আমতলীতে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত

//সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি//
বরগুনার আমতলীতে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা এস,এম সাদিক তানভীর এর সভাপতিত্বে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মজিবুর রহমান,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তামান্না আফরোজ মনি,সহকারী কমিশানার (ভূমি) আবদুল্লাহ আবু জাহের,উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এডভোকেট এম এ কাদের মিয়া,সিনিয়র সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ নুরুল ইসলাম মৃধা,উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আবদুল মুনয়েম সাদ,আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ,কে,এম মিজানুর রহমান,সদর উপি চেয়ারম্যান মোঃ মোতাহার উদ্দিন মৃধা,কুকুয়া ইউপি চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন আহমেদ মাসুম তালুকদার,চাওড়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আখতারুজ্জামান বাদল খান,আড়পাংগাশিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সোহেলী পারভীন মালা,আঠারোগাছিয়া ইউপি মোঃ রফিকুল ইসলাম রিপন,হলদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আসাদুজ্জামান মিন্টু মল্লিক,গুলিশাখালী ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাড. এইচ,এম মনিরুল ইসলাম মনি,এম,ইউ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ,কে,এম শাহ আলম কবির,এম,ইউ বালক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আবদুল হান্নান, সমাজসেবা কর্মকর্তা মঞ্জুরুল হক কাওসার সহ আরও উপস্থিত ছিলেন আমতলী উপজেলা প্রশাসনের সকল প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগন।

সভায় বক্তারা উপজেলার সার্থকতা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আগামীতেও এ ধারা অব্যাহত রাখতে সকলে একযোগে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অভয়নগরে আওয়ামী লীগের শেখ রাসেল দিবস পালন

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍//

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠপুত্র শহীদ শেখ রাসেলের ৫৯তম জন্মদিন ও শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষে অভয়নগরে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। অভয়নগর উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে  মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) বিকালে দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র আলহাজ্ব এনামুল হক বাবুলের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর চেয়ারম্যান সরদার অলিয়ার রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাহ্ ফরিদ জাহাঙ্গীর, আওয়ামী লীগ নেতা ও যশোর জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত সদস্য (ওয়ার্ড-৪) আব্দুর রউফ মোল্যা, শ্রীধরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রওশন আলী মোড়ল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক শফি কামাল, উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক ফারাজী মনির হাসান তাপস, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক সরদার জসিম আহম্মেদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, আওয়ামী লীগ নেতা মোল্যা আনোয়ার হোসেন। দোয়া পরিচালনা করেন, মাওলানা শহিদুল ইসলাম।

ডুমুরিয়ার শোভনায় চেয়ারম‍্যান কাপ ফুটবল টুনামেন্টের উদ্বোধন

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//

সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ বলেছেন খেলাধুলা  মানুষকে নির্মল  বিনোদন অপরিহার্য। সামাজিক  অবক্ষয় বোধে  খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই। বর্তমান সরকার খেলাধুলাকে প্রান্তিক পর্যায়ে পৌছায়ে দিতে বঙ্গবন্ধু  ও বঙ্গমাতা  স্কুল  কলেজ মৌসুমী এবং  বয়স ভিত্তিক টুর্নামেন্টের মাধ্যমে মেধার বিকাশ ঘটিয়ে খেলোয়াড় তৈরি করছেন। দেশ বিদেশে নারী ফুটবল  সুনাম বয়ে এনেছে। এলাকায় খেলাধুলার বিকাশ ঘটাতে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সুশীল সমাজ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের এগিয়ে আসতে হবে। ১৮ অক্টোবর  মঙ্গলবার বিকেলে খুলনার ডুমুরিয়ার শোভনা ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে ১৬ দলীয় চেয়ারম্যান কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুরঞ্জিত বৈদ্য’র সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এক সময়ে সাড়া জাগানো দেশসেরা স্ট্রাইকার শেখ আসলাম হোসেন, ধারাভাষ্যকা সাইদুর রহমান, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এজাজ আহমেদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শারমিনা পারভীন রুমা, ধামালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম জহুরুল হক, গুটুদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ তুহিনুল ইসলাম, গৌরিঘোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবিব, আওয়ামীলীগ নেতা সুলতান আহমেদ, শেখ নাজিবুর রহমান, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ, সুধীজন এলাকাবাসী ও ইউপি সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় গাবতলা ফুটবল ময়দানে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের উদ্বোধীন অনুষ্ঠানে খুলনার আব্বাস একাডেমীর শিল্পীবৃন্দের মনোজ্ঞ সংগীত পরিবেশন করে।

খেলা দেখতে সকাল থেকে দুররান্তের নারী ও পুরুষ মাঠের চারিকোনে জমায়েত হতে থাকে। বিকেল ৩ টায় কেশবপুর উপজেলার গৌরিঘোনা ইউনিয়ন ও ডুমুরিয়ার গুটুদিয়া ইউনিয়নের মধ্যকার খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

মাঠের জনতার ঢল তিল ধরনের ঠাঁই না পেয়ে অনেকে ছাঁদের উপর, গাছে উঠে খেলা উপভোগ করেন।

খেলায় গৌরীঘোনা একাদশ ৩-০ গোলে গুটুদিয়া ইউনিয়ন কে পরাজিত  করে। খেলায় উভয় দলের দেশীয় এবং বিদেশী  নাইজেরিয়ান খোলোয়াড় দর্শকদের দৃষ্টি নন্দন খেলা উপহায় দেন। খেলায় শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড় নির্বাচিত হন গৌরিঘোনা ইউনিয়নের নাইজেরিয়া খেলোয়াড় উবা। সেরা দর্শক নির্বাচিত হয়েছেন মো: এলাহী। পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি নারায়ন চন্দ্র চন্দ। আগামী ২০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার আটলিয়া ইউনিয়ন ও রঘুনাথপুর ইউনিয়নের মধ্যে খেলা অনুষ্ঠিত হইবে।

 

খুলনার ডুমুরিয়ায় শেখ রাসেল দিবস পালিত

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ১৮ অক্টোবর মঙ্গলবার সকালে শেখ রাসেল দিবস উদযাপন উপলক্ষে পুষ্পমাল্য অর্পণ, র‍্যালী , আলোচনা সভা ও পুরষ্কার বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচী পালিত হয়।

উপজেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফ আসিফ রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যদেন সাবেক মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এমপি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দেবাশীষ বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যদেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম মানিক,ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা চন্দ্র কান্ত তরফদার। আরো উপস্হিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইনসাদ ইবনে আমীন,থানা অফিসার ইনচার্জ সেখ কনি মিয়া,উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা সুব্রত বিশ্বাস,মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রীনা মজুমদার, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ ওবাইদু হক,সহকারি প্রোগ্রামার শেখ সুমন হাসানসহকারী শিক্ষা অফিসার ধনজয কুমার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরশাফ হোসেন, দারিদ্র বিমোচন কর্মকতা প্রতাব দাস সহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ,শিক্ষক মন্ডলী,ছাত্র-ছাত্রী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বসহ সুধী সমাজের নেতৃবৃন্দ।

শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগীতায় অংশ গ্রহনকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। শেখ রাসেল ডিজিটাল  ল‍্যাব শ্রেষ্ট  নির্বাচিত হযেছেন বান্দা কলেজিয়েট স্কুল এন্ড কলেজ, এন্ড জিসি এন্ড এনসিকে মাধ‍্যমিক, আর আর জিটিটি মাধ‍্যমিক বিদ‍্যালয।

রাণীশংকৈলে শেখ রাসেলের জন্মদিন পালন উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

মাহাবুব আলম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি।।

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের জন্মদিনে মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) শেখ রাসেল দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে এদিন সকালে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও একটি বনাঢ্য র‍্যালি শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে উপজেলায় শেষ  হয়৷

পরে উপজেলা হলরুমে ইউএনও সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবিরের সভাপতিত্বে  আলোচনা ও পুরষ্কার বিতরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আ’লীগ সহ-সভাপতি সেলিনা জাহান লিটা, সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা ওয়ার্কার্স পাটির সভাপতি ইয়াসিন আলী, উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না, ভাইস চেয়ারম্যান শেফালী বেগম,সহকারী কমিশনার( ভূমি) ইন্দ্রজিৎ সাহা, বীর মুক্তিযোদ্ধা হবিবর রহমান প্রমুখ।

এছাড়াও সভায় বিভিন্ন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সাংস্কৃতিক নেতাকর্মি,সাংবাদিক, শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রিরা উপস্থিত ছিলেন। অথিতিরা ছাড়াও বক্তব্য দেন- সহকারী প্রোগ্রামার মিজানুর রহমান, প্রেসক্লাব সভাপতি অধ্যাপক(অব) আনোয়ারুল ইসলাম ছাত্রি জারিন শুভা । সঞ্চালনা করেন সহকারি অধ্যাপক প্রশান্ত বসাক। অনুষ্টান শেষে  বিভিন্ন প্রতিযোহিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার দেয়া হয়।

অভয়নগর উপজেলায় শেখ রাসেল দিবস উদযাপন

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍ঃ//

যশোরের অভয়নগর উপজেলায় প্রশাসনের আয়োজনে শেখ রাসেল দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে উপজেলা প্রশাসন ও পরিষদ, নওয়াপাড়া পৌরসভা. নওয়াপাড়া সরকারি মহাবিদ্যালয় সহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে একটি র‌্যালী উপজেলা পরিষদ চত্বর প্রদক্ষিণ করে। দুপুরে উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে নির্বাহী কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি শাহ্ ফরিদ জাহাঙ্গীর। বিশেষ অতিথি ছিলেন, নওয়াপাড়া সরকারি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ রবিউল হাসান, অভয়নগর থানার ওসি একেএম শামীম হাসান, নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি নজরুল ইসলাম মল্লিক, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ফারুক হোসাইন সাগর। এ সময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আমতলীতে শেখ রা‌সেলের ৫৯ তম জন্মদিন পালিত

//সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি//

“‌শেখ রা‌সেল নির্মলতার প্রতীক দুরন্ত প্রাণবন্ত নির্ভীক” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে বরগুনার আমতলীতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মু‌জিবুর রহমা‌নের ক‌নিষ্ঠ পুত্র শেখ রা‌সে‌লের ৫৯ তম জন্ম‌দিন পালন করা হয়েছে ।

আজ মঙ্গলবার সকাল ৯ টার সময় উপ‌জেলা প্রশাস‌নের আ‌য়োজ‌নে উপ‌জেলা প‌রিষদ মিলনায়তনে শেখ রা‌সেলের ৫৯ তম জন্ম‌দিন উপল‌ক্ষে শেখ রা‌সে‌লের প্রতিকৃ‌তি‌তে পুস্পমাল‌্য অর্পন করা হয়। পরে ‌ বিশাল র‍্যালি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও শেখ রা‌সেল সহ বঙ্গবন্ধু তার প‌রিবা‌রের শহীদ‌দের মাগ‌ফেরাত কামনায় দোয়া,মোনাজাত ও আ‌লোচনা সভা অনু‌ষ্ঠিত হয়।

ভারপ্রাপ্ত উপ‌জেলা নির্বাহী অ‌ফিসার ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) আবদুল্লাহ আবু জাহের এর সভাপ‌তি‌ত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অ‌তিথী হি‌সেবে উপ‌স্হিত ছি‌লেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মজিবুর রহমান।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) তামান্না আফরোজ মনি,আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ,কে এম মিজানুর রহমান,সরকারি এ,কে হাই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ বজলুর রহমান, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ মজিবুর রহমান,সমাজ সেবা অফিসার মনজুরুল ইসলাম, মফিজ উদ্দিন বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শাহ আলম কবির সহ উপ‌জেলার বিভিন্ন দপ্ত‌রের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উপ‌স্থিত ছি‌লেন।

আ‌লোচনা শে‌ষে কুইজ প্রতি‌যোগী‌ শিক্ষার্থী‌দের মা‌ঝে পুরস্কার বিতরন করা হয়।

১৬ অক্টোবর মুক্তিযোদ্ধা মনোরমা বসু মাসিমার প্রয়াণ দিবস

//পলাশ চন্দ্র দাস, স্টাফ রিপোর্টার //

উপমহাদেশের ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন নারীমুক্তি আন্দোলন, মুক্তি সংগ্রামের অনন্য পথিকৃৎ মনোরমা বসু। ভারতবর্ষজুড়ে বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলন চলার সময় যখন স্বদেশিরা রাস্তায় গান গেয়ে মিছিল নিয়ে যাচ্ছিল তখন সেই মিছিলেই হাতে হলুদ রাখি বেঁধে স্বদেশি আন্দোলনে দীক্ষা নেন তিনি। ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দ চৌদ্দ বছর বয়সে বরিশালের বাঁকাই গ্রামের জমিদার চিন্তাহরণ বসুর সঙ্গে তার বিবাহ হয় এবং স্বামীর প্রত্যক্ষ সমর্থনে তিনি স্বদেশি আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। বরিশালে অবস্থানকালে মনোরমা স্বদেশি আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং নারী অধিকার রক্ষায় ‘সরোজনলিনী মহিলা সমিতি’র শাখা প্রতিষ্ঠা করেন। বাংলাদেশে এটিই ছিল প্রথম মহিলা সংগঠন। এ সমিতির মাধ্যমেই তিনি নারী সমাজকে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ করেন। ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দ ভারতজুড়ে যখন চলছিল আইন অমান্য আন্দোলন। এ আন্দোলনে মিছিলে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য ব্রিটিশ পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে এবং জীবনে প্রথমবারের মতো তিনি কারাবন্দি হন। শাস্তি হিসেবে ৬ মাস জেল ও ১৫০ টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়। জেলে থাকাকালীন তিনি ঊর্মিলা দেবী (দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জনের বোন), জ্যোতির্ময়ী দেবী প্রমুখ প্রখ্যাত কংগ্রেস নেত্রীর সান্নিধ্য লাভ করেন।

মনোরমা বসু ছিলেন একজন একনিষ্ঠ সমাজসেবক। তিনি অনাথ ও দুস্থ মহিলাদের, বিশেষ করে বিধবা ও কুমারী মেয়েদের আশ্রয়দানের জন্য বরিশালের কাউনিয়ায় ‘মাতৃমন্দির আশ্রম’ প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ‘মহিলা আত্মরক্ষা সমিতি’র বরিশাল জেলা শাখার অন্যতম নেত্রী ছিলেন। ১৯৪৩-৪৪ খ্রিস্টাব্দ দুর্ভিক্ষ ও মহামারীর সময় লঙ্গরখানা, চিকিৎসালয় ও উদ্ধার আশ্রম স্থাপন এবং পুনর্বাসন কাজে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। এ ছাড়া বরিশাল জেলার বিভিন্ন নারী আন্দোলন, সমাজসেবা ও রাজনৈতিক কাজের সঙ্গেও তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। ‘বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, বরিশাল জেলা শাখা’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি নারীমুক্তি আন্দোলনকে গতিশীল করেন। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি এ পরিষদের সহসভানেত্রী ছিলেন।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদে মনোরম বসু মাসিমার সহযোদ্ধা ছিলেন বেলা নবী।

১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দ দেশ ভাগের পর নতুন শাসকদের শাসন ও শোষণ জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তোলে। এ পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দ বরিশালের খাদ্য-আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে তিনি এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করেন এবং সেই সঙ্গে জননিরাপত্তা আইনে আরো তিন বছর কারাভোগের পর ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ ২৫ এপ্রিল মুক্তি লাভ করেন। ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দ তদানীন্তন পূর্ব বাংলায় রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিলে মনোরমা বসু আত্মগোপন করেন এবং সে অবস্থা থেকে আত্মপ্রকাশের পর তিনি ‘মাতৃমন্দির আশ্রম’-এর কাজে নিজেকে পুরোপুরি নিয়োজিত করেন। একই সঙ্গে গড়ে তোলেন আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়, পল্লীকল্যাণ অমৃত পাঠাগার (শহীদ অমৃতলালের নামে), আর শিশুদের জন্য মুকুল মিলন খেলাঘর। তার অবর্তমানে মাতৃমন্দিরের কার্যনির্বাহের জন্য নিজের সব সম্পত্তি মন্দিরের নামে দান করে যান। ১৯৬২ ও ৬৪’র গণআন্দোলন এবং ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে মহিলাদের সংগঠিত করার ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।  ১৯৭১খ্রিস্টাব্দ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামেও তার অগ্রণী ভূমিকা ছিল। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে মনোরমা বসু প্রথমে দেশেই আত্মগোপন করে থাকেন। পরে জুন মাসে চলে যান ভারতে। সেখানে গিয়েও তিনি মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে প্রচারণা, অর্থ সংগ্রহ, নারীদের সংঘটিত করা ইত্যাদি কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন।এবং তাঁর সঙ্গে ছিলেন অগ্নিকন্যা বেগম মতিয়া চৌধুরী। তারা দুজন মিলে সারা ভারতে বহু সভা করেছেন।দেশ স্বাধীন হলে জানুয়ারি মাসেই তিনি দেশে ফিরে আসেন। দেশ পুনর্গঠনের কাজে নিয়োজিত হন। মহিলা পরিষদের উদ্যোগে বয়স্কা মহিলাদের জন্য কালীবাড়ি রোডের চণ্ডীসদনে স্থাপন করেন বৈকালিক স্কুল।

১৫ আগস্টের পর রাষ্ট্রীয় পরিবর্তন এবং অস্থিরতার জন্য পার্টির সিদ্ধান্তে আত্মগোপন করেন। সে অবস্থাতেও দেশপ্রেম, সমাজসেবা ও মানুষের প্রতি ভালোবাসার কারণে দলমত-নির্বিশেষে সবাই তাকে ‘মাসিমা’ বলে ডাকত। বিরল ব্যক্তিত্বের অধিকারী, দৃঢ়চেতা, পরোপকারী এবং আদর্শনিষ্ঠ মনোরমা বসুর সমগ্র জীবন ছিল দেশপ্রেমে নিবেদিত। তিনি ছিলেন সাম্যবাদের মন্ত্রে দীক্ষিত এবং যেকোনো সামাজিক ও রাজনৈতিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার কণ্ঠ।  ১৯২৪ খ্রিস্টাব্দ মহাত্মা গান্ধী বরিশালে যান। সে সময় তার বক্তব্য শুনে মনোরমা বসু অনুপ্রাণিত হন। ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দ মাহাত্মা গান্ধী রাজনৈতিক প্রচারণা এবং তহবিল সংগ্রহের সংগ্রহের জন্য বরিশাল এলে মনোরমা বসু নিজের গহনা দান করেন। বরিশালে গান্ধীর সাথে এই সাক্ষাৎ তাঁকে আরো উজ্জীবিত করে তোলে। তিনি ব্রিটিশদের শৃঙ্খল থেকে ভারতবর্ষকে মুক্ত করার জন্য বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেন এবং বিপ্লবী মনোরমা বসু মাসিমা নামে পরিচিতি লাভ করেন।  ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ভারতে কংগ্রেসের ডাকে শুরু হয় আইন অমান্য আন্দোলন করায় জীবনে প্রথম ৬ মাসের জেল ও ১৫০ টাকা জরিমানা হয়। প্রায় ছয় মাস পর জেল থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি আরো সক্রিয়ভাবে রাজনীতি শুরু করেন।তিনি ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দ বরিশাল শহরের কংগ্রেস নারী কর্মীদের সাথে যোগ দেন ও ১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দ পরবর্তীকালে সমাজতান্ত্রিক আদর্শের দ্বারা প্রভাবিত হন।

১৯৩৩-৩৪ খ্রিস্টাব্দ তিনি নিজ বাড়ির বারান্দায় চালু করেন মেয়েদের বিদ্যালয়। নিজের মেয়েসহ আরো ৫ জন মেয়েকে নিয়ে শুরু করেন স্কুলের কার্যক্রম। পরবর্তী সময়ে এই বিদ্যালয়ই বিখ্যাত ‘মাতৃমন্দির’ হিসেবে পরিচিতি পায়। ১৯৪৩-৪৪ খ্রিস্টাব্দে বাঙলায় দুর্ভিক্ষ ও মহামারি ছড়িয়ে পড়লে তিনি ত্রাণ ও পুনর্বাসনকাজে মানুষের পাশে দাড়ান। ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ মে মাসে বরিশালে নিখিলবঙ্গ মহিলা আত্মরক্ষা সমিতি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেই সম্মেলন অনুষ্ঠানের সব কাজ তার নেতৃত্বে সম্পন্ন হয়েছিল।তিনি নিজের বাড়িতে পাড়ার ওনিজের ছেলেমেয়েদের নিয়ে গড়ে তোলেন মাতৃমন্দির স।রকারী আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়। আর্থিক সমস্যার সমাধানের জন্য তিনি বাড়িতে বাড়িতে মুষ্টি-ভিক্ষার ঘট বসালেন মনোরমা বসু মাসিমা

রূপসায় আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস পালন

//এম মুরশীদ আলী //

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও নারীর বহুমাত্রিক ঝুঁকি এখনই প্রয়োজন জরুরী পদক্ষেপ গ্রহণ, এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে গত ১৫ অক্টোবর সকালে রূপসার ঘাটভোগ ইউনিয়নের রবীন্দ্র স্মৃতি সংগ্রহশালায় অপরাজিতা নেটওয়ার্কের উদ্যোগে ইউপি সদস্য স্বপ্না রানী পালের সভাপতিত্বে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক অধ্যাপক আল মামুন সরকার, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন (অব:) প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম শেখ, সাংবাদিক আব্দুস জব্বার শিবলী, মো. শামসুর রহমান, মো. রবিউল ইসলাম, বক্তব্য রাখেন ইউপি সদস্য রাবেয়া সুলতানা, বিনোদিনী পাল, অপরাজিতা নেত্রী ফাতেমা ইয়াসমিন বুলু, মাধুরী সরকার, হাসনা বেগম, জেসমিন বেগম, আসমানী বেগম, মিনতি বিশ্বাস, জুলু বিশ্বাস, দীপিকা দাস, নুরজাহান বেগম, রূপান্তর অপরাজিতা প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী মো. আজিজুল হক, জেলা প্রকল্প অফিসার মিতা মজুমদার সহ আরো অনেকে।

সভা পরিচালনা করেন ঘাঠভোগ ইউনিয়ন অপরাজিতা নেটওয়ার্কের সদস্য মাধুরী সরকার।

চট্টগ্রামের জাহাজডুবির ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে এমপি বীরেন শিকদার

//সুজন মাহমুদ//

চট্টগ্রামের জাহাজডুবির ঘটনায় মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার পলাশবাড়ীয়া ইউনিয়নের অন্তর্গত মন্ডলগাতী ও নহাটা ইউনিয়নের অন্তর্গত খলিশাখালী ও বাবুখালীর দাহিয়াদাহ গ্রামের শোকাহত পরিবার গুলোর খোঁজ খবর নিতে মাগুরা-২ আসনের বার বার নির্বাচিত সাংসদ সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড.শ্রী বীরেন শিকদার এমপি আজ শনিবার বিকেলে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানাতে ছুটে যান ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোর কাছে।এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার রামানন্দ পাল, সহকারি কমিশনার (ভূমি) বাসুদেব কুমার মালো,উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডঃ আব্দুল মান্নান,সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল সিদ্দিকী লিটন,উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের মহিলা সম্পাদিকা নারী নেত্রী মোছাঃ বেবী নাজনীন, বাবুখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর সাজ্জাদ আলী,পলাশবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ সিকান্দার আলী, পলাশবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান প্রধান শিক্ষক এম রেজাউল করিম চুন্নু প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।সংসদ সদস্য ড.শ্রী বীরেন শিকদার এসময়ে প্রাথমিক ভাবে প্রত্যেক পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।

উল্লেখ্য,চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে ডুবে যাওয়া জাহাজটির ৯ নাবিকের ৮ জনের বাড়ি মাগুরা জেলার  মহম্মদপুর উপজেলায়।ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক বাড়িতে চলছে শোকের মাতম।এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।