Category: Corona Virus
Corona Virus
বিশ্বের বৃহত্তম কার্গো বিমানে ভারতে আসছে অক্সিজেন ও চিকিৎসা সরঞ্জাম এর প্রথম চালান
নদার্ন আয়ারল্যান্ডের রাজধানী বেলফাস্ট থেকে রওনা দিল বিশ্বের বৃহত্তম কার্গো বিমান। গতকাল শুক্রবার (৭ মে) ১৮ টন অক্সিজেন জেনারেটার ও ১ হাজার ভেন্টিলেটরসহ যুক্তরাজ্যের এই বিমান ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে বলে জানা গেছে।
ফরেন কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, ওই বিমানে প্রাণদায়ী জিনিস ভর্তি করতে কর্মীরা রাতভর কাজ করেছেন। তারপরই বিশাল অ্যান্টোনভ ১২৪ এয়ারক্র্যাফট ভর্তি হতে পেরেছে। ৪০ ফুট তিনটি অক্সিজেন কনটেনার প্রতি মিনিটে ৫০০ মিটার অক্সিজেন প্রস্তুত করতে পারে। এখান থেকে একসঙ্গে ৫০ জন অক্সিজেন নিতে পারবে।
যুক্তরাজ্যের বিদেশ সচিব ডমিনিক ব়্যাব বলেছেন, উত্তর আয়ারল্যান্ড থেকে অক্সিজেন ভারতে পাঠানো হচ্ছে। এটি দেশের হাসপাতালগুলিতে পাঠানো হবে যাতে কোভিড-১৯ রোগীরা ব্যবহার করতে পারে। এই মহামারীর সঙ্গে ভারত ও যুক্তরাজ্য একসঙ্গে লড়াই করছে। সবাই যতক্ষণ না নিরাপদ হচ্ছে, কেউ নিরাপদ নয়। যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য সচিব ম্যাট হ্যানকক বলেছেন, ভারতের পরিস্থিতি মর্মান্তিক। এই চ্যালেঞ্জে আমারা বন্ধুর পাশে আছি।
এদিকে, গতকাল শুক্রবার (৭ মে) সকালে নেদারল্যান্ড থেকে প্রথম সাহায্য এসে পৌঁছায় ভারতে। এদিন, ৪৪৯ ভেন্টিলেটর, ১০০ অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর এবং কোভিড -১৯ ত্রাণ সামগ্রীর প্রথম চালান ভারতে আসে। মিনিস্ট্রি অফ এক্সটারনাল অ্যাফেয়ার্স-এর মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি তার অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেলে লিখেছেন, নেদারল্যান্ডস থেকে ৪৪৯টি ভেন্টিলেটর, ১০০ অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর এবং অন্যান্য চিকিৎসা সামগ্রীর প্রথম চালানটি ভারতে এসেছে। আগামী দিনগুলিতে বাকি চিকিৎসা সরঞ্জামগুলি সরবরাহ করবে বলে আশ্বাস দিয়েছে নেদারল্যান্ড। আমাদের বন্ধু নেদারল্যান্ডসের সমর্থন আমাদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান।
অনলাইন ডেস্ক।।
চট্টগ্রামে ভারত থেকে আসা ১০ জন চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে
চট্টগ্রামে করোনায় আরো ৪ জনের মৃত্যু, নতুন সনাক্ত ১৫৫
চট্টগ্রামে করোনায় আরো ৪ জনের মৃত্যু, নতুন সনাক্ত ১৫৫
সারা বিশ্বে একদিনে করোনায় মৃত্যুবরণ কেরছে ১৪ হাজার মানুষ আক্রন্ত প্রায় ৭লক্ষ
গোটাবিশ্বেই ভয়াবহ রূপ নিয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বব্যাপী প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ১৪ হাজার ১৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
প্রতিদিনই নতুন নতুন রেকর্ড হচ্ছে শনাক্ত ও মৃত্যুর। ভারত ও ব্রাজিলসহ বেশ কয়েকটি দেশ এখন করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণে বিপর্যস্ত।
সারাবিশ্বে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৬ লাখ ৯৫ হাজার ৭৬৭ জন। বিশ্বব্যাপী এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন মোট ১৫ কোটি ৪৯ লাখ ৭৩ হাজার ৩৮ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৩২ লাখ ৪১ হাজার ২৪ জন।
করোনার আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস সূত্রে জানা যায়, বিশ্বে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৩ কোটি ৩২ লাখ ৭৪ হাজার ৬৫৯ জন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৯২ হাজার ৪০৯ জনের। আর সুস্থ হয়েছেন ২ কোটি ৫৯ লাখ ৬৬ হাজার ৩৮৯ জন।
করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় এর পরেই রয়েছে ভারত। গত কয়েক দিন ধরে দেশটিতে দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ২ কোটি ৬ লাখ ৫৮ হাজার ২৩৪ জনের। মোট মৃত্যু বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৯। আর সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৬৯ লাখ ৩৮ হাজার ৪০০ জন।
তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে ব্রাজিল। ল্যাটিন আমেরিকার দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে ১ কোটি ৪৮ লাখ ৬০ হাজার ৮১২ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৪ লাখ ১১ হাজার ৮৫৪ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৩৪ লাখ ৪২ হাজার ৯৯৬ জন।
চতুর্থ স্থানে থাকা ফ্রান্সে এখন পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছেন ৫৬ লাখ ৮০ হাজার ৩৭৮ জন রোগী। এর মধ্যে মারা গেছেন ১ লাখ ৫ হাজার ৩৮৭ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪৭ লাখ ১৭ হাজার ৮৩ জন।
শনাক্তের দিক দিয়ে এখন পঞ্চম স্থানে তুরস্ক। দেশটিতে এখন পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছেন ৪৯ লাখ ২৯ হাজার ১১৮ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৪১ হাজার ৫২৭ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪৫ লাখ ৫৪ হাজার ৩৭ জন। এ ছাড়া তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে রাশিয়া, সপ্তম স্থানে যুক্তরাজ্য, অষ্টম স্থানে ইতালি, নবম স্থানে স্পেন এবং দশম স্থানে রয়েছে জার্মানি।
সংক্রমণ ও মৃত্যুর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৩৩তম। দেশে এখন পর্যন্ত ৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৯৬ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মারা গেছেন ১১ হাজার ৭০৫ জন। আর সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬ লাখ ৯৫ হাজার ৩২ জন।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। দেশটিতে করোনায় প্রথম রোগীর মৃত্যু হয় ২০২০ সালের ৯ জানুয়ারি। ওই বছরের ১৩ জানুয়ারি চীনের বাইরে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় থাইল্যান্ডে। পরে ধীরে ধীরে বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে।
করোনা প্রাদুর্ভাবের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ৩০ জানুয়ারি বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
।। অনলাইন ডেস্ক ।।
করোনা পরীক্ষা সর্বোচ্চ ফি হতে পারে 2000 টাকা বেসরকারি পর্যায়ে…
কভিড-১৯ শনাক্তে বেসরকারি পর্যায়ে আরটি-পিসিআর (রিয়েল টাইম-পলিমার চেইন রিঅ্যাকশন) পরীক্ষার মূল্য সরকারি ও বেসরকারি পর্যায় থেকে পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে । তবে দুই পর্যায়ের প্রস্তাবিত মূল্যের মধ্যে রয়েছে অনেক ব্যবধান । কিট-রিএজেন্টের দাম কমায় কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটি প্রস্তাব: পরীক্ষার মূল্য ১৫০০-২০০০ টাকা করা হোক।
অপরদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রস্তাব দিয়েছে সাধারণ এবং বিদেশগামী পর্যায়ে যথাক্রমে ৩০০০ ও ২৫০০ টাকা। এ ছাড়া বাড়িতে গিয়ে ৩৭০০ টাকা। তবে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০২০ সালের পরিপ্রেক্ষিতে ৩৫০০ টাকা ঠিক ছিল। তবে বর্তমান সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে কোভিড-১৯ পরীক্ষার মূল্য সর্বোচ্চ ২০০০ টাকা হতে পারে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০২০ সালের শুরুর দিকে যখন দেশে করোনাভাইরাস দেখা দিয়েছিল তখন একটি পিসিআর পরীক্ষা করাতে কিট-রিএজেন্টসহ আনুষঙ্গিক ব্যয় ছিল ২৭০০ টাকা। এর সঙ্গে বিদ্যুৎ বিল, স্টাফ বেতন ইত্যাদি মিলিয়ে ৩৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। বর্তমানে কিট-রিএজেন্টসহ আনুষঙ্গিক ব্যয় কমে দাঁড়িয়েছে ৭০০ টাকা। এই পরিস্থিতিতে আরটি-পিসিআর পরীক্ষার মূল্য সর্বোচ্চ ২০০০ টাকা হতে পারে।
এক সূত্র জানায়, এর আগেও একবার বেসরকারি পর্যায়ে আরটি-পিসিআর পরীক্ষার ফি কমাতে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে। তবে অজ্ঞাত কারণে সেই প্রস্তাব বাস্তবায়ন হয়নি। মূলত বেসরকারি পর্যায়ের ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক মালিকদের চাপের কারণেই আগেরবার দাম কমানো সম্ভব হয়নি। তবে এবার সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে পরীক্ষার ফি কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এবার দাম কমবে বলেই তারা মনে করছেন । স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. মো. ফরিদ হোসেন মিঞা গত ২৬ এপ্রিল এ সংক্রান্ত চিঠি মন্ত্রণালয়ে পাঠান। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবকে পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেকের উপস্থিতিতে একটি অনলাইন সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে সভায় আরটি-পিসিআরের সঙ্গে সম্পৃক্ত সকল পর্যায়ের স্টেকহোল্ডাররা উপস্থিত ছিলেন। ওই অনলাইন সভায় সংযুক্ত সবার মতামতের ভিত্তিতেই বেসরকারি পর্যায়ে আরটি-পিসিআর পরীক্ষার মূল্য পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। তিনি ওই চিঠিতে অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে তিন ধরনের পরীক্ষার মূল্য পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব করেছেন।
১. সাধারণ জনগণের ক্ষেত্রে পিসিআর পরীক্ষায় বর্তমানে ব্যয় করতে হয় সাড়ে তিন হাজার টাকা; এখানে প্রস্তাবিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে তিন হাজার টাকা। বিদেশগামীদের পরীক্ষায় বর্তমানে মূল্য রয়েছে তিন হাজার টাকা; প্রস্তাবিত মূল্য আড়াই হাজার টাকা। এ ছাড়া বাড়ি গিয়ে নমুনা পরীক্ষার ক্ষেত্রে বর্তমানে সেবামূল্য রয়েছে সাড়ে চার হাজার টাকা; প্রস্তাবিত মূল্য করা হয়েছে তিন হাজার ৭০০ টাকা।
এদিকে করোনা নির্ণয় পরীক্ষার মূল্য কমাতে সুপারিশ করেছে করোনা সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। বুধবার গভীর রাতে এক সভায় কমিটি এ সুপারিশ করে। কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. শহিদুল্লা জানান, কোভিড পরীক্ষায় প্রয়োজনীয় কিটের দাম ৩০০০/২৭০০ টাকা থেকে কমে ৮০০-১০০০ টাকায় নেমে এসেছে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে বেসরকারি পর্যায়ে পরীক্ষার সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে মূল্য পুনর্নির্ধারণের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পরামর্শ দেয় তারা। এক্ষেত্রে বেসরকারি পর্যায়ে পরীক্ষার মূল্য ১৫০০-২০০০ টাকার মধ্যে নির্ধারণের পরামর্শ দেয় পরামর্শক কমিটি।
এ বিষয়ে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. আহমদ পারভেজ জাবীন যুগান্তরকে বলেন, ২০২০ সালে কিট-রিএজেন্ট-এর পেছনে ব্যয় হতো ২৭০০ টাকা। সেক্ষেত্রে আনুষঙ্গিক মিলিয়ে ৩৫০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে কিটের দাম ৭০০ টাকায় নেমেছে। স্বাভাবিকভাবে এসব ক্ষেত্রে ওভারহেড ব্যয় হয় ৪০ শতাংশ। অর্থাৎ, সব মিলিয়ে হাজার টাকার কম ব্যয় হচ্ছে।
এক্ষেত্রে বেসরকারি পর্যায়ে পরীক্ষার মূল্য কোনোভাবেই ২০০০ টাকার বেশি হতে পারে না। তিনি বলেন, করোনা নিয়ন্ত্রণে এবং দেশের প্রয়োজনে কিট আমদানি পর্যায়ে সব ধরনের শুল্ক, ভ্যাট মওকুফ করা যেতে পারে। পরীক্ষার মূল্য সহনীয় মাত্রায় এলে সাধারণ মানুষের মধ্যে পরীক্ষা করানোর হার বাড়বে। এতে করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম যুগান্তরকে বলেন, পিসিআর পরীক্ষায় আগের তুলনায় বর্তমানে কিট ও রিএজেন্টের দাম কমেছে। তা ছাড়া প্রধানমন্ত্রীও মূল্য কমাতে নির্দেশ দিয়েছেন। তাই অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সবার সঙ্গে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে মূল্য পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এখন মন্ত্রণালয় অনুমোদন করলেই এটি বাস্তবায়ন করা হবে। অধ্যাপক খুরশীদ বলেন, এর আগেও অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে একবার মূল্য পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছিল; কিন্তু সেটি বাস্তবায়ন হয়নি। এবার মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বয়ে সভা করেই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, আশা করছি দ্রুতই এটি বাস্তবায়ন হবে।
এর আগে গত বছরের জুন মাসের শেষদিকে করোনাভাইরাস শনাক্তের মূল্য নির্ধারণ করে সরকার। দেশে এ ভাইরাস আসার পর অর্থাৎ মার্চ থেকে জুন মাস পর্যন্ত এই পরীক্ষা সরকারি প্রতিষ্ঠানে বিনা মূল্যে করা হতো। তবে জুন মাসের শেষদিকে সরকার পরীক্ষার মূল্য নির্ধারণ করে। তখন সরকারি পর্যায়ে বুথে বা হাসপাতালে নমুনা দেওয়ার ক্ষেত্রে মূল্য ধরা হয় ২০০ টাকা এবং বাসা থেকে নমুনা সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে ৫০০ টাকা।
এ ছাড়া বিদেশগামীদের করোনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয় ২০ জুলাই থেকে। সেই সময় ৩৫০০ টাকা করে নেওয়া হতো করোনা পরীক্ষার ফি। পরবর্তী সময়ে ২৪ আগস্ট সরকার সেই মূল্য কমিয়ে এক হাজার ৫০০ টাকা করে।
এরপর আরেক দফা কমিয়ে প্রবাসী কর্মীদের পরীক্ষার মূল্য এক হাজার ২০০ টাকা করা হয়। পাশাপাশি সাধারণ পর্যায়ে বুথে বা হাসপাতালে গিয়ে পরীক্ষা করানোর ক্ষেত্রে মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১০০ টাকা এবং বাড়ি গিয়ে নমুনা সংগ্রহের ক্ষেত্রে ৩০০ টাকা।
// নিজস্ব প্রতিবেদক //
অলৌকিক মহামারি করোনা আতঙ্কে আজ দিশেহারা বিশ্ব মানব সংসার
মানব সৃষ্টি লগ্নের এ যাবত কালের এক যুগান্তকারী মরণঘাতী করোনা নামক এক বিষাক্ত ছোবলে দিশেহারা আজ এ আধুনিক বিশ্বের জনজীবন তথা বিশ্ব মানব সংসার! দিশেহারা আজ বিশ্ব মানব কল্যাণে আত্ম নিবেদিত সর্বদায় আত্মপ্রত্যয় ও আত্ম উৎসর্গে নিবেদিত বিশ্ব মানব কল্যান সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
দিক-বিদিক দিশাহীন নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটে চলে একটি নিরাপদ দিগন্তের গন্তব্যের সন্ধানে – কিন্তু, কোথাও নেই আজ সেই নিরাপদ অভয়ারণ্যে। এ বিশ্বলোকের সকল প্রান্তে ছেয়ে গেছে এ মহাকালিক ইতিহাস রচিত এ করাল করোনা সংক্রমণের বিষাক্ত ছোবল !
বর্তমান এ আধুনিক বিশ্বের রঙ্গময় মঞ্চে লোকেলোকারণ্যে, ব্যস্ততার জনপদে নেই কোনো মানবের কোলাহল- চারিদিকে কেবল শুন্য জনপদে অচিন আতঙ্কের নিঃশব্দ আর্তচিৎকারের নিদারুণ হাহাকার! কেউ জানে না বর্ণীল এ ভাইরাসের পরিসমাপ্তি কখন ঘটবে!
কখন আবার মানুষ ফিরে আসবে স্বাভাবিক জীবনের পথে। তবুও মানুষ যুগে যুগে এমন অনেক জটিল ও কঠিন সমস্যার সম্মুখিন হয়ে ও, মানব তার বিবেকের বিকাশ ঘটিয়ে পুনরায় ঘুড়িয়ে দাঁড়িয়ে ফিরে এসেছে মানবের স্বাভাবিক যাত্রা পথে! এবার ও পারবে মানব প্রাকৃতিক এ কঠিন দুযোর্গের অবসান ঘটিয়ে পুনরায় মানব জীবনের স্বাভাবিক যাত্রা পথে!
এ গভীর প্রত্যাশা আর মানব কল্যাণে আত্ম নিবেদিত জনগোষ্ঠীর দৃঢ় সংকল্পের প্রত্যাশা বাস্তবায়িত হওয়ার জন্য আমরা জগতের সকল মানব একাগ্রচিত্তে প্রার্থনা করি, মহাদয়াবান- পরমকরুনায় মায়ের মহান দয়ার মন্দিরে! জগতের সকল মানবের কল্যাণ কামনায় প্রার্থনা।
// নিজস্ব প্রতিবেদক //
চট্টগ্রামে করোনায় গত ২৪ ঘন্টায় আরো ৭ জনের মৃত্যু, নতুন সনাক্ত ১০৬
বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ১০ হাজার মাস্ক দিলো চকবাজার ব্যবসায়ীরা
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রোগী, চিকিৎসক ও নার্স এবং স্টাফদের সুরক্ষায় ১০ হাজার সার্জিক্যাল মাস্ক দিলো বরিশাল চকবাজার ব্যবসায়ী সমিতি ও স্বদেশী বস্ত্রালয়।
রোববার বেলা ১২টায় হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ এইচ এম সাইফুল ইসলাম’র হাতে মাস্ক হস্তান্তর করা হয়। এসময় পরিচালক আত্মমানবতার সেবায় এগিয়ে আসায় চকবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শেখ তোবারেক হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ আঃ রহিম এবং স্বদেশী বস্ত্রালয়ের প্রপাইটর মৃনাল কান্তি সাহাকে ধন্যবাদ জানিয়ে তাদের প্রতি কৃজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
পরিচালক ডাঃ এইচ এম সাইফুল ইসলাম বলেন, বর্তমান দেশে করোনা ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে গেছে। তাই হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়েছে। এ সময় রোগীদের সেবা ও আমাদের চিকিৎসক, নার্স এবং স্টাফদের সুরক্ষার জন্য অধিকহারে মাস্ক সাপর্টের প্রয়োজন হয়। ঠিক এই মহুত্বে চকবাজার ব্যবসায়ী সমিতি ও স্বদেশী বস্ত্রালয়ের এমন মানবতার উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই।
তিনি সমাজের বৃত্তবানদের আত্মমানবতার সেবাই এগিয়ে আসার অনুরোধ ও আহ্বান জানিয়েছেন।
মাস্ক হস্তান্তর কালে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডাঃ এস এম মনিরুজ্জামান, শেবাচিমের ইনডোর চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডাঃ সুদিপ কুমার হালদার আউটডোর ডক্টরস এসোসিয়েশনের সভাপতি ডাঃ সৌরভ সুতার, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ নূরুন্নবী তুহিন, ইনডোর চিকিৎসক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডাঃ আশিক দত্ত, সেবা তত্ববধায়ক সেলিনা আক্তার, চকবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সহ সভাপতি জিয়াউল আলম ও স্বদেশী বস্ত্রালয়ের পক্ষ থেকে পালকির তত্বধীকারি তাপস ভুইয়া প্রমুখ ।
// পলাশ চন্দ্র দাস :: বরিশাল //
