মহামারীর মৃত্যু নিয়েেও বানিজ্য…!  কলকাতায় করোনায় মৃতের সৎকার নিয়ে রমরমা বাণিজ্য!

 

 

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ভারতে প্রতিদিন হাজার হাজার রোগীর মৃত্যু হচ্ছে। আর সেই মৃত রোগীদের দেহ সৎকারে চলছে রমরমা বাণিজ্য। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কলকাতায় দেহ সৎকারে বিভিন্ন ‘প্যাকেজও’ চালু হয়েছে এরই মধ্যে।

আনন্দবাজার জানিয়েছে, করোনায় মৃতদের দেহ সৎকার করা নিয়ে কলকাতায় শহরে নানা অলিখিত ‘প্যাকেজ’ চালু হয়েছে। প্রতিদিন মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে যত বাড়ছে, ততই সেই সব প্যাকেজের খরচ বাড়ছে।

কারো থেকে স্রেফ সরকার নির্ধারিত শ্মশানে মৃতদেহ পৌঁছে দিতে ১২ হাজার তো কারও থেকে ১৫ হাজার টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

যদিও গত বছর এই সব করতে তিন হাজার টাকার বেশি নেওয়া যাবে না বলে ঘোষণা করেছিল পৌরসভা। কিন্তু এখন শুধু বাড়তি টাকা চাওয়াই নয়, প্রিয়জনের শেষকৃত্যের ছবি পাওয়ার বা বিশেষ কিছু জিনিস মৃতদেহের সঙ্গে পাঠানোর ইচ্ছে থাকলে সেই সংক্রান্ত খরচও আলাদা করে দিতে বলা হচ্ছে মৃতের পরিবারকে।

আবার মোটা টাকার প্যাকেজ নিতে রাজি থাকলে বাড়ি বসেই মিলছে চিতাভস্ম! রয়েছে মৃতদেহের সঙ্গে শেষ বার ছবি তোলার ‘ইচ্ছাপূরণের’ সুযোগও!

খবরে বলা হয়, ‘লাস্ট রাইটস উইশ’, ‘গুডবাই’, ‘সি ইউ ইন দ্য অ্যানাদার ওয়ার্ল্ড’ নামে বেশ কিছু সংস্থা তৈরি হয়েছে গত কয়েক দিনে। বেসরকারি হাসপাতাল তো বটেই, সরকারি হাসপাতাল থেকেও এই সব সংস্থা কোভিড মৃতদের দেহ সৎকারের জন্য নিয়ে যাচ্ছে। বেসরকারি ক্ষেত্রে হাসপাতাল থেকেই মৃতের পরিবারের ফোন নম্বর তাদের দিয়ে দেওয়া হচ্ছে কমিশনের ভিত্তিতে।

এমনই একটি সংস্থার নম্বরে ফোন করা হলে, মৃতের নাম, ঠিকানা, তিনি কোন হাসপাতাল ভর্তি ছিলেন জেনে নিয়ে বলা হয়, ‘শেষকৃত্যের ছবি লাগবে? যদি লাগে, তা হলে আলাদা ১৫০০ টাকা। মৃতদেহের সঙ্গে তার পছন্দের কিছু পাঠাতে হলে আরও হাজার টাকা। সব মিলিয়ে ১৬ হাজার পাঁচশো!’ এত? এ বার ওই ব্যক্তি বলেন, ‘অন্য রোগ হলে দু’হাজারও লাগত না। তা ছাড়া, আপনাদেরটা যাতে আগে হয়, সেটা আমরা দেখে দেব।’

বিডন স্ট্রিটের এমনই আর একটি সংস্থার আবার দাবি, ‘ছবি বা চিতাভস্ম না লাগলে আট হাজারে হয়ে যাবে। কিন্তু প্রচুর দেহ আসছে। ফলে কয়েক দিন যদি মৃতদেহটা কোথাও রেখে দিতে হয়, তা হলে কিন্তু আলাদা খরচ।’ কোথায় রাখা হবে? সংস্থার দাবি, ‘পৌরসভার কোনো জায়গাই ফাঁকা নেই। রেফ্রিজারেটর বসিয়ে আমরাই একাধিক জায়গা করেছি, যেখানে দিন কয়েক দেহ থাকতে পারে।’

আর একটি সংস্থা আবার মৃতদেহের শেষকৃত্য থেকে শ্রাদ্ধের কাজ— সবই ২০ হাজার টাকায় করে দেওয়ার ‘প্যাকেজ’ ঘোষণা করেছে।

কলকাতা পৌরসভা থেকে কোভিড মৃতদেহ শ্মশানে পৌঁছে দেওয়ার অনুমতি পাওয়া এক সংস্থার মালিক বললেন, ‘মৃত্যুর আগে যেমন রোগ নিয়ে ব্যবসা চলছে, মৃত্যুর পরে মৃতদেহ নিয়েও একই জিনিস চলছে। প্রশাসনের কোনও হুঁশই নেই। আমরা প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া তিন হাজারের বেশি এক টাকাও নিচ্ছি না। ২২টা ছেলে আমার সংস্থায় কাজ করছে।’

ভুক্তভোগী এক কোভিডে মৃতের আত্মীয়ের মন্তব্য, ‘রাজধানীর অবস্থা রোজ দেখছি, আর ভয় ধরছে। এখানেও তেমনটা হওয়ার আগে প্রিয়জনকে সসম্মানে বিদায় জানাতে চাই। এইটুকু চাওয়া নিয়েও যারা ব্যবসা করছেন, তারা আর যা-ই হোন, মানুষ নন।’

// অনলাইন ডেস্ক //

আরও পড়ুন…

  করোনায় (কোভিড-১৯) বিধ্বস্ত ভারত

বিহারের বিজেপি সভাপতির ফোনও ধরছেন না তার চিকিৎসক বন্ধুরা…!

 

ভারতের বিহার রাজ্যের বিজেপি সভাপতি ডা. সঞ্জয় জওসওয়াল জানিয়েছেন, পাটনায় তাঁর ঘনিষ্ঠ যে ডাক্তার বন্ধুরা রয়েছেন তারাও কেউ তার ফোন ধরছেন না।

করোনাভাইরাস মহামারীতে মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে ভারত।  অন্য রাজ্যগুলোর মতো অবস্থা ক্রমেই খারাপ হচ্ছে। পরিস্থিতি কতটা খারাপ তা বোঝাতে বিজেপি নেতা তার ফেসবুক টাইমলাইনে এ তথ্য জানান। 

বিজেপি সভাপতি সঞ্জয় জওসওয়াল বলেন, ‘অবস্থা এমনই দাঁড়িয়েছে যে, আমার এক ঘনিষ্ঠ ডাক্তার বন্ধু যে পাটনায় রয়েছে সে আমার ফোনই ধরছে না। কেননা ও কোনও রকম সাহায্যই করতে পারবে না। গত দু’সপ্তাহের মধ্যেই কত চেনা মানুষকে যে হারালাম।’’

মাস্ক না পরা কিংবা সামাজিক দূরত্ব না মানাই শেষ পর্যন্ত করোনার হাত থেকে বাঁচার সেরা উপায়। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক ভাবে অধিকাংশ বিহারবাসীই মারণ ভাইরাসের ভয়াবহ এই বিপদটিকে বুঝতে চাইছেন‌ না। এই উদাসীনতাই এখন গলায় ফাঁস হয়ে বসছে। তাঁর নিজের চেনা বহু মানুষ গত ২ সপ্তাহে করোনার থাবায় প্রাণ হারিয়েছেন বলেও জানান জওসওয়াল‌।

বিজেপি নেতা ডা. জয়সওয়াল জানান, কীভাবে নিজের সংসদ কেন্দ্র চম্পারণে তাঁরা অতিরিক্ত বেড ও অক্সিজেনের ব্যবস্থা করেছেন। কিন্তু তাতেও যে বিশেষ সুবিধা হচ্ছে না সেকথাও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘‘ সম্প্রতি আমরা চম্পারণে অতিরিক্ত বেড ও অক্সিজেনের বন্দোবস্ত করেছিলাম কোভিড রোগীদের বাঁচানোর জন্য। কিন্তু তাও এখন কম পড়ে গিয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি বেতিয়ায় বেডের সংখ্যা বাড়িয়ে ৯০ করতে।’’

প্রসঙ্গত, দেশের মোট করোনা সংক্রমণের ৭৮.১৮ শতাংশই দেশের ১১টি রাজ্যের বাসিন্দা। এই রাজ্যগুলির অন্যতম বিহার। সেখানে গুরুতর রোগীর সংখ্যা ১ লক্ষের কাছাকাছি। যা মাসের শুরুর সংখ্যার থেকে প্রায় ৫০ গুণ বেশি!

 

//আস্তর্জাতিক অনলাইন নিউজ//

আরও পড়ুন…

করোনা ইউনিটে আগুন লেগে কমপক্ষে ১৮ রোগী নিহত

ভারতের গুজরাটে হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১৮ করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে

 

ভারতের গুজরাটে একটি হাসপাতালের করোনা ইউনিটে আগুন লেগে কমপক্ষে ১৮ রোগী নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে রাজ্যের ভারুচ শহরের প্যাটেল ওয়েলফেয়ার হাসপাতালে ওই অগ্নিকাণ্ড ঘটে।খবর এনডিটিভির।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মী ও স্থানীয়রা মিলে প্রায় ৫০ জন রোগীকে উদ্ধার করেছেন।

ভারুচ পুলিশের এসপি রাজেন্দ্র সিং চুদাসামা জানিয়েছেন, হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চিকিৎসাধীন ১৮ করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করেন তিনি।

ভারুচ-জাম্বুসর মহাসড়কের পাশে অবস্থিত চারতলা এই হসপাতালটি কেবল করোনা রোগীদের চিকিৎসার কাজেই ব্যবহার করা হচ্ছিল।

ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা শৈলেষ সানসিয়া জানিয়েছেন, হাসপাতালটির নিচতলায় করোনা ওয়ার্ডে প্রথমে আগুন লাগে। তবে, অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।

ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং প্রায় ৫০ জন রোগীকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী অন্য আরেকটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

প্রথমে নিহতের সংখ্যা ১২ জন বলা হলেও ভোর সাড়ে ৬টার দিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিহতের সংখ্যা ১৮ বলে জানায়।

উল্লেখ্য, গত ১০ দিনে ভারতে হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের তিনটি ঘটনা ঘটলো।

 

// অনলাইন ডেস্ক //

আরও পড়ুন…

‘অল্প পরিমাণে ওজন বাড়লেও করোনায় জটিলতার ঝুঁকি বেড়ে যায়

 করোনায় (কোভিড-১৯) বিধ্বস্ত ভারত

 

মোটা বেশি মানুষের করোনা পজিটিভ হলে জটিলতা বেশি: গবেষক পিয়েরনাস

 

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির গবেষক কারমেন পিয়েরনাস বলেন, ‘অল্প পরিমাণে ওজন বাড়লেও করোনায় জটিলতার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ওজন যত বাড়ে করোনায় সংক্রমিত হওয়ার পর জটিলতা তত বেশি বাড়ার ঝুঁকি থাকে।’

তিনি আরও বলেন, ‘৪০ বছরের নিচে যাদের বয়স অতিরিক্ত ওজনের কারণে তাদের মধ্যে করোনার জটিলতার ঝুঁকি বেশি থাকে। তবে ৮০ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে করোনায় জটিলতার সঙ্গে ওজনের তেমন কোনো সম্পর্ক থাকে না।

এ কারণে যাদের ওজন বেশি, তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেওয়া উচিত।’

বিখ্যাত ব্রিটিশ চিকিৎসা সাময়িকী ‘দ্য ল্যানসেট ডায়াবেটিস অ্যান্ড এন্ড্রোক্রাইনোলজি’ জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় বলা হয়েছে, ‘যাদের ওজন বেশি তারা করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার পর গুরুতর অসুস্থতার ঝুঁকি বেশি থাকেন। এমনকি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ভর্তির ঝুঁকিও বেশি থাকে।’

গত বছরের ২৪ জানুয়ারি থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত ব্যক্তিদের তথ্য বিশ্লেষণ ও গবেষণা করেন গবেষকরা। এ বিষয়ে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বলছেন, ‘ওজন বেশি থাকার কারণে করোনায় সংক্রমিত হওয়ার পর ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে বড় কোনো পরিসরে এ ধরনের গবেষণা এই প্রথম।’

যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ৬৯ লাখের বেশি মানুষের ওপর এই গবেষণা পরিচালিত হয়েছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের প্রথম ঢেউয়ের সময় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অথবা মারা গেছেন এমন ২০ হাজারের বেশি করোনা রোগীর তথ্য এ গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

গবেষকরা আরও বলছেন, ‘বিএমআইয়ের (উচ্চতা অনুসারে ওজন) সূচকে যাদের ওজন প্রতি বর্গমিটারে ২৩ কেজির বেশি, তাদের করোনায় গুরুতর অসুস্থতার ঝুঁকি বেশি থাকে।

বিএমআইয়ের সূচকে প্রতি এক ইউনিট ওজন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঝুঁকি ৫ শতাংশ বেশি থাকে। আর নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ভর্তির ঝুঁকি ১০ শতাংশ বেশি থাকে।’

// অনলাইন ডেস্ক //

আরও পড়ুন…

 

লকডাউন নতুন করে বর্ধিত করা হয়েছে যা ৫ মে পর্যন্ত বহাল থাকবে

 

 বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঝড় পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে সুপার সাইক্লোনের মতে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সাথে ব্যবসাবানিজ্য, চিকিৎসাসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় যোগাযোগ অবারিত আর তাই এসকল দিক বিবেচনা করে ২৮এপ্রিল-২০২১ রোজ বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে শুরু করে আগামী ০৫ মে রোজ বুধবার মধ্যরাত পর্যন্ত লকডাউন বৃদ্ধি করে পুনরায় আজই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

লকডাউন চলাকালে পূর্বের ১৮ টি বিধি নিষেধ বহাল থাকবে।এছাড়া নতুন করে ০ ৬টি বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছেঃ

১. স্থল,নৌ ও বিমানযোগে যেকোন ব্যক্তি প্রবেশের ক্ষেত্রে ( পণ্য পরিবহন ব্যতিত) নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

তবে শুধুমাত্র ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ বাংলাদেশীগণ ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের অনুমতি / অনাপত্তি ছাড়পত্র গ্রহন সাপেক্ষে বিশেষ বিবেচনায় বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে বাংলাদেশে প্রবেশকারীদের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন সংক্রান্ত বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রণীত বিধিনিষেধ কঠোরভাবে অনুসরণ করার জন্য স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, জননিরাপত্তা বিভাগ, সুরক্ষা সেবা বিভাগ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকগণ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।

০২. দোকানপাট শপিংমলসমূহ সকাল ১০ টা থেকে রাত ০৮ পর্যন্ত যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি প্রতি পালনের বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়,শ্রম মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যসংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট বাজার/সংস্থার ব্যবস্থাপনা কমিটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হব,

০৩. আসন্ন ইদুল ফিতর নামাজের বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী কার্যক্রম গ্রহন করতে হবে,

০৪.  মধ্য প্রাচ্য, সিঙ্গাপুর, মালেশিয়া ও চীন থেকে আগত যাত্রীদের ভ্যাকসিন গ্রহনের সনদসহ ননকোভিট-১৯ সনদধারী যাত্রীগণ নিজ বাড়িতে ১৪ দিন কোয়ারান্টাইন থাকবেন। এক্ষেত্রে তাদেরকে সংশ্লিষ্ট থানাকে আগমন ও কোয়ারেন্টাইনের বিষয়ে অবহিত করতে হবে,

০৫. উল্লেখিত দেশ থেকে আগত শুধুমাত্র ননকোভিট-১৯ সনদধারীরা সরকার নির্ধারিত কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থায় থাকবেন। ৩ -৫ দিনের মধ্যে চিকিৎসকগণ তাদের পরীক্ষা করে সম্মতি প্রদান করলে স্ব স্ব বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন। তবে এক্ষেত্রে তাদের স্ব স্ব থানায় অবহিত করতে হবে এবং

০৬. অন্যান্য দেশ থেকে আগত যাত্রীরা সরকার নির্ধারিত হোটেলে নিজ ব্যয়ে ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য স্ব স্ব মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে।

//স্বীকৃতি  বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক//

 

আরও পড়ুন…

বিশুদ্ধ পানির জন্য RO Filter ব্যবহার করুন…

গত ২৪ ঘন্টায় চট্টগ্রামে করোনায় মৃত্যু ৪, নতুন সনাক্ত ২০৫

মহামারী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত- হয়ে চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেন। এ সময়ে ২০৫ জনের দেহে নতুন করে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ সনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত- চট্টগ্রামে মোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ৪৯ হাজার ৫৪৫ জন।
আজ ২৮ এপ্রিল ( বুধবার) সকালে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের ৯ টি ল্যাবে ১ হাজার ৬৬২ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে ২০৫ জনের দেহে করোনার সংক্রমণের সনাক্ত হয়েছে।
তৎমধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ১৯৩ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩১ জন, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রফিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ৩২৫ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪২ জন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ( চমেক) হাসপাতাল ল্যাবে ৪৩৯ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৯ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। সিভাসু ল্যাবে ২০৯ টি নমুনা পরিক্ষা করে ৫ড় জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে।

তা ছাড়া বেসরকারী ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ১০০ টি নমুনা পরীক্ষা করে ২১ জন, শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ৩০০ টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৮ জন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ২৮ টি নমুনা পরিক্ষা করে ১৮ জন।  চট্টগ্রাম সেন্টার হাসপাতাল ল্যাবে ১০ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩ জনের দেহে করোনা সনাক্ত হয়েছে। কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ল্যাবে ৩ টি নমুনা পরীক্ষা করে কােন নমুনায় করোনা সনাক্ত  হয় নি। 

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১ হাজার ৬৬২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত- হয়েছেন ২০৫ জন। এ সময়ে ৪ জন করোনা আক্রান্ত রোগি মৃত্যুবরণ করেছেন।  নতুন আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ১৬৪ জন, উপজেলায় ৪১ জন। 

// আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো //

ভারতে অন্ধ্রপ্রদেশে অ্যাম্বুলেন্সের অভাবে ছেলের মোটরসাইকেলে মায়ের লাশ

 

ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে মায়ের লাশ মোটরসাইকেলে করে শ্মশানে নিয়েছে তার দুই ছেলে। তার করোনার উপসর্গ থাকায় পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন। তবে, রিপোর্ট আসার আগেই তিনি মারা যান।

 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকুলম জেলার মন্দাসা মণ্ডল গ্রামে ওই নারী বাড়ি। বেশ কিছুদিন ধরে করোনার নানা উপসর্গ দেখা দিয়েছিল তার। এরপর করোনা পরীক্ষা করান তিনি। তবে, রিপোর্ট আসার আগেই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকলে শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হয়।

 

এরপর মহিলার দেহ সৎকারের জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্সের খোঁজ শুরু হয় পরিবারের। তবে কোনও ভাবেই একটি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করতে পারেননি পরিবারের সদস্যরা। এমনকি, অন্য কোনও গাড়ির মাধ্যমে দেহ শ্মশানের নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা যায়নি। শেষ পর্যন্ত ওই মহিলার দেহ বাইকে করে শ্মশানে নিয়ে যান তার ছেলে এবং জামাই।

ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ লাখ ২৩ হাজারের বেশি মানুষের দেহে মহামারি করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। ভারতে এ পর্যন্ত ১ কোটি ৭৬ লাখের বেশি মানুষের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। আর মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৯৪ জনের।

অনলাইন ডেস্ক।।

একটি অ্যাম্বুলেন্সে ২২টি মরদেহ  

বিধ্বংশি বেপরোয়া করোনা: ভারতে করুণ দৃশ্য: এক অ্যাম্বুলেন্সে ২২ লাশ শ্মশানে

 

করোনায় (কোভিড-১৯) বিধ্বস্ত ভারত। বেশ কয়েকদিন ধরে দেশটিতে করোনায় মৃত্যু ও শনাক্তের রেকর্ড হচ্ছে। হাসপাতালে জায়গা নেই। অক্সিজেনের তীব্র সংকট।

পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে। শ্মশানগুলোতে মৃতদেহ পোড়ানোর আর জায়গা হচ্ছে না। এখন অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার ব্যবহার করা হচ্ছে পার্কিং লটগুলো। এমনকি জায়গা নেই কবরস্থানেও।

মুখের শ্বাস দিয়েও স্বামীকে বাঁচাতে পারেননি স্ত্রী।   অ্যাম্বুলেন্স থেকে সড়কে ছিটকে পড়ছে করোনা রোগীর লাশ। এমন ঘটনার ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ছে ফেসবুক, টুইটারে।

এবার তেমনি আরেক করুণ দৃশ্য সামনে এলো। একটি অ্যাম্বুলেন্সে ২২টি মরদেহ গাদাগাদি করে সৎকারের জন্য শ্মশানে নেওয়ার ছবি ভাইরাল হয়েছে।

টুইটারে কয়েক সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, মহারাষ্ট্রের বীড জেলার অম্বেজোগাইয়ের স্বামী রামানন্দ তীর্থ মরাঠাওয়াড়ায় সরকারি হাসপাতালের মর্গের সামনে একটি অ্যাম্বুলেন্স। তাতে করোনায় মৃতদের দেহ গাদাগাদি করে তোলা হচ্ছে। বস্তাবন্দি মরদেহ দাবিয়ে দাবিয়ে জায়গা তৈরি করে আরও দেহ রাখা হচ্ছে।

আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মরদেহ এভাবে গাদাগাদি করে তোলার সময় সেখানে পুলিশ উপস্থিত ছিল। মৃত রোগীর স্বজনরা বিষয়টি নিয়ে আপত্তি করলেও কেউ তাদের কথায় কান দেয়নি। তারা অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহ গাদাগাদি করে তোলার দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করতে গেলে পুলিশ তা কেড়ে নেয়। মরদেহ সৎকার শেষে স্বজনদের মোবাইল ফেরত দেয় পুলিশ।

এদিকে এ ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর মহারাষ্ট্রসহ গোটা ভারতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। প্রশাসনের শীর্ষকর্তারা ঘটনার খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। বীড জেলার প্রশাসক রবীন্দ্র জগতপ বলেন, ‘অম্বেজোগাইয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যদি কারও দোষ থাকে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

হাসপাতালের ডিন শিবাজি সুকরে বলেন, ‘সৎকার করতে মরদেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য মাত্র দুটি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। আমরা আরও অ্যাম্বুলেন্সের দাবি জানিয়েছি। কেউ মারা গেলে স্থানীয় প্রশাসনের হাতে মরদেহ তুলে দেয়া পর্যন্ত আমাদের দায়িত্ব। তারা কীভাবে শ্মশান বা কবরস্থানে নিয়ে যাবে, তা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই।’

ওয়ার্ল্ডো মিটারের মঙ্গলবার সকালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ৩ লাখ ১৯ হাজার ৪৩৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে মারা গেছেন ২ হাজার ৭৬৪ জন।

আগের দিন সংক্রমিত হয়েছিলেন ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৫৩১ জন। একই সময়ে মারা যান ২ হাজার ৮০৬ জন। ভারতে করোনার মোট সংক্রমণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৭৬ লাখ ২৫ হাজার ৭৩৫ জনে। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৮০ জন। করোনার বৈশ্বিক সংক্রমণ তালিকায় ভারতের অবস্থান দ্বিতীয় আর মৃত্যুতে চতুর্থ।

// অনলাইন ডেস্ক //

আরও পড়ুন…

 

করোনা আতঙ্কে মৃতকে ছুঁল না স্বামী সন্তান, সৎকার করলেন একদল মুসলিম যুবক

যতই দিন যাচ্ছে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে ভারতের করোনা পরিস্থিতি। ইতোমধ্যে দেশটিতে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় তিন হাজারে পৌঁছেছে। প্রতিদিনের সংক্রমণ সংখ্যা ছাড়িয়েছে সাড়ে ৩ লাখের গণ্ডি। শ্মশানেও জায়গা সংকুলান হচ্ছে না মৃতদেহ সৎকারে।

 

এমতাবস্থায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নজির গড়লেন ভারতের বিহারের গয়া জেলার একদল মুসলিম যুবক।

 

করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন, এই ভয়ে এক নারীর মৃতদেহ ছুঁতে চায়নি পরিবারের লোক। শেষপর্যন্ত রীতি মেনে ওই হিন্দু নারীর শেষকৃত্য সম্পন্ন করলেন মুসলিম যুবকরাই। ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে তাদের সেই কাজ। অনেকেই প্রশংসাও করেছেন।

খবরে বলা হয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের গয়া জেলার ইমামগঞ্জ পুলিশ স্টেশনের তেতারিয়া গ্রামে। সম্প্রতি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন প্রভাবতী দেবী নামে ৫৮ বছরের ওই নারী। তাকে তড়িঘড়ি একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আরটি-পিসিআর টেস্টও করা হয়। কিন্তু সেই রিপোর্ট নেগেটিভ আসলেও পরবর্তীতে চিকিৎসা চলাকালীনই মৃত্যু হয় ওই নারীর। করোনাতেই মারা গিয়েছেন তিনি, এই ভয়ে ওই নারীর স্বামী এবং দুই ছেলে মরদেহ নিতে রাজি হননি। ফলে দীর্ঘক্ষণ গাড়িতেই পড়েছিল মৃতদেহ। শেষপর্যন্ত খবর পেয়ে ওই নারীর শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে এগিয়ে আসেন মুহাম্মদ রফিক, শারিক, কালামি, বারিক, লাদ্দানসহ এলাকারই বেশ কয়েকজন মুসলিম যুবক।

 

এই প্রসঙ্গে সমাজকর্মী মুহাম্মদ শারিক জানান, ‘চিকিৎসা চলাকালীনই ওই নারীর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হতে থাকে। এরপরই চিকিৎসকরা তার করোনা পরীক্ষা করতে বলেন। রিপোর্ট নেগেটিভ এলেও চিকিৎসা চলাকালীনই মারা যান তিনি।’

 

এদিকে, করোনায় মমৃত্যু হয়েছে প্রভাবতী দেবীর, এই ভয়ে তার স্বামী বা দুই ছেলে কেউই মৃতদেহ নিতে রাজি হননি। ফলে দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত গাড়িতেই পড়েছিল তার মৃতদেহ। শেষপর্যন্ত আমরা খবর পেয়ে সেখানে যাই, পরিবারের লোকজনকে শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে বলি। কিন্তু তবুও তারা দূরেই দাঁড়িয়েছিলেন। শেষপর্যন্ত আমরা কয়েকজন গাড়ি থেকে মৃতদেহটি নামাই। এরপর বাঁশ দিয়ে মড়া নিয়ে যাওয়ার খাট তৈরি করে শবদেহটি নিয়ে শ্মশানের উদ্দেশে রওনা হই। তখন অবশ্য পরিবারের অন্যরা নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে আমাদের সঙ্গ দেন।’

এই প্রসঙ্গে মৃতের এক ছেলে বলেন, ‘এলাকার মুসলিম যুবকরা আমার মায়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে সাহায্য করেন। ওরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য উদাহরণ গড়েছে। আমাদের পরিবার ওদের প্রত্যেকের কাছে ঋণী।’ সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

অনলাইন ডেস্ক।।

আরও পড়ুণ…

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন: সালাম মূশের্দী

 

 খুলনা-৪আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রাণঘাতী করোনা মোকাবেলায় নিরলস কাজ করছেন। তিনি সবসময় দেশের জনগণের পাশে আছেন এবং থাকবেন। বর্তমান এই বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে আমরা এক ক্রান্তিকালের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত করছি।

মহামারি করোনার এই দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় দেশব্যাপী লডডাউন চলছে। এই লকডাউনকালীন সময়ে কর্মহীন হয়ে পড়া দুঃস্থ ও অসহায় মানুষদের সর্বাত্ত্বক সহযোগিতা করে যাচ্ছেন বর্তমান সরকার। আমি চাই আমার নির্বাচনী এলাকা তেরখাদা, রূপসা, দিঘলিয়ার গরীব দুঃখী মানুষ যাতে অভুক্ত না থাকে। তার জন্য করোনা ভাইরাসের প্রার্দুভাব যতদিন থাকবে, ততদিন আমি তাদরে পাশে থেকে সাহয্য সহযোগিতা করে যাব।

সোমবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তেরখাদা উপজেলার সাচিয়াদাহ ইউনিয়নে ৪ শতাধিক গরীব, অসহায় ও দু:স্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদীর নিজস্ব অর্থায়নে করোনা ভাইসার প্রাদুর্ভাবের কারণে ‘সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘে’র মাধ্যমে করোনাকালীন সময়ে গরীব, অসহায় মানুষ যাতে খাদ্য কষ্টে না ভোগে, সে জন্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী এমপি তার নির্বাচনীয় এলাকা রূপসা, তেরখাদা, দিঘলিয়ায় ইতোমধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন।

তারই ধারাবাহিকতায় তেরখাদা উপজেলার সাচিয়াদাহ ইউনিয়নের ‘শতদল মহাবিদ্যালয়’ মাঠে অসহায় দরিদ্র ৪ শতাধিক পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আ’লীগের সদস্য ও অধ্যক্ষ ফ ম আব্দুস সালাম, জেলা স্বেচ্চাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোতালেব হোসেন, এমপি সালাম মূর্শেদীর প্রধান সমন্বয়ক নোমান ওসমানী রিচি, আ’লীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাক রাজা, সাবেক চেয়ারম্যান বাদশা মল্লিক, সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের টিম লিডার যুবলীগ নেতা সামসুল আলম বাবু, ছাত্রলীগ নেতা শেখ হুসাইন আহমেদ, রিয়াজ, সুমন প্রমুখ।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

আরও পড়ুন…

বিশুদ্ধ পানির জন্য RO Filter ব্যবহার করুন…