আমতলী পৌর নির্বাচন ঘিরে চলছে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ, সংঘর্ষের আশংকায় পৌরবাসী!

//মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি//

আগামী ৯ই মার্চ অনুষ্ঠিতব্য বরগুনার আমতলী পৌর নির্বাচনকে ঘিরে চলছে জমজমাট প্রচারনা।

বেলা ২টার পর থেকেই প্রচার মাইকের উচ্চ শব্দে নানা সুরের নির্বাচনী গান বাজিয়ে পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় সরগরম থাকে পৌরসভার পাড়া মহল্লার প্রতিটি ওলি-গলি। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে যে যার মত ভোট প্রার্থনা করেছেন প্রার্থীরা। পৌর শহরের হোটেল রেস্তোরাঁ থেকে ছোট ছোট দোকানগুলোর চায়ের আড্ডায় নিজ নিজ পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে কথা বলছেন সাধারণ ভোটাররা, প্রশংসায় গাইছেন নিজ নিজ প্রার্থীর গুণগান।বলতে গেলে নির্বাচনকে ঘিরে বইছে উৎসবের আমেজ।

একদিকে উৎসবের আমেজ চললেও তা যেকোনো সময়ে বিষাদে রুপ নিতে পারে সংঘাত ও সংঘর্ষে। বহিরাগতদের আনাগোনা ও গত কয়েকদিনের উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারনে এমনটিই মনে করছেন প্রার্থী ও সাধারণ ভোটাররা। উত্তপ্ত পরিস্থিতি ও বহিরাগতদের দাপটে ভোটারদের শঙ্কিত থাকতে হয় বলে অভিযোগ করেন আমতলী পৌরসভার মেয়র ও মোবাইল প্রতিকের প্রার্থী মতিয়ার রহমান।তিনি বলেন নির্বাচনকে ঘিরে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নাজমুল আহসান নান্নু পার্শ্ববর্তী এলাকার বহিরাগতদের জড়ো করছেন।

তিনি আরও বলেন,তফসিল ঘোষণার পরে আমি নিয়মনীতি মেনেই আমি আমার নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি। প্রতিক বরাদ্দের পরে শান্তিপূর্ণভাবে আমরা প্রচার প্রচারণা চালিয়ে আসছিলাম। আমার প্রতিদ্বন্দ্বী হ্যাঙ্গার প্রতিকের প্রার্থী নাজমুল আহসান খান নান্নু বরগুনা, পার্শ্ববর্তী চাকামাইয়াসহ বিভিন্ন এলাকার বহিরাগত লোকজন এনে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চাইছে। তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

অপর প্রতিদ্বন্দ্বী হ্যাঙ্গার প্রতিকের প্রার্থী সাবেক পৌর মেয়র নাজমুল আহসান খান নান্নু প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীর এসব অভিযোগ অস্বীকার করে  পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, আমার ব্যানার হাতে নিয়ে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নিজের লোকজন দিয়ে এসব করায়। তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন,মেয়র মতিয়ার রহমান বিভিন্ন ওয়ার্ডের নারীদের নিজ বাসায় জড়ো করে দেদারসে টাকা দিচ্ছেন এ ব্যাপারে তিনিও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সমুহকে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্হা গ্রহনের জন্য অনুরোধ জানান।

এসব বিষয়ে আমতলী পৌরসভা নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবদুল হাই আল হাদী বলেন,বিষয়টি আমরাও শুনেছি,কয়েকজন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাদের লোকজন নিয়ে একজন প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। তবে তাদেরকে আচরণবিধি মেনে প্রচারণা চালাতে বলা হয়েছে। আমতলী পৌরসভা নির্বাচনের মাঠ পর্যবেক্ষণের জন্য তিনজন ম্যাজিষ্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ভোট গ্রহনের ৭২ঘন্টা আগে সকল বহিরাগতদের মাইকিং করে নির্বাচনী এলাকা ছাড়তে বলা হবে।

আমতলী পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে নয়জন প্রার্থী অংশ গ্রহণ করলেও বর্তমান মেয়র ও আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মতিয়ার রহমান,সহ-সভাপতি নাজমুল আহসান নান্নু,জিল্লুর রহমান ছাড়া আর কোন প্রার্থীর কোন প্রচারণা চোখে পড়েনি।

অপরদিকে ৯টি ওয়ার্ডে (পুরুষ) ৩৬ জন কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হয়ে লড়ছেন। নারী কাউন্সিল পদে ০৯ জন প্রার্থী হয়ে লড়ছেন।আগামী ৯ই মার্চ আমতলী পৌর নির্বাচনে ১৫ হাজার ৮ ’শ ৩৯ ভোটার তাদের ভোটের মাধ্যমে পছন্দের প্রার্থী নির্বাচিত করবেন।

পৌরসভা মেয়র নির্বাচন// আমতলীর প্রার্থী সাবেক ও বর্তমান মেয়র

//মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনা আমতলী পৌরসভার মেয়র পদে বর্তমান ও সাবেক মেয়র প্রার্থী হয়ে ভোটযুদ্ধে নেমে পড়েছেন। মেয়র প্রার্থী ছাড়াও ৯টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীরাও ভোটের আমেজে জাগিয়ে তুলেছে পাড়া,মহল্লা। পৌর এলাকার সর্বত্র ছেয়ে গেছে পোস্টার আর ফেস্টুনে। প্রচার যন্ত্রেও নির্দিষ্ট সময়ে চালিয়ে যাচ্ছে অবিরাম প্রচারণা। এতে যেন মানুষের ক্লান্তি বেড়ে যাচ্ছে।তবে ভোটারদের মাঝে মুল আকর্ষণ বর্তমান ও সাবেক মেয়রের ভোট যুদ্ধ।

আগামী আগামী ০৯ মার্চ আমতলী পৌরসভায় ভোট অনুষ্ঠিত হবে। দিনক্ষণ খানিকটা সামনে থাকলেও প্রচার প্রচারণায় যেন হাঁপিয়ে পড়েছেন প্রার্থীরা।ভোটারদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন প্রার্থীরা।সেই সাথে দিচ্ছেন প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরিও। নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশ থাকলেও  ভোটারদের মাঝে দিনদিন শঙ্কা বেড়েই চলছে। তাদের প্রশ্ন শেষ পর্যন্ত ভোট দিতে আদৌ যেতে পারবেন কি না ভোটের মাঠে এমন শঙ্কাও বিরাজ করছে ভোটারদের মাঝে।

পৌরসভার মেয়র পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান মেয়র মোঃ মতিয়ার রহমান (মোবাইল) প্রতীক নিয়ে প্রার্থী হয়ে ভোটারদের কাছে যাচ্ছেন,তিনি উন্নয়নের ধারা অব্যাহত ও আগামীর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করছেন।

তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজমুল আহসান খাঁন (হ্যাঙ্গার) প্রতিক নিয়ে বসে নেই। তিনিও দিন-রাত যাচ্ছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে।বলছেন তার আমলে উন্নয়নের কথা এবং দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি।উভয় প্রার্থীকে জেতাতে দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা চেষ্টা করছেন সমান তালে।

প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থী ছাড়াও মেয়র পদে রয়েছেন,জহিরুল ইসলাম খোকন,জিল্লুর রহমান,নুসরাত জাহান,, ইফতেকার হাসান,আব্দুল্লাহ আল মামুন, আবুল কালাম আজাদ ও কামাল হোসেন। মেয়র পদে তারা প্রার্থী হলেও তাদের প্রচার প্রচারণা নেই নির্বাচনী মাঠে।

এর বাইরেও ৯টি ওয়ার্ডে (পুরুষ) ৩৬ জন কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হয়ে লড়ছেন। নারী কাউন্সিল পদে ০৯ জন প্রার্থী হয়ে লড়ছেন। আগামী ০৯ মার্চ পৌর এলাকায় ১৫ হাজার ৮ ’শ ৩৯ ভোটার তাদের ভোটের মাধ্যমে পছন্দের নেতা নির্বাচন করবেন।

নির্বাচন নিয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারী রিটানিং কর্মকর্তা সেলিম রেজা জানান,পৌর নির্বাচন অবাধ,সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে কোনো অবস্থাতেই চেষ্টার কমতি থাকবে না সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের।

আমতলী পৌর নির্বাচনে নামকাওয়াস্তে ৮ মেয়র প্রার্থী!

মাহমুদুল হাসান,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

বরগুনার আমতলী পৌরসভা সাধারণ নির্বাচনে মেয়র পদে ১০ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে ৮ প্রার্থী নামকাওয়াস্তে মেয়র প্রার্থী হয়েছেন এমন দাবী সাধারণ ভোটারদের। এ ৮ প্রার্থীকে ৯০ ভাগ ভোটার চিনেন না। শুধুমাত্র নিজেদের নাম জাহির ও অন্য প্রার্থীকে সহযোগীতা করতেই তারা প্রার্থী হয়েছেন। শেষ পর্যন্ত এরা প্রার্থী থাকলে তাদের সকলেই জামানত হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।

জানাগেছে, আমতলী পৌরসভা নির্বাচন আগামী ৯ মার্চ। গত ১৩ ফেব্রæয়ারী মেয়র পদে উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি মেয়র মতিয়ার রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজমুল আহসান খাঁন, জিল্লুর রহমান, আবুল কালাম আজাদ, জহিরুল ইসলাম খোকন, নুসরাত জাহান, কামাল মৃধা, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মুহা ইফতেকার হাসান ও জেসিকা তারতিলা জুথি মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এদের মধ্যে বর্তমান মেয়র মতিয়ার রহমান ও সাবেক মেয়র নাজমুল আহমান খাঁন জনগন ও ভোটারদের কাছে ব্যপক পরিচিত। অপর ৮ জন প্রার্থী জিল্লুর রহমান, আবুল কালাম আজাদ, জহিরুল ইসলাম খোকন, নুসরাত জাহান, কামাল মৃধা, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মুহা ইফতেকার হাসান ও জেসিকা তারতিলা জুথি নাম লেখাতেই মেয়র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন। এ ৮ প্রার্থীর নেই কর্মী ও সমর্থক। এরা ডামি প্রার্থী হিসেবে মুল প্রার্থীদের সহযোগীতা করতে প্রার্থী হয়েছেন এমন দাবী ভোটারদের। এর মধ্যে নুসরাত জাহান মেয়র প্রার্থী মতিয়ার রহমানের স্ত্রী এবং আবুল কালাম আজাদ তার ভাগ্নে। জেসিকা তারতিলা জুথি কাউন্সিলর জিএম মুছার স্ত্রী। কামাল মৃধা, আব্দুল্লাহ আল মামুন ও মুহা ইফতেকার হাসান এ তিনজনকে কেউ চিনেন না। আমতলী পৌরসভার ১৫ হাজার ৮ ’শ ৩৯ ভোটারের মধ্যে ৯০ ভাগ ভোটার তাদের চেনেন না এবং জানেন না বলে দাবী সাধারণ ভোটারের।

ভোটার লুৎফর রহমান, স্বপন মিয়া ও খাদিজা বলেন, ৮ প্রার্থীর মধ্যে কামাল মৃধা, আব্দুল্লাহ আল মামুন ও মুহা ইফতেকার হাসান চেনাতো দুরের কথা নাম শুনিনি। এরাতো শুধু নিজেদের নাম জাহির করতেই প্রার্থী হয়েছেন।

মেয়র প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন ও মুহা ইফতেকার হাসান মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

মেয়র প্রার্থী কামার মৃধা বলেন, পরিচিতি না থাকলেও অল্প দিনের মধ্যে পরিচিত হয়ে যাব। যে মতে কাজ চলছে।

আমতলী উপজেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. শাহাবুদ্দিন পান্না বলেন, দুই প্রার্থী ছাড়া অধিকাংশ প্রার্থী জনগন চিনেন না। এরা কেন প্রার্থী হয়েছেন তা তারাই ভালো বলতে পারবেন।

নির্বাচনে বিজয়ীর পর রূপসায় এমপি’র আগমনে সংবর্ধনা এবং উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্ধারণ প্রস্তুতিমূলক সভা 

//এম মুরশীদ আলী , রূপসা//

খুলনা- ৪ আসনে সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদী  দ্বাদশ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পরবর্তী সময়ে আগমন, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি। তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া উপলক্ষে ও অধ্যক্ষ খান আলমগীর কবীর স্মৃতি ফুটবল টুনার্মেন্টের ফাইনাল খেলা এবং আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্ধারণের প্রস্তুতিমূলক মতবিনিময় সভা গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বিকালে কাজদিয়া গ্রামবাসীর আয়োজনে ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সদস্য আ: মজিদ ফকির।

প্রধান বক্তা ছিলেন বয়রা সরকারি মহিলা কলেজের সহকারি অধ্যাপক, খান আহমেদুল কবীর চাইনিজ এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন সৈয়দ মোরশেদ আলম বাবু।

নির্বাচনে বিজয়ীর পর রূপসায় এমপি’র আগমনে সংবর্ধনা এবং উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্ধারণ প্রস্তুতিমূলক সভা 

সমাজসেবক খান বজলার রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি খান শাহ জাহান কবীর প্যারিস, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক গাজী মোহম্মাদ আলী জিন্নাহ, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক বিনয় কৃষ্ণ হালদার, আওয়ামীলীগ নেতা শিক্ষক বাকির হোসেন, প্যানেল চেয়ারম্যান সৈয়দ আওরঙ্গজেব স্বর্ন, ইউপি সদস্য মো. দাউদ শেখ, ইনতাজ মোল্লা, উপজেলা হাট-বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মো. জুলফিকার আলী প্রমূখ।

এ সময় শফিকুর রহমান ইমনের পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউপি সদস্য পলাশ হালদার, নৈহাটী ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলগের সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল শেখ, আজমল ফকির, ফ ম অহিদুল ইসলাম, আমানুল্লাহ গাজী, আলতাফ মাহমুদ, সমাজসেবক সৈয়দ মাহমুদ আলী, আলম শেখ, সৈয়দ নান্টু, আয়ূব আলী খান, কিবরিয়া, লিটন সরকার, ছাত্রনেতা আরিফুল ইসলাম কাজল, রবিউল ইসলাম, খায়রুজ্জামান সজল, মো. সাদ্দাম শেখ, সৈয়দ হেলাল, আজিজুল মোল্যা, রহমত আলী, প্রণব বিশ্বাস, আছমা বেগম, আশুরা বেগম, জামাল শেখ, শাহাজাদা আলমগীর, মুশফিকুর রহমান সুমন, মাসুদ শেখ, মাহবুব শেখ,  আসলাম শেখ, মন্টু শেখ, শেখ রবিউল ইসলাম সহ বিভিন্ন গ্রাম থেকে আশা অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলার সদরস্থ কাজদিয়া গ্রামবাসীর ডাকে সাড়া দিয়ে ১০টি গ্রামের লোক স্বতস্ফুত অংশগ্রহন উপস্থিত মতামতে সিদ্ধান্ত হয়। আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী থাকবেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোরশেদ আলম বাবু। তাকে বিজয়ী করতে আমরা সকলে আজ থেকে ঐক্যভাবে কাজ করবো। সভা শেষে প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাচন কবে কোথায় অনুষ্ঠিত হবে জেনেনিন

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

দেশের ছয়টি নির্বাচনী অঞ্চলের ৩৪৪টি উপজেলার নির্বাচন কখন হবে তা জানাল নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বুধবার সন্ধ্যার দিকে ওয়েবসাইটে তার সম্ভাব্য তালিকা প্রকাশ করেছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।

ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম জানিয়েছেন, প্রথম ধাপে মে, দ্বিতীয় ধাপে ১১ মে, তৃতীয় ধাপে ১৮ মে এবং চতুর্থ ধাপে ২৫ মে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

ইসি ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে প্রথম ধাপে ১০৮টি, দ্বিতীয় ধাপে ১২১, তৃতীয় ধাপে ৭৭ ও চতুর্থ ধাপে ৩৮টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আর সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপজেলাগুলোর তালিকা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে। দেশে বর্তমানে ৪৯৫টি উপজেলা রয়েছে।

প্রথম ধাপে যে ১০৮ উপজেলায় ভোট: জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল, কালাই ও আক্কেলপুর; বগুড়ার সারিয়াকান্দা, সোনাতলা ও গাবতলী; চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট; নওগাঁর ধামইরহাট, পত্নীতলা, মহাদেবপুর ও বদলগাছী; রাজশাহীর গোদাগাড়ী ও তানোর; নাটোরের নাটোর সদর, নলডাঙ্গা ও সিংড়া; সিরাজগঞ্জের সিরাজগঞ্জ সদর, কাজিপুর ও বেলকুচি; পাবনার সাঁথিয়া, সুজানগর ও বেড়া;

পঞ্চগড়ের পঞ্চগড় সদর, তেঁতুলিয়া ও আটোরিয়া; ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী ও হরিপুর; নীলফামারীর ডোমার ও ডিমলা; দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট, হাকিমপুর ও বিরামপুর;

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা; রংপুরের কাউনিয়া ও পীরগাছা; কুড়িগ্রামের রৌমারী, চর রাজিবপুর ও চিলমারী; গাইবান্ধার সাঘাটা ও ফুলছড়ি; মেহেরপুরের মেহেরপুর সদর ও মুজিবনগর; কুষ্টিয়ার খোকসা, কুষ্টিয়া সদর ও কুমারখালী; চুয়াডাঙ্গার জীবননগর ও দামুড়হুদা; ঝিনাইদহের ঝিনাইদহ সদর ও কালীগঞ্জ; যশোরের মনিরামপুর ও কেশবপুর; মাগুরার মাগুরা সদর ও শ্রীপুর; নড়াইলের কালিয়া; বাগেরহাটের বাগেরহাট সদর, রামপাল ও কচুয়া; সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ ও শ্যামনগর; বরিশালের বরিশাল সদর ও বাকেরগঞ্জ; পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া ও ভান্ডারিয়া; ঢাকার দোহার, নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জ;

গোপালগঞ্জের গোপালগঞ্জ সদর, কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়া; নারায়ণগঞ্জের নারায়ণগঞ্জ সদর ও বন্দর; গাজীপুরের গাজীপুর সদর, কালীগঞ্জ ও কাপাসিয়া; রাজবাড়ীর কালুখালী ও পাংশা; মানিকগঞ্জের সিংগাইর ও হরিরামপুর; ফরিদপুরের চরভদ্রাসন, মধুখালী ও ফরিদপুর সদর; মাদারীপুরের মাদারীপুর সদর, শিবচর ও রাজৈর; শরীয়তপুরের নড়িয়া ও ভেদরগঞ্জ; নরসিংদীর নরসিংদী সদর ও পলাশ; টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী, মধুপুর ও গোপালপুর; মুন্সিগঞ্জের মুন্সিগঞ্জ সদর ও গজারিয়া; কিশোরগঞ্জের কিশোরগঞ্জ সদর, হোসেনপুর ও পাকুন্দিয়া; ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া ও ফুলপুর; জামালপুরের জামালপুর সদর ও সরিষাবাড়ী; শেরপুরের ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী; নেত্রকোনার দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা।

দ্বিতীয় ধাপে যে ১২১ উপজেলায় ভোট: জয়পুরহাটের জয়পুরহাট সদর ও পাঁচবিবি; বগুড়ার দুপচাঁচিয়া, আদমদীঘি ও কাহালু; চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ; নওগাঁর সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর; রাজশাহীর পুঠিয়া, বাগমারা ও দুর্গাপুর; নাটোরের লালপুর ও বাগাতিপাড়া;

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া ও তাড়াশ; পাবনার চাটমোহর, ভাংগুড়া ও ফরিদপুর; পঞ্চগড়ের বোদা ও দেবীগঞ্জ; ঠাকুরগাঁওয়ের ঠাকুরগাঁও সদর ও রাণীশংকৈল; নীলফামারীর সৈয়দপুর, কিশোরগঞ্জ ও জলঢাকা; দিনাজপুরের বিরল, কাহারোল, বীরগঞ্জ ও বোচাগঞ্জ;

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ ও আদিতমারী; রংপুরের মিঠাপুকুর ও পীরগঞ্জ; কুড়িগ্রামের রাজারহাট, উলিপুর ও কুড়িগ্রাম সদর; গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ, পলাশবাড়ী ও গাইবান্ধা সদর; মেহেরপুরের গাংনী; কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা, মিরপুর ও দৌলতপুর; চুয়াডাঙ্গার চুয়াডাঙ্গা সদর ও আলমডাঙ্গা; ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ড ও শৈলকুপা;

যশোরের চৌগাছা, ঝিকরগাছা ও শার্শা; মাগুরার শালিখা ও মহম্মদপুর; নড়াইলের নড়াইল সদর ও লোহাগড়া; বাগেরহাটের ফকিরহাট, মোল্লাহাট ও চিতলমারী;

খুলনার তেরখাদা, দিঘলিয়া ও ফুলতলা; সাতক্ষীরার তালা, দেবহাটা ও আশাশুনি; বরিশালের বাবুগঞ্জ, উজিরপুর ও বানারিপাড়া; পটুয়াখালীর দশমিনা, গলাচিপা ও বাউফল; পিরোজপুরের কাউখালী ও নেছারাবাদ; ভোলার বোরহানউদ্দিন, ভোলা সদর ও দৌলতখান; ঝালকাঠির ঝালকাঠি সদর ও নলছিটি; বরগুনার বেতাগী ও বরগুনা সদর; ঢাকার সাভার ও ধামরাই; গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী ও মুকসুদপুর; নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও, রূপগঞ্জ ও আড়াইহাজার;

গাজীপুরের কালিয়াকৈর ও শ্রীপুর; রাজবাড়ীর রাজবাড়ী সদর, গোয়ালন্দ ও বালিয়াকান্দি; মানিকগঞ্জের শিবালয়, ঘিওর ও দৌলতপুর; ফরিদপুরের নগরবান্দা ও সালথা; মাদারীপুরের কালকিনি ও ডাসার; শরীয়তপুরের শরীয়তপুর সদর ও জাজিরা;

নরসিংদীর বেলাবো ও মনোহরদী; টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর, কালিহাতি ও ঘাটাইল; মুন্সিগঞ্জের লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী; কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী, নিকলী ও অষ্টগ্রাম;

ময়মনসিংহের ময়মনসিংহ সদর, মুক্তাগাছা ও গৌরীপুর; জামালপুরের বকশীগঞ্জ, দেওয়ানগঞ্জ ও ইসলামপুর; শেরপুরের নালিতাবাড়ী ও নকলা; নেত্রকোনার নেত্রকোনা সদর, পূর্বধলা ও বারহাট্টা।

তৃতীয় ধাপে যে ৭৭ উপজেলায় ভোট : বগুড়ার বগুড়া সদর, শাজাহানপুর, শিবগঞ্জ; নওগাঁর আত্রাই ও রাণীনগর; রাজশাহীর পবা ও মোহনপুর; নাটোরের গুরুদাসপুর ও বড়াইগ্রাম; সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর ও চৌহালী; পাবনার পাবনা সদর, আটঘরিয়া ও ঈশ্বরদী;

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ; নীলফামারীর নীলফামারী সদর, দিনাজপুরের দিনাজপুর সদর, খানসামা, চিরিরবন্দর; লালমনিরহাটের লালমনিরহাট সদর; রংপুরের রংপুর সদর ও গঙ্গাচড়া; কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী, ভূরুঙ্গামারী ও নাগেশ্বরী; গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর ও সুন্দরগঞ্জ;

যশোরের যশোর সদর, অভয়নগর ও বাঘারপাড়া; বাগেরহাটের শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ ও মোংলা; খুলনার কয়রা, পাইকগাছা ও ডুমুরিয়া; সাতক্ষীরার কলারোয়া ও সাতক্ষীরা সদর;

বরিশালের গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া; পটুয়াখালীর পটুয়াখালী সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি; পিরোজপুরের পিরোজপুর সদর, নাজিরপুর ও ইন্দুরকানি; ভোলার তজুমদ্দিন ও লালমোহন; ঝালকাঠির রাজাপুর ও কাঠালিয়া; বরগুনার বামনা ও পাথরঘাটা; মানিকগঞ্জের মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া;

ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও সদরপুর, শরীয়তপুরের ডামুড্যা ও গোসাইরহাট; নরসিংদীর শিবপুর ও রায়পুরা; টাঙ্গাইলের টাঙ্গাইল সদর, দেলদুয়ার ও নাগরপুর; মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান ও শ্রীনগর; কিশোরগঞ্জের ইটনা, তাড়াইল, করিমগঞ্জ ও মিঠামইন;

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া, ঈশ্বরগঞ্জ ও ত্রিশাল; জামালপুরের মেলান্দহ ও মাদারগঞ্জ; নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ, মদন ও খালিয়াজুরী।

চতুর্থ ধাপে যে ৩৮টি উপজেলায় ভোট: বগুড়ার নন্দীগ্রাম, শেরপুর ও ধুনট; নওগাঁর নওগাঁ সদর ও মান্দা; রাজশাহীর চারঘাট ও বাঘা; সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ ও রায়গঞ্জ;

দিনাজপুরের ফুলবাড়িয়া, পার্বতীপুর ও নবাবগঞ্জ; রংপুরের তারাগঞ্জ ও বদরগঞ্জ; খুলনার রূপসা, দাকোপ ও বটিয়াঘাটা; বরিশালের মুলাদী ও হিজলা; পটুয়াখালীর কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী; ভোলার মনপুরা ও চরফ্যাশন; বরগুনার আমতলী ও তালতলী;  ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা ও বোয়ালমারী; টাঙ্গাইলের মির্জাপুর, বাসাইল ও সখীপুর; কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর, কুলিয়ারচর ও ভৈরব; ময়মনসিংহের ভালুকা, গফরগাঁও ও নান্দাইল এবং নেত্রকোনার কেন্দুয়া ও আটপাড়া উপজেলা।

Daily World News

সরস্বতী পুজা উদযাপিত ঐতিহ্যবাহী মানসা কালীবাড়ী মন্দিরে

সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৮ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৮ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ। বুধবার বিকালে গণভবনে প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি জানান, মোট ১ হাজার ৫৫৩ জন প্রার্থী এবার মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। এর মধ্যে থেকে যাচাই–বাছাই করে ৪৮ জনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

যারা মনোনয়ন পেয়েছেন তারা হলেন-

রেজিয়া ইসলাম – পঞ্চগড়

দ্রৌপদী বেবি আগরওয়াল- ঠাকুরগাঁও

আশিকা সুলতানা- নীলফামারী

রোকেয়া সুলতানা – জয়পুরহাট

কোহেলী কুদ্দুস – নাটোর

জারা জাবীন মাহবুব – চাঁপাইনবাবগঞ্জ

রুনু রেজা- খুলনা

ফরিদা আক্তার বানু- বাগেরহাট

মোসা. ফারজানা সুমি – বরগুনা

খালেদা বাহার – ভোলা

নাজনীন নাহার রশীদ – পটুয়াখালী

ফরিদা ইয়াসমিন–নরসিংদী

উম্মি ফারজানা ছাত্তার – ময়মনসিংহ

নাদিয়া বিনতে আমিন – নেত্রকোনা

মাহফুজা সুলতানা -জয়পুরহাট

পারভীন জামান – ঝিনাইদহ

আরোমা দত্ত -কুমিল্লা

লায়লা পারভীন  -সাতক্ষীরা

মন্নুজান সুফিয়ান – খুলনা

বেদৌরা আহমেদ সালাম – গোপালগঞ্জ

শবনম জাহান -ঢাকা

পারুল আক্তার -ঢাকা

সাবেরা বেগম– ঢাকা

শাম্মী আহমেদ – বরিশাল

নাহিদ ইজাহার খান- ঢাকা

ঝর্না হাসান– ফরিদপুর

ফজিলাতুন নেসা – মুন্সীগঞ্জ

সাহিদা তারেখ –ঢাকা

অনিমা মুক্তি গোমেজ – ঢাকা

শেখ আনার কলি -ঢাকা

মাসুদা সিদ্দিক রোজী – নরসিংদী

তারানা হালিম–টাঙ্গাইল

বেগম শামসুন নাহার–টাঙ্গাইল

মেহের আফরোজ – গাজীপুর

অপরাজিতা হক– টাঙ্গাইল

হাছিনা বারী চৌধুরী- ঢাকা

নাজমা আকতার–গোপালগঞ্জ

রুমা চক্রবর্তী–সিলেট

ফরিদুন্নাহার লাইলী – লক্ষ্মীপুর

আশ্রাফুন নেছা–লক্ষ্মীপুর

কানন আরা বেগম – নোয়াখালী

শামীমা হারুন–চট্টগ্রাম

ফরিদা খানম – নোয়াখালী

দিলোয়ারা ইউসুফ- চট্টগ্রাম

ওয়াসিকা আয়েশা খান – চট্টগ্রাম

জ্বরতী তঞ্চঙ্গ্যা–রাঙামাটি

সানজিদা খানম – ঢাকা

মোছা. নাসিমা জামান  – রংপুর

আমতলী পৌর নির্বাচন মেয়র পদে ১০ কাউন্সিলর পদে ৪৬ প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র দাখিল

মাহমুদুল হাসান,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

বরগুনার আমতলী পৌরসভা নির্বাচনে মনানয়নপত্র জমাদানের শেষ দিন মঙ্গলবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত মেয়র পদে ১০ জন মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন। সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ৯ জন ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৭ জন প্রার্থী ।

আমতলী উপজেলা নির্বাচন অফিস ও রিটার্নি কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আমতলী পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে ১০ জন মনে পত্র দাখিল করেছেন। প্রার্থীরা হলো বর্তমান মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মতিয়ার রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, সাবেক মেয়র বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. নাজমুল আহসান, মো. জিল্লুর রহমান রুবেল মোক্তার, মো. আবুল কালাম আজাদ, জহিরুল ইসলাম খোকন মৃধা, নুসরাত জাহান লিমু, কামাল মৃধা, আবদুল্লাহ আল মামুন, মো. ইফতেকার হাসান ও জেসিকা তারতিল যুথি।

সংরক্ষিত ৩টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৯ জন ও সাধারন ৯টি ওয়ার্ডে ৩৭ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ।

নির্বাচনে প্রার্থীতা বাছাই হবে ১৫ ফেব্রুয়ারি, বাছাইয়ে বাদ পরাদের আপিল নিষ্পত্তি হবে ১৯ ও ২০ ফেব্রুয়ারি, মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ২২ ফেব্রুয়ারি, প্রতিক বরাদ্দ ২৩ ফেব্রুয়ারি, ভোট গ্রহন করা হবে ৯ মার্চ।

বরগুনা জেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবদুল হাই আল হাদী জানান, মঙ্গলবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় পর্যন্ত মেয়র পদে ১০ জন এবং সংরক্ষিত পদে ৯ এবং সাধারন কাউন্সিলর পদে ৪৬ জন মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।

পকিস্তানের নির্বাচন-ফলাফল-সরকার গঠন নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের সঙ্গে সেনাবাহিনীর টানাপোড়েন চলছিল। সেনাবাহিনী, বিশেষ করে সেনাপ্রধান আসিম মুনির পিটিআইকে নির্বাচনের বাইরে রাখতে এমন কোনো অস্ত্র নেই, যা ব্যবহার করেননি। একপর্যায়ে মামলায় জর্জরিত কারাবন্দী ইমরান ও তাঁর দল পিটিআই নির্বাচন থেকে ছিটকেও পড়ে। ইমরান হতোদ্যম হননি। দলের নেতাদের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন। তাঁরাই পিএমএল (এন) ও পিপিপির (জারদারি-ভুট্টো) সঙ্গে লড়ে দারুণভাবে জিতে আসেন। রাজনৈতিক ভাষ্যকারেরা অবশ্য বলছেন, কাহিনির সমাপ্তি ঘটছে না এখনই।

পাকিস্তানে ৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে মূল দুই চরিত্রে ছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান। তাঁর রাজনীতিকে ধুলায় মিশিয়ে দিতে পর্দার পেছন থেকে রাষ্ট্রযন্ত্রের এমন কোনো অংশ নেই, যা তিনি ব্যবহার করেননি। ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকেও কাজে লাগিয়েছেন। নির্বাচনে পিটিআই অনুসারী স্বতন্ত্র সদস্যরা যে ফলাফল করেছেন, তাতে আসিম মুনিরের চেষ্টা যে ব্যর্থ হয়েছে তাতে সন্দেহের আর কোনো অবকাশ নেই।

মামলাজর্জরিত ও কারাবন্দী খান নির্বাচন ও নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিতে না পেরে দলীয় প্রার্থীদের স্বতন্ত্র হিসেবে দাঁড় করাতে বাধ্য হন। কারণ পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন পিটিআইয়ের প্রতীক স্থগিত করে দিয়েছিল। এত বাধাবিপত্তি, এমনকি খানের সহকর্মীদের কেউ কেউ বেঁকে বসার পরও পিটিআই প্রার্থীরা স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনে লড়ে একক বৃহত্তম গোষ্ঠী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। আসিম মুনিরের প্রিয় দুই দল শরিফের পাকিস্তান মুসলিম লিগ (এন) কিংবা ভুট্টো-জারদারির পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি)। কিন্তু ভোটের ফলে দেখা যাচ্ছে এই দুই দলের চেয়ে পিটিআই জাতীয় পরিষদে বেশি আসন জিতে নিয়েছে। এর অর্থ হলো প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও ইমরান খান তাঁর ভোটারদের ধরে রাখতে পেরেছেন।

(রোববার দুপুরে পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন যে ফল ঘোষণা করে সে অনুযায়ী, ২৬৪ আসনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১০১ আসনে জয় পেয়েছেন পিটিআই অনুসারী স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। এরপরই পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) ৭৫ আসনে, পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) ৫৪ ও মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট পাকিস্তান (এমকিউএম) ১৭ আসনে জয়ী হয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য দল পেয়েছে ১৭টি আসন। পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের ২৬৬ আসনের মধ্যে একটি আসনে ভোট গ্রহণ স্থগিত থাকায় ২৬৫ আসনে ভোট হয়েছে। একটি আসনে ফল স্থগিত থাকার ঘোষণা দেয় নির্বাচন কমিশন। ফলে ২৬৪ আসনে ফল ঘোষণা করা হয়েছে। সরকার গঠনে প্রয়োজন হবে ১৩৪ আসন।)

যেহেতু কোনো দলই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি, পাকিস্তানকে এখন জোট সরকারের দিকে যেতে হবে। সরকার গঠনের জটিলতার বিষয়টি বুঝতে পাকিস্তানের সংবিধানের দিকে নজর দেওয়া জরুরি। পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদের ৩৩৬ আসনের মধ্যে ২৬৬টি আসনে সরাসরি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় (এবার ২৬৫টি আসনে অনুষ্ঠিত হয়েছে)। ৬০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত এবং দলগুলোর দেওয়া তালিকার ওপর আনুপাতিক হারে বণ্টন হয়। নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন পেতে হলে রাজনৈতিক দলগুলোকে কমপক্ষে পাঁচ শতাংশ ভোট পাওয়ার বাধ্যবাধকতা আছে। আর সংখ্যালঘুদের জন্য আছে ১০টি আসন।

পাকিস্তানের ভেতরে একটি পক্ষ রয়েছে যারা চায় সেনাবাহিনীকে রাজনীতি থেকে পৃথক থাকুক। স্বাভাবিকভাবেই নির্বাচনের এই ফলে তারা আনন্দিত। তারা আশা করছে এই জয়ের দরুন জাতীয় ইস্যুতে সেনাবাহিনীর যে ভূমিকা তার পুনর্মূল্যায়ন হবে। কিন্তু তাদের এই আশা খুব সম্ভবত পূরণ হবে না। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী পেশাদারত্ব ও রাজনীতি এ দুই নিয়েই থাকবে। আসিম মুনিরও ইমরান খানের প্রতি তাঁর যে শত্রু মনোভাব তা জারি রাখবেন, নইলে তাঁর নিজের অবস্থানই নড়বড়ে হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

যেহেতু দল হিসেবে পিটিআই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি, ফলে তারা নারী ও সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত আসন পাবে না। এ কথা সব দলের জন্যই প্রযোজ্য। এই আসনগুলো ছাড়া কোনো দলই সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না। পিটিআইকে সংরক্ষিত আসন পেতে হলে ছোট কোনো দলের সঙ্গে জোট করতে হবে। সেদিক থেকে এক সদস্যের মজলিস ওয়াহদাত-ই-মুসলিমিন (এমডব্লিউএম) একটি বিকল্প হতে পারে। এই দলটি এসেছে খাইবার-পাখতুনখওয়া থেকে। এমডব্লিউএমের সঙ্গে জোট করলে পিটিআই তাদের (এমডব্লিউএমের) ব্যানারে নারী ও সংখ্যালঘুদের আসন পেতে পারে। কিন্তু এতেও সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। কারণ ক্ষমতায় যেতে হলে পিটিআইকে নিদেনপক্ষে ১৬৮টি আসন পেতে হবে। অন্য দলগুলো নিজেরা কিংবা মুনিরের চাপে খানের সঙ্গে জোটে যাবে না।

বর্তমান পরিস্থিতে সরকার গঠনে পিপিপির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তারা সিন্ধু ধরে রেখেছে, পাঞ্জাবেও আসনসংখ্যা বাড়িয়েছে। সন্দেহ নেই, মুনির পিএমএল (এন) এবং পিপিপিকে হাত মেলাতে আহ্বান জানাবেন। এমন ঘটনা আগেও ঘটেছে। এই নির্বাচনের আগে আমরা পিএমএল (এন) নেতা এবং নওয়াজ শরিফের ভাই শাহবাজ শরিফকে পিপলস ডেমোক্রেটিক মুভমেন্টের (পিডিএম) সরকার গঠন করতে দেখেছি। সরকার গঠন নিয়ে দুই দলের মধ্যে কথা হচ্ছে। কিন্তু তাদের মধ্যে সমঝোতায় পৌঁছাও কঠিন হবে, কারণ দুই দলেরই নিজ নিজ স্বার্থ আছে। সম্ভবত, মুনির ও তাঁর কোটাভুক্ত জেনারেলরা পাকিস্তানের ‘বৃহত্তর স্বার্থে’ দুই দলকে আপস-মীমাংসা করতে বাধ্য করবে। পিএমএল (এন) ও পিপিপির জোট সরকার হয়তো নওয়াজ শরিফের চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যে খায়েশ তাতে বাধা হয়ে দাঁড়াবে। তারপরও পিএমএল (এন) জোরদার চেষ্টা চালিয়ে যাবে।

এই নির্বাচনের ফলাফল আসলে কি বার্তা দেয়? ইমরান খান খাইবার পাখতুনখোয়ায় আধিপত্য জারি রেখেছেন। এত বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই। তিনি জাতে পাঠান এবং জাতিগত কারণেই তিনি তাঁর লোকজনের সঙ্গে ছিলেন। কৌতূহলোদ্দীপক বিষয় হলো ইমরান খান পাঞ্জাবেও এগিয়ে ছিলেন, সেখানকার ভোটারদের যে সমর্থন তা একচুলও নড়েনি। রাজনৈতিকভাবে পাঞ্জাব খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রদেশ। এই বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ এই কারণে যে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বেশির ভাগ সদস্যই পাঞ্জাবি।

গত বছরের ৯ মে ইমরান খানের সমর্থকেরা সামরিক প্রতিষ্ঠানগুলোয় হামলা চালায়। মূলত ইমরান ও মুনিরের সম্পর্কেও ফাটল ধরে এই হামলার পরিপ্রেক্ষিতেই। পরবর্তী নয় মাসে, সেনাবাহিনী বারবার বলার চেষ্টা করেছে খান ও পিটিআই দেশপ্রেমিক নয়, এবং আদতে সেনাবাহিনীই দেশের অখণ্ডতা ও মতাদর্শগত ঐক্যকে অটুট রাখতে অভিভাবকের ভূমিকা পালন করে থাকে। এটা পরিষ্কার যে সেনাবাহিনী পরিচালিত এই প্রচারণার তিল পরিমাণ প্রভাবও খানের সমর্থকদের ওপর পড়েনি। কিন্তু খানের প্রতি সমর্থনের মানে এই নয় যে পাকিস্তানিদের দেশটির সেনাবাহিনীর প্রতি যে আস্থা তা তলানিতে ঠেকেছে। প্রতিষ্ঠান হিসেবে সেনাবাহিনীর প্রতি পাকিস্তানিদের জোর আস্থা আছে। বিশেষ করে তারা মনে করে ‘চির’শত্রু ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানকে সুরক্ষা দিতে সেনাবাহিনী অত্যন্ত বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে থাকে।

প্রশ্ন হচ্ছে, চরম প্রতিকূল পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ইমরান খানের অসাধারণ কৃতিত্বের পর উচ্চ আদালত তাঁদের সিদ্ধান্তের প্রতি আরেকবার আলোকপাত করবেন কি না। এতে হয়তো ইমরান খান কারামুক্ত হতে পারবেন এবং রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবেন। ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে খানের এত এত কর্মীর উপস্থিতিও বিচার বিভাগ ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের জন্য চাপের কারণ হতে পারে।

সেনাবাহিনী ও জোট হয়তো ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির সদস্যদের ভাগিয়ে আনার চেষ্টা করবে, কিন্তু ভোটারদের প্রতিক্রিয়ার ভয়ে তাদের অনেকেই খানের অনুগত থাকবেন। শিগগিরই খান হয়তো বিচারিক ছাড় পাবেন না, কিন্তু এটাও সত্য একপর্যায়ে গিয়ে আদালত তাঁকে বেরোতে দেবেন। আদালত যদি তা-ই করে, তাহলে ইমরান পাকিস্তানেই থাকবেন। তিনি তেমন মানুষ নন যে বিদেশে নির্বাসনে যাবেন।

সেনাবাহিনীর ভেতরে ইমরান খানের একটা সমর্থন আছে, সেটা সর্বজনবিদিত। ৯ মের পর থেকে মুনির কঠোরভাবে ইমরানপন্থীদের দমিয়ে রেখেছেন। তাঁদের মধ্যে কর্প কমান্ডারও আছেন। এই নির্বাচনের পর সেনাবাহিনীতে ইমরানের পক্ষে ইতিবাচক মনোভাবের পুনর্জীবন ঘটতে পারে, যা মুনির ও আইএসআই আবারও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন বলেই মনে হয়।

পাকিস্তানের ভেতরে একটি পক্ষ রয়েছে যারা চায় সেনাবাহিনীকে রাজনীতি থেকে পৃথক থাকুক। স্বাভাবিকভাবেই নির্বাচনের এই ফলে তারা আনন্দিত। তারা আশা করছে এই জয়ের দরুন জাতীয় ইস্যুতে সেনাবাহিনীর যে ভূমিকা তার পুনর্মূল্যায়ন হবে। কিন্তু তাদের এই আশা খুব সম্ভবত পূরণ হবে না। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী পেশাদারত্ব ও রাজনীতি এ দুই নিয়েই থাকবে। আসিম মুনিরও ইমরান খানের প্রতি তাঁর যে শত্রু মনোভাব তা জারি রাখবেন, নইলে তাঁর নিজের অবস্থানই নড়বড়ে হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

ভিভেক কাটজু ভারতের সাবেক কূটনীতিক। মিয়ানমার, আফগানিস্তান ও থাইল্যান্ডে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

নিবন্ধটি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস–এ প্রকাশিত। ইংরেজি থেকে অনূদিত।

Daily World News

পাকিস্তান জাতীয় নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ ফল

পাকিস্তান জাতীয় নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ ফল

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

পাকিস্তানে জাতীয় ও প্রাদেশিক নির্বাচনের তিন দিন পর রোববার পূর্ণাঙ্গ ফল ঘোষণা করেছে দেশটির নির্বাচন কমিশন ইসিপি। সেখানে কোনো দল সর্বশেষ কতটি আসন পেয়েছে সেটি জানানো হয়েছে।

পাকিস্তান নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী, ২৬৪ আসনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১০১ আসনে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। এর পরই পাকিস্তান মুসলিম লিগ–নওয়াজ (পিএমএল-এন) ৭৫ আসনে, পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) ৫৪ ও মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট পাকিস্তান (এমকিউএম) ১৭ আসনে জয়ী হয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য দল পেয়েছে ১৭ আসন।

এককভাবে সরকার গঠন করতে হলে কোনো রাজনৈতিক দলকে দেশটির জাতীয় পরিষদের ২৬৬ আসনের মধ্যে ১৩৪ আসনে জয়ী হতে হবে। পাকিস্তানে ৮ ফেব্রুয়ারির ভোটে কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। এ অবস্থায় সরকার গঠনের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলাপ-আলোচনা শুরু হয়েছে।

ডন ও জিও টিভির খবরে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির ৮৮, ১৮ ও ৯০ আসনের কয়েকটি কেন্দ্রে পুনরায় নির্বাচনের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। ১৫ ফেব্রুয়ারি এই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে শনিবার দেশটির সেনাপ্রধান বলেন, পাকিস্তানের ‘স্থিতিশীল শক্তি’ দরকার এবং ‘নৈরাজ্য ও মেরুকরণের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের ২৬৬ আসনের মধ্যে ২৬৫ আসনে (একটি স্থগিত) ভোট হয়েছে। একটি আসনে ফল স্থগিত থাকার ঘোষণা দেয় নির্বাচন কমিশন। ফলে ২৬৪ আসনে ফল ঘোষণা করা হয়েছে। সরকার গঠনে প্রয়োজন হবে ১৩৪ আসন।

পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের মোট আসন সংখ্যা ৩৩৬। এর মধ্যে ২৬৬ আসনে সরাসরি ভোট হয়। এ ছাড়া বাকি ৭০ আসন সংরক্ষিত। এসব আসনের মধ্যে ৬০ নারীদের ও ১০টি সংখ্যালঘুদের।

আগামী কচুয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ঘোষনা দিলেন কে. এম. ফরিদ হাসান

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

আগামী কচুয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নিজেকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে ঘোষনা দেন, জেলা আওয়ামীলীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক কে.এম.ফরিদ হাসান। বৃহস্পতিবার বিকালে কচুয়া প্রেসক্লাবের হলরুমে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এ ঘোষনা দেন তিনি।

এসময়ে তিনি বলেন, আমি ছোট বেলায় মাদ্রাসায় পড়েছি কর্মজীবন শুরু করার পর থেকে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়েছি, তাঁতীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছি, পরে বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছি। উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারন মানুষের পাশে থেকেছি। ভোটারদের ভালবাসা ও সমর্থনে আশাকরি নির্বাচনে আমার জয়লাভ হবে। তিনি সকলের সহযোগীতা কামনা করেন।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবের চার ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ঘোষণার পর নড়েচড়ে বসেছে সম্ভাব্য প্রার্থীরা। এ মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের মধ্যে কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি খোন্দকার নিয়াজ ইকবাল,সাধারন সম্পাদক কাজী ছাইদুজ্জামান সাইদ,যুগ্ম সাধারন সম্পাদক শুভংকর দাস বাচ্চু,নির্বাহী সদস্য খান সুমন, প্রদ্যুত কুমার মন্ডল,সদস্য নকীব মিজানুর রহমান,শহীদুল ইসলাম খোকন, মঈনুল ইসলাম শিকদার, মো.রুম্মান প্রমুখ।