মাগুরা মহম্মদপুর ও শালিখার নবনির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যানগণের শপথ গ্রহণ

মাগুরা জেলার মহম্মদপুর এবং শালিখা উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানগণের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আজ বৃহস্পতিবার ১৩ জানুয়ারি সকাল ১০.৩০ টার সময় জেলা প্রশাসন মাগুরা এর আয়োজনে মাগুরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানগণের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সভাপতি জেলা প্রশাসক মাগুরা ডঃ আশরাফুল আলম। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাগুরা ২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ডঃ শ্রী বীরেন শিকদার।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মাগুরা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, মাগুরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বাবু পঙ্কজ কুমার কুন্ডু, মেয়র মাগুরা পৌরসভা মোঃ খুরশীদ হায়দার টুটুল, মাগুরা জেলা তথ্য অফিসার মোঃ রেজাউল করিম, জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ অলিউল ইসলাম, শালিখা উপজেলার নির্বাহী অফিসার মোঃ তারিফ উল হাসান, মহম্মদপুর উপজেলার নির্বাহী অফিসার রামানন্দ পাল, শালিখা উপজেলার চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট মোঃ কামাল হোসেন, মহম্মদপুর উপজেলার চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ হেল কাফি, মাগুরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মোঃ শামীম খান সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ।

নবনির্বাচিত ২ উপজেলার চেয়ারম্যানগণের শপথ পাঠ করান মাগুরা জেলা প্রশাসক ডঃ আশরাফুল আলম এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহম্মদপুর উপজেলার ২ নং বিনোদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শিকদার মিজানুর রহমান, ৩ নং দীঘা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ খোকন মিয়া, ৪ নং রাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শাকিরুল ইসলাম, ৫ নং বালিদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মফিজুর রহমান, ৬ নং মহম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ উজ্জ্বল আক্তার কাফুর, ৭ নং পলাশবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ সিকান্দার আলী, ৮ নং নহাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ তৈয়েবুর রহমান (তুরাপ) এবং শালিখা উপজেলার নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানগণ হলেন ১ নং ধনেশ্বরগাতী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শ্রী বিমলেন্দু শিকদার, ২ নং তালখড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সিরাজউদ্দিন মন্ডল, ৩ নং আড়পাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আরজ আলী, ৪ নং শতখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন ঝন্টু, ৫ নং শালিখা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আলীর হুসাইন, ৬ নং বুনাগাতী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ বক্তিয়ার উদ্দিন, ৭ নং গঙ্গারামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ হালিম মোল্যা।

মহম্মদপুর উপজেলার ১ নং বাবুখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর সাজ্জাদ আলী মামলার কারনে শপথ পাঠ করতে পারেনি।

//সুজন মাহমুদ, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

বরিশলে ভিআইপি গেট এলাকা থেকে এক ইয়াবা ব্যাবসায়ী আটক

 

অভয়নগরে সন্ত্রাসীর গুলিতে নব নির্বাচিত ইউপি সদস‍্য নিহত

মো: শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি :

যশোরের অভয়নগরে সুন্দলী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত মেম্বার উত্তম সরকারকে (৩০) সন্ত্রাসীরা গুলি করে হত্যা করেছে। ১০ জানুয়ারি (সোমবার) রাত ৮টার সময় এ ঘটনা ঘটে।

সুন্দলী ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান বিকাশ চন্দ্র মল্লিক জানান, নবনির্বাচিত ইউপি মেম্বার উত্তম সরকার নিজ বাড়ির পাশে হরিশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে পৌঁছালে ওত পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তার বুকে এক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ হয়ে তার বুকের অংশ ভেদ হয়ে যায়। গুলির পর উত্তম কুমার মাঠে লুটিয়ে পড়েন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার লাশ মাঠে পড়ে রয়েছে।

এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চরম আতংকের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে অভয়নগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে রওনা দিয়েছে।

পঞ্চম ধাপের ইউপি নির্বাচনে ঝরলো আরো সাত প্রাণ

নানা সহিংসতার মধ্যদিয়ে শেষ হলো পঞ্চম ধাপের ইউপি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। এ দিন দেশের বিভিন্ন জেলায় নির্বাচনী সংঘাতে এখন পর্যন্ত সাত জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চাঁদপুরে দুইজন, চট্টগ্রামে একজন, জামালপুরে একজন, গাইবান্ধায় একজন, মানিকগঞ্জে একজন ও বগুড়ায় একজন রয়েছেন। জেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যে রিপোর্ট:

চাঁদপুরে দুইজনের মৃত্যু: নির্বাচনী সহিংসতায় চাঁদপুরের কচুয়ার ও হাইমচরে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ বুধবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কচুয়ার সাচার এলাকায় নিহত যুবকের নাম শরীফ হোসেন। তার বাবার নাম শহীদ উল্লাহ। দুই ইউপি সদস্য প্রার্থীর মধ্যে সংঘর্ষ দেখা দিলে ছুরিকাঘাতের শিকার হন তিনি। হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয় শরীফের।

আরেক ঘটনায় হাইমচরের নীলকমল ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাহেরচরে বিকেল সাড়ে ৩টায় দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী-সমর্থকদের সংঘর্ষে ছুরিকাঘাতে আরেকজন মারা গেছেন। তার নাম-পরিচয় এখনও জানা যায়নি। তিনি পার্শ্ববর্তী শরীয়তপুরের বাসিন্দা বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

পঞ্চম ধাপের ইউপি নির্বাচনে ঝরলো আরো সাত প্রাণ

হাইমচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব মোল্লা বলেন, নীলকমল ইউনিয়নে একজন মারা গেছেন। তবে তার নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি। তদন্তে কাজ করছে পুলিশ।

চট্রগ্রামে একজনের মৃত্যু: চট্টগ্রামের আনোয়ারায় দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে অংকুর দত্ত (৩০) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। বুধবার বেলা ১২টায় চাতরী ইউনিয়নের সিংহরা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি বাংলাদেশ জার্নালকে নিশ্চিত করেন আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দিদারুল ইসলাম শিকদার। নিহত অংকুর দত্ত সিংহরা গ্রামের নেপাল দত্তের ছেলে।স্থানীয়রা জানান, সিংহরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে প্রায় দু’শ গজ দূরে বর্তমান মেম্বার রঘুনাথ শিকদার ও অপর প্রার্থী নাজিম উদ্দীনের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে অংকুর নামের এক যুবক আহত হয়। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

জামালপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবকের মৃত্যু: জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়নে নির্বাচনী সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে আল আমীন (২২) নামের এক যুবক মারা গেছেন। তার স্বজন সাকিব মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহত আলআমিন মেরুর চরের বাঘাডুবা গ্রামের আচ্ছা মিয়ার ছেলে। তিনি আনারস প্রতীকের সতন্ত্র প্রার্থী মনোয়ার হোসেনের সমর্থক।

বুধবার দুপুরের দিকে মেরুরচর ইউনিয়নের মেরুরচর হাছেন আলী উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক আল আমীন গুলিবিদ্ধ হন। এ সময় আহত হন পুলিশসহ আরও ৯ জন।

সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া কর্মী-সমর্থকদের দেয়া আগুনে পুলিশের একটি পিকআপ ও তিনটি মোটরসাইকেল পুড়ে গেছে। এছাড়াও আনসারদের বহন করা একটি গাড়ি ভাঙচুর করে উত্তেজিত লোকজন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশি অ্যাকশনের সময় আহত হয়েছে চারজন সাধারণ লোক। এ সময় প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীর কর্মীদের আঘাতে আহত হয়েছেন পাঁচ পুলিশ সদস্য। বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে পুলিশ। প্রার্থীর কর্মীদের ছোড়া পাল্টা গুলিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর এক কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়। এ ঘটনায় ভোটকেন্দ্রসহ আশপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে ভোটারসহ আহত সাধারণ মানুষ দৌড়ে পালিয়ে যায়।

আহতরা হলেন, বকশীগঞ্জ থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম সম্রাট, ওসি (তদন্ত) আব্দুর রহিম, কনস্টেবল আব্দুল আলিম (৪০), মো. শাহজাহান (৫৫), আ. মজিদ (৫৭) ও আনসার সদস্য আব্দুল আলিম (২৫)। আহত সাধারণ লোকদের নাম-ঠিকানা পাওয়া যায়নি।

ওসি মো. শফিকুল ইসলাম সম্রাট বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রথমে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এ সময় লাঠিসোটা ও ইটপাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া লোকজনের আঘাতে ৫ পুলিশ ও এক আনসার সদস্য আহত হন। উত্তেজিত কর্মীরা গুলি ছুড়লে পুলিশও ছত্রভঙ্গ করতে ফাঁকা গুলি ছোড়ে। তবে আল আমীন পুলিশের গুলিতে মারা যাননি।

গাইবান্ধায় গলাকেটে হত্যা: গাইবান্ধার সাঘাটায় নির্বাচন চলাকালীন সময়ে দুই ইউপি সদস্যের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় আবু তাহের (৩২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তাকে ধারালো হাসুয়া দিয়ে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বুধবার ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার আগ মুহূর্তে উপজেলার জুমারবাড়ী ইউনিয়নের জুমারবাড়ী আদর্শ ডগ্রি কলেজ কেন্দ্রের বাইরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আবু তাহের জুমারবাড়ি গ্রামের ওমর আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, ভোট চলাকালীন বিকেল পৌনে ৩টার দিকে কেন্দ্রের বাইরে মেম্বার প্রার্থী আইজল মিয়ার (টিউবওয়েল) সমর্থক আবু তাহেরের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বি মেম্বার প্রার্থী রাসেল আহমেদের (পাখা) কর্মী-সমর্থকদের কথা-কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে আবু তাহেরকে একা পেয়ে রাসেলের কর্মী-সমর্থকরা ধারালো হাসুয়া দিয়ে তার গলা কেটে ফেলে। গুরুতর আহত রাসেলকে উদ্ধার করে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে মৃত্যু হয়।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহিউদ্দিন আলমগীর। তিনি জানান, কেন্দ্রের বাহিরে এই সংঘর্ষ হওয়ায় নির্বাচনী ফলাফলে এর কোন প্রভাব পড়বে না। সংঘর্ষের এ ঘটনায় ফৌজদারি অপরাধে মামলা করা হবে এবং দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।

মানিকগঞ্জে সংঘর্ষের কবলে পড়ে হার্ট অ্যাটাকে নারীর মৃত্যু: মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার বাচামারা ইউনিয়নের বাচামারা ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনী সহিংসতায় ছলেমন খাতুন (৫০) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। বুধবার দুপুরে উপজেলার বাচামারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুই সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ওই নারীর প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, নিহত ছলেমন খাতুন উপজেলার বাচামারা গ্রামের খোরশেদ আলমের স্ত্রী। তিনি দুপুরে ভোট দিতে বাচামারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্রে যান। এ সময় ৫ নং ওয়ার্ডের দুই সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। পরে এ ঘটনা দেখে ছলেমন খাতুন হার্ট অ্যাটাক করেন।

দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরুল হাসান বলেন, বাচামারা ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে দুই সদস্য প্রার্থীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় ওই নারী ভোট দিতে কেন্দ্রে আসেন। সংঘর্ষের কবলে পড়ে তিনি হার্ট অ্যাটাক করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নিজ বাড়িতে নিয়ে গেলে তিনি মারা যান।

বগুড়ায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা: বগুড়ার গাবতলী উপজেলার রামেশ্বরপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলাকালীন সময়ে দুই ইউপি সদস্য (মেম্বার) প্রার্থীর মধ্যে বিরোধের জের ধরে জাকির হোসেন (৩৫) নামের একজনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার দুপুরের দিকে উপজেলার জাইগুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাহিরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত জাকির হোসেন জাইগুলি উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত লয়া মিয়ার ছেলে। তিনি ইউপি সদস্য প্রার্থী সাইদুল ইসলামের (টিউবওয়েল প্রতীক) সমর্থক হিসেবে কাজ করছিলেন।

স্থানীয়রা জানায়, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে উপজেলার জাইগুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রের বাইরে ভোটারদের উৎসাহিত করার কাজ করছিলেন সাইদুল ইসলামের টিউবওয়েল প্রতীকের কর্মী সমর্থকরা। এ সময় অপর ইউপি সদস্য (মেম্বার) প্রার্থী মিঠু মিয়ার (ফুটবল প্রতীক) কর্মী সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হলে জাকির হোসেনকে প্রতিপক্ষের লোকজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা ৩টার দিকে জাকির হোসেনের মৃত্যু হয়।

গাবতলী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়া লতিফুল ইসলাম বলেন, ইউপি সদস্য (মেম্বার) প্রার্থীদের মধ্যে বিরোধের জের ধরে ভোট কেন্দ্রের বাইরে এ হত্যাকাণ্ড হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে মর্গে রাখা হয়েছে, মামলা প্রক্রিয়াধীন।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ডুমুরিয়ার মির্জাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় বারের মত সভাপতি হলেন ইঞ্জিঃ অরুন মহলদার 

 

রূপসায় নব নির্বাচিত ইউপি সদস্যগণের শপথ গ্রহন

রূপসা প্রতিনিধি :

রূপসা উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন পরিষদের নব নির্বাচিত ইউপি সদস্যগণের শপথ বাক্য পাঠ সম্পন্ন হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ২৯ ডিসেম্বর সকাল ১০ টায়া উপজেলা পরিষদ বিজয় মঞ্চ চত্বরে অনুষ্টিত হ য়।
আইচগাতী, শ্রীফলতলা, নৈহাটী, টি.এস. বাহিরদিয়া, ঘাটভোগ ইউনিয়ন পরিষদের ১৫জন সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্যাগণ এবং ৪৫জন সাধারণ আসনের পুরুষ সদস্যদের এ শপথ বাক্য পাঠ করান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া তাছনিম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ যোবায়ের, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিকুল ইসলাম, নির্বাচন কর্মকর্তা মোল্যা নাসির আহম্মেদ, রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, ওসি তদন্ত মো. সিরাজুল ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সদস্য আ: মজিদ ফকির, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি সৈয়দ মোরশেদ আলম বাবু, স.ম. জাহাঙ্গীর, জেলা যুবলীগ নেতা সৈয়দ নাসির হোসেন সজল, শিক্ষক নজরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার কাজী ইয়াহিয়া, মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন, আ: মালেক, বজলুর রশিদ আজাদ, মো. আলী আকবর, মো. হাবিবুর রহমান প্রমুখ। শপথ বাক্য পাঠের আগে নব নির্বাচিত ইউপি সদস্যগণের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পুরুষ ওয়ার্ডে সদস্য আকলিমা খাতুন তুলি, সরদার কামরুল ইসলাম।

সোনারায়ে ইউনিয়নে প্রচারণায় ব্যস্ত ৫ নং ওয়ার্ড সদস্য পদপ্রার্থী রিয়াজ উদ্দীন

//নিজস্ব প্রতিবেদক: মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান//

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সোনারায়ের ৫ নং ওয়ার্ডের  আপেল মার্কা প্রতিকের   সদস্যপদপ্রার্থী রিয়াজ উদ্দীন ইউনিয়নের  ৫ নং ওয়ার্ডে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট প্রার্থনা করছেন। প্রচার-প্রচারণার শুরু থেকে প্রার্থীরা ছুটে চলেছেন ইউনিয়নের  ৫ নং ওয়ার্ডে বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে।

আগামী ৫ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত ডোমার উপজেলায়  ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। উক্ত নির্বাচনে সোনারায় ইউনিয়নের  ৫ পাঁচ নং ওয়ার্ডে   সদস্য পদে রিয়াজ উদ্দিন সহ মোট  ৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনে ভোটারদের সমর্থন পেতে দিন রাত ছুটে চলেছেন প্রার্থীরা।

রিয়াজ উদ্দিন কর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে গ্রামে গ্রামে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন।

ইউনিয়নের   হুজুর পাড়া গ্রামে ভোট প্রার্থনাকালে মেম্বার পদপ্রার্থী রিয়াজ উদ্দিন বলেন, যে ভাবে কর্মী আর সাধারন মানুষের সাড়া পেয়েছি তাতে আশা করছি বিজয় আমাদেরই।         ওয়ার্ডবাসী আমাকে ভালবাসে বলে আমাকে ওয়ার্ডবাসী দুইবার নির্বাচিত করেছে । এবারো আমি আশা করছি ওয়ার্ডবাসী আমাকে নির্বাচিত করে  ওয়ার্ডবাসীর  সেবা ও উন্নয়ন করার সুযোগ করে দিবে।

আমি এবার নির্বাচিত হলে ৫ নং ওয়ার্ডকে সোনারায় ইউনিয়নের মডেল ওয়ার্ড করার চেষ্টা করব।

মাগুরার শ্রীপুরে ইউপি নির্বাচনে একজন জাল ভোটার আটক

।।শ্যামল বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা।।।

মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলায় চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনের আজ ২৬ শে ডিসেম্বর ছিল ভোটগ্রহণ । সকাল আটটা থেকে শুরু হয়ে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণের মধ্য দিয়েই শেষ হয় ভোট গ্রহণ।

পর্ব এর মধ্যে ৮ নং নাকোল ইউনিয়নের শ্রীপুরহুদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিন নম্বর কেন্দ্রে বিকাল তিনটার সময় শুভঙ্কর বিশ্বাস পিতা দুলাল বিশ্বাস গ্রাম শান্তিনগর ইউনিয়ন সাবদালপুর থেকে এসে নাকোল ইউনিয়নে জাল ভোট প্রদানের সময় হাতেনাতে গ্রেপ্তার হয় ওই যুবক ।

জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তিনি কারও প্ররোচনায় নৌকার প্রার্থীর পক্ষে নৌকায় ভোট দেয়ার উদ্দেশ্যে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে প্রবেশ করে এসময় ভোটগ্রহণকারী দায়িত্বরত অফিসাররা তাকে সন্দেহ বসত জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে উল্টাপাল্টা তথ্য দিতে থাকে ।

প্রাথমিকভাবে তাকে আটক করে প্রিজাইডিং অফিসার কক্ষে বসিয়ে রাখা হয় ।
পরবর্তীতে নাকোল ইউনিয়ন দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেট জিজ্ঞাসাবাদ করে অধিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এর পিছনে কে কে আছে সেটা ভালো করে জানার জন্য পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়।

জগন্নাথপুরে দেয়ালে দেয়ালে পোস্টার, বাদ যায়নি কোন ফাঁকা জায়গা

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে ৭টি ইউনিয়নে আগামী ২৬ তারিখ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের দিন যত নিকটে আসছে তত বাড়ছে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা। নির্বাচনী এলাকাজুড়ে প্রার্থীদের পোস্টার-ব্যানার ছেয়ে গেছে।

তবে এ ক্ষেত্রে মানা হচ্ছে না নির্বাচন কমিশনের দেওয়া আচরণ বিধিমালা। এমনকি বিধি নিষেধ প্রয়োগে নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্টদের তৎপরতাও চোঁখে পড়েনি।

উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, প্রার্থীদের ব্যানার-পোস্টারে ছেয়ে গেছে পুরো নির্বাচনী এলাকা।

নিয়মের তোয়াক্কা না করেই চলছে প্রচারণা। নির্বাচন কমিশনের আইন রয়েছে প্রার্থীদের পোস্টার নির্বাচনী এলাকায় অবস্থিত দেয়ালে লাগানো যাবে না। কিন্তু সেটা কেউই মানছেন না। বিভিন্ন ঘরের দেয়াল, বিদ্যুতের খুঁটি, শৌচাগার, গাছে গাছে প্রার্থীদের পোস্টার লাগানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে পোষ্টার লাগানো লোকদের সাথে আলাপ করা হলে তারা জানান, অন্য প্রার্থীর লোকদের পোষ্টার লাগানো দেখে আমরা পোষ্টার লাগাচ্ছি। আমরা প্রথমে লাগাইনি। কয়েক জনের সাথে করলে তারা জানান এ পোষ্টার গুলো প্রথমে লাগাইনি। অন্য প্রার্থীর পোষ্টার লাগানো দেখে তারা পোষ্টার লাগিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে প্রার্থীদের সাথে আলাপ করলে তারা জানান, আমরা লোকদের বলে দেই নাই দেয়ালে লাগানোর জন্য। আমরা নির্বাচন কমিশনের আইন মেনে পোষ্টার লাগানো জন্য বলেছি। পোষ্টার সাথে সুতলি দিয়া দিছি। যদি কোন লোক দেয়ালে পোষ্টার লাগায়। আমরা পোষ্টার গুলো সরানোর ব্যবস্থা করবো।

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার মুঠোফোনে বারবার ফোন দিলে ফোনটি রিসিভ না করায় আলাপ করা সম্ভব হয় নাই।

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাজেদুল ইসলাম এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এ বিষয়ে আমরা দেখবো। কোন কোন স্থানে পোষ্টার দেয়ালে লাগানো হচ্ছে তথ্য সংগ্রহ করে আইন আনুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

//মোঃ রনি মিয়া, জগন্নাথপুর প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খলিশাখালী মা/বিদ্যালয়ে বিজয় দিবস ও সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন, প্রধান অতিথি এমপি বীরেন শিকদার

হাইমচরে উৎসাহ উদ্দীপনায় ইউপি নির্বাচনে চার ইউনিয়নের প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ

হাইমচর উপজেলার ইউপি নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

২০ ডিসেম্বর সোমবার সকাল ১০ টায়  হাইমচর উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কার্যালয়ে উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহজান মামুন, নির্বাহী কর্মকর্তা চাই থোয়াইহলা চৌধুরী, থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লার উপস্থিতিতে হাইমচর, নীলকমল, আলগী উত্তর ও দক্ষিণে চার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত নারী আসন ও সাধারণ আসনের প্রার্থীদের মধ্যে এই প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। এসময় নিজ নিজ ইউনিয়ন পরিষদের স্ব-স্ব প্রার্থীদের সঙ্গে তাদের সমর্থকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উপজলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, আগামী ৫ জানিয়ারী  ইউপি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে। আর এই ভোট গ্রহণকে সামনে রেখে এ চার ইউনিয়ন পরিষদের ভোটারদের মধ্যে বিভিন্ন আলোচনা ও কৌতুহলের শেষ নেই। ১৯ ডিসেম্বর ছিল মনোয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। শেষ দিনে চার ইউনিয়ন পরিষদের ৩ জন চেয়ারম্যান পদ প্রার্থীদের মধ্যে ৫নং হাইমচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহাদাৎ সরকার, আলগী দক্ষিণে হুমায়ুন পাটওয়ারী, উত্তরে মোঃ ইসমাইল হোসেন আখন তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। এছাড়া  নীলকমল ইউনিয়নে ১নং সংরক্ষিত  ওয়ার্ডে মহিলা সদস্য শাহাজাদী বেগম ও ২নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে আছিয়া বেগম ও হাইমচর ইউনিয়নের সাধারণ সদস্য মোঃ তাজুল ইসলাম বিনা প্রতিদ্বন্ধিতা নির্বাচিত হয়েছেন।

উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও রির্টানিং কর্মকর্তা শাহজাহান মামুন জানান, চারটি ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ১৯ জন, সংরক্ষিত মহিলা আসনে ৩৬ জন , সাধারণ আসনে ১২০ জন প্রার্থী রয়েছেন। সকল প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দের কাজ শেষ হয়েছে। প্রতিক বরাদ্দের পূর্বে প্রার্থীদের মাঝে নির্বাচনি আচরণ বিধি ও আইন শৃঙ্খলা বিষয়ে অবহিত করা হয়।

মোঃ হোসেন গাজী।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

এমপি সালাম মুর্শেদীর অর্থায়নে খুলনার ৩ উপজেলায় ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

পটুয়াখালীতে নারী শক্তি সংঘ সমিতির কার্য্য-নির্বাহী কমিটির ২০২২-২০২৩ নির্বাচন সম্পূর্ণ

আসন্ন শক্তি নারী সংঘ পটুয়াখালী জেলার পুরাতন হাসপাতাল রোড সংলগ্ন শক্তি নারী সংঘ রেজিষ্ট্রেশন, নং-৩২২ সমিতির কার্য্যনির্বাহী কমিটির ২০২২-২০২৩ নির্বাচন কার্যক্রম সম্পূর্ণ হয়েছে।

গত ১৮ ডিসেম্বর রবিবার বেলা ১২ টার সময় নারী শক্তি সংঘ সমিতির ভোট গ্রহনের কার্যক্রম শুরু হয়ে নির্ধারিত সময় বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ভোট গ্রহন করা হয়।

নির্বাচনে সর্বমোট ২১ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। সভাপতি পদে ২ জন, ঝুমুর ও মলিনা বেগম, সহ-সভাপতি পদে লিলি ও  বড় সন্ধ্যা, সাধারন সম্পাদক পদে তানিয়া ও মুক্তা, কোষাধ্যাক্ষ পদে তানিয়া, মায়া ও মীম, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে শাহিনুর, আলেয়া ও শিবান্নিয়া, প্রচার সম্পাদকী পদে মর্জিনা ও সুমী, দপ্তর সম্পাদীকা পদে নাসরিন ও ফাতেমা, কার্যকরী সদস্য পদে আসমা, জাহানার, বড় নিলা, রাজিয়া, শিলা নির্বাচনে অংশ গ্রহন করে।

এদিকে মোট ১২৭ জন ভোটার এর মধ্যে ১২৩ ভোট কাস্ট হয়, সভাপতি পদে ঝুমুর ৮৪ ভোট -প্রতিদন্ধী প্রার্থী মলিনা ৩৪ ভোট মোট ৫০ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারি ভাবে সভাপতি পদে ঝুমুর, সহ-সভাপতি পদে লিলি-৫৪ ভোট প্রতিদ্বন্দ্বী বড় সন্ধ্যা ৪৬ ভোট ৮ ভোট বেশি পেয়ে লিলি সহ-সভাপতি , সাধারন সম্পাদিকা পদে তানিয়া ৬৬ ভোট প্রতিদ্বন্দ্বী মুক্তা ৩৬ ভোট ৩০ ভোট ব্যাবধানে তানিয়া সাধারন সম্পাদিকা , কোষাধ্যক্ষ পদে মীম-৭৫ ভোট প্রতিদ্বন্দ্বী তানিয়া ১৫ ভোট ও মায়া ১ ভোট, ৬০ ভোটের ব্যবধানে কোষাধ্যক্ষ মিম, সাংগঠনিক পদে শাহিনুর-৩৬ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী আলেয়া-২৮ ভোট, ও শিবান্নিয়া-১৬ ভোট ৮ ভোটের ব্যবধানে সাংগঠনিক শাহিনুর, প্রচার সম্পাদিকা পদে মর্জিনা ৪৮ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী সুমী- ২৪ ভোট ২৪ ভোটের ব্যবধানে প্রচার সম্পাদিকা মর্জিনা, দপ্তর সম্পাদিকা পদে নাসরিন-৬৩, প্রতিদ্বন্দ্বী ফাতেমা-১৭ ভোট, ৪৬ ভোট বেশি পেয়ে দপ্তর সম্পাদিকা নাসরিন নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া সদস্য পদে আসমা-৪৮, জাহানারা-২৭ ভোট, বড় নিলা -৪৩ ভোট রাজিয়া-৩৫ ভোট শিলা সিরিন ৪৬ ভোট পেয়েছেন এবং বীনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় সহ-সম্পাদিকা নির্বাচিত হলেন সেলিনা বেগম।

উক্ত নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেন, অ্যাডভোকেট আলহাজ্ব নিজাম উদ্দীন, সহকারী নির্বাচন কমিশনার নারগিস আক্তার (এ,জি,পি), অ্যাডভোকেট আখতারুজ্জামান শাহীন, সার্বিক দায়িত্বে প্রকল্প কর্মকর্তা ইসরাত জাহান (লিটন) ও ফারুক ফকির প্রমুখ।

এছাড়াও প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও বিভিন্ন প্রিন্ট ইলেকট্রনিক্স মিডিয়াকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

//মোঃ তুহিন শরীফ, পটুয়াখালী  প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

মাগুরায় তিন দিনব্যাপী আলোচনাসভা  ও সাংস্কৃতিক উৎসবের উদ্বোধন

হাইমচরে মেম্বার প্রার্থী মিন্টু কবিরাজের সমর্থনে মতবিনিময় সভা জনসবায় পরিনত

আগামী ৫ জানুয়ারি ইউপি নির্বাচন উপলক্ষে, হাইমচর উপজেলার ২নং উঃ আলগী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড মেম্বার প্রার্থী মিন্টু কবিরাজের সমর্থনে নির্বাচনীয় মতবিনিময় সভা জনসবায় পরিনত হয়েছে।

৪ ঠা ডিসেম্বর শনিবার বিকাল ৩টায় জামিলায়ে মহিলা দাখিল মাদ্রাসা মাঠে মেম্বার প্রার্থী মিন্টু মিয়া কবিরাজের নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় হাজী আব্বাস মিয়া রাড়ীর সভাপতিত্বে ও মোহাম্মদ আলী কবিরাজের পরিচালনায়, প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন হাজী নুরুল ইসলাম মিয়াজী, বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন ইউপি সদস্য আলী আহমেদ কবিরাজ, উঃ আলগী ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য হাজী বাবুল মিয়া কালু গাজী, বাচ্চু মিয়া পাটওয়ারী, ইসমাইল ছৈয়াল, রহমান পাটওয়ারী, যুবলীগ নেতা মোঃ মহন কবিরাজ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা  যুবলীগ নেতা তাফাজ্জল শেখ, মমিন কবিরাজ, সুমন কবিরাজ, নাছির জমদার, নজু গাজী, মনির হোসেন গাজী  সহ এলাকার স্হানীয় গন্নমান্য ব্যাক্তিগন উপস্থিত ছিলেন।

২ নং ওয়ার্ড মেম্বার পদপ্রার্থী মিন্টু কবিরাজ ওয়ার্ডবাসীর কাছে সমর্থন ও দোয়া প্রার্থনা করছেন। মেম্বার প্রার্থী মিন্টু কবিরাজ বলেন একটি সুখী-সুন্দর দেশ ও সমাজ নির্মানে সর্বপ্রথম ওয়ার্ড পর্যায়ে উন্নয়ন প্রয়োজন। ২নং ওয়ার্ডকে একটি মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তাকে ভোট দেওয়ার জন্য ওয়ার্ডবাসীর প্রতি আহবান জানান। তিনি আগামী ইউপি নির্বাচনে জয়যুক্ত হলে ২নং ওয়ার্ডের সুবিধা বঞ্চিত ও অবহেলিত মানুষের বিগত সময়ে যেভাবে সেবা করে আসছেন  তেমনি ভাবে ভবিষ্যতে ও সেবা করে যাবেন।

ইউপি নির্বাচনে মেম্বার প্রার্থী হিসেবে নিজের অবস্থান আরো সুসংহত করতে প্রতিনিয়ত (২নং ওয়ার্ডের) প্রতিটি গ্রামের মোড়ে, চায়ের দোকানে ও বিভিন্ন রাস্তাঘাটে, পাড়া মহল্লায় সাধারণ মানুষের কাছে ছুটে যাচ্ছেন। দিনরাত ভোটারদের সাথে মতবিনিময় করছেন। এরি মধ্যে তিনি এলাকায় মুরব্বিদের সাথে কুশল বিনিময় ও নানান সমস্যা নিয়ে তরুনদের সাথে মতবিনিময় করছেন।  তি‌নি বলেন,২নং ওয়ার্ডকে উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে দারিদ্র মুক্ত, সু-শিক্ষাবান্ধব বৈষম্যহীন আদর্শ গ্রাম হিসাবে গড়ে তুলার নিমিত্তে আমি আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইউ‌পি মেম্বার পদে প্রার্থী হ‌চ্ছি। এর জন্য আমি আমার গ্রামের মুরব্বী, ভাই, বন্ধু, মা, বোনসহ ওয়ার্ড বাসির নিকট দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি।

তি‌নি আ‌রো ব‌লেন  সকলের নিকট আমার উদাত্ত আহ্বান, আমাকে আপনাদের সমর্থন দিয়ে আপনাদের পাশে থেকে ওয়ার্ড বাসি, মেহনতী মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সরকারের উন্নয়ন ধারাকে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে এবং ২নং ওয়ার্ডের অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করার জন্য সকল দ্বিধা ভুলে পুনরায় ভোট দিয়ে সেবা করার সুযোগ দিন।

//মোঃ হোসেন গাজী, চাঁদপুর //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

কুয়েটের শিক্ষক মৃত্যু: কুয়েট ছাত্রলীগের ৯ শিক্ষার্থী বহিষ্কার