যশোরে করোনা ও উপসর্গে আজও ঝরে গেল ৫ জনের জীবন

 

অদৃশ্য ভাইরাস করোনার ঢেউয়ের আঘাতে সীমান্তবর্তী যশোর জেলায় মৃত্যুর মিছিল কিছুতেই থামছে না। কিন্তু গত কয়েকদিনের তথ্য বিশ্লষণে দেখা যায় করোনায় সংক্রমণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। দীর্ঘদিন লকডাউনের ফসল কেবল ঘরে উঠতে শুরু হয়েছে। যশোরে করোনা ও উপসর্গে আক্রান্ত অনেকটাই বেশি।

কিন্তু ঠিক তার পূর্ব মুহূর্তে হঠাৎ করে বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ইদকে সামনে রেখে লকডাউন শিথিল করায় করোনার সংক্রমণ ও মৃতের সংখ্যা যে আবার বেড়ে যাবে তাতে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই। আজ১৭ জুলাই -২০২১ রোজ শনিবার যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ও সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় করোনা ও করোনার উপসর্গ নিয়ে মোট ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

যাদের মধ্যে ৪ জন করোনায় আক্রান্ত ও ১ জন করোনার উপসর্গ যুক্ত রোগী ছিলেন। গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় ৯৩৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিলক্ষিত হয়েছে ২৩৪ জনের শরীরে। শনাক্তের হার ২৫.০৫ শতাংশ যা গত কয়েকদিনের মধ্যে সর্বনিম্ন। যশোর জেলায় অদ্যাবধি করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে ১৬ হাজার ৭৩৫ জন।সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯ হাজার ৭৮২ জন।এ পর্যন্ত মৃত বরণ করেছেন ২৫৩ জন।

গত ২৪ ঘন্টায় সনাক্ত ২৩৪ জনের মধ্যে যশোর সদর উপজেলায় ১৩৩ জন, ঝিকরগাছায় ২৮ জন, চৌগাছায় ১৮ জন, অভয়নগরে ১৬ জন, মনিরামপুরে ১৪ জন, শার্শায় ১১ জন, কেশবপুরে ৭ জন ও বাঘারপাড়ায় ৭ জন রয়েছে।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

কুমিল্লায় ১৩ কেজি গাঁজাসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

Realme Phone Your Choice…

কালিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার দিলেন এমপি কবিরুল হক মুক্তি

 //মোঃ খাইরুল ইসলাম, নড়াইল//
করোনাকালীন সংকট মোকাবেলায় নড়াইল-১ আসনের সাংসদ কবিরুল হক মুক্তির পক্ষ থেকে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার সেট হস্তান্তর করলেন কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আরিফুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (১৫জুলাই) সকাল ১১টায় কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্তরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ কাজল মল্লিক এর হাতে এ অক্সিজেন সিলিন্ডার সেটসহ তুলে দেয়া হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মাসুম বিল্লাহ, কালিয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ ইব্রাহীম শেখ, কালিয়া উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক খাঁন রবিউল ইসলাম, ছাত্রলীগ নেতা ইয়ামিন বিশ্বাস সহ দলীয় অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

করোনার স্বাধীনতা।। ৮ দিনের জন্য করোনাকে সংক্রমনে স্বাধীনতা

করোনার স্বাধীনতা।।

করোনার উচ্চ সংক্রমণ হার ও দৈনিক দুই শতাধিক মৃত্যুর মধ্যেই বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) থেকে করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত সকল বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে এবং ২৩ জুলাই ভোর ছয়টা থেকে পুনরায় কঠোর লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে। স্বাভাবিক করে দেওয়া হচ্ছে জনজীবন।

এই প্রজ্ঞাপনকে দুষ্টু লোকেরা, ‘করোনা`র সাথে সংক্রমণ বিরতি চুক্তি’ বলে অভিহিত করছে। অর্থাৎ এই আটদিন মানুষ কোন বিধিনিষেধ এর আওতায় থাকবে না, করোনাও কোন সংক্রমণ করবে না।

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এটা মানছেন সরকারও। সরকার মনে করছে যদি মানুষ স্বাস্থ্যবিধি না মানে, যদি মাস্ক পরিধান না করে তাহলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

বিষেশজ্ঞদের মতে, সবকিছু খুলে দেওয়ার ফলে করোনার উচ্চ সংক্রমণের মধ্যেই মানুষজন ঘর থেকে বের হবে, ঈদের কেনাকাটা করার জন্য শপিংমল, মার্কেট , কাঁচাবাজারে যাবে, কোরবানির পশু কেনার জন্য গরু হাটে যাবে, এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করবে ইত্যাদি নানা রকম প্রবণতা এবং মেলামেশাগুলো বাড়বে।

এর ফলে বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের যে সামাজিক সংক্রমণ তা বহুগুণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমনি পরিস্থিতিতে করোনা সংক্রমণ ঠেকানোর একটি জনপ্রিয় ও কার্যকর ব্যবস্থা হচ্ছে মাস্ক ব্যবহার। ভাইরাস সংক্রমণ রোধে একটি দারুণ প্রতীকী ছবি হচ্ছে মাস্ক বা মুখোশ পরা কোন মানুষের মুখচ্ছবি। তবে হাত থেকে মুখে সংক্রমণ ঠেকাতে এই মাস্ক ব্যবহার করে সুফল পাওয়ার নজির আছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিধিনিষেধ থাকুক বা না থাকুক, করোনায় স্বাস্থ্যবিধি মানার কোন বিকল্প নেই। করোনা সংক্রমণ রোধে সবচেয়ে বড় যে বিষয়টির উপর জোর দেওয়া হচ্ছে তা হলো- অবশ্যই যেন মানুষ মাস্ক পরিধান করে। অপর একজন বিশেষজ্ঞ বলেছেন যে, মাস্কই করোনার সংক্রমণ অর্ধেক কমাতে পারে। আর এজন্যই ঘর থেকে বের হতে মাস্ক পরিধান করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সম্প্রতি খুলনা অঞ্চলের মানুষের মাঝে করোনা সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। খুলনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. আব্দুল আহাদ বলেছেন, গ্রামের মানুষজন মাস্ক পরে না, আবার স্বাস্থ্যবিধি মেনেও চলে না। যে কারণে অল্প সময়ের মধ্যে এই মানুষগুলো আক্রান্ত হয়ে গেছে`।

গত ৯ জুলাই (শুক্রবার) রাজধানীর একটি মসজিদে জুমার নামাজের খুতবার পূর্বে বয়ানের সময় খতিব সাহেব করোনা সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্যবিধির গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করছিলেন। মাস্কবিহীন মসজিদে প্রবেশ করা যাবে না। নাক-মুখ ঢেকে যথাযথভাবে মাস্ক ব্যবহার করে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। মসজিদে প্রবেশ ও বাহির হওয়ার সময় ভীড় এড়িয়ে চলতে হবে ইত্যাদি।

কিন্তু কে শোনে কার কথা। মাস্কবিহীন প্রবেশকারী একজন মুসল্লীকে মাস্ক ব্যবহার করতে বলা হলে, তিনি তেড়ে উঠেন। মিম্বর থেকে খতিব সাহেব অনুরোধ করা সত্ত্বেও কতিপয় মুসল্লী যথাযথভাবে মাস্ক পরিধান করলেন না।

গত ৮ জুলাই (বৃহস্পতিবার) দুপুরে রাজধানীতে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি কর্তৃক দুস্থদের মাঝে খাবার ও নগদ অর্থ বিতরণ অনুষ্ঠানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন- ‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক না পরলে ফেরেশতারা এসে করোনা থেকে বাঁচাবে না।’

পবিত্র কোরআনের সূরা আনফাল এর ২৫ নং আয়াতে বর্নিত আছে, “তোমরা এমন ফেতনা-ফ্যাসাদ থেকে নিজেদের রক্ষা করো, যার অশুভ পরিনতি শুধু জালেমদের উপরই পড়বে না (তোমাদের উপরও পড়বে)। আল্লাহ শাস্তিদানেও কঠিন”।

যেমন- বন্যায় মসজিদ ডুবে যায়, আগুনে ধর্ম গ্রন্থের পাতাও পুড়ে যায়, তদ্রুপ সুনামী, ভূমিকম্প, মহামারী ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগে নিরপরাধ মানুষও মারা যায়, ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন,”যদি তোমরা শোন যে কোন এলাকায় মহামারী চলছে তবে সেখানে প্রবেশ করবে না। তোমরা যেখানে আছো সেখানে মহামারী দেখা দেয় তাহলে সেখান থেকে বের হবে না” (সহীহ আল বুখারী, হাদিস নং ৫২২৮: মুসনাদে আহমদ, হাদিস নং ২১৮১১)।

অর্থাৎ মহামারী কালে বিনা প্রয়োজনে সংক্রমিত এলাকায় যাওয়া বারণ, বাড়ির বাহিরে না যাওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। অর্থ্যাৎ লকডাউনের মত বিধান রাখা হয়েছে।

উল্লিখিত বর্ননাসমূহে প্রতিয়মান হচ্ছে যে, চলমান মহামারীকালে করোনা সংক্রমণ রোধে আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শ রোধ ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার দায়বদ্ধতা রয়েছে। তাই ঘরের বাইরে যেতে যথাযথভাবে মাস্ক ব্যবহার করা খুবই জরুরি।

খুলনায় স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি বিধায় করোনা সংক্রমণ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। ঢাকা মহানগরে ট্রাফিকের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে বিধিনিষেধ না মানার প্রবনতা রয়েছে। আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে যথেষ্ট পরিশ্রম করছেন। কিন্তু রাস্তায় গণপরিবহন ছাড়া সকল প্রকার যানবাহন চলাচল ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

একদিকে মসজিদে খতিব সাহেব বয়ান করা সত্ত্বেও মাস্ক পরিধানে অনিহা, অন্যদিকে- উপায়ান্তর না দেখে পুলিশের কর্তাব্যক্তিরা বলছেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক না পরলে ফেরেশতারা এসে করোনা থেকে বাঁচাবে না’। এগুলো আমাদের জন্য ভালো লক্ষণ নয়।

বঙ্গবন্ধুর অঙ্গুলি নির্দেশে বাঙালি জাতি অসহযোগ আন্দোলন ও স্বাধীনতাযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পরে ৩০ লক্ষ মানুষ শাহাদাতবরণ করেছিল। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন করে গণতন্ত্রের বিজয় এনেছিল। অথচ করোনা সংক্রমণ রোধে সরকারের ঘোষিত বিধিনিষেধ পালনে সেই বাঙালি জাতির অনিহা কেন? ।

সরকারের ঘোষিত প্রজ্ঞাপনগুলির বিধিনিষেধের মধ্যে ছিল/রয়েছে অসামঞ্জস্যতা। করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে চলমান বিধিনিষেধ এর আওতায় কাঁচাবাজার, খাবারের দোকান, ব্যাংক, কলকারখানা, সচিবালয়ে, অফিসপাড়াসহ সবই খোলা রয়েছে।

কাঁচাবাজার খোলা রয়েছে, গনপরিবহন বন্ধ, নরসিংদীর একজন তরকারি চাষী দুই ঝুড়ি কাকরোল ঢাকার বাজারে বিক্রি করবে। আসবে কিভাবে? বগুড়ার কলা চাষী নিজ ক্ষেতে উৎপাদিত কলা নিয়ে বাজারে/ঢাকায় আসবে কিভাবে? বাধ্য হয়ে উৎপাদিত পণ্য কমমূল্যে বিক্রয় করবে। হয়তো উৎপাদন খরচই পাবে না। ব্যাংক, কলকারখানা, সচিবালয়ে, অফিসপাড়ার চাকুরীজীবী অফিসে যাবেন কিভাবে? গ্রাহক ব্যাংকে যাবে কিভাবে? যাদের নিজস্ব গাড়ি আছে তাদের কোন সমস্যা হবে না। বাকিরা? শতকরা কতভাগ লোকের নিজস্ব গাড়ি আছে?

কতভাগ লোক গণপরিবহনে অফিসে আসেন? বিষয়টি বিবেচনা করা জরুরি ছিল। গার্মেন্টস ও কলকারখানার শ্রমিকদের জন্য কোন পরিবহনের ব্যবস্থা আছে? তবে পরিবহন বন্ধ রেখে কিসের ভিত্তিতে কলকারখানা খোলা রাখা হয়েছে? দায়িত্ববোধ বা চাকুরী রক্ষা, বা জীবিকার তাগিদে, বা যে কারণেই হোক, কর্মজীবী বা শ্রমজীবী মানুষেরা কর্মস্থলে যাবে কিভাবে?

এরই মাঝে রাস্তায় হাঁটার সময় হঠাৎ কানে এলো, আজ বাড়ি ফিরমু কি নিয়া‘। মুখ ঘুরিয়ে দেখলাম একজন রিকশাচালক বিড়বিড় করছে। জিজ্ঞাসা করলাম, ‘কি হয়েছে‘? উত্তরে সে বললো, ‘স্যার বেলা বারোটা বাজে। মাত্র আশি টাকার খ্যাপ মারছি। বাজার টাহা পামু কৈ? পোলাপানের খাওয়ামু কি‘? দিনমজুর, রিকশাচালক, ফেরিওয়ালাসহ নিম্নআয়ের মানুষের দৈনন্দিন ব্যয় মিটবে কিভাবে? আর সে কারণেই বিধিনিষেধ ভাঙ্গতে বাধ্য হচ্ছে মানুষ।

কোভিড-১৯ এর বিস্তাররোধ এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে শুধুমাত্র বিধিনিষেধ আরোপ করেই সম্ভব নয়। জীবন-জীবিকা দুটোই বিবেচনায় রেখে প্রথমজ্ঞাপন জারি করতে হবে। সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে একযোগে কাজ করতে হবে। সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়ন করে দেশের মানুষকে সুস্থ রাখতে সরকারী দলের তৃণমূল পর্যায়ের প্রতিটি সদস্যের নিরলস কাজ করা প্রয়োজন।

প্রতিবেশী দেশ ভারত করোনা সংক্রমণে নাস্তানাবুদ অবস্থা থেকে শুধুমাত্র কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়নের মাধ্যমে করোনা সংক্রমণ অনেকটা নিয়ন্ত্রনের মধ্যে নিয়ে এসেছে। কলকাতার একটি মার্কেটে মাস্ক পরিধানে কঠোরতার ভিডিও ফুটেজটি ভাইরাল হয়েছিল। কলকাতার পুলিশ শপিং মল, রাজপথ, যেকোন স্থানে মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করতে লাঠিচার্জ, জরিমানা, গ্রেফতারের মত কঠোর কার্যক্রম পরিচালনা করেছিল।

বাংলাদেশেও একইভাবে মাস্ক পরিধান ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে পুলিশ বাহিনী সহ আইনশৃংখলা রক্ষাকারী সকল বাহিনীকে যথাযথ দায়িত্ব দিতে হবে। আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে আমাদের সকলকে আরও সহযোগিতা করা খুবই জরুরি।

মসজিদে মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে ইসলামী ফাউন্ডেশন থেকে মসজিদ পরিচালনা কমিটির প্রতি কঠোর নির্দেশ জারি করতে হবে। সরকারী-বেসরকারী অফিস, ব্যাংক, কলকারখানা, শপিংমল কাঁচাবাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্ব স্ব কর্তপক্ষ যথাযথ দায়িত্ব পালন করবে। তবেই করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রনে আসবে।

রাজধানীর একটি অনুষ্ঠানে পুলিশ মহাপরিদর্শক(আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেছেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের স্থায়ীত্ব নির্ভর করছে আমাদের প্রত্যেকের আচরণের ওপর। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হওয়া, প্রয়োজনে বাইরে বেরুতে হলে হলে অবশ্যই মাস্ক পরিধান করা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ইত্যাদি। করোনার এই মহাদুর্যোগে সকলেই সরকারকে সহযোগিতা না করলে সুফল পাওয়া যাবে না।

লেখক: ড. মোঃ আওলাদ হোসেন।

ভেটেরিনারীয়ান, পরিবেশবিজ্ঞানী, রাজনৈতিক কর্মী।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন।।

//অনলাইন ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা কবে হবে জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

লকডাউন শিথিল। ৮ দিনের জন্য।। ২৩ জুলাই থেকে ফের লকডাউন

১৪ দিন বাড়ানোর সুপারিশ।। জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি কোভিড-১৯

 

বর্তমানে চলমান কঠোর লকডাউন আরও ১৪ দিন বাড়ানোর সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।

লকডাউন শিথিল করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এ কমিটি। পাশাপাশি কুরবানি পশুর হাট বন্ধের প্রস্তাব করা হয়েছে।

গত সোমবার সন্ধ্যায় কমিটির সভায় এসব সুপারিশ করা হয়। তবে বুধবার রাত ১১টার দিকে গণমাধ্যমে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে গৃহীত সুপারিশের বিষয়ে জানানো হয়।

এর আগে মঙ্গলবার চলমান লকডাউন শিথিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সেই হিসাবে আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত শপিংমল খোলা থাকবে। চলবে গণপরিবহণ। ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত আবার কঠোর লকডাউন শুরু হবে।

জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভায় বলা হয়, সারাদেশে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। এমতাবস্থায় লকডাউন শিথিল করার সরকারি সিদ্ধান্তে কমিটি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে। জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি চলমান কঠোর লকডাউন আরও ১৪ দিন বাড়ানোর সুপারিশ করে।

লকডাউনের অংশ হিসেবে কমিটি কোরবানির হাট বন্ধ রাখার প্রস্তাব করে। প্রয়োজনে ডিজিটাল হাট পরিচালনার ব্যবস্থাও করা যেতে পারে। তবে সরকার লকডাউন শিথিল করে সীমিত পরিসরে কুরবানির হাট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিলে, সেক্ষেত্রে বেশকিছু সুপারিশ করা হয়।

সুপারিশগুলো সমূহ :

  • শহর এলাকায় কুরবানির পশুর হাট বসার অনুমতি না দেওয়া।
  • শারীরিক দূরত্ব এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে উন্মুক্ত স্থানে কুরবানির পশুর হাট বসানোর অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।
  • বয়স্ক ব্যক্তি (৫০ বছর বা তার বেশি) এবং অন্য কোনো রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির কুরবানির হাটে না যাওয়া।
  • হাটে প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য নির্দিষ্টভাবে আলাদা পথ রাখা।
  • বাজারে আসা সকলের জন্য মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা।
  • জনসাধারণকে ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে না গিয়ে, যে যেখানে আছেন সেখানে অবস্থান করার বিষয়ে উৎসাহিত করা।
  • জনসাধারণের অনলাইন কুরবানির হাটের সুবিধা গ্রহণে উৎসাহিত করা।
  • বাড়ির আঙিনায় কুরবানি না করে, সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে কুরবানির পশু জবাই করা।
  • ঈদুল ফিতরের নামাজের জামাত যেভাবে আয়োজন করা হয়েছিল, এবারও তেমনভাবে ঈদুল আজহার জামাত আয়োজন করা।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

শেখ সোহেলের সুস্থতা কামনায় তেরখাদায় ইউনিয়ন আ’লীগের দোয়া

 

 

যশোরে আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনা ও করোনা উপসর্গে

সারা বিশ্বের পাল্লা দিয়ে বাংলাদেশে করোনা আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা গত কয়েক সপ্তাহ যাবত বেড়েই চলছিল।সারাদেশের সাথে তাল মিলিয়ে সীমান্তবর্তী যশোর জেলায়ও করোনার সংক্রমণ ও মৃতের সংখ্যা সাইক্লোনের ন্যায় প্রচন্ড গতিবেগে হুহু করে বাড়ছিল। করোনা সংক্রমণের গতিপ্রকৃতি ও রূপ বার বার পরিবর্তনের ফলে করোনায় মৃতের সংখ্যা যেমন রোধ করা যাচ্ছিল না তেমনি সংক্রমণও রোধ করা সম্ভব হচ্ছিল না। যশোরে আরও ৯ জনের মৃত্যু।

আজ ১৪ জুলাই -২০২১ রোজ বুধবার যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ও সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দেখা যায়,গত ২৪ ঘন্টায় করোনা ও করোনার উপসর্গ নিয়ে যশোর জেনারেল হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে ৫ জন করোনা আক্রান্ত রোগী আর বাকি ৪ জন করোনা উপসর্গ যুক্ত রোগী। গত ২৪ ঘন্টায় জেলার ৮০৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২২৭ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিলক্ষিত হয়েছে। সনাক্তের হার ২৮.০৯ শতাংশ।

বর্তমানে যশোর জেনারেল হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে ভর্তি আছেন ২১৩ জন। আজ পর্যন্ত করোনার সংক্রমণ পরিলক্ষিত হয়েছে ১৬ হাজার ২০৩ জনের শরীরে। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯ হাজার ৫০০ জন।করোনা পজেটিভ রোগী মারা গেছেন ২৪৫ জন। আজকের সনাক্তের তথ্য অনুযায়ী যশোর জেলার সদর উপজেলায় ১১৩ জন,অভয়নগরে ৩৯ জন,ঝিকরগাছায় ২২ জন,চৌগাছায় ১৮ জন,মনিরামপুরে ১৪ জন,কেশবপুরে ৯ জন,বাঘারপাড়ায় ৭ জন ও শার্শায় ৫ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

সংক্রমণ জনিত রোগের এরকমই একটা ক্রান্তিকালে লকডাউন শিথিল করার ফলে আগামীতে করোনা ভাইরাসের মহামারী সমগ্র বাংলাদেশের গ্রামেগঞ্জে যে ছড়িয়ে পড়বে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।

// নিজস্ব প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাঁশখালী প্রেসক্লাবে দোয়া মাহফিল

 

করোনায় মারা গেলেন ইন্টারন্যাশনাল ষ্টান্ডার্ড ইউনিভার্সিটির মেধাবী লেকচারার ”মাহিয়া খানম পিংকি‘’

 

আজ ১৩জুলাই রাত ১০টায়  ঢাকা ল্যাব এইড হাসপাতালে করোনা চিকিৎসা কালীন অবস্থায় ইন্টারন্যাশনাল ষ্টান্ডার্ড ইউনিভার্সিটির মেধাবী লেকচারার মাহিয়া খানম পিংকি (২৪) মারা গেছেন। তিনি খুলনা কোর্টের এ্যাডভোকেট সেলিনা আক্তার পিয়া এর বড় মেয়ে পিংকি ।

খুলনা জেলা যুব মহিলা লীগের আহ্বায়ক  এ্যাড সেলিনা আক্তার পিয়ার বড়  মেয়ে পিংকির অকাল মৃত্যুতে খুলনা আইনজীবী সিমিতির সবাই গভীর ভাবে শোকাতহত। আল্লাহ তার বেহেস্ত নসীব করুন ।

মাহিয়া খানম পিংকি সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরন করেছেন বলে জানা গেছে।

 বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ, খুলনা তার অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করছে।

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনায় সেনা প্রধান দুঃস্থদের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করেন

চট্টগ্রামে করোনা।।  মৃত্যু ১০ জনের  : নতুন আক্রান্ত ৯৫৫

মহামারী করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে করোনায় আক্রান্তদের সাথে যুক্ত হয়েছেন আরো ৯৫৫ জন। এ নিয়ে চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যের সংখ্যা দাড়ালো ৭৯০ জনে। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬৬ হাজার ৭৮৪ জন। গতকাল (মঙ্গলবার) চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদন হতে এ তথ্য পাওয়া যায়।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন ল্যাবে ২ হাজার ৬৪৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হলে ৯৫৫ জনের দেহে নতুন করে করোনার অস্তিত্ব সনাক্ত হয়। তৎমধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ল্যাবে ১২৩ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৬৯ জন, বিআইটিআইডি ল্যাবে ৬৯৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২১০ জন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল ল্যাবে ৪০০ টি নমুনা পরীক্ষা করে ২১০ জন, সিভাসু ল্যাবে ২২৯ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৮২ জনের দেহে করোনার জীবাণু সনাক্ত হয়েছে।
তা ছাড়া এন্টিজেন টেস্টে ৬৫৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৩৬ জন, ইমপেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ১৫১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৬৮ জন, শেভরন হাসপাতাল ল্যাবে ১৯৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৪৪ জন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ৫২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩১ জন, জেনারেল হাসপাতালের আরটিআরএল ল্যাবে ৪২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৫ জন, ইপিক হেলথ কেয়ার ল্যাবে ১০২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৬০ জনের দেহের করোনা সনাক্ত হয়েছে। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ৬৩৬ জন মহানগরীর, ৩১৯ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা রয়েছেন।

উপজেলা ওয়ারী আক্রান্তে মধ্যে রয়েছেন রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় ২৮ জন, রাউজানে ৩৫ জন, ফটিকছড়িতে ৩০ জন, হাটহাজারীতে ৩৬ জন, সীতাকুন্ডে ৫০ জন, মিরসরাইতে ২৭ জন, সন্দ্বীপে ১৪ জন, লোহাগড়ায় ৮ জন, সাতকানিয়ায় ৯ জন, বাঁশখালীতে ৯ জন, আনোয়ারায় ১৫ জন, চন্দনাইশে ১১ জন, পটিয়ায় ২১ জন, বোয়ালখালীতে ২৬ জন। এ পর্যন্ত আক্রান্তের মোট পরিমান মহানগরীতে ৫১ হাজার ২৯৭ জন, উপজেলায় ১৫ হাজার ৪৮৭ জন।

চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি দৈনিক বিশ্ব’র চট্টগ্রাম ব্যুরো আবুল হাসেমকে জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ২ হাজার ৬৪৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৯৫৫ জনের দেহে করোনা সনাক্ত হয়েছে। চট্টগ্রামে মোট সনাক্তের পরিমান ৬৬ হাজার ৭৮৪ জন, গত ২৪ ঘণ্টায় মোট মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। এ পর্যন্ত চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত রোগিদের মধ্যে ৭৯০ জন মৃত্যুবরণ করেছেন।

//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

চট্টগ্রামে করোনা ভাইরাসের গণটিকা কার্যক্রম শুরু

 

চট্টগ্রামে করোনা ভাইরাসের গণটিকা কার্যক্রম শুরু

 

সারা দেশের ন্যায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন জেলা উপজেলায় আবার এক সাথে গণটিকা প্রদানের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১১ টি কেন্দ্রসহ বিভিন্ন উপজেলায় অবস্থিত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক যোগে করোনা প্রতিরোধী এ টিকা প্রদান করা হচ্ছে।

গতকাল (মঙ্গলবার) সকাল থেকে এ টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এবারে মহানগরীতে যুক্তরাষ্ট্রের মডার্ণা কোম্পানীর এবং উপজেলা এলাকায় চীনের সিনোফার্মার তৈরী টিকা প্রদান করা হচ্ছে।

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, চট্টগ্রামে আজ (মঙ্গলবার) থেকে করোনা প্রতিরোধী টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর আগে ১১ জুলাই চট্টগ্রামে এসে পৌঁছায় চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের তৈরী ১ লাখ ৮৪ হাজার ডোজ করোনা প্রতিরোধী টিকা। তৎমধ্যে চীনের সিনোফার্মার ৭৮ হাজার ৪০০ ডোজ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মডার্ণার ১ লাখ ৫ হাজার ৬০০ ডোজ টিকা রয়েছে। উল্লেখ্য গত ৭ ফেব্র“য়ারী সারা দেশের মতো চট্টগ্রামেও শুরু হয় করোনা প্রতিরোধী টিকা প্রদান কার্যক্রম। পরবর্তীকালে টিকা সল্পতার কারনে তা বন্ধ হয়ে যায়।

//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

স্বপ্নেও ভাবিনি পাকা ঘর পাব, এখন শান্তিতে আছি’

 

বরিশাল জেনারেল হাসপাতালেও করোনা ওয়ার্ড চালু

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপতালের করোনা ওয়ার্ডে রোগীর চাপ সামাল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। রোগীর চাপ সামাল দিতে বরিশাল জেনারেল হাসপাতালের একটি ওয়ার্ডে চালু হয়েছে করোনা চিকিৎসা। রোববার বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপতালের করোনা রোগীর চাপ কমাতে বরিশাল জেনারেল (সদর) হাসপাতালে ২২ শয্যার করোনা ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। দুপুর পর্যন্ত সেখানে একজন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

৩০০ শয্যার করোন ওয়ার্ডে গতকাল সোমবার চিকিৎসাধীন ছিলো ৩০৭ জন রোগী। কিন্তু করোনা ওয়ার্ডে হাই ফ্লো ন্যাসল ক্যানোলা সুবিধা রয়েছে ৬৯জন রোগী। ১০৩জন রোগী পাচ্ছেন সেন্ট্রাল অক্সিজেন সেবা। মূমূর্ষ রোগীর জন্য আইসিইউ রয়েছে ২২টি। এমন বাস্তবতায় জেনারেল হাসপাতালে ২২ শয্যার করোনা ওয়ার্ড চালু করা হয়।

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপতালের পরিচালক ডা. এইচএম সাইফুল ইসলাম জানান, যতক্ষণ পর্যন্ত সামর্থ থাকবে রোগী ভর্তি নেওয়া হবে। গত এক সপ্তাহ আগে ১০০ শয্যা বৃদ্ধি করা হয়। কিন্ত শয্যা বৃদ্ধি করে অতিরিক্ত রোগী ভর্তি নেওয়া হলে অক্সিজেন সংকট দেখা দিতে পারে। তাই বরিশাল জেনারেল হাসপাতালে করোনা ইউনিট চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সেখানে দ্রুত সেন্ট্রাল অক্সিজেন সরবরাহের সুযোগ আছে। জেনারেল হাসপাতালের আবসিক মেডিকেল অফিসার চিকিৎসক ডা. মলয় কৃঞ্চ বড়াল জানান, হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ড ভবনটিকে ২২ শয্যার করোনা ইউনিট হিসাবে চালু করা হয়েছে। চালুর পর পরই গতকাল সোমবার সেখানে ১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

ডায়রিয়া ওয়ার্ডটি হাসপাতালের ৩ নম্বর ভবনে স্থানান্তর করা হয়েছে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক ডা. শ্যামল কৃঞ্চ মন্ডল বলেন, বিভাগের করোনা বিপদজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর প্রভাব পড়ছে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে।

এমন পরিস্থিতিতে জেলার জেনারেল হাসপাতালে গতকাল সোমবার থেকে নতুন করে করোনা ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী সেখানে সর্বোচ্চ ৫০ শয্যার ওয়ার্ড করা সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।

// পলাশ চন্দ্র দাসঃবরিশাল //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

লকডাউন শিথিল। ৮ দিনের জন্য।। ২৩ জুলাই থেকে ফের লকডাউন

 

 

করোনায় মৃত্যু বাড়ছে তো বাড়ছেই: যশোর জেনারেলে মৃত্যু ১৭ জন

//নিজস্ব প্রতিনিধি//

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের আঘাতে সীমান্তবর্তী যশোর জেলা আজ আবারও বিপর্যস্ত হলো।গতকাল করোনা ও উপসর্গ নিয়ে নিয়ে ৭ জন মৃত্যু বরণ করেন। কিন্তু মাত্র একদিনের ব্যবধানে মৃত্যু বেড়ে যায় দ্বিগুণেরও বেশি।

আজ ১২ জুলাই -২০২১ রোজ সোমবার যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও নিশ্চিত করেন যে,গত ২৪ ঘন্টায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু বরণ করেছেন ১৭ জন।এরমধ্যে ১২ জন ছিলেন করোনায় আক্রান্ত ও ৫ জন ছিলেন করোনার উপসর্গ যুক্ত। যা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষসহ সমগ্র যশোরবাসীকে ভাবিয়ে তুলেছে।

তিনি আরও বলেন, যশোর জেনারেল হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটের রেডজোনে ১৬২ জন এবং ইয়োলো জোনে ৬৬ জন ভর্তি আছেন। গত ২৪ ঘন্টায় রেডজোনে নতুন ৩৮ জন ও ইয়োলো জোনে ৩৭ জন ভর্তি হয়েছেন। যশোর জেলার বিভিন্ন উপজেলা করোনা পরিস্থিতিও প্রতিদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় দেখা যায় সীমান্তবর্তী যশোর জেলার করোনা পরিস্থিতি অন্যান্য জেলার থেকে অনেকাংশেই খারাপের দিকে ধাবিত হচ্ছে।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

যশোরে ১১০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার