টাঙ্গাইলে নতুন ১৯৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত

মোঃ আল-আমিন শেখ, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইল জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আরো ১৯৩ জন ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

জেলা সিভিল সার্জন অফিস সুত্রে জানা গেছে, ৪৩৭ টি নমুনা পরীক্ষা করে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৯৩ জন।

জেলায় শনাক্তের হার শতকরা ৪৪ দশমিক ১৬ ভাগ। জেলায় মোট করোনা রোগী ৭৩৮৭ জন। এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যুবরন করেছেন ১০৮জন। আজকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে করোনা ওয়ার্ডে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন ৪ জন। মোট ভর্তি আছেন সারা জেলায় ৪৫৭ জন।

এদের মধ্যে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে ৬ জন আর জেনারেল বেডে ২২ জন। জেলার হাসপাতালগুলোতে আইসোলেশনে আছেন ৫১ জন। রোগীদের মধ্যে নতুন সুস্থ হয়েছেন ৬৭ জন এবং মোট সুস্থ হয়েছেন ৪৬৩৬ জন।

করোনা ভাইরাস: মোটরসাইকেলে চালক ছাড়া কেউ থাকবেনা

 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে মোটরসাইকেলে চালক ছাড়া অন্য আরোহী বহন না করতে অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। সোমবার (২৮ জুন) রাতে ডিএমপির পক্ষ থেকে এ অনুরোধ জানানো হয়।

ডিএমপির পক্ষ থেকে বলা হয়, লক্ষ্য করা যাচ্ছে, লকডাউনের মধ্যে মোটরসাইকেলে চালকের সঙ্গে পরিচিত ব্যক্তি রাইড শেয়ার করছেন। অথবা কেউ কেউ পেশাগত কারণেও রাইড শেয়ার করছেন। ফলে একই ব্যবহৃত হেলমেট বারবার বিভিন্ন মানুষ ব্যবহার করছেন। এতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে।

এ অবস্থায় বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় জরুরি প্রয়োজনে রাজধানীতে চালক ব্যতীত অন্য আরোহী নিয়ে মোটরসাইকেলে চলাচলে নিরুৎসাহিত করছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। স্বাস্থ্যবিধি মেনে রিকশায় যাতায়াতের জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে আজ সোমবার (২৮ জুন) থেকে সারাদেশে সীমিত পরিসরে লকডাউন কার্যকর হয়েছে। লকডাউন চলবে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। রোববার (২৭ জুন) বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) থেকে সাত দিন সারাদেশে ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ শুরু হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।

রবিবার (২৭ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় আগের সব বিধিনিষেধ ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় কিছু শর্তাবলী সংযুক্ত করে ২৮ জুন সকাল ৬টা থেকে থেকে ১ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ আরোপ করা হলো।

 

নতুন যুক্ত হওয়া শর্তাবলী:

১. সারাদেশে পণ্যবাহী যানবাহন ও রিকশা ছাড়া সব গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী থেকে নিয়মিত টহলের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

২. সব শপিং মল, মার্কেট, পর্যটনকেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

৩. খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রয় (শুধুমাত্র অনলাইন/টেক ওয়ে) করতে পারবে।

৪. সরকারি-বেসরকারি অফিস ও প্রতিষ্ঠানগুলো শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারীর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে নিজ নিজ অফিসের ব্যবস্থাপনায় তাদের আনা-নেওয়া করতে হবে।

৫. জনসাধারণকে মাস্ক পরার জন্য আরও প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

এর আগে, ২৪ জুন কোভিড-১৯ কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লাহ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সারাদেশে ১৪ দিনের ‘শাটডাউন’র সুপারিশ করা হয়। এতে বলা হয়, দেশে কোভিড-১৯ রোগের ভারতীয় ডেল্টা ধরনের সামাজিক সংক্রমণ চিহ্নিত হয়েছে। ইতোমধ্যে এর প্রকোপ অনেক বেড়েছে। এ প্রজাতির জীবাণুর সংক্রমণ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি।

::অনলাইন নিউজ::

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশাল নগরীতে ধারালো অস্ত্রসহ ২ কিশোর সন্ত্রাসী গ্রেফতার

 

খুলনা ক‌রোনা হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের ভীড় নাকরার আহবান

 

করোনাভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা ও মহানগর কমিটির সভা আজ সোমবার (২৮ জুন) দুপুরে খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদার। খুলনাতে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সভায় বিবিধ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। খুলনা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডাঃ মেহেদী নেওয়াজ বলেন, হাসপাতালগুলোতে কোভিড রোগীর সাথে দেখা করতে আসা ব্যক্তিদের মাধ্যমে রোগ সংক্রমণ বহুগুণ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এটা নিয়ন্ত্রণে অবিলম্বে জরুরি ব্যবস্থা নেয়া দরকার। সব উপজেলা হাসপাতালে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের মজুদ রয়েছে। উপজেলা থেকে মহানগর হাসপাতালগুলোতে ভীড় না করে রোগীদের উপজেলা হাসপাতালেই জরুরি স্বাস্থ্যসেবা দিতে হবে। কেসিসির প্যানেল মেয়র আলী আকবর টিপু বলেন, করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে যাতে রোগ না ছড়ায়

এজন্য সংশ্লিষ্ট বাড়িতে লাল পতাকা চিহ্নিত করা দরকার। ইজিবাইক চালকসহ নিম্নআয়ের মানুষদের চিহ্নিত করে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রাখতে হবে। জেলা প্রশাসক বলেন, ইতোপূর্বে জারিকৃত গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী জরুরি পরিসেবা সকাল সাতটা থেকে দুইটা পর্যন্ত খোলা থাকবে। তবে সোনাডাঙ্গা পাইকারী কাঁচাবাজার বেলা ২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

এক্ষেত্রে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরিধান করতে হবে এবং বাজারে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে। মসজিদগুলোতে মাস্ক পরিধান বাধ্যতামূলক। কোথাও চায়ের দোকান খোলা থাকবে না। করোনা প্রতিরোধে প্রতিটি ওয়ার্ডে স্বেচ্ছাসেবক টিমকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে।

মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করতে মোবাইলকোর্টের মাধ্যমে জরিমানা আদায়, স্বাস্থ্যবিধি পালনে মনিটরিং জোরদার করা এবং প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হতে প্রচার-প্রচারণা চলমান থাকবে। সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মোঃ কামাল হোসেন এবং বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক ডাঃ রাশেদা সুলতানা অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।

জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় খুলনার উপপুলিশ কমিশনার মোঃ এহসান শাহ, সিভিল সার্জন ডাঃ নিয়াজ মোহাম্মদ, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার জিনাত আরা আহমেদ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ মোঃ রবিউল হাসান, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোঃ ইকবাল হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ ইউসুপ আলী, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পদক এমডিএ বাবুল রানা, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম জাহিদ হোসেন, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুন্সি মোঃ মাহবুব আলম সোহাগ ও কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

// আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

প্রয়াত মনোয়ারা জামান এর ১ম মৃত্যুবার্ষিকীতে মহম্মদপুরের মসজিদে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

 

‘‘কঠোর লকডাউনের‘‘ মেয়াদ ৭জুলাইর পরেও বাড়তে পারে

 

করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আগামী ১ থেকে ৭ জুলাই পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তা আবার বাড়তে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দাকার আনোয়ারুল ইসলাম।

সোমবার দুপুরে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, আমাদের যেটা এক্সপিরেয়েন্স সেটা হলো- চাপাইনবাবগঞ্জ স্ট্রিক্টলি ব্লক করে দেওয়ায় সংক্রমণ অনেক কমে গেছে। সাতক্ষীরায় ইমপ্রুভ করেছে। যেখানে যেখানে আমরা মুভমেন্ট রেসস্ট্রিক্ট করে দিয়েছি সেখানে ইমপ্রুভ করেছ। সরকার যদি মনে করে আরও সাতদিন যেতে হবে, সেটাও বিবেচনায় আছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া আগামী ১ জুলাই থেকে ৭ জুলাই রাত ১২টা পর্যন্ত ঘরের বাইরে বের হওয়া নিষেধ।  

তিনি বলেন, এই সময়ে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। বিধিনিষেধ চলাকালে এবার কোনো মুভমেন্ট পাস থাকবে না।

‘জরুরি সেবা ছাড়া কেউ ঘর বের হতে পারবে না। জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব অফিস-আদালত সব বন্ধ থাকবে।’

খন্দাকার আনোয়ারুল ইসলাম আরও বলেন, লকডাউন, শাটডাউন এসব কিছু না, কড়া বিধিনিষেধ পালন করা হবে। আগামী ১ জুলাই থেকে ৭ জুলাই কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। বিধি-নিষেধ বাস্তবায়নে মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বিজিবি।

তিনি বলেন, আমরা সারাদেশের স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা ভিডিও প্রেজেন্টেশনে দেখছি দেশের একটা বড় অংশ রেড, অরেঞ্জ হয়ে যাচ্ছে। কিছু বাস্তব কারণে ৩০ জুন পর্যন্ত করতে পারছি না। তবে ১ জুলাই থেকে ৭ জুলাই স্ট্রিক বিধিনিষেধ আরোপ হবে।

এই সাতদিন সাধারণ ছুটি কি না- প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ছুটি থাকবে কেন? নিষেধাজ্ঞা। লকডাউন আর নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পার্থক্য আছে। সব বন্ধ করে দিতে পারবেন না। জরুরি সেবা চালু থাকবে।

পোশাক শিল্প বা রপ্তানিমুখী শিল্প কারখানা বন্ধ থাকবে কি না জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এ বিষয়ে আবার বসা হবে, হয় তো কালকেই (মঙ্গলবার) বিস্তারিত তথ্য পেয়ে যাবেন।

বিধিনিষেধ বাস্তবায়ন কৌশল সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, এরইমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। আগামীকাল বা পরশুদিন আবার বসব। সেখানে বিস্তারিত আলাপ হবে।

প্রসঙ্গত করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে তিন দিনের লকডাউনের প্রথম দিন আজ। চলবে আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে সব ধরনের গণপরিবহণ বন্ধ থাকবে। দোকানপাট ও শপিংমলও বন্ধ থাকবে।

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

নো মুভমেন্ট পাস: ১-৭ জুলাই পর্যন্ত থাকবে কঠোর বিধিনিষেধ

 

 

নো মুভমেন্ট পাস: ১-৭ জুলাই পর্যন্ত থাকবে কঠোর বিধিনিষেধ

 

নো মুভমেন্ট পাস : মহামারী  করোনা ভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আগামী ১ জুলাই থেকে ৭ জুলাই রাত ১২টা পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

প্রজ্ঞাপিত বিধি-নিষেধ বাস্তবায়নে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বিজিবি মাঠে থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

রোববার দুপুরে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব এসব কথা জানান।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, লকডাউন, শাটডাউন এসব কিছু না, কড়া বিধিনিষেধ পালন করা হবে। এবার পুলিশের কোনো মুভমেন্ট পাস থাকবে না। একবারে জরুরি সেবা ছাড়া কেউ ঘর হতে বের পারবে না। জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব অফিস-আদালত সব বন্ধ থাকবে।

আগামীকাল মঙ্গলবার বিধিনিষেধের বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানান তিনি।

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশাল নগরীতে চলছে ঢিলেঢালা লকডাউন

 

 

বরিশাল নগরীতে চলছে ঢিলেঢালা লকডাউন

 

বরিশাল নগরীতে চলছে ঢিলেঢালা লকডাউন , সারাদেশে মহামারী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় পণ্যবাহী যানবাহন ও রিক্সা ব্যতীত সব গণপরিবহন বন্ধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। চলছে সীমিত লকডাউন।

বরিশালে সোমবার (২৮ জুন) সকাল থেকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা লকডাউনে কার্যকরে মাঠে রয়েছে। বন্ধ রয়েছে শপিংমল, দোকান পাঠ। তবে ফাঁকা সড়কে মানুষের উপস্থিতি বেড়েছে। বিশেষ করে রিক্সা ব্যতীত অন্য পরিবহন বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষ পায়ে হেটেই গন্তব্যে ছুটছেন। সরেজমিনে বরিশাল নগরীর বিভিন্ন স্থান ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। গতকাল রবিবার (২৭ জুন) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এতে বলা হয়, সারাদেশে পণ্যবাহী যানবাহন ও রিক্সা ব্যতীত সব গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিয়মিত টহলের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। যার ধারাবাহিকতায় সকাল থেকে বরিশাল নগরীর বিভিন্ন সড়কে টহল দিচ্ছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। ফলে নগরীর সব দোকানপাট ও শপিংমলগুলো বন্ধ রয়েছে।

তবে সীমিত পরিসরে লকডাউন ঘোষণা করায় সাধারণ মানুষ কিন্তু ঠিকই রাস্তায় বেরিয়েছেন। তাদের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়নি। এছাড়া দোকানপাট বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন মার্কেটের সামনে জড়ো হয়ে গল্প করতে দেখা গেছে।

বরিশাল নগরীর ব্যস্ততম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় দেখা গেছে, অভ্যন্তরীন ও দূরপাল্লার পরিবহন বন্ধ রয়েছে। এতে অনেক মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছে। সবমিলিয়ে সীমিত পরিসরে ঘোষিত লকডাউন বরিশালে ঢিলেঢালাভাবে চলছে।

এদিকে গত ২৪ ঘন্টায় বরিশালে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৭২ জন। যার মধ্যে বরিশাল সিটিতেই ৪৬ জন ।

 //পলাশ চন্দ্র দাস ::বরিশাল প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

টাঙ্গাইলে নতুন করে ১৬১ জন করোনায় আক্রান্ত

 

 

টাঙ্গাইলে নতুন করে ১৬১ জন করোনায় আক্রান্ত

গত ২৪ ঘন্টায় সোমবার টাঙ্গাইলে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ১৬১ জন। টাঙ্গাইলে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রতিদিনই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

৩৭১টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৬১ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার শতকরা ৪৩ দশমিক ৩৯ ভাগ।

আক্রান্তদের মধ্যে, টাঙ্গাইল সদর ৯৫, নাগরপুরে ১, দেলদুয়ার ৭, সখীপুরে ১, মির্জাপুর ৩, বাসাইল ১৪, কালিহাতী ২০, ঘাটাইল ৭,  মধুপুর ৮ ও ভূঞাপুর ৫ নিয়ে মোট ১৬১ জন। জেলায় মোট করোনায় আক্রান্ত ৭ হাজার ১৯৪ জন।

এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছে ৪ হাজার ৫৬৯জন। মোট মৃত্যু বরন করেছেন ১০৮ জন। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মোঃ শাহাবুদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এদিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটে সর্বমোট ৪৫৩ জন রোগী ভর্তি হয়।

এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩২৭ জন। উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করা হয়েছে ৬৭ জন। বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনালে হাসপাতালে আইসিইউ বেডে ৬ ও জেনারেল বেডে ২৩ জন।

অন্যদিকে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কপ্লেক্সে ৫, মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৬ ও ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩ জন সহ জেলায় সর্বমোট ৪৩ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে।

 //মোঃ আল-আমিন শেখ, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

যশোরে গত ২৪ঘন্টায় মৃত্যু ৫ সনাক্ত ৪৫৪

টাঙ্গাইলে করোনায় ১ জনের মৃত্যু, নতুন করে আক্রান্ত ১০১

টাঙ্গাইলে করোনায় ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৪৯

মগবাজারে রহস্যজনক বিস্ফোরনে ৬ জন নিহত, আহত অর্ধশতাধিক

 

 

যশোরে গত ২৪ঘন্টায় মৃত্যু ৫ সনাক্ত ৪৫৪

 

যশোরে গত ২৪ঘন্টায় মৃত্যু বেড়েছে, বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সীমান্তবর্তী যশোর জেলার বিভিন্ন উপজেলার উপর দিয়ে তীর্যকভাবে প্রবাহিত হচ্ছে। করোনার এই দ্বিতীয় সুনামি মোকাবেলায় যশোর জেলা প্রশাসন বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহন করলেও সাধারণ জনগণের মধ্যে করোনা রোধে করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়সমূহ পালনে অনিহাই সংক্রমনের বড় কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে।

অন্যদিকে উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে ঘরে ঘরে জ্বর থাকলেও করোনার পরীক্ষায় প্রচন্ড অনিহা যা করোনা বিস্তারে সহায়তা করছে।এছাড়াও যশোর বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে এখনও ভারত- বাংলাদেশ থেকে লোক আসা যাওয়া করায় যশোর জেলায় করোনা সংক্রমনের গতিকে বেশি প্রভাবিত করছে। আজ ২৮ জুন-২০২১ রোজ সোমবার যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ও সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় যশোর করোনা ডেডিকেটড হাসপাতালে করোনায় ১ জন ও করোনার উপসর্গ নিয়ে ৪ জন,সর্বোসাকুল্যে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া গত ২৪ ঘন্টায় ৯২৮ টি নমুনা পরীক্ষায় ৪৫৪ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিলক্ষিত হয়েছে। সনাক্তের হার ৪৮.৯২ শতাংশ। বর্তমানে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটের ৯৯ সীটের অধীনে ভর্তি আছে ১৪৩ জন। শয্যার চেয়ে রোগী বেশি হওয়ায় যেমন রোগীরা সমস্যায় পড়ছেন ঠিক একই ভাবে ডাক্তার ও নার্সরা এই অতিরিক্ত রোগীদের চিকিৎসা এবং সেবা প্রদানে হিমশিম খাচ্ছেন।

এ পর্যন্ত করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে ১১ হাজার ৭ শত ৬৬ জন।তাদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ৮ শত ৮৮ জন এবং মৃত্যু বরণ করেছেন ১৩৪ জন।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

গত ২৪ ঘন্টায় খুলনার ২ হাসপাতালে মৃত্যু ১১ ও সনাক্ত ১৮৪

 

 

গত ২৪ ঘন্টায় খুলনার ২ হাসপাতালে মৃত্যু ১১ ও সনাক্ত ১৮৪

 

গত ২৪ ঘন্টায় খুলনার উপর দিয়ে বয়ে চলেছে করোনার মারাত্মক প্রকোপ । ৫৯ টি জেলায় কম বেশি করোনা পজেটিভ রোগী পাওয়া গিয়েছে এবং করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণও করেছেন। করোনার সুপার পাওয়ার ঢাকা থেকে বিস্তৃত হয়ে সীমান্তবর্তী ১৩ জেলার উপর দিয়ে অপ্রতিরোধ্য গতিতে বয়ে চলেছে। বিশেষ করে রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে করোনা সংক্রমণের বিস্তার ও মৃত্যু নিভৃত পল্লীতে পৌঁছে গেছে।

২৮ জুন-২০২১ রোজ সোমবার খুলনার করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের ফোকাল পার্সন ও গাজী মেডিকেল কলেজের সত্ত্বাধিকারীর দেওয়া তথ্যানুযায়ী খুলনায় গত ২৪ ঘন্টায় তিনটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন করোনা রোগী ও করোনার লক্ষণ যুক্ত ১১ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে খুলনা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে এবং অপর ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বেসরকারি গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১৩০ শয্যার করোনা ইউনিটে ১৬৯ জন চিকিৎসাধীন আছেন।

এর মধ্যে রেডজোনে ৯৯ জন, ইয়ালোজোনে ২৫ জন, আইসিইউতে ১৯ জন এবং এইচডিইউতে ২০ জন। গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ৯৮ জন রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন ২৬ জন ভর্তি হয়েছেন।

এ হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি আছেন ৪ জন এবং এইচডিইউতে ৯ জন। খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র জানান, গত ২৪ ঘন্টায় এ হাসপাতালে কোন রোগীর মৃত্যু হয়নি।চিকিৎসাধীন ৬৭ জনের মধ্যে পুরুষ ৩৩ জন ও মহিলা ৩৪ জন।আর নতুন ভর্তি হয়েছেন ৯ জন। খুলনা মেডিকেল কলেজের পিসিআর মেশিনে গত ২৪ ঘন্টায় ৪৬৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৮৪ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিলক্ষিত হয়েছে।

পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লষণে দেখা যায় সনাক্তের হার ৩৯.৬৫ শতাংশ। এর মধ্যে খুলনা জেলার ৩৩০ টি নমুনায় ১৩২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিলক্ষিত হয়েছে। ফলে শুধু খুলনা জেলায় সংক্রমণের হার ৪০ শতাংশ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

জগন্নাথপুর পৌর মেয়রের সাথে ব্যবসায়ী সমিতির মতবিনিময়

 

খুলনা মেডিকেল কলেজ ও জেনারেল হাসপাতালে ২০টি হাই-ফ্লো ন্যাজল ক্যানোলা হস্তান্তর

// আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা বিভাগীয় কমিশনার উদ্যোগে এবং এস আলম গ্রুপের সৌজন্যে জাতীয় দুর্যোগ করোনা মহামারী মোকাবেলায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও খুলনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে যথাক্রমে ১৫টি ও পাঁচটি মোট ২০টি হাই-ফ্লো ন্যাজল ক্যানোলা হস্তান্তর শনিবার বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইসমাইল হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে এই হাই-ফ্লো ন্যাজল ক্যানোলা হস্তান্তর করেন। এসময় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোঃ আব্দুর রশিদ, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ মোঃ রবিউল হাসান, খুলনা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডাঃ মেহেদী নেওয়াজ, খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রতিনিধি, প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম জাহিদ হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

টাঙ্গাইলে করোনায় ১ জনের মৃত্যু, নতুন করে আক্রান্ত ১০১