বরিশাল নগরীতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপিত

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল প্রতিনিধি//

বরিশাল নগরীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় ও নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি তথা শুভ জন্মাষ্টমী উৎসব উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে শুক্রবার সকালে বরিশাল মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় সর্বজনীন প্রার্থনা, মঙ্গল শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এদিন সকাল ১০ টায় নগরীর কালিবাড়ি রোডের সামনে থেকে এক মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি বরিশাল নগরীর
প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
এরপর রামকৃষ্ণ মন্দিরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় সর্বজনীন প্রার্থনা করা হয়। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, সাইফুল ইসলাম বিপিএম-বার, বিশিষ্ট সমাজসেবক সভাপতি ধর্মরক্ষিনী শ্রী রাখাল চন্দ্র দে,সাধারণ সম্পাদক মৃণাল কান্তি সাহা।পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তমাল মালাকার, সাধারণ সম্পাদক চঞ্চল দাস পাপ্পা। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, ব্রাহ্মণ পুরোহিত কল্যাণ সমিতির সহ হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, প্রায় সাড়ে ৫ হাজার বছর আগে দ্বাপর যুগে ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে এ দিনে এক যুগ-সন্ধিক্ষণে আবির্ভূত হিন্দুধর্মের প্রবর্তক ও মহাবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কংসের কারাগারে বন্দি দেবকী ও বাসুদেবের বেদনাহত ক্রোড়ে জন্ম নিয়েছিলেন। অত্যাচারী ও দুর্জনের বিরুদ্ধে শান্তিপ্রিয় সাধুজনের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কংসের কারাগারে জন্ম নেন তিনি। শিষ্টের পালন ও দুষ্টের দমনে শ্রীকৃষ্ণ ব্রতী ছিলেন। সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে শ্রীকৃষ্ণ তাই ভগবানের আসনে অধিষ্ঠিত। শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন উপলক্ষে প্রতিবছর হিন্দু সম্প্রদায় বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করে থাকে।

সকাল হলেই শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব

//পলাশ চন্দ্র দাস :বরিশাল //

২ই ভাদ্র ১৪২৯বাং ১৯আগস্ট২০২২ শুক্রবার ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব উদযাপন হতে যাচ্ছে।গেলো দুই বছর মহামারী করোনার প্রাদুর্ভাবের কারনে শোভাযাত্রা,পদাবলী ও রামায়ন কীর্তন স্থগিত করা হয়েছিল।তাই সকল মঠ-মন্দিরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পূজা অর্চনা অনুষ্ঠান পালিত হয়। প্রান গবিন্দ ভগবান শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমী উৎসব ২০২২ ভগবান শ্রীকৃষ্ণর জন্মাষ্টমী উৎসব, বা কৃষ্ণজন্মাষ্টমী একটি হিন্দু উৎসব। এটি বিষ্ণুর অবতার কৃষ্ণের জন্মদিন হিসেবে পালিত হয়। এর অপর নাম কৃষ্ণাষ্টমী, গোকুলাষ্টমী, অষ্টমী রোহিণী, শ্রীকৃষ্ণজয়ন্তী ইত্যাদি। পঞ্জিকা মতে, সৌর ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে যখন রোহিণী নক্ষত্রের প্রাধান্য হয়, তখন জন্মাষ্টমী পালিত হয়। উৎসবটি প্রতিবছরের ন্যয় এবছরো শ্রীকৃষ্ণের জম্মষ্টমী উৎসব পালন করা হচ্ছে। যে সকল মন্দিরে থেকে শ্রীকৃষ্ণর জম্মষ্টমী উৎসব উদযাপন হয়,সেই সব মন্দির কমিটির সভাপতি সম্পাদকদের নির্দেশ দেয় শ্রীকৃষ্ণের জম্মষ্টমী পূজা ও প্রার্থনার মাধ্যমে সুষ্ঠ সুন্দর আনুষ্ঠানিক ভাবে পালন করার অনুরোধ করেছেন,বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, বরিশাল মহানগর। পূজা উদযাপনের সভাপতি তমাল মালাকার ও সাধারন সম্পাদক চঞ্চল দাস পাপ্পা কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন। যথাযথ মর্যাদায় সাথে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জম্মষ্টমী পালন করা হবে জম্মষ্টমীতে মঙ্গল শোভাযাত্রায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবে। বরিশার মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক বিসিসির মাননীয় মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। কোনো এক সময়। কৃষ্ণের জীবনের নাটকীয় উপস্থাপন রাসলীলা মথুরা, বৃন্দাবন, মণিপুর ইত্যাদি স্থানে এই উৎসবের সাথে করা হয়। রাস লীলায় কৃষ্ণের ছোট বয়সের কর্ম-কাণ্ড দেখানো হয়, অন্যদিকে, কৃষ্ণের দুষ্ট স্বভাব প্রতিফলিত করা হয় যেখানে উরিয়াদি নামে পালন করা হয় শ্রী কৃষ্ণের জন্ম। শ্রী কৃষ্ণ জন্মাষ্টমীর পর বহু স্থানে নন্দোৎসব পালন করা হয়।

ডুমুরিয়ার ইমাম ও উলামা পরিষদ এর আয়োজনে রহমতের পানির আশায় এস্তেস্কা’র নামাজ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয

 //জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//

শ্রাবনে বৃষ্টির দেখা নেই। খরায় পুড়ছে মাটি। জমির  মাটি ফেটে চৌচির হা হা কার  করছে কৃষকরা।  ধান মাছ সবজি উৎপাদন নিয়ে শংকিত।  খাল বিল  ভরাট করে দখল। কিছু এলাকায়  নদীর পানি উঠানো নিয়ে মত বিরোধ।  গোটা খুলনা অঞ্চলে কাঙ্খিত বৃষ্টি না হওয়ায় মানবকুল প্রানী কুলে জনজীবন অতিষ্ঠ হযে উঠেছে। কৃষি সম্বদ্ধি  ডুমুরিয়া উপজেলায় ধান, মাছ ও সবজী উৎপাদন করে এলাকার মানুষের জীবন মানের পরিবর্তন ঘটেছে।

২৮ জুলাই  বৃহস্পতিবার  সকালে  দক্ষিণ ডুমুরিয়ার  ইমাম ও উলামা পরিষদ  এর আয়োজনে রহমতের পানির আশায় এস্তেস্কা’র নামাজ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয।

শরাফপুর ইউনিয়নের বানিয়াখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে সকাল সাড়ে ৭ টায় সাজিয়াড়া শামছুল উলুম মাদ্রাসার শায়খুল হাদীস মুফতি শহীদুল ইসলাম নামাজের ইমামতি করেন ।

নামাজের  পূর্বে   আলোচনায় বক্তব‍্য দেন শায়খুল হাদীস মুফতি শহীদুল ইসলাম,  আলহাজ্ব মাও: ইব্রাহীম, মাও: আজহারুল ইসলাম, হাফেজ মো:  ওয়াহিদুজ্জামান, মুফতি মো: ফয়জুল করীম, মাও: ইলিয়াস হোসাইন প্রমুখ। আলোচনা শেষে জাতি উম্মাতের কল‍্যানে আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করা হয হে আরশের মালিক আমাদের পাপাচারের কারনে তোমার প্রাণীকুল মাখলুকদের কষ্ট দিওনা,

তোমার রহমতের বারীধারা আমাদের উপর বর্ষন করে জমিন কে উর্বর করে দাও।  সমাজে পাপাচার এবং আসমানি আজাব গজবের তুলে নেওয়ার আহবান  করা হয।

শ্রী মৎ স্বামী দয়ানন্দ অবধূত এর অলৌকিক ঘটনা 

পলাশ  চন্দ্র  দাসঃ বরিশাল // 

শ্রী শ্রী মৎ ১০৮ স্বামী দয়ানন্দ অবধূত গুরু মহারাজের অলৌকিক একটি ঘটনা আপনাদের সম্মুখে আজকে লিপিবদ্ধ করলাম। এই ঘটনাটি এখন পর্যন্ত প্রচার করা  হয়নি আজ এই ঘটনাটি প্রথম প্রচার করা হচ্ছে। বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলায় কেদারপুর গ্রামে  শ্রী শ্রী মৎ  স্বামী দয়ানন্দ অবধূত  ঠাকুরের একজন ভক্ত ছিল। তিনি জটিল একটি রোগে আক্রান্ত হয়ে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেলে জীবন মৃত্যুর সাথে লড়াই করেছেন। সেখান থেকে তাকে ফেরত দিয়ে দিয়েছে এই রুগি বাঁচবে না তার গুটি বসন্ত রোগ হয়েছে।

তার শরীর থেকে মাংসপিন্ড ক্ষয়ে পরছেন এমতাবস্থায় মৃত্যুর প্রহর গুণছেন।

সেই রোগীর তাদেরই এক আত্মীয় বলেছেন গুঠিয়াতে শ্রী শ্রী ঠাকুর অবস্থান করছেন। এই রোগী তো বাজবেই না ঠাকুরকে একটু দেখিয়ে আনি।

আগের দিনে মহাপুরুষেরা সাধারণত কোন বাড়িতে যেত না। শ্রী মৎ স্বামী দয়ানন্দ অবধূত ঠাকুর কে অনেক অনুরোধ বিনয় করার পরে অবধুত ঠাকুর সেখানে যেতে রাজি হয়েছেন। শ্রী মৎ দয়ানন্দ অবধূত ঠাকুরের  কথা মোতাবেক সেখানে উপস্থিত হয়েছেন, উপস্থিত হবার পরে দয়ানন্দ অবধূত ঠাকুর বলেছেন এই রোগীকে কলাপাতা দিয়ে ঢেকে ঠাকুরের ঘরের ভিতর শুয়ে রাখতে। শ্রী শ্রী ঠাকুর ঘরের ভিতরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে পূজা করে সেই রোগীর গায়ে যখন কমন্ডলু জল ছিটিয়ে দিয়েছে। তখন সেই রোগী উঠে বসলেন এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হয়েছেন। মৃতপ্রায় ব্যক্তিকে একজন সাক্ষাৎ মহাপুরুষই পারে বাঁচিয়ে তুলতে। পরবর্তীতে সেই রোগী শ্রী শ্রী  ঠাকুর এর কাছেই দিক্ষা নিয়েছেন।

শ্রী শ্রী ঠাকুরের অলৌকিক ঘটনাটি সকলকে প্রচার করার জন্য অনুরোধ করছি। সেজন্য আপনাকে লাইক কমেন্ট এবং শেয়ার করে সকলকে দেখার সুযোগ করে দিন।

( জয় গুরু””””জয়গুরু) গুরু ব্রহ্মা গুরু শ্যাম গুরু শিব গুরু রাম

Daily World News

গজারিয়ায় জিস্ট পলিটেকনিকে ছাত্র শিক্ষকদের মতবিনিময় সভা

মেয়র মোঃ মতিয়ার রহমান আমতলীবাসীকে পবিত্র ঈদ উল আযাহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলী পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মতিয়ার রহমান সকলকে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আমতলী উপজেলবাসী ও আমতলী পৌরবাসীদের।

আজ ৯ জুলাই ২০২২ইং তারিখ সকাল ১১ টায় পৌর মেয়র এক শুভেচ্ছা বাণীতে মেয়র বলেন, প্রতি বছর মুসলিম উম্মাহর আনন্দময় দিন হলো পবিত্র ঈদুল আজহা। মহান আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্য ও সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আযহা। আল্লাহর প্রতি অবিচল আনুগত্য,অকুণ্ঠ আত্মত্যাগ ও অগাধ ভালোবাসায় হযরত ইব্রাহিম (আ.) যে সুমহান দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তাঁরই নিদর্শন স্বরুপ আমরা প্রতি বছর আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানী দিয়ে থাকি।

পবিত্র ঈদুল আযহার প্রকৃত শিক্ষা ও ত্যাগের আদর্শ ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে প্রতিফলিত হোক-এই কামনা করছি। এছাড়া এবছর পবিত্র ঈদ উল আযহায় দক্ষিনাঞ্চল তথা আমতলীর সাথে রাজধানীর সাথে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য জননেত্রী প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু উদ্ধোধন যুগান্তকারী অধ্যয় রচিত হওয়ায়  আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ঈদ উল আযহার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। সেই সাথে আমতলী পৌর বাসী ও আমতলী উপজেলা বাসী সহ আবারও সকলকে পবিত্র ঈদ উল আযহার শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ৯০ দিনে মিললো প্রায় ৪কোটি টাকা

মোঃ হোসেন গাজী।।

কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১৬ বস্তা টাকা । মসজিদের নাম পাগলা মসজিদ। কিশোরগঞ্জ শহরের ঐতিহাসিক এ মসজিদটিতে আটটি লোহার দানবাক্স রয়েছে। প্রতি তিন মাস পর পর সিন্দুকগুলো খোলা হয়। এবার ৩ মাস ২০ দিন পর আজ শনিবার (০২ জুলাই) দান সিন্দুকগুলো খোলা হয়েছে। সিন্দুকগুলো থেকে রেকর্ড ১৬ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা আইসিটি) মো. গোলাম মোস্তফা টাকা গণনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। টাকা গণনার কাজে রুপালি ব্যাংকের এজিএম ও অন্যান্য কর্মকর্তা, ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এবং মসজিদ কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষক- শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছেন।এর আগে সর্বশেষ ১২ মার্চ দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল। তখন রেকর্ড ৩ কোটি ৭৮ লাখ ৫৩ হাজার ২৯৫ টাকা এবং বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া গিয়েছিল।

এবার ৩ মাস ২০ দিন পর দান সিন্দুকগুলো খোলা হলো।মসজিদ পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল ৮টায় জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মসজিদের আটটি দান সিন্দুক খোলা হয়েছে। দান সিন্দুকগুলো খুলে ১৬টি বস্তায় টাকাগুলো আনা হয়েছে গণনার জন্য। এখন চলছে টাকা গণনার কাজ।মসজিদের খতিব, এলাকাবাসী ও দূর-দূরান্ত থেকে আসা লোকজন সূত্রে জানা যায়, এই মসজিদে মানত করলে মনের আশা পূর্ণ হয়। এমন ধারণা থেকে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই এখানে দান করে থাকেন।

সূত্র মতে, এক সময় এক আধ্যাত্মিক পাগল সাধকের বাস ছিল কিশোরগঞ্জ শহরের হারুয়া ও রাখুয়াইল এলাকার মাঝপথে প্রবাহিত নরসুন্দা নদের মধ্যবর্তী স্থানে জেগে ওঠা উঁচু টিলাকৃতির স্থানটিতে। মুসলিম-হিন্দু নির্বিশেষে সব ধর্মের লোকজনের যাতায়াত ছিল ওই সাধকের আস্তানায়। ওই পাগল সাধকের দেহাবসানের পর তার উপাসনালয়টিকে কামেল পাগল পীরের মসজিদ হিসেবে ব্যবহার শুরু করে এলাকাবাসী।কিন্তু ওই সাধকের দেহাবসানের পর থেকে আশ্চর্যজনকভাবে এলাকা এমনকি দেশের দূর-দূরান্তের লোকজনের ভিড় বাড়তে থাকে। মানত কিংবা দান খয়রাত করলে মনোবাসনা পূরণ হয় এমন বিশ্বাস থেকে বিভিন্ন বয়সের হিন্দু-মুসলিমসহ বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণের নারী-পুরুষ মানত নিয়ে আসেন এই মসজিদে। তারা নগদ টাকা-পয়সা, স্বর্ণ ও রুপার অলঙ্কারের পাশাপাশি গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি দান করেন। বিশেষ করে প্রতি শুক্রবার এ মসজিদে মানত নিয়ে আসা বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষের ঢল নামে। আগতদের মধ্যে মুসলিমদের অধিকাংশই জুমার নামাজ আদায় করেন মসজিদে। আর এ ইতিহাস প্রায় আড়াইশ বছরেরও অধিক সময়ের বলে জানা যায়।

বর্তমানে কিশোরগঞ্জ শহরের ঐতিহাসিক স্থাপনার মধ্যে পাগলা মসজিদ অন্যতম। শহরের পশ্চিমে হারুয়া এলাকায় নরসুন্দা নদীর তীরে মাত্র ১০ শতাংশ জমির ওপর মসজিদটি গড়ে উঠেছিল। এ মসজিদের পরিধির সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে এর খ্যাতি ও ঐতিহাসিক মূল্য। মসজিদকে কেন্দ্র করে একটি অত্যাধুনিক ধর্মীয় কমপ্লেক্স এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রসারিত হয়েছে মূল মসজিদ ভবনও।

ইতোমধ্যে দেশের অন্যতম আয়কারী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত মসজিদটিকে পাগলা মসজিদ ইসলামি কমপ্লেক্স নামকরণ করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে মসজিদটিকে ঘিরে চলছে ব্যাপক উন্নয়নযজ্ঞ। এছাড়া মসজিদের আয় থেকে বিভিন্ন সেবামূলক খাতে অর্থ সাহায্য করা হয়।

Daily World News

ডুমুরিয়ায় ১১ টি এতিমখানা ও শিশু সদনের  ১৭ লাখ ৪ হাজার টাকার চেক বিতরন শুরু

বরিশালে পালিত হলো রথযাত্রা উৎসব

//পলাশ চন্দ্র দাস//

বরিশাল নগরীতে পালিত হলো রথযাত্রা উৎসব হিন্দুধর্মের প্রভু জগন্নাথের ভক্তদের কাছে একটি পুণ্য উৎসব এবং পুণ্য তিথিও। এই পুণ্য তিথিতে শ্রী জগন্নাথ ধাম পুরী ছাড়াও সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ সহ ভারতবর্ষে, এমনকি ভারতের বাইরে পৃথিবীর অন্যান্য স্থানে। যেখানে জগন্নাথদেবের ভক্ত মহাসমারোহের সঙ্গে বরিশালে রথযাত্রা পালিত হয়।প্রতি বছর বরিশাল সদর রোড জগন্নাথ মন্দি, নতুনবাজার ইসকন মন্দির,হাটখোলা হরিঠাকুর থেকে জগন্নাথের রথযাত্রা আড়ম্বর সহকারে অনুষ্ঠিত হয়।

বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তেরা অংশগ্রহণ করতে আসেন। জগন্নাথ  মন্দিরের গর্ভগৃহে সারা বছর হয়, তবে আষাঢ় মাসে জগন্নাথ, সুভদ্রা ও বলরামকে তিন কিলোমিটার অতিপ্রাকৃত রথযাত্রার মাধ্যমে বর্নাট‌্য শোভাযাত্রা  বরিশাল নগরীর সড়কে প্রদর্শন করেন। রথযাত্রার অংশগ্রহণ করা দোলা দাস বলেন।

গেলো দুই বছর করোনাভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণের কারণে এই উৎসবে ঐতিহাসিক রথ শোভাযাত্রাসহ অধিকাংশ আনুষ্ঠানিকতা বাতিল করা হয়েছিলো। এ বছর আমরা রথে অংশগ্রহণ করতে পেরে খুবই আনন্দিত হয়েছি। বরিশাল নগরীর  চকবাজার পালকির স্টাফ পার্থ দাস বলেন। প্রতিবছর  আষাঢ় মাসে শুক্লপক্ষের তীয়া তিথিতে এই রথযাত্রা শুরু হয়। এর সাতদিনের মাথায় অনুষ্ঠিত হয় উল্টো রথযাত্রা। এবারের উল্টো রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৮ জুলাই।

রথযাত্রার মতো উল্টো রথযাত্রা আমরা উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন  করবো।রথযাত্রা ঘিরে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে দেয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা

কচুয়ায় ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রা শুরু

//সুপার্থ কুমার মন্ডল, কচুয়া//

কচুয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ঐতিহ্যবাহী শ্রীশ্রী জগন্নথ দেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে।

শুক্রবার সকাল ১১টায় কচুয়া উপজেলার বাধাল বাজার সার্বজনীন রাধা মাধব মন্দিরে রথযাত্রা উপলক্ষে বিশ্বশান্তি ও মঙ্গল কামনায় অগ্নিহোত্র যজ্ঞ ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে মন্দির প্রঙ্গন থেকে রথটান শুরু করে দক্ষিন বাধাল মন্দিরে রথটি রাখা হয়।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, করোনার কারণে গত দুই বছর সীমিত পরিসরে রথযাত্রা উৎসব উদযাপিত হয়েছিল। এবছর করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ কমায় ঐতিহাসিক রথ শোভাযাত্রাসহ নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠান মালার মধ্য দিয়ে ৯দিন ব্যপী আনন্দমুখর পরিবেশে এবারের  শ্রী শ্রী জগন্নথ দেবের রথযাত্রা উৎসবটি উদ্যাপিত হচ্ছে। আষাঢ়ের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে এই রথযাত্রা শুর হয় এর ৯ দিনপর উল্টো রথযাত্রার মাধ্যমে শেষ হবে অনুষ্ঠান। প্রতিদিন সকাল-সন্ধা গীতাপাঠ, ভাগবত পাঠ সহ বিভিন্ন ধরনের ধর্মীয় আলোচনা অনুষ্ঠান আযোজন করা হয়েছে। বাধাল বাজার সার্বজনীন শ্রী শ্রী রাধা মধাব মন্দির কমিটির কর্মকর্তা ও  সেবকবৃন্দ ও বাজারের ব্যবসায় সহ  বাধাল, মসনী, সাংদিয়া, বক্তারকাঠী, রঘুদত্তকাঠী সহ বিভিন্ন এলাকার ভক্তবৃন্দ  রথযাত্রা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

১০ জুলাই পবিত্র ঈদুল আজহা

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

দেশের আকাশে পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। সেই হিসাবে ১০ জুলাই দেশে উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

রাঙামাটি ও শেরপুরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা গেছে। তাই শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে জিলহজ মাস গণনা। তারই পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ১০ জুলাই রোববার সারা দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে।

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় শুরু হয় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আউয়াল হাওলাদার।

সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ড. মো. মুশফিকুর রহমান, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. শাহেনুর মিয়া, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. কাউসার আহমদ, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপ-সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ভূইয়া, ওয়াকফ প্রশাসকের কার্যালয়ের উপ প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) মো. রায়হান কাওছার, সহকারী কমিশনার মো. আ. হালিম, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের পিএসও আবু মোহাম্মদ, বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

আগামীদিন রথযাত্রা উৎসব

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল প্রতিনিধি//

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের  অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রা  আগামী ১ জুলাই ২০২২, ১৬ আষাঢ় ১৪২৯, শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে। তবে গেলো দুই বছর করোনাভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণের কারণে  এই উৎসবে ঐতিহাসিক রথ শোভাযাত্রাসহ অধিকাংশ আনুষ্ঠানিকতা বাতিল করা হয়েছিলো।

আগামি ১ জুলাই রথে চড়ে মাসির বাড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রা।

সাধারণত আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে রথযাত্রা আয়োজিত হয়।

রথযাত্রা হিন্দু বাঙালিদের একটি পবিত্র উৎসব। বাংলা ক্যালেন্ডার অনুসারে প্রতিবছর আষাঢ় মাসে পালিত হয়। প্রতিবছর জগন্নাথদেবের স্মরণে এই উৎসব পালিত হয়। রথের রশিতে টান পড়ে প্রচু্র ভক্ত রথের দড়ি টেনে রথটিকে পরিবহন করেন। রথযাত্রা উপলক্ষ্যে প্রত্যেক বছর বরিশাল নগরীতে জনসমুদ্র হয়ে ওঠে।

বিশেষ ধরনের কাঠ দিয়ে তৈরি তিনটি রথ-জগন্নাথদেবের নন্দীঘোষ, বলভদ্রের তালধ্বজ আর সুভদ্রার রথ দর্পদলন৷ আষাঢ় মাসে তিথিতে ধুমধাম করে রথযাত্রার উৎসব পালিত হয়  ইস্কনের মন্দিরে। এবং যে সব মন্দিরে, বনেদি বাড়িতে জগন্নাথ দেব আছে, সেখানেও বড় করে পালন করা হয় রথ উৎসব বাচ্চাদের হাতেও দেখা যায় ছোট ছোট রথ। জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসব উপলক্ষে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) বরিশালের  ব্যাপক অনুষ্ঠানমালা আয়োজন শুরু করেছেন।

প্রতিবছর  আষাঢ় মাসে শুক্লপক্ষের তীয়া তিথিতে এই রথযাত্রা শুরু হয়। এর সাতদিনের মাথায় অনুষ্ঠিত হয় উল্টো রথযাত্রা।

এবারের উল্টো রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৮ জুলাই। রথযাত্রার মতো উল্টো রথযাত্রাও উদযাপিত হবে।

Daily World News

নতুন সিম বিক্রি করতে পারবে না গ্রামীণফোন