‘ভূমি সেবা ডিজিটাল, বদলে যাচ্ছে দিনকাল” রূপসায় ভূমি সেবা সপ্তাহের উদ্বোধন

 

‘ভূমি সেবা ডিজিটাল, বদলে যাচ্ছে দিনকাল” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রূপসা উপজেলা ভূমি অফিসের আয়োজনে সপ্তাহব্যাপী ভূমি সেবা সপ্তাহের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

 

মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় উপজেলা অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি খান মাসুম বিল্লাহ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ জুবায়ের, ফারহানা আফরোজ মনা,উপজেলা কৃষি কর্মকর্ত ফরিদুজ্জামান, মৎস্য কর্মকর্তা বাপি কুমার দাস, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তপু কুমার সাহা, যুব কর্মকর্তা মোল্লা আবু বকর, থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই জাফর, সমাজসেবা কর্মকর্তা জেসিয়া জামান,ভূমি অফিসের নাজির নুরুল ইসলাম, সার্ভেয়ার আতিকুল ইসলাম, নায়েব মনিরুজ্জামান, রুপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি এম মুরশিদ আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মজিদ,ক্রীড়া সম্পাদক নাজিম সরদার প্রমূখ।

 

//  রূপসা প্রতিনিধি //

Dainik Biswa

মুক্তিযোদ্ধা খলিলুর রহমান এর মৃত্যুতে সালাম মূর্শেদী এমপি’র শ্রদ্ধাঞ্জলি

 

খুলনা জেলার করোনা  প্রতিরোধে ৭দিনের  বিধিনিষেধ আরোপ

 

খুলনা জেলায় করোনা সংক্রমন বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে জেলাব্যাপী এক সপ্তাহের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বিধিনিষেধের মধ্যে রয়েছে বিকাল ৫টার পর কোন দোকান, শপিংলমল,  রেস্তোরা ইত্যাদি খোলা রাখা যাবে না।

সকল নয়টা থেকে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। জরুরি প্রযোজন ছাড়া কেউ বাড়ির বাহিরে বের হয়ে অযথা ঘোরাঘুরি করতে পারবে না। ইজিবাইক চলবে অর্ধেক এবং অর্ধেক সংখ্যক যাত্রী নিয়ে। কাঁচাবাজার ও ঔষধের দোকান এই বিধিনিষেধ আওতামুক্ত থাকবে।

 

খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে শুক্রবার তাঁর সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সভায় এই সকল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক এতে প্রধান অতিথি ছিলেন। সভায় খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইসমাইল হোসেন অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।

 

সভায় সিটি মেয়র বলেন, গত এক সপ্তাহ খুলনার কয়েকটি জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে বিধিনিষেধ আরোপ করে সংক্রমণ প্রতিরোধে কোন ভাল ফল পাওয়া যায়নি। এক্ষেত্রে সমগ্র জেলায় বিধিনিষেধ আরোপ ও তা বাস্তাবায়ন করতে না পারলে খুলনার করোনা সংক্রমণের উর্দ্ধগতি ঠেকানো যাবে না। তিনি রাস্তাঘাটে অযথা জটলা করে আড্ডা দেওয়া এবং স্বাস্থ্যবিধি না মানার বিরুদ্ধে কঠোর ভূমিকা পালনের জন্য খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতি আহবান জানান।

 

সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয় খুলনা করোনা রোগীর চিকিৎসার শয্যাসংখ্যা বাড়ানো হবে। সে ক্ষেত্রে সদর হাসপাতালকে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে রূপান্তরিত করার সিদ্ধান্ত হয়। এজন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও লজিস্টিক সাপোর্টের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে অতিসত্ত্বর যোগাযোগ করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

 সভায় জাননো হয় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি আরটিপিসিআর ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে সেখানে প্রতিদিন পাঁচশত রোগীর নমুনা পরীক্ষা করা যাবে। সভায় আরও জানানো হয় স্বাস্থ্যবিধি মানাতে গত সাতদিনে দুইশত ২৩টি মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করে তিন লাখ ৬২ হাজার পাঁচশত পয়তাল্লিশ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এধরণের মোবাইলকোর্ট পরিচলনা অব্যাহত থাকবে।

         

 সভায় খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সরদার রকিবুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান, সিভিল সার্জন ডাঃ নিয়াজ মোহাম্মদ, খুলনা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডাঃ মেহেদী নেওয়াজ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোঃ ইকবাল হোসেন, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম জাহিদ হোসেন, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুন্সি মোঃ মাহবুব আলম সোহাগ, সরকারি কর্মকর্তাসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

Dainik Biswa

যুবসমাজের শারীরিক-মানসিক বিকাশে খেলার বিকল্প নাই : সালাম মূর্শেদী

যশোরে আজ করোনায় আক্রান্ত যাবত কালের সর্বোচ্চ ৪৩.৫০%

 

গণতন্ত্রের মানস কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস

 

গণতন্ত্রের মানস কন্যা প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের রূপকার, যার দূরদর্শী সাহসিকতা, দক্ষতায় তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নত হয়ে বিশ্বে প্রশংসা কুড়িয়েছে তিনিই হলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ ১১ জুন, শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস। ষড়যন্ত্রে কবলিত হয়ে দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের এই দিনে সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।

 

স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম স্মরণীয় একটি দিন শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস। তৎকালীন ১/১১ অগণতান্ত্রিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মিথ্যা,বানোয়াট ও হয়রানি ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই ভোরে ধানমন্ডির বাসভবন থেকে শেখ হাসিনা গ্রেফতার হন। গ্রেফতার করে প্রথমে তাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগারে নিয়ে রাখা হয়। শেখ হাসিনাকে গ্রেফতারের মধ্যে দিয়ে বাংলার জনগণের গণতন্ত্রের অধিকার অবরুদ্ধ করার অপপ্রয়াস চালায় ও অগণতান্ত্রিক ও অসাংবিধানিক তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার।

 

বিভিন্নভাবে যড়যন্ত্র করে ১১ মাস কারাগারে রাখা হয় আওয়ামী লীগের সভাপতি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। তখন সারা বাংলার আপামর জনগণ, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ধীরে ধীরে প্রতিরোধ গড়ে তোলে শেখ হাসিনার মুক্তির জন্য। এর মধ্যে কারাবন্দি থাকার সময় কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়েন শেখ হাসিনা। তখন বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে মুক্তি দেয়ার দাবি উঠে সমগ্র মহল থেকে।

 

আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের ক্রমাগত চাপ, আপসহীন মনোভাব ও অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। খুলনা-৪ আসনের রুপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়াবাসীর পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে তার দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা //

Dainik Biswa

যুবসমাজের শারীরিক-মানসিক বিকাশে খেলার বিকল্প নাই : সালাম মূর্শেদী

 

 

 

আজ  বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস

 

আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ। দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের ১১ জুন সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।

 

সেনাসমর্থিত ১/১১-এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই গ্রেফতার হয়েছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গ্রেফতার করে প্রথমে তাঁকে ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগারে নিয়ে আটক রাখা হয়।

 

এ সময় কারাগারের অভ্যন্তরে শেখ হাসিনা মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েন। তখন তার চিকিৎসকরা তাকে বিদেশে চিকিৎসার পরামর্শ দেন।

 

সে সময় চিকিৎসার জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে তার মুক্তির জোরালো দাবি ওঠে। আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠন ও দেশবাসীর আন্দোলন, আপসহীন মনোভাব এবং আওয়ামী লীগ বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগের পথ বেছে নেয়।

 

শেখ হাসিনাকে মুক্তি দেওয়া না হলে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে যাবে না বলেও ঘোষণা দেওয়া হয়। অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। মুক্তি পেয়েই শেখ হাসিনা চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার অস্থায়ী জামিনের মেয়াদ কয়েক দফা বাড়ানো হয়।

 

এরপর ২০০৮ সালের ৬ নভেম্বর দেশে ফিরলে স্থায়ী জামিন দেওয়া হয় তাঁকে। একই বছর ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয় লাভ করে। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার গঠন করা হয়।

 

দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের ভোটের অধিকার সুনিশ্চিত করতে সুদীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে বন্ধুর বিপদসঙ্কুল পথ অতিক্রম করতে হয়েছে শেখ হাসিনাকে। এর মধ্যে অনেকবারই তাঁর প্রাণনাশের চেষ্টাও হয়েছে।

 

এ বছর বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে বড় ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন না করলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন।

 

অন্যদিকে যার যার জায়গা থেকে তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে পরম করুণাময়ের নিকট দেশবাসীকে প্রার্থনা করার আহ্বান জানান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

 

একইসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে হৃদয়ে দেশপ্রেমের বহ্নিশিখা প্রজ্বলিত করে করোনাভাইরাসের সংকট জয়ের ঐক্যবদ্ধ সুরক্ষা সৃষ্টি করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরিচালিত সরকারকে সহযোগিতা করার অনুরোধও জানান কাদের।

//অনলাইন নিউজ//

Dainik Biswa

এলএসডি : আসক্ত কিনা কীভাবে বুঝবেন, কোনো লক্ষণ আছে কী?

 

 

 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গিকার: নান্দাইলে সরকারি ভাতা পাচ্ছে মোবাইলে

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গিকার বাস্ত-বায়নের লক্ষ্যে ময়মনসিংহের নান্দাইলে সমাজ সেবা কার্যালয়ে শতভাগ বয়স্ক, বিধবা, স্বামী নিগৃহিতা নারী ও প্রতি-বন্ধীদেরকে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আনার কার্যক্রম চলছে। স্থানীয় সংসদ আলহাজ্ব আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিন ও নান্দাইল উপজেলা চেয়ারম্যান হাসান মাহমুদ জুয়েল ও সমাজসেবা অফিসার ইনসান আলী যৌথভাবে সেসমস্ত উপকার ভোগীদেরকে শতভাগ ভাতা প্রদান নিশ্চিত করণে ব্যাপক কর্ম-তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী ভাতা ও প্রতিবন্ধী শিক্ষা উপ-বৃত্তি ভাতাভোগী ৩৬ হাজার ৮৫৭ জন মানুষের মোবাইল ফোনে টাকা পৌঁছে দিতে নিরলস ভাবে কাজ করছেন উপজেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ভাতা-ভোগীদের মোবাইলে নগদ হিসাব খোলা ও মোবাইল নম্বর পরি-বর্তনের কাজ করে দিচ্ছেন তারা। ভাতা ভোগীরা জানান, তাদের ভাতা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সমাজ সেবা কার্যালয়ের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনা দুর্যোগের মধ্যেও রাত-দিন নিরলস ভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার ইনসান আলী জানান,ভাতা-গ্রহীতাদের কষ্ট ও দুর্ভোগ লাঘবের জন্য জিটুপি পদ্ধতিতে ভাতা প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার।

 

এতদিন ভাতা গ্রহীতাদের ব্যাংকে গিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে টাকা গ্রহণ করতে হতো। এখন থেকে ভাতার টাকা মোবাইল ফোনে পৌঁছে দিতে কাজ শুরু করে সমাজ সেবা অধিদপ্তর। ইতিমধ্যে মোবাইল ফোনে টাকা পেতে শুরু করেছে ভাতা ভোগীরা। উপজেলা চেয়ারম্যান হাসান মাহমুদ জুয়েল বলেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গিকার বাস্ত বায়নে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি । আমি চাই আমার উপজেলায় প্রকৃত উপকার ভোগীরা যেন শতভাগ ভাতা সুবিধার আওতায় আসে। সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিন বলেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার উপজেলায় শতভাগ ভাতা প্রদান করেছেন। এইজন্য প্রধান-মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। স্বচ্ছতার মাধ্যমে, দুর্নীতি মুক্ত ভাবে প্রকৃত উপকার ভোগীরা যেন ভাতা কার্য ক্রমের আওতায় আসে সেই চেষ্টাই করছি।

 // তৌহিদুল ইসলাম সরকার, নান্দাইল প্রতিবেদক //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

কয়েকটি জেলায় কঠোর লকডাউনের সম্ভাবনা: চলছে যশোর ৩ ও ৪ নং ওয়ার্ডে

 

দেশকে স্বয়ংসম্পুর্ণ করতে শেখ হাসিনা সরকারের বিকল্প নাই: সালাম মূর্শেদী

 

দেশকে স্বয়ংসম্পুর্ণ করতে আমাদের খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী বলেছেন, মানুষের সুস্থ ভাবে জীবন যাপন করতে হলে আমিষের বিকল্প নাই। গ্রামীন নারীরা বাড়ীতে ছোট খাট ফার্ম তৈরী করে গরু, ছাগল, হাসমুরগী পালন করে মানব জীবনের এ চাহিদা পূরণ করে থাকে। তিনি বলেন, দেশকে অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী করতে শেখ হাসিনা সরকারের বিকল্প নাই।

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এদেশের অর্ধেকের বেশি নারীরা আমিষের চাহিদা পূরন করে প্রাণি সম্পদ বৃদ্ধি ও রক্ষনাবেক্ষনে দায়িত্ব নিয়েছে। এ কারনে বাংলার ১৮ কোটি মানুষ সুস্থ্য, সাবলীল ভাবে জীবন যাপন করছে। গ্রামীন নারীদের এ কার্যক্রমে উৎসাহদানের পাশাপাশি তাদের প্রতিটি কাজকে গুরুত্বের সাথে মূল্যায়ন করতে হবে।

 

শনিবার সকালে রুপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া উপজেলা প্রাণি সম্পদ দপ্তর কর্তৃক আয়োজিত আমিষ প্রদর্শনী মেলায় ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবাইয়া তাছনিমের সভাপতিত্বে, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, কৃষি কর্মকর্তা মো: ফরিদুজ্জামান, রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন। স্বাগত বক্তৃতা করেন প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) তপু কুমার সাহা।

 

যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোল্লা আবু বকরের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন পল্লী উন্নয়ন অফিসার তারেক ইকবাল আজিজ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফ হোসেন, সহকারী প্রোগ্রামার মো: রেজাউল করিম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মোরশেদুল আলম বাবু, প্রাণি সম্পদ দপ্তরের সহকারী আনোয়ার হোসেন, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আ:রাজ্জাক শেখ, খামারী ফাতেমা ইয়াসমিন বুলু, ইকবাল শেখ, আসমানী বেগম, দেবাশিষ মন্ডল, পিন্টু ঢালী, সোহরাব হোসেন প্রমুখ।

 

তেরখাদা: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবিদা সুলতানার সভাপতিত্বে, উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ শহীদুল ইসলাম, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি, ইউপি চেয়ারম্যান এফ এম অহিদুজ্জামান সহ পশু সম্পদ অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারী প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা পশু সম্পদ কর্মকর্তা ড. ফেরদৌসী বেগম। দিঘলিয়া: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুল আলম এর সভাপতিত্বে, উপজেলা প্রানিসম্পদ অফিসার ডাঃ মোঃ ফজলুল করিম এর পরিচালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ মারুফুল ইসলাম,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য মোল্লা আকরাম হোসেন,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানদ্বয় মোঃ আলীরেজা বাচা ও মমতাজ শিরিন ময়না,উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)মোঃ আলিমুজ্জামান মিলন,থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসানউল্লাহ চৌধুরী,উপজেলা প্রেসক্লাব এর সভাপতি হাবিবুর রহমান তারেক,উপজেলা সহকারী প্রোগ্রাম অফিসার শমির কুমার বিশ্বাস,শিক্ষক প্রতিনিধি মোঃ কামরুল ইসলাম,সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক সৈয়দ জামিল মোর্শেদ মাসুম,সাংবাদিক সালাহ্ উদ্দিন বাবু সহ খামারী ও সুধী বৃন্দ।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বাংলাদেশ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এসােসিয়েশন এর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

বাংলাদেশ ফুটবল দলকে সাদর অভিনন্দন জানিয়েছেন এমপি সালাম মূর্শেদী

 

আজ ৫০তম বাজেট: ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট

 

আজ ৫০তম বাজেট, ৩ জুন জাতীয় সংসদে ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এটি হবে দেশের ৫০তম বাজেট। ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার প্রস্তাবিত এ বাজেট মোট জিডিপির ১৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ। এরইমধ্যে ইতিহাসবিদরা এটিকে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঘাটতি বাজেট হতে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন।

 

আলোচিত এই বাজেটে অনুদানসহ ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ১১ হাজার ১৯১ কোটি টাকা। যা জিডিপির ৬ দশমিক ১ শতাংশ। অনুদান বাদ দিলে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়ায় ২ লাখ ১৪ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা।

 

আসন্ন ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটের আকার হচ্ছে ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। যা মোট জিডিপির ১৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ। এটি চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ৬৪ হাজার ৬৯৮ কোটি টাকা বেশি।

 

বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদে এ বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। প্রস্তাবিত বাজেটের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘জীবন ও জীবিকার প্রাধান্য, আগামীর বাংলাদেশ’।

 

একাদশ জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ (বাজেট) অধিবেশনে বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন হবে। করোনাকালের দ্বিতীয় এই বাজেট অধিবেশনও সংক্ষিপ্ত হবে বলে জানা গেছে।

 

মহামারী করোনার ধাক্কা সামলাতে এবারের বাজেটে আয়ের দিকে বেশি নজর দিচ্ছে সরকার। সেজন্য বাজেটে মোট আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৯২ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা। যা জিডিপির ১১ দশমিক ৩৫ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৩৬ হাজার ৯৭৩ কোটি টাকা বেশি।

 

চলতি অর্থবছরে এ আয়ের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ৩ লাখ ৫৫ হাজার ৫১৭ কোটি টাকা। যদিও বাজেটে মূল লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ লাখ ৮২ হাজার ১৩ কোটি টাকা। আয়ের মধ্যে রাজস্ব খাত থেকে আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৩ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক অনুদান নেয়া হবে ৩ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা।

 

বাজেট প্রসঙ্গে সম্প্রতি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানিয়েছেন, দেশের সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের বাঁচানোর লক্ষ্য নিয়েই ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট দেওয়া হবে। এ বাজেটে সবার স্বার্থ সংরক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি পিছিয়ে পড়া প্রান্তিক মানুষকে সাথে রাখা হবে। আগামী বছর একই ধারা থাকবে। আর রাজস্ব আহরণ কম হলে ব্যয় কমাতে হয়। পাশাপাশি প্রশাসনিক অদক্ষতা ও জবাবদিহিতার অভাবে যে বরাদ্দ দেয়া হয়, সেটিও ব্যয় করা যাচ্ছে না।

 

এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নিয়ন্ত্রিত কর ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা এবং এনবিআরবহির্ভূত কর হচ্ছে ১৬ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া কর ছাড়া প্রাপ্তি ধরা হয়েছে ৪৩ হাজার কোটি টাকা। আর বৈদেশিক অনুদান থেকে সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে ৩ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা। বাজেটে মোট আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৯২ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা।

 

বড় বাজেটের ব্যয়ের খাতগুলোর মধ্যে সরকারের পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৬১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। যা জিডিপির ১০ দশমিক ৪৬ শতাংশ। এর মধ্যে আবর্তক ব্যয় ৩ লাখ ২৮ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা। যার মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ হিসেবে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬২ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক ঋণের সুদ ৬ হাজার ৫৮৯ কোটি টাকা। এছাড়া উন্নয়ন ব্যয় ২ লাখ ৩৭ হাজার ৭৮ কোটি টাকা, ঋণ ও অগ্রিম ৪ হাজার ৫০৬ কোটি টাকা এবং খাদ্য হিসাবে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৯৭ কোটি টাকা।

 

আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান বেড়ে যাওয়ায় আগামী বাজেটে ঘাটতির পরিমাণও অনেক বেড়েছে। আগামী বছর অনুদানসহ ঘাটতির পরিমাণ ৬ দশমিক ১ শতাংশ চূড়ান্ত করা হয়েছে। টাকার অংকে ২ লাখ ১১ হাজার ১৯১ কোটি টাকা। আর অনুদান ছাড়া ঘাটতির পরিমাণ হচ্ছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। যা জিডিপির ৬ দশমিক ২ শতাংশ। যেখানে চলতি অর্থবছরে অনুদানসহ ঘাটতির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯৮৭ কোটি টাকা। যা জিডিপির ৫.৯ শতাংশ। আর চলতি অর্থবছরে অনুদান ব্যতীত সামগ্রিক ঘাটতি ছিল ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। যা জিডিপির ৬ শতাংশ।

 

বড় বাজেটের বড় ঘাটতি পূরণ করা হবে ঋণের মাধ্যমে। যদিও করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে বিভিন্ন দাতা সংস্থা বাংলাদেশকে সহায়তা করছে। যা বাজেটের হিসাবেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাজেট সহায়তা হিসাবে আগামী বাজেট ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ খাত থেকে ঋণ নেয়া হবে ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৫৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যাংকিং খাত থেকে নেওয়া হবে ৭৬ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা। যদিও চলতি অর্থবছরের তুলনায় ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা কমেছে।

 

চলতি অর্থবছরে ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭৯ হাজার ৭৪৯ কোটি টাকা। এছাড়া সঞ্চয়পত্র থেকে ৩২ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য খাত থেকে নেওয়া হবে ৫ হাজার ১ কোটি টাকা। পাশাপাশি বিদেশি ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৯৭ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা। ঋণের বিপরীতে সুদ পরিশোধ করতে হয়। এজন্য আগামী অর্থবছরে সুদ খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬৭ হাজার ৫৮৯ কোটি টাকা।

 

আগামী বাজেটে আটটি খাতকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে করোনা নিয়ন্ত্রণে অর্থায়ন ও স্বাস্থ্য খাতে অতিরিক্ত বরাদ্দ নিশ্চিত, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সামাজিক নিরাপত্তার আওতা সম্প্রসারণ করা। এছাড়া প্রণোদনা প্যাকেজ সফলভাবে বাস্তবায়ন, নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে স্বল্প ও বিনামূল্যে খাদ্য বিতরণ, অধিক খাদ্য উৎপাদনে কৃষিতে গুরুত্ব এবং মানবসম্পদ উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে।

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

গাজীপুরে কোচিং সেন্টারসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে ১,৬৩,২০০/- টাকা জরিমানা

খুলনায় ৪ জুন থেকে তিন থানার সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সাত দিন বন্ধ থাকবে

 

খুলনায় ৪ জুন থেকে নগরীর তিন থানার সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সাত দিন বন্ধ থাকবে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন খুলনা জেলা প্রশাসন।

খুলনায় করোনা সংক্রমন ঠেকাতে লকডাউনের প্রয়োজন নেই তবে ৪ জুন থেকে নগরীর তিন থানার সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সাত দিন বন্ধ থাকবে, জেলা প্রশাসন সভার সিদ্ধান্ত ।

বিস্তারিত আসছে….

// দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনায় বিশ্ব দুগ্ধ দিবস পালিত সবার জন্য মানসম্মত ও নিরাপদ দুধ নিশ্চিত চাই

 

 

 

খুলনার নতুন জেলা প্রশাসক মনিরুজ্জামান তালুকদার

 

খুলনার নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ পেয়েছেন মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার। সোমবার (৩১ মে) এ নিয়োগ দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পালনের আগে মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার দুর্নীতি দমন কমিশন চেয়ারম্যানের একান্ত সচিবের দায়িত্ব পালন করেন।

মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার ২১তম বিসিএসের মাধ্যমে কর্মজীবনে যোগ দেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও ইংল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তার স্ত্রী গৃহিণী। তাদের একটি মাত্র মেয়ে। মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার ঝালকাঠি জেলার সন্তান। কবে খুলনায় যোগদান করবেন জানতে চাইলে মনিরুজ্জামান তালুকদার বলেন, যোগদানের তারিখ এখনও ঠিক হয়নি। আমাকে যেভাবে নির্দেশনা দেওয়া হবে সেভাবে চলে আসবো।

 

// আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ঘুর্ণীঝড় ইয়াসে বাগেরহাট রামপালে প্রায় ৭ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে

ডাঃ সাবিরার মৃত দেহে ধারালো অস্ত্রের ৩টি আঘাতঃ ৩ জন গ্রেফতার

 

“উন্নয়ন সমন্বয়” ও “কেয়ার বাংলাদেশ”-এর নারী-পুরুষ কর্মক্ষেত্রে শীর্ষক সংলাপ

গবেষণা সংগঠন “উন্নয়ন সমন্বয়” এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা “কেয়ার বাংলাদেশ”-এর যৌথ উদ্যোগে আজ (৩১-৫-২১) মাননীয় সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণে কর্মক্ষেত্রে নারী-পুরুষদের প্রতি হয়রানি-বৈষম্য বিমোচন ও মানবাধিকার নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে আইএলও কনভেশন ১৯০: বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট শীর্ষক ভার্চুয়াল সংলাপের আয়োজন করা হয়।

ভার্চুয়াল সংলাপের প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন মাননীয় শিল্প মন্ত্রী জনাব নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন। এসময় ভার্চুয়াল সংলাপে অংশগ্রহণ করেন খুলনা-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি জনাব আব্দুস সালাম মূর্শেদী এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্ণর ও গবেষণা সংগঠন উন্নয়ন সমন্বয়ের চেয়ারম্যান ও ড. আতিউর রহমান।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//