনসহ প্রাণিসম্পদ অফিসের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

উক্ত প্রদর্শনীতে বাঁশখালী উপজেলার খামারীরা উন্নত জাতের গাভী, বাছুর, ষাঁড়, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, হাঁস—মুরগি, শৌখিন পাখি (কবুতর, ময়না, টিয়া, ঘুঘু প্রভৃতি), প্রাণী প্রযুক্তি, বিভিন্ন দুগ্ধজাত পণ্য (মিষ্টি, দই, ঘি, মাখন, ছানা প্রভৃতি), মাংস প্রক্রিয়াজাত পণ্য ইত্যাদি নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। প্রদর্শনীতে ১ম, ২য়, ৩য় স্থান অর্জনকারী খামারীদের মাঝে আকর্ষণীয় পুরস্কার প্রদান করা হয়।

//চট্রগ্রাম প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রাজশাহীর বাঘায় প্রাণী সম্পদ  প্রদর্শনী-২০২১ অনুষ্ঠিত

রাজশাহীর বাঘায় প্রাণী সম্পদ  প্রদর্শনী-২০২১ অনুষ্ঠিত

রাজশাহীর বাঘায় প্রাণী সম্পদ দপ্তর ও ভ‍েটেরেনারি হাসপাতালের ব‍্যাবস্থাপনায় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী-২০২১ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৫ জুন) দুপুরে প্রাণিসম্পদ ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি) প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, মৎস‍্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিস চত্তরে শুরু হওয়া এ প্রদর্শনী করোনা জন্য সংক্ষিপ্ত ভাবে চলে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানা চামেলী সভাপতিত্বে লাল ফিতা কেটে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী-২১ এর উদ্ভোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠানের ঘোষনা দেন। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,বাঘা উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ লায়েব উদ্দিন লাভলু,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানা চামেলী, কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লাহ সুলতান,মৎস্য কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম,প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃআমিনুল ইসলাম,ভেটেনারী সার্জন রোকনুজ্জামান,উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল,যুগ্ন সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম মুন্টু,আওয়ামীলীগ সদস্য মাসুদ রানা তিলুসহ গরু ছাগল খামারী এবং পশু অফিসের অন্যান্য কর্মচারীবৃন্দ।
উপস্থিতদের মধ্য বক্তব‍্য রাখেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ  কর্মকর্তা ডা: আমিনুল ইসলাম, ভেটেরেনারী সার্জন ডা:রোকনুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল,উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃলায়েব উদ্দিন লাভলু।
এই প্রদর্শনীতে ২২ টি স্টল বসে। ১৫টি স্টলে বিভিন্ন জাতের গরু, ছাগল, ভেড়া, হাঁস, মুরগী ও বিভিন্ন ধরনের পাখি প্রদর্শনী করা হয়।
এ বিষয়ে ভেটেরেনারী সার্জন ডা:রোকনুজ্জামান বলেন, দেশে বিভিন্ন জাতের পশু পালন বিষয়ে আমরা ব‍্যাপক সাফল‍্য লাভ করেছি। হাঁস-মুরগীর ডিম উৎপাদনে আমরা লক্ষ‍্যমাত্রা অর্জন করেছি। দুধ উৎপাদনেও প্রায় লক্ষ‍্যমাত্রা অর্জনের পথে। তাই প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর মাধ‍্যমে এই বাঘা উপজেলা অঞ্চলের মানুষ যাতে উন্নত প্রজাতির পশু ও পাখি লালন-পালনে উদ্বুদ্ধ হয় এবং এর সুফল জনগণের মাঝে পৌঁছে দেয়াই আমাদের লক্ষ্য। চকরাজাপুর চর এলাকাতেও প্রায় ২হাজার ২শতটির বেশী মহিষ পালন করা হয়।যা আমরা এই পশু অফিস হতে সব সময় সার্বিক চিকিৎসা প্রদান করে থাকি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানা চামেলী বলেন, এই এলাকার মানুষ যাতে উন্নত জাতের গরু-ছাগল হাঁস মুরগী আরো বেশি লালন-পালন করতে পারে এই লক্ষ্য নিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।বাংলাদেশ সরকার দেশে ব্যপক উন্নতি ঘটিয়েছে। কৃষি সেক্টরেও অনেক উন্নয়ন সহ প্রাণীসম্পদে উন্নয়নের ধারা চলমান রাখতে সরকার বিভিন্নভাবে জনগণকে সহযোগিতা দিয়ে আসছে। প্রাণিসম্পদের এই প্রদর্শনী পশুপালনে জনগণের মাঝে ব‍্যাপক সাড়া ফেলবে বলে আশা করছি।
//হাবিল উদ্দিন, বাঘা, রাজশাহী//

খুলনায় ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে ২ লাখ ৯২ হাজার ২৪১ জন শিশুকে

 

খুলনায় ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো উপলক্ষে আগামী ৫ জুন থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত দেশব্যাপী অনুষ্ঠেয় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে খুলনা মহানগরী ও জেলার নয়টি উপজেলার ছয় থেকে ৫৯ মাস বয়সী দুই লাখ ৯২ হাজার দুইশত ৪১ শিশুকে একটি করে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ক্যাম্পেইন চলাকালে ৬-১১ মাস বয়সী প্রত্যেক শিশুকে একটি নীল রঙের এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী প্রত্যেক শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

 

ক্যাম্পেইনে অভিভাবকদের শিশুর জন্য মায়ের দুধের গুরুত্ব ও শিশুর ছয় মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি শিশুকে পরিমান মতো ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়ানোর বিষয়ে সচেতন করা হবে। জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার সকালে খুলনা নগরীর স্কুল হেলথ ক্লিনিক সম্মেলনকক্ষে জেলার সাংবাদিকদের জন্য সিভিল সার্জন দপ্তরের আয়োজনে এক ওরিয়েন্টশন কর্মশালায় এসকল তথ্য জানানো হয়।

 

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন খুলনার সিভিল সার্জন ডাঃ নিয়াজ মোহাম্মদ। সভাপতির বক্তৃতায় সিভিল সার্জন বলেন, ভিটামিন এ ক্যাপসুল রাতকানাসহ শিশুর অনেক রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। এটি শিশুর শরীরে কোন পাশ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে না। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ক্যাম্পেইন চলাকালে জেলার নয়টি উপজেলার এক হাজার ছয়শত ৪১টি টিকাদান কেন্দ্রে ছুটির দিন ব্যতিত প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

 

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থাকায় এ ক্যাম্পেইনে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও সর্তকতা অনুসরণ করা হবে। ভিটামিন ‘এ’ অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব থেকে শিশুকে রক্ষা করে, শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ডায়রিয়ার ব্যাপ্তিকাল ও জটিলতা কমায় এবং শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস করে। ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ভরাপেটে খাওয়ানো ভালো। এই ক্যাপসুল শিশুর জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং এটি খাওয়ালে পাশ্ব-প্রতিক্রিয়া হওয়ার তেমন কোন ঝুঁঁকি নেই। ভ্রমণে থাকাকালীন রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল, ফেরিঘাট ও লঞ্চঘাটে অবস্থিত কেন্দ্র থেকে শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে।

 

তবে ছয় মাসের কম অথবা পাঁচ বছরের বেশি বয়সী শিশু, চার মাসের মধ্যে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে এমন শিশু এবং মারাত্মক অসুস্থ শিশুকে এই ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না। জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক জয়ন্ত নাথ চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় কর্মশালায় স্বাগত জানান ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ এসএম কামাল হোসেন। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ শারাফাত হোসাইন।

 

খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম জাহিদ হোসেন, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুন্সি মোঃ মাহাবুব আলম সোহাগ প্রমুখ বক্তৃতা করেন। কর্মশালায় খুলনায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার ৭০ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।

//আ: রাজ্জাক শেখ,খুলনা ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

”তোমারো করোনা হোক” বলেই করোনা আক্রান্ত শাশুড়ি জড়িয়ে ধরেন বৌমাকে

 

খুলনায় বিশ্ব দুগ্ধ দিবস পালিত সবার জন্য মানসম্মত ও নিরাপদ দুধ নিশ্চিত চাই

 

খুলনায় বিশ্ব দুগ্ধ দিবস- ‘দুধ পানের অভ্যাস গড়ি, পুষ্টির চাহিদা পুরণ করি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারা বিশ্বের ন্যায় খুলনাতে মঙ্গলবার বিশ্ব দুগ্ধ দিবস পালিত হয়। জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে খুলনা বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভার আয়োজন করে।

 

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, মেধাবী প্রজন্ম গড়তে হলে তাদের পুষ্টির চাহিদা নিশ্চিত করতে হবে। আর পুষ্টির চাহিদা নিশ্চিতে দুধপানের কোন বিকল্প নেই। কিন্তু সচেতনতার অভাবে অধিকাংশ মানুষ প্রতিদিন নিয়মিত দুধ পান করে না।

 

মানুষকে দুধের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে আরো সচেতন করতে হবে। ‘গোলাভরা ধান আর গোয়ালভরা গরু’ একসময় বাঙ্গালীর ঐতিহ্য ছিলো উল্লেখ করে প্রধান অতিথি বলেন, এক সময় গ্রামগঞ্জের প্রতিটি পরিবার ছিলো স্বনির্ভর, পুষ্টির চাহিদা মেটাতে তাদের বাজারে যেতে হতো না। কিন্তু সেই ঐতিহ্য নানা কারণে এখন আর নেই। সোনালী সেই দিন ফেরাতে প্রধানমন্ত্রী ‘আমার বাড়ি আমার খামার’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন।

 

এসময় তিনি নায্যমূল্যে নিরাপদ দুধ সকলের নিকট পৌঁছে দিতে খামারীদের প্রতি আহবান জানান। অনুষ্ঠানে খামারীদের পক্ষ থেকে তাদের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে বলা হয় পশুখাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে কিন্তু সে অনুযায়ী দুধের মূল্য বৃদ্ধি পায়নি। তাছাড়া তাদের উৎপাদিত দুধ সময়মত বিপনন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। খামারীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মিড ডে মিল হিসেবে শিক্ষার্থীদের দুধ সরবরাহের অনুরোধ করেন।

 

এছাড়া খুলনা আঞ্চলে একটি মিল্ক প্রসেসিং ফ্যাক্টরি স্থাপনের জোর দাবী জানান তারা। খুলনা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোঃ ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ডাঃ মোঃ আমিনুল ইসলাম মোল্যা। স্বাগত জানান জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) রণজীতা চক্রবর্ত্তী।

 

অনুষ্ঠানে অন্যান্যে মধ্যে বক্তৃতা করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শ্যামল সিংহ রায় এবং খামারীদের পক্ষে মোঃ তোফাজ্জেল হোসেন তুষার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ফুলতলা উপজেলা প্রণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ অরুন কান্তি মন্ডল। দুধের গুনাগুণ সম্পর্কে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন ফুলতলা ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ তরিকুল ইসলাম।

 

এর আগে দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তর চত্ত্বরে একটি র‌্যালি এবং গাছের চারা রোপন করা হয়।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

চেয়ারম‍্যান বাদশার সুস্থতা কামনায় এমপি সালাম মূশের্দী ও আ:লীগের বিবৃতি

 

বাঁশখালীতে দরিদ্র পরিবারের ২-৫ বছর বয়সী শিশুদের মাঝে খাদ্য বিতরণ

 

বাঁশখালীতে দরিদ্র পরিবারের  মাঝে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও  ত্রান মন্ত্রনালয়ের উদ্যোগে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় জরুরী মানবিক সহায়তা হিসেবে  অসহায়  দরিদ্র পরিবার ২-৫ বছরের শিশুদের মাঝে  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত শিশু খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

 

আজ বৃহস্পতিবার  (২৭ মে)  দুপুর ১২ টায় চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলা পরিষদ কার্যালয় থেকে বাঁশখালীর বিভিন্ন  ইউনিয়ন ও পৌরসভার ১শত ৩০ পরিবারের সাধারণ শিশুদের মাঝে শিশুখাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। জনপ্রতি প্রতিটি প্যাকেটে ছিল ১ কেজি চিনি, সুজি ১ কেজি, মাক্স দুধ ৫০০ গ্রাম, সাগু ৫০০ গ্রাম , বাদাম ২৫০  গ্রাম ,মশর ডাল ৫০০ গ্রাম, সয়াবিন তেল ৫০০ গ্রাম, খেজুর, চিনি গুড়া চাল ৫০০ গ্রাম।

 

বাঁশখালী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবুল কালাম মিয়াজীর সভাপতিত্বে এ শিশু খাদ্য বিতরন অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান চৌধুরী, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শাকেরা শরীফ, বাঁশখালী পৌরসভার ৪,৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর রোজিয়া সোলতানা,দৈনিক দেশ রুপান্তর ও আজাদী প্রতিনিধি কল্যান বড়ুয়া মুক্তা,দৈনিক সংগ্রাম ও দিনকাল প্রতিনিধি আব্দুল জাব্বার,দৈনিক মানবকন্ঠ ও দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ প্রতিনিধি মুহা. মিজান বিন তাহের প্রমূখ।

 

এ ব্যাপারে বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইদুজ্জামান চৌধুরী  বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও  ত্রান মন্ত্রনালয়ের অধীনে জেলা প্রসাশন উদ্যোগে করোনা ভাইরাস সংক্রমন পরিস্থিতি মোকাবেলায় জরুরী মানবিক সহায়তা হিসেবে  অসহায়  দরিদ্র পরিবার  ২-৫ বছরের শিশুদের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত  উপহার সামগ্রী হিসেবে বাঁশখালীর বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার অসহায় দরিদ্র পরিবারের ১৩০ জন শিশুদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

 

//মোঃ আবদুল জববার, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

একজন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারকে লুঙ্গি খুলে পেটানোর হুমকি দিল কে এই হুইপ

 

১০ টি হেলিকপ্টার সংযুক্ত হলো বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে

 

গাড়ি, ঘোড়া আর মান্ধাতা আমলের বন্দুক ছিল পুলিশ বাহিনীর অতীত সম্বল। কালের বিবর্তনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পুলিশ বাহিনীতে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগলেও বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী যেন সেই কুসংস্কারাচ্ছন্ন ধ্যান ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে পারছিল না।

কিন্তু সেই প্রাচীন ধ্যান ধারণা থেকে বের হয়ে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর বহরে সংযুক্ত হলো ১০ টি হেলিকপ্টার। পুলিশ বাহিনীর এই হেলিকপ্টার সংযোজনে বাংলাদেশী হিসাবে উন্নত হলো মম শির।

বুকটা উঁচিয়ে বলতে ইচ্ছে করে বাংলাদেশীরাও পারে তাদের পুলিশ বাহিনীকে উন্নয়নের চরম শিখরে উঠাতে। সারা দেশের পুলিশ বাহিনীর মধ্যে খুশির বন্যা বইছে।

বিপদ মুহূর্তে আর কারো কাছে হাত পাততে হবে না, জীবনের শেষ সময়ে সুচিকিৎসার জন্য নিজেদের হেলিকপ্টারে করে ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশেষায়িত পুলিশ হাসপাতালে যেতে পারবে।এই বিশ্বাস কাজ করছে সমগ্র পুলিশ বাহিনীতে। সৃজনশীল কাজ সর্বদা অমরত্ব পায়।কিন্তু তখন দেখা যায় সেই সৃজনশীল ব্যক্তিরা থাকেন না।

স্মৃতিময় হয়ে স্বর্ণযুগ স্মরণ করবে এই হেলিকপ্টার সংযোজনের উদ্যোগতা মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন, কামাল ও বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি জনাব বেনজির আহম্মদ- এর নাম।

//নিজস্ব প্রতিবেদক, স্বীকৃতি বিশ্বাস//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী পালিত রাণীশংকৈলে

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী পালিত রাণীশংকৈলে

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২২ তম জন্মজয়ন্তী পালিত হয় ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ১১ জ্যৈষ্ঠ, ২৫ মে মঙ্গলবার ।

এ উপলক্ষে এদিন বিকেলে পৌর শহরের নেপচুন বিদ্যালয়ে ষড়জ শিল্পি গোষ্ঠি এক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। শিল্পি গোষ্টির সভাপতি প্রভাষক রেজাউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন কবি-গীতিকার অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি ও আলোচক ছিলেন মহিলা ডিগ্রি কলেজ উপাধ্যক্ষ মহাদেব বসাক, হরিপুর মুসলিমউদ্দিন কলেজের অধ্যাপক ফেরদৌস বাহার চৌধুরী, গাজীরহাট ডিগ্রি কলেজের সহ-অধ্যাপক বিল্লাল হোসেন।

এছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা হবিবর রহমান, গোষ্ঠির সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক, শিক্ষক অমল রায়, তৌহিদুল ইসলাম ও মাজহারুল ইসলাম বকুল প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন, মনসুরা বেগম কাজল, শাহিনা আকতার, পূর্বাশা মজুমদার ও মোজাফফর হোসেন।

তবলাবাদনে ছিলেন পল্লব মহন্ত। কবিতা আবৃত্তি করেন, ফেরদৌস বাহার চৌধুরী, আফরা আনজুম আভা, প্রভাষক মনিরুজ্জামান মনি। সঞ্চালনা করেন গোষ্ঠির প্রচার সম্পাদক আশরাফ আলী।

//মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল,  ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রাজশাহীর বাঘায় চুরি হওয়া ১২টি মহিষ পুঠিয়ায় উদ্ধার আটক-১

 

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর ১২২তম জন্মবার্ষিকীতে এমপি সালাম মূর্শেদীর বিনম্র শ্রদ্ধা

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর ১২২তম জন্মবার্ষিকীতে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
সাম্যের কবি, বিরহ-বেদনার কবি, বিদ্রোহের কবি, বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২২তম জন্মবার্ষিকীতে, খুলনা-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আব্দুস সালাম মূর্শেদীর পক্ষ থেকে জাতীয় কবির প্রতি রইলো গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা।
কাজী নজরুল ইসলাম ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দে জন্ম গ্রহন করেন। গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের হিসাবে সেটা ছিল ১৮৯৯ সালের ২৪ মে। তার বাবার নাম কাজী ফকির আহমেদ, মা জাহেদা খাতুন। দরিদ্র পরিবারে জন্মের পর দুঃখ-দারিদ্র্য ছিল তার নিত্যসঙ্গী। তার ডাকনাম ছিল দুখু মিয়া।
পিতার অকাল মৃত্যুতে পরিবারের ভরণপোষণের জন্য তিনি শিশু বয়সেই মক্তবে শিক্ষকতা, হাজি পালোয়ানের মাজারে খাদেম এবং মসজিদের মুয়াজ্জিনের কাজ করেছেন। যা পরবর্তীকালে বাংলা সাহিত্যে ইসলামী ঐতিহ্যের সার্থক ব্যবহারে এ সম্পৃক্ততা খুব ফলপ্রসূ হয়েছে।
বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি ছিলেন একাধারে কবি, সংগীতজ্ঞ, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক, চলচ্চিত্রকার, গায়ক ও অভিনেতা। তার কবিতা, গান ও সাহিত্য কর্ম বাংলা সাহিত্যে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিল।
১৯৭২ সালের ২৪ মে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে কবি সপরিবারে বাংলাদেশে আসেন। বাংলাদেশ সরকার কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করেন এবং জাতীয় কবি হিসেবে ঘোষণা দেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশেই ছিলেন।

খুলনা ফুলতলায় ৬০০ অসহায় পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা

 

খুলনার ফুলতলায় উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় করোনায় খুলনা কর্মহীন, অসহায় ও দুস্থ ছয়শত পরিবারের মাঝে

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

 

সোমবার সকালে খুলনা জেলার ফুলতলা উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে এই ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন। খাদ্যসহায়তার মধ্যে ছিলো চাল, আলু, ডাল, সবজি ও মাছ।

 

খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে জেলা প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাভাইরাস সংক্রমণের শুরু থেকে অসহায়, দুস্থ, শ্রমজীবী ও যারা দিন আনে দিন খায় তাদের বিভিন্ন সহায়তা করে যাচ্ছেন। এসকল ত্রাণসামগ্রী স্বচ্ছতার সাথে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের সমন্বয়ে বিতরণ করা হচ্ছে। করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে তিনি সক্ষম ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহবান জানান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোঃ ইকবাল হোসেন এবং ফুলতলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ আকরাম হোসেন। সভাপতিত্ব করেন উপজেলানির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন।

 

এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) মোঃ মারুফুল আলম, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণ উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রশাসন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

পরে জেলা প্রশাসক একই স্থানে খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উদ্যোগে উপজেলার ৩১ জন গ্রাম পুলিশদের মাঝে বাইসাইকেল, পোষাক ও সরঞ্জামাদি বিতরণ করেন। এছাড়া তিনি উপজেলার দামোদর ইউনিয়নে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য দ্বিতীয় পর্যায়ের ঘর নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে সরকার কর্তৃক ঘোষিত সর্বাত্মক লকডাউনের ফলে কর্মহীন হয়ে পড়া নিম্ন আয়ের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রান্তিক মানুষের কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। লকডাউন চলাকালে খুলনা মহানগর এবং উপজেলাসমূহে এই মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

 

আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

খুলনা জেলা পুলিশের (ডিবি) বিশেষ অভিযানে রূপসা থেকে ৫ চোর গ্রেফতার