ঠাকুরগাঁওয়ে সেচ্ছাসেবকলীগ ট্রাফিক পুলিশকে ফেস শিল্ড ও মাস্ক উপহার দিয়েছে

করোনা সংক্রমণ রোধে ঠাকুরগাঁও ট্রাফিক পুলিশকে ফেস শিল্ড ও মাস্ক সুরক্ষা সামগ্রী দিয়েছে ঠাকুরগাঁও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ। ১১ জুলাই রবিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নাজমুল হুদা শাহ এ্যাপোলো জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মুক্তা,সদস্য রনি, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিঠুন.টুটুল সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ সহ উপস্থিত হয়ে ঠাকুরগাঁও পুরাতন বাসস্ট্যান্ড ও চৌরাস্তায় কর্মরত ট্রাফিক পুলিশকে নিজ হাতে ফেস শিল্ড ও মাস্ক পরিয়ে দেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা এ্যাপোলো।

ঠাকুরগাঁওয়ে সেচ্ছাসেবকলীগ ট্রাফিক পুলিশকে ফেস শিল্ড ও মাস্ক উপহার দিয়েছে

এ সময় ঠাকুইগাও জেলা ট্রাফিক পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ঠাকুরগাঁও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নাজমুল হুদা শাহ এ্যাপোলো বলেন,রোদ বৃষ্টির মধ্যে করোনা যোদ্ধা ট্রাফিক পুলিশ তারা নিজেদের কথা চিন্তা না করে সার্বক্ষণিক জনসাধারণকে করোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষার ও যানজট মুক্ত শহরের উদ্দেশ্যে কাজ করে যাচ্ছে।ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা ভেবে তাদের সবার জন্য আমার নিজ অর্থায়নে সামান্য কিছু ফেজ শিল্ড ও মাস্ক বিতরণ করেন পুলিশের ভালো কাজে উৎসাহ ও সাহস প্রদান করা আমাদের দায়িত্ব।

ঠাকুরগাঁও ট্রাফিক পুলিশের টিআই মাসুদ বলেন, পুলিশের পাশাপাশি ঠাকুরগাঁওয়ের রাজনৈতিক ব্যক্তিরাও করোনা সংক্রমণ রোধে কাজ করে যাচ্ছে। ঠাকুরগাঁও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাধারণ মানুষকে সহযোগিতার পাশাপাশি প্রশাসনিক বিভিন্ন দপ্তরে তাদের সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করে উদাহারণ সৃষ্টি করছে।

এসব কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে আমরা নিজেরা সুরক্ষিত থেকে সাধারণ মানুষকে করোনা সংক্রমণ রোধ করা সম্ভব হবে।

//মাহাবুব আলম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

অবশেষে গ্রেফতারকৃত সাংবাদিককে জামিন দিয়েছে আদালত

 

যশোরে করোনায় মৃত্যু ও সনাক্ত গত কয়েকদিনের চেয়ে নিম্নমুখী

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের আঘাতে সীমান্তবর্তী যশোর জেলার বিভিন্ন উপজেলা অনেকাংশেই বিপর্যস্ত। কিন্তু দীর্ঘদিনের লকডাউন ও স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য হয়তো আজকের করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু গত কয়েকদিনের থেকে কিছুটা কম।করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর মিছিল কমাতে যেসব বাড়িতে জ্বর, সর্দি,কাশি ও শ্বাস কষ্টের রোগী আছে তাদের সকলের গণহারে করোনা টেষ্ট করে, করোনা আক্রান্ত ও সাধারণ ঋতু পরিবর্তন জনিত কারণে অসুস্থ রোগীদের পৃথক করে ফেলা এবং বাড়িতেই আইসোলেশনে রাখা দরকার।

আর ক্ষেত্র বিশেষে প্রয়োজন হলে হাসপাতালে ভর্তি করা।তাহলে সঠিক করোনা রোগীরা হাসপাতালে ভর্তি সুযোগ পাবেন এবং হাসপাতালে রোগীর চাপ কমবে ও ডাক্তার, নার্সরা রোগীদের পর্যাপ্ত সেবা দিতে পারবেন। আজ ১১ জুলাই -২০২১ রোজ রবিবার যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ও সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় ৬ জন ও ১ জন করোনার উপসর্গসহ মোট ৭ জন মৃত্যু বরণ করেছেন।

তথ্য বিশ্লষণে দেখা যায় গত ১ সপ্তাহ যাবত গড় মৃত্যু ছিল ১২ জনের অধিক।সে হিসাবে গত ২ দিন করোনা ও উপসর্গে মৃত্যু কিছুটা নিম্নমুখী। গত ২৪ ঘন্টায় যশোর জেলার বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে ৫৪০ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৩৯ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিলক্ষিত হয়েছে। শতাংশের হার ২৫.৭৪ শতাংশ যা গত কয়েকদিনের চেয়ে বেশ কিছুটা নিম্নমুখী। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ২৪৯ জন যা করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটের শয্যা সংখ্যার কয়েকগুণ বেশি। এ পর্যন্ত যশোর জেলায় করোনা সনাক্ত হয়েছে ১৫ হাজার ৩০০ জন।

সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯ হাজার ১৬৭ জন।করোনা পজেটিভ রোগী মৃত্যু বরণ করেছেন ২১৮ জন। গত ২৪ ঘন্টায় যশোর জেলার বিভিন্ন উপজেলা অনুযায়ী করোনা সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা – যশোর সদরে ৭৪ জন, অভয়নগরে ২০ জন, ঝিকরগাছায় ১৪ জন, মনিরামপুরে ১০ জন, বাঘারপাড়ায় ৮ জন,চৌগাছায় ৬ জন, কেশবপুরে ৫ ও শার্শায় ২ জনসহ মোট ১৩৯ জন।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র যখন ভ্যানচালক! করোনা পরিক্রমা

বাগেরহাট।। করোনায় মৃত্যু ৩, আক্রান্ত ১৪৪

ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র যখন ভ্যানচালক! করোনা পরিক্রমা

রাকিব ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া ছাত্র। তিন ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট সে। করোনাকালে কঠোর লকডাউনেও ব্যাটারিচালিত অটোভ্যান নিয়ে রাস্তায় নেমেছে। পরিবার ও নিজের হাত খরচের জন্য সামান্য আর্থিক চাহিদা পূরণ করতে সে অটোভ্যানের হান্ডেল হাতে তুলে নিয়েছে।

করোনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় পরিবারকে সহযোগিতা করছে ওই কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থী। তার কাছে প্রশ্ন ছিল কেন তুমি অটো চালাচ্ছো, সহজ-সরল উত্তর- স্কুল বন্ধ, তাই আব্বুকে বলে অটোভ্যানটি নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছি। রাকিব টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার পৌর শহরের শিয়ালকোল এলাকার লবণ ব্যবসায়ী হাকিমের ছেলে। সে তার পাশের এলাকার ভারই দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র।

রাকিব বলে, করোনায় স্কুল বন্ধ। কী করব, পড়াশোনাও নেই। আমার বন্ধুরা মোবাইলে অনলাইন ক্লাস করে। কিন্তু আমার ফোন না থাকায় ক্লাস করতে পারি না। মাঝে মাঝে সহপাঠীদের ফোনে ক্লাস করি। করোনার কারণে সহপাঠীদের বাড়িতে যাওয়া যায় না। করোনাকালে অনেক শিক্ষার্থী অলস সময় পার করলেও কেন অটোভ্যান নিয়ে রাস্তায় বের হতে হয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে রাকিব বলে, কয়েক মাস আগে আব্বুকে বলেছিলাম একটা স্মার্ট মোবাইল ফোন কিনে দেয়ার জন্য।

আব্বুর কাছে টাকা না থাকায় তার অটোভ্যান নিয়ে রাস্তায় বের হয়েছি। এছাড়াও সংসার খরচে কিছু টাকা দিয়ে বাকি টাকা জমিয়ে একটা মোবাইল ফোন কিনে অনলাইন ক্লাস করব।

এদিকে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে অহরহ খোঁজ মেলে এমন শিশুর। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এভাবে চলতে থাকলে কয়েক বছরের মধ্যে শিশু শ্রম বাড়ার পাশাপাশি স্কুল থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে। স্থানীয় অটো-ভ্যান চালকদের কাছ থেকে জানা যায়, প্রত্যেক শিশু প্রথমে অটো-ভ্যান খেলার হাতেখড়ি হয় তাদের।

আমাদের মতো নিম্ন আয়ের সন্তানরা বেশি ভাগ সংসারের আর্থিক সংকট দূর করতে নিরুপায় হয়ে এমন কাজে করাতে বাধ্য করতে হয়। অটো-ভ্যান চালকরা আরও বলেন- তারপর এ সময়টা করোনাকালীন সময়। ওরা ঘরবন্ধি। দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকায় পড়াশোনার প্রতি তাদের কোন আগ্রহ নেই। এতে করে শিক্ষার্থী আরও অকালে ঝড়ে পড়ছে। অনলাইন ক্লাসের নামে ক্ষুদে ছাত্ররা মোবাইলে নানা ধরণের গেমসে আসক্ত হচ্ছেন। এছাড়া এমন অনেক হতদরিদ্র পরিবার আছে, যেখানে শিশু শিক্ষার্থীরা সংসারের খরচ চালাতে ভাড়ায় ভ্যানগাড়ি চালিয়ে বা অন্যান্য কাজকর্ম করে সংসারের হাল ধরে থাকে।

শুধু রাকিব নয়, তার মতো নিম্ন আয়ের পরিবারের শিক্ষার্থীরা করোনাকালে পড়াশোনা থেকে দূরে গিয়ে পরিবারের অর্থের যোগান দিচ্ছেন নানা ধরণের কাজ করে। উপজেলার পৌর শহর, গোবিন্দাসী বাজার, মাটিকাটা, নিকরাইল, সিরাজকান্দি বাজার, পাথাইলকান্দি (যমুনা) সেতু বাজারসহ বিভিন্ন ছোট-বড় হাটবাজার ঘুরে দেখা যায় রাস্তায় অহরহ কম বয়সের শিশুরা ব্যাটারিচালিত ভ্যানগাড়ি চালিয়ে যাচ্ছে, বেশি গতিতে গাড়ি চালিয়ে ওভারটেক করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হতে দেখা গেছে শিশু চালক-যাত্রীদের।

অনেক অভিভাবক আজকাল নিজেই ভ্যানগাড়ির চাবি তুলে দিচ্ছেন তার সন্তানদের হাতে। উপজেলার ভারই দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালেেয় প্রধান শিক্ষক কামরুল হাসান বলেন, করোনায় স্কুল বন্ধ থাকায় শিশুরা এখন বাডীতে অলস সময় পার করছে। আমার প্রতিষ্ঠানটি প্রান্তিক এলাকায় হওয়ায় বেশীর ভাগ শিশুই হতদরিদ্র পরিবার থেকে এসেছে। রাস্তা-ঘাটে আমার স্কুলের অনেক শিক্ষার্থীকেই দেখি ব্যাটারিচালিত ভ্যান গাড়িতে যাত্রী কিংবা মালামাল পরিবহন করছে।

অভিবাভকেরা যদি সচেতন না হন, তবে কিছুদিন পর এই শিক্ষার্থীরা আর স্কুলে আসবে না। আমার মনে হয়, শিশুদের এ ধরণের ঝুঁকিপূর্ণ কাজের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শাহিনুল ইসলাম জানান- বিষয়টি দুঃখজনক, করোনাকালে স্কুল বন্ধ থাকার কারণে ও পারিবারিক অসচ্ছলতায় অনেক শিশুকেই আজকাল এ ধরণের ব্যাটারি চালিত অটোভ্যান যানবাহনগুলো চালাতে দেখা যাচ্ছে।

এগুলো তো আমরা বন্ধ করতে পারি না। তবে, যেসব নিম্নবিত্ত শিক্ষার্থী অনলাইন ক্লাস থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তাদের তালিকা হচ্ছে।

//মোঃ আল-আমিন শেখ, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বাগেরহাট।। করোনায় মৃত্যু ৩, আক্রান্ত ১৪৪

 

 

বাগেরহাট।। করোনায় মৃত্যু ৩, আক্রান্ত ১৪৪

আজ রবিবার বাগেরহাটে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনা আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় সরকারি হিসেবে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ১০০ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৪৫১ জনের নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে ১৪৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। জেলায় করোনা সংক্রামণ হার এখন ৩১ দশমিক ৯২ শতাংশ। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জেলায় নতুন করে করেনা আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছে, সদর উপজেলায় ৪৫ জন, ফকিরহাটে ৩২ জন, মোল্লাহাটে ২৭ জন, শরণখোলায় ১৬ জন, মোংলায় ৯ জন, মোরেলগঞ্জে ৭ জন, চিতলমারীতে ৮ জন ও রামপাল উপজেলায় ৪ জন। এরমধ্যে বাগেরহাট সদর, ফকিরহাট ও মোল্লাহাট উপজেলায় শনাক্তের হার ৩৬. ৯৮ শতাংশ থেকে ৪০. ৫৪ শতাংশের মধ্যে।

বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবির জানান, ‘বাগেরহাট করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে আজ রবিবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনা আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজন ও উপসর্গ নিয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪ হাজার ৫৬৫ জন। একদিনে সুস্থ হয়েছে ২১৪ জনসহ মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ২৫১ জন। বর্তমানে বাগেরহাটে ৭০ শয্যাবিশিষ্ট করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ৫৪ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

সরকারি অফিসের কার্যক্রম ভার্চুয়ালি পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে

 

 

সরকারি অফিসের কার্যক্রম ভার্চুয়ালি পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে

//অনলাইন নিউজ ডেস্ক//

কোভিড-১৯ সংক্রমণ বিস্তার রোধে বিধিনিষেধ আরোপকালীন সময়ে সরকারি অফিসের সব কার্যক্রম ভার্চুয়ালি পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ রবিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব মো. রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বর্তমানে চলমান লকডাউনে জরুরি অফিস ও সেবা কার্যক্রম চালু রয়েছে। বন্ধ রয়েছে সকল সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও  বেসরকারি অফিসসমূহ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি অফিসের দাফতরিক কাজসমূহ ভার্চুয়ালি (ই-নথি, ই টেন্ডারিং, ইমেইল, এসএমএসসহ অন্যান্য মাধ্যম) সম্পন্ন করতে হবে।

 

স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিনামূল্যে করোনার টিকা নিবন্ধন উদ্বোধনে এ্যাপোলো

ঠাকুরগাঁও সদর উপজলোর গড়েয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিনামূল্যে করোনার দ্বিতীয় টিকার বিনামূল্যে নিবন্ধন কার্যক্রমের (১০জুলাই শনিবার) গড়েয়া ধান হাটিতে উদ্বোধন করেন জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি নাজমুল হুদা শাহ্ এ্যাপোলো।

জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আয়োজনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক শরিফ আহম্মদে শাহ এর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, প্রধান অতিথি জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ও গড়েয়া এসসি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নাজমুল হুদা শাহ্ এ্যাপোলো।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন,সহ সভাপতি শাহ নেওয়াজ কাদির শাকিল চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক কুরবান আলী সরকার, গ্রন্থও প্রকাশনা সম্পাদক রেজাউল করিম কিরণ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মোজাহেদুর রহমান শুভ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াফু তপু, সাংগঠনিক সম্পাদক মিঠুন রানা, হড়েয়া হাট জামে মসজিদের সভাপতি আলহাজ্ব মজিবর রহমান মাষ্টার প্রমুখ।

এ সময় আ’লীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী ও স্থানীয় গন্যমান্য বক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। নাজমুল হুদা শাহ্ এ্যাপোলো বলেন, করোনা ভাইরাস আমাদের প্রিয়জনদের অকালে জীবন কেড়ে নিচ্ছে। সারা বিশ্বে লক্ষ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছেন। স্কুল, কলেজ, কল কারখানা, ব্যাবসা,শিক্ষা,প্রতিষ্ঠান, লকডাউনের কারনে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। মানুষ আজ ঠিক মত চলাফেরা করতে পারছে না।

এই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে হলে করোনা ভাইরাসের টিকার বিকল্প নাই। এই টিকা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে দেশ ও জাতিকে করোনা মুক্ত করতে সহায়ক হবে। সকলকে টিকা নিতে হবে। নিবন্ধন করা খুব সহজ কাজ। হাসপাতালে এর বিরুদ্ধে লড়াই করছেন চিকিৎসকগণ।

আর বাহিরে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করছে পুলিশসহ বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান। তাই বিনামুল্যে এ টিকা নিবন্ধন কার্যক্রম চলমান থাকবে এবং আপনারা সেবা গ্রহন করবেন।

// মাহাবুব আলম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

পাবনায় জোয়ার আসর থেকে ৬ জোয়াড়ী গ্রেফতার

 

কিছুতেই লাগাম টানা যাচ্ছেনা করোনায় মৃত্যুর: আজ মৃত্যু ২১২

 

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২১২ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা এক দিনে সর্বোচ্চ রেকর্ড মৃত্যু।  এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত মোট ১৬ হাজার ৪ জনের মৃত্যু হলো।

আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।আগের দিন বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) ১৯৯ জনের মৃত্যু হয়। আর বুধবার মারা যান ২০১ জন।এর আগে গত সোমবার (৫ জুলাই) ১৬৪ জন ও তার পরদিন মঙ্গলবার ১৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে একদিনে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৩২৪ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ৫৪৩ জনে। আগের দিন বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) শনাক্ত ছিল ১১ হাজার ৬৫১ জন, যা এক দিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত। এর আগে ৬ জুলাই ১১ হাজার ৫২৫ জনের শরীরে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছিল।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৯ হাজার ২০৯ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আর পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৬ হাজার ৫৮৬টি। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ৩০ দশমিক ৯৫ শতাংশ। দেশে এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৬৯ লাখ ৩ হাজার ২৬৮টি। মোট পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ৩৮ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ৮ লাখ ৬২ জন ৩৮৪ জন করোনা রোগী সুস্থ হলেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২১২ জনের মধ্যে ঢাকার ৫৩ জন, খুলনায় ৭৯, চট্টগ্রামে ২৬, রাজশাহীতে ২৩, বরিশালে ৫, সিলেটে ৬, রংপুরে ১২ এবং ময়মনসিংহে ৮ জন মারা গেছেন।

উল্লেখ্য, গত ১ জুলাই থেকে দেশে প্রতি ২৪ ঘণ্টায় ১৩০ জনের বেশি মানুষের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে এই মহামারি করোনা।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

গজারিয়ায় অসহায়দের মাঝে সেনা বাহিনীর ত্রাণ বিতরণ

 

বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেলে সাধারণ রোগীদের আসতে নিষেধাজ্ঞা

//পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল//

করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় বরিশাল বিভাগের জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সাধারণ রোগীদের শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক বাসুদেব কুমার দাস।

তিনি জানান, সারা দেশের সঙ্গে বরিশাল নগরীতেও আক্রান্ত বাড়ছে। সবদিক বিবেচনায় সাধারণ রোগী যাদের চিকিৎসা জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে সম্ভব, তাদের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আসতে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। বাসুদেব কুমার দাস আরও বলেন, ‘শেবাচিম হাসপাতালের আন্ত:বিভাগে দেড় থেকে দুই হাজার রোগী ভর্তি থাকেন।

এছাড়া বর্হিবিভাগে রোগীর সংখ্যা এমনিতেই অনেক। এর মধ্যে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় এই রোগীদের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকেরা।’ ইতোমধ্যে বিভাগের সকল জেলা সিভিল সার্জন, সকল জেলা ও উপজেলা হাসপাতাল এবং উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

খুলনায় অনিয়ন্ত্রিত করোনা ।। অসচেতন জনগন।। ১দিনে মৃত্যু ৭১

খুলনা বিভাগে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে করোনা, এই ভাইরাসের প্রকোপে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে গত ২৪ ঘণ্টায় ওই বিভাগে সর্বোচ্চ ৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নতুন সংক্রমিত শনাক্ত হয়েছে ১৬৫৬ জন।

শুক্রবার বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক রাশেদা সুলতানা গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্বাস্থ্য পরিচালকের দফতর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে খুলনা জেলায়। বাকিদের মধ্যে কুষ্টিয়ায় ১৪ জন, যশোরে ৯ জন, ঝিনাইদহে ১০ জন, চুয়াডাঙ্গায় ছয়জন, মেহেরপুরে পাঁচজন, বাগেরহাটে দু’জন, নড়াইল ও মাগুরায় একজন করে মারা গেছে।

খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায় গত বছরের ১৯ মার্চ। করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ৬৯ হাজার ১৮৭ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে এক হাজার ৪৮৭ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৪৪ হাজার ৭২৭ জন।

//অনলাইন নিউজ ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

নারায়নগঞ্জ কারখানায় আগুণ: এ পর‌্যন্ত ৫০ জনের পোড়া দেহ বের করেছে

 

করোনাভাইরাস ধ্বংস করার স্প্রে আবিস্কার করলেন সাদিয়া

করোনাভাইরাস ধ্বংস করার স্প্রে আবিস্কার । মহামারি  করোনাভাইরাস প্রতিরোধে নতুন একটি জীবাণুনাশক স্প্রে আবিষ্কার করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তরুণ ব্রিটিশ বিজ্ঞানী সাদিয়া খানম। ২৬ বছর বয়সী সাদিয়া দেড় বছর ধরে গবেষণার পর ভলটিক নামের এই জীবাণুনাশক তৈরি করেছেন, যা যে কোনো বস্তুর সারফেসে স্প্রে করা হলে সেটি দুই সপ্তাহের জন্য জীবাণুমুক্ত থাকবে।

করোনা মহামারি মোকাবিলায় এই উদ্ভাবনকে বড় ধরনের আবিষ্কার হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে এবং ব্রিটেনের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থা এনএইচএসসহ বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর এটিকে অনুমোদন দিয়েছে।

করোনাভাইরাস ধ্বংস করার স্প্রে আবিস্কার করলেন সাদিয়া

যুক্তরাজ্যে করোনার প্রকোপ দেখা দেওয়ার পর সাদিয়া তার পিএইচডি গবেষণা স্থগিত রেখে উত্তর-পশ্চিম ইংল্যান্ডের চেশায়ারে তার বাবার রেস্তোরাঁয় এই ভাইরাসটি নিয়ে প্রাথমিক গবেষণা শুরু করেন। গবেষণায় এই ভাইরাসটিকে ধ্বংস করার জন্য তিনি নানা রকমের সমীকরণের সন্ধান করতে থাকেন। একপর্যায়ে এরকম একটি কার্যকরী ইকুয়েশন উদ্ভাবন করতে সক্ষম হন তিনি। সাদিয়া এর নাম দিয়েছেন ভলটিক যা সংক্রামক রোগজীবাণু নাশের একটি প্রক্রিয়া এবং এটি উচ্চমানের সুরক্ষা দিয়ে থাকে। বিশেষ একটি মেশিন দিয়ে এই তরল স্প্রে করতে হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটির নাম ভলটিক।

বিবিসি বাংলাকে এ সম্পর্কে সাদিয়া খানম বলেন, ‘এই জীবাণুনাশ প্রক্রিয়ার একটি অংশ হচ্ছে- কোনো জীবাণু যদি কোনো কিছুর সংস্পর্শে আসে তখনই সেই জীবাণু ধ্বংস করে ফেলা। অর্থাৎ কোনো কিছুর পৃষ্ঠ বা সারফেসের ওপর যদি কোনো ভাইরাস থাকে, এর সাহায্যে তাকে সঙ্গে সঙ্গে মেরে ফেলা যায়।’

সাদিয়া খানম স্যালফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বায়োমেডিকেল সায়েন্স এবং চেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে জিনোমিক মেডিসিন বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

মাগুরা-২ আসনের এমপি ড. শ্রী বীরেন শিকদার করোনা আক্রান্ত