২৪ ঘন্টায় করোনায় মৃত্যু ৯, আক্রান্ত ৫২৩জন। চট্টগ্রাম বিভাগ।।

 

বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত- হয়ে চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা গত এক বছরের সর্বোচ্চ রেকর্ড। এ নিয়ে চট্টগ্রামে করোনায় মোট মৃত্যু হয়েছে ৪২৩ জনের।

এ সময়ে ২২৮ জনের দেহে নতুন করে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ সনাক্ত হয়েছে। মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাড়িয়েছে  ৪৪ হাজার ৩১৯ জন। আজ (রবিবার) চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের অনুযায়ী , গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের ৫ টি ল্যাব ও কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাব সহ মোট ৬ টি ল্যাবে ১ হাজার ৬৮৭ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রফিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ৮০৯ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৫২ জন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ( চমেক) হাসপাতাল ল্যাবে ৪৩৪ টি নমুনা পরীক্ষা করে ১০ জন, চট্টগ্রাম ভেটেনারী অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ১৫৪ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৫৩ জনের দেহে করোনার জীবানু সনাক্ত হয়েছে।

এছাড়াও শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ৪০৬ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৭৯ জনের, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ৫২ টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৭ জনের, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালেররিজিওনাল টিবি রেফারেন্স ল্যবরেটরিতে(আরটিআরএল) ল্রাবে ১২ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৭ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব সনাক্ত হয়েছে।

এদিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি), ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ও কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে গত ২৪ ঘন্টায় কোনো নমুনা পরীক্ষা করা হয়নি।

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১ হাজার ৮৬৭ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত- হয়েছেন ২২৮ জন।

উক্ত সময়ে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত- চট্টগ্রামে করোনায় মোট মৃত্যু হয়েছে ৪২৩ জন। চট্টগ্রামে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪৪ হাজার ৩১৯ জন। নতুন আক্রান্ত-দের মধ্যে ২০৪ জন নগরীর এবং ২৪ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।

// আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো  //

বরিশাল সদরে টিসিবির পণ্য কিনতে এসে ক্রেতারা মানছেনা সামাজিক দূরত্ব

 

বরিশাল নগরীতে বিক্রি হচ্ছে টিসিবির পন্য, মানছেনা সামাজিক দূরত্ব, পুরো বিশ্ব যখন করোনা ভাইরাসের ভয়ে আতঙ্কিত, তখন বরিশাল  নগরীতে  বিভিন্ন পয়েন্টে দীর্ঘ লাইন ধরে টিসিবির পণ্য কিনছেন নগরবাসী।সামাজিক দূরত্বের তোয়াক্কা তারা করছেনই না  সকাল থেকেই দেখা গেছে এই চিত্র ।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষা পেতে সোশ্যাল ডিসট্যান্সের ওপর গুরুত্বারোপ করলেও টিসিবির পণ্য কেনার লাইনে দেখা যায়, ক্রেতারা পিঠের সঙ্গে পিঠ লাগিয়ে অপেক্ষা করছেন। এভাবেই লাইন ধরে পণ্য কিনছেন ক্রেতারা। কেন তারা এমন চলছে, আইনের লোকজনের দৃষ্টিগোচর হওয়া উচিত ছিল।

করোনা ভাইরাসের বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে ক্রেতারা বলেন, তারা এ বিষয়ে জানেন। কিন্তু পণ্য কিনতে হবে। তাই নিরুপায় হয়েই নাকি তারা তাড়াহুড়ো ও ধাক্কাধাক্কি করছেন।

টিসিবির পণ্য বিক্রেতা বলেন, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে।  প্রতিদিন একইরকম ভিড় থাকে। আমরা দূরত্ব বজায় রাখতে বললে ক্রেতারা তা মানছেনা।

// পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল //

সালাম মূশের্দী সেবা সংঘের আয়োজনে খুলনা  রূপসায় মাক্স বিতরণ

 

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী ও এনভয় গ্রুপের পরিচালক সারমিন সালামের  সার্বিক  সহযোগিতায়-  ১১ এপ্রিল সালাম মূশের্দী সেবা সংঘের আয়োজনে দিনব্যাপী রূপসা  উপজেলা সদরে মাষ্ক বিহীন পথচারীদের মাঝে   মাক্স বিতরন  সহ করোনা ভাইরাস দ্বিতীয় ঢেউ  মোকাবেলা করার জন্য পথচারী ও সাধারন মানুষের মাঝে গণসচেতনতা মূলক প্রচারণা করা হয়।

এসময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে অনুষ্ঠিত এ  মাক্স বিতরণে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম‍্যান কামাল উদ্দিন বাদশা, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য  অধ্যক্ষ ফ ম আ: সালাম, বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ মি:বাংলাদেশ আজাদ আবুল কালাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবিব,ভাইস চেয়ারম‍্যান ফারহানা আফরোজ মনা।

মাষ্ক বিতরন ও সচেতনতা মূলক প্রচারনা

অন্যন্যাদের মধ্য উপস্থিত ছিলেন-এমপির প্রধান সমন্বয়কারী ও যুবলীগ নেতা মোঃ নোমান ওসমানী রিচি,সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের টীম লিডার ও যুবলীগ নেতা সামসুল  আলম বাবু, আওয়ামীলীগ নেতা মিয়া আরিফ হোসেন, স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি রুহুল আমিন রবি,যুবলীগ নেতা আ:মজিদ শেখ, ছাত্রনেতা হামীম কবির রূবেল,তরিকুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মোঃ শিমুল হোসেন,ছাত্রনেতা খায়রূজ্জামান সজলসহ নেতৃবৃন্দ।

।। আ: রাজ্জাক সেখ, খুলনা ব্যুরো ।।

 

গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মারা গেছে ৭৮ জন

 

বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

পূর্বে ১০ এপ্রিল একদিনে করোনায় ৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এনিয়ে সর্বমোট মৃত্যু হয়েছে ৯,৭৩৯ জনের।

নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৮১৯ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৬ জনে।

আজ রবিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গ বিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন চার হাজার ২১২ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন পাঁচ লাখ ৭৬ হাজার ৫৯০ জন।

সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২৪৮টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১২১টি, জিন এক্সপার্ট ৩৪টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ৯৩টি।

এসব ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ২৯ হাজার ২৯৮টি। আগের নমুনাসহ মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৯ হাজার ৩৭৬টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৫০ লাখ ২ হাজার ৮৬৫টি।

এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৮১ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৪ দশমিক ২০ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪২ শতাংশ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৭৮ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৪৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২০ জন, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে চার জন করে আট জন, সিলেট বিভাগে দুই জন। এছাড়া রংপুর বিভাগে এক জন রয়েছেন। এদের মধ্যে হাসপাতালেই মারা গেছেন ৭৭ জন, বাড়িতে এক জন।

মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬০ বছরে ঊর্ধ্বে ৪৮ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১৬ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে সাত জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ছয় জন, শূন্য থেকে ১০ বছরের মধ্যে এক জন রয়েছেন।

এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ৫৩৩ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ২২৬ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন এক লাখ ১১ হাজার ১৩১ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন ৯৫ হাজার ৫৭১ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৫ হাজার ৫৬০ জন।

এর আগে গত ৭ এপ্রিল দেশে একদিনে করোনা শনাক্ত হয় সাত হাজার ৬২৬ জন। যা দেশে একদিনে করোনা শনাক্তে সর্বোচ্চ রেকর্ড। আর গত ৬ এপ্রিল একদিনে করোনা শনাক্ত হয়েছিল সাত হাজার ২১৩ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য মতে, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর ধীরে ধীরে আক্রান্তের হার বাড়তে থাকে।

অনলাইন ডেস্ক।।

বেগম খালেদা জিয়া করোনায় আক্রান্ত

 

গত কয়েকদিন যাবত বিএনপির চেয়ারপারসন  বেগম খালেদা জিয়া জ্বরে ভুগছিলেন তাই তিনি করোনা সংক্রমিত কিনা জানতে শনিবার বিকালে রাজধানী গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে তাঁর রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকার অন্যতম একটি বেসরকারি হাসপাতালের প্রতিনিধি।হাসপাতালের করোনা পরীক্ষায় পজিটিভ ফলাফল আসে।

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ হয়েছে বিষয়টি ১১ এপ্রিল -২০২১ রোজ রবিবার হাসপাতালসহ একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রে সমকাল বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

‘‘সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘ’’ এর প্রতিনিয়ত কোভিড-১৯ সচেতনতা ও মাস্ক বিতরণ কার্যক্রম চলমান

 

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী ও এনভয় গ্রুপের পরিচালক সারমিন সালামের  সার্বিক  সহযোগিতায়-  ১০ এপ্রিল সালাম মূশের্দী সেবা সংঘের আয়োজনে দিনব্যাপী রূপসা উপজেলা প্রাঙ্গন সহ   বিভিন্ন  স্থানে মাষ্ক বিহীন পথচারীদের মাঝে   মাষ্ক বিতরন ও সচেতনতা মূলক প্রচারনা করে চলেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে অনুষ্ঠিত হয়।

// আ: রাজ্জাক সেখ, খুলনা ব্যুরো //

মিতা হক আর নেই..// প্রখ্যাত রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মিতা হক

 

 

ছায়ানটের রবীন্দ্র সঙ্গীত বিভাগের প্রধান, বরেন্য  রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মিতা হক আর নেই।  রোববার ভোর ০৬:১৫ মিনিটে  রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় (ইন্নালিল্লাহি…রাজিউন)।

মিতা হকের ননদাই শিল্পী সোহরাব উদ্দিন জানান – গত ৩১শে মার্চ  মিতা হক করোনা আক্রান্ত হন। এরপর তিনি নেগেটিভ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরে যান। তিনি কিডনি রোগে ভুগছিলেন তাই তার ডায়লাইসিস করতে হতো।

শনিবার ডায়লাইসিসের সময় তার প্রেসার ফল করে। এর পর বাসায় নেওয়ার পরও আবার তার প্রেসার ফল করে। সে সময় হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসকরা জানান, মিতা হক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন।

এরপর রোববার ভোর সোয়া ৬টায় রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তিনি বলেন, কেরানীগঞ্জে মিতা হকদের আদি বাড়িতে তার দাফন হবে। তবে শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানের বিষয়ে পরে জানানো হবে।

মিতা হকের জন্ম ১৯৬২ সালে। তিনি বাংলাদেশ বেতারের সর্বোচ্চ গ্রেডের তালিকাভুক্ত শিল্পী। সঙ্গীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ২০২০ সালে একুশে পদক প্রদান করে।

মিতা হক প্রথমে তার চাচা ওয়াহিদুল হক এবং পরে ওস্তাদ মোহাম্মদ হোসেন খান ও সনজীদা খাতুনের কাছে গান শেখেন। ১৯৭৪ সালে তিনি বার্লিন আন্তর্জাতিক যুব ফেস্টিভালে অংশ নেন। ১৯৭৬ সাল থেকে তিনি তবলা বাদক মোহাম্মদ হোসেন খানের কাছে সঙ্গীত শেখা শুরু করেন। ১৯৭৭ সাল থেকে নিয়মিত তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারে সঙ্গীত পরিবেশনা করেছেন।

 

মিতা হক অভিনেতা – পরিচালক খালেদ খানের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। খালেদ খান ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। এই দম্পতির ফারহিন খান জয়িতা নামে এক কন্যা সন্তান রয়েছে।

মিতা হক সুরতীর্থ নামে একটি সঙ্গীত প্রশিক্ষণ দল গঠন করেন যেখানে তিনি পরিচালক ও প্রশিক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন ।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

 

খুলনার তেরখাদা উপজেলায় করোনা সচেতনতা ও মাস্ক বিতরণ করেছে ‘‘সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘ’’

 

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী ও এনভয় গ্রুপের পরিচালক সারমিন সালামের  সার্বিক  সহযোগিতায়-  ১০ এপ্রিল সালাম মূশের্দী সেবা সংঘের আয়োজনে দিনব্যাপী তেরখাদা উপজেলার   বিভিন্ন  স্থানে মাষ্ক বিহীন পথচারীদের মাঝে   মাষ্ক বিতরন ও সচেতনতা মূলক প্রচারনা করা  হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে অনুষ্ঠিত এ  মাক্স বিতরণে প্রধান অতিথি হিসাবে মাক্স বিতরণ করেন জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য  অধ্যক্ষ ফ ম আ: সালাম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মোঃ মোতালেব হোসেন,

সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এফএম অহিদুজ্জামান, সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবীব,

তেরখাদা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ শারাফাত হোসেন মুক্তি,

সাংগঠনিক সম্পাদক  বাছিতুল হাবিব প্রিন্স,এমপির প্রধান সমন্বয়কারী ও যুবলীগ নেতা মোঃ নোমান ওসমানী রিচি,সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের টীম লিডার সামসুল  আলম বাবু, আওয়ামীলীগ নেতা মিয়া আরিফ হোসেন

সাংবাদিক সেলিম আহমেদ, অরবিন্দ প্রসাদ সাহা, মিয়া আলী হোসেন, ফরহাদ হোসেন, হারুন শেখ, আরিফুজ্জামান অরুন, হাসিনা বেগম প্রমুখ।

  // আ: রাজ্জাক সেখ, খুলনা ব্যুরো //

খুলনায় কোভিড-১৯ দ্রুত বিস্তার রোধে জেলা প্রশাসকের সভা অনুষ্ঠিত

 

 করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা ও মহানগর কমিটির সভা শনিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে খুলনা সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মোঃ কামাল হোসেন অনলাইনে যুক্ত ছিলেন। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক ছিলেন সভার প্রধান অতিথি ।

 

 সভায় সিটি মেয়র বলেন, জেলায় প্রতিদিনই করোনা রোগী বেড়ে চলেছে । করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও বাধ্যতামূলকভাবে মাস্কের ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং লকডাউন কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে । তিনি করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকারের পাশাপাশি সকলকে সহযোগিতা করার আহবান জানান।

 

 আলোচনা সভায় করোনা রোগীর সু-চিকিৎসা নিশ্চিতে সার্বিক সমন্বয়ের জন্য কমিটি গঠন করা হয়। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে করোনা চিকিৎসার জন্য নিদিষ্ট করার প্রস্তাব করা হয়। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিদ্যমান একশটি করোনা বেডের সাথে আরো একশটি বেড বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়। দ্রুততার সাথে করোনা টেস্টের রেজাল্ট দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়াও সভায় এক বিভাগ থেকে অন্য বিভাগে টিকা প্রদানে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।

 

 সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডাঃ রাশেদা সুলতানা, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ এটিএম মঞ্জুর মোর্শেদ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান, সিভিল সার্জন ডাঃ নিয়াজ মোহাম্মদ, উপপুলিশ কমিশনার (সদর) মোহাম্মদ এহসান শাহ, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোঃ ইকবাল হোসেন, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার জিনাত আরা আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ ইউসুপ আলী, খুলনা চেম্বার অব কমার্সের প্রতিনিধি ডা: সেখ ফরিদ উদ্দিন, সরকারি কর্মকর্তাসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

// আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো //

যশোরেও ঝড়ের গতিতে বইছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ

 

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সুনামির মতো বইতে শুরু করেছে বৃহত্তর যশোরে।
আজ ১০ এপ্রিল-২০২১ রোজ শনিবার যশোর জেলার বিভিন্ন উপজেলার লোকদের বিভিন্ন ল্যাবরেটরীতে নমুনা পরীক্ষার ফলাফলে দেখা যায় মোট আরটি. পিসিআর নমুনা পরীক্ষা করা হয় ২২৯ জনের। এর মধ্যে করোনা পজেটিভ আসছে ৫৯ জনের এবং নেগেটিভ আসছে ১৭০ জনের। আক্রান্তের হার ২৫.৭৬%।

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২১৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজেটিভ আসছে ৫৫ জন। এখানে নমুনায় আক্রান্তের হার ২৫.৬%। আর খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৪ টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজেটিভ আসছে ০৪ জন এবং আক্রান্তের হার ২৬.৬%
করোনায় আক্রান্তের হার গাণিতিক হারে যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে করে কঠোর লকডাউন ছাড়া করোনার এই দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলা সত্যিই কষ্টসাধ্য হয়ে যাবে।তাই এখন থেকে পারিবারিক,সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে করোনার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা অতীব জরুরি।

 

।।স্বীকৃতি বিশ্বাস,   নিজস্ব প্রতিবেদক।।