মাগুরা-২ আসনের এমপি ড. শ্রী বীরেন শিকদার করোনা আক্রান্ত

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন মাগুরা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. বীরেন শিকদার। তিনি রাজধানী ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বীরেন শিকদারের ভাই বিমলেন্দু শিকদার জানান, শারীরিকভাবে অসুস্থতা অনুভব করলে মঙ্গলবার চিকিৎসকের পরামর্শে কভিড-১৯ করোনা টেস্ট করান তিনি। রাতেই ফল পজিটিভ আসে। চিকিৎসকের পরামর্শে বুধবার সিএমএইচে ভর্তি হয়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার অবস্থা শঙ্কামুক্ত।

বীরেন শিকদারের জন্ম ১৯৪৯ সালের ১৬ অক্টোবর মাগুরার শালিখা উপজেলার সিংড়া গ্রামে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন এবং ১২ জানুয়ারি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন। বীরেন শিকদার ১৯৮৫ সালে শালিখা উপজেলার চেয়ারম্যান এবং ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

এছাড়া বিভিন্ন সময়ে তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন

 //সুজন মাহমুদ,মাগুরা জেলা প্রতিনিধি//

Dainik Bisw

সুয়েজখালে আটকে যাওয়া এভারগ্রীন কত টাকায় মুক্ত হলো…?

 

খুলনা বিভাগে করোনায় আজ সর্বোচ্চ মৃত্যু ৬০ জন

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় সুনামিতে সীমান্তবর্তী জেলা সমূহ বিপর্যস্ত। প্রতিদিন করোনার সংক্রমণ সুপার পাওয়ার নিয়ে বাড়ছে। রাত যতো গভীর হচ্ছে করোনায় আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুতে স্বজনদের কান্না ও অক্সিজেন সংকটে শ্বাসকষ্টে ভোগা রোগীর আত্মচিৎকারে হাসপাতালের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠছে।

মারা যাওয়া রোগীদের মধ্যে খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ১০ জন, গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫ জন ও জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ৫ জন এবং শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে ২জনের মৃত্যু হয়েছে।

বিভাগের অন্যান্য এলাকা হাসপাতালগুলোতে বাকি ৩৮ জনের প্রাণহানি ঘটেছে গত ২৪ ঘণ্টায়।

আজ ৭ জুলাই -২০২১ রোজ বুধবার গত ২৪ ঘন্টায় খুলনার ৪ হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ২২ জন মৃত্যু বরণ করেছেন। তার মধ্যে ২১ জনই সরাসরি করোনা রোগী ও একজন উপসর্গ যুক্ত। এর মধ্যে খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ১০ জন,খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ৫ জন গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫ জন ও নতুন সংযুক্ত হওয়া আবু নাসের হাসপাতালে ২ জন মৃত্যু বরণ করেছেন।

খুলনায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিদিন আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। কিছুদিন আগেও করোনা সংক্রমণ শহর কেন্দ্রিক থাকলেও দিন যত গড়িয়েছে করোনার সংক্রমণ গ্রামের দিকে ছড়িয়েছে এবং শহরের হাসপাতাল গুলোতে রোগীর চাপ বেড়েই চলেছে।এই হারে যদি করোনার সংক্রমণ হয় তাহলে হাসপাতালগুলিতে অক্সিজেন সংকটসহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের করোনা রোগীদের নূন্যতম সেবা দিতেই হিমশিম খেতে হবে।

যশোর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় করোনা পজেটিভ রোগী সনাক্ত হয়েছে – সদরে ২০৩ জন,অভয়নগরে ৫২ জন, মনিরামপুরে ২৭ জন, কেশবপুরে ৩০ জন ঝিকরগাছায় ৩০ জন, শার্শায় ১৯ জন, বাঘারপাড়ায় ১২ জন এবং চৌগাছা উপজেলায় ৪ জন। পরিস্থিতি বিবেচনায় দেখা যাচ্ছে যশোর সদরে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অন্যান্য উপজেলার থেকে কয়েকগুণ বেশি। স্থানীয় জনগণের সাথে কথা বলে জানা যায় যশোর সদরসহ অন্যান্য উপজেলায় করোনা সংক্রমণের হার বৃদ্ধির জন্য বেনাপোল বর্ডার থেকে দেশে আসা রোগীরাই অনেকাংশেই দায়ী। কারণ ভারত থেকে আসা রোগীদের যশোর জেনারেল হাসপাতাল ও বিভিন্ন হোটেলে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হলে সঠিকভাবে কোয়ারেন্টানে না থেকে চোরপুলিশ খেলার ন্যায় শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মার্কেটে ঘুরে বেড়িয়েছেন। যার ফল যশোরবাসী হাড়েহাড়ে অনুভব করছেন।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

যশোরে গত ২৪ঘন্টায় সনাক্ত ৩৭৩ ও মৃত্যু ১৪ জন

 

 

যশোরে গত ২৪ঘন্টায় সনাক্ত ৩৭৩ ও মৃত্যু ১৪ জন

 

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় সুনামি সীমান্তবর্তী যশোর জেলার উপর দিয়ে সুপার পাওয়ার নিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্রতিদিন গাণিতিক হারে সনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। যশোরে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের ভর্তির একমাত্র আশ্রয়স্থল যশোর জেনারেল হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে রোগীর চাপে মেঝেতেও ঠাঁই নেই।

এর রকম একটি ক্রান্তিকালে গত কয়েকদিন যাবত করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ ৭ জুলাই -২০২১ রোজ বুধবার যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ও সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘন্টায় যশোর জেলার ১০২০ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিলক্ষিত হয়েছে ৩৭৩ জনের শরীরে। তথ্য বিশ্লষণে সনাক্তের হার ৩৬.৫৬ শতাংশ।

আর একই সময়ে নতুন করে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ছয় জন করোনা রোগী ছিলেন। বাকি আট জনের উপসর্গ ছিল। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছে ২৪৩ জন যা করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটের শয্যার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। ফলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষে নূন্যতম চিকিৎসা সেবা দিতে হিমসিম খেতে হচ্ছে।

যশোর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় করোনা পজেটিভ রোগী সনাক্ত হয়েছে – সদরে ২০৩ জন,অভয়নগরে ৫২ জন, মনিরামপুরে ২৭ জন, কেশবপুরে ৩০ জন ঝিকরগাছায় ৩০ জন, শার্শায় ১৯ জন, বাঘারপাড়ায় ১২ জন এবং চৌগাছা উপজেলায় ৪ জন। পরিস্থিতি বিবেচনায় দেখা যাচ্ছে যশোর সদরে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অন্যান্য উপজেলার থেকে কয়েকগুণ বেশি। স্থানীয় জনগণের সাথে কথা বলে জানা যায় যশোর সদরসহ অন্যান্য উপজেলায় করোনা সংক্রমণের হার বৃদ্ধির জন্য বেনাপোল বর্ডার থেকে দেশে আসা রোগীরাই অনেকাংশেই দায়ী।

কারণ ভারত থেকে আসা রোগীদের যশোর জেনারেল হাসপাতাল ও বিভিন্ন হোটেলে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হলে সঠিকভাবে কোয়ারেন্টানে না থেকে চোরপুলিশ খেলার ন্যায় শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মার্কেটে ঘুরে বেড়িয়েছেন। যার ফল যশোরবাসী হাড়েহাড়ে অনুভব করছেন।

 নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

দিলীপ কুমার : কিংবদন্তী বলিউড অভিনেতা মারা গেলেন ৯৮ বছরে

 

 

খুলনার ৪ হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গে মৃত্য ২২ জনের

 নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় সুনামিতে সীমান্তবর্তী জেলা সমূহ বিপর্যস্ত। প্রতিদিন করোনার সংক্রমণ সুপার পাওয়ার নিয়ে বাড়ছে। রাত যতো গভীর হচ্ছে করোনায় আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুতে স্বজনদের কান্না ও অক্সিজেন সংকটে শ্বাসকষ্টে ভোগা রোগীর আত্মচিৎকারে হাসপাতালের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠছে।

আজ ৭ জুলাই -২০২১ রোজ বুধবার গত ২৪ ঘন্টায় খুলনার ৪ হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ২২ জন মৃত্যু বরণ করেছেন। তার মধ্যে ২১ জনই সরাসরি করোনা রোগী ও একজন উপসর্গ যুক্ত। এর মধ্যে খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ১০ জন,খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ৫ জন গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫ জন ও নতুন সংযুক্ত হওয়া আবু নাসের হাসপাতালে ২ জন মৃত্যু বরণ করেছেন।

খুলনায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিদিন আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। কিছুদিন আগেও করোনা সংক্রমণ শহর কেন্দ্রিক থাকলেও দিন যত গড়িয়েছে করোনার সংক্রমণ গ্রামের দিকে ছড়িয়েছে এবং শহরের হাসপাতাল গুলোতে রোগীর চাপ বেড়েই চলেছে।এই হারে যদি করোনার সংক্রমণ হয় তাহলে হাসপাতালগুলিতে অক্সিজেন সংকটসহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের করোনা রোগীদের নূন্যতম সেবা দিতেই হিমশিম খেতে হবে।

টাঙ্গাইলে করোনায় ৭ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৪১৩ জন

// মোঃ আল-আমিন শেখ. টাঙ্গাইল প্রতিনিধি//

করোনায় আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে টাঙ্গাইলে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৫ জন ও উপসর্গ নিয়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদিকে নতুন করে জেলায় ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৪১৩ জন করোনায় শনাক্ত হয়েছে। ৭১৩টি নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টে ৪১৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার শতকরা ৫৭ দশমিক ৯২ভাগ। মঙ্গলবার (৬ জুলাই) এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৪৪ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে মোট সুস্থ হয়েছে ৪ হাজার ৮৯৩ জন। সর্বমোট মারা গেছেন ১৩৫ জন। জেলার হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন রয়েছে ৮৮ জন। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো: শাহাবুদ্দিন এ তথ্য জানিয়েছেন। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. সাজেদুর রহমান জানান, করোনা রোগীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালে করোনা রোগীদের স্থান সংকুলান হচ্ছে না। বর্তমানে হাসপাতালে ১৪৩ জন রোগী ভর্তি রয়েছে। এদের মধ্যে ৭৮ জন করোনায় ও ৬৫ জন করোনা উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

গ্রামেই করোনা সংক্রমণ বেশি ছড়িয়ে পরছে : কারণ অসতর্কতা

 

দেশের গ্রামাঞ্চলে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। বর্ষাকালে গ্রামের মানুষ করোনা সংক্রমণকে সাধারণ সর্দি-কাশি হিসেবে মনে করায় দ্রুত পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূলত মারাত্মক পর্যায়ে চলে যাওয়ার আগে সাধারণ মানুষ করোনা পরীক্ষা না করানোর কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।

 

স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, করোনা প্রতিরোধে তিনটি প্রক্রিয়ার মধ্যে প্রথমটি টিকাদান কর্মসূচী। দ্বিতীয়টি পরীক্ষা করে রোগীকে আইসোলেশনে রাখা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা। আর তৃতীয়টি হলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। দেশে ব্যাপক আকারে না হলেও টিকাদান কর্মসূচী অব্যাহত রয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মানতে কঠোর বিধিনিষেধও চলছে দেশে। তবে নতুন ধরনের ডেল্টার প্রভাবে শুরুতে সীমান্ত এলাকায় হলেও এখন সারাদেশেই ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়েও সীমান্ত এলাকার সংক্রমণের ঢেউ শুরুই হয় গ্রামাঞ্চল দিয়ে। ভারতের সীমানা ঘেঁষা এলাকায় করোনার সংক্রমণ আস্তে আস্তে শহরেরও ছড়িয়ে পড়ছে।

গত বছর প্রথমে করোনাভাইরাসের সংক্রমণটি গ্রামাঞ্চলে কম ছড়িয়েছিল। প্রথম ঢেউটি ছিল শহরকেন্দ্রিক। অপেক্ষাকৃত গ্রাম ছিল করোনামুক্ত। এবার ঘটেছে উল্টোটা। বর্তমানে শহরের চেয়ে গ্রামের রোগী বেশি।

 

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেছেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন করোনা সংক্রমিত রোগীদের ৫০ শতাংশের বেশি গ্রামের। এসব রোগী রোগের তীব্রতা অনেক বেশি হওয়ার পর হাসপাতালে আসছেন।

 

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক বলেন, স্বাস্থ্য অধিদফতর রবিবার ৪৫টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ও চিকিৎসকদের সঙ্গে দীর্ঘ তিন ঘণ্টার বেশি বৈঠক করেছে। তারা বলেছেন, রোগীর অধিকাংশের বেশি গ্রামের। রোগীরা হাসপাতালে আসছেন রোগে আক্রান্ত হওয়ার বেশ পরে, যখন পরিস্থিতি অনেক খারাপ হয়ে পড়ছে।

 

মহাপরিচালক আরও বলেন, এখন বর্ষার মৌসুম। অনেকেই করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হলেও সাধারণ সর্দি-জ্বর বা কাশিতে আক্রান্ত বলে ধরে নিচ্ছেন। পরীক্ষা করাচ্ছেন না বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছেন না। তিনি আরও বলেন, মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের গ্রামে গ্রামে মাইকিং করার পরামর্শ দিয়েছি। বাড়ি বাড়ি রোগীর খোঁজ রাখতে বলেছি।

 

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা ৭০ শতাংশের বেশি রোগী এখন গ্রামের। শুরুতে শহরের করোনা রোগী বেশি ছিল। কিন্তু আস্তে আস্তে গ্রামাঞ্চলের রোগী গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসা নিতে আসছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালের করোনা চিকিৎসা বিষয়ক ডাঃ নাহিদুল ইসলাম মুন জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনায় চিকিৎসা নিতে আসা বেশিরভাগ মানুষই গ্রামাঞ্চলের। শুরুতে হালকা সর্দি-কাশিসহ মৃদু উপসর্গ থাকলেও তারা করোনা পরীক্ষা করেনি। আস্তে আস্তে শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে চিকিৎসা নিতে আসছেন। পরীক্ষা করাতে দেরি করায় বাড়ির অন্য সদস্যদেরও তিনি ঝুঁকিতে ফেলেছেন। এভাবে কোন কোন পরিবারের ১০০ শতাংশেরই করোনা শনাক্ত হয়েছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে গ্রামাঞ্চলে মাইকিংসহ বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচী হাতে নেয়ায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি ঘটেছে।

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক উর্ধতন কর্মকর্তা বলেন, করোনা প্রথম ঢেউটি ছিল শহরকেন্দ্রিক। কিন্তু এবার দ্বিতীয় ঢেউয়ের বর্তমান পরিস্থিতি যেটা নতুন প্রজাতি ডেল্টার কারণে বেশি সংক্রমণ ঘটাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে সেটি হচ্ছে গ্রামকেন্দ্রিক। এটিই বড় ভয়ের কারণ। বাংলাদেশের মতো দেশে গ্রামের মানুষ খুব বেশি স্বাস্থ্য সচেতন নয়। চিকিৎসার অবকাঠামোও তেমন নেই। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার প্রবণতা কম ও বিশেষ করে দরিদ্র পরিবারগুলোর মধ্যে গাদাগাদি করে বসবাস করার কারণেই করোনা দ্রæত বিস্তার ঘটছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও গ্রামাঞ্চলে ব্যাপকহারে করোনা ছড়িয়ে পড়ার কারণেই পরিস্থিতি নাজুক আকার ধারণ করে। আমাদের গ্রামাঞ্চলে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার কারণে দ্রæত শনাক্ত করে চিকিৎসার আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছে না।

 

আইইসিডিসারের উপদেষ্টা ডাঃ মুশতাক হোসেন বলেন, গত ঈদে মানুষের গাদাগাদি করে গ্রামে ফিরে যাওয়া এবং ডেল্টার প্রভাবে এখন সারাদেশে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। স্বাস্থ্যবিধি মানতে অনীহা, মাস্ক না পরা এবং সামাজিক দূরত্ব না মেনে চলার মতো ঘটনাতেই সংক্রমণ বাড়ছে। এছাড়া জুন মাসে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি পালনে ঢিলেঢালা ভাব দেখা গেছে। একইসঙ্গে দোকানপাট, গণপরিবহনে গাদাগাদি করে চলাচল করতে দেখা গেছে।

 

তিনি আরও বলেন, সংক্রমণ রুখতে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউনের পরিধি আরও বাড়ানো হয়েছে। ১৪ জুলাই পর্যন্ত বর্তমান বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। এটি কার্যকরভাবেই মানতে হবে। এছাড়া গ্রামাঞ্চলের মানুষকে আরও বেশি সচেতন হতে হবে। করোনার মৃদু উপসর্গ দেখা দিলেও পরীক্ষা করে আইসোলেশনে চলে যেতে হবে। পরিবারের বাকিদের থেকে নিজেকে দূরে রাখতে হবে। কোন উপসর্গকেই অবহেলা করা চলবে না। যত বেশি পরীক্ষা করা যাবে তত বেশি করোনাকে প্রতিহত করা যাবে। এটি গ্রামের মানুষকে বোঝাতেই হবে।

::অনলাইন নিউজ::

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রাণীশংকৈলে ডোবার পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু

 

করোনা ও উপসর্গে মৃত্যু ১৬ ও আক্রান্ত ১৮৬ : যশোর

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের আঘাতে সমগ্র বাংলাদেশের ন্যায় সীমান্তবর্তী যশোর জেলাও বিপর্যস্ত।গত কয়েকদিন করোনা ও করোনার উপসর্গে মৃতের লাশের গন্ধে ও স্বজনদের কান্নায় যশোরের আকাশ বাতাস ভারি হয়ে আছে।দিন যত যাচ্ছে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলছে।

এর মধ্যে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটড ইউনিটে সীট, আইসিইউ ও অক্সিজেনের স্বল্পতা দেখা দিয়েছে। এছাড়া করোনা রোগীর অধিক চাপ হওয়ায় নূন্যতম সেবা দিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হিমসিম খাচ্ছেন। এরকম একটা সংকটময় মুহূর্তে করোনার সুপার পাওয়ার নিয়ন্ত্রণে সাধারণ জনগণকে সচেতন করতে ও লকডাউন বাস্তবায়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করছে স্থানীয় জেলা প্রশাসন,পুলিশ, র্যাব,বিজিবি ও সামরিক বাহিনীর সদস্যগণ।

কিন্তু সীমান্তবর্তী করোনার হটস্পট খ্যাত যশোর জেলার সংক্রমণ ও মৃত্যু নিয়ন্ত্রণ অনেকাংশেই অধরাই থেকে যাচ্ছে। আজ ৫ জুলাই-২০২১ রোজ সোমবার যশোর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার জানান, গত ২৪ ঘন্টায় করোনা ও করোনার উপসর্গ নিয়ে মোট ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে যে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের সবাই নারী এবং বয়স ৪৫ থেকে ৭৫ বছরের মধ্যে।

মৃতদের মধ্যে ৪ জন যশোর জেলার বিভিন্ন উপজেলার এবং নড়াইল ও ঝিনাইদহের ১ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণকারী রোগীরা সকলেই হাসপাতালের রেডজোনে ভর্তি ছিলেন। বর্তমানে হাসপাতালের রেডজোনে ভর্তি আছেন ১২৬ জন এবং ইয়োলোজোনে ভর্তি আছেন ৮৬ জন।যা করোনা ইউনিটের আসন সংখ্যার দ্বিগুণেরও বেশি।

এদিকে আজ যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম সেন্টারে যশোর জেলার ৪৪৫ জনের করোনার নমুনা পরীক্ষায় ১৮৬ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ পরিলক্ষিত হয়েছে। শনাক্তের হার ৪১.৭৯ শতাংশ। গত কয়েকদিনের করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বিশ্লেষণে দেখা যায় করোনা আক্রান্ত রোগীদের ৫০ শতাংশের বেশি গ্রামের রোগী।যারা সাধারণ জ্বর, সর্দিকাশি মনেকরে গ্রামের হাতুড়ি ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

কিন্তু যখন কোন কিছুতেই কাজ হয়নি তখন জীবন সায়াহ্নে হাসপাতালে আসছেন।তখন চিকিৎসকদের কিছুই করার থাকছে না। তাই বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে গ্রামে যাদের সর্দি, কাশি, জ্বর, গলাব্যাথা হচ্ছে তাদেরসহ অন্যদের গণহারে করোনা ভাইরাসের টেষ্ট করানো দরকার এবং করোনার সংক্রমণরোধে মাস্ক ব্যবহার,হাতধোয়া,সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা,জনসমাগম এড়িয়ে চলাসহ সকল বিধিনিষেধ মেনে চলার বিষয়গুলি নিশ্চিত না করা গেলে করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ অধরাই থেকে যাবে।

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

দিঘলিয়ার ১৫০জন কর্মহীন মাঝি পেলেন প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য সহায়তা

 

খুলনা বিভাগে গত ২৪ঘন্টায় মৃত্যু সর্বোচ্চ ৫১ জন

খুলনা বিভাগে গত ২৪ঘন্টায় সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে।  বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের আঘাতে খুলনা বিভাগের জেলাসমূহ মৃত্যুর মিছিলে পরিণত হয়েছে। গত কয়েকদিন যাবত করোনায় আক্রান্ত ও করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে চলছে।জেলাগুলোতে মানুষের ভিতর যেমন চলছে বোবাকান্না তেমনি সকল মানুষের ভিতর বিরাজ করছে ভয়- ভীতি ও আতঙ্ক।

আজ ৫ জুলাই -২০২১ রোজ সোমবার বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক তথ্য নিশ্চিত করেন যে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে খুলনা বিভাগের রেকর্ড সর্বোচ্চ ৫১ জন মারা গেছেন এবং নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৪৭০ জন।
এর আগে গতকাল ৪ জুলাই-২০২১ রোজ রবিবার খুলনা বিভাগে সর্বোচ্চ ৪৬ জন মৃত্যু বরণ করেন।
খুলনা বিভাগের বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘন্টায় বিভাগের মধ্যে কুষ্টিয়া জেলায় সর্বোচ্চ ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া খুলনায় ১৩ জন,যশোরে ৬ জন,ঝিনাইদহ ও মেহেরপুরে ৫ জন, বাগেরহাট ও চুয়াডাঙ্গায় ২ এবং মাগুরায় ১ জন মারা গেছেন।

খুলনা বিভাগে করোনায় মৃত্যু ও সংক্রমণ বেড়েই চলছে। মৃত্যুর মিছিল ও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্য এবং করোনার বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে কাজ করছে বাংলাদেশ সরকারের বিভাগীয় প্রশাসন,জেলা প্রশাসন,পুলিশ, র‍্যাব,বিজিবি ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। কিন্তু গত ৭ দিনের কঠোর লকডাউনের ৫ দিনে কিছুতেই জনগণকে ঘরে বেধে রাখা যাচ্ছে না,কারণে অকারণে ঘর থেকে বের হয়ে অলিতে গলিতে আড্ডায় মেতে উঠছে।ফলে সরকার ঘোষিত লকডাউনের সুফল এখনো চোখে পড়ছে না।

 

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রূপসায় ভ্যানের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে পল্লী বিদ্যুত কর্মকর্তার মৃত্যু

 

যশোরে অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে উপস্থিত ৩টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন

 

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় সুনামি বাংলাদেশকে বিষাক্ত সাপের ন্যায় গ্রাস করেছে। প্রতিদিনই গাণিতিক হারে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ ও মৃতের সংখ্যা। করোনার সংক্রমণের হটস্পট হিসাবে এবার অর্বিভাব হয়েছে দেশের সীমান্তবর্তী জেলাসমূহ।

সীমান্তবর্তী যশোর জেলার সদর উপজেলায় করোনার সংক্রমণ সুপার পাওয়ার নিয়ে অবতীর্ণ হয়েছে। ফলে একমাত্র মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে আসন সংখ্যার দ্বিগুণেরও বেশী রোগী অবস্থান করছে হাসপাতালটিতে।ফলে মেঝেতে অবস্থান করছেন অর্ধেকেরও বেশি রোগী।

হাসপাতালে রোগীর চাপ খুবদ্রুত বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসা সেবা দিতে হিমসিম খাচ্ছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় করোনা রোগীর প্রাণ সঞ্জীবনী অক্সিজেনের চাহিদাও বেড়ে গেছে কয়েকগুণ। যা সরবরাহ ও যোগান দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না হাসপাতাল থেকে। যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটের বর্তমানে রোগীর চাপ বেশি হওয়ায় যশোর শহরের আশেপাশেরঅধিকাংশ করোনা রোগী এখন হাসপাতালে না গিয়ে বাড়িতে চিকিৎসা নেওয়ায় স্বচ্ছন্দ বোধ করছেন।

কিন্তু যে সকল রোগীর হঠাৎ করে অক্সিজেন লেভেল কম হয়ে যাচ্ছে তাদের কৃত্রিম উপায়ে অক্সিজেনের সরবরাহ করার প্রয়োজন হচ্ছে।ফলে অক্সিজেন সিলিন্ডারের প্রয়োজন পড়ছে। কিন্তু অক্সিজেন সিলিন্ডার ক্রয় করা সবার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই তখন করোনা আক্রান্ত রোগীদের পরিবারের লোকজনের এখন পর্যন্ত একমাত্র ভরসাস্থল প্রাক্তন ছাত্র মৈত্রীদের মানবিক সহায়ক কমিটির স্বেচ্ছাসেবকরা ও তাদের সরবরাহকৃত অক্সিজেন, যশোর জেলার দীর্ঘদিন পরিচালিত বিবর্তন নাট্যগোষ্ঠীর স্বেচ্ছাসেবকদের অক্সিজেন সিলিন্ডার ও যশোর আরএনরোডের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সিলিন্ডার।

৪ জুলাই -২০২১ রোজ রবিবার সকাল থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত মৈত্রী মানবিক সহায়ক কমিটির স্বেচ্ছাসেবকগণ যশোর শহরের বেজপাড়া বনানী রোড,হুশতলা,আরএন রোড, বেজপাড়া ছায়াবীথি রোড়, ঘোপ,মোল্লাপাড়া ও ষষ্ঠীতলাপাড়া নিজেরা অক্সিজেন সিলিন্ডার পৌঁছে দিয়ে এসেছেন এবং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনা রোগীর শরীরে অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা করেছেন।

এছাড়া শহরের সন্নিকটে ও অদূরে অবস্থিত চুড়িপট্টি, বেজপাড়া রূপদিয়া নরেন্দ্রপুর ও ষষ্ঠীতলাপাড়ার অনেকেই তাদের অফিস থেকে সংগ্রহ করেছেন।

এসময় মৈত্রী ভলেন্টিয়ার্সরা ১২ জন রোগীর জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ করেছেন। এর ভিতর ৮ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার ভলান্টিয়ার্স টীম রোগীদের বাড়ি পৌঁছে দিয়েছে এবং বাকি ৪ টি সিলিন্ডার রোগীর স্বজনরা তাদের অফিস থেকে সংগ্রহ করেছেন। হঠাৎ করে অক্সিজেন সিলিন্ডারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় যশোরের বিবর্তন নাট্যগোষ্ঠীর নিকট থেকে ৩ টি সিলিন্ডার সংগ্রহ করে রোগীদের দেওয়া হয়েছে।

ঠিক একইভাবে বির্বতন নাট্যগোষ্ঠীর স্বেচ্ছাসেবকও আরএনরোডের স্বেচ্ছাসেবকরা দিনরাত কাজ করছে করোনা রোগীদের জীবনদায়ী অক্সিজেন পৌঁছে দেওয়ার জন্য। দিন যত যাচ্ছে ততোই অক্সিজেন সিলিন্ডারের চাহিদা বেড়ে যাচ্ছে। ফলে সীমিত সিলিন্ডার দিয়ে এই সেবা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে হিমসিম খেতে হচ্ছে।

তাই এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো সমাজের সকল বিত্তবান লোকদের সহযোগীতা কামনা করছেন।

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশালে কারণ ছাড়া বের হওয়ায় পুলিশের এএসআই’র মোটরসাইকেল জব্দ

 

রূপসায় সর্বত্র লকডাউন কার্যকারীতে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন

 

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

খুলনার রূপসা উপজেলায় সর্বাত্মক লকডাউন কঠোর ভাবে  পালিত হচ্ছে। করোনা সংক্রমন রোধে জনসাধারণকে ঘরে থাকতে বাধ‍্য করতে এবং সরকারী নির্দেশনা মেনে চলতে উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে  রয়েছে।

অপ্রয়োজনে ঘরের বাইরে মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত, সেনা বাহিনী টহলসহ বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ণ স্থানে পুলিশ চেক পোষ্ট বসানো হয়েছে।

যারা ঘরের বাইরে বের হয়েছেন, কেন বের হয়েছেন, কারন জানতে চাওয়া হচ্ছে, সঠিক জবাব না দিতে পারলে তাদের জরিমানা ও বাড়িতে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়,রবিবার লকডাউন অমান‍্যকারীসহ মোট ৫জনকে কারাদন্ড,৫টি মামলা ও ১ হাজার ৬শত টাকা জরিমানা করেন।

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া তাছনিম বলেন, করোনা মহামারী নামক ভাইরাস থেকে রক্ষা করার জন‍্য দিন রাত আমরা প্রশাসন মাঠে কাজ করছি। উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সার্বক্ষনিক পুলিশ দায়িত্বে রয়েছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি খান মাসুম বিল্লাহ ও থানা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন সংক্রমন রোধে কাজ করে যাচ্ছে।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ভূঞাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম ও তার সহধর্মিণী করোনায় আক্রান্ত

খুলনার রূপসায় অবৈধভাবে নদী দখল ও বালু উত্তোলনে ৫ জনের কারাদন্ড ড্রেজার জব্দ