হাজার এর ইংরেজী ‘Thousand’ কে সংক্ষেপে T না বলে ‘K’ কেন ব্যবহার করা হয়…?

Internet এর প্রভাবেই সম্ভবত প্রচলনটা  জোড়ালো হয়েছে। এখন তো আমরা নিত্যদিনের কাজেও হাজার বোঝাতে ইংরেজি হরফ ‘K’ ব্যবহার করে ফেলি! যেমন আপনার কোনো বন্ধুকে বেতন জিজ্ঞেস করেছেন। তার বেতন যদি ৩৫ হাজার টাকা হয়, তাহলে কিন্তু টপ করে লিখে ফেলবে ‘৩৫k’।

কিন্তু কোথা থেকে কিভাবে এল এই ‘K’? সেটা জানতে গেলে সময় সারণীতে সাঁতার কেটে আমাদের একটু  অতীতেন দিকে যেতে হবে।

সেই ১৭৯৫ সালের কথা। সেখানে গ্রিক শব্দ ‘কিলিওই’ (Chilioi) অফিসিয়ালি স্বীকৃতি পেল হাজার অর্থে। কিন্তু ১০০০ বোঝানোর জন্য গ্রিকরা ‘কিলিওই’ ব্যবহার করতেন আরও অনেক আগে থেকে। পরে এই এককটি ব্যবহার করতে শুরু করেন ফরাসিরাও। ফরাসিদের হাতে এসে গ্রিক শব্দ ‘কিলিওই’ বদলে হয়ে যায় ‘কিলো’ (Kilo) তে।

মেট্রিক পদ্ধতি বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে ‘কিলো’কে ১০০০ হিসাবে লিখতে শুরু করেন ফরাসিরা।

ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারের সঙ্গে বিশ্বব্যাপী এই ১০০০ এর গুরুত্ব বাড়ে, সবার কাছে ১০০০ প্রচলিত হয়ে যায়। ১০০০ লিটার, ১০০০ গ্রামের বদলে ক্রমে প্রচলিত হয়ে ওঠে কিলোলিটার, কিলোগ্রাম, কিলোটনের মতো নতুন শব্দগুলি।

এই শব্দগুলি অনেকটাই বড়। আমেরিকার বদান্যতায় মার্কিনী স্টাইলে সময় বাঁচাতে তাই ‌‘K’ লেখা শুরু হয়। এতে ১০,০০০ হয়ে যায় ‘১০কে’, ২০,০০০ হয়ে যায় ‘২০কে’ আবার ১লক্ষ হয়ে যায় ১০০কে। আর তখন থেকেই হাজার বোঝাতে ‌‘K’ -এর প্রচলন শুরু হয়।

এটাই হলো ‌‘K’ এর রহস্য ।।

// দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক  //

ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচি’-এর পরিচালকের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো আজ

 

ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচির অবদান বাংলাদেশের সার্বজনীন শিক্ষার আলোক বর্তিকা হিসাবে  অনস্বীকার্য। ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচি বয়স্ক শিক্ষা কার্যক্রম দিয়ে শুরু হলেও পরবর্তীতে ননফরমাল ও ফরমাল প্রাথমিক শিক্ষা, মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যক্রমসহ গণকেন্দ্র লাইব্রেরির মতো কার্যক্রম প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শুরু করে হাওড়,বাওড়,হিল ও সমূদ্র তীরবর্তী দুর্গম এলাকায় পৌঁছে গেছে।

এছাড়াও করোনার এই মহামারীর সময় দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা যখন সংসদ টিভি, রেডিও নির্ভর ছিল সেই সময় ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচির কার্যক্রম নতুন নতুন উদ্যোগ নেয়।

তার মধ্যে ছিল ফোন কল,হোম ভিজিট, মা ও শিশু পাঠশালা,রিমেডিয়াল ক্লাস,পিবিএল( প্রজেক্ট বেজ লার্নিং),সিএলজি ( চাইল্ড বেজ লার্নিং গ্রুপ),মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক,শিক্ষিকাদের জন্য অনলাইনে প্রশিক্ষণ যা বর্তমান প্রেক্ষাপটে ছিল খুবই যুগোপযোগী।

আর ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচির এই শিক্ষা বিপ্লবের ধারক এবং বাহক আর কেউ নয় তিনি ড. শফিকুল ইসলাম, পরিচালক,ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচি। আজ ৩১মার্চ-২০২১ রোজ বুধবার সকাল ১০:০০ ঘটিকায় ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচির শিক্ষক,লাইব্রেরিয়ানসহ সকল স্তরের কর্মীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হল ভার্চুয়াল বিদায় অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচির বর্তমানে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক, কর্মসূচি প্রধান, কর্মসূচি ব্যবস্থাপকসহ সর্বস্তরের কর্মীরা অংশ গ্রহন করেন এবং বিদায়ী পরিচালকের কর্মময় জীবনের নানা দিক তুলে ধরেন।

ড. শফিকুল ইসলাম ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচির সমন্বয়কারী হিসাবে ১৯৯৫ সালে ও পরবর্তীতে পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব গ্রহন করে অদ্যাবধি সুন্দর সুচারুভাবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৮৫ সালে হাঙ্গেরিয়ান অ্যাকাডেমি অফ সাইন্সেস থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৭ সালে ব্র্যাকে যোগদানের পূর্বে সেন্টার ফর ইনটিগ্রেটেড রুরাল ডেভেলপমেন্ট ফর এশিয়া এন্ড প্যাসিফিক( সিরডাপ)- এ সহযোগী গবেষক হিসাবে কাজ করেছেন।

ব্র্যাকে যোগদানের পর বিভিন্ন বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি ব্র্যাকের মূল্যায়ন ও গবেষণা বিভাগের জ্যেষ্ঠ গভেষক হিসাবে এবং অবলোকন বিভাগের কর্মসূচি সমন্বয়কারী হিসাবে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৭-৯৮ সাল পর্যন্ত তিনি ইউনিসেফ – পাকিস্তানে কর্মরত ছিলেন। সে সময় তিনি পাকিস্তানের উত্তর- পশ্চিম প্রদেশের উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের পরামর্শক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০১- ২০০২ সাল পর্যন্ত তিনি সিডার কর্মকর্তা হিসাবে বাংলাদেশ সরকারের উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর বিশেষ দায়িত্ব পালন করেন। ড. শফিকুল ইসলাম সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ের কমিটির পাশাপাশি এডুকেশন ফর অল( ইএফএ) – এর কান্ট্রি রিভিউ কমিটির সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে ২৩ মে

অনলাইন ডেস্ক।।

মহামারি করোনার মৃত্যু ও সংক্রমণ বাড়তে থাকায় স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাসহ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার নতুন তারিখ ঘোষণা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী ২৩ মে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে। করোনাবিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সঙ্গে পরামর্শ করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওইদিন থেকে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হবে।

বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংক্রমণের ঊর্ধগতি পরিলক্ষিত হওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তার বিবেচনায় এবং কোভিড ১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সঙ্গে পরামর্শক্রমে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান আগামী ঈদুল ফিতরের পর ২৩ মে তারিখ শুরু করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই সময়ে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন।

বৃহস্পতিবার রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবুল খায়ের যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে বৃহস্পতিবারই রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে।করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ৩০ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষণা দেন।

দেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ।  প্রথম মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ। গত বছরের ১৭ মার্চ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এখন পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। সর্বশেষ গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আগামী ২৯ মার্চ পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে আদেশ জারি করে সরকার।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে পারে ঈদের পর ।। করোনা ফ্যাক্ট

অনলাইন ডেস্ক।।

পবিত্র শবে বরাতের ছুটি ২৯ মার্চের পরিবর্তে ৩০ মার্চ নির্ধারণ করেছে সরকার। ফলে ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৩০ মার্চ খুলছে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্বনির্ধারিত তারিখে স্কুল-কলেজ খোলার কোনো সুযোগ নেই। এছাড়াও করোনা প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ফের বাড়তে পারে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, ‘সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৩০ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত থাকলেও সেদিন শবে বরাতের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ কারণে সেদিন স্কুল-কলেজ খোলা হবে না।’

তিনি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে দু-একদিনের মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালকের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। ৩০ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে মাউশিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে বলা হবে।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতিতে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় বর্তমানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত পিছিয়ে দেয়ার চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার কথাটি আগে বিবেচনা করে স্কুল-কলেজ খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’ পবিত্র ঈদুল ফিতর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির ঘোষণা দেয়া হতে পারে বলে জানান তারা।

তবে এ প্রসঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, অনেকেই অনেক রকম কথা বলছেন। কিন্তু বিষয়টি অনুমান নির্ভর। আমরা আগের সিদ্ধান্তেই এখনো রয়েছি। যদি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয় তবে তা জানিয়ে দেয়া হবে।

ছুটি বাড়ানোর বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’ দ্রুত সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে ঘোষণা দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সোনিয়া সুলতানা নামের এক অভিভাবক বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, এখনই দেশের সব হাসপাতালের আইসিইউ বেড পূর্ণ হয়ে গেছে। এ অবস্থায় আমার বাচ্চার যদি কিছু হয় তবে তো পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবো না। এরমধ্যে বাচ্চাকে স্কুলে পাঠানো অসম্ভব।

অভিভাবক জাকিয়া রহমান জানান, করোনা সংক্রমণের হার যখন ২ শতাংশের কাছাকাছি ছিলো তখন স্কুল খোলা হলো না। এখন সংক্রমণের হার ১৪ এর বেশি পাশাপাশি প্রতিদিন সংক্রমণ-মৃত্যু বাড়ছে। এ অবস্থায় সরকারের উচিত স্কুল খোলার বিষয়ে পুনরায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা।

সাইদুল ইসলাম নামের এক অভিভাবক বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে সরকার ১০০ জনের বেশি গণজমায়েত নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এর মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা কীভাবে সম্ভব বলে প্রশ্ন করেন তিনি।

এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছিলেন ৩০ মার্চ স্কুল-কলেজ খুলে দেয়া হবে। তখন শিক্ষামন্ত্রী বলেছিলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হলেও প্রাক-প্রাথমিক খুলছে না। এ বিষয়ে পরে জানিয়ে দেয়া হবে। পঞ্চম, দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন ক্লাস নেয়া হবে। অন্যান্য ক্লাসের শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে একদিন ক্লাস নেয়া হবে। পর্যায়ক্রমে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে।

এরপরই প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর স্কুল খুলতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রস্তুতি নিতে নির্দেশনা দেয়। ফলে দীর্ঘদিন প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকা স্কুল-কলেজ সংস্কারের উদ্যোগ নেয় কর্তৃপক্ষ। এরপর স্কুল-কলেজ খোলার আগে শিক্ষকদের টিকা গ্রহণ বাধ্যতামূলক করে দুই মন্ত্রণালয়। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৮৫ শতাংশ শিক্ষক করোনা টিকার আওতায় এসেছে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

কিন্তু সম্প্রতি করোনা সংক্রমণের হার ও মৃত্যু বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে জনমনে আবারও প্রশ্ন উঠেছে। এরই মধ্যে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, স্কুল-কলেজ খোলা হলে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।

এর মাঝে গত ২২ মার্চ ঢাকা শিক্ষাবোর্ড ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণ কার্যক্রমের ঘোষণা দিয়েছে। এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার্থীদের কোনো ধরনের নির্বাচনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না বলেও শিক্ষাবোর্ড থেকে জানিয়ে দেয়া হয়।

কৃত্রিম ফুসফুস বানিয়েছেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানী আয়েশা আরেফিন

অনলাইন ডেস্ক।।

ন্যানো-প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম মানব ফুসফুস উদ্ভাবন করেছেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানী আয়েশা আরেফিন। মানবশরীরের ওপর পরিবেশের প্রভাব নতুন কোনো ওষুধের প্রতিক্রিয়া ইত্যাদি পরীক্ষা করার জন্য গবেষকদের দরকার হয় স্যাম্পলের। সে জন্য অনেক  ক্ষেত্রে মানুষকেই গবেষকের গিনিপিগ হতে হয়। কিন্তু এর বদলে কৃত্রিম অঙ্গপ্রত্যঙ্গ থাকলে সেটার ওপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মানবশরীরের ওপর প্রভাব বোঝা সম্ভব হয়। ন্যানো-প্রযুক্তির মাধ্যমে তেমনই একটি কৃত্রিম ফুসফুস তৈরি করে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছেন আমাদের আয়েশা আরেফিন। কৃত্রিম মানব ফুসফুস উদ্ভাবনের পথে কৃতী তরুণ এ গবেষক বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের লস আলামস পরীক্ষাগারে তাঁর গবেষণা চালিয়ে যান। তাঁর ডাকনাম টুম্পা। বেড়ে উঠেছেন চট্টগ্রাম মহানগরীতে।

 

স্নাতক পড়ার জন্য বেছে নেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং। বৈজ্ঞানিক গবেষণা সংক্রান্ত এক কাজে সরকারি আমন্ত্রণে বাংলাদেশে আসেন যুক্তরাষ্ট্রের আলামস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির গবেষক ক্রিস ডেটার। একই সময়ে তিনি সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সেমিনারে গিয়েছিলেন। সেখানে আয়েশা আরেফিনের সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর। পরে ডেটার ও তাঁর সহকর্মী ল্যান্স গ্রিন টুম্পাকে লস আলামস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে উচ্চতর পড়াশোনা ও গবেষণার সুযোগ পেতে সহায়তা করেন। এরপর আয়েশা তাঁর ক্যারিয়ার শুরু করেন লস আলামস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির বায়োসিকিউরিটি বিভাগে। ওই ল্যাবের ভারতীয় গবেষক প্রখ্যাত টক্সিকোলজিস্ট রাশি আইয়ার তাঁকে অপ্টোজেনিকস-সংক্রান্ত গবেষণায় নিয়োগ দেন। অপ্টোজেনিকস হচ্ছে জিনবিদ্যা ও প্রোটিন বিষয়ক প্রযুক্তি। যার মাধ্যমে জীবন্ত কোষের মধ্যে ঘটতে থাকা বিভিন্নœ স্নায়ুবিক কাজকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও কৃত্রিম কোষ তৈরি করা সম্ভব। টুম্পা ও রাশি আইয়ারের টিমের সদস্যরা বিভিন্ন জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট বিষক্রিয়া, রোগ ও কৃত্রিম অঙ্গ সংস্থাপনের জন্য সম্পূর্ণ নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন করেছেন। এর মধ্যে একটি কৃত্রিম ফুসফুস তৈরি করেন টুম্পা।

 

এরপর যুক্তরাষ্ট্রের লস আলামস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির ওয়েবসাইটে আয়েশা আরেফিনের গবেষণার তথ্য প্রকাশ হয়। সেখানে জানানো হয়, আয়েশা এবং তাঁর দলের অন্য সদস্যরা মিলে বিভিন্ন জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট বিষক্রিয়া, রোগ ও কৃত্রিম অঙ্গ প্রতিস্থাপনের জন্য সম্পূর্ণ নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন করছেন। যদিও তাদের প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজের সময় ফুসফুসের কোষগুলো কীভাবে কাজ করে তা জানা এবং এর প্রতিষেধক উদ্ভাবন করা। রোগটি এতই ভয়াবহ যে যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুর কারণ হিসেবে এর স্থান তৃতীয়। গবেষণা থেকে ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির ফুসফুসের কোষ এবং এর সংশ্লিষ্ট আণবিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও নির্ভুল তথ্য পাওয়া যাবে। তাদের গবেষণাগারে আরও চারটি দল মানবদেহের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিয়ে কাজ করছেন। আয়েশার আরেকটি গবেষণা হলো, মানব মস্তিষ্কের রক্ত সংবহনের একটি মডেল তৈরি করে ব্রেন স্ট্রোকের কারণ অনুসন্ধান করা। শুধু গবেষণা নয়, আয়েশা আরেফিন পড়ালেখার পাশাপাশি নানা ধরনের স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে জড়িত।

২০২১ সালের এসএসসির ফরম পূরণ শুরু ১ এপ্রিল, হবে না নির্বাচনী পরীক্ষা

অনলাইন ডেস্ক : 

২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ আগামী ১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। রোববার (২১ মার্চ) ঢাকা বোর্ড থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, আগামী ৭ এপ্রিল পর্যন্ত বিলম্ব ফি ছাড়া ফরম পূরণ করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। আর বিলম্ব ফি’সহ ১০ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত অনলাইনে ফরম পূরণ করা যাবে। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে এ বছর যোগ্যতা নির্ধারণী হিসেবে এসএসসির নির্বাচনী পরীক্ষা হবে না বলেও জানিয়েছে ঢাকা বোর্ড।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের তথ্য ও সম্ভাব্য তালিকা ঢাকা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ২৮ মার্চ প্রকাশ করা হবে। সম্ভাব্য তালিকা থেকে আগামী ১ এপ্রিল থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত বিলম্ব ফি ছাড়া অনলাইনে ফরম পূরণ করতে পারবেন এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা। বিলম্ব ফি ছাড়া অনলাইনে ফি জমা দেয়ার শেষ সময় ৮ এপ্রিল।

আর বিলম্ব ফিসহ ১০ এপ্রিল থেকে ১৪এপ্রিল পর্যন্ত এসএসসির ফরম পূরণ করা যাবে। পরীক্ষার্থীপ্রতি ১০০ টাকা বিলম্ব ফি’সহ ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত ফি জমা দেয়া যাবে।

২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে ইচ্ছুক জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থীসহ ২০২০ সালের পরীক্ষায় ফেল করা পরীক্ষার্থীদের ১ এপ্রিলের মধ্যে নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রধান বরাবর সাদা কাগজে আবেদন করতে বলা হয়েছে।

এ বছর প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এসএসসির ফরম পূরণ বাবদ সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯৭০ টাকা, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের পরীক্ষার্থীদের থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৮৫০ টাকা এবং মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৮৫০ টাকা ফি নিতে বলেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

এসএসসি পরীক্ষার ফি বাবদ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পত্রপ্রতি ১০০ টাকা, ব্যবহারিকের ফি বাবদ পত্রপ্রতি ৩০ টাকা, একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের ফি বাবদ পরীক্ষার্থীপ্রতি ৩৫ টাকা, মূল সনদ বাবদ শিক্ষার্থীপ্রতি ১০০ টাকা, বয়েজ স্কাউট ও গার্লস গাইড ফি বাবদ ১৫ টাকা এবং জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ফি বাবদ পরীক্ষার্থী প্রতি ৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থী প্রতি ১০০ টাকা অনিয়মিত ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থীদের তালিকাভুক্তি ফি ১০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে মার্চপাস্ট ও র‍্যালীর আয়োজন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

করোনার কারণে মার্চ-২০২০ মাস থেকে অদ্যাবধি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে শুধুমাত্র কিছু মাদ্রাসা বাদে এবং প্রতিষ্ঠানগুলি বন্ধের একটি বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেছে।

মার্চ-২০২১ এর ৩০ তারিখে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার জন্য একটি রোডম্যাপ তৈরি করা হলেও গত কিছুদিন যাবত করোনা আক্রান্ত ও মৃতের হার বেড়ে যাওয়ায় এ এবং ও লেভেলের পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে অনেকটাই সংশয় দেখা দিয়েছে।

গতকাল ১৮ মার্চ-২০২১ রোজ বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক ( মাধ্যমিক) প্রফেসার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে উল্লেখ করেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেণীকক্ষে সরাসরি পাঠদান কার্যক্রম কোভিট-১৯ পরিস্থিতির কারণে বন্ধ আছে।

শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে মার্চপাস্ট ও র‍্যালীর আয়োজন বন্ধ রাখা নির্দেশ

 

 

কিন্তু ইতিমধ্যে কিছু কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে মার্চপাস্ট ও র‍্যালীর আয়োজন করছে যা এই মূহুর্তে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পূর্বের ধারাবাহিকতায় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকির দিক চিন্তা করে শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ে এমন কোন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানান।

সকল জল্পনা কল্পনার আবসান ঘটিয়ে ৩০ মার্চ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত

 স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

আগামী ৩০ মার্চ-২০২১ রোজ মঙ্গলবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পূর্বে ১.শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় শিক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক- কর্মচারীদের টীকা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা,২.শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংস্কার ও মেরামতের প্রয়োজন হলে ৩০ মার্চের পূর্বেই শেষ করা। এবিষয়ে শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তর, স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে গণপূর্ত অধিদফতর সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহ সংস্কার ও মেরামতের ব্যবস্থা করা। ৩. মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা/ সহকারীগণ পর্যায়ক্রমে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করবেন এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে চলার বিষয়টি মনিটরিং করা ও ৪. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পর এসএসসি শিক্ষার্থীদের ৬০ কর্মদিবস ও এইচএসসি শিক্ষার্থীদের ৮০ কর্মদিবস পাঠদানের পর সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে মূল্যায়ন/ পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। উল্লেখিত সিদ্ধান্ত সমূহ বাস্তবায়নের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় গুলিকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করেন।

You May Also Like