ভূঞাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম ও তার সহধর্মিণী করোনায় আক্রান্ত

 

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম এডভোকেট ও তার সহধর্মিণী উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোছা: নার্গিস আক্তার করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। রবিবার (৪ জুলাই) দুপুরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম এডভোকেট তিনি নিজেই এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম এডভোকেট মুঠোফোনে জানান, তিনি ও তার সহধর্মিণী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। সে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নেবেন বলে জানান সে। এছাড়াও তার ও সহধর্মিণীসহ পরিবারের সকলের সুস্থতা কামনায় সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মহী উদ্দিন আহমেদ মুঠোফোনে জানান, গতকাল শনিবার (৩ জুলাই) মোট ৫৮টি নমুনা দেয়া হয়েছিল। তার মধ্যে উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম এডভোকেট মহোদয় ও তার সহধর্মিণীসহ মোট ১৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, জেলার অন্যান্য উপজেলার চেয়ে আমাদের এ উপজেলাতে করোনা সংক্রমণের বৃদ্ধি খুবই কম। তবে করোনারোধে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দুরত্ব মেনে সর্তকতার সাথে চলার আহবান জানান তিনি।

 //মোঃ আল-আমিন শেখ, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় ১০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার ও অক্সিমিটার দিলেন – এমপি সালাম মূর্শেদী 

 

যশোরে গত ২৪ ঘন্টায় করোনা ও উপসর্গে মৃত্যু ১৭, সনাক্ত ১৯৫

 

দেশের সীমান্তবর্তী জেলা যশোরে করোনায় দ্বিতীয় ঢেউ কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছে না। প্রতিদিনই করোনায় আক্রান্ত ও করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর মিছিলে যুক্ত হওয়ার সংখ্যা বেড়েই চলেছে। করোনার সংক্রমণের চেইন ভাঙার জন্য কঠোর লকডাউনের চতুর্থ দিনেও আশানুরূপ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হয়নি।
বাংলাদেশে করোনায় আক্রান্তদের ৮০ শতাংশের শরীরে অতি সংক্রমণশীল ভারতীয় ধরণ ডেল্টা প্রভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে বাংলাদেশের চারিপাশে ভারতের সীমা রেখা থাকায় ভারত থেকে বৈধভাবে আসা রোগী ও তার স্বজনদের মাধ্যমে যেমন ভারতীয় ধরণ ছড়িয়ে ঠিক তার চেয়ে বেশি ছড়িয়েছে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশকারীদের মাধ্যমে। এমনকি এখনো ভারত থেকে বৈধ ও অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনেক মানুষ প্রবেশ করছে। বিধায় সীমান্তবর্তী জেলা সমূহে অদৌ এত সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে বলে মনে হচ্ছে না।

চলমান কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে সারাদেশের ন্যায় যশোর জেলা প্রশাসনের সাথে পুলিশ, র‍্যার,বিজিবি ও ৮ প্লাটুন সেনাসদস্যরা দিন-রাত কাজ করছেন।তারপরেও যারা লকডাউন বাস্তবায়নে অসহযোগিতা করছেন তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছেন প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিগণ। তারপরও থেমে নেই করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু।

অন্যদিকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটের ৯৯ শয্যার বিপরীতে দ্বিগুণেরও বেশি রোগী ভর্তি আছেন। আবার রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীদের সেবা দিতে যেমন হিমসিম খাচ্ছেন তেমনি সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে অক্সিজেন ও আইসিইউর অপ্রতুলতা।

আজ ৪ জুলাই -২০২১ রোজ রবিবার যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ও সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মৃত্যু বরণ করেছেন ৭ জন এবং করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু বরণ করেছেন১০জন।সর্বোসাকুল্যে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ১৭ জন মৃত্যু বরণ করেন।
অন্যদিকে গত ২৪ ঘন্টায় জেলার বিভিন্ন ল্যাবরেটরিতে ৫৭২ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিলক্ষিত হয়েছে ১৯৫ জনের শরীরে।
সনাক্তের হার ৩৪.০৯ শতাংশ।

বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ২১৬ জন। আজ পর্যন্ত করোনা সনাক্ত হয়েছে ১৩ হাজার৩৭ জনের শরীরে, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭ হাজার ৪ শত ৬৯ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেছেন ১৬৯ জন।

যশোর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় করোনা সনাক্তের সংখ্যা বিবেচনায় দেখা যায় আজও যশোর সদর উপজেলায় অন্যান্য উপজেলার থেকে কয়েকগুণ বেশি সংক্রমিত হয়েছে। যশোর সদরে ৮৫ জন,অভয়নগরে ৪৭ জন, ঝিকরগাছায় ৩২ জন,চৌগাছায় ১০ জন, বাঘারপাড়ায় ৯ জন, কেশবপুরে ৬ জন,মনিরামপুরে ৩ জন ও শার্শায় ৩ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত রোগী সনাক্ত হয়েছে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছেন।

//নিজস্ব প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

আওয়ামীলীগ নেতার মৃত‍্যুতে সাংসদ সালাম মূশের্দী ও আ’লীগের বিবৃতি

 

 

যশোরে গত ২৪ঘন্টায় নতুন সনাক্ত ২৫০ ও মৃত্যু ১৪

 

যশোরে গত ২৪ঘন্টায় নতুন রেকর্ড,  সীমান্তবর্তী যশোর জেলা করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের আঘাতে অনেকটাই বিপর্যস্ত। প্রতিদিন করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলছে। করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে কয়েক সপ্তাহ যাবত লকডাউনসহ নানাবিধ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে কিন্তু করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যু কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না। করোনার সংক্রমণ যশোর জেলার মধ্যে যশোর সদরেই তুলনামূলক বিশ্লষণে অন্যান্য উপজেলার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ফলে যশোর জেনারেল হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা পর্যাপ্ত শয্যার চেয়েও বেশি। এই অধিক সংখ্যক রোগীর চিকিৎসা সেবা দিতে গিয়ে সম্মূখসারীর অপর্যাপ্ত ডাক্তার ও নার্সরা দিনরাত হিমসিম খাচ্ছেন। অন্যদিকে অক্সিজেনের সরবরাহ কম থাকায় চিকিৎসাধীন রোগীরা অক্সিজেন সংকটে ভুগছেন।

আজ ৩ জুলাই -২০২১ রোজ শনিবার যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ও সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনা ও করোনার উপসর্গ নিয়ে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৮ জন করোনা রোগী ছিলেন এবং বাকি ৬ জনের শরীরে করোনার উপসর্গ ছিল।

সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য কর্মকর্তা আরও বলেন, গত ২৪ ঘন্টায় যশোর জেলার ৭১৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২৫০ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিলক্ষিত হয়েছে। তথ্য বিশ্লষণে দেখা যায় সংক্রমণের হার ৩৪.৯২ শতাংশ।

যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটের ৯৯ শয্যার বিপরীতে বর্তমানে ভর্তি আছেন ২০২ জন যা শয্যা সংখ্যার দ্বিগুণেরও বেশি। এপর্যন্ত সনাক্ত হয়েছে ১৩ হাজার ৩৭ জন, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭ হাজার ৪ শত ৬৯ জন।করোনা পজেটিভ রোগী মারা গেছেন ১৬২ জন।

গত ২৪ ঘন্টায় করোনা সনাক্ত ২৫০ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৬৩ জন রোগী যশোর সদরের।এছাড়া অভয়নগরে ২২ জন, শার্শায় ১৮ জন, চৌগাছায় ১৬ জন,মনিরামপুরে ১২ জন, ঝিকরগাছায় ১১ জন,কেশবপুরে ৬ জন ও বাঘারপাড়ায় ২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিলক্ষিত হয়েছে।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

দেবদূতের আর্বিভাব।। সিলিন্ডার নিয়ে মাঠে নেমেছে মৈত্রী ভলেন্টিয়ার

 

 

গণটিকাদান কর্মসূচি আবারও গতি পাবে, আগামীতে টিকার আর কোনো অভাব হবে না

 

গণটিকাদান কর্মসূচী কিছুদিন বন্ধ ছিল, নতুন করে টিকা আসতে শুরু করায় করোনামহামারীর টিকা নিয়ে বর্তমান টিকা সংকট আপাতত কাটল বলে ধরা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের দুই কোম্পানির মোট ২৩ লাখ ডোজ টিকা বাংলাদেশে পৌঁছেছে, আরও ২২ লাখ ডোজ আসছে।

শুক্রবার রাতে দুটি ফ্লাইটে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি মডার্নার তৈরি করোনাভাইরাসের ১৩ লাখ এবং সিনোফার্মের ১০ লাখ ডোজ টিকা দেশে পৌঁছায়।

মডার্নার আরও ১২ লাখ ডোজ এবং সিনোফার্মের ১০ লাখ ডোজ টিকা শনিবার দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

চীন থেকে সিনোফার্মের যে দেড় কোটি ডোজ টিকা বাংলাদেশ কিনছে, এটা তার প্রথম চালান। আর মডার্নার টিকা বাংলাদেশ পেয়েছে টিকার আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম কোভ্যাক্সের আওতায়।

 

গণটিকাদান কর্মসূচি আবারও গতি পাবে, আগামীতে টিকার আর কোনো অভাব হবে না

 

টিকা বুঝে নেওয়ার পর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সাংবাদিকদের বলেন, টিকার সঙ্কটে দেশে গণ টিকাদান কর্মসূচিতে ছন্দপতন হয়েছিল। এসব টিকা আসায় গণটিকাদান কর্মসূচি আবারও গতি পাবে।

“টিকাদান কার্যক্রম আমরা জোরেশোরেই শুরু করেছিলাম। টিকা না পাওয়ায় মাঝখানে কিছুদিনের জন্য টিকাদান কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এখন আমরা আনন্দের সাথে বলতে পারি, আগামীতে টিকার আর কোনো অভাব হবে না।”

ডিসেম্বর নাগাদ বাংলাদেশ বিভিন্ন উৎস থেকে ১০ কোটি ডোজ টিকা পাবে জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী বছরের প্রথম তিন মাসের মধ্যে বা তার পরে জনজন অ্যান্ড জনসন থেকে আরও সাত কোটি ডোজ টিকা পাওয়া যাবে।

টিকা পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম বলেন, গণ টিকাদান এবার ‘পুরোদমে’ শুরু হবে।

কোভ্যাক্সের আওতায় মডার্নার ১৩ লাখ ডোজ টিকা নিয়ে রাত ১১টা ১৩ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট বিমানবন্দরে নামে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মোমেন ও বাংলাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার এ সময় বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন।

 

গণটিকাদান কর্মসূচি আবারও গতি পাবে, আগামীতে টিকার আর কোনো অভাব হবে না

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা আনন্দের সঙ্গে বলছি, আমরা ১৩ লাখ টিকা গ্রহণ করলাম। আরও ১২ লাখ ডোজ টিকা (শনিবার) সকালে এসে পৌঁছাবে।”

বিশ্বজুড়ে টিকা সরবরাহের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম কোভ্যাক্স এর আগে ফাইজারের তৈরি ১ লাখ ৬২০ ডোজ করোনাভাইরাসের টিকা দিয়েছে বাংলাদেশকে, যা ৩১ মে দেশে পৌঁছায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনস বা গ্যাভি এবং কোয়ালিশন ফর এপিডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস ইনোভেশনসের গড়া প্ল্যাটফর্ম হলো কোভ্যাক্স, যা বিশ্বের সব মানুষের সংক্রামক রোগের প্রতিষেধক পাওয়া নিশ্চিত করতে গড়ে তোলা হয়েছে।

মডার্নার টিকা আসার ঘণ্টা দেড়েক পর বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে চীন থেকে কেনা সিনোফার্মের তৈরি করোনাভাইরাসের টিকার ১০ লাখ ডোজ ঢাকায় পৌঁছায়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে এসব টিকা গ্রহণ করেন।

পরে রাতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এ মাসে সিনোফার্মের ২০ লাখ ডোজ টিকাই পাচ্ছে বাংলাদেশ।

“আগামী মাসে আরও বেশি টিকা আসবে বলে আমরা আশা করছি। সেটা ৩৫ থেকে ৪০ লাখ ডোজ হতে পারে।”

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমএনসিঅ্যান্ডএইচের লাইন ডিরেক্টর ডা. মো.শামসুল হক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এসব টিকা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন স্টোরেজে নিয়ে রাখা হবে।”

এর আগে চীনের উপহার হিসেবে গত ১২ মে ৫ লাখ ডোজ এবং ১৩ জুন ৬ লাখ ডোজ সিনোফার্মের টিকা ঢাকা পৌঁছায়। এবারের টিকা এসেছে সরকারের সঙ্গে টিকা কেনা চুক্তির আওতায়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন গত ২৫ মে জানিয়েছিলেন চীন থেকে দেড় কোটি ডোজ টিকা কেনা হবে।

দুদিন পর ২৭ মে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় সিনোফার্মের প্রতি ডোজ ১০ ডলার দরে দেড় কোটি ডোজ টিকা কেনার প্রস্তাবে অনুমোদন দেয় সরকার।

দুই মাসের বেশি সময় পর বৃহস্পতিবার চীনা কোম্পানি সিনোফার্ম ও যুক্তরাষ্ট্রের ফাইজারের তৈরি করোনাভাইরাসের টিকা নিয়ে সারা দেশে এরই মধ্যে নতুন করে গণ টিকাদান শুরু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঢাকায় সিনোফার্মের টিকা দেওয়া হচ্ছে ৪০টি কেন্দ্রে। আর ফাইজারের টিকা দেওয়া হচ্ছে সাতটি কেন্দ্রে।

গত ৭ ফেব্রুয়ারি ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দিয়ে দেশে গণটিকাদান শুরু হয়। কিন্তু টিকা সঙ্কট দেখা দিলে গত ২৫ এপ্রিল সে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। সেসময় টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হচ্ছিল।

সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে এ পর্যন্ত ১ কোটি ২ লাখ ডোজ টিকা এসেছে। যারা প্রথম ডোজ পেয়েছেন, তাদের সবাইকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার মতো টিকা না থাকায় অন্য উৎস থেকে টিকা সংগ্রহের উদ্যোগ নেয় সরকার।

::অনলাইন নিউজ::

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

গাজীপুরে লকডাউন বাস্তবায়নে জোরালো পদক্ষেপ: মামলা ও  জরিমানা

 

 

যশোরে গত ২৪ঘন্টায় করোনায় মৃত্যু ৯ ও সনাক্ত ২৮০

 

করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ডেল্টা সীমান্তবর্তী যশোর জেলার উপর দিয়ে অপ্রতিরোধ্য গতিতে প্রবাহিত হচ্ছে। করোনার অধিক সংক্রমণশীল ও ক্ষতিকর প্রভাবের কারণে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা প্রতিদিন বেড়েই চলছে। করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য দায়ী জনগণের অসচেতনতা।

গতবছর ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী সনাক্তের পর সরকারি বেসরকারিভাবে করোনা প্রতিরোধের উপায় ও করণীয় কাজ সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করার পরও সে সকল বিষয় বিশেষ করে মাস্ক ব্যবহার, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা , হাত ধোয়া ও জনসমাগম এড়িয়ে চলার বিষয় সমূহ আজও তাদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে প্রয়োগের ক্ষেত্রে খুবই অনিহা।

আর তাই করোনার সংক্রমণ ও করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা গাণিতিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশ সরকার পুনরায় সমগ্র দেশব্যাপী গতকাল থেকে এক সপ্তাহের জন্য কঠোর লকডাউন ঘোষণা করেন। লকডাউন বাস্তবায়নে ও অযাচিত বাইরে ঘোরাঘুরি বন্ধ করতে সারাদেশের ন্যায় যশোরেও কাজ করছেন সম্মূখ সারীর করোনা যুদ্ধা,জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, বিজিবিসহ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অকুতোভয় কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

আজ ২ জুলাই-২০২১ রোজ শুক্রবার যশোর জেলা সিভিল সার্জন অফিসের করোনা ফোকাল পার্সন জানান, গত ২৪ ঘন্টায় যশোরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২ জন এবং করোনার উপসর্গ নিয়ে ৭ জনসহ মোট ৯ জন মৃত্যু বরণ করেছেন যারা যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘন্টায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম সেন্টারে ৭০৮ টি নমুনা পরীক্ষায় ২১৭ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিলক্ষিত হয়েছে। এছাড়া ১৯০ জনের অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিলক্ষিত হয়েছে ৫৯ জনের শরীরে এবং ৫ জনের জীন এ্যাক্সপার্ট পরীক্ষায় আরও৪ জনসহ মোট ২৮০ জন নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন।এই নিয়ে যশোর জেলায় করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হলো ১২ হাজার ৭ শত ৮৭ জন।

গত ২৪ ঘন্টায় যশোর সদরে সর্বোচ্চ ১৭৭ জন,ঝিকরগাছায় ৩০ জন, শার্শায় ২০ জন,কেশবপুরে ২০ জন, অভয়নগরে ১৯ জন, বাঘারপাড়ায় ৬ জন, চৌগাছায় ৫ জন এবং মনিরামপুরে ৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। উল্লেখ্য করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে জেলা উপজেলায় লকডাউন বাস্তবায়নে কাজ করা জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছেন।তাদের এ কার্যক্রম প্রতিদিন অব্যাহত থাকবে বলে জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে।

 নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহারের কয়লার প্রথম চালান পাঠাল ভারত

 

খুলনায় শেখ আবু নাসের হাসপাতালে ৪৫ বেড নিয়ে করোনা ইউনিট চালু

 

খুলনায় শেখ আবু নাসের বিশেসায়িত  হাসপাতাল নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত।  প্রতিদিন খুলনা করোনা সংক্রমনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীদের চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল, খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিট ও বেসরকারি গাজী মেডিক্যাল হাসপাতালে পর্যাপ্ত সীট না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে রোগী ও তাদের স্বজনরা।

হাসপাতালে ভর্তি হতে না পেরে অনেক রোগীই সু-চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে । ফলে করোনায় আক্রান্ত হয়ে অনেকটাই মৃত্যুর ঝুকিতে রয়েছে তারা। খুলনায় করোনা হাসপাাতালের রোগীর চাপ সামাল দিতে আজ শনিবার সকাল থেকে ৪৫ বেড নিয়ে চালু হচ্ছে করোনা ইউনিট । তবে এই হাসাপাতালে শুধু চিকিৎসাই নেয়া যাবে । কোন রোগীর নমুনা পরীক্ষা করার কোন ব্যাবস্থা নেই আবু নাসের হাসপাতালে ।

অন্যদিকে করোনা আক্রান্তর সংখ্যা বাড়তে থাকায় ২৩০ বেড থেকে বাড়িয়ে ১৫০ বেড করা হয়েছে । চলতি সপ্তার মধ্যে ২০০ বেড করা হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতার কর্তৃপক্ষ । জানা যায়, গত ২৯ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক পত্রের মাধ্যমে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে করোনা ইউনিট চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়।

সেই নির্দেশ মোতাবেক গত ৩০ জুন সকালে হাসপাতালের সভা কক্ষে বিভাগীয় প্রধানদের নিয়ে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হাসপাতালের উত্তর পাশের জরুরী বিভাগ সংলগ্ন প্লাস্টিক অ্যান্ড বার্ন ইউনিটের ২০টি এবং ফিজিক্যাল মেডিসিনি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগে ১৫টি বেড স্থাপন কার্যক্রম শুরু হয়। ওই ৩৫টি বেড ছাড়াও চতুর্থ তলার আইসিইউ বিভাগের ১০টি বেডও করোনার রোগীদের জন্য প্রস্তুত করা হয়।

আইসিইউর ১০টিসহ মোট ৪৫টি বেডে রোগী ভর্তি করা হবে। নিচ তলা থেকে রোগীদের চতুর্থ তলার আইসিইউতে নেওয়ার জন্যও ব্যবহার করা হবে পৃথক লিফট। শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) এবং করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. প্রকাশ চন্দ্র দেবনাথ জানান, শনিবার (৩ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে করোনা রোগী ভর্তির মধ্য দিয়ে আবু নাসের হাসপাতালে করোনা ইউনিটের যাত্রা শুরু হবে। করোনা ইউনিটে ৩৫টি জেনারেল ও ১০টি আইসিইউ বেডে করোনা পজিটিভ রোগী ভর্তি করা হবে ।

পর্যাক্রমে ৩টি সিফটে রোগীদের সেবা দেওয়া হবে। প্রতি সিফটে দু’জন করে চিকিৎসক ও ১০ জন নার্স তাদের দায়িত্ব পালন করবে। খুলনা মেডিক্যালের করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ১৩০ বেড, খুলনা জেনারেল হাসপাতালের ৭০ বেড, বেসরকারি গাজী মেডিক্যাল হাসপাতালে ১২০ বেড ও শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে ৪৫ বেড মিলিয়ে ৩৬৫ বেডে jazwকরোনা আক্রন্ত রোগীরা চিকিৎসা সেবা নিতে পারবেন।

অন্যদিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালের ১৩০ বেডের করোনা ইউনিট বাড়িয়ে ১৫০ বেডে করা হয়েছে । হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ রবিউল হাসান জানান, করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় আরো ২০ বেড বাড়ানো হয়েছে । চলতি সপ্তাহর মধ্যে ২০০ বেডের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি ।x

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

করোনা সংক্রমণ থেকে সুরক্ষিত থাকতে পুলিশ কমিশনার মসজিদে বক্তব্য

 

করোনা সংক্রমণ থেকে সুরক্ষিত থাকতে পুলিশ কমিশনার মসজিদে বক্তব্য

 

করোনা সংক্রমণ থেকে সুরক্ষিত থাকতে ০২ জুলাই ২০২১ পুলিশ কমিশনার বিএমপি মোঃ শাহাবুদ্দিন খান, বিপিএম-বার মহোদয় কোতোয়ালি মডেল থানাধীন চকবাজারস্থ ঐতিহ্যবাহী জামে এবাদুল্লাহ মসজিদে জুম্মার নামাজের খুতবা পাঠের পূর্বে স্বাস্থ্যবিধি পালন ও লকডাউন বাস্তবায়নে নগরবাসীকে উদ্বুদ্ধ করতে সচেতনতামূলক বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন আমরা যদি নিয়মিতভাবে মাস্ক পরিধান না করে অন্যের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলি তবে এজন্য আমাদেরকে কাল কেয়ামতে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে জবাবদিহিতা করতে হবে। আর আমরা যদি অন্যকে সুরক্ষিত রাখার নিয়তে নিয়মিতভাবে মাস্ক পরিধান করি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি তবে নিশ্চয়ই এটি একটি পুণ্য হিসেবে গণ্য হবে।

তিনি আরও বলেন বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস এর সংক্রমণ থেকে দেশ ও জাতিকে সুরক্ষিত রাখতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোন বিকল্প নেই। এই মুহূর্তে মাস্কই হলো আমাদের কাছে প্রথম ও প্রধান ভ্যাকসিন। তাই আমরা যদি মাস্ক পরাকে আমাদের অভ্যেসে পরিণত করি আমরা যদি নিয়মিতভাবে কোনো কিছু স্পর্শ করার আগে ও পরে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করি।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখি তাহলে করোনার ভয়াল ছোবল থেকে আমরা দেশ ও জাতিকে অনেকাংশেই সুরক্ষিত রাখতে পারব। এসময় তিনি সরকার ঘোষিত লকডাউন বাস্তবায়নে অতি জরুরী প্রয়োজন ব্যতীত জনগণকে ঘরে থাকার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি পুলিশি সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক গৃহীত নানামুখী পদক্ষেপ। যেমন- বিট পুলিশিং, কমিউনিটি পুলিশিং, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন, ওপেন হাউজ ডে সহ সকল কর্মকাণ্ডে জনগণকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

এসময় কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব নুরুল ইসলাম পিপিএম সহ এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগণ মসজিদে উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য যে বিএমপি’র সকল ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ সহ বিভিন্ন পদ-পদবির পুলিশ সদস্যগণ আজ বরিশাল মহানগরীর ৩৭০ টি মসজিদে। জুম্মার নামাজের খুতবা পাঠের পূর্বে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি পালন ও লকডাউন বাস্তবায়নে নগরবাসীকে উদ্বুদ্ধ করতে সচেতনতামূলক বক্তব্য রাখেন।

//পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

লকডাউন লঙ্ঘনে খুলনায় ৩৮মামলায় ১৮ হাজার টাকা জরিমানা

 

লকডাউন লঙ্ঘনে খুলনায় ৩৮মামলায় ১৮ হাজার টাকা জরিমানা

 

লকডাউন লঙ্ঘনে খুলনায় ৩৮মামলায় ১৮ হাজার টাকা জরিমানা।  বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ভারতের পার্শ্ববর্তীযশোর, খুলনা,সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, বাগেরহাট, কুষ্টিয়া, নড়াইল ও মাগুরা জেলায় করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা গাণিতিক হারে প্রতিদিন বেড়েই চলছে।

আজও খুলনা বিভাগের এই ১০ জেলায় করোনা সংক্রমিত হয়ে সর্বোচ্চ ৩৯ জন মৃত্যু বরণ করেছেন। মৃত্যুর এই মহামিছিলের বিষাক্ত রথ যেন কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না। কারণ হিসাবে দেখা যায় খুলনা বিভাগের অধিকাংশ করোনায় আক্রান্ত রোগীর শরীরে ডেল্টার প্রভাব পরিলক্ষিত। যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতানুসারে করোনার সব চেয়ে মারাত্মক ভ্যারিয়েন্ট। ফলে ডেল্টার সংক্রমিত অধিকাংশ লোক অতিমাত্রায় সুস্থ্যলোকদের সংক্রমিত করছে এবং মৃত্যুর দোয়ারে পৌঁছে দিতে সহযোগিতা করছে।

আর তাই করোনার সংক্রমণের এই চেইন ধ্বংস করার জন্য দেশব্যাপী করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে ১ জুলাই -২০২১ থেকে বাংলাদেশ সরকার সারাদেশে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছেন। আর এই বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে কাজ করছে জেলা প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবিসহ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

লকডাউন লঙ্ঘনে খুলনায় ৩৮মামলায় ১৮ হাজার টাকা জরিমানা

তারই ধারাবাহিকতায় ২ জুলাই-২০২১ রোজ শুক্রবার সকালে সমগ্র দেশের ন্যায় খুলনা জেলাতেও সরকারি নির্দেশনা যথাযথ বাস্তবায়নের জন্য খুলনা মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন এবং স্বাস্থ্যবিধি পালন না করা ও অকারণে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করার দায়ে ৩৮ জনকে ৩৮ টি মামলায় ১৮ হাজার ৬ শত ৫০ টাকা জরিমানা করেন। উল্লেখ্য যতদিন পর্যন্ত করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে না আসবে ততদিন পর্যন্ত এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

কালিহাতী ৩০০ পিস ইয়াবসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব

 

করোনা ভাইরাসে খুলনায় গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ৩৫,শনাক্ত ১২৫০

 

করোনা ভাইরাসে খুলনায় ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় এই বিভাগে রেকর্ড ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ২৪৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

এর আগে খুলনা বিভাগে গত মঙ্গলবার (২৯ জুন) সর্বোচ্চ ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছিল। আজ সেই রেকর্ড ভেঙে সর্বোচ্চ ৩৫ জনের মৃত্যু হলো। আজ বৃহস্পতিবার বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক রাশেদা সুলতানা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এদিকে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালগুলোতে শয্যা সংকট দেখা দিয়েছে।

সংকট দেখা দিয়েছে অক্সিজেনের।

ফলে রোগীদের দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। পাশাপাশি চিকিৎসক ও সেবিকাদের সেবা প্রদানে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে কুষ্টিয়ায় সাতজন, যশোরে সাতজন, খুলনায় চারজন, ঝিনাইদহে চারজন, সাতক্ষীরায় চারজন, মেহেরপুরে তিনজন, নড়াইলে তিনজন, চুয়াডাঙ্গায় দুজন ও বাগেরহাটে একজন মারা গেছেন। খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায় গত বছরের ১৯ মার্চ। করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ৫৭ হাজার ৫২০ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ১০৫ জন। এ সময় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৮ হাজার ৯৩০ জন।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বাংলাদেশে আজ করোনায় মৃত্যু ১৪৩, সনাক্ত ৮৩০১ জন

দেশব্যাপী লকডাউনের ঘোষণায় নড়াইলে চলছে কঠোর লকডাউন!

মৃত্যুর মিছিলে যশোরে আজও যুক্ত হলো সর্বোচ্চ ২৪ জন

 

 

বাংলাদেশে আজ করোনায় মৃত্যু ১৪৩, সনাক্ত ৮৩০১ জন

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

বাংলাদেশে আজ করোনায় মৃত্যু ১৪৩, সনাক্ত ৮৩০১ জন , মোট মৃত্যু ১৪,৬৪৬  মোট সনাক্ত ৯,২১,৫৫৯ ।