চাঁদপুরের তিন উপজেলার নব-নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যানগনের শপথ গ্রহণ

//মোঃ হোসেন গাজী, চাঁদপুর//

চাঁদপুরের,কচুয়া ও ফরিদগঞ্জ, হাইমচর  উপজেলার ২৯ জন নবনির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যানের শপথ গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৬ ফেব্রুয়ারী) সকালে চাঁদপুর জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে চেয়ারম্যানদের শপথ বাক্য পাঠ করান, চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ।

শপথ নেওয়া নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য (চাঁদপু-৩) শিক্ষামন্ত্রী আলহাজ্ব  ডাঃ দীপু মনি এমপি   নব নির্বাচিত চেয়ারম্যানগনের উদ্দেশ্যে বলেন শততা, নিষ্ঠা, আনুগত্য দিয়ে আপনাদের দ্বায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিটি ইউনিয়নের জনগনের কল্যাণে কাজ করে যাবেন। আপয়ামীলীগ সরকার উন্নয়ন বান্ধব তাই উন্নয়নের জন্য সবসময় আপনাদের পাশে থাকবেন। সবসময় শ্রদ্ধার সাথে আপনাদের দ্বায়িত্ব পালন করবেন।

চাঁদপুরের তিন উপজেলার নব-নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যানগনের শপথ গ্রহণ

জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ বলেন, আপনারা অত্যন্ত সৌভাগ্যবান যে, আপনারা জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত চেয়ারম্যান। যে নির্বাচন হয়েছে সততা স্বচ্ছতা এবং নিরপেক্ষতার সাথে। জনগণ উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিয়ে আপনাদেরকে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করেছেন। এজন্যে আপনাদের প্রতি আমার এবং জনগণের প্রত্যাশাও অনেক। কে ভোট দিয়েছে কে দেয় নাই তার তিকে না তাকিয়ে সকলকে আপনকরে নিয়েই আপনাদের কাজ করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, সকল মেম্বারদের একই চোখে দেখবেন। বিশেষ করে মহিলা মেম্বারদের। গ্রাম আদালতের মাধ্যমে আপনারা মামলা নিষ্পত্তি করতে পারেন। গ্রাম আদালতের মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তি করলে গ্রামের সাধারণ মানুষদের কষ্ট করে শহরে আসতে হবে না। আপনি ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে পারলে আপনার এলাকার আরো উন্নয়ন হবে। জন্ম নিবন্ধন, নাগরিকত্বের সনদ দেওয়ার ব্যাপারে সঠিক ভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। আপনাদের অনেক বড় দায়িত্ব রয়েছে। যারা আপনাকে ভোট দিয়েছে তারা যেন আপনার প্রকৃত সেবাটি পায়।

জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আবিদা সিফাত এর সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন , বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে চাঁদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর, চাঁদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুহম্মদ শফিকুর রহমান, চাঁদপুর পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ।

হাইমচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুর হোসেন পাটওয়ারী, ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম রোমান, কচুয়া পৌরসভার মেয়র স্বপন মাহমুদ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) দাউদ হোসেন চৌধুরী, হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোমেনা আক্তার, শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিরিন আক্তার, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান মাহমুদ ডালিম,চাঁদপুর পৌরসভার মোয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল, চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান, হাইমচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চাই থোয়াইহলা চৌধুরীর, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইউসুফ গাজী, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মজিবুর রহমান ভুইঁয়া, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ গিয়াস উদ্দিন মিলন, সহ বিভিন্ন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা চেয়াম্যান, ফরিদগঞ্জ ও কচুয়া উপজেলার নব-নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান,  আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয় মসজিদের ইমাম মো. মেহেদী হাসান। পবিত্র গীতা পাঠ করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উচ্চমান সহকারি বিমল চন্দ্র দে।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

অবসট্রাক্টিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ায় মারা গেলেন বাপ্পি লাহিড়ি, কী এই রোগ

 

প্রাণিসম্পদ খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে, জাতি গঠনে ভূমিকা রাখছে: সালাম মূশের্দী এমপি

 //আ: রাজ্জাক, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা-৪আসনের সংসদ সদস‍্য আব্দুস সালাম মূশের্দী বলেছেন, জাতির জনক অনেক স্বপ্ন নিয়ে দেশকে স্বাধীনতা উপহার দিয়েছেন। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাই একযোগে কাজ করতে হবে।

প্রাণিসম্পদ খাতে যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে, তা জাতি গঠনে ভূমিকা রাখছে। আমাদের বয়স্ক, মধ্যবয়স্ক এবং শিশুরা যদি পুষ্টিকর খাবার না পায়, পর্যাপ্ত মাছ মাংস না পায়, তাহলে তাদের মধ্যে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টি হবে না। তাদের মধ্যে মেধা ও সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটবে না।

আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে, আমরা মাংস বিদেশ থেকে আমদানি করব না। বিদেশে রপ্তানি করব, সেই প্রত্যয় আমাদের রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতে বর্তমানে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে প্রায় এক কোটি মানুষ কাজ করছে। ফলে আমাদের দেশে বেকারত্ব দূর হচ্ছে, গ্রামীণ অর্থনীতি সচল হচ্ছে। খাবারের চাহিদা যেমন মিটছে, পুষ্টি ও আমিষ গ্রহণের ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ছে। পাশাপাশি রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে দেশে অবকাঠামো উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারছি।  প্রাণিসম্পদ খাত হবে অর্থনীতির চাকাকে একটি শক্তিশালী জায়গায় নিয়ে যাওয়ার খাত।

বুধবার রূপসা  উপজেলা প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জুম কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্ততায় এ কথা বলেন।

উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোঃ সাজ্জাদ হোসেন(ভার:) এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বাদশা, জাতীয় ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মিস্টার বাংলাদেশ আজাদ আবুল কালাম, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অধ‍্যক্ষ  ফ ম আ:  সালাম, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ জুবায়ের, ফরহানা আফ্রজ মনা,থানা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শিউলি মজুমদার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফ হোসেন, শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ আব্দুর রব, নির্বাচন কর্মকর্তা মোল্লা নাসির আহমেদ, আইসিটি কর্মকর্তা রেজাউল করিম, বন কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান, ডা:তপু কুমার সাহা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও প্রেসক্লাবের সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু প্রমূখ।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

কেন্দ্রে গেলেই করোনা টিকা দেয়া যাবে – স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

কেন্দ্রে গেলেই করোনা টিকা দেয়া যাবে – স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

কোনো এসএমএস লাগবে না, এখন থেকে কেন্দ্রে গেলেই করোনা টিকা দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিকা কর্মসূচির পরিচালক ডা. শামসুল হক।

বুধবার দুপুরে দেশের করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত ভার্চুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান তিনি।

তিনি বলেন, কেউ যদি নিবন্ধন করেও টিকার জন্য এসএমএস না পেয়ে থাকেন, তাহলে অপেক্ষা করার কোনো প্রয়োজন নেই। সরাসরি টিকা কেন্দ্রে চলে আসবেন, আমরা টিকা দিয়ে দেবো। সম্ভব হলে কালই চলে আসুন, কালই আপনি টিকা পেয়ে যাবেন।

টিকা কর্মসূচির পরিচালক বলেন, এখন থেকে এসএমএস পাওয়ার কোনো দরকার নেই। প্রত্যেকটি কেন্দ্রকেই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, সবাইকে যেন এসএমএস দিয়ে দেয়া হয়। কোনো এসএমএস এখন আর আটকে থাকবে না। যদি কেউ বাকি থাকে, তাহলে এসে টিকা নিয়ে যাবেন।

ডা. শামসুল হক বলেন, ২৬ ফেব্রুয়ারি আমরা বড় আকারে একটি টিকা কর্মসূচি পরিচালনা করব। ওই দিন যদি এক কোটিরও অধিক মানুষ প্রথম ডোজ নিতে আসে, সেটিও আমরা দেবো। আমাদের প্রস্তুতি আছে। ২৬ ফেব্রুয়ারির পর প্রথম ডোজের টিকা কার্যক্রম আমরা বন্ধ রাখব। তখন দ্বিতীয় ডোজ ও বুস্টার ডোজের কার্যক্রম চালু থাকবে। কারণ দ্বিতীয় ডোজ ও বুস্টার ডোজও একটি বড় টার্গেট, এটিও আমাদের পূরণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, টিকা নিলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে, মাস্ক পরতে হবে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে এবং বারবার হাত ধুতে হবে। এতে নিজেও সুরক্ষিত থাকবেন, দেশকেও সুরক্ষিত রাখবেন।

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক//

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

বাপ্পী লাহিড়ী সোনার গহনার প্রতি ছিল প্রেম ও ভালবাসা

ঋণ পরিশোধের সুযোগ দিতে ‘এককালীন এক্সিট’ নামে সার্কুলার জারি 

//অনলাই নিউজ//

ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণগ্রস্ত গ্রাহকদের ঋণের দায় এড়াতে বড় অঙ্কের সুদ মওকুফ সুবিধাসহ ঋণ পরিশোধের সুযোগ দিতে ‘এককালীন এক্সিট’ নামে সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকট বা অন্য কোনো কারণে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের যেগুলো অস্তিত্ব সংকটে বা বন্ধ হওয়ার উপক্রম অবস্থায় আছে, তাদের ঋণ দায় শোধ করতে এ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে বলে সার্কুলারে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ থেকে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান নির্বাহী বা ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের উদ্দেশ্যে জারি করা এ সার্কুলারে বলা হয়েছে, এককালীন বা সর্বোচ্চ এক বছরের মধ্যে ঋণ পরিশোধের শর্তে ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণগ্রাহকরা সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ সুদ মওকুফ সুবিধা পাবেন।

এ সুবিধা নিতে হলে আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে সংশ্লিষ্ট গ্রাহককে ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর তারিখে ঋণের সর্বশেষ স্থিতির কমপক্ষে ২ শতাংশ ‘ডাউনপেমেন্ট’ দিয়ে আবেদন করতে হবে। এ সার্কুলার জারির আগে কোনো ঋণ কিস্তি বা অংশ বিশেষ পরিশোধ করে থাকলে তা ‘ডাউনপেমেন্ট’ হিসেবে গণ্য হবে না।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, ২ শতাংশ ডাউনপেমেন্টসহ এমন আবেদন পেলে সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ৬০ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিতে হবে।

তবে জাল-জালিয়াতি বা কোনো ধরনের প্রতারণা বা অনিয়মের মাধ্যমে নেওয়া ঋণের ক্ষেত্রে এ সুবিধা মিলবে না।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, চাইলে সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ এমন গ্রাহককে ঋণের আরোপিত সুদের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ মওকুফ করতে পারবে। এর বাইরে অনারোপিত সুদ বা অন্য কোনো জরিমানা বা চার্জ বা ফিও মওকুফ করতে পারবে। তবে কোনোভাবেই মূল ঋণ বা ঋণের আসল অর্থ মওকুফ করতে পারবে না।

ঋণ প্রদানের দিন থেকে ঋণ সমন্বয় বা পুরো আদায়ের দিন পর্যন্ত আদায়যোগ্য অর্থের ওপর ‘কস্ট অব ফান্ড’ সুদ (ইসলামি শরিয়াহ মাফিক অর্থায়নের ক্ষেত্রে মুনাফা) আরোপ করতে পারবে আর্থিক প্রতিষ্ঠান।

সম্পূর্ণরূপে পরিশোধ না করা পর্যন্ত এ ঋণ ‘শ্রেণীকৃত’ বা খেলাপি হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ সংক্রান্ত সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, সুদ মওকুফের সিদ্ধান্ত অনুমোদন পেলে মওকুফকৃত সুদ হিসাব একটি পৃথক সুদবিহীন ব্লকড হিসাবে স্থানান্তর করতে হবে। ঋণের সমুদয় অর্থ আদায় হলে সুদ মওকুফ কার্যকর হবে। এর আগে সুদ বা মুনাফা কোনোভাবেই সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠান তার আয় খাতে দেখাতে পারবে।

খেলাপি ঋণ আদায়ে কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান তার গ্রাহকদের বিরুদ্ধে মামলা করে থাকলে, তাদের কারও থেকে এমন ‘এক্সিট’ আবেদন পেলে সোলেনামার ভিত্তিতে ওই মামলা স্থগিত রাখতে পারবে ঋণ প্রদানকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠান।

পরবর্তীতে ‘এক্সিট প্লান’ এর শর্ত ভঙ্গ করলে ওই গ্রাহককে প্রদত্ত সব সুবিধা বাতিল বলে গণ্য হবে এবং মামলা পুনরুজ্জীবিত করাসহ ঋণ আদায়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যাবে বলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়েছে।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

আইপিএলে মোস্তাফিজ সুযোগ পেলেও পারিশ্রমিকে আছে শর্ত

 

আইপিএলে মোস্তাফিজ সুযোগ পেলেও পারিশ্রমিকে আছে শর্ত

//আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

আইপিএল ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের এবারের আসরে নিলামে সাকিব আল হাসানের মতো অনেক তারকা দল পাননি।

সাকিব দল না পেলেও মোস্তাফিজ ঠিকই দল পেয়েছেন। বাংলাদেশ সেরা এই পেসারকে ২ কোটি ভিত্তিমূল্যে নিয়েছে দিল্লি ক্যাপিটলস।

নিলামে বিক্রি হওয়া ক্রিকেটাররা কীভাবে ফ্র্যাঞ্চাইজির কাছ থেকে নিজেদের পারিশ্রমিক বুঝে পাবেন- তার জন্য নিয়ম তৈরি করেছে আইপিএলের গভর্নিং কাউন্সিল।

পারিশ্রমিক পেতে যেসব নিয়ম রয়েছে—

– কোনো ক্রিকেটার ফিট থেকে পুরো টুর্নামেন্টে খেলতে পারলে সে চুক্তি অনুসারে পুরো টাকাই পাবে। তবে সেখান থেকে আয়কর কেটে নেওয়া হবে।

– কোনো ক্রিকেটার ফিট থাকা সত্ত্বেও ফ্র্যাঞ্চাইজি যদি তাকে খেলার সুযোগ না দেয় তাহলেও সে পুরো টাকা পাবে।

– চোটের কারণে টুর্নামেন্টে খেলতে না পারলে কোনো টাকা পাওয়া যাবে না।

– যদি কয়েকটি ম্যাচ খেলার সুযোগ হয় তাহলে কেনা দামের ১০ শতাংশ এবং ম্যাচ অনুসারে টাকা পাবে।

– টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার আগেই যদি কোনো ক্রিকেটার ফ্র্যাঞ্চাইজির কাছে তাকে ছেড়ে দেওয়ার আবেদন করে, আর সেই আবেদনে ফ্র্যাঞ্চাইজি রাজি হয় তাহলে সেই ক্রিকেটারকে চুক্তি অনুযায়ী পুরো টাকা দিতে হবে।

– টুর্নামেন্টের মাঝে কোনো ক্রিকেটার চোট পেলে তার চিকিৎসার খরচ সংশ্লিষ্ট ফ্র্যাঞ্চাইজিকে বহন করতে হবে।

– তবে সব ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটারদের একই পদ্ধতিতে বেতন দেয় না। কোনো দল টুর্নামেন্ট শুরুর আগে ৫০ শতাংশ আর টুর্নামেন্ট চলাকালীন ৫০ শতাংশ টাকা দেয়। আবার কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি শুরুতে ১৫ শতাংশ, টুর্নামেন্ট চলাকালীন ৬৫ শতাংশ আর শেষে ২০ শতাংশ টাকা দেয়।

– মোস্তাফিজকে যদি তার দল দিল্লি আগামী বছর ধরে রাখতে চায় তাহলে তাকে এবারের চেয়ে কিছু হলেও বেশি টাকা দিতে হবে।

– কোনো ক্রিকেটার তিন বছরের চুক্তিতে কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজিতে খেলার পর পরের বছর তাকে ওই ক্লাব ধরে রাখতে চাইলে আলোচনাসাপেক্ষে বেতন বাড়াতে হবে।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় মারা গেছেন

২৬ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন ।। লক্ষ্য এক কোটি ডোজ

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

আসছে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে ‘বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন’ হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশিদ আলম। ওইদিন সারাদেশে এক কোটি ডোজ করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়ার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক বলেন, এরপর টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া বন্ধ রাখা হবে।

ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, এরপর আর টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হবে না। এরপর স্বাস্থ্য অধিদফতর দ্বিতীয় ডোজ এবং বুস্টার ডোজ নিয়ে ব্যস্ত থাকবে।

অধ্যাপক খুরশীদ আলম বলেন, যারা করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অথবা মারা গেছেন তাদের বেশিরভাগই টিকা নেননি। আমরা দেখেছি যারা করোনাভাইরাসের টিকা নিয়েছেন, তাদের মধ্যে মৃত্যুহার কম এবং হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সংখ্যাও তাদের মধ্যে কম। এই অবস্থায় আমরা সবাইকে আহ্বান করছি, সবাই করোনার টিকা নিন এবং নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন, দেশকে সুরক্ষিত রাখুন।

তিনি আরও বলেন, আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি আমরা দেশব্যাপী করোনার ভ্যাকসিনের একটা ক্যাম্পেইন করতে যাচ্ছি। সেখানে আমরা লক্ষ্যমাত্রা রেখেছি সর্বোচ্চ সংখ্যক টিকা দেওয়ার। এই ক্ষেত্রে আমরা সবাইকে আহ্বান করি, আপনারা সবাই এই ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে টিকা নিন। এর মাধ্যমে আমাদের প্রথম ডোজ দেওয়ার কাজ সম্পন্ন করা হবে। পরবর্তী সময়ে আমরা বুস্টার ডোজ এবং দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া নিয়ে ব্যস্ত থাকবো। কাজেই আর বিলম্ব না করে আপনারা সবাই টিকা নিয়ে নিন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, সোমবার পর্যন্ত সারাদেশে করোনাভাইরাসের টিকার প্রথম ডোজ পেয়েছেন ১০ কোটি নয় লাখ ১১ হাজারের বেশি মানুষ, যা দেশের মোট জনসংখ্যার ৬০ শতাংশের মত।

তাদের মধ্যে সাত কোটি ১৪ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি মানুষ দ্বিতীয় ডোজ এবং ২৬ লাখ ৯৪ হাজারের বেশি মানুষ তৃতীয় বা বুস্টার ডোজ পেয়েছেন।

এর মধ্যে গতবছরের সেপ্টেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ৭৬ লাখ ডোজের বেশি টিকা দেওয়া হয়েছিল এক দিনে।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন উপলক্ষে ডুমুরিয়ায় বিএনপির সভা

 

হামলার পর কবরস্থান-পুকুরপাড়ে অস্ত্র লুকিয়ে রাখত এই সন্ত্রাসীরা

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

হামলার পর স্থানীয় কবরস্থান ও পুকুরপাড়সহ বিভিন্ন স্থানে অস্ত্র লুকিয়ে রাখতেন চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় নির্বাচনে সহিংসতার ঘটনায় জড়িতরা। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানান র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

গত ৭ ফেব্রুয়ারি সাতকানিয়ায় নির্বাচনে সহিংসতার ঘটনায় এ ঘটনায় নেতৃত্ব প্রদানকারী কায়েসসহ গ্রেপ্তার হয়েছেন ৮ সন্ত্রাসী।

র‍্যাব বলছে, গ্রেপ্তারদের মধ্যে জমির দালাল, নিরাপত্তাকর্মী,গাড়ি চালক, রাজমিস্ত্রী, সিএনজি চালক, ফুল বিক্রেতা রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা চালানোর আগে তারা এক হয়। পরে হামলা সহিংসতা চালিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। মূলহোতা কায়েস বেশ কয়েকজন ব্যক্তির কাছ থেকে ভাড়ায় অস্ত্র সংগ্রহ করতেন।

র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার কায়েস জানান, তিনি বেশ কয়েকজন ব্যক্তির কাছ থেকে ভাড়ায় অস্ত্র সংগ্রহ করতেন। অস্ত্র সংগ্রহ করে তার বিশ্বস্ত সদস্যদেরকে অস্ত্র সরবরাহের দায়িত্ব দিতেন। তারা গ্রুপের অন্যান্য সদস্যদেরকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সহিংসতায় অস্ত্র সরবরাহ করতেন। কাজ শেষ হলে অস্ত্র ফেরত দিলে তারা স্থানীয় কবরস্থান ও পুকুরপাড়সহ বিভিন্ন স্থানে সেসব অস্ত্র লুকিয়ে রাখতেন। এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য ৩০-৪০ জনের একটি সন্ত্রাসী দল পরিচালনা করতেন কায়েস।

গত মঙ্গলবার ও বুধবার ভোরে চট্টগ্রাম মহানগরী, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া, বান্দরবান সদর ও ঢাকা মহানগরীর তেজকুনীপাড়া থেকে র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখা, র‌্যাব-২, র‌্যাব-৭ ও র‌্যাব-১৫ পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।

মো. কায়েসসহ গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন- নাসির উদ্দিন, মো. জসিম, মো. মিন্টু, মো. মোরশেদ, কোরবান আলী, মো. ইসমাঈল ও মো. নুরুল আবছার।

এসময় সাতকানিয়ার খাগরিয়া থেকে উদ্ধার করা হয় সহিংসতায় ব্যবহৃত ৩টি একনলা বন্দুক, ১টি দোনলা বন্দুক, ১টি ওয়ান শুটারগান, অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র ও ৪২ রাউন্ড গোলাবারুদ।

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, গত ৭ ফেব্রুয়ারি সাতকানিয়ার খাগরিয়া ইউনিয়নে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে শুরু করে সহিংসতায় শতাধিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে হামলা ও নাশকতা চালায়। উক্ত হামলায় নিহত হন ২ জন ও আহত হন অন্তত অর্ধশতাধিক। এই সহিংসতার ঘটনায় সাতকানিয়ার খাগরিয়া ইউনিয়নের ২টি কেন্দ্রের নির্বাচন স্থগিত করা হয়। সুষ্ঠু নির্বাচন ব্যাহত হওয়ার কারণে গণমাধ্যমসমূহ সহিংসতার ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে নেয় এবং সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করতে বিভিন্ন সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরই প্রেক্ষিতে র‌্যাব চিহ্নিত সন্ত্রাসীসহ জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও স্থানীয় তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তার কায়েস গত দুই বছর ধরে চট্টগ্রামে একটি কোম্পানিতে চাকরি করে আসছেন। পাশাপাশি সাতকানিয়া উপজেলায় বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত সহিংসতা ও হামলার ঘটনায় নেতৃত্ব দিয়ে থাকে। তিনি এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য ৩০-৪০ জনের একটি সন্ত্রাসী দল পরিচালনা করতেন। এছাড়াও বিভিন্ন মাধ্যম থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র সংগ্রহ করে তার দলের সদস্যদের সরবরাহ করতেন বলে জানা যায়।

সহিংসতার ঘটনায় তার নেতৃত্বে জসিম, মোর্শেদ, মিন্টু, আবছারসহ আরো শতাধিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী সাতকানিয়ার খাগরিয়া ইউনিয়নে বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা চালায়। সহিংসতা পরবর্তীতে সে ঢাকায় আত্মগোপন করে।

উক্ত নির্বাচনের সহিংসতায় সাতকানিয়া থানায় করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি কায়েস। এর আগেও তার বিরুদ্ধে সাতকানিয়া থানায় সহিংসতার মামলা হয়েছে।

খন্দকার আল মঈন বলেন, গ্রেপ্তার নাসির একটি কোম্পানির চট্রগ্রাম বন্দর শাখার কর্মচারী। সে ২০১১-১৩ সাল পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে প্রবাসী ছিল। পরবর্তীতে দেশে এসে ঢাকার শাহাবাগে ফুল বিক্রি করতেন। সে নির্বাচনের সহিংসতায় সশস্ত্র দলের নেতৃত্ব প্রদান করেছে বলে জানা যায়। সহিংসতাকালে নাসিরকে মেরুন রংয়ের মাফলার ও মুখে লাল-সবুজ রঙয়ের মাস্ক পরিহিত অবস্থায় একটি একনলা বন্দুক হাতে দেখা যায়। পরবর্তীতে সে বান্দরবানের গহীন জঙ্গলে আত্মগোপন করে।

এছাড়াও র‍্যাব মুখপাত্র বলেন, গ্রেপ্তার আবছার ঢাকায় একটি কাভার্ডভ্যান সমিতির ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। যখন সাতকানিয়ায় কোকোনো সহিংসতার সম্ভাবনা দেখা দেয় তখন সে এলাকায় চলে আসে। সে নির্বাচনের আগে ঢাকা থেকে সাতকানিয়াতে আসে এবং কায়েসের নির্দেশে সাতকানিয়ার খাগরিয়াতে সহিংসতাকালীন সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা ও নেতৃত্ব প্রদান করে। পরবর্তীতে সে ঢাকায় চলে আসে ও আত্মগোপন করে। সে কায়েসকেও আত্মগোপনে থাকতে সহায়তা করে। আবছারকে ঢাকার তেজকুনী পাড়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার মোরশেদকে জিজ্ঞাসাবাদে র‍্যাব জানতে পারে, কায়েসের গ্রুপের একজন অন্যতম সক্রিয় সদস্য মোরশেদ। তিনি পেশায় একজন সিএনজি চালক। তাকে ঘটনার দিনে একটি একনলা বন্দুক হাতে সহিংসতা ও নাশকতা চালাতে দেখা যায়। সহিংসতার পর তিনি সাতকানিয়াতে আত্মগোপনে থাকে। আগেও তার বিরুদ্ধে সাতকানিয়া থানায় সহিংসতার মামলা হয়েছে।

আর গ্রেপ্তার জসিম খাগরিয়ার বাসিন্দা ও পেশায় রাজমিস্ত্রী। চুরি, ছিনতাই এবং ডাকাতিসহ বিভিন্ন সহিংসতায় বিভিন্ন সময়ে অংশ নেন তিনি। সহিংসতাকালীন একটি ছবিতে লাল জ্যাকেট পরিহিত অবস্থায় তাকে কার্তুজ/এ্যামোনিশনের একটি বস্তাসহ গ্রেপ্তার মোরশেদের পাশে দেখা যায়। সহিংসতার পর তিনি চট্টগ্রাম মহানগরীতে আত্মগোপন করে।

গ্রেপ্তার মিন্টু পেশায় গাড়ি চালক। তিনি গত ১৩-১৪ বছর ধরে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ভাড়ায় মাইক্রোবাস চালিয়ে আসছে। কায়েসের নির্দেশে তিনি সহিংসতার উদ্দেশ্যে বাইরে থেকে অস্ত্র পরিবহণ করে। এছাড়াও তার তত্ত্বাবধানে সহিংসতার উদ্দেশ্যে ৩০-৩৫ জন বহিরাগতকে বিভিন্ন পরিবহনের মাধ্যমে নিয়ে আসা হয়। সহিংসতাকালীন তাকে ১টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ হামলায় অংশ নিতে দেখা যায়।

গ্রেপ্তার কোরবান আলী পেশায় একজন নিরাপত্তাকর্মী। তিনি উক্ত সহিংসতাকারীদের লাঠিসোঠা ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র সরবরাহ করার মাধ্যমে সহিংসতায় প্রতক্ষ্যভাবে অংশ নেন। সহিংসতার পরবর্তীতে তিনি সাতকানিয়াতেই আত্মগোপনে থাকে। তার বাসা থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয় বলে জানান র‍্যাব কর্মকর্তা মঈন।

গ্রেপ্তার ইসমাঈল পেশায় একজন জমির দালাল। আগে রংপুর থেকে তামাক সংগ্রহ করে সাতকানিয়ার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করতেন তিনি। তিনি সাতকানিয়ার খাগরিয়া ইউনিয়নে সহিংসতায় লাঠিসোঠা ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রের মাধ্যমে সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়। সহিংসতার পরবর্তীতে তিনিও সাতকানিয়াতে আত্মগোপনে থাকেন।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

কানাডায় জরুরি অবস্থা জারি করলেন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো

 

সম্মানিত ব্যক্তিদের ছবি বিকৃত ও কুৎসা রটনায় মৌলভীবাজারে ৭জনের নামে মামলা

//রনি মিয়া, নিজস্ব প্রতিবেদক//

সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার রাজ নগর থানার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাত জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং ০৮/৩৪ তারিখ ১২/০২/২০২২ ইংরেজি সময় সকাল অনুমান ১০ ঘটিকা।

মামলার বাদী মোঃআব্দুল্লাহ আল মাহবুব, সাধারন সম্পাদক  রাজনগর উপজেলা ছাত্রলীগ।

মামলার আসামি হলেন:

১-মুসলিম খান (৪১)পিতা-মৃত মোঃ পাঠান খান গ্রামঃ বরচাল ডাকঃ নতুন বাংলা বাজার, ছাতক,সুনামগঞ্জ।

২-মোঃ আবু তাহের (৩৩) পিতা- মানিক মিয়া ঠিকানা – অগ্রণী -৬৮/১, লন্ডনী রোড,পশ্চিম সুবিদ বাজার,সিলেট।

৩-নামঃমোর্শেদ আহমেদ খান পিতাঃ ফিরোজ আহমেদ খান (৩১) গ্রামঃ মুগলপুর থানাঃফেন্চুগন্জ জিলাঃসিলেট।

৪-শফিউল আরফিন জুনেদ(২৩) পিতা -রফিকুল ইসলাম ঠিকানা – পশ্চিম সুহিতপুর, বুড়াইরগাও,ছাতক সুনামগঞ্জ।

৫-মির্জা এনামুল হক(৩৩) পিতাঃ মির্জা আখদ্দছ,

৬-মির্জা সাইফুল(২৭) পিতাঃমির্জা আবরুছ উভয় গ্রামঃ মুসলিমাবাদ ডেকাপুর, থানাঃবালাগঞ্জ, জেলাঃসিলেট।

৭-মোঃ আমিনুর রহমান (৩৬)পিতা -মোঃ সোনাহর আলী ঠিকানা -গ্রামঃহাছন ফাতেমাপুর ডাকঘরঃহাছন ফাতেমাপু থানাঃজগন্নাথপুর জেলাঃ সুনামগঞ্জ।

মামলার আসামীদের ছবি

মামলার বিবরণীতে বলা হয়েছে  আসামীগণ পরস্পর একই জোট ভূক্ত সন্ত্রাসী, মিথ্যা তথ্য প্রধানকারী, তথ্য বিকৃতকারী, দেশের মধ্যে হানাহানি সৃষ্টি ইন্ধনকারী, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ  সম্মানিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনাকারী, রাষ্ট্রের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ সম্মানিত ব্যক্তিদের ছবি বিকৃত করে অসম্মানকারী লোক বটে।

আসামীগন সরকার বিরোধী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি দল এবং জামায়াতশিবির এর সক্রিয় সদস্য বটে

এজাহারে বলা হয়েছে ১,২ ও ৩নং আসামী জামায়াত শিবিরের সক্রিয় নেতা। ৪, ৫, ৬ ও ৭নং আসামীগন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক নেতাকর্মী হন।

এজাহারে আর বলা হয়েছে  আসামীগন তাহাদের ফেইসবুকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব আসাদুজ্জামান খান কামাল, বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি জনাব বেনজীর আহমেদ, অবসরপ্রাপ্ত সেনা প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের বিকৃত তথ্যপূর্ণ ছবি/ ভিডিও আপলোড করে বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেছে।

১নং আসামী ও অন্যান্য আসামীগন নিরাপদ বাংলাদেশ চাই  সংগঠনের নামের ব্যনারে বিভিন্ন সময়ে বর্তমান সরকার বিরোধী উস্কানিমূলক, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ মন্ত্রীগনের বিরুদ্ধে অশ্লীল আপত্তিকর, কথা-বার্তা বলে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিকৃত করে তাহাদের আইডি হতে প্রকাশ করে রাষ্ট্রের মানহানি করে দেশ বিদেশে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে।

আসামীগন ঘটনার তারিখে ও ভিন্ন ভিন্ন সময়ে তাহাদের স্ব স্ব ফেইসবুক আইডি  হতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বিভিন্ন মন্ত্রী এবং সরকারি কর্মকর্তা ও আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ  সহ তাদের বিরুদ্ধে আপত্তি জনক, অসম্মান সূচক, মানহানিকর এবং বিকৃত তথ্য তাদের ফেইসবুক আইডিতে প্রকাশ ও প্রচার করছে।

আসামীহগন অসৎ উদ্দেশ্যে তাদের স্ব স্ব ফেইসবুক আইডি হতে বিভিন্ন উস্কানী মূলক আপত্তি কর কথাবার্তা পোস্ট করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মানহানি করেছে এবং দেশে বিদেশে বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার চেষ্টায় লিপ্ত রহিয়াছে। আসামীগণ তাহাদের ফেইসবুক আইডি হতে ইন্টারনেট ব্যবহার করে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ রাষ্ট্রের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের মানহানিকর মিথ্যা ও বিকৃত ব্যঙ্গাত্মক ছবি/ভিডিও আপলোড করিয়া বিভিন্ন শ্রেনী ও সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা, ঘৃনা ও বিদ্বেষ সৃষ্টি করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করে এলাকায় আইন শৃঙ্খলা বিনষ্ট করার কারনে মামলা করা হয়েছে।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

সার্চ কমিটি প্রকাশ করল প্রস্তাবিত নামের তালিকা

রামপালে ২২৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৭৪ টিতে এখোনো নির্মিত হয়নি শহীদ মিনার

এ এইচ নান্টু,  বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় ২২৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মধ্যে ১৭৪ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই। স্বাধীনতার ৫০ বছর পরেও উপকূলীয় এ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে শহীদ মিনার না থাকায় সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ উপজেলায় মোট ২২৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে ৩ টি কলেজ, ৫ টি ডিগ্রী মাদরাসা, ২ টি আলীম মাদরাসা, ৩৩ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১১ টি নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১২৭ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ২০ টি ইবতেদায়ী মাদরাসা রয়েছে। ১২৭ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ২১ টিতে শহীদ মিনার আছে। ১০৬ টি বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নেই। ২০ টি ইবতেদায়ী মাদরাসার একটিতেও শহীদ মিনার নেই। ৩ টি সরকারি কলেজের মধ্যে রামপাল সরকারি কলেজে শহীদ মিনার দেখানো হলেও সেটি রয়েছে অযত্নে-অবহেলিত।

৩৪ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১৪ টিতে শহীদ মিনার আছে। বাকী ২০ টিতে নাই। আলীম মাদরাসার ২টির কোনটাই নেই। দাখিলের ১০ টির মধ্যে কোনটিতেই নেই। ৫ টি ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার একটিতেও শহীদ মিনার নেই। এ নিয়ে অনেক পূর্ব থেকেই লেখা লেখি করা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ঘুম ভাঙ্গেনি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক, সাবেক শিক্ষক ও সচেতন মহল তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ৫০ বছরেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে শহীদ মিনার নির্মান না হওয়া দুঃখজনক।

এ বিষয়ে উপজেলা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি এ্যডভোকেট মহিউদ্দিন শেখ বলেন, আমরা খুব হতাশ। তিনি আরও বলেন, আমাদের মাতৃভাষাকে বিশ্ববাসী স্বীকৃতি দিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার মর্যাদা দিয়েছে। কিন্তু কেন এতে বছরেও শহীদ মিনার নিয়ে কথা বলা লাগবে ? তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারিভাবে দ্রুত শহীদ মিনার নির্মানের জোর দাবী জানান।

এ বিষয়ে রামপাল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমান বলেন আমরা  উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট তথ্য প্রেরণ করেছি। একই কথা বলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন শহীদ মিনার নির্মান না হওয়ায় আমাদের এ নতুন প্রজন্ম বাংলা ভাষা তথা মাতৃভাষার চর্চা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

এ বিষয়ে রামপাল উপজেলা চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন এর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি জানান, এটা খুবই দুঃখজনক। আমরা এ বিষয়ে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করে শহীদ মিনার নির্মান করবো। উপজেলা প্রশাসনের ও সরকারের পক্ষ থেকে সবকিছু করা হবে।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত 

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত 

মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি।।

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে (১৪ ফেব্রুয়ারী সোমবার)  উপজেলা হলরুমে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। ইউএনও সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবিরের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না।

বিশেষ অতিথি পৌর মেয়র আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারি কমিশনার (ভূমি) ইন্দ্রজিত সাহা ও থানার ওসি এসএম জাহিদ ইকবাল।এছাড়াও সভায় কমিটির অন্য সদস্য কর্মকর্তা,জনপ্রতিনিধি এবং  সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আরো বক্তব্য রাখেন- প্রধান শিক্ষক ফরিদা ইয়াসমিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা হবিবর রহমান, প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, শিক্ষা কর্মকর্তা রাহিমউদ্দীন, ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন, আবুল কাসেম, জমিরুল ইসলাম ও আতিকুর রহমান বকুল, প্রেসক্লাব সভাপতি কুশমত আলী ও ফারুক হোসেন প্রমুখ।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে পৌর শহরসহ উপজেলায় মাদকসেবন ও মোটরসাইকেল চুরি বৃদ্ধির সমস্যাটি তুলে ধরেন। এইসাথে তারা পৌর শহরে বেপরোয়া যানবাহন চালানোর কথাও বলেন। ওসি তার বক্তব্যে মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত থাকার কথা বলেন। এইসাথে তিনি মোটরসাইকেল চুরি রোধে থানায় অভিযোগ করার কথা বলেন ও সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

জাহিদুল ইসলাম রোমানের মা আর বেঁচে নেই।। নূর হোসেন পাটওয়ারীর শোক