মৃত্যুর মিছিলে যশোরে আজও যুক্ত হলো সর্বোচ্চ ২৪ জন

 

মৃত্যুর মিছিলে যশোরে আজও বড় একটা সংখ্যা যোগ হলো। করোনার এই ক্রান্তিকালে চারিদিকে শুধু মৃত্যুর মিছিল। প্রতিদিনই করোনায় আক্রান্ত হয়ে, উপসর্গ নিয়ে এবং অন্যান্য রোগেও মৃত্যুর যে মহা মিছিল দেখা যাচ্ছে তাতে সাধারণ জনগণের মধ্যে যেমন ভয় ও আতঙ্ক কাজ করছে তেমনি সকলের ভিতরে ধারণা জন্মেছে বলছেন মনে হয় মহামারী শুরু হয়েছে যশোর জেলায়।

আজ ১ জুলাই-২০২১ রোজ বৃহস্পতিবার যশোর জেনারেল হাসপাতালের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় করোনা, করোনার উপসর্গ ও অন্যান্য রোগে মোট ২৪ জন মৃত্যু বরণ করেছেন। এর মধ্যে করোনা ও করোনার উপসর্গ নিয়ে ১২ জন ও অন্যান্য রোগে ১২ জন মৃত্যু বরণ করেন।

বিগত কয়েক বছরে যশোরে একদিনে এতো রোগীর মৃত্যু হয়নি বলে হাসপাতালের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জানা যায়। গত ২৪ ঘন্টায় যশোর করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটের রেডজোনে ৩ জন মৃত্যু বরণ করেন। এরমধ্যে ২ জন মহিলা ও ১ জন পুরুষ। এছাড়া আইসোলেশন ওয়ার্ডে যে ৯ জন মৃত্যু বরণ করেন তাদের ৫ জন মহিলা ও ৪ জন পুরুষ।

এছাড়া অন্যান্য ওয়ার্ডের মধ্যে করোনারী কেয়ার ইউনিটে ৪ জন, মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডে ৩ জন ও পুরুষ পেয়িং ওয়ার্ডে ৩ জন, পুরুষ মেডিসিন ও শিশু ওয়ার্ডে ১ জনসহ সর্বোসাকুল্যে ১২ জন মৃত্যু বরণ করেছেন। গত একদিনে যশোর জেনারেল হাসপাতালে এই পরিমাণে রোগীর মৃত্যু দেখে অন্যান্য সাধারণ রোগীর মধ্যে ভয়-ভীতিও আতঙ্ক কাজ করছে।

 //নিজস্ব প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

দেশব্যাপী লকডাউনের ঘোষণায় নড়াইলে চলছে কঠোর লকডাউন!

 

দেশব্যাপী লকডাউনের ঘোষণায় নড়াইলে চলছে কঠোর লকডাউন!

 

নড়াইলে চলছে ১১ দিনের মত কঠোর লকডাউন। আজ বৃহস্পতিবার সরকারি ভাবে দেশব্যাপী লকডাউনের ঘোষণা করলেও নড়াইলে গত ২০ জুন রাত ১২ টা থেকে কঠোর লকডাউন পালন করা হচ্ছে। সরকারি সিদ্ধান্তের পাশাপাশি বুধবার রাতে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা কমিটির এক সভায় জেলার জন্য আলাদা প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন বিশ্বাস, পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায়, সিভিল সার্জন নাছিমা আক্তার, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস, নড়াইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এনামুল কবির টুকু, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক কাজী ইসমাইল হোসেন লিটনসহ সরকারি কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিববুর রহমান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয় আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৬ টা থেকে পরবর্তী ৭ জুলাই রাত ১২টা পর্যন্ত জেলার সর্বত্র কঠোর লকডাউন পালিত হবে। এ সময় প্রতিদিন সকাল ৭ টা থেকে বেলা ১২ পযর্ন্ত কাঁচা বাজার,মাছের বাজার, ফলের দোকান খোলা থাকবে।

শপিংমল, ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান, হোটেল/রেস্তোরা, মুদি দোকান, চায়ের দোকানসহ সবকিছু বন্ধ থাকবে। সড়ক ও নৌপথে গনপরিবহন ও সকল প্রকার যান্ত্রিক যান চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে জরুরী সেবা লকডাউনের আওতার বাইরে থাকবে।

জেলা সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার করোনা ভাইরাস সংক্রামণের নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় আক্রান্তের হার ৩৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ। গত ২৪ ঘন্টায় ২৩২ নমুনা পরীক্ষায় ৯২ জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে ।

এরমধ্যে সদর উপজেলায় ২১ জন, লোহাগড়ায় ৪৩ জন এবং কালিয়া উপজেলায় ২৮ জন আক্রান্ত হয়েছে। এদিকে করোনায় তিনজনের মৃত্য হয়েছে।

এর মধ্যে সদরে একজন এবং কালিয়া উপজেলায় দুইজন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ২৮ জন। জেলায় করোনায় এ পর্যন্ত মারা গেছে ৪৭ জন।

জেলায় এ পর্যন্ত দুই হাজার ৭৬০ জনের করোনা পজেটিভ হয়েছে। সুস্থ হয়েছে দুই হাজার ৭৩ জন।

// মোঃ খাইরুল ইসলাম চৌধুরী, নড়াইল //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

টাঙ্গাইলে করোনায় মৃত্যু ১৬।। ৭ জন আক্রান্ত হয়ে, উপসর্গ নিয়ে ৯

 

টাঙ্গাইলে করোনায় মৃত্যু ১৬।। ৭ জন আক্রান্ত হয়ে, উপসর্গ নিয়ে ৯

 

টাঙ্গাইলে করোনায় মৃত্যু ১৬ । টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ও উপসর্গ নিয়ে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনা আক্রান্ত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আরও ৯ জন করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার (০১ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাব উদ্দিন খান ঢাকা পোস্টকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে।

এদের মধ্যে করোনা ওয়ার্ডের আইসিইউতে চারজন ও করোনা ইউনিটে তিনজনের মৃত্যৃ হয়েছে। এছাড়া করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি হওয়া আরও ৯ জন করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। এছাড়া হাসপাতালটিতে করোনা আক্রান্ত হয়ে ৩১ জন এবং উপসর্গ নিয়ে আরও ৬০ জন করোনা ইউনিটে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি হওয়া রোগীর স্বজনরা অভিযোগ করেন, করোনা ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা পাওয়া যাচ্ছে না। এছাড়া আইসিইউতে গ্যাসের সমস্যা রয়েছে। পর্যাপ্ত সিটের ব্যবস্থা না থাকায় মেঝেতে বসে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাব উদ্দিন বলেন, জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৬২৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

এদের মধ্যে ২৫৭ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এতে জেলায় করোনা সংক্রমণের হার ৪০ দশমিক ৯২ শতাংশ। এছাড়া জেলায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাতজন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। করোনার উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মৃতদের অধিকাংশের বাড়ি টাঙ্গাইল সদরে। জেলায় এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট ১১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।  তিনি আরও বলেন, করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিরা শেষ মুহূর্তে এসে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। এতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। এদিকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে সকালে টাঙ্গাইল শহরের নিরালা মোড়ে বঙ্গবন্ধু সেনানিবাসের ক্যাপ্টেন ইসতিয়াকের নেতৃত্বে এক প্লাটুন সেনাবাহিনী শহরে টহল শুরু করেছে।

বঙ্গবন্ধু সেনানিবাসের ক্যাপ্টেন ইসতিয়াক সাংবাদিকদের জানান, মাস্ক পরিধানসহ সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে বের হওয়া যাবে না। লকডাউন সফল করতে সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সেনাবাহিনী।

// মোঃ আল-আমিন শেখ, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনা মহানগরীতে ৩৩ জনকে ২৩ হাজার ১ শত টাকা জরিমানা

 

 

খুলনা মহানগরীতে ৩৩ জনকে ২৩ হাজার ১ শত টাকা জরিমানা

 নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউ পূর্বের থেকে আরও শক্তি বৃদ্ধি করে খুলনা বিভাগের উপর দিয়ে নির্মমভাবে ও অপ্রতিরোধ্য গতিতে প্রবাহিত হচ্ছে।

ফলে আজকে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় করোনা ও করোনার উপসর্গ নিয়ে খুলনা বিভাগের এ যাবতকালের সর্বোচ্চ ৩৯ জন মৃত্যুর বরণ করেছেন

করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়ে যাওয়ায় আজ সারা দেশের ন্যায় খুলনাতে চলছে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন।

আর এই কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে কাজ করছে সেনাবাহিনী, র্যাব,  বিজিবি, পুলিশ ও স্থানীয় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী জেলা ম্যাজিস্ট্রটগণ। ১ জুলাই-২০২১ রোজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ও উপজেলায় ১৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হচ্ছে।

আজ খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে স্বাস্থ্যবিধি পালন ও কঠোর বিধি নিষেধ নিশ্চিত করণে সকাল থেকে এখন পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ২৯ টি মামলায় ৩৩ জনকে ২৩ হাজার ১ শত টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

লকডাউন অমান্য করার সুযোগ নাই।। মাঠে থাকবেন শতাধিক ম্যাজিস্ট্রেট

 

করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে সর্বাত্মক লকডাউনের কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ১০৬ জন কর্মকর্তাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এই আদেশ জারি করে।

‘দ্য কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর’, ১৮৯৮ এর ১০(৫) ধারা অনুযায়ী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দিয়ে মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ এর ৫ ধারা অনুযায়ী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের আওতাধীন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

“এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটরা বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনারের নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবেন,” বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়।

বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মহামারী নিয়ন্ত্রণে কঠোর লকডাউনের বিষয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা থেকে ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত বিধিনিষেধ বলবৎ থাকবে।

সারাদেশে সর্বাত্মক লকডাউনের কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী।

 

 

এ প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ‘আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় মাঠ পর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন করবে।

জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভা করে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার নিয়োগ ও টহলের এলাকা, পদ্ধতি ও সময় নির্ধারণ করবেন।

সেই সঙ্গে স্থানীয়ভাবে বিশেষ কোনো কার্যক্রমের প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

//দৈনিক বিশ্ব, অনলাইন ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে মাশরাফির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ

 

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে মাশরাফির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে নড়াইল-২ আসনের এমপি মাশরাফি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিলেন। নড়াইল-২ আসনের এমপি মাশরাফি বিন মুর্তজা তার নিজস্ব তহবিল থেকে নড়াইল ও লোহাগড়া শহরে করোনা প্রতিরোধক বুথ স্থাপন করলেন।

এই বুথ থেকে যেকোনো মানুষ সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত হাত স্যানিটাইজ এবং ফ্রি সার্জিক্যাল মাস্ক নিয়ে ব্যবহার করতে পারবেন। বুধবার (৩০ জুন) বেলা ১১টায় নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের আয়োজনে নড়াইল প্রেসক্লাবের সামনে নড়াইল শহরে ৬টি বুথের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান।

এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন নড়াইলের পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায়, নড়াইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এনামুল কবির টুকু এবংএমপি মাশরাফির বাবা নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা গোলাম মুর্তজা স্বপন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ফাউন্ডেশনের ভাইচ-চেয়ারম্যান এবং নড়াইল প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক শামীমূল ইসলাম টুলু, ফাউন্ডেশনের কোষাধ্যক্ষ মীর্জা নজরুল ইসলাম, কর্মকর্তা কাজী হাফিজুর রহমান, হায়দার আপন প্রমুখ। শহরে করোনা প্রতিরোধক বুথগুলি হলো রূপগঞ্জ বাসষ্টান্ড, নড়াইল প্রেসক্লাব চত্বর, সদর হাসপাতালের সামনে, পুরাতন বাস টার্মিনালের সামনে, নড়াইল চৌরাস্তা এবং আদালত চত্বর।

এছাড়া আগামিকাল বৃহস্পতিবার লোহাগড়া শহরে ৪টি স্থানে এ করোনা প্রতিরোধক বুথ স্থাপন করা হবে। বৈশ্বিক করোনা মহামারি শুরু হবার পর থেকেই এমপি মাশরাফি ব্যক্তিগত তহবিল থেকে করোনায় আক্রান্ত রোগিদের সেবা প্রদানের জন্য নড়াইলে চিকিৎসক, স্বাস্থ্য বিভাগ, করোনাযোদ্ধাসহ ৩হাজারের বেশী করোনা সুরক্ষা সামগ্রী দিয়েছেন।

৭ হাজার কর্মহীন মানুষকে খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন। গ্রামে গ্রামে চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করেছেন। করোনা প্রতিরোধে জীবাণুনাশক কক্ষ এবং ডক্টরস চেম্বার নির্মান করেছেন। অত্যাধুনিক মেশিনের মাধ্যমে মাত্র ৪৫ মিনিটে কোভিড-১৯ পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছেন।

তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সদর হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন চালু হয়েছে এবং সদর হাসপাতালে ১০ শয্যা বিশিষ্ট আইসিইউ পাশ হয়েছে। জেলার করোনায় আক্রান্ত স্বাস কষ্টের রোগীদের জন্য এখনও নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ফ্রি অক্সিজেন সেবার ব্যবস্থা চালু আছে।

//মোঃ খাইরুল ইসলাম চৌধুরী, নড়াইল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

নড়াইলের কালিয়ায় করোনায় ২ জনের মৃত্যু

 

 

নড়াইলের কালিয়ায় করোনায় ২ জনের মৃত্যু

গত মঙ্গলবার রাতে ও বুধবার সকালে নড়াইলের কালিয়ায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২ জনের মৃত্য হয়েছে। এরা হলেন কালিয়া পৌরশহরের রামনগর গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের ছেল আবুল কালাম (৬৫), ও মিজাপুর গ্রামের স্ত্রী হাওয়া বিবি (৪০)।

 

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ কাজল মল্লিক জানান, হাওয়া বিবি গত ২৭ জুন করোনায় আক্রান্ত হয়ে কালিয়া হাসপাতালে ভর্তি হলে ২৮ জুন তার করোনা শনান্ত হলে ওইদিনই তাকে নড়াইল সদও হাসপাতালে পাঠানো হয়। তার অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় সেখান থেকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হলে বুধবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটিc হাসপাতালে তিনি মারা যান।

 

এছাড়া আবুল কালাম গত কয়েকদিন যাবত জ্বর, সর্দি, কাশি ও গা ব্যাথা রোগে আক্রান্ত হয়ে নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত ২৭ জুন পরীক্ষার জন্য তার নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং ২৯ জুন পাওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী তার করোনা পজেটিভ হওয়ার পর ওইদিন রাত ২ টার দিকে তার মৃত্যু হয়। তিনি আরও জানান, বর্তমানে উপজেলায় ১২২ জন করোনাক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

তাদের মধ্যে ২ জন হাসপাতালে ও বাকিরা নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এপর্যন্ত উপজেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩১৩ জন, সুস্থ্য হয়েছেন ১৯১জন ও মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের ।

//মোঃ খাইরুল ইসলাম চৌধুরী, নড়াইল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

নড়াইলের লোহাগড়ায় ৭০০ পিচ ইয়াবাসহ ৩ ব্যবসায়ী আটক

 

 

টাঙ্গাইলে নতুন করে ৩২০ জন করোনা রোগী শনাক্ত

 মোঃ আল-আমিন শেখ টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইল জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আরো ৩২০ জন ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। জেলা সিভিল সার্জন অফিস সুত্রে জানা গেছে, ৮৩৪ টি নমুনা পরীক্ষা করে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৩২০ জন। জেলায় শনাক্তের হার শতকরা ৩৮ দশমিক ৩৭ভাগ।

জেলায় মোট করোনা রোগী ৭৭০৭ জন। এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যুবরন করেছেন ১০৮জন। আজকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে করোনা ওয়ার্ডে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন ২১জন। মোট ভর্তি আছেন সারা জেলায় ৪৭৮ জন। এদের মধ্যে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে ৮ জন আর জেনারেল বেডে ৩৪ জন। জেলার হাসপাতালগুলোতে আইসোলেশনে আছেন ৫০জন। রোগীদের মধ্যে নতুন সুস্থ হয়েছেন ২৬ জন এবং মোট সুস্থ হয়েছেন ৪৪৬২ জন।

অভয়নগরে একটানা কঠোর লকডাউন।। বিপাকে হতদরিদ্র, অসহায় খেটে খাওয়া মানুষ ।।

যশোরের অভয়নগর উপজেলার শিল্প ও বাণিজ্যিক নগরী নওয়াপাড়ার খেটে খাওয়া দিনমুজুর ও অসহায় হতদরিদ্র মানুষেরা এখন বিপাকে ৷ একদিকে রয়েছে দেশজুড়ে টানা লকডাউন অপর দিকে করোনা মহামারির আতংকে ৷ তাদের মনে প্রশ্ন জাগে এখন কি করবো ? কি খাবো ? কিভাবে  বাঁচবো আমরা ?
সারাদিন খেটে দিন মুজুর হিসেবে যে অর্থ উপার্জন করি তাতে খেয়ে পড়ে আল্লাহর রহমতে এক প্রকার ছেলে-মেয়েদের মুখে অন্ন যোগাতে পারছি  ৷ এখনতো এটাও বন্ধ হয়ে গেল ৷ অর্ধ বয়সী এক রিকশাওয়ালা এ প্রতিনিধিকে জানান ,আমরা দিন আনি দিন খাই , না আনলে  না খেয়ে থাকতে হয়  ৷ রিকশা যদি রাস্তায় বের করতে না পারি তাহলে আমরা খাবো কি?
ইজিবাইক চালক আলম জানায়,  অনেকেরই  কিস্তির মাধ্যমে  এই বাইকগুলো কেনা হয়েছে ৷ এখন আমরা উপার্জন করতে না পারলে কিভাবে কিস্তি পরিশোধ করবো ও পেটের অন্ন যোগাবো? ৷ চায়ের দোকানদার প্রতিবন্ধি ইব্রাহিম কান্নাস্বরে মনের কষ্টগুলো ব্যাখা করে বলেন, চায়ের দোকানের উপর আমার পরিবারের ভরণ-পোষণ চলে দোকান বন্ধ করলে কিভাবে বাঁচবো ? নাখেয়ে মরে যেতে হবে ৷
রাজশাহী , কয়রাসহ বিভিন্ন জেলা-উপজেলার দূর-দুরান্ত থেকে আসা ঘাট শ্রমিকরা জানায় ,আমরা উপজেলার নওয়াপাড়ার বিভিন্ন ঘাটে কাজ করি, ব্যাচেলার হিসেবে ঘরভাড়া করে থাকি ৷ যদি কাজ করতে না পারি তাহলে , আমরা খাবো কি? ঘরভাড়া দিবো কিভাবে ?
তাছাড়া গ্রামের বাড়িতে  স্ত্রী ,ছেলে মেয়েরা আমাদের মুখপানে চেয়ে থাকে কখন বিকাশে টাকা পাঠাবে ৷ ক্ষূদ্র-ব্যবসায়ি মুদি দোকানদার বিভিন্ন পন্য, খাদ্যসামগ্রী বিক্রেতারা ক্ষোভ  প্রকাশ করে বলেন,  যদি দোকান খুলতে না পারি তাহলে আমাদের কি অবস্থা হবে? ৷ আমরাতো পথে নেমে যাবো ৷ সরকারি কর্মচারীদের তো কোন সমস্যা নেই , তারাতো মাস গেলে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন ৷
ঝালমুড়ি বিক্রেতা রেজাউল হোসেন বলেন, স্কুল মাদ্রাসা খোলা থাকলে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ঝালমুড়ি বিক্রি করেছি ৷ এখনতো স্কুল-মাদ্রাসা বন্ধ আমার পরিবারে ৪/৫ জনের খোরাকি  কিভাবে যোগাড় করবো ? ৷ দীর্ঘ লকডাউনে সংকটে পড়েছেন  খেটে খাওয়া মানুষেরা ৷  মহামারী করোনাকালে এমনিতে  মানুষের আয় কমে গেছে ,  কাজের সুযোগ কমে যাওয়ায়, চলাচলে বাঁধা নিষেধ আরোপ করায় চরম সংকটে  হাবুডুবু খেতে  হচ্ছে -দিনমুজুর, রিকশা-ভ্যান চালক, দোকান ও ঝাল মুড়ি বিক্রেতার মত অসংখ্য মানুষকে ৷
করোনাৱ শুরুতে  সরকারি ও বেসরকারিভাবে বিভিন্ন সংস্থা , সংগঠণ,প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এমনকি ব্যক্তি পর্যায়ে ও গরীব ও খেটে খাওয়া মানুষের সহায়তায় অনেকেই এগিয়ে এসেছিলেন ৷ অর্থ ও খাদ্যসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছিল, কিন্তু এখন করোনা সংক্রমনের ঢেউ বহুগুণ বৃদ্ধি পেলেও লকডাউন বিধি নিষেধ দীর্ঘ হলেও কেউ আর তেমন ভাবে এগিয়ে আসছেন না প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের সহায়তায় ৷ ফলে তাদেরকে ঝুঁকি নিয়েই পেটের টানে বের হতে হচ্ছে ঘরের বাইরে ৷
সেখানে আয়ের নিশ্চয়তা না থাকলেও হয়রানি , শাস্তির অভাব নেই ,এমনিতে কাজ নেই বললেই চলে, অটো রিকশাচালকে যাত্রী পেলেও নানা ঝামেলার শেষ নেই ৷ পুলিশের বাঁধা , জরিমানা, হাওয়া ছেড়ে দেয়ার আশঙ্কায় থাকতে হয় ৷এভাবে দিন শেষে গাড়ি জমা, ব্যাটারি চার্জের টাকা পরিশোধ করে আসে উপার্জনের সামান্য কিছু অংশ ৷ এ অবস্থায় সামনে কঠোর লকডাউনে কি হবে সে চিন্তায় চোখে অন্ধকার দেখতে হচ্ছে তাদেরকে ৷ মহামারি করোনা মোকাবিলায় গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টার শেষ নেই ৷ দফায় দফায় লকডাউনের পাশাপাশি নমুনা পরীক্ষা ,চিকিৎসায় সর্ব শক্তি নিয়োগ করেও সামাল দিতে কঠিন হয়ে উঠেছে ৷ আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা রেকর্ডভঙ্গ হচ্ছে প্রায়ই ৷
আগের তুলনায় অনেক বেশি সচেতনতা ও স্বাস্থ্যবিধি সঠিক ভাবে মেনে চলা হলেও এখনো অনেক ক্ষেত্রে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে ঢিলে-ঢালা অবস্থা বিপদের ঝুঁকি বাড়িয়েছে ৷ শহর থেকে গ্রামে , সীমান্ত পেরিয়ে যেভাবে ছড়াচ্ছে তা আশঙ্কার সৃষ্টি করেছে ৷ এ অবস্থায় লকডাউন সফল করার উপরেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ অনেকাংশেই  নির্ভর করছে ৷
এজন্য গরিব হতদরিদ্র খেটে খাওয়া মানুষের ঘরে থাকা নিশ্চিত করা অপরিহার্য ৷ ঘরে খাবার না থাকলে এটাযে আদৌ সম্ভব নয় সেটাতো জানা কথা ৷ তাই প্রশাসন থেকে খাদ্য সঙ্কটে বা বিভিন্ন সমস্যায় ৩৩৩ নাম্বারে কল করার কথা বলা হয়েছে কিন্তু এই ঘোষণা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোর পর্যাপ্ত ব্যবস্থা দেখা যায়নি ৷
প্রান্তিক পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি রাজনীতিবিদ, মসজিদের ইমাম,স্কুল শিক্ষক, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠণ, পাড়া মহল্লার ক্লাব ও ছাত্রদের সমন্বয়ে খাদ্য ও অর্থপ্রাপ্তির এই নিশ্চয়তার কথা প্রচার করা হলে সুষ্ঠুভাবে সহায়তা দানের ব্যবস্থা করা হলে লকডাউনে মানুষের ঘরে থাকা নিশ্চিত করা যেতে পারে ৷ এজন্য প্রশাসনিক পদক্ষেপ একান্ত জরুরী ৷
//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল , বিশেষ প্রতিনিধি//

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ৫ টি হাই-ফ্লো ন্যাজাল ক্যানলা স্থাপন

 

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গার উপর দিয়ে অপ্রতিরোধ্য গতিতে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা সংক্রমণ।আর সেই সাথে বৃদ্ধি পাচ্ছে গুরুতর অসুস্থ রোগীর সংখ্যা, বাড়ছে অক্সিজেনের চাহিদা।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের ব্যবস্থা থাকলেও পর্যাপ্ত হাই- ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা না থাকায় চাহিদা অনুযায়ী অতিমাত্রায় ফুসফুস সংক্রমিত রোগীদের উচ্আ মাত্রার অক্সিজেন সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছিল না।ফলে অতি সংক্রমিত রোগীদের ঢাকায় রেফার করতে হচ্ছিল।

আর তাই পরিস্থিতি উত্তরণে জেলা প্রশাসক চুয়াডাঙ্গার উদ্যোগে মাননীয় সংসদ সদস্য, চুয়াডাঙ্গা -২ জনাব মোঃ আলী আজগর টগর, মোল্লা মটরস এর স্বত্বাধিকারী জনাব মোঃ শহীদুল হক মোল্লা এবং জেলা প্রশাসক চুয়াডাঙ্গার সহযোগিতায় আজ ২৯ জুন-২০২১ রোজ মঙ্গলবার ৫টি হাই- ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা সদর হাসপাতালে স্থাপনের জন্য চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

 

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনা মহানগরীতে ৪৩ জনকে ২৯ হাজার ৯ শত টাকা জরিমানা